Category: সারাদেশ

  • নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় পবিত্র সরকার গ্রেফতার

    নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় পবিত্র সরকার গ্রেফতার

    নগরীতে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এক মামলায় পবিত্র কুমার সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে গত রোববার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পবিত্র সরকার বটিয়াঘাটা উপজেলার মৃত তারাপদ সরকার পরিবারের সন্তান। তার বিরুদ্ধে বহু গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে।তিনি বিএনপির সমাবেশে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাতের চক্রান্ত, মাদক চোরাচালান, সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং খুলনায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার জন্য অর্থ তহবিল সরবরাহের মতো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে সততার সঙ্গে তদন্তে আছেন।

  • নগরীতে অব্যবহৃত সরকারি জমিতে বিনোদনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে

    নগরীতে অব্যবহৃত সরকারি জমিতে বিনোদনের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু অব্যাহত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, নগরবাসী যেন তাদের বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলির পূর্ণ সুবিধা পেতে পারে। খুলনায় বোটানিক্যাল গার্ডেন, খেলার মাঠসহ মানসম্পন্ন বিনোদন কেন্দ্রের অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, নগরীতে অনেক সরকারি জমি এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই অপ্রয়োজনে পড়া জমিগুলোর বিকল্প ব্যবহার করে অবকাশ ও বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্য নিয়ে নগরীর ৭নং ঘাট এলাকা পরিদর্শন করে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, জার্মান সরকারের অর্থায়নে পূর্বে এই এলাকাটির উন্নয়ন ও সন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিল, জার্মান সরকারের সাত সদস্যের পার্লামেন্ট সদস্য এবং জার্মান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত খুলনায় সফর করবেন, যেখানে তারা এই প্রকল্পগুলির সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। এর আগের প্রস্তুতি হিসেবে, গতকাল বিকেলে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর পরিস্থিতি নিজেই পরিদর্শন করেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, সিসিএইউডি, এএমসি প্রকল্পের টীম লিডার মেহেদী হাসান, কেসিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, উপসহকারী প্রকৌশলী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি। এছাড়া, পরবর্তীতে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রূপসা ঘাটসহ ঘাট সংলগ্ন পোর্টুন ও গ্যাংওয়ের বর্তমান অবস্থা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

  • বেনাপোলে ক্রেনের তার ছিঁড়ে শ্রমিক নিহত, অপরজন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায়

    বেনাপোলে ক্রেনের তার ছিঁড়ে শ্রমিক নিহত, অপরজন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায়

    বেনাপোল স্থলবন্দরে ক্রেনের সিলিং তার ছিঁড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু এবং অপর একজনের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে টিটিআই মাঠে ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশি ট্রাকে লোহার সিট খালাস (আনলোড) করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী জানান, ক্রেনের দড়ি ছিঁড়ে ঘটনাস্থলে দুইজন শ্রমিক মারাত্মকভাবে আহত হন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে শাহজাহান আলীর (৫৬) মৃত্যু হয়। অপর আহত শ্রমিক সোহেল হোসেন (৫২) বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    নিহত শাহাজাহান আলী বেনাপোল পোর্ট থানার বেনাপোল (পাঠবাড়ি) গ্রামের আফতাবের ছেলে। আহত সোহেল হোসেন একই থানার সাদিপুর গ্রামের মোস্তফার ছেলে। উভয়েই বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: ৮৯১)-এর সদস্য বলে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নিশ্চিত করেছেন।

    শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষায় দেখা যায়, পথিমধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে; অপর শ্রমিককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁর অবস্থার প্রতি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা লক্ষ্য রাখছেন।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) পলাশ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে অসাবধানতাবশত ক্রেনের তার ছিঁড়লে দুইজন শ্রমিক আহত হয়েছেন; এক জন মারা গেছেন, আর একজন চিকিৎসাধীন। বন্দরের কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ঘটনার কারণ জানার জন্য খোঁজ-খবর ও তদন্ত চালাচ্ছে।

  • খুলনায় ‘তেলবাজ’ মোটরসাইকেল সিন্ডিকেটের রহস্য: কৃত্রিম সংকট, কালোবাজারি ও প্রতিকারপ্রস্তাব

    খুলনায় ‘তেলবাজ’ মোটরসাইকেল সিন্ডিকেটের রহস্য: কৃত্রিম সংকট, কালোবাজারি ও প্রতিকারপ্রস্তাব

    খুলনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ যতটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে, ততটাই দায়ী অসাধু মোটরসাইকেল চালকদের একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট — স্থানীয়ভাবে যে গ্রুপকে অনেকেই ‘তেলবাজ’ বলছেন। পেট্রোল পাম্পগুলোয় সাধারণ মানুষের দীর্ঘ লাইন এবং ভোগান্তির পেছনে মূলত یہی চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেল মজুদ করছে এবং দোকানে লিটারপ্রতি অনেক গুণ বেশি দামে বিক্রি করছে।

    সরেজমিন পরিস্থিতি দেখলে বোঝা যায়, সকাল ১১টায় তেল দেওয়া থাকলেও ভোর থেকেই মোটরসাইকেলের সারি কিলোমিটার ছুঁই ছুঁই করে। এদের এক বড় অংশ পেশাদারভাবে তেল সংগ্রহ করে — একবার তেল নিয়ে দ্রুত কোথাও ড্রামে ঢেলে পড়ে আবার একই বা অন্য পাম্পে ফিরে এসে পোশাক পরিবর্তন করে লাইনে দাঁড়ায়। ফলে একই এক ব্যক্তিই দিনে একাধিকবার তেল নেয়। পাম্পের কর্মীরা অভিযোগ করছেন, অনেকেই একদিনে ১০ বার পর্যন্ত তেল নিচ্ছে; এতে সাধারণ চালকদের জন্য তেল পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

    এই সিন্ডিকেট ড্রামে তেল তুলে রেখে পরে খুচরা বাজারে লিটারপ্রতি সাধারণ দামের সঙ্গে ১০০–১৫০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সামান্য সংখ্যক দুষ্কৃতী পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও সাধারণ গ্রাহককে ফিরিয়ে দিচ্ছে, আবার সরকারি বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙ্গিয়ে ড্রাম ভর্তি জ্বালানি নিয়ে বাইরে চড়া দামে বেচে দেয়ার ঘটনাও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি বন বিভাগের স্টিমারের জন্য পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তা লবণচর এলাকায় বিক্রির সময় প্রশাসন ধরেছিল।

    প্রতিরোধের চেষ্টা হিসেবে কিছু পাম্প তেল দেওয়ার সময় মোটরসাইকেলের টাওয়ারে রং দিয়ে চিহ্ন করছে, তবে চালকরা অন্য পাম্পে গিয়ে সিরিয়াল বা লাইনে এসে পুনরায় তেল ভরছেন, ফলে বিধান কার্যকর হচ্ছে না। খুলনার পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে পাওয়া তথ্যে গত বছরের তুলনায় সরবরাহ খুব একটা কমেনি; তথাপি বাজারে চাহিদা ভিত্তিহীনভাবে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। ডিলার ও এজেন্ট পর্যায়ে রেশনিং হচ্ছে বলে জানালেও খুচরা পর্যায়ে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে বাহির হয়ে গেছে।

    প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভ্রাম্যমান অভিযানও চলছে। ফুলতলার একটি পাম্প — মেসার্স নওশিন এন্টারপ্রাইজ — সম্পর্কে র‌্যাব-৬ জরিমানা করেছে; আর খুলনা জেলা প্রশাসন কাকন ফিলিং স্টেশনকে পরিমাপকরে কম দেওয়ার অভিযোগে জরিমানা করেছে। এসব উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও মজুদকারীরা এবং বাজার manipulators নতুন কৌশল নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পেট্রোল পাম্পের শ্রমিকরা বলছেন, তারা অসহায়। ‘একজন চালক যদি একবারের বেশি তেল না নিতে পারত, প্রকৃত চালকেরাই বঞ্চিত হত না,’ এক কর্মীর মন্তব্য। পাম্প মালিকরাও বলেন, সংকটকে পুঁজি করে অনেকে স্বার্থ লুটছে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে সমস্যা মোকাবিলায় ডিজিটাল সমাধানের প্রস্তাব এসেছে। প্রস্তাবে একটি কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপ চালুর কথা বলা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর অনুযায়ী তেলের পরিমাণ এবং তেল নেওয়ার অন্তততম সময় অন্তর-নিয়ম (উদাহরণ: ৩ দিনে একবার) স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যাবে। এতে একজন চালক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্য কোনো পাম্প থেকে তেল নিতে পারবে না এবং কৃত্রিম পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

    বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স এসোসিয়েশনের (খুলনা বিভাগ ও বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা) সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুলতান মাহমুদ পিন্টু জানাচ্ছেন, ‘এ সংকট সরবরাহের চেয়ে বেশি অব্যবস্থাপনার ফল। মোটরসাইকেল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে থাকবে। অবিলম্বে অ্যাপভিত্তিক বণ্টন ব্যবস্থা এবং তেল ভাঙার সময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করলে কালোবাজারি কমানো সম্ভব।’

    প্রয়োজনে প্রশাসনকে কঠোরভাবে অভিযান চালিয়ে মজুদের উৎস শনাক্ত করতে হবে, পাম্প পর্যায়ের তদারকি জোরদার করতে হবে এবং দ্রুত ডিজিটাল বণ্টন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে প্রতিবার তেল বরাদ্দ ট্র্যাকযোগ্য করা প্রয়োজন। নয়তো সহজ সরল সাধারণ নাগরিকই প্রতিটি সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগেন।

  • খুলনায় নবাগত জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    খুলনায় নবাগত জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    খুলনা: খুলনার নবাগত জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত আজ (মঙ্গলবার) তাঁর অফিসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

    মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক জানান, খুলনা জেলার যেকোনো সমস্যা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে সমাধানের জন্য তাঁর দফতর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, সরকারি প্রতিটি দপ্তরে জনসাধারণের হয়রানি রাখা হবে না এবং কাজের স্বচ্ছতা ও নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা ও ভূমিকা অব্যাহত রাখতে তিনি অনুরোধ করেন।

    সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের আলোকচর্যায় আলোচনা সভা

    খুলনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের আলোকচর্যায় আলোচনা সভা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) খুলনা সিভিল সার্জনের দফতরের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান।

    দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’। সভা চলাকালীন প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান বিশ্ব চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দিকে এগোচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্যসেবা চিকিত্সার ক্ষেত্রে ক্রমেই আরো আধুনিক হচ্ছে। অনেক উন্নত দেশে রোবটসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে দক্ষতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা প্রদত্ত হচ্ছে, যা সম্ভব হয়েছে বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে।

    তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও যদি দায়িত্বশীল চিকিৎসকদের মধ্যে সেবাভিত্তিক মানসিকতা গড়ে ওঠে, তখন সার্বিকভাবে সাধারণ মানুষকে প্রকৃত ও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সম্ভব হবে। সেবার মান কাঙ্খিত পর্যায়ে উন্নীত করতে স্বাস্থ্যখাতে কর্মরত সবাইকে বিজ্ঞানমনস্ক ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এই বিষয়টি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। বিজ্ঞানকে মানবহিতৈষী কাজে ব্যবহার করলে তা সমস্ত প্রাণের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে। ‘‘সুস্থ থাকলে স্বপ্ন বাঁচে, আর স্বপ্ন বাঁচলে দেশ বাঁচে’’—এ একথা তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন।

    সভায় খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদ্বয় ডা. মোঃ আরিফুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশনের প্রতিনিধি মোঃ লিটন মণ্ডল এবং মোঃ আসিফ আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিল্যান্স ও ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুর রহমান সজীব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

    এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে সিভিল সার্জন দফতরের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

  • ২৭ এপ্রিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে

    ২৭ এপ্রিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে

    বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত তারেক রহমান আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে সরকারি সফর করবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটি হবে যশোর জেলায় তাঁর প্রথম অভিজ্ঞ সরকারি ভ্রমণ, যা স্থানীয় কর্মসূচি ঘনিষ্ঠভাবে বদলে দিতে পারে।

    দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সোমবার রাতের একবার্তায় এই খবর নিশ্চিত করেন। তিনি অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বরাত দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসার সম্ভবত তারিখ ২৭ এপ্রিল—এ তথ্য অনিন্দ্য নিজেই প্রকাশ করেছেন।

    এ আগে রাত ৯টা ২০ মিনিটে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাসে লিখেন: “সুসংবাদ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। (সম্ভাব্য তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং)।”

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রতির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী খাল-খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এই কর্মসূচির মধ্যে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনও রয়েছে।

    উলাসী-যদুনাথপুর খালটি প্রায় পাঁচ দশকেরও বেশি আগে খনন করা হয়েছিল। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর 당시 রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজে কোদাল হাতে নিয়ে সেই খননের কাজ শুরু করেছিলেন; তখন থেকে এটি ‘উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প’ বা স্থানীয়ভাবে ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। দীর্ঘ সময় সংস্কারের অভাবে খালটি ভরাট হয়ে গিয়েছিল। পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষির জন্য নতুন প্রাণ ফিরিয়ে আনা হবে বলে স্থানীয়রা ও উদ্যোগ সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

