Month: December 2025

  • জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের আকস্মিক মৃত্যুয় সৃষ্টি হয়েছে শোকের ছায়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন অঞ্চলে অনুষ্ঠিত ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’ শেষ করার কিছুক্ষণ পরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনাটি ঘটে ২৩ নভেম্বর, যখন দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স ছিল মাত্র ৩৫ বছর।

    প্রত্রিবেদনে জানানো হয়, তীব্র তাপপ্রবাহের মাঝে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফিনিশিং লাইন পার করার পরপরই ববি গ্রেভস মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এক ঘণ্টার চিকিৎসার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    স্থানীয় পুলিশ বলেছে, রেস শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায়, এবং গ্রেভস সকাল ৭টার মধ্যে দৌড় শেষ করেন, যা খুবই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সম্ভব হয়। ফিনিশিংয়ের ঠিক পরেই তিনি বুকের দিক দিয়ে অস্বস্তির অনুভূতি জানান। উপস্থিত একজন কর্মী নজর দেন এবং তাকে মাটিতে পড়ার পূর্বেই গ্রেভসকে ধরা হয়। ফায়ার সার্ভিস এবং রেসকিউ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে, গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে বলেছিলেন, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।’ তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। এই হতাশাজনক খবরের পর তার পরিবার ও অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া পড়েছে।

    জানা গেছে, জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইনাঙ্গে স্নাতক গ্রেভস ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ আইনী ফার্মে সহকারীর কাজ করতেন। বর্তমানে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে ময়নাতদন্ত চলছে, ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে দ্বিতীয় নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর প্রথমবার তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী মুখ খুলেছেন। ২৪ নভেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বেশ কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছিল। মৃত্যুর সময় তার জুহু বাসভবনের সামনে অ্যাম্বুলেন্স দেখা যাওয়ার পর উদ্বেগ বেড়েছিল, অবশেষে নিশ্চিত হওয়া যায় তিনি আর জীবিত থাকতে পারেন না। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের মনীষীরা—অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অন্যান্য প্রীয় তারকারা। 

    ধর্মেন্দ্রর এই অকাল প্রয়াণের খবরের ব্যাপ্তি যতই সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে, ততই মানুষের মনে শোকের ছায়া কেঁপে উঠছে। তবে গেঁথে থাকা নীরবতাকে ভেঙে এবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন। সঙ্গে তার স্বামীর সাথে অজস্র অদেখা ছবি প্রকাশ করেন, যা দেখলে অন্তর কাঁৃপ ওঠে।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের অংশ। তিনি ছিলেন একজন প্রেমের স্বামী, তার দুই কন্যা ঈশা ও অহনার ভালোবাসার বাবা, স্নেহশীল বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং জীবনের কঠিন সময়গুলোয় ভরসার স্থির বিশ্বাস। হেমা ব্যক্ত করেন, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখেছিলেন।

    তিনি আরও জানান, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেও ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা, জনপ্রিয়তা ও বিনয় তারকে জনমানসে এক অনন্য স্থান দিয়েছে। এর মাধ্যমে তাকে যেন চিরকাল স্মরণ করে রেখার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে এই শূন্যতা বহন করা কঠিন হলেও, স্মৃতি ও ভালোবাসার আলোর মধ্যে তিনি আপামর শান্তি খুঁজে পাবেন বলে বিশ্বাস করেন।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের এই কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেম ও বিবাহের গল্প ছিল সিনেমার মতো রোমাঞ্চকর ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর থেকে সন্তানেরা—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল। সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে, যা পরে গভীর বন্ধনে পরিণত হয়।

    ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ সম্পর্কে আবদ্ধ হন। এ ঐতিহাসিক বিয়ে তখন ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে, তবে তার পরেও তাদের সম্পর্কের গভীরতা ও ভালোবাসা কখনো কমেনি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই কন্যা—ঈশা ও অহনা। বিতর্কের শেষ নেই, কিন্তু চার দশক ধরে নিজেদের দাম্পত্য জীবনে প্রেম ও বিশ্বাসের বন্ধন অটুট রেখেছেন তারা। একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি সিনেমায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য

