Month: October 2025

  • দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

    দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

    গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভোটের মাঠে মহানগর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সবাইকে একত্রে, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, নানা ইস্যুতে আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দলীয় ঐক্যই আমাদের শক্তির মূল কেন্দ্র। ভিন্নমত থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। বিএনপি হচ্ছে সাধারণ মানুষের দল—এ দল কখনোই ব্যক্তিপরস্ত স্বার্থে আঘাত হানবে না। ধানের শীষ প্রতীক শুধু একটি রাজনৈতিক চিহ্ন নয়, এটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক। দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত আমাদের সবার জন্য বাধ্যতামূলক। যে প্রার্থী দল মনোনীত করবে, তার পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সংগঠনিক সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় সভাটি সড়ক সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেউই দলের নামোতেষ স্লোগান দেবে না—আমরা সবাই ধানের শীষের কর্মী। দলীয় আলোচনা ব্যক্তিপূজা ভিত্তিক নয়, বরং নীতির উপর ভিত্তি করে রাজনীতি করতে হবে। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ও সর্বোচ্চ। বিএনপি’র শীর্ষ মহল মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কোনও নেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পেলে প্রতিটি ক্ষেত্রে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করে দেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার, গুজব ছড়িয়ে বা দলীয় ঐক্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “দল ও নেতৃত্বকে সম্মান না করতে পারলে কেউ বিএনপি’র কর্মী হতে পারে না,” এই কথা তিনি বলেন। এখন সময় মাঠে নামার। ভোটারদের ঘরে ঘরে পৌঁছে তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সালাম পৌঁছাতে হবে। তাঁদের নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, ভোটের মাঠে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একযোগে কাজ করতে হবে। এমন একটি গোষ্ঠি রয়েছে যারা নির্বাচনের বিলম্ব করতে চায় বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে দিতে চায়, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকাটা জরুরি। দেশের জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে হবে বিএনপিকে। বাংলাদেশের মানুষ অবিরত তাদের নির্যাতন ও জুলুমের জবাব দিতে চাই Voting মাধ্যমে। ভোটের মাধ্যমেই ক্ষতিগ্রস্ত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব—এ বিশ্বাস দৃঢ়। তাই দলের প্রতিটি কর্মীকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান তিনি। বিভেদ নয়, ঐক্যই আমাদের বিজয়ের মূল চাবিকাঠি। মহানগর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “চলুন, সবাই মিলে দলের পতাকা উঁচু রাখি। ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের আস্থা অর্জন করি। ধানের শীষের বিজয় দিয়ে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

    সভায় বক্তৃতা করেন নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক রেহানা ঈসা, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কেএম হুমায়ূন কবীর, সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, খালিশপুর থানা সভাপতি এড. শেখ মোহাম্মাদ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, দৌলতপুর থানার সভাপতি মুরশিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, খানজাহান আলী থানার সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংবাদিকরা মিজানুর রহমান মিলটন, রকিবুল ইসলাম মতি, আতিয়ার পারভেজ, যুবদলের আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, মহিলা দলের সৈয়দা রেহানা ঈসা, এড. হালিমা আক্তার খানম, আজিজা খানম এলিজা, শ্রমিকদলের মজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, দ্বীন মোহাম্মাদ, আলমগীর হোসেন, কৃষকদলের আক্তারুজ্জামান সজিব তালুকদার, জাসাসের ইঞ্জি. নুর ইসলাম বাচ্চু, একেএম জলিল, ওলামা দলের মাওলানা আবু নাঈম, হাফেজ আল আমিন, ছাত্রদলের মাজহারুল ইসলাম রাসেল, সৈয়দ ইমরান, আরিফুর রহমান আরিফ, শাকিল আহমেদ, মাহিমুল হক মাহিম, শেখ ইউসুফ, সিয়াম, বিপ্লব ও ফয়সাল সহ অনেক নেতাকর্মী।

  • ক্ষমতায় এলে বটিয়াঘাটা-দাকোপের কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন হবে

    ক্ষমতায় এলে বটিয়াঘাটা-দাকোপের কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন হবে

    খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিকু, যিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের বিএনপি’র মনোনয়নপ্রার্থী ও জেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক আমীর এজাজ খান। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন। মিছিলে তারা আমীর এজাজ খানের মনোনয়ন ও সাফল্য জন্য শুভকামনা জানিয়ে নানা স্লোগান দেন। বটিয়াঘাটা উপজেলাসহ পাশের এলাকার নারী-পুরুষেরাও একত্রিত হয়ে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

    বিকেল সাড়ে ৪টায় বিপুল সংখ্যক সমর্থক নিয়ে প্রধান অতিথি আমীর এজাজ খান সভাস্থলে প্রবেশ করেন, তখন হাজারো মানুষ দলীয় সংগীত ও ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। তার বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি গত ৪০ বছর ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করে আসছি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর এই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কিছুটা ভীত হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু এখন বলছি, আপনাদের কোনো ভয় করার প্রয়োজন নেই। বিএনপির কাছে নিরাপদ হয়ে আছেন আপনি। যদি এবার মনোনয়ন পেয়ে ভোটে জয়ী হই, তাহলে এই অঞ্চলের শিক্ষকদের সমস্যা সমাধান, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন, নতুন শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা, নদী খনন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করব বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

    তিনি আরও বলেন, এই এলাকাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে উন্নীত করা হবে। চালনা বটিয়াঘাটা ফেরী মার্কেটের বদলে একটি ব্রিজ নির্মাণ করে দেওয়া হবে, যাতে এখানকার ফল, সবজি ও ফসল দ্রুত বিক্রি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত পাঠানো সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, জামায়াত জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা বলে দেয়, ভোট দিলে বেহেশতের টিকিট পাওয়া যাবে—এমন মিথ্যা কথা প্রচার করছে। তারা রোজা ও পবিত্র পূজা সম্পর্কেও অমূলক ও ভিত্তিহীন কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সকলের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    অতীতের বহুল পরিচিত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এই জনসভায়, যেমন দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক আশীষ কুমার সাহা, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক খায়রুল ইসলাম খান জনি, সাবেক সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, চালনা পৌর বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মোজাফ্ফর হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • খুলনায় এবারও আলিম পরীক্ষায় শীর্ষে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা জিপিএ-৫

    খুলনায় এবারও আলিম পরীক্ষায় শীর্ষে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা জিপিএ-৫

    দেশব্যাপী এবার আলিম পরীক্ষার ফলাফলে কিছুটা হতাশাজনক পরিস্থিতি দেখা গেলেও খুলনাস্থ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। অধিকাংশ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উর্ত্তীর্ণ হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান সূচক অনুযায়ী বিশেষ সফলতা অর্জন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা, যেখানে আবারও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির মাধ্যমে শীর্ষস্থান দখল করেছে। মহানগরীর ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই মাদ্রাসাটিই সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে, যেখানে ৫৩ জন শিক্ষার্থী এই সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেছে।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নগরীর এগারো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়াতে মোট ১১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে সবাই পাস করেছেন। এর মধ্যে ৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। পাশাপাশি তালিমুল মিল্লাত (রহঃ) ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, এদের মধ্যে ৩৮ জন পাস করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। মোহাম্মদ নগর মহিলা কামিল মাদ্রাসায় ৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই পাস করেছেন এবং ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও অর্জন উল্লেখযোগ্য।

    উল্লেখ্য, দেয়াড়া যুগিহাটী আলিম মাদ্রাসা থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, যাদের আটজন পাস করেছেন। পাশের হার ৮८.৮৯ শতাংশ। আটলিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় ১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ১২ জন পাস করেছেন এবং ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন, যা পাশের হার ৮৫.৭১ শতাংশ। খুলনা আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসায় মোট ৮০ জন অংশ নিয়ে ৭৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং ৮৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন, পাশের হার ৯৫ শতাংশ।

    অন্যদিকে, খান-এ সবুর মহিলা ফাজিল মাদ্রাসায় ৫০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪৭ জন পাস করেছে, এর মধ্যে ১১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। ধর্ষনের হার ৯৪ শতাংশ। খুলনা নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসায় ১৮ জন অংশ নিয়ে ১৭ জন পাশ করেছেন এবং ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এর পাশের হার ৯৪.৪৪ শতাংশ। রূপসা দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসায় ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১৪ জন পাস করেছেন, পাশের হার ৭০ শতাংশ। শেষদিকে, ফুলবাড়ি আলম মাদ্রাসায় ১৯ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৮ জন উত্তীর্ণ হন, পাশের হার ৯৪.৭৪ শতাংশ।

    দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী বলেন, ‘এবছর সারাদেশে মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার ফলাফল কিছুটা হতাশাজনক হলেও খুলনাস্থ এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে পুনরায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির মাধ্যমে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ফলাফলের জন্য আমি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের প্রকাশ্য কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করছি।’

  • খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় এবার খুলনা বিভাগের মোট ২০টি কলেজের শিক্ষার্থীরা পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল সাতটি। এছাড়াও, শতভাগ পাসের তালিকায় ছিল ১৩টি প্রতিষ্ঠান, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫টিতে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের এই ২০টি কলেজের মধ্যে ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ থেকে ১ জন, খুলনা হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে ১ জন, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ জন এবং তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কেবল তারাও কেউ পাস করতে পারেনি।

    অপরদিকে, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ জন, মাগুরার বোজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ থেকে ৮ জন, রাউতড়া হৃদয়নাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন, মোহাম্মদপুরের কাইনেরগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে ৯ জন, বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১১ জন, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের শিংজর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরার আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ থেকে ৯ জন, সাতক্ষীরার কমার্স কলেজ থেকে ২ জন এবং কুষ্টিয়ার আলহাজ্ব আব্দুল গনি কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।

    এছাড়া, যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া হিজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস কলেজ থেকে ৭ জন, চৌগাছার মারুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ জন, অভয়নগরের শ্রীধারপুর ইউনিয়ন কলেজ, কেশবপুরের বুরুলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন এবং ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার পরও সবাই অযোগ্য ঘোষণা পান।

    প্রফেসর আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, শূন্য পাস হওয়া কলেজগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে খুলনায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও নৌবাহিনী। এই চক্রটি চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত। বুধবার রাত ১১টার দিকে নগরীর খুলনা হোটেল, ধানসিঁড়ি হোটেল ও সোসাইটির হোটেলে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে গ্রেফতার করা হয় কুষ্টিয়ার আশিকুর রহমান (৩৬) ও বশির উদ্দিন (৩৮) নামে দুই প্রতারককে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ভুয়া প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র, স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও অন্যান্য নথিপত্র জব্দ করা হয়। এই কক্ষটি ছিল প্রতারকচক্রের অফিস কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত। এ সময় আরও ১৬ জন চাকরি প্রার্থীকেও উদ্ধার করা হয় যারা এই প্রতারকচক্রের শিকার। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, প্রতারকরা ১০-১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা হিসেবে নি:সন্দেহে গ্রহণ করে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়। তারা তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প সংগ্রহ করত। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তরপত্র সরবরাহ করত ভুয়াভাবে। পরে ধরা পড়ে, এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থ লুট করছে। পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সোনার দাম আট দিনেই এক লাফে ভরিতে ৬,৯০০ টাকা বাড়লো, রুপার দামে ওলটপালট

    সোনার দাম আট দিনেই এক লাফে ভরিতে ৬,৯০০ টাকা বাড়লো, রুপার দামে ওলটপালট

    দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামে ব্যাপক অস্থিরতা চলছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের স্বর্ণের বাজারে এক দিনের মধ্যে আবারও দাম বেড়েছে, যা নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৬,৯০৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে, ফলে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা। এই বাড়তি দামকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বাজারে। একই সঙ্গে রুপার দামে ও বেশ পরিবর্তন এসেছে, যা বাজারের সমীক্ষা দেখাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে, কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পায়। তখন সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা এখন আবারও রেকর্ড ভেঙে গেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ৬,৯০৫ টাকা বাড়িয়ে এখন ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা হয়েছে। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬,৫৯० টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫,৬৫৭ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা হয়েছে, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৪,৮২৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা ঠিক করা হয়েছে।

    বলা যায়, এর আগে, ৮ অক্টোবর, প্রথমে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তখন, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,৩৯৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,২০১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১,০২৭ টাকা বাড়িয়ে ১৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল।

    অতঃপর, ৭ অক্টোবরের পরিবর্তে, স্বর্ণের দাম আরও বাড়ে। তখন, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ৩,১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩,১০ টাকা বাড়িয়ে ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২,৫৭৮ টাকা বাড়িয়ে ১৬৪,২২৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২,১৯২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৬,৪৪৫ টাকা হয়।

    গত ৫ অক্টোবর, প্রথমে দাম বাড়ানোর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ২,১৯২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৯৭,৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ২,৯৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৮,৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১,৭৯৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬১,৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ১,৫২৮ টাকা বাড়িয়ে Carsonton ১৩৪,২৫৩ টাকা নির্ধারিত হয়।

    এছাড়া, স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি রুপার দামে থেকেও খুব বড় পরিবর্তন এসেছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ৩২৬ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৩০৩ টাকা বেড়ে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ২৬৯ টাকা বাড়ে এবং এখন ৪ হাজার ৭১ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি রুপার দাম ১৯৮ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    আগের সংশ্লিষ্ট দাম অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা এখন বেড়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা; ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৪৪৪ টাকায় পৌঁছেছে; ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৮০২ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা। এই দাম পরিবর্তনগুলো বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে অস্থিরতার চিত্র স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

  • সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, ব্যাংক একীভূতিতে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না

    সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, ব্যাংক একীভূতিতে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার পরিকল্পনায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি। এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মহল নানা গুজব ছড়াচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যাংকগুলো একীভূত করার প্রকল্পের সময় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে, এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে গুজব ও মিথ্যা সংবাদ।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গুজবের বিষয়ে সবাই সতর্ক থাকাসহ বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। ব্যাংক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সব ধরনের মূল্যায়ন ও নজরদারি করছে।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন রেকর্ডের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়েছে। এর ফলস্বরূপ, এখন একটি ভরি স্বর্ণ কিনতে গিয়ে খরচ করতে হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এই নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে এবং জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

    বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি, রুপার দামেরও যোগ হয়েছে বৃদ্ধি। এখন রুপার প্রতি ভরি দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগে থেকে আরও বেশি।

    অন্যদিকে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা থেকে বেড়ে ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫ টাকা থেকে এখন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৮ টাকায় পৌঁছেছে।

  • ১৪ দিনের মধ্যে ছয় বার বেড়ে গেলো সোনার দাম

    ১৪ দিনের মধ্যে ছয় বার বেড়ে গেলো সোনার দাম

    দেশের বাজারে এই মাসের প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের মূল্য, যা একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড। এর ফলস্বরূপ, দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। একদিনের ব্যবধানে আবারো স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বাজারে। বাজুস (বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন) ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা إضاف করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা এখন এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি এখন দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই নতুন দাম ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং স্বর্ণের তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে দেশীয় বাজারে প্রতি ভরি (১২ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য হলো ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা। এদিকে, বাজুস জানিয়েছে যে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরির যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে এই মজুরির পরিমাণে পার্থক্য আসতে পারে। উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর বাজুস স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এনেছিল; তখন ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। ওই দিন থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়।

  • ভারত থেকে জাল টাকা ঢোকা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে জাল টাকা ঢোকা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে যে, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। এই খবরের প্রভাবে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং অযথা উদ্বেগ বাড়তে পারে; তাই বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কবার্তা জারি করেছে। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের অসত্য খবরের কারণে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে এবং জনসাধারণকে এড়ানো উচিত অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের প্রচলিত আইনে জাল টাকা তৈরি, বহন ও লেনদেন অনেক গুরুতর অপরাধ। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিতভাবে জাল টাকা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারা জাল নোটের উৎস, চলাচল এবং ব্যবহারে তীক্ষ্ণ নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনগণকে সতর্ক থাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। প্রথমত, বড় অঙ্কের লেনদেনে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমান প্রিন্ট, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি, ও ক্ষুদ্র লেখা লক্ষ্য করে যাচাই করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বৃহৎ পরিমাণের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে করতে হবে। তৃতীয়ত, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার দেয়া উচিত। শেষবারের মতো, সন্দেহজনক কোনও নোট পেলেই নিকটস্থ থানায় অথবা জরুরি সার্ভিস ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’—এই উদ্দেশ্যে তারা বলে থাকে যে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করুন। এছাড়াও, প্রত্যেক ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণে এক্স-ব্যানার ও পোস্টার দেখা যাবে।

    সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন, যেখানে এই জাল টাকার খবরটি উলেখ করা হয়। ওই পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুবই সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা দ্রুত এই অপতৎপরতা রুখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।