Category: সারাদেশ

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হবে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যে নতুন, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একজন মানুষের নেতৃত্বে অগ্রসর হতে হবে— তিনি হচ্ছেন দেশের নেত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের বিকল্প কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।

    সোমবার বিকেলে পাবলা খানপাড়া বাসীর লোকজনের সঙ্গে, ৫নং ওয়ার্ড, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র আয়োজনে আয়োজিত এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বকুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হয়ে গেছে। এখন তারা পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। তারা এক এমন বাংলাদেশ চায় যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সেই স্বপ্ন সফল করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বই সবচেয়ে কার্যকর এবং বাস্তবসম্মত। তিনি আহ্বান জানান আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশের নেত্রী তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে। বকুল বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, এটি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও দেশের ভবিষ্যত রক্ষার প্রবল পদক্ষেপ। ধানের শীষে ভোট মানে মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের পক্ষে ভোট।

    খান জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ও আলোচকরা जैसे মাওলানা মুফতি নূর মোহাম্মদ, খন্দকার আলমগীর কবির, মোঃ খায়রুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম পিয়াস, আলহাজ্ব ইসরাফিল সরদার, সরদার রফিকুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরীফ খান, আছিয়া খাতুন আশা, শাহিন আজাদ খান মিঠু প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার প্রস্তাব দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। এই সংস্কার বাস্তবায়নে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তারা ভবিষ্যতে বিএনপির সকল কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • খালেদা জিয়া আজ দেশের ন্যায়ের প্রতীক: প্রধান বক্তা

    খালেদা জিয়া আজ দেশের ন্যায়ের প্রতীক: প্রধান বক্তা

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ শুধু দলের নেত্রীই নন, তিনি দেশের জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য প্রতীক। আল্লাহ তায়ালা তাকে যে সম্মান এবং মর্যাদা দিয়েছেন, সেটি শত চেষ্টায়ও যারা এই মহানুভবতার নজিরকে অস্বীকার করতে পারেনি, তাদের সে মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে পারেনি।

    গতকাল রোববার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের কুদ্দুস মেম্বরের বাড়িতে মহিলা দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দেশের মুক্তির জন্য সংগ্রামের দৃঢ়তার প্রতীক। তাঁর কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে দেশবাসী অনুপ্রাণিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকছে।

    দোয়া মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এমএ মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, জাবেদ হোসেন মলি­ক, বিকাশ মিত্র, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মিকাইল বিশ্বাস, কবির শেখ, সাইফুল, আজিজুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম রেজা, নয়ন মোড়ল, মোঃ রয়েল সহ মহিলা দলের নেত্রী শাহানাজ বেগম, মনিরা সুলতানা ও রোকসানা বেগম। এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন।

  • গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের সঙ্গে নেয় বিএনপি নেতৃত্ব

    গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণের সঙ্গে নেয় বিএনপি নেতৃত্ব

    বিএনপি এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যা সব সময় জনগণের সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক গণআন্দোলন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিএনপির ভুমিকা ছিল ঐতিহাসিক। রোববার নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের আপাম্পরা মহলদের সঙ্গেআয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রকিবুল ইসলাম বকুল জানান, স্বাধীনতা সংগ্রামে মূল ভুমিকা ছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং অস্ত্র হাতে নিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া, গত ২৪ জুলাই আন্দোলনে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের জন্য তিনি বলেন, এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে সঙ্গে রাখুন।” বর্তমান সময়ে চলমান ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্রের ফল কিছু হবে না, ইনশাল্লাহ, জনগণের শক্তি এগিয়ে থাকবে।

    খুলনা-৩ আসনে উন্নয়নের জন্য তিনি উল্লেখ করেন, “আল্লাহর রহমত হলে আমি নির্বাচিত হলে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, কর্মসংস্থান ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমার অঙ্গীকার।”

    মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর আবু সালেক, ফজলে হালিম লিটন, লিয়াকত হোসেন, আফরোজা জামান, মোজাফফর মাতুব্বরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। একই দিনে খালিশপুর থানাধীন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক নেতাকর্মী, যারা বলেন, মানবতার জন্য কাজ করতে হলে মানবিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও জনগণের ন্যায্য দাবিদাওয়ার জন্য সবাই একযোগে কাজ করতে হবে।

  • গণতন্ত্রের সামনে অগণতান্ত্রিক শক্তির টিকে থাকাই সম্ভব নয়

    গণতন্ত্রের সামনে অগণতান্ত্রিক শক্তির টিকে থাকাই সম্ভব নয়

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে গণপ্রত্যাশা এবং গণআকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। পুরো জাতি চেয়েছে নির্দ্বিধায় সত্যিই একটি পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র stabil করতে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গণতন্ত্রের পথে যারা অগণতান্ত্রিক শক্তি টিকতে চায়, তারা ব্যর্থ হবে। যারা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিচ্ছেন, তাদের সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে, একটি সমাজে সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিক সম্পদ বৃদ্ধি ঘটাতে চান। এই ভাবনা সফল হলে দেশটি আরও শক্তিশালী হবে। দেশের জনগণের স্বপ্ন পূরণে, বিএনপির বিজয় মানেই সত্যিই জনগণের বিজয়।

