Category: সারাদেশ

  • বাগেরহাটে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের স্মরণ ও উদযাপন

    বাগেরহাটে নানা আয়োজনে মহান বিজয় দিবসের স্মরণ ও উদযাপন

    সারা দেশের মতো বাগেরহাটে আজকে মহান বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদা ও আনন্দের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয় থেকেই শহরে তোপধ্বনি ও আলোর রোশনাইয়ে দিনটি শুরু হয়। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির সূচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতাগুলো শুরু হয়।

    প্রথমে জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এর পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, যেমন বিচার বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাগেরহাট প্রেস-club, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পিসি কলেজ, সড়ক বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি, ইসলামী ব্যাংক ও অগ্রনী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ হয়। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুস্পস্তবক অর্পণ করে। জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো—যেমন যুবদল, মহিলা দল, ছাত্রদল—সহলে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন এই অনুষ্ঠানে।

    দিবসের দিন সকালে শহীদমুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভের প্রতি মানুষের ঢল নামে, যারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের আরো এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে আটটায় জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এসময় জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বক্তব্য প্রদান করেন।

    অতপর কুচকাওয়াজ, শরীর চর্চা ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় জেলা স্টেডিয়ামে। এখানে অংশ নেয় জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও উচ্চ কলেজের ছাত্ররা।

    এদিকে, বিজয় দিবসের মহান মাহাত্ম্য স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন চালু করে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও বিসিক শিল্প নগরী। বেলা সাড়ে এগারটায় জেলা প্রশাসন ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে आयोजित হয় আলোচনা সভা, যেখানে বিভিন্ন দিক থেকে দেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের ইতিহাস বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়।

  • বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপি বলেছে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা আমরা করবই

    বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের Shীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আমাদের কাছে জীবন্ত। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধের জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, আহত হয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন, তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছি। এই মহান অবদানকে কেউ ভুলতে পারে না এবং তা ভূলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি চক্রান্ত চলছে; একটি দল এই ষড়যন্ত্রে জড়িত। আজকের দিনেও বিএনপি অঙ্গীকার করছে, বাংলাদেশের স্বাধীকার ও সার্বভৌমত্বকে কেউ হারাতে দেবে না। অনেকেই ৭০ এর গণঅভ্যুত্থানকে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তুলনা করে থাকেন, কিন্তু বিএনপি স্পষ্টভাবে বলেছে যে স্বাধীনতাযুদ্ধের সাথে এইসব অভ্যুত্থানের তুলনা চলে না। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট ও মাফিয়া সরকারকে পতন ঘটানো হয়েছে, যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত। এই অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই, কারণ সেই সংগ্রামই আমাদের দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম ভিত্তি। মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টু সভাপতিত্বে রোববার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি হয়েও বলেন, আপনারা সবাই ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। তিনি বলেন, যদি আপনি সেই সময়ে সংগ্রাম না করতেন, তাহলে আজও হয়তো আমাদের দেশ পরাধীন থাকত। একই দিন তিনি চন্দনীমহলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে জেলা বিএনপির শেক আব্দুর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, সেতারা বেগম, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রশিদ, মৃণাল হালদার, মাস্টার সাখাওয়াত হোসেন, মনির কমান্ডার, ইদ্রিস হাওলাদার প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাইফুর রহমান মিন্টু, মোজ্জামেল শরীফ, নাজমুল মোল্লা, মনির মোল্লা, কুদরতি এলাহি স্পিকার এবং অন্যান্য উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

  • সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    সকল ধর্মের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় সজাগ: মঞ্জু

    গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং নিজেদের মধ্যে বিভেদ না থাকে, তবে জাতীয়ভাবে যে কোনও ধরনের সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা সম্ভব। এ মন্তব্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও ঢাকা-৮ এর সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনাটি জুলিও অভ্যুত্থান নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রের অংশ। এই অভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করার জন্য সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওসমান হাদির ওপর হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ, যার পেছনে বড় শক্তি কাজ করছে। ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনটিকে বাধা দেত্তয়া। এই হামলা গুরুত্বপূর্ণ সিম্বলিক বার্তা দেয়, তারা নিজেদের শক্তির প্রদর্শন করতে চাইছে এবং নির্বাচনসহ সব ধরনের পরিস্থিতি ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই চক্রান্তগুলোকে সবমিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
    শুক্রবার সকাল ১১টায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন মঞ্জু। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যাংক শাখা ও প্রতিষ্ঠানেreeting সহ অারও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শিববাড়ি মোড় এলাকার অগ্রনী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, কমার্সিয়াল ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, মিডল্যান্ড ব্যাংক ও বীমা অফিসসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ছোট বয়রা খ্রিস্টান পাড়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড় দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো দেশ, সমাজ ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে ভূমিকা রাখা। হিংসা-বিদ্বেষ ও সহিংসতা এড়িয়ে সত্যিকারের শান্তি প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়-অবিচার প্রতিরোধে সকলের প্রয়োজন।
    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের ধর্মীয়, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বিএনপি সব সময় দায়িত্বশীল। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
    এ সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন এবং আরও অনেকে।

  • দেশীয় দোসরদের পরিকল্পনায় বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যা

    দেশীয় দোসরদের পরিকল্পনায় বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যা

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ও কলঙ্কিত দিন। দীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন বাংলাদেশ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে, ঠিক তখনই দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান—বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশের মেধাশূন্য করা এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে ফেলা।

  • সাতক্ষীরায় জামায়াত নির্দেশিত নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশ সদস্যের গান, বরখাস্ত

    সাতক্ষীরায় জামায়াত নির্দেশিত নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশ সদস্যের গান, বরখাস্ত

    সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আওয়ামী সাক্ষাৎকালে পুলিশের এক সদস্যের অপ্রত্যাশিত অংশগ্রহণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের পোশাক পরিহিত এক পুলিশ সদস্য জামায়াতের নির্বাচনি পথসভায় গাইছেন। এটি একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ছবি, যা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

    ঘটনাটি মূলত ৭ ডিসেম্বরের, সাতক্ষীরা শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাটিয়া আমতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এক পথসভায়। এই অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির মোঃ জিয়াউর রহমান সভাপতিত্ব করেন, এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মনা সঞ্চালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। পরিচিতি অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে পুলিশের ওই সদস্য—অধিকাংশের ধারণায় তিনি নড়াইল জেলার বাসিন্দা এবং আগে সাতক্ষীরা পুলিশের কর্মী—নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে গান গাইছিলেন।

    অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ মহিবুল্লাহ জানান, তিনি ওই সময় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গান গেয়েছিলেন কারণ তার সম্পর্কে অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই, এবং তিনি অনুষ্ঠান থেকে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, ওই পুলিশ সদস্য বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলার বাইরে কর্মরত। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খান নিশ্চিত করেছেন যে, ছুটি নিয়ে তিনি নিজ জেলার বাড়িতেই ছিলেন এবং ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরেছেন। তিনি বলেন, পুলিশের পোশাক পরে কোনও রাজনৈতিক প্রচার বা প্রচারণায় অংশ নেওয়া কঠোরভাবে নিষেধ।

    এই ঘটনা জানা মাত্রই, যশোর জেলা পুলিশের নির্দেশনায়, পুলিশ মহিবুল্লাহকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। গঠনমূলক তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ছুটির সময়ে তিনি নড়াইল থেকে সাতক্ষীরা আসেন এবং নিমেষে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেন, যা পুলিশের শিষ্টাচার ও পেশাদারিত্বের তাৎপর্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এ বিষয়ে রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • রাষ্ট্র সংস্কার: ৩১ দফার ভিত্তিতে নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা

    রাষ্ট্র সংস্কার: ৩১ দফার ভিত্তিতে নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বিগত সরকারের সময় জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও জবাবদিহির সংস্কৃতি ধ্বংস করা হয়েছিল। এই কারণে জনগণ ভোট দিতে পারেনি এবং সরকারও তাদের ভালো-মন্দের কোনও দায়িত্ববোধ ছিল না। তিনি জানান, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন দেশের মুক্তির জন্য ৩১ দফার একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ, যা দেশের উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করবে। রোববার বিকেলে নগরীর খালিশপুরে আনসার উদ্দিন সড়কে অনুষ্ঠিত এক স্থানীয় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তিনি বলেন।

    বকুল আরও বলেন, “শেখ হাসিনা পালানোর আগেই আমাদের নেত্রী তারেক রহমান এই ৩১ দফা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, স্বৈরাচারী শাসন কায়দায় দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা সম্ভব নয়। এই দফাগুলো শুধুমাত্র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, এটি আগামীর বাংলাদেশের জন্য স্পষ্ট একটি পরিকল্পনা।”

    বিগত সরকারের অনুকুলে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “গত দুই সরকার কালো টাকা লুটপাটে লিপ্ত ছিল এবং জনগণের ভোটাধিকারের আওতা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ, সরকার দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলে।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের স্বার্থে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রত্যেক পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করে প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও সেবা পাওয়া নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চালু হবে হেলথ কার্ড, যার মাধ্যমে বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে।”

    বেকারত্ব দূরীকরণ ও শিল্পায়নের পরিকল্পনা উল্লেখ করে তিনি বললেন, “প্রথম ধাপে এক কোটি যুবককে বেকার ভাতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়া হবে। খুলনাসহ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে পুরনো কলকারখানা আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে পুনরায় চালু করা হবে, যাতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়।”

    তাঁরা আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশে আর কোনও অন্যায়-অবিচার হবে না।”

    সভায় এলাকাবাসীর প্রতি সামাজিক সচেতনতা ও মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান জানানো হয় এবং প্রত্যেক মহল্লায় সমস্যা সরাসরি শুনে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনগণ।

  • খুলনায় অস্ত্র তৈরির কারখানা নির্মাণের সত্য ঘটনা উন্মোচিত

    খুলনায় অস্ত্র তৈরির কারখানা নির্মাণের সত্য ঘটনা উন্মোচিত

    খুলনায় একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে অস্ত্রের অংশ তৈরি সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পুলিশি অভিযানে কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়, যার মাধ্যমে অন্তত ৩০টি অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব ছিল। তদন্ত শেষে জানা গেছে, এই অস্ত্র নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি (নেভাল সেকশন) ক্যাডেটদের জন্য প্রশিক্ষণের জন্য ডামি অস্ত্র তৈরি করা।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতের দিকে খুলনা নগরীর জোড়াগেট এলাকার একটি গলিতে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ উদ্ধার করে কারখানার ভিতর থেকে অস্ত্রের ছাঁচ, সীসা, ট্রিগার, ট্রিগার গার্ড এবং ৩০টি অস্ত্রের নির্মাণের সরঞ্জাম। একই সঙ্গে কারখানা পরিচালনাকারী মো. নজরুল ইসলাম, আকবর আলী, শহিদুল ইসলাম ও পিকলুকে আটক করা হলেও পরে খালাস দেওয়া হয়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এই কারখানাতে অস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করে আসছিল। এর আগে এই কারখানা থেকে তৈরি অস্ত্রের চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে এই নির্মাণ প্রক্রিয়াতে অস্ত্রের মূল অংশ সংযোজন অন্য কোথাও করা হতো।

    অভিযানের সময় খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি তৈমুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় বর্তমানে তিনজনকে আটক করেছি। মূল কারিগরকে ঈশ্বরদী থেকে আনা হয়েছে। এখানে অস্ত্রের বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছিল, যেমন ট্রিগার, ট্রিগার গার্ড ও অন্যান্য খুচরা জিনিস।’

    ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএনসিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ প্রকাশ পায়। যেখানে দেখা যায়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি প্লাটুনের (সেনা, নৌ ও বিমান শাখা) জন্য কিছু আধুনিক কাঠের অস্ত্র তৈরি করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা এবং আদেশ জারি করা হয়েছিল। ওই আদেশটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত এবং গাজী ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের ঠিকানাও উল্লেখ ছিল।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্ত্রগুলি ডামি অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হচ্ছিল, যা মূলত প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতো। বিএনসিসি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলানো হয়েছে, এসব অস্ত্র আসলে বাস্তব নয়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার তাজুল ইসলাম এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানিয়ে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে, এবং পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএনসিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এগুলো ডামি অস্ত্র। এরপর আটককৃত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা তাদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও 강화 করা হবে।

  • বাগেরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

    বাগেরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

    সারাদেশের মতোই বাগেরহাটে আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের মূল অনুষ্ঠানে সকাল ৯টায় শহরের বধ্যভূমিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রথমে জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিদুর রহমান ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শহীদদের স্মরণে গার্ড অব অনার প্রদান ও এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জেলা আইনজীবি সমিতি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এলজিইডি, সড়ক বিভাগ, যুব দল, মহিলা দল, ছাত্রদল ও বিভিন্ন স্কুল কলেজ। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহররক্ষা বাধ সংলগ্ন বধ্যভূমিতে অনুষ্ঠিত হয় একটি আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগ বাগেরহাটের উপ-পরিচালক ডা. মোঃ ফখরুল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর আজাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিদুর রহমান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। বক্তারা ভাষণে বলেন, ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জন্য এক বেদনাদায়ক দিন। এ দিনই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বুঝতে পেরেছিল তারা পরাজিত হয়েছে। এই দিন তারা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য শহীদ বুদ্ধিজীবিদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সারাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে পাক হানাদার বাহিনী শেষের নৌকা টেনে নিয়ে যায়। এই শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ফলেই আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। আজকের এই স্মরণসভা আমাদের জন্য এক গৌরবময় অনুপ্রেরণা।

  • খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা

    খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা

    খুলনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৫ উপলক্ষে আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনされ হয়।

    সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতি বছরই আমাদের কষ্টের সাথে এই দিনটি পালন করতে হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা, আইন, শিল্প ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের উপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তারা চেয়েছিল বাংলাকে মেধাশূণ্য করে দিতে। এই চক্রান্তের অংশ হিসেবে তারা দেশের উন্নয়ন ও সভ্যতার অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা প্রায় ১১শো বুদ্ধিজীবীকে হারিয়েছি, যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। যুগযুগ ধরে যারা এই মাতৃভূমিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, তাদের অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে ও দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে তারা অনুপ্রাণিত করে যাবেন।

    প্রতি বছর এই দিবসে দেশের সর্বস্তরের মানুষ তাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুব রহমান, স্থানীয় সরকারের দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা, খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. হ. মোঃ রুহুল আমীন এবং খুলনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর। এ ছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যারা এই মহান সংগ্রামের ইতিহাস ও ত্যাগের প্রতি নিজেদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • দিঘলিয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    দিঘলিয়ায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    দিঘলিয়ায় বাংলার মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ রোববার একটি সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হারুন অর রশিদ। এতে বিভিন্ন উপজেলা বিভাগের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় অংশগ্রহণকারীরা মহান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের অবদান ও ত্যাগের কথা স্মরণ করেন। বক্তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে বলেছিলেন, সেই সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা বাংলার সূর্য সন্তানদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা চালিয়েছিল। ১৪ ডিসেম্বরের ওই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে কেবলমাত্র ১১১১ জন বুদ্ধিজীবীকে জুলুম করে হত্যা করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    সভায় বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামীর উন্নত, সমৃদ্ধ ও নির্লোভ বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বুদ্ধিজীবী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

    আলোচনা সভায় স্থানীয় কর্মকর্তারা ছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী, খাদ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তারা বলেন, আমাদের সকলের উচিত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নকে সম্মান জানিয়ে তাদের আদর্শ ও ত্যাগের মূলমন্ত্র কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর, ক্ষুধা মুক্ত ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    উপজেলা প্রশাসনের এই আয়োজনে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মনে এই ত্যাগের ইতিহাস উৎসাহজনকভাবে থাকায় উৎসাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।