Month: November 2025

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ এসেছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে, যা বিচারক আফরোজা তানিয়ার আদালত পরিচালনা করেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গােপন খবর প্রকাশের পর তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিজ অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব গুজব উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    মেহজাবীন তার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি এক ভুয়া ও মিথ্যা মামলার খবর শুনে অবাক হয়েছি। আমার ধারণা, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানো মাত্র। আমি কোনো ব্যবসায়িক বা পেশাগত কাজে এই ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িত নই। যারা এসব ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছেন, তাদের আমি চিনি না। যারা আমাকে জানতে পারেন, তারা জানেন আমি কেবল আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত। আমার কোন এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই যেখানে আইনি জটিলতা আসবে।’

    তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়মনীতি ও সামাজিক দায়িত্বের প্রতি বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে আমার আইনজীবী এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেন এসব গুজব ও মিথ্যা প্রচারনা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়।’

    মেহজাবীন আরো বলেছেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্য করে আসছি। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে কঠোর কর্মনীতি ও নিষ্ঠার সাথে মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছি, যার সাক্ষ্য আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।’

    সবশেষে, তিনি আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করে বলেন, ‘আমি সকল সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য শেয়ার না করুন। আমার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলবো, আপনারা ভালোবাসা ও আস্থাই আমার প্রধান শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। এর পাশাপাশি তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও আদালত জামিন দিয়েছেন।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর আদালত-আফরোজা হক তানিয়া মেহজাবীন এবং তার ভাইয়ের জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, জামিনের শুনানি বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা অনেক দিন ধরে একটি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হওয়ার প্রলোভনে মোট ২৭ লাখ টাকার বেশি টাকা বিভিন্ন সময় নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে ধার্য করেন। পরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী অনেক সময় টাকা চাইলেও তারা সময়ের পরিবর্তে ‘আজকে দিব’, ‘কালকে দিব’ বলে কালক্ষেপণ করেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা চাইতে গিয়ে আসামিরা অজ্ঞাতনামী ৪-৫ জনের সঙ্গে বাদীর মধ্যে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলে, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, নইলে আমরা জানো মারবো।’ এই ঘটনায় বাদী আমিরুল ইসলাম ভাটারা থানায় মামলা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হওয়ার কথা বলে আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন। দুর্ব্যবহার ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বাদী মামলা দায়ের করেন।

  • শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে আয়োজিত অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফের বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে দুটি বুলডোজার সেখানে পৌঁছানো হয়। এ সময় ট্রাকের উপরে হাতের মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের পরিচয় জানাতে চাইলে একজন বলেন, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দলকে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি বিবিসি বাংলার সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে-মাটিতে মিশে আছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই, রাজাকার বাহিনী!’ এই পোস্টে শাওন হ্যাশট্যাগ হিসেবে দিয়েছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২। এর আগে, গত বছর ৫ আগস্ট, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে এক আন্দোলনের সময় এই বাড়িটি ভাঙা হয়। হাজারো মানুষের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সেদিন রাত نصفের দিকে একটি ক্রেন এসে পৌঁছায়, যা মূল সড়ক থেকে ৩২ নম্বরের রাস্তার দিকে ঢুকে পড়ে। এরপর উঠে আসে এক্সক্যাভেটর। রাত সোয়া ১১টার দিকে এই ক্রেন ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিনতলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, কিছুক্ষণ বিরতির পর আবার ভাঙার কাজ চালিয়ে যায়। মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় বাড়ির সামনে পৌঁছালে ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়, এরপর সেনাবাহিনী সরে যায়। গভীর রাতে মাইকের গান বাজিয়ে কিছু মানুষ নাচতেও দেখা যায়। অবশেষে বাড়িটিকে অর্ধেকের বেশি ভেঙে দেওয়া হয়। তবে এই ভাঙা বাড়ির সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    চলচ্চিত্রজগতে ‘কাস্টিং কাউচ’ নতুন কোনও বিষয় নয়; এটি বহু আগেই পর্দার আড়ালে চলমান। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীরা এর শিকার হয়ে থাকেন বেশি। বহু নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের দ্বারা লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের পরিচিত মুখ পায়েল সরকারও এই তালিকার অংশ। সম্প্রতি তিনি কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক ব্যক্তিগত পডকাস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, এক নির্মাতা তার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন। সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করেন, যৌন সুবিধা কি? এর জবাবে পায়েল স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ তিনি জানান, তখন তার ক্যারিয়ারের একটি খারাপ সময় চলছিল। ওই সময়ে একজন পরিচালক তার সাথে বাজে আচরণ করেন। পায়েল আরও বললেন, ‘তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখতেন, আমার ছবি নিয়ে আপত্তিজনক মন্তব্য করতেন, পুরোপুরি একজন সাইকো হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি ফিরে আসি। এরপর আমার প্রেম হয়, এবং কিছু সময় পরে আমি দুটি ছবির শুটিং সম্পন্ন করি, এক বছরের মধ্যে।’ এই পরিস্থিতি কীভাবে তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে, তা বললেও, তিনি দৃঢ়ভাবে অনিবার্যতার কথাটি তুলে ধরেছেন।

  • মিথিলাকে জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা ও নিউইয়র্কের ফ্ল্যাট

    মিথিলাকে জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা ও নিউইয়র্কের ফ্ল্যাট

    ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার এ বছরের আসরে বাংলাদেশের প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলা নিজেদের দক্ষতা ও সৌন্দর্য দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দিয়েছেন। তিনি এ প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড। এতে প্রতিযোগিতার আয়োজনকারী সংস্থা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে এই খবর। সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের অফিসিয়াল পেজে এই উচ্ছ্বসিত ঘোষণা দেওয়া হয়।

    প্রতিযোগী মিথিলার ছবি শেয়ার করে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, ‘অভিনন্দন বাংলাদেশ।’ তারা জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশবাসী এক সঙ্গে আরও তিন লাখ ভোট দিয়েছেন, ফলে এখনকার ভোটের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ লাখ ৩৯ হাজারে। এ বিজয় বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের প্রতিযোগীর জন্য গর্বের বিষয়।

    মিস ইউনিভার্স বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে একজনের জীবন। এই আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা পরিচালনা করে থাইল্যান্ড ও মেক্সিকো ভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’, যা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যাপক দর্শকপ্রিয় একটি বিউটি প্যাজেন্ট। এর সরাসরি সম্প্রচারে প্রতি বছর দেখেন প্রায় ৫০ কোটির বেশি দর্শক। বার্ষিক বাজেট প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার, যা এই প্রতিযোগিতাকে আরও বিশেষ করে তোলে।

    বিজয়ীর জন্য এক বছরের জন্য নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নগদ আড়াই লাখ ডলার (প্রায় তিন কোটি টাকা) অর্থমূল্য চেক, যা একটি ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ। বিজয়ীর জন্য নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, যেখানে একটি বছর থাকাকালীন সব খরচ মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ বহন করে।

    আরও রয়েছে বলিষ্ঠ এক বছরের জন্য ব্যক্তিগত সফর ও ভ্রমণের সুবিধা—যেখানে তিনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যেতে পারবেন। সফরের জন্য প্রয়োজনীয় সব খরচ, হোটেল, খাবার, ফটোশুট বা অন্যান্য ইভেন্টের আয়োজন রয়েছে প্রযোজকের ব্যবস্থাপনায়।

    পাশাপাশি, এক বিশাল লাভের অংশ হলো ৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের হীরাখচিত মুকুট, যা ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে পরিচিত। এই অমূল্য মুকুটটি প্রায় এক হাজার হীরার ও নীলকান্তমণি দিয়ে সজ্জিত এবং এটি পরার জন্য দায়িত্বশীলতা বয়ে আনে।

    তবে শর্ত হলো, বিজয়ীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাতব্য কাজে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। যেকোনো দেশের বাইরে গেলে মিস ইউনিভার্সের অনুমোদন নিতে হবে। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত কনসার্ট, ফ্যাশন শো, ইভেন্ট বা সিনেমা দেখার সুযোগ, যা সবাই যেন একজন তারকা হিসেবে অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। এককথায়, মিস ইউনিভার্সের সারাজীবনকালীন এই সুযোগটি প্রার্থীর স্বপ্নের মতো জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।

  • সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের উৎসব। তবে এই ম্যাচের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছেন লিটন দাস, যিনি এই ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলেছেন নিজের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০০তম ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে। বৃহস্পতিবার চলাকালীন, যখন মুশফিকুর রহিমের আউট হওয়ার পরপরই লিটন তার ব্যাট থেকে ঢেউ তুলে ১৫৮ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দিনের শুরুতে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে মাঠে নামে। প্রথম ওভারে সতর্কভাবে খেলছিলেন ক্রিকেটাররা, তবে পরবর্তী ওভারেই মুশফিক পূর্ণ করেন তাঁর ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি। তিনি ১৯৫ বলে ১০৬ রান করেন, যদিও এরপর ইনিংস বড় করতে পারেননি; ২১৪ বলে ১০৬ রান করে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে যান। মুশফিকের বিদায়ের পর লিটনের সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে থাকেন, এবং এই জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।

  • দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ব্যক্তিগত ভাবে অসাধারণ রেকর্ড গড়েছেন এবং একই সঙ্গে এই দুই ব্যাটার তাদের জুটিতে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গর্বিত করেছেন। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভরা এই ইনিংসে যথাক্রমে ১০৬ ও ১২৮ রান করেন তারা, যার ফলে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪৭৬ রান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের জন্য টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি দেখিয়েছেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন।

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৯২ রান করেছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালের দিকে মুশফিকুর রহিম ধীরে ধীরে সেঞ্চুরি সম্পন্ন করেন। তিনি বিশ্বের মাত্র ১১তম ব্যাটার হিসেবে এক ইনিংসের মধ্যে টেস্ট ম্যাচে ত্রিশতমবার শত রান مکمل করেন। তার ১০৬ রান করে ফিরে যাওয়ার পরে, লিটন দাসও তাঁর পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন, যা পুরো ১২৮ রানে থামেন। এর পাশাপাশি, মুমিনুল হক ৬৩ রান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৭ রান করেন।

    বাংলাদেশ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো সম্ভব হলো একটি ইনিংসের মধ্যে একই উইকেটে ১০০’র বেশি রান করে প্রেসিডেন্টের মতো দ্বিতীয় ও তৃতীয় জুটি গড়ার কীর্তি। এর আগে কেবল ভারত (১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে) এবং পাকিস্তান (২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে) এই রকম নজির স্থাপন করেছিল। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এই জুটিগুলি ছিল: মুশফিক-মুমিনুলের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১০৭, মুশফিক-লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৮ এবং লিটন-মিরাজের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৩ রান।

    মুশফিক-লিটন এই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সপ্তমবারের মতো একশ’র বেশি রান সমন্বিত জুটি গড়লেন। এই জুটি মূলত গড়ে ওঠে প্রথম দিনের খেলার সময়। দলীয় ১৮ রান যোগ হতে না হতেই, ম্যাথু হামপ্রিসের ক্যাচে ধরা পড়েন মুশফিক। তার ১০৬ রানের ইনিংসটি ২১৪ বলে সাজানো, যেখানে তিনি ৫টি চারের সাহায্যে মোট রান করেন। এই ইনিংস তাঁর বাংলাদেশের হয়ে (মুশফিক ও মুমিনুলের যৌথভাবে) মোট ১৩তম সেঞ্চুরি। এরপর লিটন-মিরাজের জুটি গড়ে ওঠে, তবে পার্টনারশিপটি বেশ লম্বা চলতে পারেনি। গ্যাভিন হোয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মিরাজ।

    লিটন রান তাড়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন, তবে হাম্প্রিসের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন। তিনি ১৯২ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ১২৮ রান করেন। শেষদিকে, অপরাজিত থাকেন এবাদত হোসেন, ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ রান করে। বাংলাদেশ শেষে অলআউট হয় ৪৭৬ রানে।

    আইরিশ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন সর্বোচ্চ ৬ উইকেট শিকার করেন, তার পাশাপাশি ম্যাথু হাম্প্রিস ও গ্যাভিন হোয়ে ২টি করে উইকেট নেন। এই ম্যাচের নিঃসন্দেহে অন্যতম বড় সময় হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের জুটি-বাজির জন্য।

  • শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)আরও রঙিন হতে যাচ্ছে শোয়েব আখতারকে নিয়ে। পাকিস্তানের এ কিংবদন্তি দ্রুতগতির পেসারকে দেখা যাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে, যা শোনা গেছে সম্প্রতি একটি 공식 বিবৃতিতে।শোয়েব আখতার সম্প্রতি যখন ক্রিকেটের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে অবসরে গিয়েছেন, তখনই বিপিএলে তার প্রথমবারের মত যুক্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হলো। আগে কখনো বিপিএলে কোচ বা মেন্টর হিসেবে দেখা যায়নি তাকে, তাই এই নতুন অভিজ্ঞতা তার জন্য খুবই বিশেষ।এদিকে, আসন্ন বিপিএলকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ইতোমধ্যেই দল সাজাতে শুরু করেছে। ঢাকাও পিছিয়ে নেই, তারা ইতোমধ্যেই অ্যালেক্স হেলসকে দলে ভিড়িয়েছে। গতবার রংপুর রাইডার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে এক সেঞ্চুরির মাধ্যমে ২১৮ রান করেছিলেন হেলস। এই আসরে তার উপস্থিতি পুরো মৌসুমে থাকবে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন।এই পর্যন্ত জানা গেছে, হেলস আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৪ জানুয়ারি, তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো হবে ২৮ ডিসেম্বর।প্রাক্কলন অনুযায়ী, এবারের বিপিএলের সূচি ছিল ১৯ ডিসেম্বর, তবে শেষ মুহূর্তে তা পেছানো হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার এটি ২৫ বা ২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে পারে। যদি আবুধাবি নাইট রাইডার্স সেরা চারতে না থাকেন, তবে প্রথম কিছু ম্যাচে হেলস ঢাকার জন্য পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, তারা যদি সেরা চারে থাকেন, তবে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ তাকে মিস করতে হতে পারে।নিষিদ্ধ অনুপস্থিতির কারণে পুরো টুর্নামেন্টে শুধুমাত্র বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে দেখা যাবে তাকে। এজন্য, ঢাকা দলের অন্য বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দেখা যেতে পারে উসমান খানকে, যিনি গতবার চিটাগং কিংসের হয়ে খেলেছিলেন।শুধু বিদেশি খেলোয়াড় নয়, ঢাকা দলে আরও দুটি দেশীয় ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সরাসরি চুক্তিতেই দুইজন ক্রিকেটার সংগ্রহ করেছে তারা—ব্যাটার সাইফ হাসান এবং পেসার তাসকিন আহমেদ।এতে করে তারা দলের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয় করতে পারছে, যা এই আসরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • ১৪৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বিরল রেকর্ডে নাম লেখাল বাংলাদেশ

    ১৪৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বিরল রেকর্ডে নাম লেখাল বাংলাদেশ

    মিরপুরের মাটিতে প্রথম ইনিংস শেষ হলো বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় ৪৭৬ রানে। গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস, যারা জোড়া শতক হাঁকালেন। প্রথম তিন উইকেট মাত্র ৯৫ রানে হারানোর পর, ধারাবাহিক এবং অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের এই বিশাল সংগ্রহে অনন্য এক রেকর্ডের জন্ম হলো।

    বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় হলো, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেটে শতরানের জুটি তৈরি করার বিরল কীর্তি অর্জিত হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে মাত্র দুটি বার এই রেকর্ডের দেখা মিলেছে, যথাক্রমে ১৯৭৯ সালে ভারত এবং ২০২৩ সালে পাকিস্তান।

    এ দিনটি ব্যক্তিগতভাবে ছিল দরকারী। মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টে অসাধারণ শতক, যা তাঁকে ইতিহাসের ১১তম খেলোয়াড় বানিয়েছে নিজের শততম টেস্টে শতক করে। অন্যদিকে, লিটন দাসও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম শততম ম্যাচে শতক করে নিজের ফর্মের পরিচয় দিলেন।

    এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ব্যাট করছে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে। বাংলাদেশ এই বড় সংগ্রহের ফলে এখনও ৩৮৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

  • দ্বিতীয় দিনের শেষে ঢাকায় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় দিনের শেষে ঢাকায় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ

    ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সম্পূর্ণভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডকে ৯৮–৫ এ ব্যর্থ করে দিয়ে বাংলাদেশের স্কোর ৩৭৮ রান দিয়ে দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা।

    খেলা শুরুর আগে বাংলাদেশের পেসার খালেদ আহমেদ প্রথম আঘাতে পল স্টার্লিংকে ফিরিয়ে দেন, যিনি ২৭ রান করেছিলেন। এরপর স্পিনাররা মাঠে নিজেদের প্রধান ভুমিকা পালন করেন। দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ১০ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এদিকে, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ প্রত্যেকটি একটি করে উইকেট তুলে নেন। আয়ারল্যান্ডের জন্য এখন কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তিন দিন বাকি থাকতেই তাদের ইনিংস হার এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। লরকান টাকার (১১*) ও স্টিফেন ডোহেনি (২*) তৃতীয় দিন খেলতে নেমে পরিস্থিতির অবনতি না হলে বড় হার তাদের জন্য অবশ্যম্ভাবি।

    দ্বিতীয় দিনের খেলার সূচনায় নিজের শততম টেস্টে ১৩তম সেঞ্চুরি অর্জন করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। গতির দিন তার ৯৯ রানে অপরাজিত থাকার পর, শেষ পর্যন্ত তিনি আউট হন ১০৭ রানে। এই সময় লিটন দাস দুর্দান্ত ১২৮ রান করে থাকেন। মিলিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় সেশনের আগেই ৪৭৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেন। আয়ারল্যান্ডের অফস্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট নেন, তিনি ১০৯ রান দেন। তৃতীয় সেশনে, ২০ ওভারে আট উইকেট তুলে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনারকেও প্রত্যাহার করা হয়।

    প্রথম দিনেই ডেভিড বালবার্নির আউটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ভেঙে যায়, যেখানে ৪১ রান সংগ্রহ করছিলেন। এরপর, স্কিপার অ্যান্ড্রু বালবার্নিকে স্লিপে ধরা পড়ে ফিরতে হলেও, তিনি ২১ বলের মধ্যে ২১ রান করেন। বাংলাদেশ দলের জন্য এই ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম, যাদের দুটি বলিষ্ঠ সেঞ্চুরি ছিল। এছাড়া, মোমিনুল হক কিছুটা সামলে খেলেন হাফসেঞ্চুরি করে, এবং মিরাজ ৪৭ রান যোগ করেন।

    খেলায় একটি বড় মোড় আসে দ্বিতীয় সেশনে। ৩৮৭–৫ থেকে খেলা শুরু করে, লিটন আর মিরাজের জুটি ১২৩ রান যোগ করেন। কিন্তু মিরাজ ৪৭ রান করে গ্যাভিন হোইয়ের বলের বলে আউট হলে জুটি ভেঙে যায়। এরপর, উচ্চমানের বোলিং করেন ম্যাথিউ হামফ্রিস, যিনি একাই ৫০ ওভার गेंदবল করেন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি ৬ উইকেট তুলে নেন।

    অবশ্য, টেলএন্ডাররাও কিছু রান যোগ করে থাকেন। এবাদতের ১৮ রানের ঝড়ো ইনিংস ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৪১.১ ওভারে অলআউট হয়, এবং ম্যাকব্রাইন শেষ করেন ৬ উইকেট নিয়ে ইনিংস, এটি তার ব্যক্তিগত সেরা।

    দুপুরের পর লিটন ও মিরাজের আউট হলেও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শক্তিশালী। লিটন দাস দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে চারটি ছক্কা ও আটটি চারের সাহায্যে ১২৮ রান করেন। তার এই ইনিংসের মধ্যে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত, হাম্পফ্রিসের ফুল লেংথের বল খেলে স্লিপে স্টার্লিংয়ের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এর আগে, মিরাজ ৪৭ রানে আউট হয়ে যান। সিরিজের প্রথম টেস্টে সিলেটে বাংলাদেশ ইনিংস ও ৪৭ রানে জিতেছিল। এখানেও বাংলাদেশ জোড়ালোভাবে এগিয়ে থাকায়, ধারাবাহিকতায় কৃতিত্ব নিজের করে নিচ্ছে যোগ্যতার সাথে।