Month: November 2025

  • ভারতকে ‘হুমকি’, দুই দিনের মধ্যে এশিয়া কাপের ট্রফি বুঝিয়ে দিতে হবে

    ভারতকে ‘হুমকি’, দুই দিনের মধ্যে এশিয়া কাপের ট্রফি বুঝিয়ে দিতে হবে

    এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টের সমাপ্তির এক মাস পার হয়ে গেলেও ট্রফি ইস্যু এখনও কাটেনি। ভারত পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলেও, একটিই বিষয় এখনো বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। সেটি হলো, এখনও পাকিস্তানের কাছে ট্রফি পৌঁছে যায়নি। এই পরিস্থিতিতে নাটক কম হয়নি। শেষ পর্যন্ত এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব দেবজিত সাইকিয়া একটিমাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। তিনি বললেন, দুই দিনের মধ্যে যদি ট্রফি না পৌঁছে দেয় এসিসি, তাহলে তিনি আইসিসির বোর্ড সভায় ব্যাপারটিকে তুলে ধরবেন এবং পরিস্থিতি জটিল করে তুলবেন।

    এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভি। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি। ফাইনালের পর ভারতীয় দল ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানায়; এতে নাকভি দৃঢ়ভাবে জানান, ট্রফি পেতে হলে ভারতের প্রতিনিধিদেরকে এসিসির সদর দপ্তরে যেতে হবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ফলে এই ট্রফি ইস্যু এখনও অপ্রাপ্তির অন্ধকারে থাকছে। আগামী মঙ্গলবার দুবাইয়ে আইসিসির সভা অনুষ্ঠিত হবে, তার আগে বিসিসিআই কর্তৃপক্ষ এসিসির কাছ থেকে ট্রফি চান।

    বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া পিটিআই-কে বলেছেন, ‘অতিক্রম করে গেছে এক মাস, কিন্তু এখনো ট্রফি আমরা পাইনি। এ নিয়ে আমাদের অসন্তোষ রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। দশ দিন আগে এসিসিকে চিঠি দিয়েছিলাম, তারপর থেকে তাদের কাছ থেকে কিছু পরিবর্তন হয়নি। তারা ট্রফি আমাদের কাছে রাখছে। আমরা আশাবাদী, দু-এক দিনের মধ্যে ট্রফি বিসিসিআই অফিসে পৌঁছে দেওয়া হবে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ট্রফি ফিরে আসবেই। এটা কেবল সময়ের ব্যাপার। সময় যতই লাগুক না কেন, একদিন না একদিন আমরা ট্রফি পাবই।’

    অতিমাত্রায় ট্রফি ইস্যুতে, নাকভিকে বিদ্রূপ করার জন্যও প্রস্তুত বিসিসিআই। দেবজিত সাইকিয়া বললেন, ‘আশা করি, এশিয়া কাপে আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে সব ম্যাচ জিতেছি এবং চ্যাম্পিয়নও হয়েছি। তবে ট্রফি এখনো আমাদের হাতে নেই। আমি আশা করি, এসিসির সভাপতি মহসিন নাকভির বিবেক জেগে উঠবে।’

  • জামায়াত যুব বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মহাফুজের মধ্যে

    জামায়াত যুব বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মহাফুজের মধ্যে

    মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ক্রিকেট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। এর মাধ্যমে তরুণ সমাজের মধ্যে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠবে। তিনি আরো বলেন, আমি চাই এখান থেকেই উঠে আসুক দেশের ভবিষ্যৎ তারকা ক্রিকেটাররা। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর খালিশপুরস্থ পিপলস জুট মিলস পাঁচতলা কলোনি মাঠে মহানগর জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত নগরব্যাপী আন্তঃওয়ার্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন নগর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মুকাররম আনসারী এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারি হামিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, নগর জামায়াতের সেক্রেটারি এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ইকবাল হোসেন, মুশাররফ আনসারী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুনাওয়ার আনসারী এবং আরো অনেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।
    এটি ৪৬ দলের প্রতিযোগিতা, যেখানে উদ্বোধনী খেলায় ১২নং ওয়ার্ড ও ৭নং ওয়ার্ড মুখোমুখি হয়। ৭নং ওয়ার্ড টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ১২ ওভারের এই ম্যাচে ১২নং ওয়ার্ড প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান সংগ্রহ করে, এর জবাবে ৭নং ওয়ার্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান করে। ফলে ১২নং ওয়ার্ড ২১ রানে জিতে গিয়েছে।

  • ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেস্ট দলের নেতৃত্বে থাকবেন শান্ত

    ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেস্ট দলের নেতৃত্বে থাকবেন শান্ত