    রোববার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কর্পোরেশন লিমিটেডের টাউন সাব-পোস্ট অফিস, কেসিসি সুপার মার্কেট, সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, শিপিং ট্রান্সপোর্ট, শিকদার গফফার টাওয়ার, পিসি রায় রোড, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও জেলা সমবায় কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যেখানে তিনি খুলনা-২ আসনের প্রার্থী হিসেবে তাঁর নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

    বুধবার বাদ আছর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে আবু তালেব মোল্লার সভাপতিত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি। এর পর দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা ওমর ফারুক।

    সন্ধ্যায় ২৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন ওয়ার্ড সভাপতি নাজমুন নাহার সীমা। এছাড়াও, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড গগণ বাবু রোডে বাবলু দোবে ও দানিয়াল পরিচালিত অনুষ্ঠানে এবং যোসেফ পাড়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড়দিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন তিনি।

    উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, নেতাকর্মী এবং স্থানীয় নেতা নেত্রীরা, যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিডিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা ও দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় এনসিপির শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় এনসিপির শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় এক শ্রমিক নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় নেতাকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, খুলনা এখন অচল হয়ে পড়ছে সন্ত্রাসের কবলে। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে সোনাডাঙ্গা এলাকায় এনসিপি’র খুলনা বিভাগের প্রধান এবং শ্রমিক সংগঠক মোতালেব শিকদারকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে এনসিপি’র যুগ্ম মুখপাত্র ডা. মাহমুদা মিতু জানান, প্রকাশ্যে গুলি চালানোর পর মোতালেব শিকদারকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার কানে গুলির ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তার অবস্থা গুরুতর। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অনিমেষ মন্ডল এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়েছে, এবং প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গুলির শিকার ব্যক্তি মোতালেবের কানে গুলি লেগেছে। পরবর্তীতে তার মাথার সিটি স্ক্যানের জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়। এনসিপি’র খুলনা জেলা ও মহানগর সংগঠক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, খুলনা এখন সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি এখানে অপ্রীতিকর ঘটনা যেমন গোলাগুলি, লাশের মিছিল যোগায় আরও বেশি আঘাত। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নীরবতা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক, কারণ সন্ত্রাসীরা ভয়ঙ্করভাবে উঠেপড়ে লেগেছে। বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্র শেখ বাড়ি, আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে খুলনাকে অস্থির করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সাধারণ মানুষ মনে করে, পুলিশের গোপন নীতির কারণে these অপরাধীরা সহজেই জামিন নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের মদদ, যারা খুলনাকে খুনোখুনির নগরে পরিণত করেছেন। এলাকাবাসী বলেন, তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চায়, কারণ জীবন ঝুঁকির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

  • নি:শেষ বিদায়: সময়ের খবর সম্পাদক তরিকুল ইসলামের শাশুড়ীর ইন্তেকাল

    নি:শেষ বিদায়: সময়ের খবর সম্পাদক তরিকুল ইসলামের শাশুড়ীর ইন্তেকাল

    দৈনিক সময়ের খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ তরিকুল ইসলামের শাশুড়ি হামিদা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল রোববার বিকেল ৫টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মরহুমার বিদেহী আত্মার জন্য আমরা দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই ছেলে, চার মেয়ে, নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ সোমবার ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার জামে মসজিদে মরহুমার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাগেরহাটের কচুআই পৈতৃক বাসস্থানে স্বামীর কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন হবে।

    সময়ের খবর সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলামের শাশুড়ির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সময়ের খবর পরিবার। শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন বার্তা সম্পাদক মাসুদুর রহমান রানা, মফস্বল সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু, সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, নিজস্ব প্রতিবেদক আবদুল্লাহ্ আল মামুন, আল মাহমুদ প্রিন্স, নূর ইসলাম রকি, রামিম চৌধুরী, ফটো সাংবাদিক আর জি উজ্জল, এইচ ডি হেলাল ও অনলাইন ইনচার্জ মোঃ ইমরান খানসহ সাংবাদিক ও কর্মচারীরা।

    খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল ও অন্যান্য সদস্যরা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

    এছাড়াও, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনা এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) পক্ষ থেকেও শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। এমইউজের সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নূরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা ও অন্য নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

