Month: October 2025

  • যুবদল প্রস্তুত আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে

    যুবদল প্রস্তুত আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে

    জেলা যুবদলের আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে যুবদল এখন প্রস্তুত। সকল ষড়যন্ত্রকে থেমে দিয়ে বিএনপি’র জনপ্রিয় প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে যুবদল নেতাকর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। এ লক্ষ্যে খুলনায় উপজেলা ভিত্তিক যুব সমাবেশের কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

    তিনি আরও জানান, খুলনার নয়টি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে যুব সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রোববার তেরখাদা উপজেলায় প্রথম এই যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ফজলুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিকেল ৩টায় সমাবেশের আয়োজন করা হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল। মূল ভাষণ দেবেন কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। তেরখাদা ও আশপাশের উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ এই সমাবেশে অংশ নেবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের বিভিন্ন নেতাকর্মী, যেমন— সদস্য সচিব নাদিমুজ্জামান জনি, যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি সখা, গোলাম মোস্তফা তুহিন, মোল্লা আয়ুব হোসেন, রুবেল মীর, মাশকুর হাসান ফ্রান্স, অহেদুজ্জামান সোহাগ, তানভীর আহম্মেদ সুমন, আলমগীর হোসেন লালন, এস এম জাহিদুর রহমান শোভন, মোমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, জিহাদুল হক জিহাদ, তৌহিদুর রহমান শান্ত, রাসেল আহমেদ নাসিম, সেলিম চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান মিঠু, বশির আহমেদ শাহিন, মোস্তাফিজুর রহমান আজিবর, সোহেল রানা তুহিন, এড. মুক্তা, আছাদুজ্জামান সুমন, শাওন ইবনে আকবার, সিরাজুল ইসলাম পরাগ, মাসুদ রানা, রাসেল শেখ, বদরুজ্জামান শেখ বাবু, মোল্লা মাহবুব আলম, মফিজুল ইসলাম, মোক্তাদির বিল্লাহ, শেখ ফারুক, পাপ্পু মীর, তরিকুল ইসলাম রিপন, হাফিজুর রহমান বাবু ও নজরুল ইসলাম আকনসহ আরও অনেকে।

  • জনগণের দ্বারে দ্বারে তারেক রহমানের ৩১ দফা পৌঁছে দিতে হবে

    জনগণের দ্বারে দ্বারে তারেক রহমানের ৩১ দফা পৌঁছে দিতে হবে

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, বিএনপি হলো সাধারণ মানুষের দল। এটি একটি গণতান্ত্রিক দল, যার ইতিহাসে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত। জিয়াউর রহমান এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেছিলেন, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিএনপি শুরু থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। এই ৩১ দফাই আধুনিক বাংলাদেশের রূপরেখা, যা দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে সহযোগিতা করবে। তাই এই ৩১ দফা জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে হবে।

    গতকাল শনিবার বিকেলে আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বটিয়াঘাটার ৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মন্টু আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার ব্যতীত কোনো সংস্কারই দীর্ঘস্থায়ী ফল দেবে না। মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা অনুযায়ী জনগণের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সম্ভব বিএনপির নেতৃত্বে। একদিকে দেশের সহজ-সরল নারী-পুরুষদের ভুল বোঝানোর জন্য কিছু ধর্মান্ধ গোষ্ঠী চেষ্টা চালাচ্ছে, অন্যদিকে তারা কিছু স্বাধীনতা বিরোধী দোষীদের দলে ভিড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এসব অপশক্তিকে রুখে দিয়ে নারীরাও সমাজের মূলধারায় যোগ দিয়ে দেশ গঠনে অংশ নিতে হবে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে সমান অধিকারের দেশ, যেখানে বৈষম্য থাকবে না।

    তিনি আরও বলেছেন, নেতৃত্বের ঐক্য ছাড়া ফ্যাসিবাদ ও মৌলবাদ মোকাবেলা সম্ভব নয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এটাই একমাত্র উপায় দুর্বৃত্তবাদের শেকড় উত্সার করে স্বাধীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নির্মাণের।

    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক শেখ মোঃ তৈয়েবুর রহমান। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ শামীম কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য মোঃ সুলতান মাহমুদ, জিএম রফিকুল হাসান, মোঃ মনিরুজ্জামান লেলিন ও খন্দকার ফারুক হোসেন। বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ এজাজুর রহমান শামীম সম্মেলন উদ্বোধন করেন। ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ অলিয়ার রহমান শেখের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

  • নগরীতে মাছ বিক্রেতা পিতাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ছেলে-পুত্রবধূ ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    নগরীতে মাছ বিক্রেতা পিতাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ছেলে-পুত্রবধূ ঢাকা থেকে গ্রেফতার

    নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলায় চাঞ্চল্যকর বাবা লিটন খান হত্যার ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত দুইজন ছেলে ও পুত্রবধূকে গ্রেফতার করেছে। এই যুক্তিটি নিশ্চিত করেছে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবির হোসেন। তিনি জানান, শনিবার গভীর রাতে নিহত লিটন খানের ছেলে আবু বকর লিমন এবং তার স্ত্রী চাঁদনীকে রাজধানীর পল্লবী থানার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদেরকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলায় মাছ বিক্রেতা ও পরিবারের উপার্জনকর্তা ৪৫ বছর বয়সী লিটন খানকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটে। লিটন খান মাছ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। হত্যার পর থেকে তার ছেলে লিমন এবং তার স্ত্রী পলাতক ছিল।

    অফিসার ইনচার্জ আরও জানান, সম্প্রতি লিটন খান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। তার মধ্যে থেকে লিমন ২০ হাজার টাকা দাবি করছিল। তবে, আবু বকর লিমন মাদকাসক্ত থাকায় তিনি টাকা দেওয়াতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে যখন লিটন খান একা থাকতেন, তখন ওই দুইজন পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। প্রথমে তারা শ্বাসরোধে লিটনকে অচেতন করে, এরপর ধারালো বঁটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর থেকে তারা পলাতক ছিল।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো বঁটি জব্দ করে। তদন্ত চলছে, এই পরিস্থিতিতে তারা আরও যাতে দ্রুত সমকালীন বিচার পান, সেই বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।

  • ঝিনাইদহে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

    ঝিনাইদহে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

    ঝিনাইদহের সদর ও শৈলকুপায় বজ্রপাতে দুটি দুর্ঘটনায় দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে আজ রোববার (৫ অক্টোবর)। ঘটনাগুলো ঘটেছে সকালে, সদর উপজেলার আড়মুখি গ্রামে এবং শৈলকুপা উপজেলার শেখরা গ্রামে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আড়মুখি গ্রামের কৃষক শিমুল বিশ্বাস নিজ Lose জমিতে কাজ করছিলেন। তখন হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হন এবং অন্যান্য কৃষকদের সাথে তারা দ্রুত মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এই সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, যেখানে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল বিশ্বাসের।

    অন্যদিকে, শৈলকুপা উপজেলার শেখরা গ্রামে কৃষক হুরমত শেখও বাড়ির পাশের মাঠে কাজ করছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তিনি দ্রুত ফেরার চেষ্টা করেন। ঠিক তখনই গুরুতর আহত হন তিনি, পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত বাড়িতে নেয়ার পর মৃত্যু হয়।

    ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া মৃত্যুর এই ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে বজ্রপাতের ঘটনা বেশি ঘটছে। পুলিশের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সময় কেউ যেন খোলা আকাশের নিচে না থাকেন। সেনা নিরাপত্তাই জীবন রক্ষার অন্যতম উপায়।

  • নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র, ধর্মের অপব্যবহার ও দেশের অস্থিতিশীলতা চায় ষড়যন্ত্রকারীরা

    নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র, ধর্মের অপব্যবহার ও দেশের অস্থিতিশীলতা চায় ষড়যন্ত্রকারীরা

    বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের পথ বন্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নানা কূটকৌশল অবলম্বন করে নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে এবং সঙ্ঘাতমূলক পারস্পরিক দাঙ্গা সৃষ্টি করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়। তিনি আরও বলেন, ওলামা সমাজকে এখনই সজাগ হতে হবে যাতে কেউ ধর্মের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা না করে। ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে যারা দেশের শত্রু তারাই। শনিবার বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের অডিটোরিয়ামে মহানগর ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রকিবুল ইসলাম বকুল আরও বলেন, জামায়াত-শিবির শক্তি নতুন করে মানুষকে প্রতারণার জন্য ধর্মের নামে জাল কৌশল নিচ্ছে। তারা মানুষের কাছ থেকে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ধর্মের আদর্শকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এই অপচেষ্টা বাংলার ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ কোনও পথ নয়; কারণ সমাজে ধর্মান্ধতা নয়, ধর্মপ্রাণতা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি এবং চব্বিশের চক্র এক হয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। বিএনপি দেশের সাধারণ মানুষের দল; এখানে প্রতারণার কোনও স্থান নেই। জনগণের ভোটের মাধ্যমে দেশকে আবার গণতন্ত্রের পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনব।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা কাজী আবু নাঈম। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। উপস্থিত ছিলেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ফারুক হোসেন, সদস্য সচিব মাওলানা আবু মুসা, মহানগর সদস্য সচিব হাফেজ মোহাম্মদ আল আমিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

  • সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    সোনার দাম পুনরায় রেকর্ড ছাড়িয়েছে, ভরি ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এই অবস্থা দেশের জুয়ার বাজারে অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিপুল চাহিদা ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে আজকের দিন পর্যন্ত এই মূল্যবৃদ্ধি এলো। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। ফলে এখন এই মানের সোনার ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা। নতুন দামটি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদিত হয়। চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এর তথ্য জানানো হয়। এর আগে, ২৪ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কিছুটা বেশি ছিল, যেখানে স্বর্ণের এক ভরি (২২ ক্যারেট) ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। তবে তার পরদিন অনেকটাই কমে গিয়েছিল, ফলে সেই রেকর্ড দাম কার্যকর ছিল। কিন্তু আবারও মূল্যক্রমে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে নতুন ডিম্যান্ড সৃষ্টি হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, যা পূর্বের চেয়ে ২ হাজার ৪১৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যাটাগরিতে, ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি now ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, যেখানে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২৯৮ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা, একমাত্রা ১ হাজার ৯৭১ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, সনাতন পদ্ধতির (হারামণ) সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    প্রথমে, ২৮ সেপ্টেম্বর, দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমে গিয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের ভরি ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা, যা প্রায় ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমানো হয়েছিল। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম কমানো হয়েছিল। তবে বর্তমানে, আবার দাম বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    অপর দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের জন্য প্রাক্কলিত ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা। অন্য ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ২২৮ টাকা। এই দামগুলো চলমান থাকায়, বাজারে গ্রাহকদের জন্য মূল্যস্থিরতা নিশ্চিত হচ্ছে।

  • ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ, ২০২৬ সালে পৌঁছাবে ৫ শতাংশ

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনীতি লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এরপর, ২০২৬ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ি ৫ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনও কিছু ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

    সংস্থাটি জানায়, চরম রাজনৈতিক পরিবর্তন, বন্যা, শ্রমিক বিরোধ এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতির গতি ধীরগতির মধ্যে রয়েছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে আসছে। এটি উল্লেখযোগ্য হিসেবে উঠে আসে এডিবির এইসিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে, যা মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়।

    এডিবি বলেছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং নিশ্চিত জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য। ব্যাংকিং খাতে কিছু দুর্বলতা থাকলেও, মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনগুলোতে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে মূল জন্য। বিশেষ করে, বাণিজ্য অনির্ণয়, ব্যাংকিং খাতে দুর্বলতা, ও নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অন্যদিকে, এডিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাজারে প্রতিযোগিতা কম হওয়া, বাজার তথ্যের অভাব, সরবরাহ শৃঙ্খলার সমস্যা এবং মুদ্রার দুর্বলতা কারণে মুদ্রাস্ফীতি ২০২৪ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ১০ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। তবে, ২০২৫ সালে সাময়িকভাবে জিডিপি ছোট এক ঊর্ধ্বমুখী উদ্বৃত্তের দিকে থাকবে, যার হার ০ দশমিক ۰৩ শতাংশ। এটি ২০২৪ সালে জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশের ঘাটতি থেকে বেশি। এর পেছনে রয়েছে ভালো রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং শক্তিশালী বাণিজ্য ঘাটতি সংকুচিত হওয়া।

  • পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে কত পরিমাণ অর্থ ফিরে আসবে, তা এখনো স্পষ্ট বলে কিছু জানানো হয়নি। তিনি বলেন, যারা এই অর্থ পাচার করে থাকেন, তারা এ বিষয়ে খুবই সচেতন এবং কৌশল অবলম্বন করে থাকেন। অর্থ ফেরত আনার জন্য কিছুসময় প্রয়োজন, তবে ইতিমধ্যে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আশা করা যায় ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই কিছু টাকা ফিরে আসতে পারে, আর বাকির জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

