Month: August 2025

  • পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকবে না, রিজভীর দাবি

    পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকবে না, রিজভীর দাবি

    বহুল আলোচিত সংখ্যানুপাতिक প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির প্রত্যেকটি দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, যদি পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, তাহলে জনগণের হাতে প্রার্থী নির্বাচন করার সুযোগ থাকবে না। বরং তাদের ভোট দিতে হবে দলের প্রতীকে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই পদ্ধতি রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও বেশি কর্তৃত্ববাদী করে তুলতে পারে। রিজভী বলেন, দেশের মানুষ পিআর পদ্ধতি কী, তা সম্পর্কে অবগত নয়, কারণ আগে কখনোই দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থায় এটি দেখা যায়নি। হঠাৎ কিছু কিছু রাজনৈতিক দল এই পদ্ধতির কথা বলছে, যা আসলে নির্বাচনের স্বাভাবিক ধারাকে বিঘ্নিত করতে চায়।

    শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের লোকনাথ ট্যাংকের পাশে ময়দানে জেলা বিএনপি’র নবায়ন এবং প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, কিছু দল পিআর ও সংস্কারের কথাই বলছে মানে তাদের উদ্দেশ্য নির্বাচনে বিলম্ব সৃষ্টি। এই পরিস্থিতিতে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষিত, শ্রমজীবী ও ভদ্র সমাজের মানুষ বিএনপির সদস্য হবে। তবে কেউ চাঁদাবাজ বা দখলবাজ হলে তার স্থান নয় দলের মধ্যে। যারা গণতন্ত্রের গলা টিপে রেখেছে, তারা বিএনপি’র সদস্য হতে পারবেন না। দলের যোগ্য সদস্যরা হবে সমাজের গুণীজন।

    রিজভী জানান, এই দেশটি ৩০ লাখ মা-বোনের ত্যাগে স্বাধীন হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সাড়ে ৮ লাখ বছর আগে মানব সমাজে যে হিংস্রতা ছিল, তা শেখ হাসিনা চালিয়েছিল বাংলাদেশের উপর। বাংলাদেশের মানুষ তাকে পরাজিত করেছে এবং দেশের পুনর্গঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মোস্তাক মিয়া, জহিরুল হক খোকন, সহ-সভাপতি এবিএম মোমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশন, জেলা শাখার নবায়ন কার্যক্রমের টিম লিডার আহসান উদ্দিন খান শিপনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    অনুষ্ঠানের শেষে অতিথি নবায়ন ও সদস্য সংগ্রহের কার্যক্রমের জন্য ফর্ম বিতরণ করেন। পাশাপাশি, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করে মিছিল সহকারে উপস্থিত হয়।

  • পাঁচ বছরে ৫০০ বাংলাদেশিকে বৃত্তি দেবে পাকিস্তান

    পাঁচ বছরে ৫০০ বাংলাদেশিকে বৃত্তি দেবে পাকিস্তান

    উচ্চশিক্ষার জন্য আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করবে পাকিস্তান। এছাড়াও, দেশটি ১০০ জন সরকারি কর্মকর্তার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য প্রকাশ করে। এতে জানানো হয়, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান করিডোর’ চালু করতে পেরে আনন্দিত। এই প্রকল্পের আওতায়, পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার জন্য আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে, যার এক চতুর্থাংশ অর্থাৎ ১২৫টি বৃত্তি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও দেওয়া হবে। একই সময়ে, ১০০ জন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও, পাকিস্তান কারিগরি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা ৫ থেকে বৃদ্ধি করে ২৫ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য: দেশ স্থিতিশীল, ভোটে প্রস্তুত

    প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য: দেশ স্থিতিশীল, ভোটে প্রস্তুত

