Month: December 2025

  • সোনার দামে আবারো বৃদ্ধি

    সোনার দামে আবারো বৃদ্ধি

    বাংলাদেশে সোনার মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৭৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে ভালো মানের সোনার বাজারমূল্য দুই লাখ ১২ হাজার টাকার বেশি হয়ে গেছে।

    সোমবার (১ ডিসেম্বর) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দরগুলো আগামী মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস বলছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ানোর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের সোনার দামের প্রভাব পড়েছে। বৈশ্বিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে এখন ৪ হাজার ২২২ ডলারের বেশি।

    নতুন দামের অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের এক ভরি দেকে ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দর ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা।

    এছাড়া, সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০০১ টাকার বেশি।

  • নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা

    নভেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী শ্রমিকরা কাছাকাছি ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকারও বেশি (প্রতি ডলার ১২২ টাকায় হিসেব করে)। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৮ হাজার ৪১৮ কোটি টাকার বেশি। এ সময়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে দেশে এসেছিল প্রায় ২.২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

  • সোনার দাম কিছুটা কমল, এক হাজার ৫০ টাকা হ্রাসে ভরি দরে বিনিয়োগে সুবিধা

    সোনার দাম কিছুটা কমল, এক হাজার ৫০ টাকা হ্রাসে ভরি দরে বিনিয়োগে সুবিধা

    দেশের বাজারে কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির পর অবশেষে কিছুটা দাম কমেছে সোনার। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকায়। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা।

    বুধবার থেকে এই নতুন দরের কার্যকর হবে বলে বাজুসের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দেশের বাজারে তেজাবি বা সূক্ষ্ম মানের সোনার দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি একটি স্বস্তির খবর। একদিকে দাম কমলেও, অলংকারের ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অতীতে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকা, এরপর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দরে ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দরে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা। এর আগে আরও দাম ছিল ২২ ক্যারেটের ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ এক হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন সব পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি আবশ্যিকভাবে যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী এই মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।

    অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। আরও দেখা গেছে, ২১ ক্যারেটের রূপা ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • কাল বাজারে আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    কাল বাজারে আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    বাংলাদেশ ব্যাংক আগামীকাল বৃহস্পতিবার নতুন নকশার ৫০০ টাকার নোট বাজারে আনছে। এটি প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে এবং পরে অন্যান্য ব্যাংকের অফিসে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নতুন নোটের ডিজাইনের মধ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি সামনে স্থান পেয়েছে, মাঝখানে পাতা, কলি এবং জাতীয় ফুল শাপলা এঁকেছে। আর নোটের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ছবি। নোটের জলছাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে। পুরো নোটে সবুজ রঙের আধিক্য দেখা যায়।
    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন সিরিজের অংশ হিসেবে এই নোট প্রথমবারের মত প্রকাশিত হচ্ছে। এতে স্বাক্ষর রাখছেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। নতুন সিরিজের মধ্যে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকার নোট মুদ্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে আসছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।
    নিরাপত্তার জন্য এই নোটে দশটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রঙ পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নোট ঘোরানোর সময় ডান পাশে থাকা ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে বদলে যায়। এছাড়াও নোটে রয়েছে লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা, যা আলোতে দেখলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা স্পষ্ট দেখা যায়।
    দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত যোগ করা হয়েছে, যা স্পর্শে উঁচু মনে হবে। শহীদ মিনার, মূল্যমান সহ কিছু অংশ ইন্টিগ্লিও প্রিন্টে করা হয়েছে, যাতে সেটা স্পর্শে স্পষ্ট বোঝা যায়। এছাড়া, গোপনে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে ধরলে দেখা যায়। নোটের কাপড়ে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যোগ করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোতে দৃশ্যমান হয়।
    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরোনো চলতি কাগজের নোট ও কয়েন অবিরত চালু থাকবে। পাশাপাশি, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোটও তৈরি করা হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর মিরপুর থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগের ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর ও প্রবাহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর আওতায় এখন থেকে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা বিদেশ থেকে পাঠানো সব ধরনের রেমিট্যান্সের সম্পূর্ণ খরচের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠানো হবে। এই তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের নিয়ন্ত্রণ ও খরচের বিষয়টি আরও স্বচ্ছ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ সম্ভব হবে।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এ নির্দেশনা দেন। এর বাস্তবায়ন আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়, প্রবাসীরা যেসব মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যেমন এক্সচেঞ্জ হাউস, ব্যাংক বা অন্যান্য উপায়, সেই সব লেনদেনের যাবতীয় তথ্য প্রতিদিনের ভিত্তিতে দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে। প্রতিটি লেনদেনের মধ্যে রয়েছে তারিখ, রেমিট্যান্সের প্রেরক ব্যাংকের বা হাউসের নাম, ব্যবহার করা উপকরণ, রেমিট্যান্সের অর্থ, বিনিময় হার, ফি বা চার্জ, ভ্যাট বা কর, অন্যান্য খরচসহ মোট খরচের বিশদ বিবরণ।

    এছাড়া, সংকলিত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানো যায়। বর্তমানে, ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণ করছে, যার ফলে খরচ কিছুটা বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সমতা আনার জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহের উন্নতি সাধন এবং প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানো। এর মাধ্যমে দেশীয় অর্থনীতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসের অপ্রতিরোধ্য প্রবাহ নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • জামায়াতের আমিরের মন্তব্য: ফ্যাসিবাদ এখনো বিদায় নেনি

    জামায়াতের আমিরের মন্তব্য: ফ্যাসিবাদ এখনো বিদায় নেনি

    জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদীরা বিদায় নিয়েছে, তবে ফ্যাসিবাদের ধারণা এখনো পুরোপুরি সমাপ্ত হয়নি। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, ফ্যাসিবাদ কোনো রঙের না—কালো বা লাল—সুতরাং বাংলার মাটিতে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদকে আর স্থান দেওয়া হবে না। ইনশাআল্লাহ।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি মাঠে আটটি রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, কেউ যদি আবার ফ্যাসিবাদের ভাষা বলে বা তাদের মতো আচরণ করে, তারা কোন পথ খুঁজে পাবেন না। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র-জনতা এবং শ্রমজীবী মানুষ আর ফ্যাসিবাদকে সহ্য করবে না। অতীতে আমরা রুখে দিয়েছি বিশ্বাসের শক্তিতে, ভবিষ্যতেও রুখে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    তিনি জানান, তিনি কোনও দল বা তাদের বিজয় চাচ্ছেন না। তিনি বাংলার ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশার বিজয়ের জন্য কাজ করতে চান, যা কোরআনের নির্দেশিত আইনে ভিত্তি করে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এর বাইরে কিছু সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    শফিকুর রহমান ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মানুষ নিরাপদে কথা বলতে পারেনি। দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল। দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হওয়ার পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও বাস্তবে দেশের অবস্থা ছিল খারাপ। একদিকে উন্নয়নের নামে বাঁশের নতুন শহর তৈরি হয়েছিল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ। বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়; তবে দেশের বাস্তব পরিস্থিতি অন্য ছিল।

    প্রকাশ্যভাবে আলেম-উলামাদের ওপর আঘাত হানা হয়েছিল, যারা শান্তিপূর্ণভাবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। তাদের নির্যাতন, হত্যা ও রক্তাক্ত চেয়েছে। ৫ মে আনুষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ডের সময় তখনকার সরকার উপহাস করে বলেছিল, কেউ মরেনি, বরং রক্ত দেখে তারা মজা নিয়েছিল। এই নৃশংসতা ও অসহনীয়তা তাদের শাসনামলের চিহ্ন।

    মূল বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, এই ফ্যাসিবাদীদের হাত রক্তে অধিকার। তাদের শাসনামলে পিলখানায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে, দেশপ্রেমিক সেনা ও পুলিশ সদস্যদের অপব্যবহার করা হয়েছে। দেশের বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, যা দেশের স্বাভাবিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    প্রকৃত সমাবেশের শুরু হয় দুপুর পৌনে ২টার দিকে, যেখানে নানা দিক থেকে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। জুমার নামাজও সেখানে আদায় করা হয়।

    বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়খে চরমোনাই), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ আটটি দলের শীর্ষ নেতারা।

    সমাবেশের মূল আয়োজকদের ঘোষিত পাঁচ দফা মূল দাবি হলো:— জুলাই ২০২৫-এর জন্য জাতীয় সার্টিফিকেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভোটের আগে গণভোটের আয়োজন, সংখ্যালঘু ও প্রভাবশালী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, পূর্বের সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার, এবং স্বৈরাচারী দোসর হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি।

  • শেখ হাসিনার দমনবঞ্চনায় খালেদা জিয়ার জীবন সংকটে: তারেক রহমান

    শেখ হাসিনার দমনবঞ্চনায় খালেদা জিয়ার জীবন সংকটে: তারেক রহমান

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুঃশাসনে বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপর বিভিন্ন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে ধরেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এই অভিযোগ প্রকাশ করেন। স্বৈরাচার পতন দিবসের প্রাক্কালে এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘অবিস্মরণীয় দিন হলো ৬ ডিসেম্বর। ১৯৯০ সালে এই দিনে রক্তাক্ত পথে অবসান হয়েছিল স্বৈরশাসনের। ৮২ সালের ২৪ মার্চ শেখ হাসিনা এরশাদ পেশাদারিত্ব ও শপথ ভঙ্গ করে অস্ত্রের মুখে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি ifত্মপ্রাণ নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যায় এবং অসাংবিধানিক শাসন চালু করে। এটি ছিল স্বদেশপ্রেমের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ লড়াই। গেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে পরিচালিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের অংগদান। হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেন।’

    তারেক রহমান গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণ করান। তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর ধরে কঠোর সংগ্রাম করে গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন। তিনি এক অনুপ্রেরণামূলক নেতা হিসেবে বিপুল জনসমর্থন গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বৈরাচারকে পরাজিত করে গণতন্ত্র ফিরে আসে। আবার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, হিংস্র ফ্যাসিস্ট শক্তি ও দমননীতিকে পরাস্ত করে দেশপ্রেমিক জনতা বিজয়ী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছিল গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর শত্রু। শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসান হলে আবারও গণতন্ত্রের পূর্ণ জোয়ার আসবে। আমাদের এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুমসহ বিভিন্ন নিপীড়ন চালানো হয়েছে। অসুস্থ এই নেত্রীর জীবন আজ চরম সংকটে; আল্লাহর কাছে তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। দেশের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর ওপরও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। সারাদেশের মানুষ অবরুদ্ধ ছিল।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আজকের দিনে আমি ’৮২ থেকে ’৯০ পর্যন্ত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। তাঁদের আত্ম anthology কৃতজ্ঞতা জানাই। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামরত সকল আন্দোলনকারী ও দেশপ্রেমিক নাগরিকের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

    শেষে তিনি সবাইকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘গণতন্ত্রের শত্রু শক্তিকে আর পুনরুদ্ধার না করার জন্য আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে। আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশজিন্দাবাদ।’

  • এনসিপির হান্নান মাসউদ বিবাহিত হলেন ছাত্রশক্তির নেত্রী জেদনীকে

    এনসিপির হান্নান মাসউদ বিবাহিত হলেন ছাত্রশক্তির নেত্রী জেদনীকে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, তিনি তাঁর প্রাণের জীবনসঙ্গিনী, জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনীকে বিয়ে করেছেন।

    নিজের ফেসবুক পোস্টে মাসউদ ও জেদনী বিবাহের ছবি সাধারণের সঙ্গে শেয়ার করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তিনি আরও জানান, এই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে প্রেরণা হিসেবে যুক্ত হয়েছে জুলাই মাসের অনুপ্রেরণা। দুজন স্বাধীন ও সচেতন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এই আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি খুবই গর্বিত ও খুশি বোধ করছেন।

    পরিবারের সূত্রে জানা যায়, জেদনী লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জেদনীর বাসায় দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এই শুভ মুহূর্তের আগমনকে চোখের সামনে দেখার জন্য পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।