  • নায়িকা পপি’র বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো আত্মীয়স্বজন

    নায়িকা পপি’র বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো আত্মীয়স্বজন

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি’কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। বুধবার (২৬ নভেম্বর) এর মাধ্যমে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠানো হয়, যা নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজে। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী এবং তার আত্মীয় সাদিকা পারভিন পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। অভিযোগ থাকলে পারিবারিকভাবে বা আইনগতভাবে সমাধান করা উচিত, কিন্তু তিনি তা না করে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন। আমি এই বিষয়গুলো বিষদে জানিয়ে আইনিভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। এর আগে তিনি আমাকে দোষারোপ করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছিলেন, যার জন্য আমি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) দিয়েছি। তবে, এই আইনি নোটিশে স্পষ্ট করা হয়, আমার মক্কেল ঢাকায় একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে কর্মরত। এর সঙ্গে পপির সম্পর্কের সূত্রপাত তার চাচা প্রয়াত মিয়া কবির হোসেনের জামাই হিসেবে। তারা পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে লিপ্ত, যা মূলত একটি বৈধ হেবা দলিলের মাধ্যমে আমার মক্কেলের স্ত্রী ও মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এই সম্পত্তির কোনও উত্তরাধিকার বা দখল আমার মক্কেলের নেই, কারণ সব লেনদেন ও বিতরণ কিসের দ্বারা হয়। তবে, ২১ নভেম্বর ঘোষিত একটি টিভি অনুষ্ঠানে পপি বিষয়টি নিয়ে অহেতুক মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করেন যা তারা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও অসত্য। এই পরিস্থিতিতে, আইনিভাবে সকল দিক স্পষ্ট করে আইনত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

  • জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) আর নেই। তিনি শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুপুরে হঠাৎ করে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন জেনস সুমন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে কিছু পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জেনস সুমনের প্রথম জনপ্রিয় গান ছিল ‘একটা চাদর হবে’, যা নব্বই দশকে রাতারাতি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ঠেলে দেয়। ইথুন বিংবুসহ অন্যান্য শিল্পীদের সাথে তার গাওয়া এই গান শ্রোতাদের মন জয় করে। এরপর তিনি একাধিক অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যার মধ্যে মিক্সড অ্যালবামও রয়েছে। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পরে চলতি বছর আবার তিনি সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয় তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গান। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আরও নতুন কিছু গান নিয়ে ফিরছেন। কিন্তু তার আগেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

    শিল্পীর প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর আরও কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যালবাম প্রকাশিত হয়, যেমন- ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ অন্যান্য। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’। তাঁর মৃত্যু বাংলা সংগীতজগতে এক গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নতুন চমক সোশ্যাল মিডিয়ায়

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নতুন চমক সোশ্যাল মিডিয়ায়

    মেগাস্টার শাকিব খান বর্তমানে ঢালিউডে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। তার কার্যক্রম আর নতুন লুকগুলো যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে দিয়েছে। তিনি এখন যেকোনো চরিত্র বা বিজ্ঞাপনে থাকলেই তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সম্প্রতি তিনি একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন, যা বেশ ચર્ચার কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই বিজ্ঞাপনটির জন্য প্রকাশিত এক পাইলটের নানা ছবি নিজ ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন শাকিব। এই ছবিগুলোতে দেখা যায়, সাধারণ চেহারার বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক শাকিব খানকে, যার গ্ল্যামার এবং নতুন স্টাইল সবাইকে মুগ্ধ করে তুলছে। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’ এই ছবি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। ভক্তরা তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, কেউ বলছেন, ‘এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!’ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, ‘চলচ্চিত্রের আসল পাইলট।’ তবে কিছু নেটজনতা মনে করছেন, এগুলো সম্ভবত এআই-নির্মিত ছবি, যদিও মেটা এআই বা চ্যাটজিপিটি এই ছবিগুলোকে এআই-জেনারেটেড বলে স্বীকার করেনি। অন্যদিকে, শাকিবের আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত এই সিনেমায় তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একাই যুদ্ধ করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বিরুদ্ধে। এই সিনেমা দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়, শাকিব খান তার অভিনয়ে নতুনত্ব ও চমক দিয়ে দর্শকদের মনে দাগ কেটে যাচ্ছেন।