  • মহানগর বিএনপি আনন্দ মিছিলকাল ও থানায় ২৩ ডিসেম্বর

    মহানগর বিএনপি আনন্দ মিছিলকাল ও থানায় ২৩ ডিসেম্বর

    নগর বিএনপি আগামী ২২ ডিসেম্বর সোমবার মহানগরীতে আনন্দ র‌্যালি করবে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের শুভ مناس earm। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেবে নগরীর বিভিন্ন থানার নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, ২৩ ডিসেম্বর মহানগরীর পাঁচটি থানায় পৃথক পৃথক আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত শনিবার সন্ধ্যায় মহানগর বিএনপির বিশেষ প্রস্তুতি সভায় নেওয়া হয়। শনিবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিএনপির এ প্রস্তুতি সভা, যেখানে আগামী ২৫ ডিসেম্বর জাতির জনক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম তুহিন। তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক ও আনন্দের দিন। দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার পর তারেক রহমানের ফেরাটা দেশের জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও উদ্দীপনা জাগাবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি এখন একসঙ্গে, রাস্তায়ই প্রমাণ হবে কার পক্ষে জনগণ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে। এতে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, থানা সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, আবু সাঈদ হাওলাদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, মুক্তিযোদ্ধা নেতা আলমগীর হোসেন, মজিবুর রহমান, মিজানুর রহমান মিলটন, আখতারুজ্জামান সজিব, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, কাজী মিজানুর রহমান মিজান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সবাই অভিনন্দন জানিয়ে ২২ ডিসেম্বর বিকেল তিনটায় দলের কার্যালয় থেকে র‌্যালি আয়োজন করবে। পাশাপাশি, ২৩ ডিসেম্বর নগরীর সব থানার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নিজ নিজ ব্যানার নিয়ে আনন্দ মিছিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের 안정তা নষ্ট করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাইছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেন, এই গোষ্ঠী গণতান্ত্রিক পথ থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যা দেশের অগ্রগতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি দেশের শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অপশক্তিকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করে তাদের রুখে দিতে হবে, কারণ এত রক্তক্ষয় ও সংগ্রামের মাধ্যমে যে দেশটি স্বাধীন হয়েছে, তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, এতে আমরা কেউই সম্মত নই।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে হরিজন কলোনী ও ময়লাপোতা কলোনীর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কলোনীর সভাপতি প্রদীপ বাবুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি লাল মিয়া। সন্ধ্যা ৭টায় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সাধু ফ্রান্সিস কলোনী ও খ্রিস্টানপাড়ায় রিপন শংকর এর পরিচালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। তিনি সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন also জানান।

    অন্যদিকে, সেন্ট জেভিয়ার্স পাড়ায় বীরান বৈরাগী, সমদেব ও মাইকেল পান্ডের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানেও তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। দেশের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোল্লাপাড়া বাইতুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দোয়ায় অংশ নেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং অন্য প্রখ্যাত ব্যক্তিরা। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম ফজলুল কাদের।

    উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মো. শাহজাহান, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আফসার উদ্দিন মাস্টার, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু এবং অন্যান্য। এই সব অনুষ্ঠানে তিনি সকলের কাছে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য দোয়া ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন।

  • কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার ঘনঘটায় চুয়াডাঙ্গার মানুষ এখন তীব্র শীতের মুখোমুখি। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকা এই সময়টায় শীতের প্রকোপ আরও অনুভূত হচ্ছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উত্তরের হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা এবং তাপমাত্রা হ্রাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দিন ও রাতে তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকায় এই শীত আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই মৌসুমে দুদিন ধরে টানা শীতজনিত কারণে জনজীবন কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর আগের দিন, শনিবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা রোববার নেমে এসেছে ১৩.৬ ডিগ্রিতে। এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় দেড় ডিগ্রি কমে গেছে। অপর দিকে, শুক্রবার দুপুর ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রী, যা শনিবার দুপরে কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২০.২ ডিগ্রীতে। সে দিন আকাশ কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। শীতের এই তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে জেলা সদরসহ আশেপাশের হাসপাতালগুলোয় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্ধকার কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঠান্ডার প্রভাবে রাস্তাঘাটেও মানুষের উপস্থিতি কম দেখা যাচ্ছে, যেন সবকিছুই হিমশীতল হয়ে উঠেছে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আর কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের এই অব্যাহত প্রবাহ চলমান রয়েছে।

  • তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    মাদক থেকে যুবসমাজের মুক্তি ও এক সুস্থ, শক্তিশালী জাতি গঠনের লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প কিছুই নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধান শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। শনিবার বিকেলে মহেশ্বরপাশা ফিউশন কমিউনিটি আয়োজিত ‘যুব সমাজের উদ্যম, খেলাধুলার চেতনায় গড়া উন্নত আগামীর প্রত্যয়ে’ শিরোনামের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথাই ব্যক্ত করেন।

    বকুল বলেন, বর্তমানে আমাদের যুবসমাজ মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত। এই মারাত্মক পরিস্থিতি থেকে তরুণদের নিরাপদে রাখতে হলে তাদের আবার খেলাধুলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে। খেলাধুলাই পারে শান্তি, আনন্দ এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া কেবল শরীরচর্চার জন্য নয়, এটি একটি জাতীয় উন্নয়নের শক্তিশালী হাতিয়ারও। আরো বেশি মাঠমুখী তরুণ সমাজই পারে একটি সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। খুলনা সহ পুরো দেশকে মাদকমুক্ত করার আন্দোলনে খেলাধুলা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের বিজয়ী দল ‘মর্নিং বয়েজ ক্লাব’ এবং রানার্সআপ ‘এসএফসি ক্লাব’-এর খেলোয়াড়দের পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বেশি সামাজিক ও ক্রীড়া উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন দৌলতপুর থানার বিএনপি সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ গাউস হোসেন, আশরাফ হোসেন ও কাওসার মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন ও সঞ্চালনায় ছিলেন এস এম জসিম। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।