Category: সারাদেশ

  • খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা

    খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা

    খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনされ হয়।

    সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতি বছরই আমাদের কষ্টের সাথে এই দিনটি পালন করতে হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা, আইন, শিল্প ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের উপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তারা চেয়েছিল বাংলাকে মেধাশূণ্য করে দিতে। এই চক্রান্তের অংশ হিসেবে তারা দেশের উন্নয়ন ও সভ্যতার অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা প্রায় ১১শো বুদ্ধিজীবীকে হারিয়েছি, যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। যুগযুগ ধরে যারা এই মাতৃভূমিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, তাদের অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে ও দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে তারা অনুপ্রাণিত করে যাবেন।

    প্রতি বছর এই দিবসে দেশের সর্বস্তরের মানুষ তাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুব রহমান, স্থানীয় সরকারের দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. হ. মোঃ রুহুল আমীন এবং খুলনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর। এ ছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যারা এই মহান সংগ্রামের ইতিহাস ও ত্যাগের প্রতি নিজেদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • দিঘলিয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    দিঘলিয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    দিঘলিয়ায় বাংলার মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ রোববার একটি সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হারুন অর রশিদ। এতে বিভিন্ন উপজেলা বিভাগের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় অংশগ্রহণকারীরা মহান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের অবদান ও ত্যাগের কথা স্মরণ করেন। বক্তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে বলেছিলেন, সেই সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা বাংলার সূর্য সন্তানদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা চালিয়েছিল। ১৪ ডিসেম্বরের ওই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে কেবলমাত্র ১১১১ জন বুদ্ধিজীবীকে জুলুম করে হত্যা করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    সভায় বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামীর উন্নত, সমৃদ্ধ ও নির্লোভ বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বুদ্ধিজীবী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

    আলোচনা সভায় স্থানীয় কর্মকর্তারা ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী, খাদ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা বলেন, আমাদের সকলের উচিত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নকে সম্মান জানিয়ে তাদের আদর্শ ও ত্যাগের মূলমন্ত্র কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর, ক্ষুধা মুক্ত ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    উপজেলা প্রশাসনের এই আয়োজনে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মনে এই ত্যাগের ইতিহাস উৎসাহজনকভাবে থাকায় উৎসাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

  • বাগেরহাটে জাপান প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

    বাগেরহাটে জাপান প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

    বাগেরহাটে জাপানপ্রবাসী খন্দকার রবিউল ইসলামের বাড়িতে ভোরের দিকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সুন্দরঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা তার বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সব সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ফেলেন। এরপর ঝটপট করে ১৬ ভরি স্বর্ণালংকার এবং সাড়ে তিন লাখ টাকা নগদ লুটে নেয়। খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে।

    প্রবাসীর বাবা, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা খন্দকার আবু জাফর বলেন, তখন তিনি, তার স্ত্রী এবং বড় ছেলে ও তার স্ত্রীরাও বাড়িতে ছিলেন। ভোর চারটার দিকে বাথরুমের দরজা দিয়ে বের হতে গিয়ে ডাকাতদের হাতে পড়ে যান। তারা অস্ত্র দেখিয়ে তাকে জিম্মি করে হাত, পা এবং মুখ বেঁধে ফেলেন, পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও একইভাবে জিম্মি করেন। তারপর বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে প্রায় ১৬ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতেরা ছাদে উঠে গেট ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেছিল।

    বড় ছেলে ব্যবসায়ী খন্দকার মাইনুল ইসলাম জানান, তিনি আগে জাপানে থাকতেন। ডাকাতরা তার ঘরও তছনছ করেছে এবং তাকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে। তারা আমাদের নিঃস্ব করে দিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনার আশংকা প্রকাশ করে বলে তিনি জানান।

    খন্দকার আবু জাফরের স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, ডাকাতরা তার কক্ষে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এবং মুখ গামছা দিয়ে ঢেকে রেখে লুটপাট করে। এর মধ্যে এক দল ৬জনসহ এক মেয়ে ছিল। তারা বারবার বলছিল, কোনো ক্ষতি করব না, যা আছে দিয়ে দাও। তবে বেশি বাড়াবাড়ি হলে হত্যা করা হবে বলেও তারা হুমকি দেয়।

    বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুম খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে একাধিক টিম কাজ করছে। এর আগে, ৯ ডিসেম্বর দিনদুপুরে বাগেরহাট শহরের ডাউনীস্থ পুলিশ সুপারের বাংলোর পাশে একটি বাড়িতে চুরি হয়।

  • নিজের হাতে প্যানা-সাইনবোর্ড অপসারণে বকুলের দৃষ্টান্ত

    নিজের হাতে প্যানা-সাইনবোর্ড অপসারণে বকুলের দৃষ্টান্ত

    বিএনپي ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ স্থাপন করেছেন। গতকাল শুক্রবার জুম্মা ইসলামের নামাজের আগে তিনি নিজে আওয়ামী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ হাতে বিভিন্ন স্থানে থাকা রাজনৈতিক প্যানা ও সাইনবোর্ড তুলে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেন।

    খুলনা-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় তিনি মোটরসাইকেল এবং পায়ে হাঁটার মাধ্যমে ঘুরে ঘুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার জন্য স্থাপন করা বিভিন্ন প্যানা ও সাইনবোর্ডগুলোর অপসারণ করেন। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন—“নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা আমরা অবশ্যই মানবো। আমাদের সব প্যানা ও সাইনবোর্ড দ্রুত এবং শান্তিপূর্ণভাবে খুলে ফেলতে হবে। আমরা চাই, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও আইনানুগভাবে সম্পন্ন হয়।”

    বকুল আরও বলেন, “আইন মানার মাধ্যমে আমরা সমাজে সুন্দর উদাহরণ তৈরি করতে চাই। জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে, কে তাদের সেবা করবে।”

    নেতাকর্মীরা জানান, বকুলের নির্দেশনা অনুযায়ী খুলনা-৩ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধাপে ধাপে সব প্যানা ও সাইনবোর্ড অপসারণের কাজ চলছে। স্থানীয় সাধারণ জনগণের মধ্যেও এই উদ্যোগের প্রশংসা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এর পাশাপাশি, এ গণপ্রচেষ্টায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন, যারা এই স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

  • মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে এক হয়ে কাজ করলে কোনো রকম ষড়যন্ত্রই আমাদের পরাস্ত করতে পারবে না। এই ঐক্যই আমাদের দেশকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন করে তুলবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব প্রার্থী এবং নেতাকর্মীরা একত্রে কাজ করলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে খুলনাসহ দেশের সকল ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী হবে এটি নিশ্চিত। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে সর্বস্তরের জনগণ ও দলের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে কাজ করছে। এর ফলে সকল ষড়যন্ত্র যেমনই থাকুক না কেন, তা আমাদের রুখে দিতে সক্ষম হব।

    গতকাল শুক্রবার তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর সকাল ১১টায় সোনাডাঙ্গা গোবরচাকা এলাকায় নির্বাচন প্রচারণা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। এরপর বিকেলে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে হযরত বেলাল (রাঃ) জামে মসজিদে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া-প্রার্থনার আয়োজন করেন ছাত্রদল নেতা মোঃ কামাল হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায়, এবং মসজিদের ইমাম মোঃ ওহিদুজ্জামান শাহিন দোয়া পরিচালনা করেন।

    উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক নেতা-কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যেমন—আরিফুজ্জামান অপু, ইউসুফ হারুন মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, এইচ এম সালাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, কামরুল আলম খোকন, এড. ওমর ফারুক বনি, মাবুবুর রহমান লিটু, তালেব মোল্লা, সেলিম বড় মিয়া, নাজমুল হোসেন নাসিম, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, একেএম সেলিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রুমী, মামুনুর রহমান, মত্তিয়র রহমান, সাহিদ ইসলাম, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, কবির হোসেন, জীবন মীর, মামুনুর রহমান রাসেল, নূরুজ্জামান কাজী, সুলতান হাওলাদার, ইয়াকুব পাটোয়ারী, আলাউদ্দিন মিয়া, সোলাইমান হাওলাদার ও রুমি খল প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবদান রেখে গেছেন। তার সুস্থতা আজ শুধু বিএনপি’র নয়, এর সঙ্গে জড়িত পুরো জাতির প্রত্যাশা। দলমত নির্বিশেষে, বেগম জিয়া বাংলাদেশের নেত্রী হিসেবে স্বীকৃত। তিনি বর্তমানে ১৮ কোটি মানুষের কাছে ‘মাদার ফিগার’—দেশমায়ের মর্যাদায় অভিষিক্ত। বিএনপি’র সমালোচকরাও একজন নেত্রীর প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন, কারণ মতভেদের মধ্যেও তিনি আমাদের সকলের নেতা।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলা কল্যাণ সমিতি, খালিশপুরের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী মাত্র একজন নারীর নাম বেগম জিয়া। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা তাকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে রেখেছে। ১/১১ এর সময় তার কারাদণ্ডসহ সব ধরনের রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও তিনি গণতন্ত্রের দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে তার সংগ্রাম তার প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃঢ়চিত্তের পরিচয় বহন করে। দেশের বিভিন্ন সংকট, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত আঘাত সহ্য করে তিনি ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। এই গুণ তাকে একজন মাতৃসুলভ, দৃঢ় নেত্রী হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। বর্তমানে তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে, বিপক্ষ রাজনীতির সমালোচকরা পর্যন্ত তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কারণ, তিনি কেবল এক দলের নেত্রী নন, দেশের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা অনুপ্রেরণার स्रोत। গ্রামের সাধারণ মানুষ, শহরের শ্রমজীবী, কৃষক ও প্রান্তিক মানুষদের তিনি বারবার গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর দলের নীতিতেও কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এ দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা স ম আব্দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসেন মৃধা, কাজী শফিকুল ইসলাম, মোঃ হেমায়েত উদ্দিন, শেখ মোঃ রাহাদুল হক কচি, ইঞ্জিনিয়ার শাহিন উদ্দিন, শেখ আল রুবেল, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ নাজমুল কবির, মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ আসাদ, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, বি এম মাফিজুল ইসলাম, সোহেল রানা প্রিন্স, ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হক খান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ রহিম শেখসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। পরে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও প্রয়াত সকল নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।

  • খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার ফয়লা ব্রিজের ওপর একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র উন্নত করতে আন্দোলনরত বিএনপি নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত করেছে। ঢাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট শহরে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

    বাগেরহাট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন প্রধান সড়ক অতিক্রম করে শহীদ মিনারের কাছে এসে শেষ হয় মিছিলটি। এই সময় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন এমএ সালাম, ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, মাহবুবুর রহমান টুটুল, শাহিদা আক্তার, সরদার লিয়াকত আলী, জাহিদুল ইসলাম শান্তসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ।

    মিছিলে বক্তারা বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, যা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তারা আরও বলেন, এই হামলা নির্বাচনের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা। শ্লোগানে মুখর হয়ে উঠে পুরো শহর। এরূপ হামলাকে বিদ্বেষপূর্ণ ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

    অতীতে যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে চেয়েছে, তারাই এসব হামলার পেছনে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। এমএ সালাম বলেন, হামলা যারা করেন তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর এই ঘটনার পিছনে যারা থাকুক না কেন, তৃণমূল পর্যায়ে ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সব পক্ষের কাছে।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    খুলনা মহানগর বিএনপি মহান বিজয় দিবস এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই দর্শনীয় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশদ পরিকল্পনা আলোচনা ও ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৩ ডিসেম্বর রাত ১২টায় গল্লামারি বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, যা শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও অর্পণ করা হবে। এছাড়া ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল হবে। মহান বিজয় দিবসের পালনে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্লামারি স্মৃতিসৌধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। দুপুর আড়াইটায় দলীয় কার্যালয় থেকে বিজয় র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে এই প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম তুহিন, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, সৈয়দা নর্গিস আলী, ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, কে এম এ জলিল, আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, ইস্তিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, আবু সাঈদ শেখ, মোঃ আবু নাঈম কাঝী, হাফেজ মোঃ আল-আমিন, মোঃ জুবির রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসিরউদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ একটি একটি მრავალধর্মবিশ্বাসী দেশ, যেখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলেই সমান অধিকার享 করে থাকেন। বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন স্বীকার করবে না।

    তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে যেসব দুঃসময় সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর পতিত হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে তার পুনরাবৃত্তি আর কখনো হতে দেওয়া হবে না। মন্দির, আশ্রম ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনও অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

    অতিরিক্ত তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আশেপাশের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারেন, তাহলে এলাকায় পানিবৈষম্য দূরীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করাই তার লক্ষ্য। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, উপজেলার প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদ, অর্থাৎ ভয় ও শঙ্কা মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারে, সেই জন্য চাঁদাবাজমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত একটি সমৃদ্ধ উপজেলা গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান উদ্দেশ্য।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে, ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রূপসা উপজেলার সনাতনী সমাজ আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও ধর্মীয় নেতা গণও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তিলক কুদীর, বটতলা শ্মশানকালী মন্দিরের সভাপতি বিকাশ মিত্র, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র সরদার এবং সঞ্চালন দেন রূপসা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন। শেষে বিভিন্ন অতিথি ও নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা ও ধর্মীয় নেতারা। অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।