Month: November 2025

  • পেশীশক্তি, ভয়ের পরিবেশ, সম্প্রদায়িক প্রচারণা ও প্রশাসনিক কারসাজি মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে গুরুত্ব

    পেশীশক্তি, ভয়ের পরিবেশ, সম্প্রদায়িক প্রচারণা ও প্রশাসনিক কারসাজি মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে গুরুত্ব

    বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ঠিকই সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা হওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানুষ এ কথা স্পষ্টভাবে জানতে চায়, যাতে তারা ভয়মুক্ত পরিবেশে স্ব自主ভাবে ভোট দিতে পারে। তারা চায়, একাধারে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে এরপর শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্ন হওয়ার পরে, জনসাধারণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়। এজন্য অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য ভোটের পরিবেশ তৈরি অপরিহার্য। একই সঙ্গে ভোটে দাঁড়ানোর ও ভোট দেওয়ার অধিকারের পূর্ণ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে নজর রেখে গতকাল বুধবার বিকেলে খুলনার ধর্মসভা, সেমেট্রি রোড, শান্তিধাম মোড় এবং সাত রাস্তার মোড়ে গণসংযোগকালে। রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের কিছু অংশ জনগণের মনোভাবকে বিভ্রান্ত করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকেও বিতর্কের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। পাশাপাশি তারা মব লিষ্ট ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে খুলনায় ঘটে যাওয়া হত্যা, লুটপাট ও অরাজকতা নজিরবিহীন। এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হবে। এজন্য তিনি প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সিপিবি’র সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ, সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান বাবু, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মহানগর সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, সদর থানা সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, টিইউসি নেতা রঙ্গলাল মৃধা, যুবনেতা নাহিদ হাসান, ছাত্র নেতা সুদীপ্ত রায়, টনুশ্রী, ওয়াহিদুজ্জামান, ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

  • আধুনিক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই

    আধুনিক দাকোপ ও বটিয়াঘাটা গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই

    খুলনা-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী জিয়াউর রহমান পাপুল বলেছেন, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কার্যত অপ্রাপ্ত। অবহেলিত পরিকল্পনা ও অগোছালো উন্নয়নের কারণে এই এলাকার বৈকালিক অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে এবং সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নতিতে কোনো কাজে আসেনি। বুধবার বিকেলে দাকোপের এম এম কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে জেলা বিএনপি সদস্য শাকিল আহমেদ দিলুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নেতৃবৃন্দ।

    জিয়াউর রহমান পাপুল আরও বলেন, তিনি চান দাকোপ উপজেলাকে আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। এজন্য তিনি দাকোপের নলিয়ান পর্যন্ত চারলেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যা খুলনা শহরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানান, যা এখানকার বেকারত্ব কমাতে সহায়ক হবে।

    অনুষ্ঠানে চালনা পৌর বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আল আমিন সানা সঞ্চালনা করেন। এতে ভাষণ দেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সুলতান মাহমুদ, জি এম রফিকুল হাসান, মনিরুজ্জামান লেলিন, আসাবুর রহমান পাইলট, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামীম, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক গাজী জাহাঙ্গীর আলম, চালনা পৌর বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আইয়ুব কाज़ী, বেল্লাল হোসেন মোল্লা, ইমরান হোসেন পলাশ, এস এম ফয়সাল, আব্দুস সাত্তার আকন, সেকেন্দার শেখ, মানস গোলদারসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অমল গোলদার, আনোয়ার হোসেন আনোয়ার, মাসুম বিল্লাহ, রেহানা ইসলাম, কৈশল্যা রায়, রাবেয়া পারভীন, মঞ্জিলা পারভীন ও কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।

  • ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    ভোটাধিকার দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের ভবিষ্যত নিরাপদ করতে নাগরিকদের ভোটাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাধিকার শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে না, বরং দেশের অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতার পথ সুগম করে। তিনি বলেন, যদি জনগণ সক্রিয়ভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তবে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং সঠিক পথে অগ্রগতি সম্ভব হবে। বর্তমানে আমরা একটি ট্রানজিশন পর্বে আছি, যেখানে কর্তৃত্ববাদী শাসন থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছি। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মহল নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত হলেও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    গতকাল বুধবার, সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শেরে বাংলা রোডের জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতনে সকল শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময়, ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এছাড়াও, সিমেট্রি রোডে আর্চ্য্যপ্রফুল্লচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    তিনি আরও বলেন, যতটা সম্ভব ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি বনানী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, এডিবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি, তিনি সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এবং খুলনা বাজার পোস্ট অফিসসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

