Month: November 2025

  • আলোকদ্দিন হত্যা মামলায় মিন্টু গ্রেফতার, কারাগারে পাঠানো হলো

    আলোকদ্দিন হত্যা মামলায় মিন্টু গ্রেফতার, কারাগারে পাঠানো হলো

    নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন করিমনগর এলাকার আলাউদ্দিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মিন্টু শেখকে র‌্যাব-৬ পুলিশের অভিযানিক দল অবশেষে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে রূপসা উপজেলার হোসেনপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। গ্রেফতারের পর, শুক্রবার সকালে তাকে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেফতার হওয়া মিন্টু শেখ নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ময়লাপোতা হরিজন কলোনীর বাসিন্দা, তিনি আলেমগীর শেখের ছেলে। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. কবির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • অতীতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শ্রমিক সমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে: খোলনায় বক্তারা

    অতীতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শ্রমিক সমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে: খোলনায় বক্তারা

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের যুগে পূর্ববাংলায় মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা ছিল না। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুটপাট, অপরাধ ও জুলুমবাজির মাত্রা এত বেশি ছিল যে পুরো দেশই অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশবাসীর মধ্যে যে স্বাভাবিক আশার সঞ্চার হয়েছিল, তা অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে দুর্নীতি ও অনিয়মের দুর্বৃত্তি এখনও রয়ে গেছে, সরকার মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ। তাই সরকারের উচিত এই পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ, এটাই দেশের ভাগ্য নির্ণায়ক। এজন্য কোনও শ্রেণি বা পেশার মানুষ যেন ঘরে বসে না থাকেন, বরং সবাই ময়দানে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শ্রমিক সমাজকে তিনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। শুক্রবার সকালে খুলনা-৬ আসনের পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হরিঢালী ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ মাকফার মোড়লের এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফেরদৌস ইসলাম। বিখ্যাত বক্তারা আরো বলেন, শ্রমিক সমাজকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। এতে করে দেশের স্বাভাবিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে, এবং উৎপাদনশীলতা বাড়বে।

  • বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন দিশা সাহসী নেতৃত্ব তারেক রহমান: তুহিন

    বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন দিশা সাহসী নেতৃত্ব তারেক রহমান: তুহিন

    মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, অনেক ইতিহাস ঘষে দাঁড়ানো জাতির জন্য এই দেশের মহানায়করা জীবনে আত্মত্যাগ করেছেন। তারেক রহমান যে সমস্ত ত্যাগ স্বীকার করে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন, তার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার পিতাও জীবন দিয়ে গেছেন এই দেশের জন্য, আমি তার পথেই হাঁটছি। তারেক জিয়াকে আমি माझে নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমি সহজ ভাষায় বলতে পারি, যতদিন তারেক রহমান থাকবেন, ততদিন দেশ যেন পথ হারাতে না পারে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোনাডাঙ্গা থানা তাঁতীদল আয়োজিত দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তুহিন আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপের মধ্যদিয়েও তিনি এখনো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং উচ্চ আদালতের নানা মামলার পর তিনি ভার্চুয়াল মাধ্যমে নেতৃত্বের সীমাকে অতিক্রম করে দলের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ শুরু করেছেন।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের নেতৃতে বিএনপি এখন এক ধরনের সংযত ও নিষ্ঠাবান রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। তারা আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও আধুনিক দেশের মানদণ্ডে নিজেদের পরিকল্পনা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে শুরু করেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পি। এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন থানা তাঁতীদলের সভাপতি ডাঃ আব্দুল হালিম মোড়লের সভাপতিত্বে নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান রুনু, আফজাল হোসেন, মোঃ মহিবুল্লাহ ও মোঃ রাজু প্রমুখ।

  • নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগের আহ্বান

    নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগের আহ্বান

    নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপি নেতা-কর্মীদের পুরোপুরি ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আগামী নির্বাচনটি দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণকারী মুহূর্ত হবে, মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা। খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও মামলা-হামলার মধ্যেও রাজপথে থেকে পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করছে। এর ফলে দেশের মানুষ এখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন চাচ্ছে। বিএনপি এই প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। জনগণের আস্থা অর্জন তাদের প্রধান লক্ষ্য। তরুণ প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচারের পক্ষেও দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করছে। আমি বিশ্বাস করি, তরুণরাই ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করবে।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ছাত্রদল নেতা মরহুম সিফাত আকুঞ্জি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম রাশেদুজ্জামান রাশেদ, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মরহুম ফরিদুল হক, সাবেক ছাত্রদল নেতা মরহুম মশিউর রহমান টিটু, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম শেখ এমদাদুল হক, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম শেখ মোহাম্মাদ আলী, ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মৃত শহিদুল ইসলাম, সাবেক এমপি মরহুম ওয়াজেদ আলী বিশ্বাস, ৯০’র এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সম্মুখ যোদ্ধা মরহুম রফিকুল হকের ভাই আমিনুল হক মিঠুর বাসভবনে যান। সেখানে তারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মৃত নেতাদের জন্য দোয়া করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়া, ছাত্রদল নেতা এস এম মাহমুদুল হাসান টিটুর অসুস্থ পিতা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি, অসুস্থ এমরানুল করিম নাসিম, ২৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি খালিদ ইবনে মুছা কাজলের বাসভবনে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন এবং সুস্থতার জন্য দোয়া করেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ভোট ও দোয়া চান।

    অতীতে, ২৯নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী মরহুম নুরুন্নাহার জলির স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং দোয়া পরিচালনা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, নির্বাচিত ও অনির্বাচিত সরকারের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার যে কাজগুলো করতে পারে, অনির্বাচিত সরকার তা করতে পারে না। তাই, দেশের উন্নতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিকরা একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর পরিশ্রমে जुटে থাকতে হবে।

    এ সব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, গিয়াসউদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, ইশহাক তালুকদার, শমসের আলী মিন্টু, হাসান মেহেদী রিজভী, আব্দুল জব্বার, মেশকাত আলী, আসলাম হোসেন, নাসির খান, মোস্তফা কামাল, মেজবাহ আহমেদ মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, জাহিদ কামাল টিটো, রিয়াজুর রহমান, মহিবুল্লাহ শামীম, আলমগীর হোসেন আলম, কামাল উদ্দিন, জাকারিয়া লিটন, এড. শামীম বাবু, মাসুদ খান বাদল, মাজেদা খাতুন, হাবিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, আসাদ মাস্টার, মোহাম্মাদ আলী, মনিরুল ইসলাম মাসুম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, খান শহীদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান লিটু, গোলাম নবী ডালু, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন, আল বেলাল, হুমায়ুন কবির, সাব্বির অাহমেদ, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, আসাদুজ্জামান বাদশা, শহিদুল ইসলাম লিটন, মোহাম্মাদ আলী মিঠু, মোল্লা মোস্তাফিজুর রহমান রাজু, মোল্লা আলী আহমেদ, ডাঃ ফারুক হোসেন, ওমর ফারুক বনি, শামীম আশরাফ, সুলতান মাহমুদ সুমন, মোফাজ্জেল হোসেন, ওহেদুর রহমান বাবু, নাজমুল হক মুকুল, খান রাজিব, কবির বিশ^াস, শামসুল আলম বাদল, মাসুদ রেজা, টিপু হাওলাদার, সেলিম বড় মিয়া, ইউনুচ শেখ, ঈশা শেখ, আব্দুল খালেক, শাহজালাল, আনোয়ার গাজী, ইলিয়াস হোসেন, আবুল কালাম, মেহেদী হাসান কালু, আরিফুল ইসলাম আরিফ, এস এম সজল, মাহমুদ হাসান মুন্না, মেজবাউল আলম পিন্টু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ওহেদুজ্জামান শিমুল, খায়রুল ইসলাম, আসাদ সানা, আনোয়ার হোসেন, তরিকুল ইসলাম হৃদয়, আলাউদ্দিন আলম, রাজিবুল আলম বাপ্পি, জুয়েল রহমান, আসমত হোসেন, হেমায়েত হোসেন, আলাউদ্দিন জনি, রিয়াজুর রহমান সোহাগ, আতিকুর রহমান লিটন, হারুন হেলাল, বেল্লাল হোসেন, মাসুদ রুমি, ইলিয়াস হোসেন, রিমো চৌধুরী, নাজমা আক্তার, শারমিন আক্তার সুমি, তারিন আক্তার সৃষ্টি, আশিকুর রহমান সেলিম, সালাউদ্দিন সান্নু, ইমরান খান, শফিউদ্দিন আহমেদ, ইমতিয়াজ সেজান, কামরুজ্জামান সিরাজ, আসাদ সানা, জামাল মোড়ল, কামরুল বিশ্বাস, খোকন গাজী, আবুল কাশেম, ফরিদ শেখ, শহিদুল ইসলাম, শিল্পি বেগম, জামিলা আক্তার, নাজমুন নাহার, জেসমিন আক্তার, তৈবুর রহমান তপু, ইব্রাহিম খলিল, মোঃ রাজু, ফরিদা ইয়াসমিন, লাকী বেগম, তানভীর প্রিন্স, নার্গিস পারভীন, শিউলী বেগম প্রমুখ।

