Month: December 2025

  • বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল সিদ্ধান্ত রায়ে বহাল

    বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল সিদ্ধান্ত রায়ে বহাল

    বাগেরহাটের সংসদীয় চারটি আসনকে তিনটিতে কমানোর গেজেট বাতিল করে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ সোমবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাগেরহাটের চারটি আসন পুনর্বহাল হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের গেজেটের বৈধতা স্বীকৃতি পেয়েছে।

    গত ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন ফের বিভক্ত করে চারটির পরিবর্তে তিনটি আসন করা হবে। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ওই আসনগুলোর গেজেট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে। আপিল শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। অপরদিকে, গাজীপুর-৬ আসনের প্রার্থীদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট বদরুদ্দোজা বাদল, মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং বেলায়েত হোসেন। বাগেরহাটের রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

    প্রসঙ্গত, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন ছিল, যথাক্রমে: বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলা), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর, কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল, মোংলা) এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন এই আসন পুনর্বণ্টনের জন্য চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে, যার মধ্যে বাগেরহাট-৪টি আসন কেটে গাজীপুর-৬ আসন করে দেওয়া হয়।

    এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রার্থীরা হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন, যার মধ্যে উল্লেখ্য বাগেরহাট প্রেসক্লাব, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, আইনজীবী সমিতি, সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, ট্রাক-ট্যাংকলরি মালিক সমিতি ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. শেখ মাসুদ রানা।

    হাইকোর্টের শুনানি ও রুলের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ও মনোনয়নপ্রার্থীরা আপিল বিভাগে সাহসিক আবেদন করে। এই পুনর্ব্যবহার ও রায়ে বাগেরহাটের সংসদীয় সুবিধা জোরদার হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া আইনের স্বচ্ছতা ফিরেছে।

  • হজের বিমান ভাড়া আরও ১০০ ডলার কমানোর জন্য আবেদন জানানো হছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    হজের বিমান ভাড়া আরও ১০০ ডলার কমানোর জন্য আবেদন জানানো হছে: ধর্ম উপদেষ্টা

    আসন্ন হজ মৌসুমের জন্য বিমান ভাড়া নিরর্থকভাবে বাড়ানো বা সিন্ডিকেটের অবাধ প্রভাব প্রতিরোধে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে আরও ১০০ ডলার কমানোর জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে নাটোরের চারতলা ভবন বিশিষ্ট মডেল মসজিদ এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    ড. খালিদ হোসেন বলেন, ‘২০২৩ সালে হজের জন্য বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা। আমাদের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ভাড়া কমে হয়েছে ২৭ হাজার টাকা, অর্থাৎ এখন পুরো প্যাকেজের জন্য ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এরপরও আমরা বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে আরও ১০০ ডলার কমানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।’

    তিনি আরও জানান, সৌদি সরকারের অনুরোধে গত বছরের তুলনায় এবার হজে যেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের ওপর কিছু কর আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে, যেসব ব্যক্তি ১০ থেকে ১২টি রোগে আক্রান্ত, তাদের হজে পাঠানো হবে না। তিনি নিশ্চিত করেছেন, হজের জন্য স্বচ্ছ ও ট্রান্সপারেন্ট ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি। পরে তিনি শহরের হাফরাস্তায় নাটোর সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে বিকেলে গুরুদাসপুর উপজেলার মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন।

    জেলা পর্যায়ে প্রতিটি মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা, আর উপজেলা পর্যায়ে ১৪ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে তিন শতাধিক মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে, যা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক বাস্তবায়ন।

  • চট্টগ্রামে শিবির নেতার বাবাকে গুলি করে হত্যা

    চট্টগ্রামে শিবির নেতার বাবাকে গুলি করে হত্যা

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুর্বৃত্তের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ছাত্রশিবির সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদের বাবা নুরুল ইসলাম (৫৫) মৃত্যুবরণ করেছেন। এই দূর্ঘটনা ঘটেছে আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে, বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের চৌধুরী পুকুরপাড় এলাকায়।

    নুরুল ইসলাম উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আলী আহমদের ছেলে। সাধারণত একজন সিএনজি অটোরিকশাচালক হিসেবে তার পরিচিত ছিল। জানা গেছে, ঘটনার সময় তিনি ওই এলাকায় এক মাছ ব্যবসায়ীকে সাহায্য করতে যাচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয় লোকজন তার বেসরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পুলিশের ধারণা অনুযায়ী, নিহতের পিঠের বাঁ পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ বলছে, নিহতের গুলির ক্ষত তার শরীরের পেছনে লেগেছে এবং তার গাড়িতেও গুলির চিহ্ন দেখা গেছে।

    নিহত ব্যক্তির ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সম্পূর্ণ ঘটনার সময় তার বাবার শরীরে গুলির চিহ্ন ছিল। তিনি আরো জানান, এর জন্য তিনি পরে বিস্তারিত কথা বলবেন।

    লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নুরুল ইসলাম নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এর মরদেহ লোহাগাড়া থানায় রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সাজীব ওয়াজেদ জয়কে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সাজীব ওয়াজেদ জয়কে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশটি গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জড়িত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে জয় সম্পর্কে। মামলায় অন্য আসামি হিসেবে আছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আদালত প্যানেল এ আদেশ দেন। অন্য সদস্য হিসেবে ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি জয় বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি, পলাতক আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের জন্য দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চান। এরপর, আদালত আগামী ১৭ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

    আইনজীবী লিটন আহমেদ পলকের পক্ষ থেকে বললেন, জেল কর্তৃপক্ষ সপ্তাহে একদিন পলককে পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে দেন না এবং ১৫ দিনে একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন না। এ ব্যাপারে তিনি ট্রাইব্যুনালের অনুমতি চান।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ৪ ডিসেম্বর এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি জয় বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘোষণা দেয়া হয় এবং আজকের দিন শুনানির জন্য ঠিক করা হয়।

  • জরিপের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব

    জরিপের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রেস সচিব

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কারণে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখনও থামেনি। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের অতীত কার্যকলাপের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত সাম্প্রতিক জনপ্রিয়তা জরিপের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে বলেন, বহু বছর ধরে দমন-পীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকা অবস্থায় এই দলের জনপ্রিয়তা জরিপ চালানো কতটা গ্রহণযোগ্য, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

    শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, গবেষণা ও জরিপের নামে পরিচালিত এই ধরনের উদ্যোগ আসলে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান নয়। বরং এগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটার পর একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের অতীত অপরাধকে স্বাভাবিকতার অভ্যেসে রূপান্তর করার এক প্রক্রিয়া। তাঁর মতে, যে দলটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা ও দমননীতির অভিযোগ রয়েছে, তাদের জনপ্রিয়তা মাপার আগে জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    তিনি আরও যোগ করেন, গত ১৬ বছর ধরে বিএনপি নয়, বরং আওয়ামী লীগই ভয় ও অসংখ্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনীতি—বিরোধী সমাবেশে হামলা, হতাহতের ঘটনা, রাস্তা দখল ও অস্ত্রের অবাধ বিস্তার—এসব বিষয় মানুষের জীবনে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছিল। ঢাকাসহ চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে সহিংসতার কারণে সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল।

    বিশ্লেষকদের এক অংশ মনে করেন, ঐ সময়কার সরকার ক্ষমতা ধরে রাখতে জনতার ভয়কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছিল। অভিযোগ রয়েছে, জুলাই-আগস্টের দমন-পীড়নের মাধ্যমে আন্দোলন থামিয়ে আরও দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা হয়েছিল। তবে নতুন প্রজন্ম ভয়কে অস্বীকার করে রাজপথে আসায় সেই কৌশল ব্যর্থ হয়। কেউ কেউ মনে করেন, শেষ পর্যন্ত সরকারও বুঝতে পেরেছে যে সহিংসতা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।

    শফিকুল আলম প্রশ্ন করেন, কোনও জনপ্রিয়তা জরিপ কি ইতিহাসকে অস্বীকার করতে পারে? যদি কোনও দল মাত্র ১০ বা ২০ শতাংশ সমর্থন পায়, সেটি কি বড় কোনও রাজনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারে? বিশেষ করে যখন প্রতি স্মৃতির প্রতি সম্মান দেখানোর কথা মনে পড়ে—যেমন আন্দোলনের সময় নিহত ছাত্র ফাইয়াজের কথা বা জুলাই মাসের বিক্ষোভে জীবন দেওয়া অসংখ্য মানুষের কথা—সতর্ক হওয়া কি এখনও জরুরি নয়?

