Blog

  • হরমুজ প্রণালীর টোল: ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রথম অর্থ জমা

    হরমুজ প্রণালীর টোল: ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রথম অর্থ জমা

    ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত টোল থেকে সংগৃহীত প্রথম অর্থ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। খবরটি বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ প্রকাশ করেছে।

    ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবেই বলেছেন, ‘হরমুজ থেকে পাওয়া টোলের প্রথম অর্থ ইরানের সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকেছে।’ თუმცა তিনি কীভাবে এই রাজস্ব সংগ্রহ করা হয়েছে বা কারা তা পরিশোধ করেছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দেননি।

    আরেক শীর্ষ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমিও তাসনিমকে বলেছেন যে তিনি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে শুনেছেন, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলো থেকে টোল আদায় শুরু করেছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাজগুলো থেকে সংগৃহীত রাজস্বের পরিমান ভিন্ন হতে পারে—এটি নির্ভর করে পণ্যের ধরন, পরিমাণ এবং বহন করা ঝুঁকির মাত্রার ওপর। এছাড়া, কীভাবে ও কী পরিমাণে টোল আদায় হবে, তা নির্ধারণ করার নিয়মও ইরানই ঠিক করে।

    তেহরানের ঘোষণার আগে থেকেই বিষয়টি আলোচ্য ছিল। ইরান জানিয়েছিল তারা কেবল ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলোর জাহাজকে হরমুজে চলাচলের অনুমতি দেবে এবং প্রতি জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার টোল নেওয়া হবে—তবে তখন স্পষ্ট করা হয়নি কারা এবং কীভাবে এই টোল দেবে বা আদায় করা হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার পাশাপাশি এই টোল সংগ্রহ নিয়ে কড়া বক্তব্যও পাওয়া গেছে। মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১২ এপ্রিল তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি মার্কিন নৌবাহিনীকে এবং relevant কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা এমন প্রতিটি জাহাজকে শনাক্ত করে আটক করতে, যেগুলো ইরানকে টোল দিয়েছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে ‘যে অবৈধ টোল দেবে, গভীর সমুদ্রে তার যাত্রা নিরাপদ হবে না।’

    কীভাবে টোল আদায় বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এর ফলে আন্তর্জাতিক নৌপথ ও বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে—এসব প্রশ্ন এখনই তীব্রভাবে উদিত হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা বিস্তারিত না দেয়ায় আন্তর্জাতিক সমাজ এবং বাণিজ্য অংশীদাররা আরও স্পষ্টতা আশা করছে।

    সূত্র: তাসনিম নিউজ, বিবিসি

  • ট্রাম্পের দাবি: ভারত-চীন থেকে অনেকে কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে

    ট্রাম্পের দাবি: ভারত-চীন থেকে অনেকে কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একটি বিতর্কিত পডকাস্ট শেয়ার করেছেন, যেখানে ভারত ও চীনের নাগরিকদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। পডকাস্টটি মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের ‘‘স্যাভেজ নেশন’’ শো–র। অনুষ্ঠানে স্যাভেজ ভারত এবং চীনকে ‘জাহান্নাম’ বলে অভিহিত করে এবং অভিযোগ করেছেন যে উভয় দেশের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসে কেবল নবম মাসে সন্তান জন্ম দিতে, এরপর তারা তাদের পুরো পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে।

    স্যাভেজ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ধারণার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এধরনের নীতি ‘‘তাৎক্ষণিক’’ নাগরিকত্ব দিয়ে বিদেশ থেকে আসা মানুষদের সুবিধা করে দেয়। তিনি বিষয়টি আদালতের জায়গায় রেখে না দিয়ে একটি জাতীয় গণভোটেরও দাবি তুলেছেন।

    পডকাস্টে স্যাভেজ আরও বলেছে, তিনি ভারতীয় ও চীনা অভিবাসীদের ‘‘ল্যাপটপধারী গ্যাংস্টার’’ হিসেবে দেখেন এবং অভিযোগ করেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের মের্যাদা ও অর্থনৈতিক সুযোগ ক্ষুণ্ণ করেছে। তিনি দাবি করেন, এসব মানুষ ক্যালিফোর্নিয়ার হাই-টেক শিল্পে শ্বেতাঙ্গদের চাকরির সুযোগ কমিয়ে দিয়েছে।

