Category: সারাদেশ

  • মোংলা সমুদ্র বন্দরের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ৯টি ‘মেঘা’ প্রকল্প অনুমোদন

    মোংলা সমুদ্র বন্দরের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের জন্য ৯টি ‘মেঘা’ প্রকল্প অনুমোদন

    বর্তমান সরকার মোংলা সমুদ্র বন্দরের দ্রুত উন্নয়ন, আধুনিকতা and সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করছে। এই লক্ষ্যে ৯টি বড় মেঘা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে এই বন্দরকে বিশ্বের মানের নৌযোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চারটি প্রকল্পের কাজ চলছে, নতুন করে আরও দুটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং আরও তিনটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর শুধু স্থানীয় অর্থনীতিই নয়, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উঠবে। ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন, কারণ ব্যবসা সহজ হবে এবং রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। ফলে মোংলা সমুদ্র বন্দর হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক, আধুনিক ও টেকসই সার্ভিস ভিত্তিক কেন্দ্র।

  • খুলনায় পরওয়ার ও বকুলসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ শুরু

    খুলনায় পরওয়ার ও বকুলসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ শুরু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনায় মনোনয়নপত্র বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত খুলনার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) খুলনা জেলা রিটার্নিং কার্যালয় থেকে প্রার্থীরা বা তাদের প্রতিনিধিরা এসব মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

    জেলা রিটার্নিং অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা-৩, খুলনা-৪, খুলনা-৫ ও খুলনা-৬ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে এই সময়ে খুলনা-১ ও খুলনা-২ আসনে কেউ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি।

    খুলনা-৪ আসনে, যেখানে তেরখাদা, দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত, এখন পর্যন্ত দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর মো. কফিলুল ইসলাম।

    এছাড়াও, খুলনা-৩ আসনে দুজন মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) শেখ আরমান হোসেন।

    খুলনা-৫ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তার পক্ষে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) এই মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন খুলনা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম কুদ্দুস।

    খুলনা-৬ আসনে, যা কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত, এখন পর্যন্ত দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী এবং জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ।

    নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীরা আগামী ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০ জানুয়ারি। এর পরে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি।

  • বিজয় দিবস উপলক্ষে চিতলমারীতে জামায়াতের র‌্যালি, আলোচনা ও দোয়া

    বিজয় দিবস উপলক্ষে চিতলমারীতে জামায়াতের র‌্যালি, আলোচনা ও দোয়া

    মহান বিজয় দিবসের মহান শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে চিতলমারী উপজেলা জামায়াত ইসলামি। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৮টায় উপজেলা মোড়ে প্রতিষ্ঠিত দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত বাগেরহাট-১ আসনের প্রার্থী, কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য, বাগেরহাট জেলা শাখার সাবেক আমীর ও বর্তমান জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান।

    উপজেলা জামায়াতে ইসলামির সভাপতি মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জাহিদুজ্জামান নান্নার সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে চিতলমারী উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি, একজন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও জামায়াতের মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম এবং মাওলানা গাজী আনিসুর রহমানসহ العديدে অনুসারী।

    আলোচনা সভার শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া শেষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ পুরো অনুষ্ঠান ছিল দেশপ্রেম ও একতা প্রদর্শনের একটি সুন্দর আয়োজন, যা দেশপ্রেমীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করে।

  • বিজয় দিবসে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া

    বিজয় দিবসে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় যথাযথ মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিজিবি।วันนี้, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৯টার দিকে, মহান বিজয় দিবসের উদ্বোধনে, বিজিবি’র কাশিপুর বিওপি’র এলাকায় অবস্থিত এই স্মৃতিসৌধে মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) ব্যবস্থাপনায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর নূর উদ্দিন আহমাদ, বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এর অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে, যেন চিরস্মরণীয় হয়, সে জন্য প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদায় এই কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবেই বিজয় দিবসের তাৎপর্য ও জাতীয় গৌরব উদযাপন করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

  • চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

    চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে মহান বিজয় দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে উদযাপিত হয়েছে। একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামে নি:শ্বাস হারানো শহীদদের স্মরণে এই দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিনটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সব বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

