Month: November 2025

  • স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    আন্তর্জাতিক এবং দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ (১৮ নভেম্বর) স্মারক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণের (বাক্সসহ) বিক্রয়মূল্য এখন হয় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগের মূল্য ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এছাড়া, স্মারক রুপার (বাক্সসহ) মুদ্রার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, এই মূল্য সমন্বয় দেশের ও আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের পরিবর্তনের কারণে করা হয়েছে। নতুন মূল্য আরোপের তারিখ হলো ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে দেশের জনগণ এবং মিডিয়াকে এই তথ্য প্রচারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এদিকে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের মূল্যও এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।

  • সোনার দাম আবারও কমলো বাংলাদেশে

    সোনার দাম আবারও কমলো বাংলাদেশে

    দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। এই পরিবর্তন অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা কমে নতুন মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। নতুন মূল্য আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে দেশের স্বর্ণশিল্পের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই তথ্য প্রকাশ করে। বাজুস জানিয়েছে, বাজারে তেজাবি বা উচ্চ মানের সোনার দামে এই পতন এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ১৫ নভেম্বর, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অন্যান্য মানের সোনার দাম ছিল যথাক্রমে: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে সোনার মূল্য ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হয়, তবে গহনা ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    তবে, সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকায়। অন্যান্য মানের রুপার দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকায়।

  • দুই দফা কমার পর সোনার দাম আবার বড়রকম বৃদ্ধি

    দুই দফা কমার পর সোনার দাম আবার বড়রকম বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ ঘোষণা করেছে দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। এর ফলে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২৮৩৯ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, যা স্বাভাবিক জীবনের মানের সোনার দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায় পৌঁছেছে।

    ১৯ নভেম্বর বুধবার বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এ দাম আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার, সোনার দাম এক হাজার ৩৬৪ টাকা কমেছিল। অথচ মাত্র একদিনের মধ্যে তা দ্বিগুণ হয়ে ২ হাজার ৬১২ টাকা বেড়ে যায়। ফলে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি এখন ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বাজুস জানিয়েছে, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক বাজারের ধারা। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশের একজন ক্রেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।

    নতুন দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির মূল্যের ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অপরদিকে, সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত।

  • বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম হ্রাস, এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম হ্রাস, এক ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সাম্প্রতিক বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দামে একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। দেশের স্বর্ণের বাজারে এখন থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ১,৩৫৩ টাকা কমে ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিশ্চিত করেছে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এ দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    অতীতে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা দাঁড়িয়েছিল। তবে নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মান ও দামে প্রতিলিপি সংশোধনী ঘটে। এছাড়া, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও কমিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য ১,৩০৭ টাকা কমে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,১০৮ টাকা কমে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৯৪৪ টাকা কমে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগের সপ্তাহগুলোতে স্বর্ণের দাম ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০ নভেম্বর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬১২ টাকা করে বাড়িয়ে ২ লাখ ৯,৫২০ টাকা, অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম একইভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার, ১৯ নভেম্বর, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে ২ লাখ ৬,৯০৮ টাকা দাঁড়িয়েছে।

    অন্যদিকে, ১৬ নভেম্বর স্বর্ণের দাম আরও হ্রাস পেয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ Ghost ৮২৭ টাকা হয়েছে। একই সময়ে, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও সংশোধন হয়।

    এসব সাম্প্রতিক পরিবর্তনের ফলে বাজারে স্বর্ণের মূল্য নিয়ন্ত্রিত ও স্বচ্ছভাবে নির্ধারিত হচ্ছে। তবে, রূপার দামের পরিবর্তন হয়নি, যার দাম এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতিতে ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড ও নোট বিনিময় বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক শুক্রবার থেকে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা বন্ধ ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি, প্রাইজবন্ডের বিক্রয়, ছেঁড়াফাটা নোট বিনিময় ও সংশ্লিষ্ট পাঁচ ধরনের সেবা। এছাড়া, সরকারি চালানসেবা ও চালান-সংক্রান্ত ভাঙ্গতি টাকা কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    প্রথমে এই নিষেধাজ্ঞা দেশের মূল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন দফতরে কার্যকর হবে, যা আগামীকাল থেকে শুরু হবে। তারা জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যাতে নির্বিঘেœ এসব সেবা দিতে পারে, তার জন্য সার্বক্ষণিক তদারকি চালানো হবে। ব্যাংকগুলোতে নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত সংস্থা হিসেবে উচ্চ নিরাপত্তা পর্যায়ে কাজ করে। বিশ্বের অতি উন্নত দেশগুলো এই ধরনের সেবা সাধারণত দেয় না।

    শুক্রবার প্রকাশিত এ সিদ্ধান্তের জন্য মূল কারণ হলো সঞ্চয়পত্রের সার্ভার জালিয়াতি এবং এ সংক্রান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, গ্রাহকদের জন্য এ ধরনের সেবা সীমিতকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • ইসি-প্রতিক ক্ষোভ: ‘ইচ্ছামতো’ আইন-শৃঙ্খলা সংশোধনে স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা প্রয়োজনের দাবি

    ইসি-প্রতিক ক্ষোভ: ‘ইচ্ছামতো’ আইন-শৃঙ্খলা সংশোধনে স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা প্রয়োজনের দাবি

    সরকারের উৎখাতের পর গঠিত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিভিন্ন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধি ও আইনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে গিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা না করার জন্য বিরোধী দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জোনায়েদ সাকি এই পরিস্থিতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কার ও দায়িত্বশীল সরকারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বুধবার নির্বাচন কমিশনের সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করেন।

  • আমীর খসরু বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী নির্বাচনগুলোকে করবে গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য

    আমীর খসরু বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী নির্বাচনগুলোকে করবে গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ত্যাগ, আত্মদান, জীবন বিসর্জন আর ভোটাধিকার হরণের ফলে অপশাসন, নিপীড়ন ও নির্যাতনের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনাগুলোর ফলে আরও সুসংহত ও গ্রহণযোগ্য হবে। এসব কথা তিনি আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালেআগলীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় কমল মেডিকেল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট (কমল মেডিএইড) কর্তৃক আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের জবাবে ব্যক্ত করেন।

    আমির খসরু বলেন, বর্তমান সময়ে আমরা নির্বাচনের সম্মুখীন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে, যদিও এই নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয় এখনো আলোচনায় আসেনি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচিত সরকারের অভাবে দেশের অগ্রগতি থমকে গেছে। অতীতেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। একটি অনির্বাচিত সরকারের হাতে দেশ চলছে, যা জনগণের ম্যান্ডেট না নিয়ে কাজ করছে। তাই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কেয়ারটেকার সরকারই একটি উপযুক্ত পথ।

    সংগঠনের অন্যন্য সদস্যরা সামাজিক ও কল্যাণমূলক কাজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলছেন, উন্নত দেশগুলোতে এসব কাজ স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা ও অংশগ্রহণের অংশ। বাংলাদেশেও এই ধারা আরও মান্যতা পেলে নতুন প্রজন্ম এগিয়ে আসবে।

    আবার এক পর্যায়ে তিনি অবাক হয়ে উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোনো ফার্মেসি নেই, যা দর্শাচ্ছে আমাদের স্বাস্থ্যসচেতনতার স্তর। তিনি মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হলে ব্যক্তি ও পরিবার উভয়ের জন্যই এটি উপকারী হবে।

    উল্লেখ্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানকে সামনে রেখে সকলের হাতে হাত মিলিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই আজকের এই উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জনগণের মূলস্বপ্নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হলে সরকারকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ছাত্রজীবনে যেখানে অসুস্থতা সবার জন্য তখন বোঝা যায় না, পরে তার পরিণাম ভোগ করতে হয়। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ফার্মেসি বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অভাব রয়েছে। শিক্ষার্থীরা সাধারণ অসুস্থতার জন্য যেকোনো মেডিকেল সেন্টারে যেতে পারে, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, হামিমের উদ্যোগ প্রশংসনীয়, তবে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা জোরদার করার জন্য তিনি পরামর্শ দেন।

    কমল মেডিএইডের প্রতিষ্ঠাতা শেখ তানভীর বারী হামিম বলেন, ২০২৪ সালে জুলাইয়ে যখন আন্দোলন শুরু হয় তখন আমি লক্ষ্য করলাম, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপদ ও দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। এই চিন্তা থেকেই কমল মেডিএইডের যাত্রা শুরু। তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার এখনো অপ্রতুল। তিনি মনে করেন, ডাকসু যেন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করে।

  • জন্মদিনে নারী নিরাপত্তায় পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন তারেক রহমান

    জন্মদিনে নারী নিরাপত্তায় পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন আজ। এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট লিখেছেন, যেখানে দেশের নারী বিষয়ক নিরাপত্তা ও ডিজিটাল যুগের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) তিনি নিজের জন্মদিনে স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমার সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