    পরে, তিনি মহানগর বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শাহজালাল বাবলু, মরহুম এম এ সালাম মন্টু এবং অসুস্থ এড. রফিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন। সন্ধ্যায়, তিনি জনতা ব্যাংক কর্পোরেট শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর, তিনি জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রার্থীকে সমর্থন দিতে সবাইকে অনুরোধ করেন।

    এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন, মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শমসের আলী মিন্টু, কামরান হাসান, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, রবিউল ইসলাম রবি, ওমর ফারুক, নাসির খান, মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, খায়রুল ইসলাম লাল, মাহবুব হোসেন, মোস্তফা কামাল, আসলাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, আলমগীর হোসেন আলম, আবুল বাসার, আল বেলাল, রিয়াজুর রহমান, শামীম আশরাফ, মোল্লা আলী আহমেদ, শরিফুল ইসলাম সাগর, মাজেদা খাতুন, ওহেদুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান বাদশা, সুলতান মাহমুদ সুমন, কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জামান মিন্টু, হুমায়ুন কবির, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ফিরোজ আহমেদ, সাব্বির হোসেন, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুশফিকুর রহমান অভি, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, পারভেজ মোড়ল, শামীম রেজা, মাহমুদুল হাসান মুন্না, সাখাওয়াত হোসেন, জামাল মোড়ল, ডাঃ আব্দুস সালাম, আশিকুর রহমান, শেখ আক্তারুজ্জামান, খায়রুল বাসার, মিজানুর রহমান মিজান, আসমত হোসেন, এ আর রহমান, রাজু আহমেদ রাজ, জুয়েল রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, শওকত আলী, মশিউর রহমান, মোহাম্মাদ আলী, ইকবাল শেখ, সাইদ আলম ও তামিম হাসান প্রমুখ।

  • তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে

    তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে

    মহানগর বিএনপি সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনার মানুষ বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। প্রতিদিনই খুন, সন্ত্রাস এবং অপরাধের ঘটনা বেড়ে চলেছে যা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা জনগণের দুশ্চিন্তা আরও বাড়াচ্ছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নই হবে দেশের জন্য নতুন এক আশার আলো। যদি এই দফাগুলো কার্যকর হয়, তাহলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, বিচারহীনতা বন্ধ হবে এবং মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পাবেন। এই কথা তিনি গতকাল বুধবার বিকালে খুলনায় চলমান খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি প্রতিরোধে বিএনপি’র ১৮নং ওয়ার্ড শাখা থেকে আয়োজিত এক সমাবেশে উল্লেখ করেন।

    মনা আরও বলেন, দুর্বৃত্তদের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খুলনায় অর্ধশতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনও অপরাধীকে এখনো আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি। জনগণের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন।

    সমাবেশে মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, সরকার ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। অবিরাম হত্যা, গুম, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, মাদক ও চাঁদাবাজি রোধে নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের কোন বিকল্প নেই। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দেশের ভিতরে থাকা ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলি বিদেশে অবস্থান করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যা খুলনা সহ পুরো দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

    শেখ আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সৈয়দা রেহানা ঈসা, হাফিজুর রহমান মনি, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির ইকবাল বাপ্পি, শাহিদ হাসান লাভলু, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, শেখ হাবিবুর রহমান, শেখ মোস্তফা কামাল, শেখ আজিজুর রহমান, মোহাম্মদ আবল ওয়ার, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, কামরুজ্জামান রুনি, শওকত আলী বিশ্বাস লাবু, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বকশী, কাদের মল্লিক, ইয়াসিন মো্ল্লা মোহাম্মদ আবু বক্কার মীর, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, কাজী জলিল, হেলাল ফারাজি, সিদ্দিকুর রহমান, সাইফুল মল্লিক, সুজন সিকদার, শহিদুল ইসলাম শহীদ, রিয়াজুল কবির, একরাম মোল্লা, আলী আহমেদ, দুলু মোল্লা, রাহুল চিশতী, হুমায়ুন কোভিদ, আব্দুল আলিম ও আব্দুল ওয়াদুদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার। এতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনার নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

    খুলনার নতুন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

    খুলনা জেলার नए পুলিশ সুপার হিসেবে মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ দিয়ে অনেকের মনে আশা জেগেছে। এর আগে তিনি সিলেট জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি একটি লটারির মাধ্যমে খুলনায় যোগদানের সুযোগ পেয়েছেন, যা খুবই অনন্য এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার ফল। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের ঘোষণা দেয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৪ জেলার এসপি নিয়োগের জন্য লটারির আয়োজন করা হয়। এই লটারিটি অনুষ্ঠিত হয় গত সোমবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে, যেখানে সবাই স্বচ্ছতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়ল