  • শীর্ষ আটে মোস্তাফিজ, ইমনের লম্বা লাফ রেজাল্ট

    শীর্ষ আটে মোস্তাফিজ, ইমনের লম্বা লাফ রেজাল্ট

    আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ ম্যাচ ও পুরো সিরিজ শেষে প্রকাশিত আইসিসির নতুন টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের জন্য বেশ সুখবর এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের তারকা মোস্তাফিজুর রহমান দুর্দান্ত পারফর্ম করে দুই ধাপ এগিয়ে এখন তালিকার অষ্টম স্থানে স্থান করে নিয়েছেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে তিনি দুর্দান্ত বোলিং করেন, মাত্র ৩ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে নজর কাড়েন সবাইকে। এই পারফর্মেন্সের ফলে তিনি ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান থেকে এখন র‍্যাংকিংয়ের পঞ্চম থেকে থ্রিডির দূরত্বে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের মধ্যে শীর্ষ বোলার হিসেবে স্থান পেয়েছেন।

    ওই সিরিজে ব্যাটসম্যানদের তালিকায়ও বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস। পারভেজ হোসেন ইমন ২১ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩৮তম স্থানে পৌঁছেছেন। শেষ দুই ম্যাচে ৪৩ ও ৩৩ রান করে তিনি এই অবস্থানে উঠেছেন। অন্যদিকে, শেখ মেহেদি হাসান তিন ধাপ এগিয়ে ১৪তম স্থানে এসেছেন। রিশাদ হোসেনও দারুণ করেছে, প্রথম ও শেষ ম্যাচে চার উইকেট নেন এবং এবার ১৫তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    নাসুম আহমেদও আছেন উন্নতির শিখরে, তিনি পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৫ নম্বরে পৌঁছেছেন। তানজিম হাসান সাকিব দুই ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৩৫তম স্থানে অবস্থান করছে।

    আয়ারল্যান্ডের বোলারদের মধ্যেও বাংলাদেশিদের মতই উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। মার্ক অ্যাডায়ার ১৩ ধাপ লাফিয়ে ৫০ নম্বরে উঠে আসেন। ম্যাথিউ হামফ্রিজ ৭৩তম ও ব্যারি ম্যাকার্থি ৭৪তম স্থানে অবস্থান করে যথাক্রমে ৪০ ও ২১ ধাপ উন্নতি করেছেন।

    টি-টোয়েন্টি বোলারদের শীর্ষে রয়েছেন ভারতের ভারুন চক্রবর্তী। পাকিস্তানের আবরার আহমেদ ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান হিসেবে চতুর্থ স্থানে পৌঁছেছেন।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায় পাকিস্তানের সাইম আইয়ুব ১২ ধাপ উন্নতি করে এক নম্বর position ধরে রাখছেন। তার পাশে রয়েছে শীর্ষে আসা সিকান্দার রাজা, যিনি এই তালিকায় দু’নম্বরে।

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ও এই র‌্যাংকিংয়ে বেশ কিছু সুখবর পেয়েছেন। পারভেজ ইমন শেষ দুই ম্যাচে ৪৩ ও ৩৩ রান করে ২১ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩৮তম অবস্থানে উঠেছেন। তবে, টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু অবস্থানে থাকা ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান। শেষ ম্যাচে ফিফটি করে তিনি এক ধাপ পিছিয়ে ১৯তম স্থানে আছেন।

    অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও তাওহিদ হৃদয় যৌথভাবে ৪২তম স্থানে আছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৩ রান করে হৃদয় ৫ ধাপ অগ্রগতি করেছেন।

    আরও কিছু উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ৬ ধাপ এগিয়ে এখন ৫০তম এবং হ্যারি টেক্টর ১২ ধাপ উন্নতি করে ৬৯তম স্থানে পৌঁছেছেন। শ্রীলঙ্কার কামিল মিশারা সবচেয়ে বড় অগ্রগতি করেছেন। ত્રিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি এক লাফে ৯১ ধাপ এগিয়ে ১৮তম স্থানে অবস্থান করছেন।

  • চোট পাশে থাকলেও সৌম্যর ফিফটি, ঢাকা-খুলনা ম্যাচ ড্র

    চোট পাশে থাকলেও সৌম্যর ফিফটি, ঢাকা-খুলনা ম্যাচ ড্র

    ম্যাচের প্রথম দিনটি ছিল খেলোয়াড়দের জন্য বেশ রোমांचকর। খুলনা দক্ষিণের প্রথম ইনিংসে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে, যেখানে মোহাম্মদ মিঠুন ৫৯ এবং শেখ পারভেজ জীবন ৩৪ রান করেন। আর অতিথি দল ঢাকার জন্য বলটাই ছিল বেশ কঠিন। ঢাকার ইনিংসটি শেষ হয় ৩১০ রানে, যেখানে ফয়সাল আহমেদ রায়হান ৭৭, জিসান আলম ৫৭, মার্শাল আইয়ুব ৫৩ এবং আনিসুল ইসলাম ইমন ৪৮ রান করেন। রানের অঘোরে ঘুরে দাঁড়ানো খুলনা দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ভালো করতে সক্ষম হয়, যেখানে তারা ২৮০/১০ রান করে। সৌম্য সরকার ৫৫ রান করেন, ৭১ বলের মধ্যে হাঁকান ৫ চার ও ২ ছক্কা। তার সাথে জিয়াউর রহমান ৩২ রানে অপর গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ৭৮ রান। খুলনা দুই ইনিংস মিলিয়ে ২৮০ রান করে অল আউট হয়, যখনই লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৪ রানের। ঢাকা দল ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান তুললে, দুই দল ম্যাচটা ড্র করে স্বাগতিক ও অতিথি দলের জন্য। তাতে খেলা শেষ হয়। ঢাকার জন্য রায়ান রাফসান ৫৪ ও আশিকুর রহমান ২৩ রান করেন, আর খুলনার হয়ে বাঁ-হাতি পেসার মেহেদী হাসান রানা ২ উইকেট নেন। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডে দেখা যাচ্ছে, খুলনা প্রথম ইনিংসে ১৯৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮০ রান করে, আর ঢাকা প্রথম ইনিংসে ৩১০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৩ রান করে। ম্যাচের সেরা নির্বাচন করা হয় ফয়সাল আহমেদকে।

  • খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের যৌথ উদ্যোগে খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ। তিনি তার বক্তব্যে তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেন এবং এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল এসপি মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপ-পরিচালক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় প্রকৌশলী মোঃ আওলাদ হোসেন ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান। উদ্বোধনী খেলায় বান্দা স্কুল ও কলেজ ডুমুরিয়া পেনাল্টি শুটআউটে ৪-৩ গোলে বিএন স্কুল ও কলেজকে পরাজিত করে। এর সঙ্গে এক দিনে আরও তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলার যুবীদের একতাবদ্ধ ও উৎসাহিত করে ক্রীড়া মৌলিক সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এসব প্রতিযোগিতা চালু করা হয়।

  • বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরুর সময় থেকেই পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা এই প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে আসছেন। শহিদ আফ্রিদি, শোভেব মালিক থেকে শুরু করে বর্তমানে সাইম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ পর্যন্ত বিভিন্ন পাকিস্তানি তারকা এই টুর্নামেন্টে দেখা গেছে। আসন্ন বিপিএলের জন্য কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে নিলামের মাধ্যমে দলে ভিড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, কিন্তু এবার তাদের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাব্য অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    ক্রিকেট বিষয়ক এক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ব্যস্ত সূচির কারণে এই খেলোয়াড়রা পুরো মৌসুমে খেলতে পারবেন না। ফলে দলগুলো বিকল্প পরিকল্পনা খুঁজছে।

    আগামী বিপিএলের আয়োজন তার সূচি অনুযায়ী চলতি ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে। একজন কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, “আমরা জানি পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা পুরো মৌসুমে উপস্থিত থাকবেন না। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের শ্রীলঙ্কা সিরিজ রয়েছে, আর এর কয়েক সপ্তাহ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে।”

    পাকিস্তান দল এই বছর জানুয়ারির ৭, ৯ ও ১১ তারিখ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা শ্রীলঙ্কায় ক্যাম্প করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এরপর তারা জানুয়ারির শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

    বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তান দল এছাড়াও শ্রীলঙ্কায় যাবে, যেখানে তারা অংশ নেবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত আয়োজন হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

    অপরদিকে, এবারের বিপিএলে বেশ কিছু জনপ্রিয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেমন—সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ, সাহিবজাদা ফারহান, উসমান খান, ইমাদ ওয়াসিম, খুশদিল শাহসহ অনেকে। তবে, জাতীয় দায়িত্বের কারণে তাদের বেশিরভাগের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।

    পিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “এটা সত্যি নয় যে আমরা এনওসি (ছাড়পত্র) দিচ্ছি না। যারা আবেদন করেছে, আমরা তা প্রক্রিয়াধীন রেখেছি। কারা এনওসি পাবে এবং কারা পাবে না, সেটা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যদি জাতীয় দলে থাকতে হয়, তবে সেটিই অগ্রাধিকার পাবে। বিশ্বজুড়ে এই নিয়মই মানা হয়।”

    ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ধারণা, শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে বা সিরিজের মাঝের সময়ে কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটারের খেলার সুযোগ থাকলেও, যারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পরিকল্পনায় নেই, তারা বিপিএলে আরও বেশি ম্যাচ খেলতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এবার গর্বের এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো। প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম সম্মানিত আইসিসি এ্যালিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য বড় একজন প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় গর্বের মুহূর্ত।

    এ আনন্দের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে দেশের সার্বিক ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস বইছে, একইসঙ্গে দেশের নাম বিদেশে উজ্জ্বল করেছেন সৈকত। এই বিশেষ উপলক্ষ্যে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস তার ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হওয়ায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটি শুধু আপনার জন্য না, পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনের জন্যই বড় একটি সম্মান ও ঐতিহাসিক ঘটনা। আপনাদের এই মাইলফলক বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তম মঞ্চে বাংলাদেশের জন্য গৌরবের বিষয়। আপনার সফলতা অন্য নতুনদের জন্য পথ দেখাবে এবং আপনাকে দেখতে পাবো ভবিষ্যতেও নানা বড় চূড়ায়।’

    ইমরুলের এই বার্তায় দেশের জন্য গৌরবের বিষয়টি স্পষ্ট, যা দেখায় যে, অ্যাশেজে দায়িত্ব পাওয়া শুধু এক ব্যক্তির সফলতা নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন।

    সৈকত দীর্ঘ দিন ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আইসিসির এ্যালিট প্যানেলে স্থান করে নিয়েছেন। এরপর তিনি নিয়মিতভাবে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

    তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতার বিষয়। বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ও আলোচিত সিরিজে আম্পায়ারিং করার অর্থ হলো নিজের স্বীকৃতি অর্জন করা, যা এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শরফুদ্দৌলা সৈকত উপভোগ করছেন। এটি সত্যিই দেশের জন্য এক গৌরবের বিষয় এবং ক্রিকেটের অনুরাগীদের জন্য এক অনন্য মুহূর্ত।