Month: December 2025

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) এবং তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ নিশ্চিতভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি বাড়িতে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা এনবিসি নিউজের তথ্যানুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, রব রেইনার ও তার স্ত্রীর দেহে মারাত্মক ছুরিকাঘাতের ক্ষত দেখা গেছে।

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডিপার্টমেন্ট এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে। পুলিশ ক্যাপ্টেন মাইক ব্ল্যান্ড বলেন, এই ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রেইনারের বাড়িতে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস রব রেইনারের মৃত্যুসংবাদে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ড শহরের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’ সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিচালনায় বেশ কিছু কালজয়ী সিনেমা—‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ ও ‘এ ফিউ গুড মেন’—ও দর্শকের মনে স্থায়ী ধারণা সৃষ্টি করেছে।

    রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে।

  • মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর জন্য থানায় রাজের অভিযোগ

    মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর জন্য থানায় রাজের অভিযোগ

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের কটূক্তি ও কুরুচিকর মন্তব্য। এ পরিস্থিতিতে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী সামাজিক মাধ্যমে তার পোস্টের মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তার এই ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই তাকে লক্ষ্য করে বিদ্রুপ ও রুচিহীন মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়।

    এমন পরিস্থিতির মধ্যে মূলত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন শুভশ্রীর স্বামী, নির্মাতা ও রাজনৈতিক নেতা রাজ চক্রবর্তী। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করে বলেছেন, একজন নারীকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের বদলে কিভাবে অপমান করা হচ্ছে, সেটি এভাবে চলতে পারে না। তিনি মনে করেন, এই সব কটূক্তির পেছনে রাজনৈতিক দিক থেকে উসকানি থাকতে পারে, তবে কে এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনই স্পষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতি শুধুমাত্র আইনি পদক্ষেপেরই নয়, বরং গত মাসে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক সামাজিক বিতর্কেরই অবশ্যম্ভাবী ফলাফল।

    ১২ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতীস্টেডিয়ামে ফুটবল ইতিহাসে এক বিতর্কের দিন হিসেবে চিহ্নিত হবে। হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী দর্শক দীর্ঘ অপেক্ষার পর, অর্থ খরচ করে টিকিট কেটে এসে, মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি। গ্যালারিতে দাঙ্গা, বিশৃঙ্খলা, আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসের মাঝে দ্রুত মাঠ ছাড়েন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। সেই ঘটনার প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করা হলেও, এর আক্রোশের কেন্দ্রে পৌঁছে যায় শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম।

    প্রতিবাদে শুভশ্রী জানিয়েছিলেন, তিনি একজন অভিনেত্রী হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন, এবং মেসির সঙ্গে ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার পর বাইর থেকে নানা রকম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও অশালীন মিমের বন্যা বয়ে যায়। তিনি বলেন, যেখানে অনেক দর্শক টাকায় অ্যাক্সেস পেয়েও দর্শকপ্রিয় খেলোয়াড়কে দেখতে পাননি, সেখানে ক্ষোভ স্বাভাবিক— কিন্তু সে ক্ষোভের লক্ষ্য কেন একজন অভিনেত্রী? এই প্রশ্নটি আজও উঠছে।

    সোমবার রাজ চক্রবর্তী একটি দীর্ঘ পোস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি তার লেখায় শুধু শুভশ্রীর পক্ষ থেকে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেও প্রতিবাদ জানান। রাজ লিখেছেন, যুবভারতীর অরাজকতা, অপব্যবহার ও লজ্জাজনক ঘটনা ফুটবলপ্রেমী বাঙালির জন্য ব্যথার। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় আয়োজনের পরিকল্পনায় কেন গাফিলতি রয়ে গেল? দোষীদের শাস্তি দাবি করে বলেছেন, এই ঘটনা বাঙালির আবেগে আঘাত হেনেছে।

    তারপর তিনি শুভশ্রী প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তিনি একজন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এবং সেই উপস্থিতির জন্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, কি শুধুমাত্র অভিনেত্রী হওয়ার কারণেই কি তাকে ব্যঙ্গের শিকার হতে হয়েছে? রাজ আরো উল্লেখ করেছেন, একজনের পরিচয় শুধু পেশা নয়, তিনি মা, স্ত্রী, বন্ধু, ভক্ত, বা অভিনেত্রী— সবকিছুর ওপরে তিনি একজন মানুষ।