    তার মতে, ভবিষ্যতে জরিপ ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন হতে পারে, তবে তার জন্য আগে জবাবদিহি নিশ্চিত করাই বাধ্যতামূলক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে আইনি প্রক্রিয়ায় স্থির হতে হবে, তাদের অতীতের সব ঘটনা স্বচ্ছভাবে স্বীকার করতে হবে কোনো অজুহাত ছাড়াই। জবাবদিহি ছাড়া কোনো ধরনের জনপ্রিয়তা পরিমাপের উদ্যোগ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য অসম্মানজনক বলে মনে করবেন তিনি।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি স্থানীয় দৈনিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং অন্তর্বর্তী সরকারগুলো নিয়ে জরিপ-ভিত্তিক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যার ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

  • বেলুচিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ২৩ আফগান সেনা নিহত

    বেলুচিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ২৩ আফগান সেনা নিহত

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে আফগানিস্তান সীমান্তের চামান এলাকায় গত দুই দিন ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন আফগান তালেবান সেনা নিহত হয়েছে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে রোববার (৭ ডিসেম্বর) দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাগুলো ঘটেছে শুক্রবার এবং শনিবার। এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতের দিকে সীমান্তের জামান সেক্টরে আফগান সেনারা প্রথমে ছোট ধরনের অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি চালানোর মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে। এরপর পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা গুলি শুরু করে। প্রথমে হালকা অস্ত্রের ব্যবহারে তেমন গুষ্টি দেখা না গেলেও, প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি চলতে থাকে।

    পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানি সেনারা ভারী অস্ত্র গ্রহণ করে। রকেট লঞ্চার, কামান ও ভারী গোলাবারুদ ব্যবহার করে হামলা চালানো হলে, আফগান তালেবান বাহিনীর তিনটি সীমান্ত চৌকি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

    সূত্রের মতে, সাধারণ আফগান নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘নির্ভুল অস্ত্র’ ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়। তবে প্রথম দফার হামলার পর আফগান সেনারা জনবহুল এলাকায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে থেকে গুলি চালায়। এর জবাবে পাকিস্তানি সেনারা ওই এলাকাতেও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে পাল্টা হামলা চালায়।

    অফিসিয়ালভাবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে দ্য নিউজের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এই সংঘর্ষে মোট ২৩টি আফগান তালেবান সেনা নিহত হয়েছে। ঘটনা বিষয়ে দুই পক্ষের কেউই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

  • থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষে আবারো হতাহতের ঘটনা

    থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষে আবারো হতাহতের ঘটনা

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি প্রতিবন্ধী দেশ, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া, দীর্ঘদিন ধরে চলমান সীমান্ত বিরোধের কারণে আবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে।Recent ঘটনা অনুযায়ী, কম্বোডিয়ার বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলে থাইল্যান্ড নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন থাই সেনাবাহিনী।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উভয় দেশই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে। থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ উবন ręচাথানির কিছু এলাকায় ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, যেখানে থাই সেনারা কম্বোডিয়ার দিক থেকে গুলির মুখে পড়েছেন। এর ফলে একজন থাই সেনা নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।

    অধিকাংশ তদন্তে দেখা গেছে, থাইল্যান্ড এখন বিভিন্ন এলাকায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালাচ্ছে। অপরদিকে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ করে জানিয়েছে, কয়েকদিন ধরে উসকানিমূলক কার্যক্রম চালানোর পর সোমবার ভোরে দুই দেশের নিয়ন্ত্রণের বেশ কিছু স্থানে তাদের বাহিনীর ওপর বিমান হামলা চালানো হয়। তবে, তারা দাবি করেছে যে, কম্বোডিয়ার সেনারা কোন পাল্টা হামলা চালায়নি।

