Month: August 2025

  • সেনাবাহিনীর গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, ৮ সেনাসদস্য আহত

    সেনাবাহিনীর গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, ৮ সেনাসদস্য আহত

    রাজশাহীর মোহনপুরে সেনাবাহিনীর টহল ভ্যানে ট্রাকের ধাক্কায় আট সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ভোর पाँचটায় মোহনপুর উপজেলা শহরের মডেল টাউন এলাকায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর একটি টহল দল রাতে এলাকায় টহল দিচ্ছিল। যখন তারা মডেল টাউন এলাকার কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন পেছন থেকে একটি ট্রাক দ্রুত এসে তাদের বহনকারী গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার ফলে উভয় গাড়ি সড়কের পাশে থাকা খালে পড়ে যায়, যার ফলে আট সেনাসদস্য আহত হন। তাদের দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে; এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওসি আতাউর রহমান বলেন, ‘মোহনপুর থানার মডেল টাউন এলাকায় সেনার গাড়ির ওপর ট্রাকের ধাক্কা লেগেছে, যার ফলে আট সেনা আহত হয়েছেন।’ তিনি জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদে কেউ এখনো মামলা করেনি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সেই জনপ্রিয় অধ্যাপক আর নেই

    ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সেই জনপ্রিয় অধ্যাপক আর নেই

    বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’ এর অবস্থিতি চরিত্রে অভিনয়কারী অভিনেতা অচ্যুত পোতদার আর নেই। তিনি সোমবার মহারাষ্ট্রের ঠানের জুপিটার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। পোতদার দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্য ও শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তাঁর শেষকৃত্য ঠানোয় সম্পন্ন হবে।

    সিনেমা জগতের বাইরে তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ এবং সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য। ১৯৬৭ সালে ক‍্যাপ্টেন পদে অবসর নেওয়ার পরই তিনি ইন্ডিয়ান অয়েলে চাকরি শুরু করেন, যেখানে প্রায় ২৫ বছর উচ্চপদে কাজ করেছেন। পাশাপাশি তিনি মঞ্চে অভিনয় করতেন এবং অবসরের পর অভিনেতা হিসেবে বড় পর্দায় পদার্পণ করেন ৪৪ বছর বয়সে। কিছু বছর ধরে তিনি সিনেমা ও থিয়েটারে সক্রিয় ছিলেন।

    ১৯৮০-এর দশকে হিন্দি, মারাঠি ভাষার সিনেমায় তিনি অভিনয় শুরু করেন এবং পরবর্তীতে শতাধিক সিনেমায় নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করেন। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘আক্রোশ’, ‘অর্ধসত্য’, ‘তেজাব’, ‘পরিন্দা’, ‘রাঅজু বন গয়া জেন্টেলম্যান’, ‘দিলওয়ালে’, ‘বাস্তব’, ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’, ‘দামিনী’ এবং ‘দাবাং ২’ সহ আরও অনেক।

    তবে চলচ্চিত্রে তার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়ে আসে রাজকুমার হিরানির ‘থ্রি ইডিয়টস’। এই সিনেমায় তার অসাধারণ অভিনয় দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।

    পোতদারের মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহকর্মী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার জীবন ও কর্ম যেন সবসময় মানুষের মনে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

  • মিস ইউনিভার্সে প্রথমবার অংশ নেবে ফিলিস্তিনের সুন্দরী

    মিস ইউনিভার্সে প্রথমবার অংশ নেবে ফিলিস্তিনের সুন্দরী

    চলতি বছরের নভেম্বরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা, মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এই ক gegে এবার ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করবেন একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী ও মডেল, নাদিন আইয়ুব। এটি প্রথমবারের মতো যে কোনও ফিলিস্তিনি সুন্দরী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন, যা অনেকের জন্য গর্বের বিষয়। বিষয়টি জানানো হয়েছে সিএনএনের মাধ্যমে।

    মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন (এমইউও) এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ বছরের প্রতিযোগিতায় নাদিনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। আসরটি অনুষ্ঠিত হবে নভেম্বর মাসে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুন্দরীরা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত থেকে একে অন্যের সঙ্গে পরিচিত হবেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও বৈচিত্র্য উদযাপন করবেন।