    স্যাভেজের যুক্তি ছিল, আধুনিক বিমানের যুগে গর্ভবতী নারীরা সহজেই যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিতে পারায় পুরনো সংবিধান এই বাস্তবতার মোকাবিলা করতে সক্ষম নয়। তার কথায়, ‘‘সংবিধান লেখা হয়েছিল বিমান চলাচলের আগে… এখন মানুষ নবম মাসে বিমানে করে এখানে আসে’’—ওই পরিবর্তিত বাস্তবতার কথাই তিনি তুলে ধরেছেন।

    ট্রাম্প এই পডকাস্ট শেয়ার করেন এমন এক সময়ে, যখন এক দিন আগে তিনি সিএনবিসি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেয় এমন আর কোনো দেশ নেই। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানায়, ট্রাম্পের ওই বক্তব্য তথ্যগতভাবে সঠিক নয়। বাস্তবে কানাডা, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ দেশসহ বিশ্বের প্রায় তিন ডজনেরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের বিধান রয়েছে।

    ট্রাম্পের এই শেয়ার ও স্যাভেজের মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষত ভারত ও চীনে ব্যাপক নিন্দার আওয়াজ শোনা গেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনী প্রেক্ষিতে ট্রাম্প পুনরায় কড়া অভিবাসনপ্রতিবদ্ধ অবস্থান নিচ্ছেন এবং এধরণের উসকানিমূলক বক্তব্য নির্বাচনী সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করছেন।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • শৈলকুপায় বিএনপি’র দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ নিহত, আহত ৩০

    শৈলকুপায় বিএনপি’র দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ নিহত, আহত ৩০

    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মাধবপুর গ্রামে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহন শেখ (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষটি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে ঘটে। ঘটনাস্থলে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের খবর পাওয়া যায়।

    আহতদের মধ্যে অনেককে প্রথমে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর ইউনিয়নের আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে اختلاف চলে আসছিল উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) ও জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে। স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি’র দুই নেতাও এই বিরোধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

    উপজেলা বিএনপি’র ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ইউপি সদস্য সের আলী তরিকুল ইসলাম সাদাতের সমর্থক হিসেবে এবং সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান দুলাল আবু জাহিদের সমর্থক হিসেবে এলাকায় প্রভাব বাড়াতে তাদের সমর্থকরা কয়েকদিন ধরে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেয়।

    মশিউর রহমানের অভিযোগ, বুধবার রাতে সাদাতপন্থী সমর্থকরা পাশের লক্ষিপুর গ্রামে একটি সামাজিক সভা শেষ করে ফেরার পথে মাধবপুর গ্রামের মশিউরের সমর্থক আজিজ খার ছেলে লিটন খায়েরকে হামলা করে। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে সের আলীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহন শেখের বাড়িতে হামলা চালায়। খবর ছড়ালে দুইপক্ষের সমর্থকরা মুহূর্তে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং তা ক্ষণিকের মধ্যে ব্যাপক রূপ নেয়।

    ঘটনায় গুরুতর আহত মহন শেখকে দ্রুত শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে থাকা কয়েক জনের নাম — আব্বাস মোল্লা, ছালামত আলী, সাকিল হোসেন, মিল্টন খন্দকার, আসাদ বিশ্বাস, বসরত হোসেন, জমির বিশ্বাস, ফরিদুল শেখ, ওয়াসিম বিশ্বাস, মিন্টু হোসেন, আসাদুল বিশ্বাস, পিকুল হোসেন, আসিক শেখ, বিপ্লব বিশ্বাস, হৃদয় হোসেন, আমিরুল ইসলাম — সহ মোট প্রায় ৩০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    জিলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। বুধবার রাতে তাদের এক সমর্থকের ওপর হামলার পর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরের দিন পুনরায় হামলা হয় এবং মহন শেখকে হত্যা করা হয়।

    অভিযোগ সম্পর্কে যোগাযোগ করলে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) পাওয়া যাননি। তবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম দাবি করেছেন, মাধবপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি সামাজিক সহিংসতা থেকে উদ্ভূত; এতে যুবদলের সরাসরি কোনো যোগ নেই।

    নিহত মহন শেখের ছোট ভাই আফসার উদ্দিন শেখ বলেন, তার ভাই ওই সকালে দোকানে চা খেতে যাওয়ার সময় ওয়ার্ড বিএনপির সের আলীর সমর্থকরা আচমকা হামলা করে।

    শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, সামাজিক আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। ঘটনার সত্যতা জানাতে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

  • শার্শায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: বিপাকে ১২ শিক্ষার্থী

    শার্শায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: বিপাকে ১২ শিক্ষার্থী

    যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় এসএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র ব্যবহারের ঘটনায় অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী আতঙ্কে এবং নিজের ফলাফল ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায়। বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র (কেন্দ্র নং-৫৩১)-এর ২০৬ নম্বর কক্ষে ওই দিনে ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার পরে একজন পরীক্ষার্থী বুঝতে পারেন যে তিনি ২০২৫ সালের পুরনো সিলেবাস অনুযায়ী থাকা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন, যদিও তিনি নতুন সিলেবাস অনুসারে পরীক্ষার্থী ছিলেন। এ তথ্য শিক্ষকদের জানালে তদন্তে আরও ১১ জন শিক্ষার্থী একই ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে বলে নিশ্চিত করা যায়।

    ঘটনাটি সামনে আসতেই কেন্দ্রের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ আছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পরীক্ষার্থীদের দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করার অনুরোধ করা হয়, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা মর্মাহত ও বিব্রত বোধ করে এবং অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    স্থানীয়রা প্রশ্ন করছেন—একই কক্ষে একই বিষয়ে একাধিক ভিন্ন প্রশ্নপত্র কীভাবে পৌঁছালো? কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা আগে প্রশ্নপত্র যাচাই করেননি কেন? ভুলের দায় কার? এই ব্যর্থতা শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে অভিভাবক ও স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    অভিভাবকরা সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্তের পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন ভুল আর না ঘটে।

    হল সুপার ও সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন জানান, একই কক্ষে কীভাবে ভিন্ন প্রশ্নপত্র এলো তারা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না এবং বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডে জানানো হবে। শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান বলেছেন, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে; তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।

    অপর দিকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা মেটাতে দ্রুত, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীলভাবে তদন্ত চালিয়ে উপযুক্ত সমাধান প্রদানে তৎপরতা নেওয়ার চাপ now স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষের উপর বলার মত।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়ে সিরিজ এখন সমান বাংলাদেশের

    শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজয়ে সিরিজ এখন সমান বাংলাদেশের

    তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার কাছে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফেরল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ আগে থাকা নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারাকে ধরে রাখতে পারেনি। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে আগামী শনিবার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হবে।

    বাংলাদেশ এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি টপঅর্ডারের — মাত্র ৪ রানে অনুষ্ঠিত অবস্থায় দুই ব্যাটার আউট হয়ে যান। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ২ রান করে ও শারমিন আক্তার সফোর্টলি শূন্য রানে ফিরে যান।

    দলে একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক জ্যোতি; তিনি এক পৃষ্ঠের ইনিংস খেলেন এবং ১০১ বল খেলে ৫৮ রান করে আউট হন। তার ইনিংসটি চারটি চারে সাজানো ছিল। দলের অন্য ব্যাটারদের উপস্থিতি ছিল সীমিত: শারমিন সুলতানা ২৫, সোভনা মোস্তারি ৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতুমনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০, রাবেয়া খান ১৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১। বাংলাদেশের ইনিংস থামল ১৬৫ রানে।

    শ্রীলঙ্কার জবাবে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু হয় থ্রিলার লড়াই। ওপেনার হাসিনি পেরেরা মাত্র ৫ রান করে ফেরেন, আর ইমেশা দুলানি আউট হন ৮ রানে। দলের হয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করেন অধিনায়ক চামারি আতাপাতু; ৩৯ বলে তার ইনিংস ৪০ রান, যার মধ্যে ছিল আটটি চার।

    চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুণারত্নের ৭৭ রানের জুটিই শেষে ধরেছিল সফরকারীদের জয় পথ। সামারাবিক্রমা ৫০ ও করুণারত্ন ৪০ রান করে আউট হন। এরপর কৌশানি মাত্র ৪ রানে ফেরেন। শেষদিকে কাভিশা ও নীলাক্ষী মিলে দায়িত্বশীলভাবে ইনিংস শেষ করে দেয় এবং শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেটে লক্ষ্যটি পূরণ করে জয় নিশ্চিত করে।

    বাংলাদেশের হয়ে বোকিং-লড়াইয়ে নাহিদা আক্তার সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন। এছাড়া সুলতানা খাতুন ও রিতুমনি এক করে উইকেট পান। শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন অধিনায়ক চামারি আতাপাতু; আরও তিনজন বোলার করে দুটি করে উইকেট নেন।