    উল্লেখ্য, চলতি বছর জুলাই মাসে সীমান্ত বিরোধের জের ধরে দুই দেশই পাঁচ দিন ব্যাপী ভয়াবহ যুদ্ধের মুখোমুখি হয়। এই সংঘর্ষের মধ্যে মধ্যে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উদ্যোগে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর, কুয়ালালামপুরে অক্টোবর মাসে দুই দেশের মধ্যে একটি ব্যাপক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ট্রাম্প নিজে উপস্থিত ছিলেন।

    জুলাই মাসের এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয় এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বাসস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই রকেট এবং ভারী কামান দিয়ে একে অপরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল। গত মাসে, একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে থাইল্যান্ডের এক সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর, থাইল্যান্ড ঘোষণা করে যে তারা কম্বোডিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির কার্যকারিতা স্থগিত রেখেছে।

    দীর্ঘ এই সীমান্ত বিরোধ, যা প্রায় ৮১৭ কিলোমিটার স্থলসীমান্তে বৈচিত্র্যপূর্ণ অংশে বিস্তৃত, একশোর বেশি বছর ধরে চলমান। এই সীমান্তের মানচিত্র প্রথম ১৯০৭ সালে চিহ্নিত হয়, যখন ফ্রান্স কম্বোডিয়াকে উপনিবেশ হিসেবে শাসন করত।

    বিরোধের এই দীর্ঘ ইতিহাসের মধ্যে মাঝে মাঝে সংঘর্ষ ও সহিংসতা দেখা যায়। সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ২০১১ সালে, যেখানে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে আর্মি আর্টিলারি গোলাবর্ষণ চলেছিল। সেই সময়, উভয় দেশই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করলেও, বিরোধ সমাধান এখনো পড়ে রয়েছেন।

  • যুদ্ধবিরতিতেও নিহত মানুষ, ইসরায়েলি লাশ গুমের অভিযোগ

    যুদ্ধবিরতিতেও নিহত মানুষ, ইসরায়েলি লাশ গুমের অভিযোগ

    গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সময়ে, পশ্চিম তীরের সংঘাতও নতুন করে জোরদার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন যে, গাজায় মার্কিন প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তুতি শেষ হয়ে এসেছে এবং খুব শিগগিরই তারা এই কঠিন অবস্থার মধ্যে ঢুকে পড়বে। তিনি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন। নেতানিয়াহু আরও জানান, বহুমুখী নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে মাসের শেষের দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সমাধান খোঁজা হবে।

  • জাপানে আঘাত হেনেছে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সতর্কতা জারি

    জাপানে আঘাত হেনেছে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সতর্কতা জারি

    জাপানের উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো অঞ্চলে সোমবার রাতে শক্তিশালী ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে দ্রুতই দেশটির কর্তৃপক্ষ উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করেছে।

    জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের ফলে উপকূলের কাছে প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামি আঘাত হেনেছে। হোক্কাইডো অঞ্চলে স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১১টায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার شدت বেশ শক্তিশালী। এর ফলে এখনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে উচ্চমাত্রার সুনামির জন্য।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে তিন মিটার (১০ ফুট) উচু সুনামি আঘাত হানতে পারে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, মিসাওয়া শহর থেকে ৭৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর দিকে ৭.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, এর উৎপত্তি হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৩.১ কিলোমিটার গভীরে।

    ভূকম্পনের পরপরই হোক্কাইডো, আওমোরি ও ইওয়াতে প্রিফেকচারের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে উচ্চমাত্রার সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, রাত ১১টা ৪০ মিনিটের কাছাকাছি আওমোরি থেকে ইওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন বন্দর এলাকায় সম্ভাব্য সুনামির আঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এই ভূমিকম্পের ফলে এখনো হতাহত বা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর আসেনি, তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্কতা অবলম্বন ও নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

  • হুমায়ুন কবীরের লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত ও বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘোষণা

    হুমায়ুন কবীরের লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত ও বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর এবার লাখো কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবির। এটি বেশ আলোচনায় এসেছে,Especially as this announcement coincided with a অনুষ্ঠানে সংগীতায়োজনের দিনেই তিনি এই পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন।