    বাংলাদেশ দলের টেস্ট নেতৃত্বে কোন পরিবর্তন আসছে না। বর্তমানে টেস্ট দলের অধিনায়কের দায়িত্বে থাকবেন নাজমুল হোসেন শান্ত, যা কিছুদিন আরও স্থায়ী হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শনিবার (০১ নভেম্বর) এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চলমান ২০২৫-২০২৭ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ পর্যন্ত শান্তই বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন। শান্ত ২০২৩ সালে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এখন পর্যন্ত তিনি ১৪টি টেস্টে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অধীনে বাংলাদেশ লাল বলের ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য স্থায়িত্ব ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, শান্তর নেতৃত্বে দলের মধ্যে যে পরিপক্বতা ও দায়িত্বশীলতা দেখা গেছে, তাতে তারা খুবই আশাবাদী। দলের ভেতরে তার প্রভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক, ফলে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে। এই ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসের জন্য উচ্ছ্বসিত শান্ত নিজেও। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকাটা আমার জীবনের অন্যতম গর্বের বিষয়। বোর্ডের উপর আমার আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে, যারা একসঙ্গে কাজ করলে আমরা সফল ও স্মরণীয় কিছু অর্জন করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের পরবর্তী টেস্ট মৌসুমটি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজ দিয়ে শুরু হবে।

  • ভারতে মন্দিরে পদদলিত হয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ মৃত্যু

    ভারতে মন্দিরে পদদলিত হয়ে নারী ও শিশুসহ ১২ মৃত্যু

    অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামে নবনির্মিত একটি মন্দিরে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশীরভাগই নারী ও শিশু। এটি ঘটে শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে, যখন একাদশী পূজার জন্য হাজার হাজার মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছিল। হিন্দু সমাজের পবিত্র এই দিনটিতে কাশিবুগ্গার শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে ভিড় উপচে পড়া অবস্থায় এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিও দেখলে বোঝা যায়, ভিড়ের চাপে মন্দিরের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়, যার ফলে পরিস্থিতি একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়। নারীরা জোরেশোরে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন, তখন তাদের হাতে পূজার ঝুড়ি ছিল। ঘটনাস্থলে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়, যার মধ্যে অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয় যে, কেউ একজন অন্যকে এগিয়ে আসতে বা উদ্ধার করতে পারছিলেন না। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গেছে, এই মন্দিরটিকে ‘মিনি ত্রিরুপাতি’ বলেও ডাকা হয় এবং এটি সরকারি ভাবে পরিচালিত হয় না। তবে, একাদশী পূজার এই মহা সমাগমের ব্যাপারে মন্দির কর্তৃপক্ষ কোনো আগাম জানানো হয়নি। দুর্ঘটনার স্থানটি নির্মাণ কাজ চলছিল বলে জানা গেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড়ু আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ বলেছেন, এ ঘটনার সম্পূর্ণ প্রকৃতি তদন্ত করে বিচার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং জানান, নিহত প্রত্যেকের পরিবারের জন্য দুই লাখ রুপি আর আহতদের জন্য পঞ্চাশ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হবে। সূত্র: এনডিটিভি

  • মেক্সিকোয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৩ জনের মৃত্যু

    মেক্সিকোয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৩ জনের মৃত্যু

    উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ২৩ জন। নিহতের মধ্যে বেশ কিছু শিশু রয়েছে, এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এই দুর্ঘটনা ঘটে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় হার্মোসিলো শহরে একটি ডিসকাউন্ট স্টোরে অগ্নিকাণ্ডের মাধ্যমে। রোববার (২ নভেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    হাতাহতের কারণ হিসেবে প্রথমে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, অগ্নিকাণ্ডের পরে অসংখ্য মানুষ দম বন্ধ হয়ে মারা গেছে। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, অধিকাংশ মৃত্যু ধোঁয়ায় শ্বাস নেওয়ার কারণেই ঘটেছে।

    অগ্নিকাণ্ডের সময়ে সেখানে ছিলো অনেক মানুষ, কারণ এটি হয়ছিলো ‘ডে অব দ্য ডেড’ উৎসবের দিনে, যখন মানুষ প্রিয়জনদের স্মরণে নানা অনুষ্ঠান করছিল। দরিদ্রদের জন্য ডিসকাউন্টের এই দোকানে এ সময়ের এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    সোনোরা প্রদেশের গভর্নর আলফোনসো দুরাজো এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে জানিয়েছেন এবং উদ্ধার কাজের জন্য সহায়তা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    রেড ক্রস জানিয়েছে, উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে ৪০ কর্মী এবং ১০টি অ্যাম্বুলেন্স, যারা আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তবে এখনও অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্ত চলছে। শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি হতে পারে শর্ট সার্কিট বা এর আগের বিস্ফোরণের কারণে।

    শহরবাসীর ধারণা, এ ঘটনার পেছনে কোনও ধরনের হামলার অভিযোগ নেই। ফায়ার সার্ভিসের প্রধান জানিয়ছেন, আগুন লাগার আগে সেখানে কি কোনও বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ড নেভানোর জন্য প্রয়োজনে আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • নেপালে টানা বর্ষণ ও তুষারপাত: এভারেস্টের পাদদেশে অসংখ্য পর্যটক আটকা

    নেপালে টানা বর্ষণ ও তুষারপাত: এভারেস্টের পাদদেশে অসংখ্য পর্যটক আটকা

    নেপালের এভারেস্ট অঞ্চলে লম্বা সময় ধরে টানা বর্ষণ, তুষারপাত ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ে গেছেন। শনিবার ভারতের সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় হামলা, ত্রাণের ৭৫% আটকে রেখেছে ইসরায়েল

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় হামলা, ত্রাণের ৭৫% আটকে রেখেছে ইসরায়েল

    মার্কিন মধ্যস্ততায় যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, তা থেকে কিছুটা হলেও ত্রাণের প্রবাহ বেড়েছে বললেও পরিস্থিতি মোটেও স্বাভাবিক নয়। গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার কারণে ত্রাণের বড় অংশ এখনো পৌঁছাতে পারেনি। দেশটি প্রতিশ্রুত ত্রাণের মাত্র ২৫ শতাংশই গাজার মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পারছে, অর্থাৎ মোট ত্রাণের প্রায় ৭৫ শতাংশই আটকে রয়েছে ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে। এ পরিস্থিতিতে মানবিক সংকট হৃদয়বিদারক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন গাজার কর্তৃপক্ষ।

    শনিবারের এক বিবৃতিতে গাজার সরকারী গণমাধ্যমে বলা হয়, গত ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ২০৩টি বাণিজ্যিক ও ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১৪৫টি ট্রাকের অনুমতি দেয়া হয়েছে, যা দৈনিক ৬০০ ট্রাকের নির্ধারিত পরিমাণের খুবই কম—মাত্র ২৪ শতাংশ। এক পর্যায়ে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে এই ট্রাকগুলোতে বাধা দিচ্ছে, যার ফলে ২৪ লাখেরও বেশি মানুষের মানবিক সংকট আরও মারাত্মকতর হয়ে উঠেছে।

    এমন পরিস্থিতিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা চাপ সৃষ্টি করেন, এবং শর্ত বা বিধিনিষেধ বিনা দ্বিধায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেন। অর্থাৎ, কোনো শর্তের তোয়াক্কা না করে মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

    বিশেষ করে, দীর্ঘ দুই বছর সংঘর্ষের কারণে বহু পরিবার এখন আশ্রয়হীন। অনেকের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, তারা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র ফারহান হক জানান, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রুট পরিবর্তনের ফলে ত্রাণ কার্যক্রম বেশ বেসামাল হয়েছে। তিনি বলেন, “এখন কনভয়গুলোকে মিসরের সীমান্তঘেঁষা ফিলাডেলফি করিডর দিয়ে যেতে হচ্ছে, যা মারাত্মক যানজটে আটকে রয়েছে।” এ জন্য যান চলাচল সহজ করার জন্য আরও সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ রুট চালুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী শনিবারও বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। খাস জোন হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে বিমান, কামান ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পাশের বেশ কয়েকটি ভবনও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “ইসরায়েলি ড্রোন ও ভারী গোলাবর্ষণে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি ধ্বংসস্তুপে রূপান্তরিত হচ্ছে।”

    মহামারী বা জরুরি পরিস্থিতির মতো এই পরিস্থিতিতে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫৯৪ জন আহত হয়েছেন। পুরো পরিস্থিতি মানবিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ আহত হচ্ছে, অনেক প্রাণ হারাচ্ছে।

  • ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিদরা

    ২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিদরা

    নতুন বছর শুরু হতে এখনো দুই মাসের বেশি সময় বাকি। এরই মধ্যে ২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট জ্যোতির্বিদরা। they জানিয়েছেন যে, এই বছর রমজানের শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি, যা মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য বেশ কিছু দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    গত ১৬ অক্টোবর, আমিরাতের জ্যোতির্বিদ্যা সংস্থার সভাপতি ইব্রাহিম আল-জারওয়ান জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে হিজরি ১৪৪৭ সালের রমজান শুরু হবে আনুমানিক ১৭ ফেব্রুয়ারি। তবে সূর্যাস্তের এক মিনিট পরে চাঁদ আকাশে উঠবে বলে জানা গেছে, ফলে চাঁদটি খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। তাই, ধারণা করা হচ্ছে, রমজানের সূচনা হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি নয়, বরং ১৯ ফেব্রুয়ারি।

    এছাড়া, ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে ২০ মার্চ, শুক্রবার। তিনি আরো বলেছেন, রমজানের প্রথম দিন হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি, এবং শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হিসেবে ঈদ উৎসবের দিন নির্ধারিত হবে ২০ মার্চ।

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যপ্রভৃতি দেশগুলিতে রোজার সময়কাল বৃদ্ধি পাবে। প্রথমে প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা রোজা বজায় থাকবে, যার পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়বে। কালানুক্রমে এটি পৌঁছাবে ১৩ ঘণ্টার কোটার দিকে।

    আল-আরাবিয়া সূত্র বলছে, সৌদি আরবের চাঁদ দেখার কমিটি আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বৈঠক করবে, যেখানে রমজান শুরু ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের জন্য আলোচনা হবে। জানা যায়, সৌদি আরব তাদের নিজস্ব উম আল-কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রোজা ও ঈদ ঘোষণা করে। তবে উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চাঁদ দেখার তারিখের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ভিন্নতা থাকায়, বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য তারিখ হলো ২০ ফেব্রুয়ারি রোজার প্রথম দিন এবং ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর পালন হতে পারে।

  • আজাদ: সব রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে

    আজাদ: সব রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই জাতীয় সনদকে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি স্বীকৃতি প্রদান করে তার ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি তুলছেন তারা। আজাদ আরও উল্লেখ করেছেন, দেশের জনগণ একটি সম্পন্ন, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে। এজন্য তিনি সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ ও স্বাধীনভাবে কার্যক্রম চালানোর পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

    গতকাল শনিবার সকালে নগরীর সোনাডাঙ্গায় আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা অঞ্চলের নির্বাচনী দায়িত্বশী মাস্টার শফিকুল আলম। উপস্থিত ছিলেন খুলনা অঞ্চল টিমের সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান, মুহাদ্দিস রবিউল বাসার, খুলনা মহানগরীর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সাতক্ষীরার আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল, বাগেরহাট জেলার আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনা জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, মহানগর সেক্রেটারি এড. শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, জেলার সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলার সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস, বাগেরহাট-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদপ্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্যপ্রার্থী মঞ্জুরুল হক রাহাতসহ আরও অনেকে। এতে খুলনা অঞ্চলের চারটি জেলার প্রতিনিধি, মহানগরীর ১৩টি আসনের পরিচালকদের পাশাপাশি সদস্য সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচন নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করবে জনগণ: এড. মনা

    নির্বাচন নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করবে জনগণ: এড. মনা

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে আসছি। যারা আবারও ভোট চুরি কিংবা ভোট বঞ্চনার অপচেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের সম্পৃক্ততা দিয়ে কঠোরভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। গতকাল শনিবার রাতে নগরীর ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার লুণ্ঠন করছে। বিএনপি’র হাজারো নেতা-কর্মীকে পরিকল্পিতভাবে গুম, হত্যা ও নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে। ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অনেক নেতার সন্ধান আজও মেলেনি, তাদের পরিবারের সদস্যরা কান্নার আঁচড়ে এই অন্ধকারে ডুবছে।

    জিয়া পরিবারের ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জিয়া পরিবার। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় বন্দি করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের ভাই শোনাতে পারছেন না তাঁর মা’কে, কারণ এখন তিনি জনতার মা।’

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে মনা বলেন, “জিয়াউর রহমান জনগণের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। খনন প্রকল্প থেকে শুরু করে গণশিক্ষা কার্যক্রম—all এসব সাধারণ মানুষের উন্নয়নের জন্য। মৃত্যুর পরও তার নামে কোনও বিত্ত-বৈভব থাকেনি।”

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তারেক রহমান দেশের মানুষের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে জনগণ অর্ধমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবেন। পাশাপাশি এক কোটি বেকার কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করা হবে।”

    ধর্মীয় রাজনীতির অপব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, “আজকাল কেউ কেউ জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। বলে, আমাদের ভোট দিলে আপনি জান্নাতে যাবেন। এটি আল্লাহর সঙ্গে শিরক করার সমান, যা কখনো ক্ষমার যোগ্য নয়।” তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে 앞으로 আসন্ন আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

    সভায় উদ্বোধক ছিলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মিরাজুর রহমান মিরাজ এবং প্রধান বক্তা ছিলেন সদস্য সচিব মো.ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি। বিশেষ বক্তা ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মুনতাসির আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আলম খান, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কে. এম হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মোল্লা। সভাপতিত্ব করেন সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব রায়হান বিন কামাল। অনুষ্ঠানে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।