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে নিজস্ব দৃঢ়তার কথা এ সময় আবারও ব্যক করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশ স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকার প্রত্যক্ষriteriaত প্রস্তুত এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের জন্য। সোমবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পর্যটন শহরটি হোটেল বে ওয়াচে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আয়োজিত অংশীজন সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, আমি এখানে এসেছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে। এক বছর আগে ছাত্রদের নেতৃত্বে দেশের ফ্যাসিস্টমুক্তি এবং গণআন্দোলনের মাধ্যমে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়েছি। এখন দেশের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রস্তুতি নেয়া সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের সময় ঘোষণা করা হয়েছে, দেশের নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং স্টেবল অবস্থা এসেছে। তাই, আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় গিয়ে দায়িত্ব নেবে, যাতে এই নির্বাচনের মাধ্যমে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য স্থায়ী সমাধানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ড. ইউনূস। বলেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধনের ভয়াবহ পরিকল্পনা থেকে সশস্ত্র দখলদারদের থামানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ২০১৭ সালে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গারা। তাদের ফেরানোর উপায় খুঁজতে চলছে কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন, যার উদ্যোগে অংশগ্রহণ করছেন দেশের সহায়ক সংস্থা, উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রতিনিধি। এই সম্মেলনের মাধ্যমে মূল উদ্দেশ্য হলো রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে পাওয়া। এরই মধ্যে প্রায় আট বছর অতিক্রম করছে, যখন অবরুদ্ধ ও গণহত্যার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে।

  • জুলাই-আগস্টে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করলো সরকার

    জুলাই-আগস্টে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করলো সরকার

    বাংলাদেশ সরকার লুট হওয়া অস্ত্রের খোঁজ দিতে পারলে বিশাল পুরস্কার ঘোষণা করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন লুট হওয়া অস্ত্রের তথ্য দিলে তাৎক্ষণিকভাবে নগদ অর্থ পুরস্কার পাচ্ছেন। তিনি জানান, পুরস্কারের পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রের জন্য বিভিণ্ণ। পিস্তল ও শটগান হলে পাবেন ৫০ হাজার টাকা, চায়না রাইফেলে ১ লাখ টাকা, এসএমজি থাকলে পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এবং এলএমজি পেলে পুরস্কার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া, লুট হওয়া গুলির জন্য প্রতি গুলির জন্য ৫০০ টাকা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। যেকোনো তথ্যদাতা তার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    বলেন, গত বছর গণআন্দোলনের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পুলিশ, ফাঁড়ি ও কারাগারভুক্ত গোপন গোষ্ঠী অস্ত্রের লুট করে। এসব অস্ত্রের মধ্যে কিছু ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া, এখনও প্রায় ৭০০ অস্ত্র উদ্ধার বাকি থাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে নতুন পুলিশ সদস্য নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

    প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, সম্প্রতি গাজীপুরে পুলিশ কমিশনারের অঙ্গীকার ও রাস্তা বন্ধ করে চলাচলের ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনারের এই আচরণ অপ্রয়োজনীয় ও জনভোগের কারণ হয়েছে। এজন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

    এছাড়াও, ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোল ও বিএসএফের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    শেষে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। বর্তমানে মব সন্ত্রাস কিছুটা কমলেও তা সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচনকালীন সময়ে পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে। সরকারের লক্ষ্য—নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা—তার জন্য সবার সহযোগিতা দরকার।

  • ইসির শুনানিতে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখার দাবি

    ইসির শুনানিতে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল রাখার দাবি

    নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশ নিয়ে বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার স্পষ্ট দাবি তুলেছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এবং এটি জনগণের প্রত্যাশার সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কমিশন বাগেরহাটের মানুষের ইচ্ছে অনুযায়ী সেখানে চারটি আসনই আগের মতোই বহাল রাখতে সক্ষম হবে।

    আজ সোমবার, ২৫ আগস্ট, দুপুরে বাগেরহাট-৪ আসনের অবসান ও বেআইনিভাবে আসন কমানোর বিষয়ে শুনানির পরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। আইনজীবী জাকির হোসেন অভিযোগ করেন যে, কমিশন বাগেরহাটে কোনো কারণ বা আবেদন না থাকতেই এতে আসন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মতে, এই জেলায় কোনো আবেদন বা আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও, সার্বজনীন সিদ্ধান্তে আসন সংখ্যা হ্রাস করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। তিনি বলেন, দীর্ঘ বিবেচনা এবং যুক্তি-তর্ক দিয়ে তিনি দাবি করেছেন যে, বাগেরহাটে চারটি আসনই যথাযথ ও ন্যায্য হিসেবে বহাল রাখতে হবে।

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আজকের দিনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা-৩, ৪, যশোর-৩, ৬, বাগেরহাট-১, ২ ও ৩; এরপর আড়াইটার দিকে ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ঝালকাঠি-১, বরগুনা-১ ও ২, পিরোজপুর-১, ২ ও ৩, চট্টগ্রাম-৩, ৫, ৮, ১৯, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান আসনের শুনানি চলবে।

    পরবর্তী দিন, ২৭ আগস্ট, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও সিলেট অঞ্চলের দাবি ও আপত্তি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এ দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ ও ২, রংপুর-১, কুড়িগ্রাম-৪, সিরাজগঞ্জ-২, ৫ ও ৬, পাবনা-১; বিকেল ২টে থেকে ৫টার মধ্যে টাঙ্গাইল-৬, জামালপুর-২, কিশোরগঞ্জ-১, সিলেট-১, ফরিদপুর-১ ও ৪, মাদারীপুর-২ ও ৩, শরীয়তপুর-২ ও ৩ এর শুনানি চলবে।

    উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৮৩টি আসনের সীমানা নিয়ে ১ হাজার ৭৬০টি দাবি ও আপত্তি জমা পড়ে নির্বাচন কমিশনে। এসব দাবি-অপত্তি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩০ জুলাই, নির্বাচন কমিশন ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য সীমানার নতুন খসড়া ঘোষণা করে। এতে গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে এবং বাগেরহাটের আসনগুলি থেকে প্রথমে চারটি থেকে কমিয়ে তিনটি করা হয়েছে। মোট ৩৯টি আসনে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মাঝে আরও বিভিন্ন এলাকা ও আসনসংখ্যা উল্লেখ রয়েছে।

    বাগেরহাটের পূর্বের চারটি আসন ছিল: এমোল্লারহাট-ফকিরহাট-চিতালমারি, বাগেরহাট সদর ও কচুয়া, রামপাল ও মোংলা, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা। তবে খসড়ায় এখন বাগেরহাট-১ আসনে কোনো পরিবর্তন হয়নি। নতুন প্রস্তাবনায়, বাগেরহাট-২ আসনে সদর, কচুয়া, রামপাল উপজেলা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, আর বাগেরহাট-৩ তে মোংলা, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে নতুন দ্বৈততা প্রস্তাব করা হয়েছে।

  • বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয় সমাধানে একমত

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয় সমাধানে একমত

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্য একমত হয়েছে। উভয়পক্ষ আলোচনা ও পরস্পরের অবস্থান তুলে ধরার মাধ্যমে সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান যে গণহত্যা ও অন্য অপকর্ম করেছে, তার জন্য তারা দুঃখ প্রকাশ করবে বলে প্রত্যাশা। এছাড়া, পাকিস্তান থেকে আটকেপড়া বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে যাবেন—এ বিষয়েও বাংলাদেশ আশাবাদী। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, দুই দেশ অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজ করতে চায় এবং সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে এগুলো পেছনে ফেলতে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, এই ভালো সম্পর্ক স্থাপন ও বজায় রাখতে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সমাধান খুঁজে বের করতে উভয় পক্ষ একত্রে কাজ করবে।

    রোববার, ঢাকা সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর, রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি আরও জানান, একে অন্যের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়ে, দুপক্ষে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর অগ্রগতি হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো স্মুথলি ও সুসংহতভাবে এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, এই অগ্রগতি কার্যত সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব করতে উৎসাহ দেয়।

    বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় উঠে এসেছে, অর্থনৈতিক বিষয়গুলো যেমন হিসাব-পত্র ও টাকার ব্যাপারে সমাধান করতে হবে। এছাড়া, গণহত্যার জন্য পাকিস্তান যেন দুঃখ প্রকাশ করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে। পাশাপাশি, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আটকেপড়া মানুষজনকে ফেরত নেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়েছে। তৌহিদ হোসেন আবার বলেন, ৫৪ বছর ধরে চলা এই সমস্যা একদিনে সমাধান হওয়ার আশা কেউ করে না, কেবল আলোচনা ও আন্তরিকতা দিয়ে এগুলো অতিক্রম করতে হবে। তিনি সাংবাদিকদের বলছিলেন, এই বিষয়ের জন্য একটি অগ্রগামী পদক্ষেপ হয়েছে, যেখানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, একাত্তর ইস্যুতে ১৯৭৪ সালের ত্রিপक्षীয় চুক্তি ও ২০০২ সালে মোশাররফের দুঃখ প্রকাশের বিষয় আলোচনায় এসেছে। তবে, তৌহিদ হোসেন এর উত্তর দেন, এই চুক্তি বা দুঃখ প্রকাশের বিষয় আমাদের সমস্যা সমাধানে কোনো অবদান রাখে না; আমরা নিজেদের অবস্থান বলে দিয়েছি।

    পররাষ্ট্র বিনিময়ের সময়, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান স্বাক্ষর করে একটি চুক্তি এবং পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)। এর মধ্যে থাকছে: ভিসা মুক্ত চুক্তি (সরকারি ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের জন্য), বাণিজ্য বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির সহযোগিতা, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার মধ্যেকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ওপেন ইনস্টিটিউটের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা।

    বৈঠকের আগে, সকাল ১০টায়, দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক হয়। এরপর, আনুষ্ঠানিকভাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়, যেখানে ইসহাক দার পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল নেতৃত্ব দেন এবং তৌহিদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন। আলোচনা শেষে, দেশ দুটির প্রতিনিধিরা বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

    সন্ধ্যায়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইসহাক দার জন্য এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে সরকার। এরপর তিনি বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ও সাক্ষাতের জন্য সরকারি বিভিন্ন দফতরে যান এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডঃ শফিকুর রহমানের বাসায় সাক্ষাৎ করেন।

    উল্লেখ্য, এই সফর শুরু হয় গত শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইসহাক দার উপস্থিতিতে। এর আগে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী ঢাকায় এসেছেন। এই সফর বাংলাদেশের মামলার মধ্যে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • শেখ হাসিনার বিচার এই দেশের মাটিতেই হতে হবে: মির্জা ফখরুল

    শেখ হাসিনার বিচার এই দেশের মাটিতেই হতে হবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ প্রমাণিত হয়েছে যে শেখ হাসিনা এই বর্বর হত্যাকাণ্ড ও গুমের জন্য দায়ী। তার বিচার অবশ্যই এই দেশের মাটিতেই হবে এবং তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি পেতেই হবে। শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে গঠিত ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

  • বিএনপিসহ ২৩ দল জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে মতামত দিয়েছে

    বিএনপিসহ ২৩ দল জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে মতামত দিয়েছে

    জুলাই সনদ বিষয়ক পর্যালোচনা করে বাংলাদেশে ২৩টি রাজনৈতিক দল তাদের মতামত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কাছে জমা দিয়েছে। এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল যখন কমিশন পূর্ববর্তী খসড়াটির কিছু ত্রুটি শনাক্ত করে ১৬ আগস্ট রাতে সংশোধিত এবং নির্ভুল খসড়া পাঠায়। এরপর, ২০ আগস্ট বুধবার, কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ২২ আগস্ট বিকেল তিনটা পর্যন্ত দলগুলো তাদের মতামত দাখিলের সময় দেওয়া হবে। আজ বিকেল তিনটা পর্যন্ত মোট ২৩টি রাজনৈতিক দল তাদের মতামত প্রতিনিধিরা জমা দিয়েছেন। এগুলো হলো বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, আমজনতার দল, গণফোরাম, বাসদ (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল), জাতীয় গণফ্রন্ট, মার্কসবাদী সমাজতান্ত্রিক দল, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাসদ, লেবার পার্টি, জাকের পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। তবে, জানা গেছে যে, এখনও সাতটি দল তাদের মতামত দেয়নি। কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত খসড়ার উপর মতামত প্রদানের জন্য আর কোনও সময় বাড়ানো হবে না।

  • সবকিছু এক বছরে ঠিক হবে এমন ভাবা ভুল: মির্জা ফখরুল

    সবকিছু এক বছরে ঠিক হবে এমন ভাবা ভুল: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন যে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের কথা বলছি, সেখানে দীর্ঘদিনের অনাচার, অবিচার, নৈরাজ্য ও দুর্নীতি কাটিয়ে একদিনে সুন্দর রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এক বছরের মধ্যে সবকিছু ঠিক করে ফেলতে পারেন— এ ভাবনাও বাস্তবসম্মত নয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘গত ৫৩ বছরে আমরা ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় উপায় অবলম্বন করতে পারিনি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন একটি সময়ের সূচনা হয়েছে, যেখানে হঠাৎ করে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে—এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই।’ শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সামাজিক সুরক্ষা কতটা সুরক্ষিত’ বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

  • সম্পর্ক উন্নয়নে ১৯৭১ সালের ইস্যু সমাধানের গুরুত্ব উসাইন করলেন এনসিপি

    সম্পর্ক উন্নয়নে ১৯৭১ সালের ইস্যু সমাধানের গুরুত্ব উসাইন করলেন এনসিপি

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু এখনও সমাধান না হওয়ায় দুদেশের সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের কিছু বিষয়, যা এখনও পুরোপুরি মিমাংসা হয়নি। এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশে সফররত পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইসহাক দারকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলগুলো।

    শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের কার্যালয়ে এনসিপির কমিটি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন এনসিপির সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল। বৈঠকের পরে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানান, তারা পাকিস্তান সম্পর্কে বাংলাদেশের জনগণের অভিজ্ঞতা ও ধারণাগুলি তাদের কাছে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বিগত সময়ের মধ্যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে শত্রুতা ও বিভাজন ছিল, তা থেকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই, একাত্তরের যুদ্ধের মতো ইস্যুগুলিকে দ্রুত সমাধান করতে হবে, এই বিষয়টিতে সব পক্ষের ঐকমত্য থাকতে হবে।

    আলোচনায় উঠে আসে শিক্ষা, অর্থনীতি ও সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা। এ জন্য বড় ভাই বা আধিপত্যবাদের মনোভাব একান্তই এড়িয়ে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়। দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক যেন ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

    পক্ষে ইসহাক দার নিজেকে উপস্থাপন করেন, দাবি করেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে যদি পুনরায় যুদ্ধ দাঁড়ায়, তবে নদীসহ পানি বিষয়ক নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে তারা শিখেছে কিভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়। সম্প্রতি তারা ওষুধ শিল্পে কিছু সহযোগিতা চালু করেছে, যার মাধ্যমে দুদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গড়ে তোলা সম্ভব। এরপর সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়, এভাবে পারস্পরিক বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সম্ভব বলে বিশ্বাস প্রকাশ করা হয়।

    সার্ক বা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা নিয়ে আলোচনা হয় এবং ভারতের কারণে এর কার্যকারিতা কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাকিস্তানের পরমাণু শক্তির অবস্থানেও আলোচনা হয়, যাতে করে এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

    সবশেষে, ইসহাক দারকে বলে দেওয়া হয় যে, একাত্তরের সমস্যাগুলো তৎক্ষণিক সমাধান জরুরি। তারা জানান, পাকিস্তান এই বিষয়ে প্রস্তুত এবং দ্রুত সমাধানে সুবিধা হবে। এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, উভয় পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সদয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করেছেন।