    এছাড়া রাজ গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার দিন যখন মাঠে বহু সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন, তখন কেন শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রীর অভিযোগ বা ট্রোলের বিষয় হয়ে ওঠেন? রাজ মনে করেন, এই ধরনের ট্রোলিং শুধুমাত্র বর্তমানের অপমান নয়, ভবিষ্যতেও বিপজ্জনক বার্তা বহন করে। তিনি শেষত হাতে বলেন, প্রতিবাদ ও অপমানের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদি, এবং তার সুস্থতা কামনা করে শোবিজ তারকারা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

    এদিকে, হাদিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ ও ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের বিরুদ্ধে হত্যার স্পষ্ট হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে হুমকিদাতা চমকের ফোন নম্বর ফাঁস করে দিয়েছে এবং বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই হুমকির বিষয়ে জানিয়ে বলেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা জানে না, হাদি আমার কাছে এক ভালোবাসার নাম। আমি কখনও মৃত্যুভয় পাই না। আমার জীবন আল্লাহতালা রেখেছেন বলে আমি জানি।’

    এই হুমকি দেয়া হচ্ছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে একই অ্যাকাউন্ট থেকে শরিফুল ওসমান বিন হাদি ও হাদির বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    অন্যদিকে, অনন্য মামুনের ব্যাপারে লেখা হয়েছে, ‘এ বাটপারটির নাম উল্লেখ করতেও কাল ভুলে গিয়েছিলাম। অনন্য মামুন—দ্য পিম্প। ও যেন সুস্থভাবে থেকে যায়। আর ওর ফিল্ম যেন কেউ প্রডিউস না করে, করলে সেটাই নিজের দায়িত্বে করবে।’

    বান্না ও চমককে কাজের জন্য কেউ যেন ডাকে না, তা জানিয়ে হুমকি দাতা বলেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাসে মেতেছিলেন—যদি কেউ মিডিয়ায় তাদের কাজে ডাকার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি তার নিজের দায়িত্বে নিতে হবে। এসব করে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তার দায়িত্ব কেউ নেবে না।’

    চমক ও বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করার কথাও উল্লেখ করে হুমকিদাতা জানিয়েছেন, ‘এই দুই লালের যাবতীয় অ্যাক্সেস ট্রেস করা হবে। আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে তা আমাদের হাতে আসবে, এবং তাদের জন্য প্রাপ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • অভিনেত্রীর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না ধরে টান

    অভিনেত্রীর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না ধরে টান

    অভিনেত্রীদের সঙ্গে ছবি তুলতে উৎসুক অনুরাগীরা সাধারণত আনন্দের সঙ্গে ছবি তুলে থাকেন। অনেকসময় তারা প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীকে স্পর্শ করে তাদের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করেন। তবে কিছু ঘটনা উল্টো ধরনের হয় যেখানে সীমা অতিক্রম হয়। সম্প্রতি এমনই এক অপ্রিয় ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণী অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সাথে।

    ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতের একটি ইভেন্টের শেষে, যখন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস এবং নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চের পর তারা গাড়িতে ফেরার পথে হেনস্তার শিকার হন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভক্তরা তাদের নিরাপত্তা উপেক্ষা করে নানা রকম আচরণ করছেন। তারা সেলফি তুলতে দৌড়াচ্ছে, পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছে, আর কেউ কেউ যানবাহনের মধ্যে নিধির গায়ের ওড়না ধরে টানাটানি করতে চেষ্টা করছে।

    এমন নিয়মবিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে অভিনেত্রীকে গাড়িতে পৌঁছাতে বেশ অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। এই ঘটনা ঘটার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকেই ওই ভিড়ের ভয়ংকর আচরণকে হায়নার দল বলছেন। একজন মন্তব্য করেন, “মানুষের দল সত্যিই হায়নার চেয়েও খারাপ। পুরুষরা কি ভাবে নারীদের এভাবে হয়রানি করে, ভাবতে অবাক লাগে। ঈশ্বর তাদের সবাইকে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দিন।”