    তারেক রহমান লিখেছেন, প্রযুক্তির বিশ্ব এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি দিককে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে বৈশ্বিক স্তরে রাষ্ট্রের সম্পর্ক সবই বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তির গতির সঙ্গে। এই দ্রুত পরিবর্তন আমাদের সবাইকেই স্বীকার করতে হবে যে, প্রযুক্তি বিশ্ব এবং বাংলাদেশকে কীভাবে বদলে দিয়েছে।

    তিনি আরও বলেছেন, আমাদের কিছুক্ষেত্রে মনে হয়, আমরা যে প্রজন্মের অঙ্গীকারে বড় হয়েছি, তার তুলনায় আজকের কন্যাদের পৃথিবী কতটা ভিন্ন। অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের মনে আশা ও উদ্বেগ দুটিই কাজ করে। কারণ, এখন যেমন বেশি সুযোগ রয়েছে, তেমনি হুমকিও বেড়ে গেছে।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যদি এগিয়ে যেতে চায় তাহলে আমাদের মেয়েরা, নারী, বোনেরা ও সহকর্মীরা যেন নিজের নিরাপত্তা নিয়ে নির্বিঘ্নে জীবন কাটাতে পারে। প্রতিদিনই নারীদের হয়রানি, হুমকি, বুলিং এবং সহিংসতার শিকার হতে হয়— শুধু কথা বলার, কাজের, পড়াশোনার বা স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য।

    তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, নারীর অনলাইনে, অফলাইনে, ঘরে, বাইরে, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও নিরাপদ থাকতে হবে। তিনি ঘোষণা করেন যে, বিএনপি নারী নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।

    প্রথমত, ন্যাশনাল অনলাইন সেফটি সিস্টেম: যেখানে নারীরা দ্রুত ও সহজে সাইবার বুলিং, হুমকি, প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় বা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগ জানাতে পারবে। এর জন্য ২৪/৭ হটলাইন, অনলাইন পোর্টাল ও প্রশিক্ষিত রেসপন্ডার থাকবে। বড় প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলায় কন্টেন্টের দ্রুত মডারেশন নিশ্চিত করা হবে।

    দ্বিতীয়ত, পাবলিক লাইফে নারীর সুরক্ষা: সাংবাদিক, কর্মী, শিক্ষার্থী বা কমিউনিটি নেত্রী হিসেবে যারা আক্রমণ বা হয়রানির শিকার হন, তাদের জন্য যথাযথ নির্দেশিকা, দ্রুত আইনি ও ডিজিটাল সহায়তা ও গোপনীয় রিপোর্টিং চ্যানেল তৈরি করা হবে। নারীদের জনজীবনে অংশগ্রহণের স্বার্থে এই উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

    তৃতীয়ত, ডিজিটাল সেফটি বিষয়ক শিক্ষা: স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য বাস্তবসম্মত ডিজিটাল নিরাপত্তার ট্রেনিং দেওয়া হবে। যারা প্রশিক্ষিত হবেন, তারা ‘সেফটি ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে কাজ করবেন। বার্ষিক সচেতনতা কার্যক্রম তরুণদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।

    চতুর্থত, সহিংসতা ও হয়রানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী কমিউনিটি ভিত্তিক প্রতিরোধ: কমিউনিটি হেল্প ডেস্ক, নিরাপদ রাস্তাঘাট, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং ট্রমা-সেন্টিভ রেসপন্ডার নিয়োগের মাধ্যমে নারীরা আরও নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত জীবন পার করবেন।

    পঞ্চমত, নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণের জন্য জাতীয় উদ্যোগ: লিডারশিপ ট্রেনিং, মেন্টরিং নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি, স্কুল ও অফিসে চাইল্ড ডে কেয়ার সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে নারীরা নেতৃত্ব দিতে পারেন, সফল্য অর্জন করতে পারেন এবং সমাজে অবদান রাখতে পারেন।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, নারী উন্নত হলে দেশও এগিয়ে যাবে। তাঁর মতে, আমাদের রাজনীতি, ধর্ম, জাতিসত্তা বা লিঙ্গ যাই হোক, একবাক্যে স্বীকার যে, নারীরা যত বেশি নিরাপদ, সমর্থিত ও ক্ষমতায়িত হবেন, বাংলাদেশ ততই অপ্রতিরোধ্য হবে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, কন্যাদের জন্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করার।

  • জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘আসন সমঝোতা’ ভিত্তিতে যেন আরও অনেক দল মিলিতভাবে অংশ নিতে পারে—এমন ইঙ্গিত মারকম ভাবে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দল যদি এই প্রক্রিয়ায় একত্র হয়, তাহলে তারা নির্বাচনে একটি সুসংহত ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেকের মতে, বিএনপিসহ অন্যান্য সমমনা দলের জন্য নির্দিষ্ট আসন দিয়ে প্রার্থী ঘোষণা করার এই কৌশলটি জামায়াতের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। এতে তাদের লক্ষ্য, নির্বাচনে আরো বেশি জনপ্রিয়তা এবং সমর্থন জাগানো।

    জামায়াতে ইসলামী ইতিমধ্যেই সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (প্রপোরশনাল রেপ্রেজেন্টেশন) সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। জুলাই মাসে সংবিধানে এই পদ্ধতিকে আইনি বৈধতা দিতে এবং নভেম্বরের মধ্যে সাধারণ ভোটের পরিকল্পনা করছে তারা। এর পাশাপাশি, তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে, যাতে ভবিষ্যতের নির্বাচনে তাদের প্রার্থী তালিকা শক্তিশালী হয়। সম্প্রতি, জামায়াত ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে, যা তাদের মাঠে দৃঢ় অবস্থান জানান দিচ্ছে। প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী থাকছে এবং কোনো আসনে বিদ্রোহী বা অপ্রত্যাশিত প্রার্থী দেখা যায়নি। এই মনোভাব তাদের পরিশ্রমের ফল, কারণ তারা ইতিমধ্যে ভোটারদের কাছে নিজের পরিচিতি তৈরি করে ফেলেছেন।

    আটটি রাজনৈতিক ঐক্যবদ্ধ জোটের জন্য জামায়াত কিছু আসন ছাড়বে বলে জানা গেছে। এক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, তারা আসন ভাগাভাগি নিয়ে কাজ করছে, তবে এখনো নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন কি হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তারা বলছে, তারা চাইতে চান যে, সংসদে আট দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। অতীতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে ১০০টি আসন ছাড়ার কথা, যাতে সব ইসলামপন্থি দল একসঙ্গে আসতে পারে। তবে এখন তারা এই অবস্থান থেকে সরে এসে মনোনয়ন বিষয়ক সিদ্ধান্তে একমত হয়েছে, যেখানে কোন দল যাকে মনোনয়ন দেবে, সেই বিজয়ী হবে—প্রত্যেক দলই তার জন্য কাজ করবে।

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, “আট দলের শরিকরা এখন আসন সংখ্যা নিয়ে ভাবছেন না। তারা এখন জিতে আসতে চান এবং ইসলামের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে চান। যেহেতু তারা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় থাকবেন, মুতাবেক বিজয়ীর জন্য বেশি মনোযোগ থাকবে। তারা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকেও নির্বাচন মাঠে আনতে চান।

    এছাড়াও, জানা গেছে, জামায়াত নিজের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। তারা অন্তত চারজন সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) এবং কিছু প্রখ্যাত ছাত্র নেতা যারা জুলাই আন্দোলনের মুখোমুখি ছিলেন, তাদের মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে কিছু শিক্ষক-প্রভাষক এবং সম্মুখসারির নেতাদেরও সম্ভাব্য মনোনয়ন থাকছে।

    সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারি নিয়েও জোর গুঞ্জন রয়েছে যে, তাকে ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী-ডেমরা) আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। জামায়াতের সূত্র এ বিষয়টি অস্বীকার করেনি, বরং বলেছে যে, তারা দেশের প্রখ্যাত আলেমদের সংসদে আনতে চাইছে। পাশাপাশি, কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে জনপ্রিয় আলেম আমির হামজার মনোনয়নও চূড়ান্ত হয়েছে। এর সাথে অন্য অনেক ইসলামিক ব্যক্তিত্বকেও মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তাদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হয় ও একত্রিত হতে পারে।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, এলাকা দীর্ঘ দিনের কলঙ্ক মোচন

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, এলাকা দীর্ঘ দিনের কলঙ্ক মোচন

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ে জাতির স্বল্প দিনের কলঙ্ক কাটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেছেন। আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এখনো বেশির ভাগ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য। তবে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে একতরফা রায় দেওয়া হয়েছিল, যা বৈধতার প্রশ্ন তুলে উদাসীনতা সৃষ্টি করে। সেই অবৈধ রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুনর্বহাল হওয়া দেশবাসীর জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক পরিবর্তন। এটি জাতির দীর্ঘদিনের কলঙ্কের অবসান ঘটিয়েছে। আখতার আরও বলেন, নির্বাচনকে গণমুখী ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলতে হবে। জুলাই সনদে থাকা কিছু অস্পষ্টতা দূর করতে হবে, তাহলেই এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করবে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম-আহবায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম-সচিব ডাঃ তাসনিম জারা ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।