    সালেহউদ্দিন জানান, এই কৌশল বা প্রক্রিয়া কোনো সরকার এড়াতে পারবে না। তিনি বললেন, যদি আপনি বলেন, ‘টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে বা সুইস ব্যাংকে,’ তাহলে অবশ্যই দেবে না। এজন্য রাষ্ট্রের আইনগত প্রক্রিয়াগুলোর মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরে ১১-১২টির মতো অর্থাভার গোপনে রাখা হয়েছে এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ জাগায় বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে, সেগুলোর ওপর নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

    নতুন সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন বলেন, সরকারের জন্য এই প্রসেসগুলো চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। যদি এগুলো অব্যাহত থাকে, তবে অর্থ ফেরত আসবে। অন্যথায়, এটা সম্ভব নয়। অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে তিনি জানাতে চাননি এবং বলেন, এ বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেই প্রশ্ন করতে হবে।

    অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য, কিছু অর্থ এখনও পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, কিছুদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবে। বর্তমানে যেসব দেশের অ্যাকাউন্টে এই অর্থ থাকতে পারে, তার তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্পষ্ট করেছেন, এই বিষয়গুলো নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

    অর্থ দপ্তরে বরাদ্দের ব্যাপারে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি সত্য নয়, কারণ প্রকল্পগুলো আগেই শুরু হয়েছে। আবার, দেশের অসংখ্য পরিবারের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং পুষ্টিহীনতার বিষয়েও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্যতালিকায় এখনো বেশ কিছু ঘাটতি আছে, বিশেষ করে শিশু ও মা-জনিত পুষ্টির সমস্যায়। আমাদের প্রচেষ্টা রয়েছে, ভিজিএফ ও স্পেশাল ট্র্যাকের মাধ্যমে ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য। জেলেদের জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও তারা ২০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের খাদ্য ব্যবস্থা সাধারণত চালের ওপর বেশি নির্ভরশীল, অন্য বিষয়গুলো প্রয়োজন হলেও আমাদের ক্রয়ক্ষমতা কম; তাই আমিষের দরকার, প্রধানত ডিমের মতো জিনিসের। অনেক মানুষ এখনো এসব ক্রয় করতে পারছেন না।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিল

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চাকরিবিধি লঙ্ঘন এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসঙ্গে আরও ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। এই দ্বিতীয় দফার ছাঁটাই কার্যক্রমের ফলে চলতি সপ্তাহে মোট ৪০০ কর্মীর চাকরি চলে গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার মতে, এই জাতীয় ছাঁটাই ঘটনার ঘটনা নজিরবিহীন। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ উদ্যোগ সম্পন্ন হয়েছে দক্ষতা যাচাই এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে। সম্প্রতি ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যান্ডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নেয়ো ৪১৪ জন কর্মী, যাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। অবশিষ্ট ৫০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা প্রায় ৫ হাজার কর্মীকে আপাতত ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত) করে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানায়, চাকরি হারানো কর্মীরা শুধুমাত্র অযোগ্যতার কারণে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সহকর্মীদের বাধা দেওয়া ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়াসহ অন্যান্য তারিখকাজে জড়িত ছিলেন।

    ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, চট্টগ্রামের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন থেকেই অনেকে সরাসরি সিভি জমা দিয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন, যেখানে বেশিরভাগ নিয়োগ ছিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে। এর ফলে বর্তমানে ব্যাংকের প্রায় অর্ধেক কর্মীই ওই অঞ্চল থেকে।

    ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের লক্ষ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং দক্ষতা যাচাই এবং প্রমাণিত করা।

  • সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    সোনার ভরি দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায়

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন সব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের প্রিমিয়াম মানের ২২ ক্যারেট গোল্ড প্রতি ভরি এখন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ২১৯২ টাকা বেশি। এই দামের পরিবর্তন সংক্ষিপ্তসারে দেশের স্বর্ণ বাজারে সবচেয়ে বেশি মূল্য এটি। এর আগে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় বিক্রি হত এই মূল্যবোধ।

    শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এমন ঘোষণা দেন, যা রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বাড়ার প্রভাব রয়েছে বলে জানান।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিষয়টি আগের দামের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, আগে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    অপরদিকে, রুপার দাম কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।