Month: December 2025

  • মির্জা ফখরুলের দাবি: হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন

    মির্জা ফখরুলের দাবি: হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দিকে মনোযোগ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    শনিবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যখন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুল তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

    এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই। তাকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমাদের মতাদর্শ যাই হোক, ভয়ভীতি বা শক্তির আশ্রয় নিলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, তিনি শুনেছেন যে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এই ঘটনার কঠোর জবাব দেবে।

    এর আগে, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমও এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হলো। তারা চান ঢাকা শহরকে চাঁদাবাজ ও গ্যাংস্টার থেকে মুক্ত করতে, এজন্য তিনি ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

  • আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান দাবি এনসিপির

    আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান দাবি এনসিপির

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলির ঘটনা নির্মমভাবে নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা এগিয়ে এসেছে এই হঠকারী হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস শনাক্ত এবং সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি এনে।

    শুক্রবার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এনসিপির যুগ্ম-সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন বলেন, এই হত্যাকাণ্ড কেবল একজন প্রার্থীর ওপর হামলা নয়, এটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামানোর অপচেষ্টাও। তারা প্রার্থীর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছেন। তিনি জানান, এই হামলা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নির্বাচনী পরিবেশের দুর্বলতা নতুন করে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে, শরিফ ওসমান হাদী নিরাপত্তা হুমকি জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা উদাসীনতা নজর কাড়ে।

    নেতৃবৃন্দরা বলেন, এর আগেও জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যালয়ের সামনে বারবার ককটেল হামলা হয়েছে, প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছে, অথচ সরকারের নিস্পৃহতা ও অকার্যকরতা স্পষ্ট। এটাই দেশের বর্তমান পরিস্থিতির দৃষ্টান্ত যেখানে অপরাধীরা ভয়ংকর ক্ষমতায় স্বীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। তারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    অতীতে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়ে আসছে, বাহিনী তৈরি করেছে এবং এখনো তাদের ক্ষান্ত হয়নি। এই অবিরাম সহিংসতা ও অসাম্প্রদায়িক চেহারা নষ্টের অপচেষ্টা অব্যাহত থাকায় দেশের অস্থিতিশীলতা বেড়েছে। যদি আওয়ামী লীগ এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত ও শক্তিশালী অভিযানে না নামে, তবে দেশ আবারও সহিংসতার পথে চলে যাবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।

    নেতৃবৃন্দ আকার দিয়ে উল্লেখ করেন, এখন সময় নিজের ভুল বা দোষধরার প্রত্যক্ষবিচার নয়, বরং মূল অপরাধী ও পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর। তারা জানান, বিভক্তি থাকলে সুবিধা নেবে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দেশবিরোধী অপশক্তি, যারা অতীতে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার মাধ্যমে রাজনীতি কলঙ্কিত করেছে।

    সবশেষে, তারা দেশের নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য আমাদের দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।

    এনসিপি আরও দাবি করে, এই ভয়ঙ্কর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস উদ্ঘাটন এবং সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। তারা জোর দিয়ে বলে, শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা সকলের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আছি এবং থাকবো।

  • নির্বাচা চায় না যারা, তারা ওসমান হাদির ওপর হামলার পরিকল্পনা করে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    নির্বাচা চায় না যারা, তারা ওসমান হাদির ওপর হামলার পরিকল্পনা করে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    বাংলাদেশে যারা নির্বাচন চায় না, তারা এবং নির্বাচনের স্বার্থে অকার্যকর করার জন্যই ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি এ সময় হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সকলের প্রতি ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করে রাখার আহ্বান জানান। গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় একজন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা বাংলাদেশের ওপরই হামলা। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর বিপর্যয়। নির্বাচন তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। তার পরদিনই একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে পদপ্রার্থীর ওপর পরিকল্পিতভাবে প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়েছে। হামলার ধরন দেখে বোঝা যায়, এটি একজন পেশাদার ও প্রশিক্ষিত খুনীর কাজ।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন তাঁর জীবন রক্ষা হয়, দ্রুত সুস্থতা লাভ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই ঘটনার পরেও আমাদের ঐক্য অটুট ও দৃढ़ থাকতে হবে। রাজনৈতিক মতভিন্নতা হতে পারে, কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করা। নির্বাচনের আগে আমরা যেন কোনো বিভাজন ও বিভ্রান্তিতে না পড়ি, সেই জন্য ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আমাদের মূল চেতনায় রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের যে স্বপ্ন দেখেছি তা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা। এ চেতনাকে সামনে রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

    তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশে নির্বাচনকে প্রতিহত করতে চাইছে, যারা গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা হয়ে উঠছে, তারা দেশের ভেতরেও ও বাইরেও আছে। এই শক্তিগুলোর উদ্দেশ্য হলো পতিত ফ্যাসিবাদকে পুনরুজ্জীবিত করে বাংলাদেশকে আবারও একনায়কতন্ত্রের পথে ঠেলে দেয়া। আমরা এই ধরনের অপপ্রচেষ্টা ও হামলার প্রবণতাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা পুরোপুরি বিশ্বাস করি যে, জাতীয় ঐক্য থাকলে এই সকল শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব। দেশের সব গণতান্ত্রিক দল তাদের ঐক্যকে অটুট রেখে, আগামী নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও ফলপ্রসূ নির্বাচন আয়োজনেরই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

  • জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

    জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা, সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এই সাক্ষাৎশন শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষাজীবনে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচित হয়েছিলেন মেজর আখতার। এরপর ২০১৮ সালে তিনি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। তবে ২০২২ সালে বিএনপির সাথে তার বিরোধের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি আর কখনো বিএনপিতে ফিরে আসেননি।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের প্রথম সারির নেতারা তাকে দলটির নীতি, আদর্শ, দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধিকার রক্ষায় দলের অবিচল অবস্থানের ব্যাপারে গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদ ফরম পূরণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    নতুন দলের সদস্য হিসেবে তিনি ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়া, তিনি জামায়াতের নিয়মনীতি, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

    আন্তরিকভাবে তাকে স্বাগত জানিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে বিদায় ও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।

    যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।

    উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান পঞ্চমবারের মতো ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিএনপির থেকে বহিষ্কার হন। তবে বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিষয়ের উপর মন্তব্য করে আলোচনায় আসতেন।

  • প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ

    প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে দলটি এই আন্দোলন চালাচ্ছে।

    শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলে শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের ওপর এই ধরনের হামলা মানেই গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ কলঙ্ক, এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এদিকে, গেল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার কালেভার্ট এলাকায় বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে তৃয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এক প্রার্থী ও বিএনপি নেতাকর্মী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন দুপুরে অস্ত্রধারীরা তাকে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত শরিফ ওসমান বিন হাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানা গেছে, তাকে বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ও হামলা ডিজিটাল গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ যা অবিলম্বে বন্ধ করা জরুরি। এই ঘটনার জন্য দায়ী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনতে সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।

  • লক্ষ্মীপুর নির্বাচন কার্যালয়ে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা

    লক্ষ্মীপুর নির্বাচন কার্যালয়ে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা

    লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের স্টোর রুমে গভীর রাতে দুর্বৃত্তের দ্বারা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, মাস্ক পরিহিত এক যুবক গেটের পশ্চিম পাশে থাকা দেওয়াল টপকে ভিতরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরে আগুনের শিখা দেখা যায় এবং পরবর্তীতে ওই যুবক গেট টপকে পালিয়ে যায়।

    সদর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসাইন জানান, ওই যুবক জানালা ভেঙে বা খুলে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। তখন সেখানে থাকা দারোয়ান হামিম ঘুমে ছিল, তিনি টের পেয়ে পুলিশকে জানালে আগুন দ্রুত নেভানো সম্ভব হয়। তবে এতে কিছু ভোটারদের দ্বিতীয় ফরম এবং অফিসের কিছু জরুরি নথিপত্র পুড়ে গেছে। এছাড়াও, একটি অকেজো ডেস্কটপ-সিপিইউসহ কিছু সরঞ্জাম পুড়muş।

    খবর পেয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও জেলা প্রশাসককে জানানো হয়। পুলিশ তদন্তে নামে এবং সন্দেহভাজনদের ধরতে বিভিন্ন অভিযান চালাচ্ছে।

    জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল হক জানান, তদন্ত ও জড়িতদের শনাক্তকরণের জন্য কার্যক্রম চলছে।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে হাদির পরিবারের সাক্ষাৎ, চিকিৎসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে হাদির পরিবারের সাক্ষাৎ, চিকিৎসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় হাদির পরিবারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় ওসমান হাদির ভাই আবু বকর সিদ্দীক, বোন মাসুমাসহ ইনকিলাব মঞ্চের তিন নেতা—আবদুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা ও মো. বোরহান উদ্দিন—উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রচণ্ড আঘাতের সম্ভাবনা রুখতে এবং তার সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, ‘সারা দেশ তার জন্য দোয়া করছে। তার চিকিৎসার জন্য যত সমস্যা হবে, সরকার তা সমাধান করবে। যদি দেশের বাইরে পাঠাতে হয়, যেখানে চিকিৎসা সবচেয়েমানসম্পন্ন হবে, তখন অবশ্যই পাঠানো হবে।’

    এদিকে, হাদির বোন বলেন, ‘সে ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিল। ছোটবেলা থেকেই সে বিপ্লবের স্বপক্ষে থাকত। তার অপ্রিয় লেখার মধ্যে বিদ্রোহী কবিতা ছিল তার প্রিয়। ayrıca, তার একটি ১০ মাসের সন্তান রয়েছে, যিনি আমাদের মেরুদণ্ড। তিনি আরও বলেন, ‘হাদির অনেক প্রচেষ্টা আছে, ওকে জীবিত রাখতে হবে। আমাদের সরকারকে অবশ্যই তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, কারণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

    অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের বলেন, ‘৫ আগস্টের পর অনেককে বাসায় ফিরে গিয়েছিল, কিন্তু ওসমান হাদির কোনো খোঁজ নেওয়া হয়নি। সে যেনো জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে অ্যাক্টিভ ছিল এবং এইজন্যই তাকে সরাসরি রাজনৈতিকভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। যারা তাকে গুলি করেছে, তাদের মূল চক্রকে চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীদের গ্রেপ্তার জরুরি।’

    ফাতেমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘আমরা চাই সরকারের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে এমন নৃশংস হামলা আর না ঘটে। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।’

    এ সময় অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উপদেষ্টাসহ উপস্থিত ছিলেন।

    হাদির সর্বশেষ পরিস্থিতি
    গতকাল দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা ওসমান হাদিকে গুলি করে। পরে তাকে ঢাকামেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যার পর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মোট আক্রান্তের পর একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি চিকিৎসা বোর্ডের বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আপাতত নতুন কোনো অস্ত্রোপচার বা হস্তক্ষেপ নয়। শুধুমাত্র পর্যবেক্ষণ চালানো হবে। বর্তমানে ওসমান হাদির অবস্থা স্থির, তবে গৌরবজনক পরিস্থিতির জন্য তিনি খুবই সংবেদনশীল। তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে রাখা হয়েছে আর তার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা লক্ষণীয় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

  • নলছিটিতে ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চোরের Brazen অপবিত্রতা

    নলছিটিতে ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চোরের Brazen অপবিত্রতা

    নলছিটিতে ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা সম্প্রতি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে, তখন বাড়ির কেউ উপস্থিত না থাকায় দুর্বৃত্তরা জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে এবং মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়ার পর কত সম্পদ লোপাট হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। 确ত করে বলে জানায় তার স্বজনরা। ওসমান হাদির চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম জানান, ওসমান হাদি ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার মা ও ছোট বোন মাসুমা বেগম পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে ছিলেন না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার পরে তারা শুক্রবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এর ফলে বাড়িটি খালি ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দ্রুতই অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার মধ্যে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার পানির ট্যাংকির পাশে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। মোটরসাইকেলে আসা দুইজন খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে এবং দ্রুত পালিয়ে যায়। এরপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। ব্যক্তির পরিবারের অনুকূল সিদ্ধান্তে তাকে ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে বর্তমানে আইসিইউ-তে তাঁর চিকিৎসা চলছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে ঐ দিনই তার মা ও বোন ঢাকায় যান, আর তখনই এই চুরির ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন এবং তদন্তের জন্য authorities-কে অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানালেন, হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানালেন, হাদির হামলাকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমানকে ঘিরে আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, হাদির জন্য হত্যাচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদে ধরা পড়লে ৫০ লাখ টাকার পুরস্কার দেওয়া হবে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এই তথ্য জানান।

    উপদেষ্টা শরিফ ওসমানকে সুস্থভাবে ফিরে আসার জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, তাকে হত্যাচেষ্টায় জড়িতদের ধরা দিলে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। সবাই তার জন্য দোয়া করুন, যাতে তিনি স্বাভাবিকভাবে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।

    তিনি জানান, আসামিদের ধরার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে, এবং তিনি আশাবাদী, সর্বসম্মত সহযোগিতায় খুব শীঘ্রই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করতে পারবেন।

    উপদেষ্টা আরও বলেছেন, ফ্যাসিস্টদের গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়ানোর দরকার রয়েছে। আগে শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই হাতে অস্ত্র ধরি; এখন যদি নির্বাচনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরাও অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে চান, তাহলে সেটি দেওয়া হবে। তাঁর কাছ থেকে যদি কোনও অস্ত্র জমা থাকে, তাহলে সেটিও ফিরে দেওয়া হবে।

    অন্তঃমহাদূর্ব্যাপি যুদ্ধের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জানান, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহনকারী এই বীরদের নিরাপত্তার জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তাঁদের জীবন-সুরক্ষায় সব রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

  • আসিফ মাহমুদ সরকারের কঠোর কর্মসূচি দাবি করেছেন

    আসিফ মাহমুদ সরকারের কঠোর কর্মসূচি দাবি করেছেন

    দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে অন্তর্বর্তী সরকারকে কঠোর এবং কার্যকরী কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ মন্তব্য করেন।

    আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘সরকার এখন অপারেশন ডেভিল হান্টের থেকেও কঠোর কর্মসূচি হাতে নেওয়া উচিত। কারণ সন্ত্রাসীদের মুক্ত বাতাসে ছেড়ে দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও নির্বাচন কার্যকরভাবে আয়োজন সম্ভব নয়।’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট দলগুলোর সঙ্গে সংযুক্তবুদ্ধিজীবী, টক শোয়ের বক্তা ও তথাকথিত অংগীকারকারীদের সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। যারা ফ্যাসিস্টদের পক্ষে গুলি চালিয়েছে বা তাদের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে, তাদের অপরাধের একই স্তরে গণ্য করা উচিত।’

    এর আগে, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টন এলাকায় ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলিবর্ষণ করা হয়। নির্বাচনি প্রচারণার সময় তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ হন তিনি, পরে তার সহকর্মীরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে।