Month: November 2025

  • নির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী: ম্যাজিস্ট্রেসি ও সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ

    নির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী: ম্যাজিস্ট্রেসি ও সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও কার্যকর থাকবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনের সময় সশস্ত্র বাহিনী তাদের নির্ধারিত ভূমিকা পালন করবে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত হবে। গত বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভার পর ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

    আখতার আহমেদ আরও জানান, ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের outline সাজানোর কাজ চলছে; সংশ্লিষ্ট বাহিনী বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করবেন। কেন্দ্রীয়ভাবে নিরাপত্তার জন্য স্ট্যাটিক (স্থায়ী) নিরাপত্তা কর্মী থাকবে, পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানেই মোবাইল চেকপোস্ট ও পর্যবেক্ষণে থাকবে মোবাইল কম্পোনেন্ট। তারা স্থান পরিবর্তন করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এই ডেপ্লয়মেন্টের জন্য গাইডলাইন ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

    নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বাহিনী না থাকলেও, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টায় কাজ চালানো হবে, এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। তারা প্রথম দিন থেকেই মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলার ওপর তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

    সেনা বর্তমানে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই বাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রিয়াল ক্ষমতা ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এসব ক্ষমতা আইন ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নাকি নয়, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করেছেন ইসি সচিব।

    ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানের মূল অংশ তিন ভাগে বিভক্ত: কেন্দ্রভিত্তিক স্ট্যাটিক নিরাপত্তা, বিভিন্ন স্থানে স্থির বা মোবাইল চেকপোস্ট এবং গিরিং বা পর্যবেক্ষণে মোবাইল কম্পোনেন্ট। সংশ্লিষ্ট বাহিনী এই পরিকল্পনা অনুসারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

    অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ইসি ভবিষ্যতে সাইবার নিরাপত্তা সেল গঠন করবেন, যাতে অপপ্রচার ও ভুল তথ্য রোধে বিভিন্ন গণমাধ্যমের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার হয়।

    পর্যাপ্ত যোগাযোগের জন্য দ্বিমুখী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—উপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে উপরে—এবং তথ্যের প্রবাহ সঠিকভাবে নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরিচালনা করতে পারায়, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছে কমিশন।

    বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সেবা ও ইন্টারনেট নিশ্চিতের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অপহরণ বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানো হবে ও সন্ত্রাসীদের নজরদারি চালানো হবে।

    এছাড়া, বিদেশ থেকে আসা পোস্টাল ভোটের জন্য এয়ারপোর্ট ও ডাকবাছাই কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। সব পর্যায়েই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে অপ্রয়োজনীয় সুবিধা নেওয়া হবে না, এই বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা বলেছে ইসি। যানবাহনের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় সমাধানও চূড়ান্ত পরিকল্পনার অংশ।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

    এদিকে, নভেম্বরের প্রথম দিকে সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা ৩ মাসের জন্য বাড়ানো হয়। পাশাপাশি, দীর্ঘ মেয়াদে সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা থাকছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা কর্মকর্তাদের এই প্রশাসনিক ক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছিল।

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাঝামাঝি সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে নির্বাচন শেষে অন্তত ১৫ দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনী তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা রাখবে, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

  • টঙ্গীতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু আজ, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার

    টঙ্গীতে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা শুরু আজ, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার

    গাজীপুরের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে শুক্রবার চির proper ফজরের পর থেকেই আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে চারপাশের বিশিষ্ট তাবলীগ জামাতের বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের আয়োজনে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা। এই ইজতেমা সম্পন্ন হবে আগামী মঙ্গলবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের শুরায়ী নেজামের গণমাধ্যম সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান। তিনি জানান, প্রতি বছর এই জোড় ইজতেমা হয় প্রস্তুতি হিসেবে, যাতে তাবলীগের শুরা সদস্যরা বছরের কাজের পরিকল্পনা পেশ করেন এবং মুরুব্বিদের থেকে রাহবারী গ্রহণের সুযোগ পান। এই উপলক্ষে দেশের পাশাপাশি বিদেশের প্রবীণ মুরুব্বিরা ইতিমধ্যে টঙ্গীতে জড়ো হয়েছেন। হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, পাঁচ দিনের এই জোড় ইজতেমা তাবলীগ জামাতের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, যেখানে দাওয়াতের মূল ভাবনা ও লক্ষ্য স্পষ্ট করে তুলে ধরা হয়। এখান থেকে পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ হয়। এ সময় দাঈদের, দাওয়াতের তরিকা, আমল ও দেশের প্রেক্ষাপটে করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট আলেমরা। এই বয়ানগুলি একজন শূরা সদস্যের জীবনাচরণ ও দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনে দিশা দেয়। হাবিবুল্লাহ রায়হান আরও জানিয়েছেন, জোড় ইজতেমায় অংশগ্রহণের জন্য কেবল ৩ চিল্লার এবং কমপক্ষে ১ চিল্লার আলেমরা অংশ নিতে পারেন, যাতে ইজতেমার মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় থাকে। তিনি আরও বলেন, এক সময় এই পাঁচ দিনের জোড়ে মাওলানা সাঈদ আহমদ খান পালংপুরী (রহঃ), মিয়াজী মেহরাব, মাওলানা উমর পালংপুরী (রহঃ), মাওলানা ওবাইদুল্লাহ বালিয়াভী (রহঃ), কারী জহির (রহঃ) সহ বহু মনীষী বয়ান করতেন। এখনো প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের প্রবীণ আলেম ও হযরতজী মাওলানা ইউসুফ (রহঃ), হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান (রহঃ) এর সোহবতপ্রাপ্ত মুরুব্বিরা এসে বয়ান করেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই পাঁচ দিনব্যাপী জোড় থেকে দাঈরা সারা বছরের দাওয়াতি কাজের পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা পাবেন।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২ বা ৩ জানুয়ারি হতে পারে

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২ বা ৩ জানুয়ারি হতে পারে

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে। আসন্ন বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি ইতিমধ্যে জোরদার করা হচ্ছে। আগামী ২ বা ৩ জানুয়ারি একযোগে ছয় বিভাগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপস্থিত আসন বিন্যাসসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশাদ জানিয়েছেন, ২ বা ৩ জানুয়ারি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, আগামি দিনগুলোর জন্য আসন বিন্যাস ও অন্যান্য কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আনোয়ার হোসেনও একই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এতে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে ৮ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপর, দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদে নিয়োগের জন্য ১২ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ ধাপের আবেদনের শেষ সময় ছিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। এখন নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ শিগগিরই প্রকাশ করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

  • শেখ হাসিনা, জয়, পুতুলসহ অন্যান্য ব্যক্তিদের সাজা: দুর্নীতির মামলার বিস্তারিত

    শেখ হাসিনা, জয়, পুতুলসহ অন্যান্য ব্যক্তিদের সাজা: দুর্নীতির মামলার বিস্তারিত

    ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দের মোট ৩টি মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদালত ২১ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও মামলায় তার ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়কে পাঁচ বছর কারাদণ্ড, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকেও একই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত নিশ্চিত করেছেন যে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকারকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ের এই খসড়া ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বৃহস্পতিবার।

    প্রতিটি ব্যক্তির সাজা ও অর্থদণ্ডের বিবরণ如下:

    শেখ হাসিনা: তিনটি মামলায় ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, প্রত্যেকটি মামলায় এক লাখ টাকার করে মোট ৩ লাখ টাকার অর্থদণ্ড, পাশাপাশি অনাদায়ে ৬ মাস করে ১৮ মাসের কারাদণ্ড।

    সজীব ওয়াজেদ জয়: এক মামলায় ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

    সায়মা ওয়াজেদ পুতুল: একই শাস্তি ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন: দুই মামলায় ৬ বছর করে মোট ১২ বছরের জেল, এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড প্রতিটি মামলায়, সঙ্গে অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ: তিন মামলায় ৬ বছর করে মোট ১৮ বছরের সাজা, অর্থদণ্ড মোট ৩ লাখ টাকা ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড।

    গৃহায়ণ ও গণপূর্তের সাবেক সচিব মো: শহীদ উল্লা খন্দকার: তিন মামলায় ৬ বছর করে মোট ১৮ বছর, একই অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের মাধ্যমে দণ্ডিত।

    অন্য ঘটনাবলিতে, সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আনিছুর রহমান মিঞা, সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

    রায় শেষে দুদক প্রকিউটর মইনুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, শেখ হাসিনাকে তিনটি মামলায় ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিন মামলায় এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে, যার অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের কারাদণ্ড। তিনি আরও জানান, তাদের প্রত্যাশা ছিল maximale সাজা বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের, কিন্তু উচ্চ আদালতের এই রায় প্রত্যাশিত না হওয়ায় তারা আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত বলেন, আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবার বিষয়টি চিন্তা করছি। অনেকে বলেন, এ রায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও সর্বোচ্চ সাজা না দেওয়ায় iç্যূত হয়নি তারা।

  • প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ: ভবন নির্মাণের জন্য পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠন প্রক্রিয়া শুরু

    প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশ: ভবন নির্মাণের জন্য পৃথক কর্তৃপক্ষ গঠন প্রক্রিয়া শুরু

    দেশের ভবন নির্মাণের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিয়েছেন আন্তঃসরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ভবন নির্মাণের সময় নিরাপদ নির্মাণ বিধি মানা হয় কি না, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সম্প্রতি রাতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর খসড়া অনুমোদনের সময় তিনি এ নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদর্শীর প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে একটি স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষ গঠন হয়, যা দেশের সমস্ত ভবন ও নির্মাণ কাজের অনুমোদন দেবে। বর্তমানে রাজউক শুধুমাত্র নিজস্ব এলাকা গুলোতেই অনুমোদন দেয়। শফিকুল আলম আরও জানান, গ্রামাঞ্চলসহ সারাদেশে চার থেকে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের সময় জাতীয় ভবন নির্মাণ কোড অনুসরণ হচ্ছে কি না, সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া, ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য ঝুঁকি মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশে পুনর্বিকাশ, জমি পুনর্বিন্যাস, খেলার মাঠ, জলাশয় ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ সম্পর্কিত নানা বিধান যুক্ত হয়েছে। জমির মালিকের ৬০ শতাংশের সম্মতিক্রমে পুনর্বিকাশ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তও হালকা হয়েছে। সেই সঙ্গে, নির্মাণ, জলাশয় খনন, নিচু জমি ভরাট, প্রাকৃতিক জলপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং খেলার মাঠ ও উদ্যানের পরিবর্তন সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ চালু করা হয়েছে। এছাড়া অনুমোদিত নকশা ব্যতীত নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ বা বেআইনি নির্মাণের শাস্তি এবং রাজউকের চেয়ারম্যান, সদস্য বা কর্মচারীদের কোনও চুক্তি বা শেয়ারে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ভবন নির্মাণের মান ও নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    সম্প্রতি সিনেমায় নাম লেখিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি ইতিমধ্যেই তার প্রথম সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। তবে এর মধ্যেই সমসাময়িক নানা অভিযোগে তিনি কেবল কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন না, বরং তার অবস্থান পরিষ্কার করতে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

    আজ শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিশা জানান, সম্প্রতি তিনি ভারতের নির্মাতা এম এন রাজের সঙ্গে ‘ভালোবাসার মরশুম’ নামে এক সিনেমার কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। তবে সেখানে কিছু ভুল তথ্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় তিনি বিব্রত বোধ করছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, সিনেমার চুক্তিপত্রে সব বিষয়ই তার আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিলো যে তার বিদেশ যাওয়া ও ভিসা সম্পৃক্ত সব দায়িত্ব নির্মাতা দলের। এতে উল্লেখ ছিলো, ভিসা, ফ্লাইট টিকিট এবং থাকা-খাওয়ার বিষয়গুলো তাদের দায়িত্ব।

    তিশা এও জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যক্রমে, নির্মাতা ভিসা নিয়ে জটিলতায় পড়ে পারেননি। তিনি নিজেও ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, কিন্তু ভিসাপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এ কারণে, চুক্তি অনুযায়ী তার বদলে অন্য একজনকে চরিত্রে নেয়া হয় এবং সেই অভিনেত্রী অভিনয় করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন, যার শুটিং এখনো চলমান। তিনি বলেন, সিনেমাটি তার পেশাগত সম্মানের ব্যাপার, এই খাতিরে কোনও ভাবেই তিনি সেটি নষ্ট করতে চাননি। কিন্তু পরিচালক শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং নতুন অভিনেত্রীকে চুক্তিবদ্ধ করে নেওয়ায়, তাকে অবশ্যই সেখান থেকে সরে দাঁড়াতে হয়।

    অভিযোগের প্রসঙ্গে তিশা উল্লেখ করেন, প্রযোজক শরিফ খান একদিকে তাকে টাকা ফেরত দিতে বলছেন, আবার অন্য সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, শরিফ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আমার আইনি কাগজপত্রেও ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    তিশা স্পষ্ট করেছেন যে, তার চুক্তিপত্রে কোনও অবস্থায় এমন শর্ত নেই যে, ডিরেক্টরের দোষ হলে তাকে টাকা ফেরত দিতে হবে। তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রাখি। যদি কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেন যে, আমি কোনও অর্থ ফেরত দেবার দায়ী, এবং আদালত এমন নির্দেশনা দেন, আমি অবশ্যই সম্মতি জানাব এবং প্রয়োজন হলে টাকা ফেরত দেব। তিনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত আছেন, তবে সব কিছু আইনি প্রক্রিয়া ও সততার ভিত্তিতে হবে বলে আশা করেন।

  • পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ডাকার নামে কুপ্রস্তাবের দাবি

    পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ডাকার নামে কুপ্রস্তাবের দাবি

    সম্প্রীতি ও মানবাধিকার প্রসঙ্গে আলোচনাকালে এক নারী বাউল শিল্পী বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন যে, কিছু পুরুষ বাউলরা ডাকা বলছি বলে নারী বাউলদের প্রভাবিত করে থাকেন। তিনি দাবি করেছেন, এই ডাকার মাধ্যমে নারী বাউলরা সাংগীতিক সুযোগ পেয়ে থাকেন; অন্যথায় তাদের কেউ ডাকে না। তবে তিনি কারো নাম উল্লেখ করেননি।

    বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক ভিডিওবার্তায় বলেন, কিছু পুরুষ বাউল শিল্পী তাদের মূল উদ্দেশ্য গোপন করে কুপ্রস্তাব ও অপকৌশল চালাচ্ছেন। তিনি জানান, যখন তিনি তাদের বলেন, আমার গানের প্রোগ্রাম নেই, আমার কোনও খেয়াল রাখতে হবে না, তখন তারা তাকে নানা রকম শর্তে প্রোচিত করেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। হাসিনা বলেন, ‘অনেক সময় তারা বলে, তখন যেন আমাকে বিছানায় ডেকে গানে অংশ নিতে হবে। আমার ইজ্জত বিক্রি করে অযাচিত প্রোগ্রামে যোগ দিতে হবে – এই ধরনের প্রস্তাব তারা দেয়।’

    তিনি আরো জানান, এই ধরনের পরিস্থিতি বর্তমানে বাউল জগতে খুবই সাধারণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘আমার কোনও প্রোগ্রাম না থাকলে ওকে ডেকে না বললেও আমি ঠিক আছি। আমার নিজেদের মূল্যবোধের সাথে কোনো আপোষ নেই। কিন্তু তারা বলছে, ‘তুমি আমাদের কথা শুনবে, তাহলে তোকে বায়না দেব’ – এমন ধরণের কুপ্রস্তাবও তারা করেছে।’ এই অভিযোগের মাধ্যমে তিনি পুরুষ বাউলদের আচরণের অবক্ষয় তুলে ধরেছেন এবং সমাজে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনি ল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথনের শেষে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। গত ২৩ নভেম্বর দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করার কিছুক্ষণ পরে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তার আর জীবন রক্ষা হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর।

    আমেরিকা ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় তীব্র গরম এবং অতিরিক্ত জলবায়ুর মধ্যে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দৌড়ের শেষ প্রান্তে পৌঁছানোর পরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুততার সাথে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এক ঘণ্টার চিকিৎসার পর কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পুলিশের কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে জানান, রেসটি শুরু হয়েছিল ভোর ৫টায় এবং গ্রেভস সকাল ৭টার দিকে দুই ঘণ্টার কম সময়ে দৌড় শেষ করেন। কঠিন আবহাওয়া সত্ত্বেও তিনি রেসটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

    অভিযানের সময় পুলিশ বলেছে, ‘ফিনিশিং লাইন পার হওয়ার সাথে সাথেই তিনি বুকের দিকে হাত দিয়ে ব্যথা অনুভব করেন। সেখানে উপস্থিত একজন কর্মী বিষয়টি লক্ষ্য করে তাকে দ্রুত শান্ত করতে চেষ্টা করেন। এর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে পড়ে যান। ফায়ার এবং রেসকিউ দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলেই তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। ডাক্তারেরা নিশ্চিত করেন, তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে এক ঘণ্টার মধ্যে তার মৃত্যু হয়।’

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।”

    অরেঞ্জ কাউন্টি কোর্টের কর্মকর্তারা বর্তমানে ময়নাতদন্ত শুরু করেছেন। তামাদের জানানো হয়, আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর কারণ বিস্তারিত জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইনসম্মত ডিগ্রি পাস করেন। তিনি উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি ল-ফার্মে একজন সহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু প্রেমীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

  • নায়িকা পপি কে আইনী নোটিশ

    নায়িকা পপি কে আইনী নোটিশ

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি কে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো বোন ও জামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী পক্ষ থেকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশটি বুধবার (২৬ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল’র মাধ্যমে তার পপি’র দৃষ্টিগোচর হয়, যা রেজিস্টারড ডাকযোগে খুলনা ও ঢাকার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, আমার স্ত্রী ও তার আত্মীয় স্বরূপ পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে যাচ্ছেন, যা খুবই দুঃখজনক। যদি তার কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে পারিবারিকভাবেই আলোচনা করা বা আইনি পথে মোকাবিলা করা উচিত, কিন্তু instead তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এজন্য আমি তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবার সঙ্গে সঙ্গে তাকে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আপত্তির বিষয়টি জানানোর জন্য এই নোটিশ পাঠিয়েছি। এর আগে পপি আমাকে দোষারোপ করে ভুল তথ্য ছড়িয়েছিল, যার কারণে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি। আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল আরো জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পদে আছেন এবং তিনি যে ব্যক্তি, তিনি তারেক আহমেদ চৌধুরী, তিনি পপি’র প্রয়াত চাচা মিয়া কবির হোসেনের জামাই। এই বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই তাদের মধ্যে আত্মীয়তা। আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি পারিবারিক বিরোধের কারণে একটি সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ রয়েছে। এই সম্পত্তিটি পপি’র প্রয়াত চাচার মালিকানাধীন ছিল, যা একটি বৈধ হেবা দলিল অনুযায়ী তারেক ও তার মায়ের নামে উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছিল। ফলে, এই সম্পত্তির আইনগত মালিকানা তারেকের নয়, এবং এই সম্পত্তির উপর তার কোনও দখল বা স্বার্থ নেই। সম্পত্তির হস্তান্তর ও বন্টন সম্পন্ন হয়েছে সংশ্লিষ্ট হেবা দলিল ও উত্তরাধিকার আইনের আওতায়। তবুও, অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এগুলো স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তারেকের সঙ্গে এই সম্পত্তির কোনও আইনগত বা বাস্তবিক সম্পর্ক নেই। এবং যে ব্যক্তি এই ভার্চুয়াল মাধ্যমে 또는 অন্য মাধ্যমে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ উত্থাপনের মাধ্যমে তার সুনাম নষ্টের চেষ্টা করেছেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা চলচ্চিত্র জগতের মাঝে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুকালীন সময় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল, বিশেষ করে জুহু বাসভবনের সামনে যখন অ্যাম্বুলেন্স দেখানো হয়, তখন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরে নিশ্চিত হয়, তিনি আর জীবিত নন। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ দেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত তার পরিবারের কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, কিন্তু অবশেষে এই নীরবতাকে ভেঙে প্রকাশ্যে এলেন তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি হৃদয়স্পর্শী এক বার্তা শেয়ার করেন, সঙ্গে তার বিভিন্ন অদেখা ছবি প্রকাশ করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মেন্দ্র ছিলেন তার জীবনের নানা মুহূর্তের সমষ্টি—একজন স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার প্রিয় বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি ও সঙ্কটের মুহূর্তে ভরসার উৎস। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যে বেঁধে রাখতেন।

    তিনি এও বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা ও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তাঁর বিনয় এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তি করতে পেরেছিল। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। এই অপূরণীয় ক্ষত তার জন্য ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়; এত বছরের সঙ্গের স্মৃতি থেকেই তাকে উপলব্ধি করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রের প্রেম এবং বিবাহের কাহিনি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল প্রকাশ কৌর, যাঁদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা এবং অজিতা দেওল। সিনেমায় কাজের সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্রর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ করেন, যা তখন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। এর পর তাদের সংসারে দুটি কন্যা—ঈশা ও অহনা জন্মগ্রহণ করে। সময়ের পরিক্রমায় তারা চার দশক ধরে একসঙ্গে থাকেন, তাদের গভীর প্রেম ও বন্ধন অসাধারণ ছিল।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস