Month: September 2025

  • ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসা ঠিক হয়নি: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসা ঠিক হয়নি: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ মনে করেন, ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসা ঠিক নয়। তার মতে, যদি তারা দায়িত্বে না থাকতেন, তাহলে তারা চাপ সৃষ্টি করা এক গ্রুপ হিসেবে থাকতেন। গত শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা’ অনুষ্ঠানের তৃতীয় সংলাপে তিনি এ মত প্রকাশ করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একজন ব্যক্তি একসঙ্গে সরকারের সদস্য ও বিরোধী দলের সদস্য হতে পারে না। তিনি প্রত্যক্ষ করেন, ছাত্র প্রতিনিধিরা যখন সরকারে গিয়েছিল, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, তারা রাষ্ট্র নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে না।

    তিনি আরও বলেন, আমি যদি তাদের সরকার থেকে সরে আসার দাবি জানাই, তবুও সেটি সম্ভব নয়; এই তাগিদ তাদের নিজেকে উপলব্ধি করতে হবে।

    জামায়াতের নেতাদের উদ্দেশ্যে সালাহউদ্দিন বলেন, পত্রিকায় দেখেছি, একজন নেতা বলেছেন, কে সরকারী দল হবে, আর কে বিরোধী দল। তাহলে কি এটা তাদের নিজের সিদ্ধান্ত, নাকি জনগণ ঠিক করবে? এত আত্মবিশ্বাস থাকলে কেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চায় না? নানা অজুহাতে কেন তারা নির্বাচনের কার্যক্রম ব্যাহত করতে চায়?

    তিনি আলোচনা ও আন্দোলনের সমন্বয়কে স্ববিরোধী বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, আলোচনার পাশাপাশি যদি আন্দোলন চালানো হয়, তাহলে সেটি স্ববিরোধীতা। জুনিয়র সনদের আইনি দিক বিবেচনায় আমরা আলোচনা করছি, এবং আমরা সত্যিই সমাধান চাই।

    নতুন কোনো সংকট সৃষ্টি এড়াতে ও ঐক্য ধরে রাখতে তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, কেউ কেউ নিজেদের দাবি জানাতে পারেন, কিন্তু সেটি জাতির ওপর চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। আমাদের উচিত পরস্পরের জবরদস্তি এড়ানো। যে পরিবর্তন আমরা চাই, সেটি রাতারাতি হবে না; আসুন, নতুন কোনো সংকট সৃষ্টি না করে জাতি একসঙ্গেই সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

    বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা বলে থাকেন, দেশের সর্বোচ্চ জটিলতা হলো, আমরা সবাই ডিগ্রি অর্জন করতে চাই। তবে উন্নত বিশ্বে, দ্বাদশ শ্রেণির পরে সবাই গ্রাজুয়েট নয়। গবেষণা করতে চাইলে, কেবল তারা যা গবেষণা চায়, তার জন্যই তারা মাস্টার্স করে।

  • হাসনাতের মন্তব্য: এনসিপির সব ব্যর্থতার জন্য দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার

    হাসনাতের মন্তব্য: এনসিপির সব ব্যর্থতার জন্য দায়ী অন্তর্বর্তী সরকার

    অন্তর্বর্তী সরকারের সব ব্যর্থতা এবং সীমাবদ্ধতার জন্য মূল দায়িত্ব নিতে হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)—এমনটাই মন্তব্য করেছেন দলের মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনসে আয়োজিত ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা’ শীর্ষক তৃতীয় সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    হাসনাত স্পষ্টভাবে বলেন, জনগণ এনসিপির কাছ থেকে নতুন পরিকল্পনা এবং পরিবর্তন প্রত্যাশা করেছিল। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েই তাদের পথচলা। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু মিডিয়া এবং সামরিক বাহিনীর একটি অংশ দেশের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে, যাদের সঙ্গে তারা দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছেন। তিনি বলেন, “আমরা সত্যের পক্ষে দাঁড়াই, মিথ্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই।”

    তাঁর অভিযোগ, মিডিয়ার ট্রায়াল এবং অপপ্রচার চালিয়ে এনসিপির নেতাদের চরিত্র হনন করার চেষ্টা করা হয়েছে। ৫ আগস্ট কক্সবাজার সফরে যাওয়ার সময়ও তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়—প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, তারা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এনসিপি মিডিয়ার বিরোধী নয়, তবে সংবাদে বস্তুনিষ্ঠতা চাই।

    হাসনাত এও বলেন, রাজনীতি এখন ব্যবসায়ীদের কাছে বন্দি হয়ে গেছে। তাঁরা মনে করেন, রাজনীতি আসলে রাজনৈতিক নেতাদেরই চালানো উচিত।

    অন্যদিকে, এনসিপির কিছু অর্জনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেছিলেন, ‘আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু তা স্বীকার করে নিয়ে আমরা তা ঠিক করার চেষ্টা করছি। ভুল হলে সেটি স্বীকার করি, এবং আপনাদের পরামর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে এগিয়ে যাব।’

  • বিএনপির সঙ্গে কারও মতপার্থক্য নেই, ভোটাধিকার ও নিরাপত্তা বিষয়ে একমত তারেক রহমান

    বিএনপির সঙ্গে কারও মতপার্থক্য নেই, ভোটাধিকার ও নিরাপত্তা বিষয়ে একমত তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৬ বছর ধরে পতিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ আন্দোলন চালিয়ে এসেছে এবং তাদের পতন ঘটিয়েছে। সেই স্বৈরাচারকে অবশেষে পালিয়ে যেতে হয়। এখন অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে, এবং বিএনপি বহু আগেই সেই সরকারের প্রস্তাবনাগুলোর কথা বলে এসেছে। আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান আরও বলেন, অনেক দলের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকলেও বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের ভোটাধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে বিএনপির সঙ্গে কারো কোন মতপার্থক্য নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা সাধারণ মানুষের কাছে নিজের কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব স্বচ্ছভাবে জানাতে সক্ষম হবে।

    তিনি বলেন, আমরা সম্মিলিতভাবে এই কাউন্সিল সফল করেছি। যদি আমরা আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে পুরো দেশবাসীর সমর্থন নিয়ে এক বিশাল জনসমর্থন আদায় করতে পারবো। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলের সিদ্ধান্ত মান্য করা আমাদের সর্বোচ্চ কর্তব্য। তারা যেন ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনও অপতৎপরতা না চালায়, এবং দলের ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা না করে।

    তারেক রহমান নেতাকর্মীদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়ে আরও বলেন, কারো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য দলের নাম বা বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। সকলের উচিত এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা।

    তিনি আরও বলেন, যারা দলীয় পদ পেতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তাদের জন্য নির্বাচনী ভোট তখনই গুরুত্বপূর্ণ হবে যখন জনগণ তাদের পাশে থাকবে। তাই জনসমর্থন পাবার জন্য সব সময় জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, তাদের পাশে থাকতে হবে।

    সেখানে তিনি দুটি বিষয়ে কঠোর প্রতিজ্ঞা ঘোষণা করেন। প্রথম, যে কোনও মূল্যে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত থাকতে হবে। দ্বিতীয়, দলকে ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য অপব্যবহার হওয়া রোখা নিশ্চিত করতে হবে। তারেক রহমান বলেন, দলের স্বার্থে যেন কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

  • আশাবাদ জামায়াতের, তিনশ’ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবে দলটি

    আশাবাদ জামায়াতের, তিনশ’ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবে দলটি

    জামায়াত বিভাগীয় নেতারা স্পষ্ট করেছেন যে, তারা আগামী নির্বাচনে তিনশ’ আসনে নির্বাচন করার লক্ষ্য রাখছেন। দলটির আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান শনিবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগীয় মজলিসে শুরা সভায় এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, যারা আমাদের পছন্দ করেন, ভালোবাসেন এবং আমাদেরও যারা ভালোবাসি, তাদের নিয়ে আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। বিজয় অর্জনের জন্য আমরা সকলের থেকে আর্থিক কোরবানি ও সহযোগিতা কামনা করছি।

    ডাঃ শফিকুর রহমান আরও জানান, আল্লাহর রহমতে ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির উল্লেখযোগ্য জয় লাভ করেছে, যা দেশের তরুণ সমাজকে প্রভাবিত করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই বিজয় দেশের সামনের জাতীয় নির্বাচনে আরও প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, অনেক ত্যাগ, আন্দোলন ও কোরবানি দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই বছর জুলুম নির্যাতনের মধ্য দিয়ে দেশের অনেক ভাই-বোন জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের ত্যাগের ফলস্বরূপ আল্লাহ আমাদের বড় একটা বিজয় দিয়েছেন। তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই কোরবানি স্বীকৃতি দিন।

    দীর্ঘ অসুস্থতার পর আজ কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগীয় শুরা সভায় বলার সুযোগ পেয়ে বলেন, অসুস্থতা-সুস্থতা দুটোই আল্লাহর নিয়ামত, যা সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানো প্রয়োজন। ডাঃ শফিকুর রহমান জাতীয় রাজনীতির অঙ্গনে চলমান পরিস্থিতি ও দলের ঐতিহাসিক সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে বলেন, ১৫ বছর ধরে চলমান ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অনেক নেতা-কর্মী নিহত, আহত ও দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা এখনও অসুস্থ, তাদের জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন পরীক্ষায় ডাকে। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তাঁর পুত্রের কোরবানি দিয়ে ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, এ কারণে তাঁকে মহান পুরস্কার, মুসলিম জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    আমীর উল্লেখ করেন, নেতাদের উপর নির্যাতন-জেল-জুলুমের মালা হলেও তাঁরা ধৈর্য্যসহকারে তা সহ্য করে দিয়ে দেশের মুক্ত পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো আল্লাহর ইচ্ছায় জনগণের সেবা করা। এজন্য বিনয় এবং আল্লাহর ওপর আলাদা আশা-ভরসা রাখতে হবে।

    সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। এক দিনব্যাপী অধিবেশনে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ‘রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন’ বিষয়ে বক্তব্য দেন। এছাড়া দারসুল কোরআন উপস্থাপন করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুমসহ অন্যান্য শুরা সদস্যরা। আলোচনা হয় সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় ও রিপোর্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে।

  • আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

    আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

    নাহিদ ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক, আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দলীয় কার্যক্রমের জন্য বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো উচিত বল offspring করেন। আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এই মন্তব্য করেন তিনি। এই সময় অন্য সদস্যরা ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    বিচারকদের জেরার সময়, যেহেতু শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান, নাহিদ ইসলাম মনে করেন, তাঁর সকল রাজনৈতিক অপরাধও আওয়ামী লীগের অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার জেরায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আজকের দলীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে তার জেরার সময় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের আইনজীবীরা নাহিদ ইসলামকে জেরা করেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আগামী রোববারের জন্য তার জেরার দিন ধার্য করা হয়। এই মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে জবানবন্দি পেশ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি জবানবন্দি দেওয়ার পর, সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা তাদের জেরা চালিয়ে যান।

  • দুর্গাপূজায় ৪ দিনের টানা ছুটি

    দুর্গাপূজায় ৪ দিনের টানা ছুটি

    শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য সরকারি চাকুরিজীবীরা এ বছর চার দিনের টানা ছুটি উপভোগ করবেন। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, পূজার মূল অনুষ্ঠানগুলো শুরুর আগে থেকেই ছুটির ধারাবাহিকতা শুরু হবে। মোট কথা, আগামী ১ অক্টোবর বুধবার মহানবমী উপলক্ষে সরকারি ছুটির ঘোষণা এসেছে। পরের দিন ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রয়েছে বিজয়া দশমী, যা সরকারি ছুটির দিন। এরপর শুক্র ও শনিবার ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে, এই চার দিন—১ থেকে ৪ অক্টোবর—সরকারি কর্মচারীরা অবসরে থাকবেন। ২১ সেপ্টেম্বর রোববারের মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হলেও সেদিন সরকারি ছুটি নেই; তবে অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগতভাবে ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও ছুটির দিন আলাদা হয়ে থাকতে পারে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বর্ষপঞ্জিতে মহালয়ার জন্য সরকারি ছুটি নির্ধারিত না থাকলেও, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনেক প্রতিষ্ঠান সেদিন ছুটি দিতে পারে। অর্থাৎ, কোথাও পাঠদান চলবে আবার কোথাও প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে—সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হবে।

  • সাইফুজ্জামানের নামে আরও ৫ দেশে সম্পদের খোঁজ দুদকের

    সাইফুজ্জামানের নামে আরও ৫ দেশে সম্পদের খোঁজ দুদকের

    দুদক নতুন করে নিশ্চিত করেছে যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নামে-বেনামে আরও পাঁচ দেশে বেআইনি সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন এবং ক্যামেরুনে তার সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত রেকর্ডপত্র উদ্ধার করা হয়। এর আগে যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশে মোট ৫৮২টি বাড়ি ও ফ্ল্যাটের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল।

    গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া Fourটায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান চালিয়ে সাইফুজ্জামানের স্ত্রী ও ইউসিবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমিলা জামানের ড্রাইভার মো. ইলিয়াস তালুকদারের বাড়ি থেকে দুর্নীতির বিভিন্ন সংক্রান্ত ২৩ বস্তা রেকর্ডপত্র উদ্ধার করেন। এই রেকর্ডপত্র থেকেই এইসব তথ্য জানা যায়।

    দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে, এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময়, রাত ৪:১৫ মিনিটে, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা ইউনিয়নের ওসমান তালুকদারের বাড়ি থেকে এই নথিপত্র গোপন করে রাখা হয়েছিল। পরিবারের পাশাপাশি পাশের বাড়িতে এগুলো স্থানান্তর করা হয়।

    সূত্রের মতে, ১৬ সেপ্টেম্বর কালুরঘাটের আরামিট গ্রুপের শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে এই ডকুমেন্ট গোপনভাবে সরানো হয়। প্রথমে সেগুলো ঘরে রাখতে চাননি ড্রাইভার মো. ইলিয়াস। কিন্তু পরে, ১৮ সেপ্টেম্বরের আগে, এগুলো ওসমান তালুকদারের বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, উদ্ধারকৃত এসব নথিতে পূর্বের বিশ্লেষণে পাওয়া ৫৮২ সম্পদের সঙ্গে ভারতের, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ক্যামেরুনে অর্জিত সম্পদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব নথিতে খেলাপি বাড়ির মালিকানা, ভাড়ার আয়, রক্ষণাবেক্ষণের খরচ, মুদ্রা পাচার, মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পাশাপাশি বিদেশে বিনিয়োগের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

    দুদকের অনুসন্ধান টিম ধাপে ধাপে এই সব নথি বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো উপস্থাপন করবে।

    উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর, দুদক সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পুলিশের রেড নোটিস জারি করার জন্য আদালতে আবেদন করেছে। তদন্তে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে অভিযোগ রয়েছে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং অর্থ পাচার।

    দুদকের তদন্তকারীরা এখনো এর সাথে যুক্ত আরো কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে।

  • পিআর না থাকুক, ভোটের সিদ্ধান্ত নেবে রাজনৈতিক দলগুলো: প্রেস সচিব

    পিআর না থাকুক, ভোটের সিদ্ধান্ত নেবে রাজনৈতিক দলগুলো: প্রেস সচিব

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এখনও পিআর (প্রিপারেটরি রুল) বা অন্য কোনও বিদ্যমান পদ্ধতিতে হবে কি না, তা নির্ধারণ করবে রাজনৈতিক দলগুলো। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব বেশি প্রত্যাশা বা উচ্চকণ্ঠতা না থাকাই উত্তম।

    আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দ্য ডেইলি স্টার সংবাদ সংস্থার এক সম্মেলন কক্ষে মুক্তি ও উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনোভেশন’-এর জরিপের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নিয়ে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেটি জানিয়েছে, দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ এখনও জানে না যে, পিআর সিস্টেম কী। আবার, এই পদ্ধতিটি আনা হলে ২১.৮ শতাংশ মানুষ তা চায় এবং ২২.২ শতাংশ মানুষ চায় না।

    জরিপে অংশ নিয়েছিল মোট ১০,৪১৩ জন উত্তরদাতা। তারা জানায়, ৯০% এর বেশি মানুষ বিশ্বাস করে যে, একটি অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সক্ষম।

    অন্যদিকে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলো নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা ও বিশ্বাসের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে কম ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করে বলে জরিপে দেখানো হয়েছে।

  • সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের ঘর থেকে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার

    সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়িচালকের ঘর থেকে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার

    চট্টগ্রামে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সম্পত্তির নথিপত্রের অনুসন্ধানে দুর্নীতিবিষয়ক সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ভয়ঙ্কর অভিযান চালিয়েছে। রোববার ভোরে, রাত সাড়ে তিনটার দিকে শুরু হওয়া এই অভিযানে তারা চালিয়ে গেছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের এক ব্যক্তির বাড়িতে। এই বাড়ির মালিক তার স্ত্রী রুকমিলা জামানের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইলিয়াস তালুকদারের বাড়িতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দুদক সূত্র জানায়, ওই বাড়ি থেকে প্রায় ২৩ বস্তা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে সাবেক মন্ত্রীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপসহ তাঁর বিভিন্ন সম্পত্তির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর কালুরঘাটে আরামিট গ্রুপের শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে এসব নথিপত্র ইলিয়াস তালুকদারের বাড়িতে আনা হয় বলে দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়। দুর্নীতির অভিযোগে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেশে বেশ কিছু মামলা চলছে, যার মধ্যে রয়েছে ১২৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। এই মামলার সূত্র ধরে, গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং এলাকায় এক অভিযান চালিয়ে মামলার দুই সহযোগী মো. আব্দুল আজিজ ও উৎপল পালকে আটক করে মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দুদক জানতে পারে, ভবিষ্যতে ওই নথিপত্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। অভিযানে, প্রথম দফায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়িতে গিয়ে নথিপত্র সরানো হয় বলে জানা যায়; তবে ওই সময় অভিযান চলাকালে নথিপত্র সরিয়ে নেওয়ায় স্থানটি শুন্য হাতেই ফিরতে হয় তাদের। পরবর্তীতে, রোববার রাত সাড়ে তিনটায় ফের অভিযান চালিয়ে ২৩ বস্তা নথিপত্র উদ্ধার করে দুদক। ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা যায়নি, ড্রাইভার ইলিয়াস পলাতক রয়েছেন। তেমনি, ওসমান নামে এক প্রতিবেশীর ঘরেও নথিপত্র সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, যেখানে তিনি পলাতক। এই অভিযানটি সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়। উদ্ধারকৃত নথিপত্রের বিশ্লেষণ চলছে এবং বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই জানানো হবে। এদিকে, আদালতেও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার, দুর্নীতি দমন কমিশন রেড নোটিশ জারির জন্য চট্টগ্রামের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে, যাতে বিদেশে পালানো সাবেক এই মন্ত্রীর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আদালত এ বিষয়ে রোববার আদেশ দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, গোপনে দেশ ত্যাগ করেন এই প্রভাবশালী ক্ষমতাধর নেতা।

  • আন্দোলন গণমানুষের প্রত্যাশাকে নতুন দিশা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আন্দোলন গণমানুষের প্রত্যাশাকে নতুন দিশা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    বর্তমান প্রজন্ম ও ভবিষ্যতের প্রজন্মকে বুঝে নিতে হবে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সাধারণ আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃढ़প্রতিজ্ঞ থাকা ও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তিশালী সংগ্রাম। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, সেই জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি নতুন দিগন্তের সংকেত, যা সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও স্বপ্নকে একত্রিত করে জাতিকে নতুন পথে হাঁটার দিশা দেখিয়েছে। শনিবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর পাশে মাওয়া প্রান্তে, ছাত্র-জনতার এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে তৈরি ম্যুরালে ‘জুলাই বীরত্ব’ ও ‘জুলাই আত্মত্যাগ’ শিরোনামে গ্রাফিতি আঁকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে এই গৌরবময় ইতিহাসের চেতনা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তরুণরা যেন এই স্মৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সত্য, ন্যায়, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মানসিকতায় উজ্জীবিত হয়, এটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হবে শহিদদের ওই ত্যাগ ও সাহসিকতাকে স্বদর্পে স্মরণ করা এবং তাদের স্বপ্নের দেশ গড়তে তাদের আদর্শকে ধারণ করা। স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য ন্যায়, সমতা ও মানবিকতার অবিচল প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। জুলাই মাসের এই পুনর্জাগরণ ও তরুণদের উৎসব-২০২৫ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে, পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে গুরুত্ব সহকারে স্মরণীয় করে রাখতে এই গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরামর্শে এবং নির্দেশনায় সম্পন্ন। এর জন্য এই দুই উপদেষ্টা বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে, ছাত্র-জনতার এই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে, মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে স্থাপিত ম্যুরালে এই গ্রাফিতি আঁকা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের আবেগের বাঁক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে, পদ্মা সেতুর এই দুই প্রান্তে এই চিত্রকর্মের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব), মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ অনেকে।