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়ল

    অলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় এক মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন করদাতারা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যা আগে ছিল ৩০ নভেম্বর। এই পরিবর্তন ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

    একজন এনবিআর কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ২০২৩ সালের আয়কর আইন অনুযায়ী ২০২৫-২৬ করবর্ষের জন্য কোম্পানি ছাড়া সব করদাতা কেন না, সব ধরনের করদাতা রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। পেশাগত কারণে কিছু করদাতা সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছিলেন, এ কারণে সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই বছর ১০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে অর্থাৎ ই-রিটার্নের মাধ্যমে তাদের রিটার্ন দাখিল করেছেন। ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এনবিআর এর ওয়েবসাইট www.etaxnbr.gov.bd এর মাধ্যমে ই-রিটার্ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    এনবিআর আরও জানায়, বিশেষ আদেশের আওতায় ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ করদাতা, শারীরিক অসুস্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃতের আইনগত প্রতিনিধি এবং বিদেশি নাগরিকরা এই পুরো বছর অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। তবে প্রয়োজন হলে অন্য করদাতারাও ইচ্ছা করলে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।

    বিদেশে থাকা বাংলাদেশি করদাতাদের জন্য পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তাদের জন্য OTP ও রেজিস্ট্রেশন লিংক ই-মেইলে পাঠানো হবে, যাতে তারা সহজে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে সক্ষম হন। উল্লেখ্য, এই সিস্টেমে কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না। শুধু আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য দিলেই তাৎক্ষণিকভাবে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তি ও আয়কর সনদ ডাউনলোড সম্ভব।

    এসব সুবিধার মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে থাকা করদাতাদের মধ্যে ই-রিটার্ন দাখিলের প্রসার বেড়ে গেছে। কোনো সমস্যা হলে করদাতারা কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১) এ যোগাযোগ করে দ্রুত সহায়তা নিতে পারেন।

    এছাড়া, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের e-Tax Service অপশন এবং দেশের বিভিন্ন কর অঞ্চলস্থ ই-রিটার্ন হেল্প ডেস্ক থেকেও সরাসরি সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে।

  • আগামী জুলাইয়ের মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন চালু করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

    আগামী জুলাইয়ের মধ্যে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন চালু করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

    ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে ব্যাংক, এমএফএস, বীমা এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সঙ্গে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বয়ংক্রিয়, ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে নগদ লেনদেনের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যাবে এবং অর্থের সহজে, স্বচ্ছভাবে প্রবাহিত হবে। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, যিনি সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য প্রকাশ করেন।

    গভর্নর বলেন, ‘লেনদেনে স্বচ্ছতা এবং জটিলতা কমানোর জন্য ডিজিটালাইজেশন অপরিহার্য। এ জন্য অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি মানসম্মত ই-লেনদেন প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এটিই হবে মূল মাধ্যম, এর বিকল্প নেই। এতে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি কমবে এবং রাজস্ব আয়ে সুফল আসবে।’

    অনুষ্ঠানে গেটস ফাউন্ডেশনের মোজোলুপের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। নিরাপত্তা বিবেচনায় এই চুক্তিটির ভার্চুয়ালি আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। গভর্নর জানান, এই চুক্তির আওতায় মোজোলুপের তৈরি প্ল্যাটফর্মের নাম হলো ইনক্লুসিভ ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সিস্টেম (আইআইএসপি)। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সকল অর্থনৈতিক ক্লিয়ারেন্স, লেনদেন ও অর্থপ্রদানের প্রসেস আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্গীকার।

  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাত্রার ঝুঁকি উল্লেখ

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাত্রার ঝুঁকি উল্লেখ

    বাংলাদেশের প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ, অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কিছুআপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের মুখে পড়লে আবারও দারিদ্র্যসীমার নিচে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে দারিদ্র্য কমিয়েছে। এর ফলে দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে बाहर এসেছে এবং এর মধ্যে ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নত হয়েছে, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, পানির সুষ্ঠু সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা সহজে পেতে শুরু করেছে। তবে ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি ধীর হয়ে গেছে, আর অর্থনৈতিক উন্নতির সুফল দেশের সব অংশে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। প্রতিবেদনটি আরও জানায়, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য হার ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে ১৮.৭ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতির ধীরগতির জন্য মূলত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রভাব কম হলেও, এই সময় বৈষম্যও বেড়েছে। ধনী ও গরিবের মধ্যে আয়ের ব্যবধান বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি ভিত্তিক গ্রামীণ এলাকাগুলো দারিদ্র্য হ্রাসে নেতৃত্ব দিয়ে থাকলেও শহরাঞ্চলে এই হ্রাসের হার কমে গেছে। ২০২২ সালের মধ্যে শহরে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে, যেখানে প্রতি চারজনের মধ্যে একজন শহরে বাস করেন। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগের পরিচালক জাঁ পেম বলেন, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে দারিদ্র্য হ্রাসে সফল হলেও, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জলবায়ু ঝুঁকি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ধীর গতি এই অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি تاکید করেন, দারিদ্র্য কমানোর সবচাইতে কার্যকর উপায় হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ করে যুবক, নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য। এজন্য দরিদ্র বন্ধুত্বপূর্ণ, জলবায়ু সহিষ্ণু এবং কর্মসংস্থান কেন্দ্রিক কৌশল গ্রহণ জরুরি। প্রতিবেদনে প্রকাশ, উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান কমছে, ফলে নারী ও তরুণেরা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রতি পাঁচ নারীকে মধ্যে একজন বেকার, আর শিক্ষিত নারীদের মধ্যে এক চতুর্থাংশের নেই চাকরি। শহরেও বিশেষ করে ঢাকার বাইরে চাকরি সৃষ্টি খুবই বেশি স্থবির। শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক কমে গেছে এবং ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণরা কম মজুরি করে কাজে লাগানো হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন হলো লাখ লাখ বাংলাদেশির জন্য দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার এক অন্যতম পথ। প্রবাসী আয় দারিদ্র্য কমাতে সাহায্য করেছে, তবে দেশের ভিতরে ও বিদেশে কর্মরত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত নয়। অনেক প্রবাসী পরিবার শহরের ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে বাস করে যেখানে জীবনযাত্রার মান নিচের দিকে। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারিত হলেও ব্যবস্থাপনা অদক্ষতা ও লক্ষ্যমাত্রার অভাব দেখা যায়। ২০২২ সালে সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা পেলেন ৩৫% ধনী পরিবার, অর্ধেকের বেশি দরিদ্র পরিবার এই সুবিধা পায়নি। ভর্তুকি বা সরকারি সহায়তা অনেক সময় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং দরিদ্রের বদলে বেশি ভাগ সুবিধা পায় ধনী পরিবার। প্রতিবেদনে চারটি মূল নীতিমালা উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো বাস্তবায়ন দেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে সহায়ক হবে—উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বেশি কাজের ব্যবস্থা করা, আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগ ও ব্যবসায় সহায়ক নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর social safety net তৈরির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা। জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও লেখক সার্জিও অলিভিয়েরি বলছেন, বাংলাদেশ পূর্ব-পশ্চিমের আঞ্চলিক বৈষম্য কমিয়েছে, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন এবং শহর ও গ্রামীণ বৈষম্য বাড়ছে। তিনি বলেন, উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শহরে গুণগত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে মূল্য-শৃঙ্খলা ধরে রাখা, এবং সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুত দারিদ্র্য হ্রাসের পথ পুনরুদ্ধার ও ত্বরান্বিত করতে পারে এবং সব শ্রেণির মানুষের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে পারে।

  • ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন বিদেশ ভ্রমণ নির্দেশনা জারি

    ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন বিদেশ ভ্রমণ নির্দেশনা জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে বিদেশে ভ্রমণের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীদের শুধুমাত্র অতি জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রেই বিদেশে যাওয়া অনুমোদিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) এই নির্দেশনা প্রকাশ করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়কালে ব্যাংকিং সেক্টরে কোনো শূন্যতা বা প্রশাসনিক বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন মূলক সময়ে ব্যাংকিং কার্যক্রমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ভারসাম্যপূর্ণ ভ্রমণ নীতি কার্যকর করা হয়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দেশের বাইরে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার জন্য সাফ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্ত আইন অনুযায়ী, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীন গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি ঐক্ষেত্রে অবিলম্বে কার্যকর হবে। মূল লক্ষ্য হলো, নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যাংকিং খাতে কোনো অস্থিরতা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যাঘাত না ঘটে, যাতে দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

  • বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষে, সামগ্রিক ঋণের মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। 이는 মোট উসুলযোগ্য ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশের সমান, যা ছিল গত বছর ডিসেম্বরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। ডিসেম্বরের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। ফলে গত নয় মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকার বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বুধবার (২৬ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারী আমলে ব্যাংক থেকে নানা নামে-বেনামে অর্থ উত্তোলনের ঘটনায় এখন খেলাপি ঋণের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সমন্বয় করে ঋণের নবায়ন নিয়মের পরিবর্তনের কারণে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়েছে। অনেক ঋণই অবৈধভাবে নবায়ন না হওয়ায় এবং নানা ধরনের অনিয়মের ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই ঋণ আদায় করতে পারছে না।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষে দেশের মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায়, অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা, যা অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।