    ম্যাচ শেষে দুই দলই şimdi তৃতীয় ম্যাচে সব রকমের প্রস্তুতি নিচ্ছে—যেখানে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের জন্য এটি পুনরুদ্ধারের সুযোগ, আর শ্রীলঙ্কার জন্য সিরিজ জয়ের স্বপ্ন পুরো করার মঞ্চ।

  • খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনায় স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক কর্মসূচি ২০২৫-২৬-এর আওতায় খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে খুলনা জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার বালক-বালিকাদের জন্য অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান। তিনি ফেস্টুন ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার শুরুর ঘোষণা করেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিভাগীয় ফুটবল কোচ শেখ আশরাফ হোসেন, অ্যাথলেটিক্স কোচ মোঃ আমির আলী, মোঃ আবুবক্কার ও শেখ ইদ্রিস আলী। সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান।

    প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দৌড়, লং জাম্প ও অন্যান্য ট্র্যাক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য স্কুল পর্যায়ের ক্রীড়া চর্চা উৎসাহিত করা, মেধাবী খেলোয়াড়দের চিনে নেওয়া এবং ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও প্রসারিত করা।

    অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে мед্যাল, শংসাপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় এবং ক্রীড়া কর্মকর্তারা সব শিশু-কিশোরকে নিয়মিত অনুশীলন ও স্বাস্থ্য সচেতনতার পরামর্শ দেন। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় পড়ে মারা গেলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাসায় পড়ে মারা গেলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী

    অকালেই থেমে গেল অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহীর জীবন ও কর্মের পথচলা। মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান; বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।

    সূত্র বলছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাড়িতে আচমকাই মাথা ঘোরা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি ঘরেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মাথায় আঘাত পান। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দিব্যাঙ্কা বুলন্দশহরে জন্ম; পরিবারসহ গাজিয়াবাদেই থাকতেন।

    বুধবার সকালে গাজিয়াবাদে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। প্রযোজক জিতু ও শিল্পী বিকাশসহ হরিয়ানভি চলচ্চিত্র অঙ্গনের বহু পরিচিত মুখ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষাগতভাবে দীব্যাঙ্কা চৌধরী চরণ সিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং সিকিমের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। আঞ্চলিক বিনোদন জগতে ধীরে ধীরে নিজের স্থান তৈরি করছিলেন; বিশেষ করে গায়ক মাসুম শর্মার সঙ্গে একাধিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে ক্ষণিকের মধ্যে নজর কাড়েন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমানেও তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।

    একটা সাক্ষাৎকারে দিব্যাঙ্কা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও নাচের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। অভিনয়ভঙ্গি ও আবেগপ্রকাশের জন্য ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোই তাকে বেশি পরিচিতি এনে দেয়।

    সূত্র: বলিউড লাইফ

  • গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা-সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডি তলব

    গম পাচারের অভিযোগে নায়িকা-সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে ইডি তলব

    ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) গম পাচারের অভিযোগে অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নুসরাত জাহানকে তলব করেছে। ভারতের একাধিক মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, রেশন দুর্নীতি ও সীমান্ত দিয়ে খাদ্যশস্য পাচারের মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

    সূত্র বলছে, করোনাকালীন সময়ে সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে একাধিক ট্রাক আটক করা হয়েছিল। এসব ট্রাকে সরকারি রেশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত গম এবং চাল থাকার অভিযোগ উঠেছে এবং সন্দেহ করা হচ্ছে সেগুলো অবৈধভাবে বাংলাদেশে পাচার করা হয়েছিল। 당시 বসিরহাট থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন নুসরাত জাহান—তাই তদন্তকারীরা তার ভূমিকা ও সম্পর্কিত কিছু বিষয় খতিয়ে দেখতে চান।

    ইডি তাকে কলকাতার সিজিও (Central Government Offices) কমপ্লেক্সে নির্ধারিত দিনে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই তলব গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়; এটি কেবল তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা নির্দেশ।

    এ ব্যাপারে এখনও নুসরাত জাহানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মামলার বিবরণ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে ইডি থেকে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে।

    গম পাচার ও রেশন দুর্নীতির এই প্রশ্নটি এবার নতুনভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও আলোচনা সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি সরাসরি তৎকালীন স্থানীয় প্রশাসন ও জননেতাদের দায়িত্ব-পরিসরের দিকে নজর আকর্ষণ করছে। তদন্তে যাদের নাম জড়ানো থাকবে, তাদের সম্পর্কে ইডি প্রয়োজনীয় করা পদক্ষেপ নেবে—তাই সংবাদ অনুসরণ করে পরবর্তী আপডেট জানা যাবে।

