Month: September 2025

  • ভারত জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য হারাতে চায়

    ভারত জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য হারাতে চায়

    বৈশ্বিক জাহাজ ভাঙা শিল্পে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখার লড়াইয়ে এগিয়ে এসেছে ভারত। বাংলাদেশকে এই খাতে আমাদের বৃহৎ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনে করে ভারতের সরকার সম্প্রতি এক নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করছে, যা দেশের বাজার দখলে আরও শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানের কাছ থেকেও বাজারের অংশ ফিরে পেতে ভারতের এই উদ্যোগ বিশেষ লক্ষ্যপূরণে সহায়ক হবে। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে সারা দশ বছর ধরে দেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে দারুণ বিপ্লব আনার জন্য বিপুল অঙ্কের প্রণোদনা দেওয়া হবে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারত তাদের জাহাজ ভাঙার খাতের অবকাঠামো ও ব্যবসা আরও তরতাজা করতে প্রায় ৪০ বিলিয়ন বা চার হাজার কোটি রুপি অর্থ সাহায্য ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কাছ থেকে বাজারের দখল ফিরিয়ে আনতে চাইছে বলে সূত্রগুলি জানিয়েছে।

    প্রস্তাবিত এই প্রণোদনা ২০২৬ সাল থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী দশ বছর অব্যাহত থাকবে, এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভা চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই প্রস্তাবে অনুমোদন দিতে পারে।

    প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায়, জাহাজ মালিকরা যদি পুরোনো জাহাজ ভারতে নিয়ে আসেন, তবে স্ক্র্যাপ মূল্যের প্রায় ৪০ শতাংশের সমপরিমাণ ক্রেডিট নোট পাবেন। এই নোট তিন বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে এবং মালিকরা ভারতে নির্মিত নতুন জাহাজ কিনতেও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। একাধিক নোট একসাথে ব্যবহার বা বিক্রির সুবিধাও থাকছে।

    এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভারতের জাহাজ পুনর্ব্যবহার খাতে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করা। সরকারী তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী ভাঙা জাহাজের এক-তৃতীয়াংশ ভারত থেকে এসেছে, যেখানে বাংলাদেশ এককভাবে ৪৬ শতাংশ দখল করে রেখেছে।

    তবে, ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

    এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত আলাং শিপইয়ার্ড বিশ্বে সবচেয়ে বড় জাহাজ ভাঙার কেন্দ্র। এই শিপইয়ার্ড থেকে ভারতের জাহাজ ভাঙার মোট ব্যবসার ৯৮ শতাংশ আসে। তবে, সস্তা শ্রম ও পর্যাপ্ত শ্রমশক্তির কারণে প্রতিবেশী দেশগুলো—বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান—এই বাজারের বড় অংশ দখল করে নিয়েছে।

    কিন্তু সম্প্রতি এই খাতটি কিছুটা ঘুরে দাড়ানোর পথে। রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে তেল ট্যাঙ্কার ভাঙার কাজ কমে গিয়েছিল, তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও পরিবর্তিত জাহাজ রুটের কারণে ভাড়া বাড়ছে। এর ফলে মালিকরা পুরোনো জাহাজের জীবনকাল দীর্ঘায়িত করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

    সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা সরিয়ে আনতে ভারতের পূর্ব উপকূলে নতুন জাহাজ ভাঙার কল, বা ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনাও চলছে।

    এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এই মাসে ২৫০ বিলিয়ন রুপি সমপরিমাণ সমুদ্রসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন তহবিল অনুমোদন করতে যাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় জাহাজ নির্মাণে উৎসাহ দেওয়া ও বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো। এই তহবিলটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শেষ হওয়া বাজেটবর্ষের জন্য নির্ধারিত, যা দেশের সমুদ্রশিল্পের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

  • গাজায় ৬ বছর বয়সী জমজ শিশুসহ নিহত আরও ৫১ ফিলিস্তিনি

    গাজায় ৬ বছর বয়সী জমজ শিশুসহ নিহত আরও ৫১ ফিলিস্তিনি

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অঞ্চলেটি এখন পুরোপুরি যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গাজা সিটি, যা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নগরী, ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার ফলে মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরটিতে চালানো তুমুল বোমাবর্ষণে কমপক্ষে ৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ছয় বছর বয়সী জমজ শিশু ও একজন সাংবাদিক রয়েছেন। এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসরায়েল গাজা সিটিতে চালানো বিশাল আকাশপথীয় হামলায় আল-ঘাফরি হাইরাইজ ভবন সহ অনেক বহুতল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। এই তীব্র হামলার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শহর থেকে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

    জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক মানবাধিকার র‌্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা আলবানিজে অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল অপ্রচলিত অস্ত্রের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উৎখাত করার চেষ্টা করছে।

    আর এক টেলিভিশন রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গাজা সিটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ইসরায়েলের চালানো ‘অস্বাভাবিক তীব্র’ হামলার কারণে বিভিন্ন বড় ভবন ধ্বংসের শিকার হয়েছে। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহে অন্তত ৫০টি বহুতল ভবন ধসে গেছে। শহরের অন্যান্য এলাকা, বিশেষ করে জায়তুন, আগস্টের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১,৫০০’র বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে।

    ইসরায়েলের চোখে গাজা এখন ধ্বংসের ইতিহাস। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করে বলছে, ‘সন্ত্রাসের টাওয়ারগুলো সমুদ্রে ভেঙে পড়েছে,’ তবে হামাসের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছাড়া এই মন্তব্য করা হয়েছে।

    অভ্যুত্থান, স্কুল, হাসপাতালসহ বহু আবাসিক এলাকা নানা গোলাগুলির অজুহাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র গাজা সিটিতেই নিহতের সংখ্যা ৫১, যার মধ্যে ৬ বছর বয়সী জমজ শিশু রয়েছে।

    এছাড়াও, এই হামলায় তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন—নাসর এলাকায় রিপোর্টার মোহাম্মদ আল-কুইফি, ফটোগ্রাফার ও সম্প্রচার প্রকৌশলী আইমান হানিয়ে এবং ইমান আল-জামিলি। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৮০-এ পৌঁছেছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৪ হাজার ৯০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯২৬ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অগণিত মরদেহ চাপা পড়েছে, যা ভবিষ্যত গবেষণা ও তদন্তের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

  • গণবিক্ষোভের ভয়: মোদি সরকারের ১৯৭৪-পরে আন্দোলন নিয়ে গবেষণা নির্দেশ

    গণবিক্ষোভের ভয়: মোদি সরকারের ১৯৭৪-পরে আন্দোলন নিয়ে গবেষণা নির্দেশ

    দক্ষিণ এশিয়ার শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালে তরুণ নেতৃত্বে ব্যাপক গণবিক্ষোভের কারণে সরকার পতনের ঘটনাগুলি বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ভারতের জন্যও এই আন্দোলনগুলো উদ্বেগজনক, যেখানে নেতাদের ধারণা, এগুলি ভবিষ্যতে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দেশটির ইতিহাসে ১৯৭৪ সালের পর থেকে সংগঠিত সকল ধরনের আন্দোলনের কারণ, কার্যকারণ ও গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণের জন্য একটি গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো ‘স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ব্যাপক আন্দোলন’ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এজন্য বিপিআরঅ্যান্ডডি, অর্থাৎ ভারতের পুলিশ গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরোকে একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘকালীন আন্দোলনের কারণ, অর্থনৈতিক প্রভাব, ফলাফল এবং পেছনের সংঠিত গোষ্ঠীর কার্যকলাপ খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করা হবে।

    অগাস্টে নয়াদিল্লিতে একটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে এই নির্দেশনা দেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি বলেন, স্মার্ট অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে আন্দোলনের প্রকৃতি বোঝার পাশাপাশি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলো বিশ্লেষণ করে বড় ধরনের আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে। এই জন্য তিনি বিপিআরঅ্যান্ডডিকে সব আন্দোলনের নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করতে বলেছেন।

    শাহ ভারতের পুলিশ, তদন্ত সংস্থা এবং আর্থিক জোট—যেমন এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি), এফআইইউ (অর্থনৈতিক তদন্ত সংস্থা) ও সিবিডিটি (সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস)-র সঙ্গে সমন্বয় করে এই গবেষণা পরিচালিত করবে। এর পাশাপাশি, সন্ত্রাসী অর্থায়ন রোধ, আন্তর্জাতিক জালিয়াতি বিরোধী ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় সমাবেশের মাধ্যমে সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্যও এসওপি তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও, অমিত শাহ রাজ্য পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থা—যেমন এনআইএ, বিএসএফ এবং এনসিবি—কে আলাদা কৌশল ও পরিকল্পনা তৈরি করে চলমান সংকট মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে, পাঞ্জাব ও খালিস্তান সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নজরদারি বাড়ানোর জন্য এই সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনা থাকছে। এর মধ্যে রয়েছে অপরাধ সংগঠনের নেটওয়ার্ক ভাঙা, অপরাধীদের স্থানান্তর ও নজরদারি বাড়ানো, যাতে দেশি-বিদেশি সকল চক্রান্ত দ্রুত নজরে আসে ও প্রতিহত করা যায়।

  • ইসরায়েল এখন একান্ত বিচ্ছিন্নতার মুখে: নেতানিয়াহুর স্বীকারোক্তি

    ইসরায়েল এখন একান্ত বিচ্ছিন্নতার মুখে: নেতানিয়াহুর স্বীকারোক্তি

    গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে অব্যাহত থাকা নির্বিচার আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হয়েছে। ইসলামি প্রতিবাদের কঠোর মুখে পড়ে ধাক্কা খেয়েছে সেই অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্তর। তবে এই সমস্যা নিয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তিনি জানিয়ছেন যে, এই বিচ্ছিন্নতা পরিস্থিতি হয়তো কয়েক বছর অব্যাহত থাকবে। এমতাবস্থায় ইসরায়েলের একমাত্র সমাধান হলো নিজের দেশকেই রক্ষায় একা থাকাই।

  • ক্যাম্পাসে সহিংসতা: ভারতের কাছ থেকে ৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে

    ক্যাম্পাসে সহিংসতা: ভারতের কাছ থেকে ৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে

    শিক্ষাক্ষেত্রে সহিংসতার অভিযোগে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের শিলচর শহর থেকে পাঁচ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষার্থীরা শিলচর শহরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এনআইটি) অধ্যয়ন করছিলেন।

    তারা কনসিল অব কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) এর অধীনে বৃত্তির আওতায় এনআইটিতে ভর্তি হয়েছেন। এই পাঁচজনই সম্মান (অনার্স) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    শিলচর এনআইটির সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের মধ্যে এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে অংশ নেন এই পাঁচ শিক্ষার্থী, যারা রড, ছুরি ও স্ক্রু ড্রাইভার जैसी ধারালো অস্ত্র দিয়ে চতুর্থ বা শেষ বর্ষের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্য থেকে অন্তত দুজনের অবস্থা সংকটজনক।

    আহত শিক্ষার্থীদের শিলচর মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল (এসএমসিএইচ)-এ ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলার সময় এই পাঁচ শিক্ষার্থী মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।

    এনআইটি শিলচর কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রথমিক তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এই পাঁচ শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টার বা এক বছর ক্যাম্পাসে থাকতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পেট্রোৎসাহে তারা ক্যাম্পাসের হোস্টেল ত্যাগ করে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তাদের জন্য আরও কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে, এই এক বছর তারা ভারতে থাকতে না পারার জন্য দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানান।

  • রাষ্ট্রে ইসলাম চালু থাকলে সকলের নিরাপদে জীবন উন্নত হবে: গোলাম পরওয়ার

    রাষ্ট্রে ইসলাম চালু থাকলে সকলের নিরাপদে জীবন উন্নত হবে: গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আমাদের দেশের ছোট্ট এই ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের, বর্ণের এবং পেশার মানুষের বসবাস। এই দেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সবাই পরস্পরের সাথে মিলেমিশে থাকে। তারা একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত কিছু মানুষ এক ধর্মের versus অন্য ধর্মের মধ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য বিভ্রান্তিকর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টায় লিপ্ত। আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে একসাথে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা একটি ইসলামী কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়তে চাই যেখানে রাষ্ট্রে ইসলাম কার্যকর থাকলে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। যদি শাসকের মনে ইসলাম, কুরআন ও হাদিসের গভীর জ্ঞান থাকে, তাহলে সে কখনো অন্যের উপর অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন বা শোষণ করতে পারে না। এজন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই দেশকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারবদ্ধ।

  • সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ

    সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: তিন মাসে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ

    সাতক্ষীরায় বিজিবি সদস্যরা গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দের জন্য একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে মোট ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০৩ রাউন্ড বিভিন্ন অস্ত্রের গোলাবারুদ, পাশাপাশি মর্টার শেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, ম্যাগজিনসহ আরও ২৭টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সীমান্তের পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে অবৈধভাবে অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ সময় কয়েকজন অস্ত্র ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারী আটকও করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান বন্ধ করতেই সাতক্ষীরায় ৩৩ ব্যাটালিয়নের আওতায় সদর ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই চারিত্র্য আরও জোরদার করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৬টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, ২টি রিভলভার, ২টি এসএমজি, ৫টি রাইফেল, ১৬টি দেশীয় বন্দুক, ৩টি শর্টগান, ৩টি মর্টার শেল, ৮টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২৭টি অন্যান্য অস্ত্র, ২১টি ম্যাগাজিন এবং ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।

    সাতক্ষীরায় বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘সম্প্রতি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে কিছু অসাধু চক্র দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্ষুণ্ণ করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর ফলে সীমান্তে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, সীমান্ত পথে অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধে সবাইকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য এবং তথ্য দেওয়ার জন্য টোল ফ্রি নম্বর ০১৭৬৯৬০০৫৫৫ এ সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত তিন মাসে বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০৩ রাউন্ড গোলাবারুদ, মর্টার শেল ও হ্যান্ড গ্রেনেডসহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করে বিজিবি। এই কার্যক্রম অব্যাহত রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাওয়া চক্রের মুখোশ উন্মোচন ও তাদের হাত থেকে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • এক বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

    এক বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ১৩ হাজার ৭৪২ টন দেশীয় মাছ রপ্তানি হয়েছে। এর মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৪৭০ কোটি ৬১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এই রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার ৪৫০ টন। এই বছর বিদেশে মাছের রপ্তানি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার শেষ নেই, çünkü ভোগান্তি কমে আসলে ভবিষ্যতেও এ রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন তারা। মৎস্য কর্মকর্তারা সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, যেখানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। তাদের চাহিদা অনুযায়ী বছরে প্রয়োজনীয় মাছের পরিমাণ ৪৮ লাখ টন, কিন্তু বর্তমানে মাছের উৎপাদন হয় প্রায় ৫০ লাখ ১৮ হাজার টন। ফলে চাহিদার সাথে উৎপাদনের সামঞ্জস্য থাকায় বাংলাদেশ আরও বেশি মাছ বিদেশে রপ্তানি করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি মূল্য পৌঁছেছে প্রায় ৫৫ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪২ টন মাছ।

    উল্লেখ্য, গত বছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ রপ্তানি হয়েছিল ৮,২৯২ টন, যার মাধ্যমে প্রাপ্ত বিদেশি মুদ্রার পরিমাণ ছিল দুই কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ৩১২ কোটি ৫১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৩ টাকা। তবে এই বছরের তুলনায় রপ্তানি বাড়ার ফলে অর্থনীতি লাভবান হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ছয় হাজার ৪৫০ টন, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণও বৃদ্ধি পেয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার।

    বিজনেসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামনের দিনগুলোতে মাছের রপ্তানিতে আরো সুবিধা হলে রপ্তানি আরও বাড়বে। তবে এ জন্য প্রয়োজন পণ্য সরবরাহের দ্রুততা ও কাগজপত্রের সহজ মেলবন্ধন। বর্তমানে অনেক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ৮৫ কিলোমিটার দূরে খুলনা যেতে হয়, যা পচনশীল মাছের দ্রুত সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, যদি রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য খুলনা থেকে সব কিছু বেনাপোলে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে রপ্তানি বেড়ে যাবে।

    বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, খুলনা থেকে রপ্তানির জন্য লাইসেন্স ও অনুমোদন নিতে নানা বিড়ম্বনা হয়, যা রপ্তানির জন্য বির sakkar। যদি এই কাজগুলো বেনাপোলে করা হয়, তবে ব্যবসায়ীরা আরও আগ্রহী হয়ে উঠবেন। এক্ষেত্রে বৈধ সুবিধা নিশ্চিত হলে বিদেশে রপ্তানি আরও বেশি হবে।

    অন্যদিকে, বেনাপোল ফিস কোয়ারেন্টাইন অফিসের কর্মকর্তা আস-ওয়াদুল উল্লেখ করেন, গত বছরে তুলনায় এই বছরের মাঝারি রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। মাছ রপ্তানির সুবিধা বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে। গত বছর বেনাপোল দিয়ে ভারতে রপ্তানির মধ্যে মিঠা পানির মাছের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ২১০ টন। একই সঙ্গে আসন্ন দুর্গাপূজার আগে ইলিশের রপ্তানি হয়েছে ৫৩২ টন।

  • বিশ্বকর্মা পূজার ছুটিতে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

    বিশ্বকর্মা পূজার ছুটিতে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

    ভারতে বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। তবে বন্দরের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, যেমন মালামাল খালাস এবং বোঝাই-উঠানামা সহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী চলাচল যথোপযুক্ত থাকবে এবং সাধারণ যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যেতে পারবেন।

    বলেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে। তিনি আরও জানান, দেশে ও ওপারে ট্রাক চালকদের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বকর্মা পূজার সরকারি ছুটি থাকায় ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায়, আগামী বুধবারের জন্য ভারতে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে পুনরায় এ কার্যক্রম সচল হয়ে যাবে।

    প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় ৩৫০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়, যার মধ্যে ভারতের থেকে আসে প্রায় ৭০-৮০ ট্রাক পণ্য। এ আমদানির মাধ্যমে সরকার দৈনিক প্রায় ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করে।

    বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াছ হোসেন মুন্সী জানান, বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্ট যাত্রাদের জন্য চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজার ছুটির কারণে ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে বন্দরের অন্যান্য কার্যক্রম চালু থাকবে। তিনি আরও জানান, বন্ধের সময় ভারতীয় ট্রাকগুলো ফিরে যেতে পারবে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্য পুনরায় শুরু হবে।

  • আওয়ামী লীগ খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি ধ্বংস করেছে: এড. মনা

    আওয়ামী লীগ খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি ধ্বংস করেছে: এড. মনা

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, গত ১৫ বছরে খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি খাত ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। এই রপ্তানির মাধ্যমে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের দ্বিতীয় বৃহৎ অংশ আসে, যা এখন ধুলির মতো মিশে গেছে সরকারের অবহেলা ও অবসানহীন সমস্যা কারণে। ফলে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাদা সোনার মতো পরিচিত এ রপ্তানির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ক্ষয়প্রাপ্ত hall। যদি ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় আসে, আগামীতে তিনি জানিয়েছেন, খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিকে পরিবেশ-বান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করে সচল করে তোলা হবে।

    গতকাল সোমবার নতুন বাজার মৎস্য ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথির বক্তৃতা করে এড. শফিকুল আলম মনা এসব কথা বলেন। তিনি মৃত মৎস্য ব্যবসায়ীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এটা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার গত ১৫ বছরে এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের বিকাশের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

    আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিরাজুর রহমান মিরাজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মিন্টু কাজী, ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস. এম. নুরুল আলম দিপু ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান জুয়েল, মফিজুল সরদার, কামাল হোসেন, মনজুর শাহিন রুবেল, নাইম হাসান হাসিব, মোঃ শহিদুল ইসলাম, শাহারুজ্জামান মুকুল, আলী আকবর, নজরুল ইসলাম নান্না, মোঃ বাদশা, মোঃ মহরাম, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনি, এবাদুল ইসলাম জহির শেখ, সাইফুল ইসলাম, মোঃ রানাসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।