Month: September 2025

  • বিএনপি সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করেনা: মন্টু

    বিএনপি সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করেনা: মন্টু

    খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো: মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, বিএনপি কখনোই সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সব নাগরিকই জন্মসূত্রে বাংলাদেশেরই নাগরিক, যা আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন। বিএনপি উদার ও গণতান্ত্রিক আদর্শে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকায়, বিশ্বাস করে যে দেশের উদার চেতনা এবং সকল সম্প্রদায়ের মিলিত শক্তিই জাতি গঠনের মূল স্তম্ভ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গোৎসবের নির্বিঘ্ন আয়োজন ও সফলতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান বিষয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বললেন।

    মনিরুজ্জামান মন্টু আরও বলেন, একটি রাজনৈতিক দল কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করতে পারে না, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে গ্রহণ করেনি। এরপরও কিছু অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মভিত্তিক রাজনীতির আড়ালে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ জন্য সকলের সচেতন হওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করে, আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি’র নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্যাপন কমিটি এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের যথাযোগ্য দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি। সভায় অন্যান্য বক্তারা include করেন জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মো: খায়রুল ইসলাম, তৈয়েবুর রহমান, এস এম শামীম কবীর, গাজী তফসীর আহমেদ ও জিএম কামরুজ্জামান টুকু। জেলা বিএনপি’র সদস্যরা ছিলেন মলিক আব্দুস সালাম, সুলতান মাহামুদ, জিএম রফিকুল হাসান, আশরাফুল ইসলাম নূর ও মো: রিয়াজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

  • খুলনায় পরিচ্ছন্ন পরিবেশের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিনোদন ও উন্নয়ন

    খুলনায় পরিচ্ছন্ন পরিবেশের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিনোদন ও উন্নয়ন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার বলেছেন, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ বিনোদনের জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবেশ রক্ষা করে একটি স্বচ্ছ, প্রাণবন্ত নগরী গড়ে তুললে মানে শুধু পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে না, পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ট্রলার চালকদের আয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে। তিনি এ কথা বলেন মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর ৭নং ঘাট এলাকায় প্লাস্টিক দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) যৌথভাবে, ‘সাসটেইন্যাবল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং টু রিডিউস ইরিভার্সিবল পলুশন’ (এসসিআইপি) প্রকল্পের আওতায়। পুলিশি উদ্যোগে এই ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং পরিবেশের প্রতি সচেতনতা জোরদার করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    কেসিসি প্রশাসক উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, ট্রলার চালকদের পরিবেশের জন্য সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত বিদ্যুতের অপচয়, প্লাস্টিকের সঠিক ব্যবহার এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ফেলা। যদি এলাকাবাসী এই বিষয়গুলোয় সচেতন হন, তাহলে নগরীর পরিবেশের উন্নতি ত্বরান্বিত হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়েটের প্রফেসর ড. কাজী হামিদুল বারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার,সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও সচেতন সংগঠনের সদস্যরা। এড. মাসুম বিল্লাহ, শেখ ইনজামামুল হকসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার বলেন, বর্জ্য সংরক্ষণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিন সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দেন, প্রতিদিন একটি ভ্যানের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে এবং যদি বিনের যথাযথ ব্যবহার না হয় বা অব্যবহৃত থাকে, তাহলে তার বিরোধী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, তিনি বলেন, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কার্যকলাপের खिलाफ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সবাইকে পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

  • দুর্গাপূজার জন্য প্রথম চালানে ৩৭ টন ইলিশ ভারতে রফতানি

    দুর্গাপূজার জন্য প্রথম চালানে ৩৭ টন ইলিশ ভারতে রফতানি

    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ৩৭ টন ৪৬০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে এই প্রথম চালানে ইলিশের ট্রাকগুলো পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বন্দর সূত্রে জানা যায়, কলকাতার পাঁচটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই প্রথম ইলিশ আমদানি করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ন্যশনাল ট্রেডিং, এফএনএস ফিশ, জয় শান্তসী, মা ইন্টারন্যাশনাল এবং আর জে ইন্টারন্যাশনাল। ইলিশের এই চালানটি ভারতীয় বাজারে পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে ছয়টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এই প্রথম ইলিশের রপ্তানি করে ৩৭ টন ৪৬০ কেজি ইলিশ ভারতের কাছে তুলে দিয়েছে। এ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সততা ফিশ, স্বর্ণালি এন্টারপ্রাইজ, তানিশা এন্টারপ্রাইজ, বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, ও লাকী ট্রেডিং।

    উল্লেখ্য, আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য বাংলাদেশের সরকার ভারতের জন্য মোট ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতিপত্রের অধীনে ৩৭টি প্রতিষ্ঠান ইলিশ রপ্তানি করতে পারবে। এর মধ্যে একটিকে ৫০ টন, ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ টন করে ৭৫০ টন, ৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ টন করে ৩৬০ টন এবং দুইটি প্রতিষ্ঠানে ২০টন করে মোট ৪০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বেনাপোল মৎস্য কোয়ারেন্টাইন অফিসার সজীব সাহা জানিয়েছেন, এই বছর দুর্গাপূজার জন্য সরকার ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে এই ইলিশ রপ্তানি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। প্রত্যেকটি ইলিশের ওজন আনুমানিক ১ কেজি ২০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজির মধ্যে। ইলিশের প্রতি কেজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২.৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫০০ টাকা।

  • ঝিনাইদহে ক্ষতিগ্রস্তদের জমির ন্যায্য মূল্য দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

    ঝিনাইদহে ক্ষতিগ্রস্তদের জমির ন্যায্য মূল্য দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

    বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ডে এক মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের ন্যায্য মূল্য দাবি করেন। এই কর্মসূচি ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের ৬ লেনে উন্নীতকরণের সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সমস্যাগুলো তুলে ধরতেই আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে অংশ গ্রহন করেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে মৌজা মূল্য নির্ধারণে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের সাথে আলোচনা হয়নি। বর্তমানে যে দাম ধার্য করা হচ্ছে, তার সাথে জমির প্রকৃত মূল্য মারাত্মকভাবে অসংলগ্ন। যেমন, কোনও জমির মূল্য প্রতি শতাংশের জন্য ধার্য করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা, অথচ দিতে হচ্ছে মাত্র ২ লাখ টাকা। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিপূরণও শুধু আংশিক দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। ফলে জমির মালিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের ন্যায্য পাওনা না পাওয়ার জন্য অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর তারা ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করেন, যার কারণে ঝিনাইদহ থেকে যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাগামী সকল যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা সড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। তারা বৃহৎ কর্মসূচির ঘোষণা করে জোরালোভাবে দাবি জানান, যাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হয়।

  • খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বাড়ির সামনে বিস্ফোরণে নিন্দা ও প্রতিবাদ

    খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের বাড়ির সামনে বিস্ফোরণে নিন্দা ও প্রতিবাদ

    খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আবু হোসেন বাবুর বাড়ির সামনে ঘটেছে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ, যা এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপসার আইচগাতী এলাকায় নিজ বাড়ীর সামনে দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে এতটাই শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। তবে glücklicherweise কেউ গুরুতর আহত হননি।

    ঘটনাটি দেখে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তারা দ্রুত এই ঘটনা ঘটানোর জন্য সংযত ও জোড়ালো অভিযান চালানোর জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, জেলা আhaবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং জেলা সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্য।

    প্রসঙ্গত, শেখ আবু হোসেন বাবু সম্প্রতি স্টোকজনিত কারণে দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে দেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বিস্ফোরণের সময় তিনি স্বপরিবারে বাড়িতেই ছিলেন। সৌভাগ্যক্রমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি, তবে এই ঘটনা এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। বিএনপি নেতারা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত স্পষ্ট তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • শর্তসাপেক্ষে ভারতে ১২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয় সরকার

    শর্তসাপেক্ষে ভারতে ১২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয় সরকার

    আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার শর্তসাপেক্ষে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভারতে মোট ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি-২ শাখার উপসচিব এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছের রফতানি অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যা ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অনুমোদিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান হলো ৩৭টি, এবং রফতানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ১,২০০ মেট্রিক টন।

    তবে, এই রফতানি সফলভাবে সম্পন্ন করতে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে, যেমন রফতানি নীতিমালা ২০২৪-২০২৭ অনুসরণ বাধ্যতামূলক, শুল্ক কর্তৃপক্ষের যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা থাকা, এবং পরবর্তী আবেদনের সময় পূর্ববর্তী অনুমোদিত রফতানির তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে হবে। এছাড়া অনুমোদিত পরিমাণের বেশি মাছ রফতানি করা যাবে না, এবং রফতানি কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শুল্ক ও ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে।

    অতিরিক্তভাবে, এই অনুমোদন হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত কোম্পানি নিজে রফতানি করতে পারবে, সাব-কন্ট্রাক্ট দিতে পারবে না। সরকার প্রয়োজনে এ রফতানি অনুমতিপত্র বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

    এদিকে, গত ৮ সেপ্টেম্বর সরকার দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইলিশের রফতানির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। আগ্রহী রফতানিকারকদের ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পর্কিত সব কাগজপত্র সহ হার্ড কপিতে আবেদন করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

    আবেদনকারীদের ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি, আয়কর ও ভ্যাট সার্টিফিকেট, বিক্রয় চুক্তিপত্র, এবং মৎস্য অধিদফতরের লাইসেন্স দাখিল করতে বলা হয়। প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১২.৫ মার্কিন ডলার।

    উল্লেখ্য, গত বছর দুর্গাপূজার সময় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ৩,০০০ মেট্রিক টন ইলিশের রফতানি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, যা পরে ২,৪২০ টনে হ্রাস পায়।

  • খেলাপি ঋণের পুনঃতফশিলা ও নতুন সুবিধা ঘোষণা

    খেলাপি ঋণের পুনঃতফশিলা ও নতুন সুবিধা ঘোষণা

    বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে বিভিন্ন শর্ত ও সুবিধার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের নিষ্পত্তির পথ একশো শতাংশ সহজ ও কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এখন ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিল, পুনর্গঠন করতে পারবে, যার ফলে ঋণগ্রাহকরা সহজে ঋণ নিয়মিত করতে পারবেন। শুধুমাত্র দুই শতাংশ ডাউনপেমেন্টের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়া যাবে, এর সাথে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড ও সংশ্লিষ্ট খাতের সাধারণ সুদের চেয়ে এক শতাংশ কম সুদ দেওয়া যাবে। ব্যাংকগুলো এই সুবিধাগুলো নিজ włas দায়িত্বে দিতে পারবে। প্রয়োজন হলে, ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন সংক্রান্ত আবেদনও করতে পারবে ব্যাংকগুলো। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বিশেষ অনুকুল পরিস্থিতিতে ঋণ পুনঃতফশিল ও পুনর্গঠন করে অঘোষিতভাবে খেলাপির পরিমাণ অনেক কম দেখানো হত। কিন্তু সরকার পতনের পর এখন এই পরিমাণ দুগুণের বেশি বেড়ে ৫ লাখ কোটি টাকার বেশি হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি, গত জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিশেষ কমিটি গঠন করে, যেখানে খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সুযোগ চালু হয়েছিল। এখন এই সুবিধাগুলো ব্যাংকগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হলো।

    নতুন সার্কুলারে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ব্রিমিত ঋণের হিসাব বিবেচনা করে ব্যাংকগুলো পুনঃতফশিলের জন্য আবেদন করতে পারবে, এবং এই আবেদনসমস্ত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে করতে হবে। আবেদনপত্রের ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। এছাড়াও, যদি দাখিলকৃত ডাউন পেমেন্ট ব্যাংকের মূলধন হয়, তবে তা নগদায়নের এক বছর পর থেকে গণনা শুরু হবে। বিশেষভাবে, একাধি তিন বা তার বেশি পুনঃতফশিলের ক্ষেত্রে আরো এক শতাংশ অতিরিক্ত ডাউনপেমেন্ট আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে নীতি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না, তবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অনুমোদন থাকা বাধ্যতামূলক। একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণের বিপরীতে এই সুবিধা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ঋণ মূল্যের ব্যাংক বা সম্মিলিত সিদ্ধান্তে বিষয়টি গ্রহণ করতে হবে। ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে যদি কোনো ব্যাংক নিজে সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, তবে তা ব্যাংকের বাছাই কমিটির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

    শ্রেণিকরণ ও প্রভিশন সম্পর্কিত নিয়ম অনুসারে, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণের জন্য সাধারণ প্রভিশন প্রয়োগ করতে হবে। প্রকৃত অর্থের আদায় ছাড়া ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর বা আয় স্থানান্তর অসুবিধা হবে না, তবে শর্তসাপেক্ষে সাধারণ প্রভিশনের জন্য স্থানান্তর করা যেতে পারে। একই সঙ্গে, অতীতের লেনদেন ও সার্বিক পরিস্থিতি দেখেই ঋণের সুবিধা দেওয়া হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য গত বছর খোলা এলসি বা বাকিতে আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারজনিত ক্ষতিগুলোকেও হিসাবের আওতায় আনা হবে। গ্রাহক চাইলে, পুনর্গঠন বা এককালীন এক্সিট সুবিধাও নিতে পারবে।

    অন্যদিকে, জাল-জালিয়াতি বা অন্য কোনো প্রতারণামূলক কাজে সৃষ্টি হওয়া ঋণে এই সুবিধা দেওয়া হবে না। ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যথাযথ ক্ষতি মূল্যায়ন ও প্রতিষ্ঠানের পুনরায় ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে পুনঃতফশিল বা পুনর্গঠন নিশ্চিত করা যেতে পারে।

    আদেশ অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের জন্য ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় স্পষ্ট কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে। সুবিধা দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে, ব্যাংক ও গ্রাহক একমত হয়ে চলমান মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া স্থগিতের ব্যবস্থা নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে। প্রয়োজনে, সুবিধা ভোগী গ্রাহক যদি শর্ত লঙ্ঘন করে, তবে তার সকল সুবিধা বাতিল করা হবে এবং ব্যাংক আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে।

  • স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    স্বর্ণের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠকের আগে ডলারের দাম দুর্বল হয়ে পড়ায় মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আবারও ইতিহাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই বৈঠকে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে স্পট স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ৩ হাজার ৬৯৬ ডলার ০২ সেন্টে পৌঁছায়, যা পূর্বের দিনের তুলনায় ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি। দিনের শুরুতে দাম ছিল ৩ হাজার ৬৯৭ ডলার ৭০ সেন্ট। যদিও বেশ কিছু অর্থনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, ২০২৬ সালে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলার অতিক্রম করার আগে এক দফা সংশোধন দেখা যেতে পারে। তারা এও বলছেন, ওয়াশিংটনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সপ্তাহে সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিতে পারে, যেটি স্বর্ণ বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। ইউবিএস বিশ্লেষক জিয়োভান্নি স্টাউনোভো বলেছেন, ডলারের দুর্বলতার পাশাপাশি, মার্কিন ফেডের এই সপ্তাহে সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারের প্রত্যাশা, বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুই দিনব্যাপী বৈঠকের ফলাফল হিসেবে ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা আধা শতাংশের হার কমানো হবে, কিঞ্চিৎ সম্ভবত ৫০ বেসিস পয়েন্টও হ্রাস পাবে। এর পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ফেডের চেয়ার জেরোম পাওয়েলকে আরও বড় করে সুদের হার কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সুইসকোট ব্যাংকিং গ্রুপের বিশ্লেষক কার্লো আলবার্তো দে কাসা বলেন, ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ফেডারেল রিজার্ভ আগামী বছরেও সুদের হার কমিয়ে যেতে থাকবে, যা স্বর্ণের বাজারে আরও সমর্থন যোগাচ্ছে। স্টাউনোভো মতে, ফেডের বিবৃতি প্রকাশের সময় বাজারে অস্থিরতা বাড়বে, বিশেষ করে যদি তারা হ্রাসের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে। তবে ট্রাম্পের প্রত্যাশায়, সামনে আসা মাসগুলোতে স্বর্ণের দাম আরও উঠবে বলেই তিনি মনে করেন।

  • পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, পরিচালনায় আসবে প্রশাসক

    পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, পরিচালনায় আসবে প্রশাসক

    সমস্যাগ্রস্ত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংককে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য চলতি সপ্তাহে একটি পাঁচ সদস্যের প্রশাসক টিম গঠন করা হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ বোর্ড সভার পর মুখপাত্র মোঃ আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। এর আগে, গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে এই সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য বোর্ড মেম্বাররা উপস্থিত ছিলেন।জনপ্রিয় ব্যাংক ও বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই একীভূতকরণে সব পক্ষের সম্মতি রয়েছে, এবং এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণীত ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ’ অনুসারে সম্পন্ন হবে।আরিফ হোসেন খান বলেন, মার্জার বা একীভূতকরণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যার সম্পন্ন করতে সময় লাগবে প্রায় দুই বছর। তবে এর প্রথম ধাপের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত, এবং খুব শিগগিরই প্রক্রিয়াটি দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে।এক্রিয়াটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পাঁচ সদস্যের একটি প্রশাসক টিম গঠন করা হবে, যা এই প্রক্রিয়ার পরিচালনা করবে। ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করবে বর্তমান ব্যবস্থাপনা দল, এবং প্রতিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাদের পদে অব্যাহত থাকবেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ার সময় ব্যাংকের পর্ষদ বা বোর্ড বিলুপ্ত হবে না, তবে তারা ধীরে ধীরে কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। প্রশাসকের দল তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং আপডেট বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাবে।আজকের বোর্ড সভায় আরও আলোচনা হয়েছে ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিন্যান্স, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার এবং খেলাপি ঋণের নিষ্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে।সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হবে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, যার নাম হবে ‘ইউনাইটেড ইসলামি ব্যাংক’। এই নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স ইস্যু করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন দিন ধরে এসব ব্যাংকের শুনানি শেষে, ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ইসলামি ও ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ একীভূত হওয়ার পক্ষে মত দেয়। কিন্তু সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে।প্রক্রিয়াটির অংশ হিসেবে, সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে মোট ২০ হাজার ২০০ কোটি টাকা মূলধন বরাদ্দ দিয়েছে, যা এই সংযোজনের অর্থায়নে সহায়ক হবে। এটি দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনে সহায়তা করবে।

  • পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’ কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে অর্থদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’ কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে অর্থদণ্ড ও জরিমানা

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কারসাজি করে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মোট ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে এই کارروকা বিভিন্ন ব্যক্তির এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা হয়েছে, যেখানে নিউ লাইন ক্লোথিংস লিমিটেডের শেয়ার কারসাজির জন্য চারজন ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান, এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সসহ কোম্পানির শেয়ার কারসাজির জন্য দুই ব্যক্তি দণ্ডিত হয়েছেন। কমিশনের ৯৭২তম সভা বুধবার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। সভা শেষে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিউ লাইন ক্লোথিংসের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সরকারকে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আবুল বাসারকে ৪ কোটি ২ লাখ টাকা, সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংকে ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মোঃ সেলিমকে ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং জামিলকে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই জরিমানার আদেশ ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে তাদের কার্যকলাপের জন্য জারি হয়। অন্যদিকে, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির জন্য এনআরবি ব্যাংকের তৎকালীন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোহাম্মাদ কামরুল হাসানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি পঞ্চাশ বছরের জন্য তার চাকরি এবং securities লেনদেনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, এই কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আদালত শেখ ফকরুল আহমেদকে ৩০ কোটি ৩২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এই অর্থদণ্ডও ২০২১ সালের ২৪ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হয়েছে। আরও এক অংশে, ফরচুন সুজ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেনে কারসাজির অভিযোগে নির্দিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, মোঃ আবুল খায়ের হিরু এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যারা এই কোম্পানির শেয়ার কারসাজিতে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই সব ঘটনাগুলোর মধ্যে ফিন্যান্স ও বাজারের স্বচ্ছতা ও সুরক্ষার জন্য বিএসইসির পদক্ষেপ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বলে জানানো হয়েছে।