মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বৈষম্য ও অন্যায্যতার জাঁতাকলে জনগণ যেন জর্জরিত হয়ে পড়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে শুরু হওয়া গণঅভ্যুত্থানে সেই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, এখন যারা পিআর (প্রচারণা) পদ্ধতিতে নির্বাচন করতে চাইছে, তারা মূলত পেছনের রাস্তা দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণের চেষ্টা করছে। এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অন্যোমতই। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণঅভ্যুত্থানের মূল ভাবনাকে বিপন্ন করে। এই পদ্ধতিতে আওয়ামী লীগের পুনর্বসতি ও ভারতের প্রভাবে দেশের সার্বভৌমত্বক্ষুণ্ন করার অপশক্তি সক্রিয় হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের স্বপক্ষের শক্তিগুলো শক্তি সমন্বয় করে সব দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গতকাল রবিবার সকালে খুলনা টাউন জামে মসজিদ চত্বরে এবং পাইওনিয়ার স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের আগে、র উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এই কথা তিনি বলেছেন। বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য শফিকুল আলম মনা বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ পতনের মুখে থাকলেও তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা উস্কানি দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র রুখে দিতেপ্রয়োজন সচেতন, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নেতৃত্বে একটি স্বাধীনতাবিরোধী অশুভ শক্তি ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। এই বক্তৃতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি এস এম নুরুল আলম দিপু, পাশাপাশি অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি নেতা বদরুল আনাম, মো. খায়রুল ইসলাম, আশরাফুল আলম নান্নু, ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম খান জুয়েল, মোফিজুল সরদার, শহিদুল ইসলাম, সাহারুজ্জামান মুকুল ও জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
Month: August 2025
-

প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা চলমান, ১৭ দিনে দেড় বিলিয়ন ডলার এসেছে
চলতি আগস্ট মাসে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে দেখা যাচ্ছে একটি উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন। মাসের প্রথম ১৭ দিনের মধ্যে দেশকে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দেড় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৯,৬৪২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকার হারে গণনা করে)। এই ধারা অব্যাহত থাকলে, গত বছরের জুলাই মাসের রেকর্ডের কাছাকাছি বা তারও বেশি রেমিট্যান্স আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জুলাই মাসে এই অর্থনীতিতে সর্বশেষ রেকর্ড হয়েছিল ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স, যা প্রায় ৩০,০২৩ কোটি টাকা। তবে, আগস্টের এই প্রথম আড়াই সপ্তাহে এসেছে আরও অর্ধশতাধিক কোটি ডলার, যা দেশীয় অর্থনীতিতে স্বস্তি বাড়াচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, এই সময়ে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো মাধ্যমে এসেছে মোট ৪৯ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। তার মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৫ কোটি ডলার, আর বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে চলে এসেছে উল্লেখযোগ্য ৯৬ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকেও প্রবাসীদের পাঠানো ৩১ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে, অর্থবছর ২০২৪-২৫ সালে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি। এই অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাহের দিকে নজর দিলে দেখা যায় জুলাইয়ে ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্টে ২২২.১৩ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৪০.৪১ কোটি ডলার, অক্টোবর ২৩৯.৫০ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বর ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, এবং মার্চে রেকর্ড ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ঘোষিত প্রণোদনা এবং প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করার সুবিধা প্রবর্তনের ফলে এই প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সব কারণেই দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ উন্নতি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
-

বাংলাদেশ ব্যাংকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে বিএফআইইউ প্রধান
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান এ এফ এম শাহীনুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
গভর্নর জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় শাহীনুল ইসলাম আপাতত ছুটিতে থাকবেন। তদন্তের ফলাফল ও প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তামুখর একটি স্মারকলিপি জমা দেন গভর্নরের কাছে। সেখানে তারা দাবি করেছেন, শাহীনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক আপত্তিকর ভিডিওর জন্ম দিয়েছে ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের আর্থিক খাতের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।
শাহীনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বেশ দ্রুত Spread হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ইতোমধ্যে, গভর্নর এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশেষ করে, সম্প্রতি এনা পরিবহনের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর ফ্রিজ করা ব্যাংক হিসাব থেকে ১৯ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন ও সংঘটিত অপরাধের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। গত বছর নভেম্বরে, এনায়েত উল্লাহ ও তার পরিবারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৫০ টি ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়। তবে চলতি বছরের এপ্রিলের দিকে, আল-ফালাহ ব্যাংকের চারটি হিসাব সেখানে আর ফ্রিজ না করে সেই টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়, যা এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তের নিহিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস থেকে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা তুলতেন। এ বিষয়ে আদালত ২৭ মে ২০১১২ সালে নির্দেশ দেন বিএফআইইউকে ওই ১২০ কোটি টাকা ফ্রিজ করার। কিন্তু জানা গেছে, কার্যত এখন অবধি প্রায় ১০১ কোটি টাকা আসলে ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে এবং বাকির অর্থ উত্তোলনের পেছনে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
-