  • সেনাপ্রধান: যুদ্ধের জন্য নয়, যুদ্ধ এড়াতেই আমরা প্রস্তুতি নেই

    সেনাপ্রধান: যুদ্ধের জন্য নয়, যুদ্ধ এড়াতেই আমরা প্রস্তুতি নেই

    সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আমরা যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিই না; আমাদের প্রস্তুতির লক্ষ্য হলো দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে সংঘাত এড়িয়ে যাওয়া। কার্যকর পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য — এই ভাবনাই তার বক্তৃতার মূল ভিত্তি ছিল।

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুরের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’–এর সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিন সপ্তাহব্যাপী কোর্সটি ৫ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছে এবং এতে মোট ৪৫ জন ফেলো অংশগ্রহণ করেন; তাদের মধ্যে সংসদ সদস্য, জ্যেষ্ঠ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীরাও ছিলেন।

    সেনাপ্রধান জোর দিয়েছেন যে দেশের আমদানি-রপ্তানি সমুদ্রপথনির্ভর হওয়ায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে তিনি বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নেরও গুরুত্ব তুলে ধরেন — দক্ষ নৌ ও বিমান শক্তি না থাকলে আন্তর্জাতিক মেরুদণ্ড ধরে রাখা কঠিন হবে।

    জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ পাঁচ দশক পার হলেও দ্বিতীয় রিফাইনারি না হওয়ার ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। দেশে মাত্র একটিই রিফাইনারি থাকায় চাহিদা মিটতে অল্প পরিমাণ তেল পরিশোধন করা সম্ভব হয় এবং বাকি জ্বালানি বহুমূল্যে আমদানি করতে হয়।

    আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাবও স্মরণ করিয়ে দেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল সম্পর্কিত উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর মতো কৌশলগত অঞ্চলের সঙ্কট সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনেও প্রভাব পড়ছে।

    রোহিঙ্গা সংকটকে তিনি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এর স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনীতি, সমাজ ও নিরাপত্তা খাত—সকলকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।

    সমাপনী বক্তব্যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এনডিসিতে এ ধরনের কোর্সের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

    ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমানও কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তঃক্ষেত্রীয় সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় মেলবন্ধন গড়ে তোলার গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, গঠনমূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে একক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী ও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, এনডিসির অনুষদ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফজলুর রহমানকে নিয়ে মন্তব্য: কুষ্টিয়া-৩ এমপি মুফতি আমির হামজাকে ফের আইনি নোটিশ

    ফজলুর রহমানকে নিয়ে মন্তব্য: কুষ্টিয়া-৩ এমপি মুফতি আমির হামজাকে ফের আইনি নোটিশ

    কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে আবারও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জেলা ছাত্রশক্তি নেতা মো. আই-ইয়াশ ইমনের পক্ষে জজ কোর্টের আইনজীবী নুরুল ইসলাম এই নোটিশ দেন।

    নোটিশে বলা হয়েছে, দশ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমির হামজা কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনসম্মুখে নানা সময় অশোভন উক্তি ও অপপ্রচার করে চলেছেন। অভিযোগে বলা হয় তিনি ফজলুর রহমানকে ‘ফজু পাগলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন, পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলেছেন এবং এমনকি কুকুর মারার ইনজেকশনের মতো মন্তব্যও করেছেন। নোটিশে দাবি করা হয়েছে এসব বক্তব্য একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে এবং ফলে ফজলুর রহমান সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    নোটিশ পাঠানোর পেছনে আই-ইয়াশ ইমন বলেন, ‘ফজলুর রহমান আমার পছন্দের ব্যক্তি এবং একটি সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য চলতে দেওয়া যায় না—এজন্য আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি।’

    আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন রিসিভ করা হয়নি।

    উল্লেখ্য, চলতি মাসেই এমপি আমির হামজাকে দুই দফা আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। গত ১ এপ্রিল এক ব্যক্তি মো. হৃদয় হাসানের মাধ্যমে আইনজীবী আব্দুল মজিদকে দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়, যেখানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখার প্রসঙ্গে ৫০ কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করার দাবি ছিল। এরপর ১৩ এপ্রিল সদর উপজেলার রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির হয়ে জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুল মজিদের মাধ্যমে আমির হামজাকে আরেকটি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল, যা জেলা প্রশাসককে নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত।

    এই মুহূর্তে ঘটনাটি নিয়ে উভয়পক্ষের মন্তব্য যোগাড় না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্থির রয়েছে।