    ১৬ ডিসেম্বর, সঙ্গীতের সূচনা হয় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়, যা পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। এই শ্রদ্ধা নিবেদনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী এবং সাধারণ মানুষ। শহীদ মিনার চত্বরে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যেখানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সরকারের বিভিন্ন বিভাগীয় ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    সকালে ৯টার দিকে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, লাঠিখেলা ও পুরস্কার বিতরণ। এরপর সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং আলোচনা সভা হয়।

    দুপুরে বাদ যোহর মোনাজাত ও প্রার্থনা, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নত মানের খাবার পরিবেশন, বিকেলে বিজয় মেলার উদ্বোধন ও প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    এম্বেসিডিং, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সচেতন সাধারণ মানুষ। এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান, সমবায় কর্মকর্তা মোল্লা সাইফুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সড়ক কমিটির সদস্য ও প্রার্থী, জেলা দলের সাবেক আমীর ও বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার অধ্যক্ষ মোঃ মশিউর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. ফজলুল হক, জামায়াতে ইসলামী নেতা গাজী মুনিরুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জাহিদুজ্জামান নান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি, ব্যবসায়ী ও জামায়াত মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামরুল ইসলামসহ আরও অনেক ব্যক্তি ও সংগঠন। এই দিনটি ইতিহাসের গভীর স্মৃতি ও জাতির শৃঙ্খলা, ঐক্য ও স্বাধীনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে থাকে।

  • বাগেরহাটে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের স্মরণ ও উদযাপন

    বাগেরহাটে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের স্মরণ ও উদযাপন

    সারা দেশের মতো বাগেরহাটে আজকে মহান বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয় থেকেই শহরে তোপধ্বনি ও আলোর রোশনাইয়ে দিনটি শুরু হয়। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতাগুলো শুরু হয়।

    প্রথমে জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এর পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, যেমন বিচার বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাগেরহাট প্রেস-club, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পিসি কলেজ, সড়ক বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি, ইসলামী ব্যাংক ও অগ্রনী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ হয়। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুস্পস্তবক অর্পণ করে। জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো—যেমন যুবদল, মহিলা দল, ছাত্রদল—সহলে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন এই অনুষ্ঠানে।

    দিবসের দিন সকালে শহীদমুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের প্রতি মানুষের ঢল নামে, যারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের আরো এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে আটটায় জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এসময় জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বক্তব্য প্রদান করেন।

    অতপর কুচকাওয়াজ, শরীর চর্চা ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় জেলা স্টেডিয়ামে। এখানে অংশ নেয় জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও উচ্চ কলেজের ছাত্ররা।

    এদিকে, বিজয় দিবসের মহান মাহাত্ম্য স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন চালু করে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও বিসিক শিল্প নগরী। বেলা সাড়ে এগারটায় জেলা প্রশাসন ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে आयोजित হয় আলোচনা সভা, যেখানে বিভিন্ন দিক থেকে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের ইতিহাস বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়।

  • বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের Shীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আমাদের কাছে জীবন্ত। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন, তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছি। এই মহান অবদানকে কেউ ভুলতে পারে না এবং তা ভূলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি চক্রান্ত চলছে; একটি দল এই ষড়যন্ত্রে জড়িত। আজকের দিনেও বিএনপি অঙ্গীকার করছে, বাংলাদেশের স্বাধীকার ও সার্বভৌমত্বকে কেউ হারাতে দেবে না। অনেকেই ৭০ এর গণঅভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করে থাকেন, কিন্তু বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছে যে স্বাধীনতাযুদ্ধের সাথে এইসব অভ্যুত্থানের তুলনা চলে না। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট ও মাফিয়া সরকারকে পতন ঘটানো হয়েছে, যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত। এই অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই, কারণ সেই সংগ্রামই আমাদের দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম ভিত্তি। মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু সভাপতিত্বে রোববার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি হয়েও বলেন, আপনারা সবাই ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। তিনি বলেন, যদি আপনি সেই সময়ে সংগ্রাম না করতেন, তাহলে আজও হয়তো আমাদের দেশ পরাধীন থাকত। একই দিন তিনি চন্দনীমহলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে জেলা বিএনপির শেক আব্দুর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, সেতারা বেগম, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রশিদ, মৃণাল হালদার, মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন, মনির কমান্ডার, ইদ্রিস হাওলাদার প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাইফুর রহমান মিন্টু, মোজ্জামেল শরীফ, নাজমুল মোল্লা, মনির মোল্লা, কুদরতি এলাহি স্পিকার এবং অন্যান্য উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং নিজেদের মধ্যে বিভেদ না থাকে, তবে জাতীয়ভাবে যে কোনও ধরনের সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা সম্ভব। এ মন্তব্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও ঢাকা-৮ এর সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনাটি জুলিও অভ্যুত্থান নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অংশ। এই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করার জন্য সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওসমান হাদির ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ, যার পেছনে বড় শক্তি কাজ করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনটিকে বাধা দেত্তয়া। এই হামলা গুরুত্বপূর্ণ সিম্বলিক বার্তা দেয়, তারা নিজেদের শক্তির প্রদর্শন করতে চাইছে এবং নির্বাচনসহ সব ধরনের পরিস্থিতি ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই চক্রান্তগুলোকে সবমিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
    শুক্রবার সকাল ১১টায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন মঞ্জু। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যাংক শাখা ও প্রতিষ্ঠানেreeting সহ অারও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিববাড়ি মোড় এলাকার অগ্রনী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, কমার্সিয়াল ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, মিডল্যান্ড ব্যাংক ও বীমা অফিসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ছোট বয়রা খ্রিস্টান পাড়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড় দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো দেশ, সমাজ ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখা। হিংসা-বিদ্বেষ ও সহিংসতা এড়িয়ে সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়-অবিচার প্রতিরোধে সকলের প্রয়োজন।
    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় দায়িত্বশীল। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
    এ সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন এবং আরও অনেকে।

  • দেশীয় দোসরদের পরিকল্পনায় বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যা

    দেশীয় দোসরদের পরিকল্পনায় বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যা

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও কলঙ্কিত দিন। দীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে, ঠিক তখনই দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান—বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশের মেধাশূন্য করা এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে ফেলা।

  • সাতক্ষীরায় জামায়াত নির্দেশিত নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশ সদস্যের গান, বরখাস্ত

    সাতক্ষীরায় জামায়াত নির্দেশিত নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশ সদস্যের গান, বরখাস্ত

    সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আওয়ামী সাক্ষাৎকালে পুলিশের এক সদস্যের অপ্রত্যাশিত অংশগ্রহণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের পোশাক পরিহিত এক পুলিশ সদস্য জামায়াতের নির্বাচনি পথসভায় গাইছেন। এটি একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ছবি, যা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

    ঘটনাটি মূলত ৭ ডিসেম্বরের, সাতক্ষীরা শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাটিয়া আমতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায়। এই অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির মোঃ জিয়াউর রহমান সভাপতিত্ব করেন, এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মনা সঞ্চালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। পরিচিতি অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে পুলিশের ওই সদস্য—অধিকাংশের ধারণায় তিনি নড়াইল জেলার বাসিন্দা এবং আগে সাতক্ষীরা পুলিশের কর্মী—নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে গান গাইছিলেন।

    অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ মহিবুল্লাহ জানান, তিনি ওই সময় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গান গেয়েছিলেন কারণ তার সম্পর্কে অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই, এবং তিনি অনুষ্ঠান থেকে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, ওই পুলিশ সদস্য বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলার বাইরে কর্মরত। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খান নিশ্চিত করেছেন যে, ছুটি নিয়ে তিনি নিজ জেলার বাড়িতেই ছিলেন এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরেছেন। তিনি বলেন, পুলিশের পোশাক পরে কোনও রাজনৈতিক প্রচার বা প্রচারণায় অংশ নেওয়া কঠোরভাবে নিষেধ।

    এই ঘটনা জানা মাত্রই, যশোর জেলা পুলিশের নির্দেশনায়, পুলিশ মহিবুল্লাহকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। গঠনমূলক তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ছুটির সময়ে তিনি নড়াইল থেকে সাতক্ষীরা আসেন এবং নিমেষে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেন, যা পুলিশের শিষ্টাচার ও পেশাদারিত্বের তাৎপর্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এ বিষয়ে রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।