  • সব দল প্রস্তুত না হলে তফসিল হবে না: নাহিদ ইসলাম

    সব দল প্রস্তুত না হলে তফসিল হবে না: নাহিদ ইসলাম

    ন্যাশনাল নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করতে সরকারের অবশ্যই সব রাজনৈতিক দল প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা (ইসি) তখনই সিদ্ধান্ত নেবে যখন রাজনৈতিক দলগুলো ব্যাকরণগত ও মানসিকভাবে প্রস্তুত হবে। এজন্য তিনি আশা প্রকাশ করেন, সব দল যখন প্রস্তুত হবে, তখনই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এনসিপির পলিসি ডায়লোগ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম জানান, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান কোন ব্যক্তির বা দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং এটি ছিল ফ্যাসিস্ট সংস্কৃতির বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ আন্দোলন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীচর্চা ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দলগুলোই দেশের প্রতিষ্ঠান গড়ে দেয়। তবে স্বাধীনতার পর সেটি অন্যায়ভাবে হারিয়ে গেছে। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালীনও তিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণরূপে এগিয়ে নিতে পারেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    নাহিদ ইসলামের মতে, দেশের উন্নয়নে গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতে ব্যক্তিগত নির্ভরতা থাকায় সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নীতিগুলি বদলে যায়। এর ফলে ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলো একপক্ষের হয়ে কাজ করতে শুরু করে।

    তিনি জানান, তিনি তাদের ভিশন ও মিশন থেকে কোনো আপস করবেন না। গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারই তার মূল এজেন্ডা। আন্দোলনের নাম ‘বৈষম্যবিরোধী’ ছিল সচেতনভাবেই নেওয়া, কারণ এই নামটি আন্দোলনের জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছিল।

    এছাড়াও, তিনি বলেন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পর ৭০ এর নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়, কিন্তু তখনকার সরকারের ঔদ্ধত্যের কারণে তা মানা হয়নি, ফলে দেশে যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ৯০ এর অভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা রক্ষিত হয়নি। যদি ২০২৪ এর অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি পালন না করা হয়, তাহলে দেশ বিপর্যয়ের পথে যেতে পারে।

    নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, এনসিপি কারো সঙ্গে আগে থেকে কোনো গোপন বা প্রকাশ্য চুক্তিতে যায়নি। অপপ্রচার চালানো হয়েছে তাদের ব্যাপারে। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তৃতীয় একটি জোটের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুরোনো দলগুলো, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে জনগণের আস্থা আর থাকেনা। তাই নতুন ধারার রাজনীতি করতে চান তারা।

  • সরকার গঠনের হলে কৃষকের জন্য কৃষি কার্ড ও সহজ ঋণ নিশ্চিত করবো: সালাহউদ্দিন

    সরকার গঠনের হলে কৃষকের জন্য কৃষি কার্ড ও সহজ ঋণ নিশ্চিত করবো: সালাহউদ্দিন

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তাহলে তিনি কৃষকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা, ন্যায্য মূল্যে বীজ এবং সার সরবরাহ, পাশাপাশি সহজ শর্তে কৃষিঋণের ব্যবস্থা। তিনি আরও বলেন, সকল নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে যাতে কেউ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ না করে। দরিদ্র পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এনে পরিবারভিত্তিক কার্ডের মাধ্যমে অতি প্রয়োজনীয় চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

    শুক্রবার সকালে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে গণসংযোগ এবং পথসভায় এ কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকায় আর কোনো উন্নয়ন নিয়ে ভাবতে হবে না; বরং অতীতের তুলনায় শতগুণ বেশি উন্নয়ন হবে এবং এলাকার শান্তি ও উন্নতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

    তিনি আরো বলেন, জনগণের ত্যাগ, শহীদদের রক্ত এবং গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। বিএনপি বিশ্বাস করে, ভবিষ্যতে একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের সংগ্রামের ফলে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি হবে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে, এবং চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত বেকার ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে এক থেকে দেড় কোটি মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হবে।

    তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তা বাস্তবায়ন করে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল হলো স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র রক্ষার দল এবং দেশের উন্নয়নের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।

    এদিন সালাহউদ্দিন আহমদের জনসংযোগ ও পথসভায় মানুষের উপস্থিতি ব্যাপক ছিল। উপস্থিত ভক্তরা তাকে ফুলের ভারসাম্য দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া, তিনি পেকুয়ার মগনামায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সাংসদ, সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ, মাতামুহুরী (সাংগঠনিক) উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউসুফ বদরী, সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ অনেকে।

    পরে তিনি ধারাবাহিকভাবে পূর্ব বড় ভেওলা, শাহারবিল, পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, বদরখালী ইউনিয়নের গণসংযোগ চালান এবং একাধিক পথসভায় বক্তব্য রাখবেন।