গভর্নর বললেন, ৭-৮ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্যাশলেস অর্থনীতির কেন্দ্র
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে ক্যাশলেস অর্থনীতির ভিত্তি, জানিয়েছেন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, আগামী ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে দেশটি আন্তর্জাতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাশলেস অর্থনীতি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাবে।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত একটি উন্নয়ন কৌশল সংক্রান্ত সেমিনারে অংশ নিয়ে গভর্নর এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, নগদ লেনদেনের প্রবণতা দুর্নীতির উৎসাহ দেয় এবং এতে কর ফাঁকির ঘটনাও বাড়ে। এর ফলে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের অব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে।
গভর্নর জানান, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগই অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে সচেতনতা ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে এটি সম্ভব হলে সামষ্টিক অর্থনীতি আরও বেশি শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য নতুন ধরনের লেনদেন পদ্ধতি চালু করার পরামর্শ দেন, যাতে সমাজের সর্বস্তরই এই সুবিধা ভোগ করতে পারে।
বিশেষ করে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ন্যানো লোনের ধারণা ভবিষ্যতেও বিস্তার পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ড. মনসুর জানান, দৈনিক গড়ে প্রায় চার হাজার মানুষ এই ধরনের ঋণ সুবিধা গ্রহণ করছে, এবং এখন পর্যন্ত এর মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকারও বেশি।
-

৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধের উদ্যোগ, আমানতকারীদের টাকা ফেরত পাবেন
বাংলাদেশ ব্যাংক এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্ধ করতে ৯টি ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ম, লুটপাট ও অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিল। বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যেখানে আমানতকারীর টাকা ফেরত দিতে না পারা, উচ্চ খেলাপি ঋণ থাকা এবং মূলধন ঘাটতির বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এখন থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হবে এবং তারা অবসায়নের মধ্যে পড়বে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যেখানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের মাধ্যমে অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সব তথ্য ব্যাংকের রেজুলেশন বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যাতে ক্ষুদ্র আমানতকারীরা তাদের জমা টাকা নিরাপদে ফেরত পান। একইসঙ্গে, কাজের জন্য নিয়োজিত কর্মীদের চাকরি, সুযোগ-সুবিধা যথাযথ নিয়মে নিশ্চিত করা হবে। এ উদ্যোগের আওতায় রয়েছে পিপলস লিজিং ও ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, আভিভা ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং, জিএসপি ফাইন্যান্স ও প্রাইম ফাইন্যান্স। জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধে সরকারের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা, যেখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের ফেরত দেওয়ার বিষয়টিতে। ইতোমধ্যে ব্যাংকের রেজুলেশন বিভাগ এই অবসায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
-

২৩ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ পৌঁছেছে পৌনে ২ বিলিয়ন ডলার
গত আগস্ট মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসীরা বাংলাদেশে মোট ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার বা প্রায় পৌনে দুই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর ফলে স্থানীয় মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২১ হাজার ৩৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যেখানে প্রতি ডলার এর মান নেওয়া হয়েছে ১২২ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে জানা গেছে, আগস্টের প্রথম ২৩ দিনে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে মোট ১৭৪ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৩৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার। বিশেষভাবে চালু দুটি ব্যাংকের মধ্যে একটি (কৃষি ব্যাংক) থেকে পাঠানো হয়েছে ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
বেসরকারি ব্যাংকগুলো এই সময়ে পাঠিয়েছে ১০৯ কোটি ৭১ লাখ ৬০ হাজার ডলার, আর বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই সময়ের মধ্যে নয়টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইসিডি), পদ্মা ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। ওই মাসে অবশ্য কোনো ব্যাংক থেকে রেমিট্যান্স আসেনি।
অতীতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা এক বছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছর (২০২৪-২৫) জুড়ে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের মোট পরিমাণ ছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
অর্থাৎ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। এর মাসভিত্তিক প্রবাহ ছিল নিম্নরূপ: জুলাই – ১৯১.৩৭ কোটি ডলার, আগস্ট – ২২২.১৩ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর – ২৪০.৪১ কোটি ডলার, অক্টোবর – ২৩৯.৫০ কোটি ডলার, নভেম্বর – ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বর – ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারি – ২১৯ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারি – ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চ – ৩২৯ কোটি ডলার, এপ্রিল – ২৭৫ কোটি ডলার, মে – ২৯৭ কোটি ডলার এবং জুন – ২৮২ কোটি ডলার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ ও প্রবাসীদের আয়ের উত্তরণের জন্য নিবন্ধনের সুবিধা দেয়ার ফলে রেমিট্যান্সের প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে।
-

জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে ২৩টি রাজনৈতিক দলের মতামত জমা
জুলাইয়ের সনদ পত্র পুনঃপরীক্ষা করে ২৩টি রাজনৈতিক দল তাদের মূল্যবান মতামত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে। এরআগে, ১৬ আগস্ট রাতে প্রেরিত খসড়ায় কিছু ত্রুটি থাকার কারণে সংশোধন করে আরও নিশ্চিত ও নিখুঁত খসড়া পাঠানো হয়। সম্প্রতি, ২০ আগস্ট বুধবার, কমিশন তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী ও মতামত প্রদানের জন্য সময়সীমা বাড়িয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করে। মঙ্গলবার বিকেলে জানা গেছে যে, এই সময় সীমা শেষ হওয়ার আগেই ২৩টি দল তাদের মতামত প্রদান করেছেন। এই দলগুলো মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), জামায়াতে ইসলামি, জেএসডি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, ১২ দলীয় জোট, গনফোরাম, বাসদ, গণফ্রন্ট, মার্কসবাদী বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাসদ, লেবার পার্টি, জাকের পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। তবে, এতদিনে সাতটি রাজনৈতিক দল এখনও তাদের মতামত প্রদান করেনি। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চূড়ান্ত খসড়ার ওপর আর কোনও মতামত দেওয়ার জন্য সময় বাড়ানো হবে না।
-

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য: সব কিছু এক বছরে ঠিক হবে না
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই ধারণা সত্যিই ভুল যে এক বছরেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে যে রাষ্ট্রের সংস্কারের জন্য কাজ করছি, সেখানে দীর্ঘদিনের অনাচার, অবিচার, নৈরাজ্য এবং দুর্নীতির বোঝা অনেক। একদিনে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, এটাই বাস্তবতা। এক বছরের মধ্যে সবকিছু স্মুথলি স্বাভাবিক হয়ে যাবে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, গত ৫৩ বছরে আমাদের দেশে ক্ষমতা পরিবর্তনের উপায় বা বিধান গড়ে উঠতে পারেনি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন সময়ের সূচনা হয়েছে, কিন্তু হঠাৎ করে সবকিছু সম্পূর্ণভাবে সংস্কার করা সম্ভব নয়। এটি চিন্তার বিষয় নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আজ, শনিবার (২৩ আগস্ট), জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘সামাজিক সুরক্ষা কতটা সুরক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বিশেষ করে বলেন, রাজনীতি মানে বিচ্ছিন্নভাবে বা জোড়াসাঁতার দিয়ে কাজ করা নয়। এর জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, দলের নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আন্তরিকতা। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি ক্রমশ বেড়ে চলেছে, যা দেশের সংকটের মূল কারণ। সবকিছু নির্ভর করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ওপর, যারা ক্ষমতায় এসে কীভাবে দেশ বদলে ফেলবে, তা গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৮ সালে বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে, কিন্তু বিভিন্ন বছর ধরে সরকার সেই ভোটের মূল্যায়ন করতে পারেনি এবং দেশকে দুর্বিসহ করে তুলেছে। তিনি আবারও বলেন, সবকিছু এক বছরের মধ্যে স্বাভাবিক করার স্বপ্ন বা ধারণা বাস্তব নয়।
তিনি যোগ করেন, আমাদের সবকিছু নির্ধারণ করে আসছে সরকারি আমলারা। তার মতে, একজন স্কুল শিক্ষকের সমস্যার সমাধান করতে তাকে ঢাকায় যেতে হয়, যার কোনো প্রয়োজন নেই। এ ধরনের সিস্টেমে দুর্নীতি আর বৈষম্য চলতেই থাকবে। সেই জন্য, একজন সাধারণ মানুষ রাতারাতি কিছু বদল করতে পারবেন না—এটাই বাস্তবতা।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমরা বিপ্লবের কথা ভাবতে পারছি না। বরং আমাদের উচিত কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাওয়া, যেখানে আমাদের জনপ্রতিনিধিরা ন্যুনতম ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। তিনি বিশ্বাস করেন, এভাবেই দেশের জন্য সত্যিকার পরিবর্তন সম্ভব।
-