    প্রধানমন্ত্রী যে দিন যশোরে থাকবেন সে দিন স্থানীয় সরকারি এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়াও খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে নানা আয়োজন থাকবে—যার ফলে স্থানীয় বাধা-বিপত্তি কমিয়ে জনগণের কৃষি ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

  • খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান 사건ের বিবরণ তুলে ধরেন। জানা যায়, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতা-পত্নীর সঙ্গে রিকশায় করে কোর্ট এলাকা যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, জেলা পরিষদের সামনে পাকা রাস্তার উপরির পথে পিছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের পিছু নিয়ে দ্রুত গতিতে এসে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুর ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নামে এসআই দেবব্রত বিশ্বাস, যিনি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করেন। পরে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে, খুলনা সদর থানার আওতাধীন করোনেশন স্কুলের পেছনে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতার বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে এক নীল রঙের টয়োটা গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

  • যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে এক কর্মরত বিচারকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলাটি করেন শহরের কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল আলম। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জনপ্রিয় আদালত বিভাগের একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যার নাম রাশেদুর রহমান, তাঁকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে। বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এখন আদেশের অপেক্ষা করছে। পরিবেশটি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনি প্রতিনিধি এড. দেবাশীষ দাস।

    এদিকে, মামলার বিষয়ে আদালত ছাড়ার সময় পুলিশ বাদী শরিফুল আলমকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, তিনি আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটক করা হয়। যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, আইনবহির্হিত বেশ কিছু আদেশ দেওয়ার, আইনজীবীদের সঙ্গে দুর্ব্যাবহার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগে গত ৪ মার্চ যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে ওই আদালত বন্ধ থাকায়, আইনজীবীরা অনুপস্থিত থাকতেন। সেই সময়ে বাদী শরিফুল আলমের একটি মামলার বিচার চলছিল। ৩০ মার্চ, যখন আইনজীবীরা কর্মবিরতিতে ছিলেন, তিনি সরাসরি আদালতে উপস্থিত হয়ে সময়ের আবেদন করেন।

    অভিযোগে জানানো হয়, বিচারক রাশেদুর রহমান বাদীর আবেদন নামঞ্জুর করে একতরফাভাবে তাঁর বক্তব্য নেন এবং আইনবহির্ভূতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেই দিন ধার্য করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একই সঙ্গে বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়িত্ব পালন না করে দুর্নীতি বিরোধী আইনের লঙ্ঘন করেছেন। বাদী এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দাখিল করলেও কোনও বাস্তব ফল না পাওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

    শরিফুল আলম মেসার্স এস আলম নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যবসার অর্থ সংগ্রহ সংক্রান্ত ঋণের বিষয়ে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, যশোর শাখা তাঁর বিরুদ্ধে চেক ডাইজঅনারের মামলা করে। এই মামলাটি এখন বিচারাধীন। সম্প্রতি, এই মামলায় রায়ে বাদীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়। শরিফুল আলম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পুলিশ তার অবস্থানে থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়।

    আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর বলেন, ‘ভুক্তভোগী শরিফুল আলম ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। আদালত সেই মামলাটি বিচারাধীন রেখেছেন; আমরা আশাবাদী, যদি বিচারক এই মামলার আবেদন গ্রহণ করেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে যশোরের সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। যেখানে আদালতকে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তবে, ভুক্তভোগী এই মামলা করার পরই দলীয় বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় তিনি আদালত থেকে আটক হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।’

    অন্যদিকে, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ‘আমার এ বিষয়ে এখনো কোনও জানানো হয়নি। আমি খোঁজ নিচ্ছি।’

  • প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আমরা খুলনা মহানগরে কর্মসূচি শুরু করেছি। দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্রতি শনিবার এলাকাভিত্তিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

    গতকাল সোমবার সকালেঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এই অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে।

    তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এখানকার মানুষ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নানা জেলা থেকে আসেন। তাই হাসপাতালের পরিবেশ দায়িত্বশীলভাবে রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হামের প্রাদুর্ভাব কম থাকলেও রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকতে ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল ও কলেজের আশেপাশের খালি জমিতে গাছ লাগানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

    খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো্ল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আমানুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডাঃ মোঃ আকরামুজ্জামান।

    পরবর্তীতে, নগরীর দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট, পাখির মোড়, মাছের ঘাট খাল ও সাড়াডাঙ্গা এলাকেঃ সরবেষ্ট ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা।