Month: November 2025

  • বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২১ নভেম্বর

    বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২১ নভেম্বর

    বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দিবসটি এখন থেকে ২১ নভেম্বর পালন করা হবে। এই ঐতিহাসিক দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশের অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী সংগঠনগুলো। আগামী শুক্রবার সকালে ৯টায় নগরীর গিলাতলা সংলগ্ন জাহানাবাদ সেনানিবাসের বনবিলাসে এক বিশাল মহতী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিবসটি উদযাপিত হবে।

    বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই অনুষ্ঠানে খুলনা ও আশপাশের জেলার সকল অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য, তাঁদের পরিবার, স্ত্রী ও সন্তানরা অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীরা আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন সার্জেন্ট সিরাজ (০১৭৩১-৪২২৬৮৬), সার্জেন্ট বিলাল (০১৭১৮-৫৬৬৬৯৯) অথবা এল/আরও(জি) মোসলেউদ্দিন (০১৭৭৬-০৫৭৪১৮) এর সঙ্গে।

    সশস্ত্রবাহিনী দিবসের এই অনুষ্ঠানের আয়োজনকারী কমিটির সভাপতি এবং এ তথ্যের জন্য দায়ী অভ্যন্তরীণ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীসমূহের ঐতিহ্য এবং গৌরবের এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে এই সকল প্রস্তুতি চলছিল।

  • আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: লবি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: লবি

    সাবেক সংসদ সদস্য এবং খুলনা-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলি আসগার লবি এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের উন্নতি ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছর ভোট দেওয়ার সুযোগ বেশিরভাগ সময়ই ব্যাংক শূন্য ছিল, কারণ নির্বাচনকালীন সময় ভ্রাম্যমাণ ব্যালট ভরা হয়েছিল। তবে এবার প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে দেশের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, কাদের নেতৃত্বে এগোবে দেশ। এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে সাধারণ মানুষের ভোটের ওপর।

    শুক্রবার বিকেলে ডুমুরিয়ার গুটুদিয়ায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলি আসগার লবি বলেন, আমি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে আপনাদের নিকট ভোট প্রার্থনা করছি। যদি আমি জয়ী হই, তাহলে সারাজীবন আপনাদের পাশে থেকে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। তিনি বলেন, গুটুদিয়া হবে একটি আধুনিক ইউনিয়ন, শহরঘেঁষা এই এলাকাকে সবার জন্য উন্নত এবং সমৃদ্ধ করে তুলতে চান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত গুটুদিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মোঃ শহীদ মোড়ল। প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের আহবায়ক এবাদুল হক রুবায়েত। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি শখা এবং খুলনা জজকোর্টের এপিপি এড. মুনিমুর রহমান নয়ন। আরও বক্তব্য ব্যক্ত করেন ডা: আলম, মাওলানা খলিলুর রহমান, মোনায়েম হোসেন, মিন্টু খান, পিকুল মোড়ল, জিলুর রহমান তরফদার, মহিতুর তরফদার, মহসিন বিশ্বাস, ইকবাল বিশ্বাস, তৌহিদুর মোল্লা, কাজি সাগর, মেহেদী হাসান রাসেল প্রমুখ।

    এর আগে তিনি দিনব্যাপী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শুভকামনা ও নির্বাচনী গণসংযোগ করেন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ও ভোট চাইতে যান।

  • বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে সংঘবদ্ধ প্রচারণায় নামছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে সংঘবদ্ধ প্রচারণায় নামছেন সাবেক ছাত্রদল নেতারা

    খুলনায় ছয়টি নির্বাচনী কেন্দ্রের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করতে সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে একটি কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এ দলে থাকা নেতারা তাদের বিজয়কে অবধারিত করতে বিভিন্ন এলাকায় কার্যক্রম চালাতে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এই ছয়টি আসনে যথাযথ সংগঠনিক টিম গঠন করে ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে। সভার সভাপতিত্ব করেন সাবেক নগর ছাত্রদলের সভাপতি ও ভিপি মো. তারিকুল ইসলাম জহীর। এতে খুলনার বিভিন্ন কলেজের সাবেক ভিপি, জিএস, এজিএসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় আলোচিত হয় যে, খুলনায় পাঁচটি আসনে মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন: নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), রকিবুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), আজিজুল বারী হেলাল (খুলনা-৪), আলী আসগার লবী (খুলনা-৫) এবং এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী (খুলনা-৬)। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তাদের মনোনয়নের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয় এবং একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুলনা-১ আসনের জন্য উপযুক্ত প্রার্থী মনোনয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সভায় দেশের গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ছাত্রজনতার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং especially নিহত নেতা-কর্মীদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া, সকল ছিটম hairsা নেতাদের একত্রিত ও ঐক্যবদ্ধ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। নির্বাচনী কার্যক্রম আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু और একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করে প্রচার কর্মসূচির ব্যাপ্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যেমন—আল জামাল ভূঁইয়া, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, মোল্লা মারুফ রশীদ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শেখ আব্দুল আজিজ, শেখ মহিউদ্দিন, নজমুল হক মুকুল, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, শেখ আহসানুল কবির মিঠু, শেখ তারেকুল ইসলাম, সোহেল মাহমুদ, এড. শেখ হাফিজুর রহমান, আব্দুল লতিফ সোহাগ, শফিকুল ইসলাম নিপুন, শেখ রুনা, তরিকুল আলম, ভিপি তারেক, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, ফজলে রাব্বি, আরিফুর রহমান, মোহাম্মদ আলি ও মাসুদুর রহমানসহ আরও অনেকে। এই সব নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যত নির্বাচনী প্রচারণাকে শক্তিশালী ও সফল করার জন্য একতাবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • দেশ ও বিদেশের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

    দেশ ও বিদেশের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয় লাভ করবে। তিনি আরো বলেন, সমাজে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত করার জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। প্রবীণ ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে সমাজের সকল ধরনের পরিবর্তন আনাটা এখন অতি জরুরি। দেশের অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতি ও ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আমাদের জন্য আর সম্ভব নয়, কারণ দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। এখন দেশের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও গায়েবী অভিযোগের মাধ্যমে শত শত পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এসবের হিসাব কেউ রাখে না। শুধু তাই নয়, বিনা বিচারেই সাধারণ মানুষের ব্যবসা, বাণিজ্য, দোকানপাট, জমি এবং মাছের ঘের দখল করে নিয়ে গেছে অরাজকতা সৃষ্টি করা ফ্যাসিবাদের দোসররা। এজন্য জনগণের সঙ্গে নিয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার।

    গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম খান মজিবর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মরহুম শেখ কামরুল হাসানের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ-খবর নেন। তাঁদের মৃতদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন।

    এছাড়া, অসুস্থ সাবেক পৌর চেয়ারম্যান এড. এনায়েত আলীর বাসভবনে গিয়ে তিনি পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় সাবেক এই চ্যাম্পিয়নের রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এছাড়া, ধানের শীষের সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নাসির খান, মোল্লা হাফিজুর রহমান রাজু, রফিকুল ইসলাম, জামাল মোড়ল, মোল্লা মোস্তাফিজুর রহমান মিলন, সাব্বির হোসেন, কামাল উদ্দিন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, জুয়েল রহমান, শফিউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সালাম, রিমো চৌধুরী, নাসির আহমেদ পল্টু ও মামুনুর রহমান রাসেল সহ আরো অনেকে।

  • ঝিনাইদহে জমি বিরোধের জেরে প্রবাসী যুবক খুন

    ঝিনাইদহে জমি বিরোধের জেরে প্রবাসী যুবক খুন

    ঝিনাইদহ উপজেলার কালা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার ফলে একজন প্রবাসী যুবক নিহত হন। নিহত মাহবুল হোসেন (৪০) বাংলাদশের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা যান। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে, তবে পুলিশের কাছে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়নের কালা-লক্ষীপুর গ্রামে। নিহত মাহবুল হোসেন সাবদার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কম্পোনিডিয়া প্রবাসী ছিলেন এবং এবার ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একটি জমির লিজ নিয়ে স্থানীয় হুমায়নের সমর্থক সিরাজ মোল্লা এবং জিয়ারুল ইসলামের সমর্থক বাটুল বিশ্বাসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি, সিরাজ মোল্লা তার জমি ফেরত নিতে লিজের ক্ষতিপূরণ আদায় করে। তবে, সেখানে ফসল থাকায় তাকে জমি ফেরত দিতে অনিচ্ছুক বাটুল বিশ্বাস। এ বিষয় নিয়ে শনিবার সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় বাটুল বিশ্বাসের সমর্থক কম্পোডিয়া প্রবাসী মাহবুল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সিরাজ মোল্লা ও তার সমর্থকরা।

    স্থানীয়রা তাকে দ্রুত ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর পরে বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ এলে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    উপজেলা ইউপি সদস্য আলম মিয়া জানান, শুক্রবার রাতে উভয়পক্ষের মধ্যে বসে মতবিনিময় ও সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তার আগে সংঘর্ষ bắt হয়। এই ঘটনায় তদন্ত চালানো হচ্ছে এবং অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে: গভর্নর

    রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে: গভর্নর

    দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল। এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এবং অর্থনীতি আরও উন্নত করতে রাজনীতির শান্তি ও স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলে ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্টের হল রুমে আয়োজিত এমএফআই-ব্যাংক লিংকেজ সংক্রান্ত আঞ্চলিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    অর্থাৎ, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু থাকলে ও রাজনৈতিক অস্থিরता 없 থাকলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া, গভর্নর উল্লেখ করেন, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার নিয়ে ইতোমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ইংল্যান্ডে আইনজীবী পাঠানো হয়েছে যাতে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া দ্রুত হতে পারে। তিনি জানান, বিভিন্ন গ্রুপ ও কোম্পানির ক্লেমের বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। সফলতা থাকলে, খুব শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমআরএ’র নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। এছাড়া, বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খান, ব্রাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এনজিওর চেয়ারম্যানরাও অংশগ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ কত গুরুত্বপূর্ণ।

  • আসন্ন সরকারের জন্য পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে: অর্থ উপদেষ্টা

    আসন্ন সরকারের জন্য পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদদীন আহমেদ জানিয়েছেন যে, নতুন পে-কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার। তিনি আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত দুটি উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আইএমএফের সাথে চূড়ান্ত আলোচনা ১৫ তারিখে হবে। এর আগে ওরা আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ সন্তোষজনক মনে করেছে। তারা আমাদের কিছু সুপারিশ দিয়েছে, যেমন রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া, কারণ ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কম। এ বিষয়ে আমরা সচেতন ও সচেষ্ট হচ্ছি। এছাড়াও, আইএমএফের আরেকটি রিকমেন্ডেশন হলো সামাজিক সুরক্ষার জন্য বাজেট কমানোর পরিবর্তে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করা, বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং খাদ্য পরিস্থিতির উন্নতিতে। নির্বাচনের তিন মাস আগে আমরা বর্তমান কাজগুলো সম্পন্ন করে পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে চাই। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশ চলমান রয়েছে ও পরবর্তী সরকারকে আমরা একটি শক্ত ভিত্তি দিয়ে যাবো। সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে, কারণ এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা এখনো বিভিন্ন সংস্কারমূলক প্যাকেজ তৈরি করছি যা পরবর্তী সরকারকে দেওয়া হবে। এছাড়া, তিনি জানিয়েছেন, ট্যাক্সের বিষয়ের জন্য বিশেষ একটি কমিটি আছে, যারা স্বাধীনভাবে সুপারিশ করবে। অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পে-কমিশনের ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা এখন বলা সম্ভব নয়; এটি মূলত পরবর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত। ব্যাংক সেক্টরের জন্যও তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে, তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উন্নত হবে। আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদদীন আহমেদ বলেন, এই মুহূর্তে কোনও জরুরি প্রয়োজন নেই। ওরা আমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে কিসের উপর সিদ্ধান্ত নেবে, তা পরে জানানো হবে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ (১১ নভেম্বর) মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য বৃদ্ধি গত ১০ নভেম্বর রাতে ঘোষণা করা হয়েছে, যার কার্যকর হবে আজ থেকেই।

    নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ সংগ্রহের চাহিদা কিছুটা ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।

    অতীতের মূল্য বলে, ১ নভেম্বর এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা। অর্থাৎ, এক মাসের মধ্যে মূল্য বাড়ে প্রায় ৮ হাজার ৫০৭ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও উঠScholar/ভরমানে রেকর্ড করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪২ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের মূল্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। বাজারে মূল্যবৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করলেও, এটি স্বর্ণশিল্পের সামগ্রিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনেই স্বর্ণের দাম হঠাৎ করে বলি ৪ হাজার টাকা বেড়ে গেল

    একই দিনেই স্বর্ণের দাম হঠাৎ করে বলি ৪ হাজার টাকা বেড়ে গেল

    একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও লাফিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক লাফে ৪ হাজার ১৮৮ টাকা যোগ হয়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দাম ঘোষণা করেছে। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি ও দেশের বাজারে অস্থিরতা বিবেচনায়, আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ফলস্বরূপ, সব ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম প্রতি ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামগুলো হল: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া, বাজুস রুপার দামও সমন্বয় করেছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম প্রতি গ্রাম ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার জন্য নির্ধারিত দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রাম।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে, বিক্রয়মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান এবং অন্যান্য মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি আসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি আসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের আমদানি করা ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের প্রবিধান গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে, যা আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে।

    এনবিআর জানিয়েছে, এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রেও শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না, তা জানতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদের জবাবে বলা হয়েছে, গাড়িগুলো খালাসের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা সংবলিত নয় এবং আমদানিকারকদের স্বাভাবিক শুল্ক ও কর পরিশোধের মাধ্যমে এই গাড়িগুলো খালাস করতে হবে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকেই এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

    অতিরিক্ত শুল্ক ও কর পরিশোধের পরও, এসব গাড়ির মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। উচ্চ মূল্যের এই গাড়িগুলোর একক শুল্কের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা, আর সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    সর্বশেষ, শুল্ক ও কর সম্পন্ন না হওয়ায় এবং নিলামের ক্ষেত্রে কোনো বিক্রেতা যৌক্তিক দামে বিড না করায়, এসব গাড়ি নিলামে বিক্রি হয়নি। সেক্ষেত্রে, অর্থনৈতিক ও জনস্বার্থ বিবেচনায় আন্তমন্ত্রণালয় সভাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করে এই স্মার্ট ও মূল্যবান গাড়িগুলো সরকারের অন্য এক দপ্তরে হস্তান্তর করা হবে।

    শুল্ক ও কর ক্ষেত্রে যেকোনো সংশোধনী বা আনুকূল্য পাওয়া গেলে, ভবিষ্যতে গাড়িগুলোর খালাস প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। গার্ডগুলোর আমদানিকারক যদি শুল্ক ও কর পরিশোধ করে আইনানুগভাবে গাড়িগুলো খালাসের জন্য আবেদন করেন, তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস যথাযথ নীতিমালা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করে তাদের গাড়িগুলো সেই অনুযায়ী ছাড়পত্র দেবে।

    সর্বশেষে, এই গাড়িগুলো সম্পূর্ণ শুল্ক ও কর পরিশোধের মাধ্যমে আমদানিকারকদের কাছে খালাসের পর, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর ওই গাড়িগুলো নিয়ম মেনে ফেরত পাবে।