  • খুলনা বিভাগের উন্নয়ন ও সংকট মোকাবেলায় পাঁচ দফা দাবি

    খুলনা বিভাগের উন্নয়ন ও সংকট মোকাবেলায় পাঁচ দফা দাবি

    ঢাকায় কর্মরত খুলনা বিভাগের সাংবাদিকদের সংগঠন খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আয়োজনে সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিষয়টি ছিল ‘খুলনা বিভাগের সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই আলোচনাসভায়। শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয়, বিনিয়োগ, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্প-বাণিজ্য উন্নয়ন ও অবকাঠামোর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলোচনা হয়। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল খুলনা বিভাগের সংকটগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তার সমাধানকল্পে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ। এতে অংশ নেন সাংবাদিক, বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকরা। গোলটেবিলের সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু। সাধারণত সদস্য নাসির আহমাদ রাসেলের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক সচিব ও সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ। আলোচনা মূলত খোলামেলা ও গঠনমূলক হয়, যেখানে বক্তারা তুলে ধরেন বিভিন্ন সংকট ও সম্ভাবনার কথা। বক্তারা উল্লেখ করেন, জাতীয় অর্থনীতিতে খুলনা বিভাগের অবদান ৩২ শতাংশ হলেও এখানকার উন্নয়ন বেশ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে এই বিভাগে ১০ জেলা, ৫৯ উপজেলা ও ৫৬৮ ইউনিয়ন রয়েছে। এই অঞ্চল দেশের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেকটাই বৈষম্য, অবহেলা ও নিস্তেজতার শিকার। উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় এখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তাই উপকূলের জন্য স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান বোর্ডের সদস্যরা। তারা আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি হয়, ফলে হাজার হাজার একর জমির মালিকরা হয় Fakir বা দরিদ্র। এখানকার মানুষদের আত্মউন্নয়নের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে ও শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। বৈঠকে খুলনা বিভাগে গভীরে সমুদ্রবন্দর স্থাপনের জন্য কার্যকর পরিকল্পনা, উপকূলীয় উন্নয়ন ও সমুদ্র সুরক্ষায় বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়। এছাড়াও বোর্ড গঠন ও পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, খুলনার উন্নয়ন সম্ভব যদি সংগঠিতভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। তারা প্রত্যাশা প্রকাশ করেন, এখানকার সমস্যা সমাধানে স্থায়ী ও দৃষ্টি নখর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, খুলনা পার্বত্য, নদীপথ ও স্থলবন্দর দিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে, যদি সঠিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই আলোচনা ভবিষ্যতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে দেশের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়ে গেল

    স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়ে গেল

    আন্তর্জাতিক এবং দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ (১৮ নভেম্বর) স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এ ব্যাপারে তথ্যসহ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণের (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা পূর্বে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এছাড়া, স্মারক রৌপ্য মুদ্রার (বাক্সসহ) বিক্রয়মূল্য এখন থেকে ১৪ হাজার টাকা, আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমের কাছে এই তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

    এদিকে, দেশের বাজারে ভরি (১১.৬၆৪ গ্রাম) স্বর্ণের দামও বেড়েছে। এখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।

  • সোনার দাম আরও কমলো

    সোনার দাম আরও কমলো

    দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ মঙ্গলবার একটি ঘোষণায় জানিয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১,৩৬৪ টাকা কমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের মূল্য ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এই নতুন মূল্য আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ার পর নতুন দামে বিক্রি হবে। এর আগে, ১৫ নভেম্বর, সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন এবং মানভেদে মজুরির মোট মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে।

    অপরদিকে, রূপার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • দুই দফা কমার পর সোনার দাম বড় উछাল

    দুই দফা কমার পর সোনার দাম বড় উछাল

    দেশের বাজারে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, নতুন করে সোনার দামে বড় পরিবর্তন হয়েছে। একদিনের মধ্যে দাম কমলেও আজ আবার দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর।

    এর আগে গতকাল (১৮ নভেম্বর) বাজুস জানায়, প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমে গেছে সর্বোচ্চ ১,৩৬৪ টাকা। তবে মাত্র একজন দিন পরই আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) ফের দাম বাড়ানো হয়েছে। এখন নাগরিকরা যে দাম শুনছেন, তা গতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে হিসাব করে দেয়া হয়েছে।

    নতুন এই দাম ঘোষণার ফলে, ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে দু’লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায়, যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এর মূল কারণ হলো, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দামে যখন বড় উত্থান হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এখন ৪ হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা বিশ্বব্যাপী মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে সোনার মূল্য এখন এই স্তরে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি, দেশের বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম এই রকমঃ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বর্তমানে ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    অপর দিকে, রুপার দাম এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে মুক্ত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪០৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা। এতে বোঝা যায়, সোনার বাজারে বর্তমানে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে, তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

  • স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা

    স্বর্ণের দাম কমলো, প্রতিভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারো কমানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামের পতনের প্রেক্ষিতে দেশের স্বর্ণের দাম একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, সবচেয়ে উচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে এক হাজার ৩৫৩ টাকা। ফলে এখন এই স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। নতুন দামের এই কার্যকরী ঘোষণা শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও ছেঁড়াফাটা নোট বিনিময় বন্ধ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও ছেঁড়াফাটা নোট বিনিময় বন্ধ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড বিক্রি, ছেঁড়াফাটা নোটের বিনিময়, পাশাপাশি সরকারি চালানসেবা এবং চালান-সংক্রান্ত ভাঙতি টাকা কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই সেবাগুলো কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    শুরুর হিসেবে প্রাথমিকভাবে দেশের বড় বড় শহরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিসগুলো—যেমন মতিঝিল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং সদরঘাট—এসব সেবায় বিরত থাকবে। তবে ব্যাংকগুলো যেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে এই পরিষেবাগুলো নিতে পারে, সে জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক শাখাগুলোর উপর তদারকি ও মনিটরিং বাড়ানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো, সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতির ঘটনা। এ কারণে নিরাপত্তার দিক থেকে উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অন্য দেশগুলো এই ধরণের সেবা প্রদান করে না।

    শিল্পক্ষেত্রের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও সার্ভার নিরাপত্তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায়, নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ জরুরি হয়ে পড়ে। এতে করে ব্যাংকের স্বচ্ছতা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।