    তিনি জানান, আগামী বছর হওয়ার বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মুসলিম ভোটারদের সমর্থন আরও জোরদার করতে তিনি এই কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজন করবেন। ফেব্রুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের কোনো এক স্থানে এক লাখ মুসল্লি নিয়ে কোরআন তেলাওয়াতের আয়োজন করা হবে, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাদ্য ও পানীয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

    হুমায়ুন বলেন, ‘বিজেপি এখন হিন্দুত্বের নামে খেলাধুলা করছে না। তারা রাম মন্দিরের অজুহাতে ক্ষমতায় এসেছে। এখন বাংলায় তারা গীতাপাঠের মাধ্যমে মুসলিমদের দমন করার চেষ্টায়। আমি বলতে চাই, আগামী দিনে মুসলমানদের জন্য আরও বড় পরিসরে কোরআন পাঠের অনুষ্ঠান করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘সনাতন ধর্মের মানুষ গীতাপাঠ করেন, এটা আমি সম্মান করি। আমি বিশ্বাস করি, এই ধর্মের মানুষেরাও গীতাপাঠ করতে পারে। তবে আমার লক্ষ্য, মুসলিম ভোটারদের আরও বেশি করে সিট জয় করতে কোরআন পাঠের আয়োজন করব। লাখো মুসল্লি নিয়ে এই অনুষ্ঠান হবে যেখানে আমরাঅনেক হাফেজের মাধ্যমে কোরআন পাঠ করাবো। মুর্শিদাবাদের কোথাও বড় করে প্যান্ডেল বানিয়ে এই আয়োজন সম্পন্ন করা হবে।’

    এর পাশাপাশি, গত শনিবার উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের ভাঙচুরের ৩৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা ২ নম্বর ব্লকের ছেতিয়ানি এলাকায় নতুন বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন হুমায়ুন কবির। এই নির্মাণের ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়। আদালতের অনুমোদন পেয়ে শনিবার নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই পাভিচূর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাপক মুসল্লির সমাগম ঘটে, তবে সরকারিভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও এক দল দাবি করেছে, লক্ষাধিক মানুষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অনেকে মাথা নিয়ে ইট নিয়ে এসেছেন।

    অন্যদিকে, দলের নিয়মের বাইরে গিয়ে এই কর্মকাণ্ডের জন্য হুমায়ুন কবিরকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস অনির্দিষ্টকালের জন্য বহিষ্কার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে এই উদ্যোগ তৃণমূলের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।

    তবে, হুমায়ুন কবির এসব বিষয়ে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যে রামমন্দির নির্মাণ করেছেন, কিন্তু এই ঘটনায় মুসলিম সমাজ কোনো প্রতিবাদ করেনি। তিনি দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদ আবারও নির্মাণ হবে এবং এ কাজে কোনো শক্তিই বাধা দিতে পারবে না।

    অতAdding to this, তিনি জানান, বাবরি মসজিদের জন্য দানের সম্ভাবনা অনেক বেশি। সভাস্থলে রাখা ছিল ১১টি দানবাক্স, যেগুলো দুই দিনের মধ্যে পুরোপুরি ভর্তি হয়। এখন পর্যন্ত চারটি বাক্স এবং একটি বস্তা থেকে মোট দান সংগ্রহ করেছেন ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। পাশাপাশি অনলাইন দানের মাধ্যমে আরও প্রায় ৯৩ লাখ রুপি এসেছে। তিনি বলেন, মূল খরচ হবে প্রায় ৩০০ কোটি রুপি, যা সম্পূর্ণভাবে মুসল্লিদের দানের টাকা থেকে জোগাড় হবে। তিনি আরও জানান, একটি খ্যাতনামা শিল্পপতি ইতিমধ্যেই ৮০ কোটি রুপি দিচ্ছেন এই মসজিদ নির্মাণের জন্য।

    অতNotes that, ১৯৯২ সালে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনা ভারতের ইতিহাসে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত। এই ঘটনার ৩৩ বছর পূর্তিতে, এবার একই দিনে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।