Month: October 2025

  • বিপিএল ড্রাফট ১৭ নভেম্বর, বাড়ছে প্রাইজমানি

    বিপিএল ড্রাফট ১৭ নভেম্বর, বাড়ছে প্রাইজমানি

    আগামী ডিসেম্বরে মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর। এই আসরের প্লেয়ার ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এই বড় আসরকে আরও পেশাদার ও উৎসাহজনকভাবে আয়োজন করতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    নতুন এই পরিকল্পনায় এবারের আসরে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আইএমজি, যারা তিন বছরের জন্য बीসিবির সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই আসর এবার অনুষ্ঠিত হবে পাঁচটি দল নিয়ে, গঠিত হবে ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহীর দল। এছাড়া, বরিশাল, খুলনা এবং চট্টগ্রাম নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।

    প্রথমবারের মতো, গত আসরের নানা বিতর্ক ও চ্যালেঞ্জের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও সতর্কতা অবলম্বন করছে বিসিবি। অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ২ কোটি টাকার ফি দিতে হবে, যা প্রতি বছর ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, প্রত্যেক দলকে ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।

    এছাড়া, এবার প্রাইজমানিরও ধরন পরিবর্তন হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এবং রানার্সআপ দল পাবে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। তাছাড়া, আয় থেকে অংশীদারিত্বের উদ্যোগেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। টিকিট বিক্রি, টেলিভিশি সম্প্রচার ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পাওয়া মোট আয়ের ৩০ শতাংশ ভাগ করে দেওয়া হবে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে।

    প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ৫ বছরের জন্য স্বত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে বিপিএলকে আরও জনপ্রিয় ও পেশাদারী একটি টুর্নামেন্টে রূপ দিতে চায় বিসিবি, যা ক্রিকেটের দৈনন্দিন চাহিদা ও দর্শকদের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি করবে।

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধসিয়ে দিয়ে জিতল পাকিস্তান

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধসিয়ে দিয়ে জিতল পাকিস্তান

    লাহোরে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান দুর্দান্ত পারফরমেন্সে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯৩ রানে হারিয়ে দিয়েছে। এই জয়ে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে সিরিজে এবং নতুন স্বপ্নের সূচনা করলো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য।

    পাঁচ দিনের এই ম্যাচের শেষ দিনটিতে পাকিস্তানের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন স্পিনার নোমান আলি। তিনি মাত্র দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ১০টি উইকেট নিয়ে অবিশ্বাস্য পারফরমেন্স দেখান—প্রথম ইনিংসে ৬টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪টি। দ্বিতীয় ইনিংসে তার শিকার হন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার মার্করাম, উইয়ান মুল্ডার এবং দলের সর্বোচ্চ রান করা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪)।

    অতিরিক্ত হিসেবে পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি দারুণ বল করে, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়াও সাজিদ খান ২ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস গুটিয়ে দেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য ছিল ২৭৭ রান, কিন্তু তখন থেকেই তারা চাপে পড়ে যায়। তাদের অধিনায়ক মার্করাম মাত্র ৩ রানে আউট হন, মুল্ডার শূন্য হাতে ফেরেন। কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রায়ান রিকেলটন (৪৫) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৫৪), তবে বাকিরা কোনোভাবে দাঁড়াতে পারেননি।

    অবশেষে, দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস শেষ হয় ৬১তম ওভারে ১৮৩ রান Australএ, ফলে পাকিস্তান সহজেই ওই ম্যাচ জিতে যায়।

    প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৩৭৮ রান তোলে, যেখানে ব্যাটসম্যানরা বিশেষ করে ইমাম-উল-হক (৯৩), শান মাসুদ (৭৬), মোহাম্মদ রিজওয়ান (৭৫) এবং সালমান আগা (৯৩) কৃতিত্বের সঙ্গে ব্যাট করতে পারেন। এরপর তারা দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৬৯ রানে অলআউট করে ১০৯ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে।

    দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ১৬৭ রান করে, যেখানে বাবর আজম (৪২), আবদুল্লাহ শফিক (৪১) এবং সাউদ শাকিল (৩৮) ভালো ব্যাট করেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সেনুরান মুথুসামি ছিলেন দুর্দান্ত, তিনি মোট ১১ উইকেট নিয়েছেন—প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫। তবে তার পারফরম্যান্সও দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজয় এড়াতে সহায়তা করতে পারেনি।

  • এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    এইচএসসিতে ফেল করেছেন পেসার মারুফা

    ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এই ফল ঘোষণা করা হয়। এবার গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ১৮.৯৫ শতাংশ কম।

    এই পরীক্ষায় বেশ কয়েকজন ক্রীড়াবিদ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ছিল। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার। বর্তমানে তিনি ভারতের মাটিতে চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। তবে দুঃখের বিষয়, এই পরীক্ষায় তিনি একটি বিষয়ে ফেল করেছেন।

    বিকেএসপি-র ভাইস প্রিন্সিপাল শামীম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, মারুফার ভুগোর বিষয়ে পরীক্ষা ফলাফল অনুত্তীর্ণ দেখাচ্ছে। কলেজের পক্ষ থেকে বোর্ডে মারুফার জন্য পুনরায় নিরীক্ষার জন্য আবেদন জানানো হবে।

    এদিকে, বিকেএসপি থেকে এবার ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে বাস্কেটবল বিভাগের শাহরিয়ার সব বিষয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন, অন্যরা হলেন টেবিল টেনিসের হয় ইসলাম, ক্রিকেটার নাভিদ, মেহরাব ও জান্নাতুল ফেরদৌস ও অ্যাথলেটিকসের মাসুম মোস্তফা।

    শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারছেন বিভিন্ন মাধ্যমের মাধ্যমে, যেমন విద్యালয় ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এসএমএস।

  • নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    নাঈম-নাহিদ বাদ, প্রথমবার ডাক পেলেন অঙ্কন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজের জন্য নতুন স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। এই সিরিজের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও পেসার নাহিদ রানা দলের বাইরে রয়েছেন।

    অপরদিকে, অভিজ্ঞ ব্যাটার সৌম্য সরকার আবারও দলে ফিরেছেন, যিনি শেষবার ফেব্রুয়ারিতে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন। এছাড়াও, ডানহাতি মিডল-অর্ডার ব্যাটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন প্রথমবারের মতো ওয়ানডে squad-এ স্থান পেয়েছেন। তাকে ইতিমধ্যে টেস্ট অভিষেকের সম্মানও লাভ করতে হয়েছে। এখন তার সামনে দেশের লাল সবুজ জার্সি গায়ে মাঠে নামার স্পর্শ করার সুযোগ।

    সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ফুটপ্রিন্ট মোটেও ভালো নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ হার এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশের পর এ সিরিজের প্রতি প্রত্যাশা আরও জোরদার হয়েছে। পরবর্তী তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১৮, ২১ ও ২৩ অক্টোবর, সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে।

    তৎপরতা চলমান, এরপর দুই দল টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। এই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ২৭, ২৯ ও ৩১ অক্টোবর, যার স্থান চট্টগ্রাম বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

    বাংলাদেশের স্কোয়াডের সদস্যরা হলেন: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ।

  • অস্ট্রেলিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে দল সেমিফাইনালে পৌঁছালো

    অস্ট্রেলিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে দল সেমিফাইনালে পৌঁছালো

    বাংলাদেশ মহিলা দলের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের এই আসর প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটাই হতাশাজনক হতে শুরু করেছিল। জয় দিয়ে শুরু করার পরের তিন ম্যাচে ধারাবাহিক হার বাংলাদেশের স্বপ্ন ভঙ্গের কারণ बनেছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আজকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাদের জন্য শুধু জিতলেই চলত না, জয় প্রয়োজন ছিল বড় ব্যাবধানে। এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া দলকে তারা ১০ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েই সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেছে অজ্ঞাতসাধ্য। এই জয়ের ফলে স্বাভাবিকভাবেই চলমান নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া। এবারে তারা পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে, যা তাদের শক্তির প্রতি আলাদাভাবে দর্শককে মুগ্ধ করে তুলেছে।

    বৃহস্পতিবার বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশের হয়ে প্রথমে ওপেন করেন রুবাইয়া ঝিলিক ও ফারজানা হক। উভয়ই দলের জন্য শুরুটা ভালো করার চেষ্টা করেন। ফারজানা বেশ কিছুক্ষণ ভালো ব্যাট করেন, তবে ২৪ বলে মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। এরপর ঝিলিক ও শারমিনের মধ্যে দৃঢ় সম্মিলনে দল কিছুটা সূচনা করে। ঝিলিক ৫৯ বলে ৪৪ রান করে আউট হলেও, তার আগে দলের সংগ্রহে আসে একটি শক্তিশালী সাফল্য। এরপর বাংলাদের মধ্যে আরও কিছু উইকেট হারানোর জন্য চাপে পড়ে, তবে প্রতিপক্ষে বিশ্বমানের অজিরা নিজেদের স্ট্র্যাটেজি কাজে লাগিয়ে বলার মতো ব্যাটিং করেন। অ্যাশলে গার্ডনার, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ও জর্জিয়া ওয়্যারহাম ২টি করে উইকেট তুলে নেন।

    ৭৩ রানে হারিয়ে থাকা ম্যাচে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহে আটকে রাখতে পারেনি। অজিরা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান এবং ৭৭ বলে ১১৩ রান করে যান অ্যালিসা হিলি, অন্যদিকে ফোবি লিচফিল্ড ৭২ বলে ৮৪ রানে অবিচ্ছিন্ন থাকেন। তাদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের ও ব্যালেন্সের কারণে অস্ট্রেলিয়া দলের কপালে জয় লেখা হয়। বাংলাদেশের জন্য এই হারের মাধ্যমে সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন শেষ হয়। তাদের জন্য এই আসরে এগোতে আরও অনেক কিছু করতে হত, তবে অজি দলের শক্তির কাছে তারা অসহায় প্রমাণিত হন।

  • মোদীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাই না, বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মোদীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাই না, বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প revealingly জানিয়েছেন, তিনি মোদীর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চান না। এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাকে অনেক ভালোবাসেন। ওয়াশিংটনে ১৫ অক্টোবর এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, নরেন্দ্র মোদী তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারত এখন থেকে রাশিয়া থেকে আর তেল কিনবে না। ট্রাম্পের মতে, এই সিদ্ধান্ত ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সহায়ক হবে।

    তিনি বলেন, মোদী একজন মহান নেতা। তিনি ট্রাম্পকে ভালোবাসেন। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি স্পষ্ট করে দেন, আমি চাই না, আপনারা ‘ভালোবাসেন’ শব্দের অন্য অর্থ ভাবুন। আমি তার (মোদীর) রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাই না। ট্রাম্প আরও বলেন, আমি বহু বছর ধরে ভারতের পর্যবেক্ষণ করে আসছি। এটি একটি অসাধারণ দেশ। বছরে বছর নতুন নেতৃত্ব আসছে—কেউ কেবল কয়েক মাস থাকছেন, কেউ বা আরও কম সময়। কিন্তু আমার বন্ধু মোদী অনেক বছর ধরে আছেন এবং তিনি সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একজন নেতা।

    প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও অভিযোগ করেছিলেন যে, ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়াকে অর্থায়ন করছে, যা যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানকে বাধাগ্রস্ত করছে। তবে, ট্রাম্প জানান, মোদী তাকে বলেছেন, তারা রাশিয়া থেকে তেল কিনা বন্ধ করবেন। এটা তৎক্ষণাৎ সম্ভব না হলেও, শিগগিরই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, রাশিয়ার এই যুদ্ধ এক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হওয়া উচিত ছিল, কারণ এটি তাদের জন্য ভালো নয়। একই সাথে, তিনি দাবি করেন, একসময় তার সঙ্গে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তিচুক্তির প্রাথমিক আলোচনা প্রায় সম্পন্ন হয়েই গিয়েছিল।

    বিশ্লেষণে, ট্রাম্প আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে তীব্র বৈরিতা শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা। তবে তিনি মনে করেন, যদি ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দেয়, তাহলে এই যুদ্ধ অনেক সহজে শেষ হবে। ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত যদি তেল না কেনে, তাহলে সকল বিষয়ে সহজ হয়ে যাবে। তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে, শিগগিরই রাশিয়া থেকে তেল কিনা বন্ধ করে দেবে। যুদ্ধ শেষ হলে তারা আবার রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে।’

  • পাকিস্তানের অভিযোগ: তালেবানদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ভারত

    পাকিস্তানের অভিযোগ: তালেবানদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ভারত

    ইসলামাবাদ এবং কাবুলের মধ্যে সম্প্রতি ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির সময়ে পাকিস্তান গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অভিযোগ করেন যে, ভারত আফগান তালেবানদের কার্যক্রমে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন যে, আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ চালানো হচ্ছে।

    জিও নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে আমি মনে করি না। কারণ, তালেবানদের সিদ্ধান্তগুলো দিল্লির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হচ্ছে।’ তিনি আরও অভিযুক্ত করে বলেন, ‘এই মুহূর্তে কাবুল দিল্লির হয়ে একটি ছায়া যুদ্ধ চালাচ্ছে।’

    অথচ, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে তার সফরে ‘কিছু গোপন পরিকল্পনা’ করেছেন বলে ইঙ্গিত দেন খাজা আসিফ। যদিও আঞ্চলিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মুত্তাকির সফর মূলত বাণিজ্য ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে ছিল।

    অন্যদিকে, চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আফগানিস্তানর সঙ্গে ট্রানজিট ট্রেড বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে জিও নিউজ। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে, পাকিস্তানের ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউ (এফবিআর) এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সব বন্দর টার্মিনালে যানবাহনে বোঝাই কন্টেইনারগুলোর খালাস প্রক্রিয়া দ্রুত চালানো হয়েছে।

  • হুতির সামরিক প্রধান আল-ঘামারি নিহত, ইসরায়েল দায়িত্ব স্বীকার

    হুতির সামরিক প্রধান আল-ঘামারি নিহত, ইসরায়েল দায়িত্ব স্বীকার

    ইয়েমেনের শীর্ষ সামরিক নেতা ও হুথি বিদ্রোহীদের চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ আবদুল করিম আল-ঘামারি ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। উল্লেখ্য, এই হামলায় তার কিশোর ছেলে ও বিভিন্ন সহকারীরাও নিহত হয়েছেন। হুথিরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল-ঘামারি হামলার শিকার হয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মকা‌ন্ডের মাঝেই প্রাণ হারান। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, হুথিদের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েল এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘আল-ঘামারি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। ভবিষ্যতেও কোনো হুমকি দেখা দিলে আমরা একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেব।’ হুথিরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। তারা বলেছেন, ‘ইসরায়েল তার অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি পাবে।’ গত আগস্ট মাসে ইসরায়েল জানিয়েছিল, তারা ইয়েমেনের রাজধানী সানায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় আল-ঘামারি ও হুথি সরকারের আরও কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লক্ষ্যবস্তু হয়েছিলেন। এই আঘাতে হুথি-শাসিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন। আল-ঘামারি নিহত হওয়ার খবর এসেছে গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান ষষ্ঠ দিনে ‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালীন সময়। এই যুদ্ধবিরতি দীর্ঘ দুই বছরের সর্বশেষ বিরতিতে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে প্রায় ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানে গণহত্যার অভিযোগ তুলেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইয়েমেনের হুথিরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, দাবি করে যে এই হামলাগুলো ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শনের অংশ। লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোও লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে তাদের আক্রমণের শিকার। এই হামলার প্রতিশোধে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই অঞ্চলে হুথিদের অবস্থানে বেশ কয়েকটি বিমান হামলা চালিয়েছে। আল-ঘামারির মৃত্যুর পর হুথিরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের ‘নৃশংস’ হামলা সত্ত্বেও ইয়েমেনের জনগণ ধৈর্য্য ও শক্তির সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। তারা দাবি করেছে, আল-ঘামারির নেতৃত্বে ইয়েমেনের সেনা ও নৌবাহিনী মোট ৭৫৮টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যেখানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ ১৮৩৫টি অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। হুথি নেতা আবদেল-মালিক আল-হুতি বলেন, গাজার সমর্থনে রাজনীতিক ও সামরিক অভিযানে আল-ঘামারির ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। এটি আমাদের প্রতিরোধের প্রতিফলন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলিস্তিনের জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টার মধ্যেও ইয়েমেন প্রতিবন্ধকতা চালিয়ে যাচ্ছে। আল-ঘামারির মৃত্যুর পরেও আমাদের নেতৃত্ব ও সেনারা এই পथ অব্যাহত রাখবে।’গত সপ্তাহে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর হুথিরা বলেছিল, তারা এই বিরতির শর্ত মানছে। তবে যদি ইসরায়েল চুক্তি অমান্য করে, তাহলে তারা আবার গাজায় সমর্থন পুনরায় চালু করবে।

  • পেরুতে জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল, পুলিশি সহিংসতায় একজন নিহত

    পেরুতে জেন-জি বিক্ষোভে উত্তাল, পুলিশি সহিংসতায় একজন নিহত

    পেরুর রাজধানী লিমায় আবারও জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা এখন গভীর উত্তেজনায় পরিণত হয়েছে। বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৩২ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত হয়েছেন, এবং অনেকে আহত হয়েছেন। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের এই উত্থান ঘটেছে অনলাইন প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের অনুযায়ী।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটছে যখন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিনা বোলোয়ার্তের অভিশংসনের এক সপ্তাহের কম সময়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোসে জেরি শপথ গ্রহণ করেছেন। তরুণ প্রজন্মের মূল চালিকা শক্তি এই আন্দোলনে তারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধেঁ innovations, যা দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন।

    তরুণরা প্রধানত দেশটির নেতাদের বিরুদ্ধে উচ্চমাত্রার দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সম্প্রতি চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা বলছেন সরকারি ব্যর্থতার জন্য এই অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারকে আরও কঠোর হতে এবং এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানিয়েছে। এ ধরনের ব্যর্থতার জন্য তারা নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জেরিকে দায়ী করছেন এবং তার পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। তাদের বিশ্বাস, ক্ষমতা যেন নতুন কারো হাতে যায়।

    নিহত ব্যক্তি হলেন, ৩২ বছর বয়সী হিপ-হপ শিল্পী এদুয়ার্দো রুইজ সায়েঞ্জ। প্রেসিডেন্ট জেরি তার মৃত্যুর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন, যদিও এই ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, বিক্ষোভে অনুপ্রবেশকারী কিছু মানুষ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তিনি এ বিষয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন।

    অপরদিকে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের বামপন্থী সদস্য রুথ লু বলেছেন, ধারণা করা হচ্ছে সায়েঞ্জকে গুলিতে হত্যা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, তারা দেখেছেন একজন পোশাক সাধারণ পুলিশ অফিসার সায়েঞ্জের উপর গুলি চালায়।

    প্রেসিডেন্ট জেরি রক্ষণশীল সোমোস পেরু দলের নেতা হিসেবে গত শুক্রবার শপথ নিয়েছেন, যা তিনি বোলোয়ার্তের অভিশংসনের পর গ্রহণ করেন। জেরি বর্তমানে পার্লামেন্টের প্রধান হিসেবেও দায়িত্বে আছেন। তবে, তার শপথের কয়েক দিন পর থেকেই দেশের নানা প্রান্তে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের মিছিল চলছে। প্রতিবাদকারীরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বোলোয়ার্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত চলাকালে তিনি দেশেই অবস্থান করছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্য রপ্তানিতে বিশাল ধস

    যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্য রপ্তানিতে বিশাল ধস

    ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক আরোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় বাজার, তাই এই পতন অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের রপ্তানি হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ কম, যা গত চার মাসে মোট ৪০ শতাংশ পতনের সংকেত দেয়। ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন এই উচ্চ শুল্কের মধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক শাস্তিমূলক হিসেবে আরোপ করা হয়েছে, যা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধের জন্য হওয়া অব্যাহত ব্যবস্থার অংশ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানি বন্ধের জন্য ভারতকে শাস্তি দিয়েছেন, যা ভারতের উপর চাপ তৈরি করেছে। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের (জিটিআরআই) সহপ্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘শুল্ক বৃদ্ধি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাজারে পরিণত হয়েছে।’ তথ্য অনুসারে, ভারতের শ্রমনির্ভর খাত যেমন বস্ত্র, রতœ ও গয়না, প্রকৌশল পণ্য এবং রাসায়নিক খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি ছিল ৮.৮ বিলিয়ন ডলার, যা সেপ্টেম্বর মাসে কমে ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই চার মাসের মধ্যে রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে কমছে। এর ফলে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে সেপ্টেম্বরে ৩২.১৫ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি এই ঘাটতি কিছুটা কমিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র নতুন বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যা আগামী মাসে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারিত। ভারতীয় একটি প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে এই বিষয়ে আলোচনায় যুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার (১৫ অক্টোবর) ট্রাম্প জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধে সম্মত হয়েছেন। তবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ আলোচনা অস্বীকার করে জানিয়েছে, এই বিষয়টি নিয়ে কোনও ফোনালাপ হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এখনও চলমান রয়েছে এবং তারা ভারতীয় জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে উৎসাহিত। তবে কৃষি ও দুগ্ধ খাতে প্রবেশাধিকার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভেদ রয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের কৃষি বাজারে প্রবেশাধিকার চাইলেও, ভারত খাদ্য নিরাপত্তা ও ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থের কারণে তা স্বীকার করছে না। ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল ১৯০ বিলিয়ন ডলার; যা ট্রাম্প ও মোদি যৌথভাবে ৫০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখতেন। তবে সাম্প্রতিক শুল্ক বৃদ্ধি এই লক্ষ্যের অর্জনকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।