    নিরাপত্তা লঙ্ঘনের এই ঘটনার জন্য বেশ সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, অভিনেত্রীর নিরাপত্তার জন্য আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

    অভিনেত্রী নিধির ক্যারিয়ার শুরু হয় তেলুগু ছবির মাধ্যমে। তিনি ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন টাইগার শ্রফ। সর্বশেষ তাকে বড় পর্দায় দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর নজরদারি

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর নজরদারি

    অভিনেত্রী জয়া আহসান নতুন কিছু পোস্ট করে দেখিয়েছেন তাঁর অনন্য শৈলী। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় «ডোন্ট বি অ্যান অ্যাপল» লেখা বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন। সেই ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর চোখে সবসময় সানগ্লাস এবং ঠোঁটে বাঁকা হাসি—যা যেন কিছু গভীর বার্তা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গানের কিছু লাইন শেয়ার করেছেন, সেখানে বলা হয়েছে, “পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…”।

    ওই ছবি তিনি বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ১৪ মিনিটে ফেসবুকে পোস্ট করেন। মুহূর্তের মধ্যে ছবিগুলো ব্যাপক ভাবে শেয়ার হয় এবং প্রচুর লাইক, মন্তব্য ও রিয়েকশন জমা পড়ে। ছবি দেখে বোঝা যায়, জয়া ব্লাউজ ও ডেনিম পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন।

    তাঁর লাল ব্লাউজের সঙ্গে মিলিয়ে কপালে লাল টিপ পরেছেন। মাথায় ছোট ছোট লাল-সাদা ফুলের খোপাও রয়েছে। এই সাজে মনে হচ্ছে তিনি নতুন কোনও খবর বা গল্পের সূচনা করতে যাচ্ছেন, যা এই রোমান্টিক স্টাইল থেকে বোঝা যায়।

    ছবিগুলির প্রশংসা ও আলোচনা চলছিল পাশাপাশি, অনেকের কাছেই এটি ছিল বিস্ময়ের ব্যাপার। কেউ কেউ এই নতুন লুকের জন্য তাঁকে অভিব্যক্ত করে প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কৌতূহলী হয়ে দেখছেন কি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বুঝতে।

  • ব্যাটিং দেখা যায়নি: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ থেকে হারিয়ে বিদায়

    ব্যাটিং দেখা যায়নি: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ থেকে হারিয়ে বিদায়

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে যুব এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল, যার ফলে তারা ফাইনাল খেলার দৌড়ে ছিল অন্যতম স্পর্ধিত দল। তবে সেমিফাইনালে এসে সবকিছু পালটে গেল। বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হওয়া এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা খুবই দুর্ভাগ্যজনকভাবে ব্যর্থতা দেখায়, আর পাকিস্তানের দাপুটে পারফরম্যান্সের কারণে তারা বড় হার মানে। নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার ঘণ্টা পরে মাঠে নামে দুবাইয়ে, যেখানে ২৭ ওভারের কমব্যাক ম্যাচে বাংলাদেশের আর কিছুই করার ছিল না—মাত্র ১২১ রানে অলআউট হয় তারা। জবাবে পাকিস্তানের সাবেক তারকা সুমি মিনহাসের ফিফটিতে ৬৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের দিকে এগিয়ে যায় পাকিস্তান।

    ১২১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের শুরুটা ছিল কিছুটা দুর্বিষহ। প্রথম ওভারেই ওপেনার হামজা জোহর ইকবাল হোসেন ইমনের বলে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরে যান। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সামির মিনহাস ও উসমান খান জুনিয়র ৮৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে বাংলাদেশের জন্য বিপদ তৈরি করে। উসমান (২৭) ফিরলেও, সামির মিনহাস দলের জয়সূচক ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। তিনি ৫৭ বলে ৬৯ রান করেন।

    প্রথমে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে এদিন শুরুতেই ধীরগতি দেখা দেয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ দ্রুত আউট হয়ে গেলে দল কিছুটা চাপে পড়ে। দলের জন্য এর পর বেশ কিছু বিপদ আসে, বিশেষ করে অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ও কালাম সিদ্দিকি বিপর্যয় সামাল দিতে চেষ্টা করেন। তবে ১৩তম ওভারে আব্দুল সুবহান দারুণ ত্রাস ছড়ান, যেখানে আজিজুল ও কালাম দ্রুত ফিরে যান। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক ফিরে যেতে থাকেন, দলের স্কোর ৭৩-এ ৬ উইকেট হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। শেষমেষ দলের লড়াই শেষ হয় ১২১ রানে, যেখানে শেষ উইকেট পতনের সময় ২৬.৩ ওভারে দাঁড়ায়।

    বোলারদের মধ্যে আব্দুল সুবহান চার উইকেট শিকার করেন। অন্যদিকে, হুজাইফা আহসান ২ উইকেট লাভ করেন। এদিকে, দিন শেষে অন্য সেমিফাইনালে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে লড়াই হবে। বাংলাদেশ এখন টানা তৃতীয় শিরোপা স্বপ্ন ভুলে গিয়ে ফিরে যাচ্ছে খালি হাতে, তবে তরুণ এই চিত্রে ভবিষ্যতের জন্য আশার আলোর আভাস রাখছেন তারা।

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন অধিনায়ক দাসুন শানাকা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন অধিনায়ক দাসুন শানাকা

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) নতুন পতাকা হাতে নিয়েছে। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা এবার শ্রীলঙ্কার নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, এই দায়িত্ব তিনি নিজেকে উপযুক্ত প্রমাণের জন্য নিয়েছেন। এর আগে, চারিথ আসালঙ্কার জায়গায় তাকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। শানাকা চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দল ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে মাঠে নামেন এবং বেশ ভালো পারফরম্যান্স করেন। তার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বেশ কিছু বড় সাফল্য পেয়েছে, যার মধ্যে ২০২২ এশিয়া কাপ জয় ও বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স অন্যতম। অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী বিবেচনা করেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই বছর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তিনি পাকিস্তানের বিরোধী সিরিজ দিয়ে নেতৃত্ব শুরু করবেন। প্রধান কোচ সনাথ জয়াসুরিয়াও তার ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। তাদের সিদ্ধান্তে সহায়ক হিসেবে নতুন প্রধান নির্বাচক প্রমোদ্য উইকরামাসিংহেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলছেন, কোচ জয়াসুরিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেই শানাকাকে অধিনায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও, তারা নির্বাচকের ২৫ সদস্যের প্রাথমিক দলে এই শ্রীলঙ্কার দলকে চূড়ান্ত করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ‘বি’ গ্রুপে খেলবে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষের মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, ওমান ও জিম্বাবুয়ে। শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে রয়েছেন: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিল মিশারা, কুশল পেরেরা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, নিরোশান ডিকওয়েলা, জানিথ লিয়ানাগে, চারিথ আসালাঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, পবন রতœায়েকে, সোহান আরাচ্চিগে, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ভেল্লালাগে, মিলান রতœায়েকে, নুয়ান তুষারা, ঈশান মালিঙ্গা, দুশমন্থ চামিরা, প্রমোদ মাদুশান, মাথিশা পাথিরানা, দিলশান মাদুশঙ্কা, মাহিশ থিকশানা, দুশান হেমন্ত, বিজয়কান্ত বিশ্বকান্ত ও ত্রাভিন ম্যাথু।

  • ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে বড় চমক, বাদ শুভমান গিল

    ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে বড় চমক, বাদ শুভমান গিল

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে। এতে সবচেয়ে বড় চমক হলো, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা শুভমান গিলের জায়গা হয়নি। এর পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত সংক্ষিপ্ত ওভারের বিশ্বকাপ খেলবে। তার ডেপুটি হিসেবে থাকবেন অক্ষর প্যাটেল।

    ২০২৩ সালের এশিয়া কাপের আগে গিলকে দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ব্যাটিং রান খরার কারণে তিনি এই বিশ্বকাপের দলে টিকতে পারেননি। শেষ ১৮ ইনিংসের কোনো ফিফটি করতে না পারা গিলের পাশাপাশি বাদ পড়েছেন জিতেশ শর্মা। তাদের বদলে দলে নেওয়া হয়েছে সঞ্জু স্যামসনকে, যিনি অভিষেকের সময় ওপেনিং করেছিলেন ব্যাটার হিসেবে।