    নাদিন আইয়ুব একজন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আইনজীবী ও মডেল হিসেবে পরিচিত। তার শক্তি ও স্থিতপ্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবেই তাকে বিবৃতিে তুলে ধরা হয়েছে। এ আসরে মোট ১৩০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে সুন্দরীরা অংশ নেবে। চূড়ান্ত পর্বটি অনুষ্ঠিত হবে ২১ নভেম্বর, ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে।

    আবুধাবিতে বসবাসরত সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনাল উল্লেখ করেছে, ২০২২ সালে নিযুক্ত হন ফিলিস্তিনের মিস। তিনি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে জানিয়েছেন, তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের কণ্ঠস্বর হতে চান। তিনি লিখেছেন, ‘প্রথমবারের মতো মিস ইউনিভার্সে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। গাজায় একের পর এক হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্যে, আমি তাদের ভাষা ও শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবো। আমি প্রতিটি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুর প্রতীক, তাদের কণ্ঠস্বর হতে চাই। বিশ্ব জানুক যে, আমাদের জীবন শুধু সংগ্রামের নয়, আমাদের মধ্যে আছে সহনশীলতা, আশা ও মাতৃভূমির জন্য গভীর আবেগ।’

    ফিলিস্তিনের এই অংশগ্রহণ সেই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত যখন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গাজায় ইসরায়েলের হামলার নিন্দায় বিপুল ঝড় চলছে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে গাজায় এখন পর্যন্ত ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    এছাড়াও, এই সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে ১৪৫টির বেশি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফ্রান্স, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে, আর যুক্তরাজ্যও কিছু শর্তের ভিত্তিতে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে এগোবে।

  • শাকিব খানের ১৫ আগস্টের পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা

    শাকিব খানের ১৫ আগস্টের পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা

    গেল ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকা সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছিলেন। এ তালিকায় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খানও। তারโพস্টের কারণে বেশ কয়েকটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং তাকে কালচারাল ফ্যাসিস্টের তকমাও দেওয়া হয়। এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেন শাকিব খান।

    সাক্ষাৎকারে উঠে আসে, কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও তার পোস্টের মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, ‘জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নাম, সম্মান এবং ত্যাগের মূল্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, বরং সবার জন্য সম্মান এবং একত্রে কাজ করার মানসিকতা জোরদার করতে হবে। আমি শাকিব খান কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না এবং কোনো রাজনৈতিক পদ বা দায়িত্বও নিহিত নেই আমার মধ্যে।’

    অভিনেতা আরও জানান, ‘বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন সময় আমাকে রাজনৈতিক জগতে প্রবেশের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমি সচেতনভাবে এড়িয়ে গেছি। আমি রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করিনি। বরং সিনেমা ও ব্যক্তিগত জীবনে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে, যা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই সবাই জানেন।’

    শাকিব খান আরও বলেন, ‘আমার গত পোস্টের লক্ষ্য কেউ মনক্ষুণ্ণ হওয়া নয়। যারা এটি নিয়ে নানা গল্প ও কল্পনা করছেন, তা আমি মানি না। আমার সব কিছুই দেশের মানুষের জন্য ও দেশের জন্য।’

    বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ছেলেকে নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন এবং কিছু ব্যক্তিগত কাজ সারছেন। শীঘ্রই দেশে ফিরে আসবেন এবং নতুন ছবি সিনেমার শুটিং শুরু করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

  • বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন থালাপতি বিজয়

    বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন থালাপতি বিজয়

    তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এক বিশাল জনসভায় নিজের দলের শক্তি ও উত্থান দেখিয়ে তুলেছেন তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম (টিভিকে) প্রধান এবং জনপ্রিয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়। এই সমাবেশে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, বিজেপিকে তিনি তার দলের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একইসঙ্গে তিনি ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বাধীন বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক দেন।

    বিজয় বলেন, ‘আমাদের একমাত্র আদর্শগত শত্রু হচ্ছে বিজেপি। আর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আমাদের মূল শত্রু ডিএমকে। তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম কোনও মাফিয়া গোষ্ঠী নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সংগঠন, যারা কোনও দলে ভয় পায় না। আজ আমরা ফ্যাসিবাদী বিজেপি ও বিষাক্ত ডিএমকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই লড়াই শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য নয়, এটি একটি আদর্শের সংগ্রাম। তামিলরা কখনোই বিজেপির সঙ্গে থাকবেন না। যেমন পদ্মপাতায় জল স্থায়ী থাকে না, তেমনই তামিলদের সম্পর্কও বিজেপির সঙ্গে টিকে থাকবে না।’

    বিজয় তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, ‘সিংহের মতো যারা শুধু শিকারের জন্য বেরোায়, তারা কখনো ভয় পায় না। সিংহ কেবল শিকার করতে জানে, বিনোদনের জন্য নয়। আর সিংহ কখনো মৃত শিকার খায় না।’ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, ‘এনইইটি বাতিল করুন! পারবেন কি, মোদি? আপনার একগুঁয়েমির কারণে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা কষ্ট পাচ্ছে।’

    বিশ্লেষকদের মতে, বিজয় বর্তমানে তামিল রাজনীতিতে একটি নতুন শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। তিনি ক্ষমতাসীন ডিএমকে ও বিরোধীদল এআইএডিএমকের বাইরে একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেকে ও তার দলের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চাইছেন।

    ২০২৩ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, আর ২০২৬ সালে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন তার প্রথম বড় পরীক্ষার মত। মাদুরাইয়ের এই সমাবেশ ছিল সেই নির্বাচনী মঞ্চের অন্যতম বড় প্রদর্শনী। তিনি এই নির্বাচনকে তুলনা করেছেন স্বনির্মিত তামিল রাজনীতির দুই ঐতিহাসিক বছর ১৯৬৭ ও ১৯৭৭-এর সঙ্গে। বিজয় বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনে ১৯৬৭ ও ১৯৭৭ সালের মতো এক অসাধারণ রাজনৈতিক দাহ্য্য আওয়াজ হবে। নতুন শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।’

  • সালমান খানের পারিশ্রমিক ১০০ কোটি রুপি কমলো এক লাফে

    সালমান খানের পারিশ্রমিক ১০০ কোটি রুপি কমলো এক লাফে

    সিনেমা ও টেলিভিশন রিয়েলিটি শো— সবখানে সালমান খানের জনপ্রিয়তা অক্ষূণ রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁর বেশ কিছু ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত “সিকান্দার” সিনেমাটিও দর্শকদের মনোযোগ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এর পাশাপাশি গুঞ্জন উঠেছিল যে, তিনি টেলিভিশন রিয়েলিটি শো বিগ বস-১৯-এ অসাধারণ পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। তবে শো শুরুর আগে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠে, জানা যায় যে, সালমান খান এক লাফে প্রায় ১০০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক কম নিচ্ছেন।

  • অফগানিস্তান ঘোষণা করল বাংলাদেশ সিরিজের সূচি

    অফগানিস্তান ঘোষণা করল বাংলাদেশ সিরিজের সূচি

    এশিয়া কাপ ক্রিকেটের এই মৌসুমটি এখন অনেকটাই কাছেঅছে। আগামী মাসেই মাঠে গড়াবে এই প্রতিযোগিতা, যা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিকে, এশিয়া কাপ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল সংযুক্ত আরব আমিরাতেই অবস্থান করবে।

    এখানেই শেষ নয়, এশিয়া কাপের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতেই বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে সাদা বলের সিরিজে। আজ আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তান দল উল্লেখযোগ্যভাবে এই দেশকেই নিজেদের “হোম” হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

    প্রথমে, আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে ২ অক্টোবর, এরপর বাকিরা ৩ এবং ৫ অক্টোবর। এরপর, দুই দল ওয়ানডে ফরম্যাটে মুখোমুখি হবে। প্রথম ম্যাচ হবে ৮ অক্টোবর, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১১ এবং ১৪ অক্টোবর।

    আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নসীব খান এই সূচি ঘোষণা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে এই বহুল প্রত্যাশিত সিরিজের আতিথেয়তা দিতে আমরা গর্বিত। এই সফর আমাদের সহযোগিতার দৃঢ়তা এবং নিরপক্ষ ভেন্যুতেও উচ্চমানের ক্রিকেট উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। দর্শকরা রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখতে পাবেন এবং শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন।’

    অপর দিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সিরিজটি আয়োজনে ও ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। এই সিরিজের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে এবং একে অন্যের সঙ্গে ক্রিকেটের সম্পর্ক আরও গাঢ় হবে।’

  • জ্যোতিদের ৪৯ রানে গুঁড়িয়ে আবারো জয় অর্জন অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের

    জ্যোতিদের ৪৯ রানে গুঁড়িয়ে আবারো জয় অর্জন অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের

    বাংলাদেশ নারী দল বর্তমানে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই ভাগে ভাগ হয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সঙ্গে একত্রে তিনটি সিরিজ খেলছে। গত মঙ্গলবার চতুর্থ ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের বিরুদ্ধে, যা বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি শুরুতে ব্যাট করে বাংলাদেশ নারী লাল দল মাত্র ২০.৪ ওভারে ৪৯ রানেই অলআউট হয়। এর পরে, বালক দল সহজভাবে লক্ষ্যটা অতিক্রম করে সফল হয় আট উইকেটের ব্যবধানে, ফলে জয়টি নিশ্চিত হয়।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বালকদের ওপেনিং জুটি দুর্দান্ত শুরু করেন, ৪৪ রান যোগ করেন। যখন জয় নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন তখনই অল্প রান করতে গিয়ে উইকেট হারায় তারা। ফুয়ারা বেগমের স্পিনে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ২৪ রান করে আউট হন খেয়াল রয় ওম। এরপর ফাইয়াজ খানকে লেগ বিফোর দিয়ে ফাহিমা খাতুন উইকেটের ফাঁদে ফেলেন। ১১.৫ ওভারে ৬ রান করতে সক্ষম ওই ব্যাটার।

    এরপর ওপেনার ইরফান হোসেন আলিফ, ২৮ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন, যখন দলের জয় নিশ্চিত করেন। তার সাথে থাকেন ফাইয়াজ খান।

    অপরদিকে, বাংলাদেশ নারী দলের নারীরা ব্যাট হাতে শুরুতেই পথে আঘাত হানেন। প্রথম আঘাত আসে মাহিন হোসাইন আলিফের মাধ্যমে, তিন বলে ৪ রান করে মাঠ ছাড়েন ইশমা তানজিম। এরপর সুমাইয়া আক্তার কিছুক্ষণ খেললেও বেশি দূর যেতে পারেননি। শারমিনের সাথে ২৭ রানের জুটির পর আলিমুল ইসলাম আদিব শারমিনকে ২১ বলে ১৮ রান করে আউট করেন। শারমিনের দুর্দান্ত ১৮ রান তাকে ম্যাচের সেরা ব্যাটার করে তোলে।

    অমিত কুমার শারমিনকে ইয়র্কারে বোল্ড করে মাঠের বাইরে পাঠান। সুবর্ণা রানের খাতায় কিছুই যোগ করতে পারেননি, কল্যাণে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দলের নেতৃত্বে থাকা নিগার সুলতানা জ্যোতি ১৪ বলে মাত্র ১ রান করেন এবং আদিবের শিকার হন। এছাড়া রিতুমনিও বোল্ড হন, ফাহিমারও ব্যাটিং করার সুযোগ হয় না। শেষ পর্যন্ত, লাল দল মোট ৫ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান যোগ করে, সিরিজে তাদের প্রথম বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়। এর আগে, ওই দলের আগের ম্যাচে নারী লাল দল অলআউট হয় ৯২ রানে।

  • ভারতের তারকা ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা অবসরের ঘোষণা দিলেন

    ভারতের তারকা ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা অবসরের ঘোষণা দিলেন

    ভারতের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চেতেশ্বর পূজারা এক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার ছিলেন। ধৈর্য, দৃঢ়তা এবং অটল মানসিক শক্তির মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। অবশেষে, তিনি অবসরের ঘোষণা দেন, জানিয়ে থাকেন যে তিনি আর কখনো ভারতের জার্সি পরে মাঠে নামবেন না।

    ২০২৩ সালের জুনে ওভালে অস্ট্রেলিয়াদের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালই ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এরপর থেকে তিনি আর ভারতীয় জার্সি বলেই মাঠে দেখা যায়নি।

    অবসরের বার্তায় পূজারা লিখেছেন, “ভারতের জার্সি গায়ে চাপিয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে যখন মাঠে নেমেছি, তখন সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। সেই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে বলতে পারেন, সব ভালো কিছু শেষ হয় একদিন। তাই আমি অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানাচ্ছি, আমি ভারতীয় ক্রিকেটের সব সংস্করণ থেকে অবসর নিচ্ছি।”

    ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি ভারতের ব্যাটিংয়ের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে ‘নাম্বার থ্রি’ পজিশন ছিল তার শক্ত ঘাঁটি। তার সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারে ১০৩ টেস্টে ৭১৯৫ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ১৯ সেঞ্চুরি এবং ৩৫ ফিফটি, গড় ৪৩.৬০। দেশের মাটিতে তার গড় ছিল আরও বেশি, ৫২.৫৮।

    পূজারার নাম এলেই আসে ২০১৮-১৯ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের কথা। অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে তার তিন সেঞ্চুরি ভারতকে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে পৌঁছেছিল। এরপরই তিনি আবারও দেখিয়েছেন অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্যামেরুন হ্যাজলউড, স্টার্ক ও কামিন্সের বিপরীতে চার টেস্টে ৯২৮ বল মোকাবিলা করে তিনি দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড় করিয়েছেন। প্রতিটি ডিফেন্স ও ব্লক যেন ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভরসার স্তম্ভ হয়ে উঠেছিল।

    তাদের জন্য ক্রিকেট বিশে’ তাকে ‘দ্য ওয়াল ২.০’ নামে ডাকতে শুরু করে। কারণ, রাহুল দ্রাবিড়ের পর থেকে তিনি ভারতের টেস্ট ব্যাটিংয়ের প্রাচীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার গুণাবলীর মধ্যে গ্ল্যামারাস শট নয়, বরং কঠোর রক্ষণশীলতা এবং অটল মনোভাব ছিল তার অস্ত্র। দলকে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বারবার উদ্ধার করে তিনি জাতীয়তাবাদের এক অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।

  • স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাঁচ বছর ধরে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে উদ্যোগী হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে চলেছেন। আজ রোববার ২৪ আগস্ট তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও ঘুরে দেখেন। এই সময় তিনি বলেন, “নড়াইল বা খুলনা না হলেও নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য অনেক প্রত্যাশার শহর। এই এলাকার ক্রিকেটের ইতিহাস খুব সমৃদ্ধ। যখন আমি নিজেই ক্রিকেট শেখার জন্য মরিয়া, তখন নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখানকার বিভিন্ন লিগে খেলোয়াড়েরা দেশের অন্য প্রান্তে গিয়ে সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এখনও নারায়ণগঞ্জের মানুষের ক্রিকেট নিতান্তই হৃদয়ে চলে আসে, তাই দেখে আমি অত্যন্ত উৎসাহিত। কিন্তু মাঠের অবস্থা দেখে সত্যিই দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এখানে এক সময় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে, অথচ আজ এই মাঠের অবস্থা খুবই করুণ।”

    বুলবুল বলেন, ফতুল্লা স্টেডিয়ামের উন্নয়নের জন্য আরও বেশি নজর দেয়া দরকার। তিনি বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা এখানে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। এখন এই মাঠে আমি তিনটি উইকেট দেখেছি, যেখানে আমরা আরও নতুন উইকেট তৈরির পরিকল্পনা করছি। আমাদের লক্ষ্য এই যে, নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটাররা যেন বছরে ১২ মাস খেলা চালিয়ে যেতে পারে, এর জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকছে। এর পাশাপাশি কোচিং ও প্রশিক্ষণের সুবিধা বাড়ানো হবে। আশা করি, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে এমন উন্নয়ন ঘটবে যাতে এখানকার খেলোয়াড়েরা ঢাকায় যেতে না হয়। সবকিছু আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি আশাবাদী, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে আপনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি, কারণ আমি এই কাজগুলো করতে আত্মবিশ্বাসী। আইসিসির সদস্য থাকাকালীন আমি এসব কাজ নিজেও করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “ক্রিকেট জীবনের এই আধা-আনুষ্ঠানিক অংশটি শুধু শুরু। আমার সামনে ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা রয়েছেন। আমি জানি, এখানে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় রয়েছে, যারা আগামী দিনগুলোতে তামিম বা সাকিব হয়ে উঠতে পারেন। আমি চাই নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি করতে, যাতে ক্রিকেটাররা সব সময় খেলার মধ্যে থাকতে পারেন।”