Month: December 2025

  • নিজের হাতে প্যানা-সাইনবোর্ড অপসারণে বকুলের দৃষ্টান্ত

    নিজের হাতে প্যানা-সাইনবোর্ড অপসারণে বকুলের দৃষ্টান্ত

    বিএনپي ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ স্থাপন করেছেন। গতকাল শুক্রবার জুম্মা ইসলামের নামাজের আগে তিনি নিজে আওয়ামী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে বিভিন্ন স্থানে থাকা রাজনৈতিক প্যানা ও সাইনবোর্ড তুলে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেন।

    খুলনা-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় তিনি মোটরসাইকেল এবং পায়ে হাঁটার মাধ্যমে ঘুরে ঘুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার জন্য স্থাপন করা বিভিন্ন প্যানা ও সাইনবোর্ডগুলোর অপসারণ করেন। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন—“নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা আমরা অবশ্যই মানবো। আমাদের সব প্যানা ও সাইনবোর্ড দ্রুত এবং শান্তিপূর্ণভাবে খুলে ফেলতে হবে। আমরা চাই, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও আইনানুগভাবে সম্পন্ন হয়।”

    বকুল আরও বলেন, “আইন মানার মাধ্যমে আমরা সমাজে সুন্দর উদাহরণ তৈরি করতে চাই। জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে, কে তাদের সেবা করবে।”

    নেতাকর্মীরা জানান, বকুলের নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনা-৩ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধাপে ধাপে সব প্যানা ও সাইনবোর্ড অপসারণের কাজ চলছে। স্থানীয় সাধারণ জনগণের মধ্যেও এই উদ্যোগের প্রশংসা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এর পাশাপাশি, এ গণপ্রচেষ্টায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন, যারা এই স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

  • মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে এক হয়ে কাজ করলে কোনো রকম ষড়যন্ত্রই আমাদের পরাস্ত করতে পারবে না। এই ঐক্যই আমাদের দেশকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন করে তুলবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব প্রার্থী এবং নেতাকর্মীরা একত্রে কাজ করলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে খুলনাসহ দেশের সকল ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী হবে এটি নিশ্চিত। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে সর্বস্তরের জনগণ ও দলের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে কাজ করছে। এর ফলে সকল ষড়যন্ত্র যেমনই থাকুক না কেন, তা আমাদের রুখে দিতে সক্ষম হব।

    গতকাল শুক্রবার তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর সকাল ১১টায় সোনাডাঙ্গা গোবরচাকা এলাকায় নির্বাচন প্রচারণা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। এরপর বিকেলে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে হযরত বেলাল (রাঃ) জামে মসজিদে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া-প্রার্থনার আয়োজন করেন ছাত্রদল নেতা মোঃ কামাল হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায়, এবং মসজিদের ইমাম মোঃ ওহিদুজ্জামান শাহিন দোয়া পরিচালনা করেন।

    উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক নেতা-কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যেমন—আরিফুজ্জামান অপু, ইউসুফ হারুন মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, এইচ এম সালাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, কামরুল আলম খোকন, এড. ওমর ফারুক বনি, মাবুবুর রহমান লিটু, তালেব মোল্লা, সেলিম বড় মিয়া, নাজমুল হোসেন নাসিম, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, একেএম সেলিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রুমী, মামুনুর রহমান, মত্তিয়র রহমান, সাহিদ ইসলাম, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, কবির হোসেন, জীবন মীর, মামুনুর রহমান রাসেল, নূরুজ্জামান কাজী, সুলতান হাওলাদার, ইয়াকুব পাটোয়ারী, আলাউদ্দিন মিয়া, সোলাইমান হাওলাদার ও রুমি খল প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবদান রেখে গেছেন। তার সুস্থতা আজ শুধু বিএনপি’র নয়, এর সঙ্গে জড়িত পুরো জাতির প্রত্যাশা। দলমত নির্বিশেষে, বেগম জিয়া বাংলাদেশের নেত্রী হিসেবে স্বীকৃত। তিনি বর্তমানে ১৮ কোটি মানুষের কাছে ‘মাদার ফিগার’—দেশমায়ের মর্যাদায় অভিষিক্ত। বিএনপি’র সমালোচকরাও একজন নেত্রীর প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন, কারণ মতভেদের মধ্যেও তিনি আমাদের সকলের নেতা।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলা কল্যাণ সমিতি, খালিশপুরের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী মাত্র একজন নারীর নাম বেগম জিয়া। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা তাকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে রেখেছে। ১/১১ এর সময় তার কারাদণ্ডসহ সব ধরনের রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও তিনি গণতন্ত্রের দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে তার সংগ্রাম তার প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃঢ়চিত্তের পরিচয় বহন করে। দেশের বিভিন্ন সংকট, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত আঘাত সহ্য করে তিনি ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। এই গুণ তাকে একজন মাতৃসুলভ, দৃঢ় নেত্রী হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। বর্তমানে তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে, বিপক্ষ রাজনীতির সমালোচকরা পর্যন্ত তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কারণ, তিনি কেবল এক দলের নেত্রী নন, দেশের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা অনুপ্রেরণার स्रोत। গ্রামের সাধারণ মানুষ, শহরের শ্রমজীবী, কৃষক ও প্রান্তিক মানুষদের তিনি বারবার গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর দলের নীতিতেও কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এ দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা স ম আব্দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসেন মৃধা, কাজী শফিকুল ইসলাম, মোঃ হেমায়েত উদ্দিন, শেখ মোঃ রাহাদুল হক কচি, ইঞ্জিনিয়ার শাহিন উদ্দিন, শেখ আল রুবেল, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ নাজমুল কবির, মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ আসাদ, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, বি এম মাফিজুল ইসলাম, সোহেল রানা প্রিন্স, ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হক খান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ রহিম শেখসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। পরে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও প্রয়াত সকল নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।

  • বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র উন্নত করতে আন্দোলনরত বিএনপি নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত করেছে। ঢাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট শহরে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

    বাগেরহাট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন প্রধান সড়ক অতিক্রম করে শহীদ মিনারের কাছে এসে শেষ হয় মিছিলটি। এই সময় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন এমএ সালাম, ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, মাহবুবুর রহমান টুটুল, শাহিদা আক্তার, সরদার লিয়াকত আলী, জাহিদুল ইসলাম শান্তসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ।

    মিছিলে বক্তারা বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, যা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তারা আরও বলেন, এই হামলা নির্বাচনের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা। শ্লোগানে মুখর হয়ে উঠে পুরো শহর। এরূপ হামলাকে বিদ্বেষপূর্ণ ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

    অতীতে যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে চেয়েছে, তারাই এসব হামলার পেছনে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। এমএ সালাম বলেন, হামলা যারা করেন তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর এই ঘটনার পিছনে যারা থাকুক না কেন, তৃণমূল পর্যায়ে ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সব পক্ষের কাছে।

  • খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার ফয়লা ব্রিজের ওপর একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • কাল আসছে নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট

    কাল আসছে নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নকশার ৫০০ টাকার নোট ইস্যু করবে। এই নতুন নোটের প্রথম প্রকাশনার স্থান হবে মতিঝিল অফিস, এর পরে অন্যান্য ব্যাংক অফিস থেকেও এটি পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নতুন এই ৫০০ টাকার ব্যাংকনোটের সামনে রয়েছে শহীদ মিনারের ছবি, মাঝখানে লাল ও সবুজ পাতাসহ বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা। অন্যদিকে, নোটের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক ছবি। নোটের জলছাপের মধ্যে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যার নিচে ইলেকট্রো টাইপে লেখা রয়েছে ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। পুরো নোটে সবুজের আধিক্য দেখা যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের বৈচিত্র্য এবং শান্তির প্রতীক।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্যের উপর ভিত্তি করে নতুন সিরিজের অংশ। এই সিরিজের নোটগুলোতে স্বাক্ষর থাকছে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের। পরিকল্পনা করা হয়েছে এই সিরিজের মধ্যে ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ এবং ২ টাকার নোট ছাপানোর। ইতোমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসেছে, এবং এবার যুক্ত হচ্ছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন এই নোটে বিভিন্ন আধুনিক নিরাপত্তামূলক বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রঙ পরিবর্তনশীল কালি, যা নোটটি নাড়ালে ডান দিকের ‘৫০০’ লেখা সবুজ থেকে নীল রঙে পরিবর্তিত হয়। পাশাপাশি, লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা রয়েছে, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়।

    এছাড়াও, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত দেওয়া হয়েছে। শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ কিছু অংশ স্পর্শে উঁচু মনে হবে, যা সহজেই অনুভব করা যায়। নোটের কিছু গোপন লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে দেখলে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। কাগজের মধ্যে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু যুক্ত থাকায় বিশেষ আলোতে এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালুর পাশাপাশি পুরনো কাগজের নোট ও কয়েন আগের মতোই চালু থাকবে। মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ এক নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোট ও মুদ্রা জাদুঘর, মিরপুর থেকে নির্ধারিত মূল্যায়নে সংগ্রহ করা যাবে।

  • রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ

    রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ার খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ করেছে যে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রবাসীরা বিদেশ থেকে যে কোনও ধরনের রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, সেই লেনদেনের সব তথ্য সংগ্রহ ও আপডেট করতে হবে। এর মধ্যে তাদের এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্যান্য মাধ্যমের মাধ্যমে পাঠানো প্রত্যেক লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই তথ্যগুলো প্রতি দিন সন্ধ্যা ১২টার মধ্যে সংগ্রহ করবে।

  • বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার

    অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। প্রতিদিন ৫০টি করে ইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হবে, যেখানে এক আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজের অনুমোদন দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাজারে পেঁয়াজের disponíveisতা বাড়াতে এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চেষ্টা করা হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে যারা আমদানি অনুমতির জন্য আবেদন করেছিলেন, তাই আবার আবেদন করতে পারবেন। একজন আমদানিকারক শুধুমাত্র একবারই আবেদন করতে পারবে। এই কার্যক্রম চলতি অবস্থায় যতদিন বাড়তি নির্দেশনা না আসে, ততদিন অব্যাহত থাকবে।

    কয়েক মাস আগে হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছিল। মাত্র চার থেকে পাঁচ দিনের ব্যবধানে দাম ৪০ টাকার মতো বেড়ে যায়, কেজি প্রতি দর পৌঁছায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এরপর সরকারের অনুমোদনে আমদানি শুরু হলে দাম কিছুটা কমতে শুরু করে, ধীরে ধীরে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নেমে আসে।

    গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে দেশের পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন পেঁয়াজ শীঘ্রই বাজারে আসবে। তাই কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে এবং ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য আপাতত আরও আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে এই অবস্থানের সুযোগ নিচ্ছেন মজুতদার ব্যবসায়ীরা, ফলে আবারো বাড়ছে দাম। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১১۵ থেকে ১২০ টাকায়, যা এক সপ্তাহে কেজিতে দামে ১০ টাকার বৃদ্ধি।

    অন্যদিকে টিসিবির হিসাবে, গত বছরের তুলনায় এখনো ১০ শতাংশ কম দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতাযুক্ত পেঁয়াজ এসেছে, যার কেজি নেওয়া হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

    পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আমদানি অনুমতি না দেওয়ার ঘোষণা শুনে দামের এই উর্ধ্বগতি ঘটেছে। মজুতদার এবং কৃষকের পর্যায়ে দর বাড়ায়, ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ছে।

    এর আগে, ৯ নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছিলেন, যদি চার-পাঁচ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম না কমে, তবে আমদানির অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমরা বাজারে তীক্ষè নজরদারি চালাচ্ছি। দেশে প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজের মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে। তবে দর না কমলে, আমদানি অনুমতি দেওয়া হবে।’ এছাড়া, সরকারের কাছে বর্তমানে ২ হাজার ৮০০টির বেশি পেঁয়াজ আমদানি আবেদন রয়েছে, যার দশ ভাগের এক ভাগ অনুমোদন দিলে বাজারে পেঁয়াজের ভারসাম্য ফিরবে। তবে এমন অনুমোদনে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার নজরদারি চালাচ্ছে।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও, নভেম্বর মাসে তা আবার বাড়ে এবং ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়ায়। এর আগে সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই হার Slightly বেড়েছে। অক্টোবর মাসে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ, এবং গত বছর নভেম্বরে এটি ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নভেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৮ শতাংশ। লক্ষ্যণীয় যে, টানা দুই মাস ধরে খাদ্য ওবাদির মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

    গত তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি একটি বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে থেকে গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.০৩ শতাংশ।

    বিবিএস উল্লেখ করেছে, গত নভেম্বরে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৪ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের বিষয়।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে অবশ্য জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। এটি সাধারণত বোঝায়, কিছু মাসে দাম বৃদ্ধি কিছুটা ধীরগতি লাভ করেছে। অর্থাৎ, কিছু পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি সাময়িকভাবে কমে গেছে, যা অর্থনীতির বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রভাব।

    অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জন্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বাড়ানো, শুল্ক-কর কমানোসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় যাতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ যেন দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে, সে জন্য বাণিজ্য ও আমদানির ওপর নজর রাখা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির উত্থান-পতন কমানোর চেষ্টা চলছে, যেন দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বাড়ল

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বাড়ল

    দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যা বেড়েছিল ৫,৯৭৪টি। এরপর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেও আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যুক্ত হয়েছে। যদিও কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও জমার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, জুন শেষে ব্যাংকখাতে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। সেপ্টেম্বরের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে। অর্থাৎ, এই তিন মাসে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতও কিছুটা বেড়েছে। জুনে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, আর সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা বাড়ে ২০ লক্ষ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি ত‌াকায়। ফলে, তিন মাসে আমানত বেড়ে গেছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।