সম্পর্ক উন্নয়নে একাত্তরের ইস্যু সমাধান জরুরি: এনসিপি
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের গুরুতর অন্তরায় হিসেবে এখনও মূর্ত থাকা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু অমীমাংসিত ইস্যু। ঢাকায় পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের অনুভূতি ও ধারণাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের নাগরিকদের মনোভাব আর বিশ্বাসের ভিত্তিতে, এনসিপি মনে করে, দীর্ঘ সময়ের মধ্যে যে শত্রুতার সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকে উন্নতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, ঐতিহাসিক এই ইস্যু সমাধান করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করেন।
শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এনসিপির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন। বৈঠক শেষে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ধারণাগুলো তাদের কাছে স্পষ্টভাবে পেশ করা হয়েছে। তারা বলেছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে অতীতে যে শত্রুতার সম্পর্ক ছিল, তা থেকে উত্তরণ ঘটানোর জন্য এখনই উপায় খুঁজে নেওয়া উচিত।
আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষা, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি, সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেশি বড় ভাই বা আধিপত্যপূর্ণ আচরণের পরিবর্তে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক বজায় রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, প্রাচীন বন্ধু ও প্রতিবেশীদের মধ্যে মতবিরোধ বা ঝগড়া কমিয়ে আনতে আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
অন্যদিকে, দলটির প্রতিনিধিরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংঘটিত ইতিবাচক পরিবর্তন ও সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন। পানি নিয়ে যে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে, সেটি সমাধানে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও, ওষুধ শিল্পে সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা বিনিময়, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের উন্নয়ন, এবং সার্ক জোটের কার্যকলাপ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সর্বশেষে, একাত্তরের বিরোধ ও পুরনো ইস্যু সমাধানের ব্যাপারে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করে তারা বলেছে, তারা দ্রুত এই বিষয়গুলো সমাধান করতে প্রস্তুত। এনসিপি মনে করে, এসব ঐতিহাসিক বিষয়গুলো নির্বিঘ্নে সমাধান সময়ের দাবী, যাতে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নতি ও স্থিরতা বজায় রাখা যায়।
-

ফজলুর রহমানের অবমাননাকর বক্তব্যের শোকজ বিএনপির
নিরপেক্ষ ও স্পষ্ট অবস্থানে থাকার বদলে লাগামহীন ভাষণ ও বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিএনপির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বিএনপি তার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে, যেখানে তাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির বিশ্বাস, ফজলুর রহমানের অসচেতন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেশদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তুলছে। তাঁর বক্তৃতায় ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান ও মহান গণঅভ্যুত্থানের প্রতি অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনাকে আঘাত করেছে বলে মনে করছে দলটি।
গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি অবজ্ঞামূলক মন্তব্যের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হয়। সূত্র জানিয়েছে, এই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত জুলাই-আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান বলে পরিচিত আন্দোলনে বিএনপি ও তার নেতাকর্মীসহ বহু সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং অসংখ্য ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন।
ছাত্র-জনতার এই সাহসী ভূমিকার জন্য তিনি বিভিন্ন সময় তাদের অবজ্ঞা ও অমর্যাদা প্রকাশ করেছেন, যা দলের অঙ্গীকার ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে পরিপন্থী বলে মনে করা হয়। বিএনপি তার কঠোর ভাষ্য, এই ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি জনমতের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন এবং গণঅভ্যুত্থানের মূল ভিত্তিগুলির বিরোধিতা করেছেন। এছাড়া, তিনি দাবি করেছেন যে, ৫ আগস্টের আন্দোলনে সর্বাধিক অবদান ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের। তিনি অভিযোগ করেন, এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করে আসছে এবং তারা দেশের বিভিন্ন সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করেছে।
ফজলুর রহমান বলেছেন, এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অর্থসম্পদ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেশের প্রশাসন, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নিজের শক্তি বিস্তৃত করেছে। তিনি দাবি করেন, জামায়াতের জনভিত্তি এখন কমে গেলেও তারা এখনো ছায়া-শক্তি হিসেবে নিজেদের ভাবছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশে কিছু অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব বিস্তার করে এই সংগঠন।
এমনকি, তিনি বলে থাকেন, উন্নত ও স্থিতিশীল দেশের জন্য সুষ্ঠু বিশ্লেষণে বিএনপির বিজয় সুনিশ্চিত, কিন্তু অন্যদিকে জামায়াতের প্রভাব দেশের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি এই মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিয়েছে, যা ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও দলের জন্য অনুকূল নয়।