    এছাড়া প্রয়োজনে ওপেনিং দলে ফিরেছেন ইশান কিশান, যার সাথে আবার খেলবেন স্যামসন। কিশান গত বছরের নভেম্বরে শেষবার ভারতের জার্সিতে খেলেছিলেন, তবে এই ২৫ মাস পরে সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে অসাধারণ ব্যাটিং করে আবার দলে ফেরেন তিনি। সেখানে তিনি সর্বোচ্চ ৫১৭ রান করেন।

    বোলিং বিভাগে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ভারতের পেস আক্রমণ সামলাবেন জাসপ্রিত বুমরাহ, হর্ষিত রানা ও আর্শদিপ সিং। স্পিনে থাকছেন কুলদিপ যাদব ও বরুন চক্রবর্তী। অলরাউন্ডার হিসেবে থাকছেন হার্দিক পান্ডিয়া, শিভম দুবে ও ওয়াশিংটন সুন্দর।

    বিরাট সূর্যের ব্যর্থতা সত্ত্বেও, বিসিসিআইয়ের নির্বাচকরা এখনও তাঁকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন। আগামী মাসে ভারতের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্যও একই দলই থাকছে।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজন শুরুর দিনে, ৭ ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রথম ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ‘এ’ গ্রুপে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তান।

    বিশ্বকাপের জন্য ভারতের স্কোয়াডে উল্লেখ করা হয়েছে: সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), বরুণ চক্রবর্তী, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিং, যশপ্রিত বুমরাহ।

  • খুলনায় তৈরি হচ্ছে নতুন ক্রিকেট বোর্ড অফিস

    খুলনায় তৈরি হচ্ছে নতুন ক্রিকেট বোর্ড অফিস

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, খুলনায় নতুন একটি ক্রিকেট অফিসের নির্মাণ কাজ চলছে। এই নতুন অফিসের মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায় থেকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা থেকে ক্রিকেটের প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কোচিং ব্যবস্থা, সুবিধা-সুবিধা এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের আয়োজন করে আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে চাই।

    শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) যশোরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে রোটারি ক্লাব অব যশোর ইস্টের ৩৯তম অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গুণীজনের সংবর্ধনা, হুইল চেয়ারে বিতরণ, এবং অন্যান্য নানা আয়োজন ছিল।

    তিনি আরও বলেন, ক্রিকেট মানুষের ভালোবাসার খেলা। আমরা এই মাধ্যমের মাধ্যমে কিভাবে দেশের ভালো নাগরিক গড়ে তোলা যায়, সেই বিষয়েও কাজ করছি। এই ভালোবাসা দ্বারা বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    বিসিবির সভাপতির মতে, বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার এখনও অনেক স্বপ্ন ও লক্ষ্য রয়েছে। তিনি রোটারি ক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানে অনেক কিছু শিখেছেন, যেগুলো পরবর্তীতে ক্রিকেটের জন্য কাজে লাগাবেন। তিনি রোটারির সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চান।

    অভিষেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রোটারি অ্যাসিস্ট্যান্ট কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ফজলে রাব্বি মোপাশা। নতুন কমিটির সভাপতি ছিলেন রবিউল ইসলাম রবির সভাপতিত্বে, সেখানে বক্তব্য দেন কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সেনু ও সাবেক জয়েন্ট সেক্রেটারি সেলিম মোর্শেদ। এর আগে, বিদায়ী সভাপতি আবু সাঈদ দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

    অনুষ্ঠানে দুইজন অসচ্ছল ব্যক্তিকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়। এছাড়া চারজন চাটার্ড সদস্য এবং পাঁচজন গুণী শিক্ষককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

  • ইংল্যান্ডের জন্য দুঃসংবাদ, অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য চলমান

    ইংল্যান্ডের জন্য দুঃসংবাদ, অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য চলমান

    অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চলমান অ্যাশেজ সিরিজে শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের আশা শেষ হয়ে গেছে। ২ ম্যাচ এখনও বাকি থাকতেই অস্ট্রেলিয়া সিরিজ জিতে নিয়েছে, যা তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অপরাজিত থাকলেও ব্রাইডন কার্স কোনো বিশেষ মাইলফলক করেননি, তবে তার দৃঢ়চেতা ব্যাটিং ইংলিশ সমর্থকদের মন আরও উজ্জীবিত করেছে। জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকসের বিদায়ের পরই ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা কমে যায়। অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ডের বিপক্ষে তাদের ভরাডুবি হয়নি, বরং অস্ট্রেলিয়া ৮২ রানে জয় লাভ করে এবং দুই ম্যাচ হাতে রেখেই অ্যাশেজের ট্রফি নিজেদের দলে নিয়ে যায়।

    অ্যাডিলেডে ১২৩ বছর আগে প্রথমবারের মতো, কোনো টেস্টে একটি দল ৩০০ বা তার বেশি রান তাড়া করে জয় অর্জন করে। তবে এবার ইংল্যান্ডের জন্য এই রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল, কারণ তাদের কাছে লক্ষ্য ছিল ৪৩৬ রানের, যা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হয়েছিল। চতুর্থ দিন শেষের সময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ৬ উইকেটে ২০৭, অর্থাৎ তাদের স্বপ্নটা আরও ক্ষীণ হয়ে উঠেছে। তবুও, স্মিথ, জ্যাকস ও কার্স আশা জাগিয়েছিলেন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ডীঘবিরতিতে ব্যাটিং গুটিয়ে যায় ৩৫২ রানে।

    অস্ট্রেলিয়া প্রথম দুটো টেস্টে যথাক্রমে পারদর্শীভাবে জয়লাভ করেছিল পার্থ ও ব্রিসবেনে, প্রথমটি দু’দিনের মধ্যে এবং অন্যটি চার দিনে শেষ হয়েছে। সর্বশেষ ম্যাচটি অবশ্য পাঁচ দিন অতিক্রম করেছে, যা এই সিরিজে প্রথম। ইংল্যান্ড তার বাজবল মনোভাব থেকে বের হয়ে আরও সাবধানে ব্যাট করে, তবে একটি দীর্ঘ সময় ধরে তাদের এই কৌশল সুফল দেয়নি। পুরো সিরিজে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা ১৯০.১ ওভারে বেশি সময় ব্যাট করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় বেশি। এই সময়ে তারা একটি ম্যাচে ৩০–এর বেশি ওভার মেডেনও দিয়েছে, যা খেলাধুলার ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড। তবুও, তারা হারের আশংকা থেকে মুক্তি পায়নি।

    ঘরের মাঠে হওয়া শেষ তিনটি অ্যাশেজ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছে, যা তাদের দাপুটে শক্তির প্রমাণ। ২০২৫-২৬ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া যদি ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে যায়, তবে সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এরআগে ২০১৩-১৪, ২০১৭-১৮ ও ২০২১-২২ সালে অস্ট্রেলিয়া ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছিল।

    অ্যাডিলেডে টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৩৭১ রান করে, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৮৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা আরও ৩৪৯ রান যোগ করে এবং মোট ৪৩৫ রানের লিড নিয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায়। ট্রাভিস হেড সর্বোচ্চ ১৭০, অ্যালেক্স ক্যারি ৭২ এবং উসমান খাজা ৪০ রান করেন। ইংলিশ পেসার জশ টাং চার উইকেট নেন, ব্রাইডন কার্স তিনটি। তবে শুরুটা তারা প্রত্যাশা মতো করতে পারেনি; ওপেনার বেন ডাকেট মাত্র ৪ রান করে আউট হন।

    জ্যাক ক্রাউলি, জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের জুটিতে আশা জাগিয়েও পরিস্থিতি তা বদলাতে পারেনি। রুট ৩৯ এবং ব্রুক ৩০ রানে আউট হন; অন্যদিকে, ওলি পোপ এবং স্টোকসের ইনিংস ছিল খুবই স্বল্প। ক্রাউলি ১৫১ বলে ৮৫ রানে ফিরলে ইংল্যান্ডের জয়ের আশা আরও ঝুপড়ে পড়ে। পঞ্চম দিনে, জেমি স্মিথ ও জ্যাকসের ৯১ রানের জুটির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রতিপক্ষকে বেঁধে রাখতে সক্ষম হয়। স্মিথ ৬০ করে ফিরলেও, জ্যাকস ১৩৭ বলে ৪৭ রান করে থাকেন। সঙ্গে গড়ে ওঠে ব্রাইডন কার্সের ৫৩ রানের জুটি, তবে তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩৯ রানে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে তিনজন পেসার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন, তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।