Category: সারাদেশ

  • খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের

    খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের

    খুলনার ভৈরব নদে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করার পর তার পরিচয় জানা গেছে। তাঁর নাম রাজীব হোসেন, একই সঙ্গে তিনি ঘাউড়া রাজীব নামে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, রাজীবের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি সহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শক্তিশালী ক্যাডার ছিলেন। তিন মাস আগে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর থেকে খুলনায় এসেছিলেন।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, গতকাল শুক্রবার খুলনার ৬ নম্বর ঘাট এলাকার ভৈরব নদে দুটি লাইটার ভেসেলে মাঝখান থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

    খুলনা নৌ পুলিশ সদর থানার ওসি বাবুল আক্তার বলেন, লাশটি প্রথমে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাজীবের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তার মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত তিনি বলেন, রাজীবের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি অপরাধ করে তার মামা বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে আশ্রয় নিতেন। পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসার আশা রয়েছে।

    বাবুল আক্তার আরও জানান, ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ بعد তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়, যার মানে হয়তো নিখোঁজের দিনই তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাজীবের দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা একজন বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর আমরা গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের রাজীবের মামা বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। ডিসেম্বরে খুলনার দিঘলিয়ার এক ভাড়া বাসায় থাকছিলাম। তার আগে কিছু জানা না থাকলেও, বিয়ের সময় তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানতাম না।’

    ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে ফারহানা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মোবাইলে একটি ফোন আসে। বিকাশ থেকে টাকা তুলতে বলে সে বের হয়ে ফিরে আসেনি। এরপর থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    তিনি আরো বলেন, রাজীব কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সাতটি এখনও তদন্তাধীন।

    প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ‘আমাদের বিয়েটা ২০১৬ সালে হয়। তখন তার ডান হাতের রগ কেটে দেয়া হয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে। চার বছর আগে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। শনিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খুলনায় আসেন।’

  • রূপসার বাগমারায় দুর্বৃত্তের গুলিতে বিকুল নিহত

    রূপসার বাগমারায় দুর্বৃত্তের গুলিতে বিকুল নিহত

    খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আব্দুল বাছেদ বিকুল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাতের অর্ধ dipped ঘন্টা আগে।

    নিহত বিকুল বাগমারা এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শোনা যায়, যার ফলে সাময়িকভাবে আশপাশের এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাশেদ বিকুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে জরুরি বিভাগে চিকিত্সা নেওয়ার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে তিনি মারা যান। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ জোরদার অভিযান চালাচ্ছে।

  • খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

    খুলনা-২ আসনে ভোটের জন্য বিএনপির প্রস্তুতি: নতুন ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

    খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংগঠিতভাবে মাঠে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়ম, বাধা বা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সতর্ক থাকতে হবে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুরের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত হয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি প্রেসিডেন্ট এড. শফিকুল আলম মনি, এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সঞ্চালনা করেন। নেতৃবৃন্দ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য জোর দাবি জানান, পাশাপাশি প্রশাসনের নিরপেক্ষ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    বক্তারা মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকার হরণের ফলে গণতন্ত্র হরণ হয়ে এসেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিপক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে। পাশাপাশি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, কাজী মোঃ রাশেদ, বেগম রেহানা ঈসা,আরিফুজ্জামান অপু, হাফিজুর রহমান মনির, কে এম হুমায়ুন কবির, মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মোল্লা ফরিদ আহম্মেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, মজিবর রহমান, আব্দুল আজিজ সুমন, আক্তারুজ্জামান সজীব তালুকদার, মিরাজুর রহমান মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শফি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, এড. হালিমা আক্তার খানম, শেখ মোহাম্মাদ আদনান, ইউসুফ হারুন মজনু, কে এম এ জলিল, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মোঃ নাসির উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, নজরুল ইসলাম বাবু, জামাল হোসেন তালুকদার, আবু সাঈদ শেখ, আল আমিন শেখসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনিকে আহবায়ক, সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু ও শফিকুল আলম তুহিনকে সমন্বয়ক এবং মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ ও বেগম রেহানা ঈসাকে সদস্য করে মোট ১০১ সদস্যের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। নেতৃবৃন্দ আশা ব্যক্ত করেন, গঠিত এসব কমিটি একসাথে কাজ করে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি

    দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না কোনো শক্তি বা পরাশক্তি

    জনগণ ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তারা একটি শক্তিশালী এবং সত্যিকার অর্থে ধ্রুপদী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না এবং সব কল্যাণের সমান সুযোগ থাকবে। খুলনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচার করার সময় ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে, সুবিচার নিশ্চিত হবে এবং সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কোনো আপস করেননি, তার অকুণ্ঠ ত্যাগ এবং আপোষহীনতার জন্যই বিএনপির নেতাকর্মীরা এতটা সাহসী। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক চেতনা এখন তারেক রহমানের হাতে সুদৃढ़ভাবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই দেশের স্বাভাবিক রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না। শুক্রবার বাদ আসর, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনে হাসনা হেনার সভাপতিত্বে, শাহানা রহমানের পরিচালনায় ও মহিলাদের দক্ষীন সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পরে, মরহুম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫ টায় খুলনা রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খুলনা সদর থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে মরহুম নেত্রীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই দিন আসর বাদ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মঞ্জু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা মামুনুর রহমান। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, এস এম শাহজাহান, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মুজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, রবিউল ইসলাম রবি, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শফিকুল ইসলাম শফি, এড. হালিমা খাতুন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, হাসান মেহেদী রিজভী, মহিবুল্লাহ শামিম, শরিফুল ইসলাম বাবু, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল জব্বার, মেহেদী হাসান সোহাগ, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, আবু সাঈদ শেখ, শামীম খান, আবু বক্কর, মাজেদা খাতুন, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, কামাল উদ্দিন, সুলতান মাহমুদ সুমন, শরিফুল ইসলাম সাগর এবং আল আমিন তালুকদার প্রমুখ।

  • মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন

    মোংলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন সাবেক কাউন্সিলর ইমান হোসেন রিপন

    মোংলা পৌর যুবদলের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন। তিনি সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন এবং এর আগে মোংলা পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মতিতে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইমান হোসেন রিপন বলেন, দল আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমি তা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে পালন করব। আমি মোংলা পৌর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে কাজ করব।

    তার এই নতুন দায়িত্ব পেয়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন পৌর বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সাব্বির ও সদস্য সচিব নুরুদ্দিন টুটুলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অতীতে ইমান হোসেন রিপন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সাবেক পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বাধা-প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলেও তিনি দলের জন্য অবদান রেখে এসেছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব পাওয়াকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দলের জন্য এক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

    বিনা প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সংগঠনটির আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নতুন করে জেলা, উপজেলা এবং পৌর কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে মোংলা পৌর এলাকায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের সময় কিছু নেতাকর্মী ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি চেষ্টা করেন, যার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পুরনো কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই পৌর যুবদলের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তার স্থানে ইমান হোসেন রিপনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

  • ফকিরহাটে গাছ থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ফকিরহাটে গাছ থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ফকিরহাটে শুকুরণ বেগম (৩২) নামে এক নারী গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলায় কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি বাগানে, যেখানে গাছে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত শুকুরণ বেগম উপজেলার লখপুর পঁচাখাল এলাকার শ্রমিক মাহবুব নিকারীর স্ত্রী।

    স্থানীয়রা জানান, শনিবার (10 জানুয়ারি) সকাল 9টার দিকে স্থানীয় লোকজন এক মাঠে গাছের ঘের কাটার সময় গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় শুকুরণ বেগমের মরদেহ দেখতে পান। এলাকায় সংকেত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    ওসি (তদন্ত) মো: আলমগীর হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    অপরদিকে, এই হত্যা কি না বা এটি আত্মহত্যা কি না — তা নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। স্থানীয়রা এই ঘটনার তদন্ত ও যথাযথ বিচারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যাতে প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়।

  • খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন অপরিহার্য: সমাজকল্যাণ সচিব

    খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক উন্নয়ন অপরিহার্য: সমাজকল্যাণ সচিব

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেছেন, সাংস্কৃতিক বিনোদনের পাশাপাশি খেলাধুলার গুরুত্ব শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে অনেক বেশি। তিনি মনে করেন, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলাকে জনপ্রিয় করে তুললে মাদকের মতো মারাত্মক সমস্যা দূর করা সম্ভব, যা সমাজের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

    আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালকে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন খুলনা বিভাগের আবাসিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিবাসীদের দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

    আফিসে বক্তৃতা করেন ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, তিনি বলেন, সরকারের ৯৬টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে ২৯টি সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তর দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে, যার উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৩ লক্ষ। প্রতিবারের মতো এ বারও সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজন করে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যেখানে শিশুরা খুবই আগ্রহের সাথে অংশগ্রহণ করে।

    সচিব আরও বলেন, এই শিশুদের জন্য প্রাপ্ত সুবিধাগুলো এখনও পর্যাপ্ত নয়, তাই এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চলমান। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র লেখাপড়া হয়ে গেলে হবে না, মনের খোরাক পূরণে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা আরো বেড়ে যায়। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিছুটা হলেও শিশুদেরকে স্কুলের বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে, যা তাদের মনোভাব বিকাশে সহায়ক।

    খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়।

    দুই দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১৫টি শিশু পরিবার অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে শিশুদের কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।

    অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ মহেশ্বরপাশা ছোটমনি নিবাস পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আরও উন্নতির জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য জেলা যুবদলের দোয়া

    খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য জেলা যুবদলের দোয়া

    খুলনা জেলা যুবদল ক্ষতিগ্রস্ত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় একটি বিশেষ দোয়া ও কোরআন খতম মাহফিলের আয়োজন করে। এই মাহফিলটি বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা টাউন ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে, পরে তার জীবনী নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা যুবদলের আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু। দোয়া ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক জুলফিকার আলি জুলু ও মোল্লা খায়রুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকর্মী, যুবদলের সদস্যরা, নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী, দেশপ্রেমিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে সচেতনতা প্রকাশ করেন। কোরআন খতম ও আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। দোয়া শেষে মাদরাসার এতিম ছাত্রদের মধ্যে নতুন পোষাক বিতরণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য রান্না করা খাবার প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা নেত্রীর জন্য শান্তি কামনা করেন এবং দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় দোয়া করেন।

  • আশাশুনি থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট আমিরুল আটক

    আশাশুনি থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট আমিরুল আটক

    সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি থানার ডিবি পুলিশ বুধবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট ও 1x bet অ্যাকাউন্টের মূল মোটিভেটর আমিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছেন। তিনি আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের বাসিন্দা, ২৯ বছর বয়সী আব্দুল কারিকরের ছেলে।

    গোয়েন্দা ইনচার্জ মোঃ নিজাম উদ্দিন মোল্লা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত একটার দিকে মধ্যম একসরা গ্রামে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময়, আমিরুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সে নিজেকে অসততার মতো অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়া কার্যক্রমের মূল মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে আসছিল।

    আটকের সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন জুয়া অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসহ কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তিনি এই জুয়া খেলার মাধ্যমে অর্থের লাভের জন্য নানা ধরণের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে জড়িত।

    আশাশুনি থানায় এই বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে, এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের এই দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে জড়িত অন্যান্যদের সন্ধানে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

  • বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তাকে স্মরণে রাখতে হলে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি আরো বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন নেত্রী ছিলেন, যার মৃত্যুতে দেশের সব রাজনৈতিক দল তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেছে। বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই তার জন্য দোয়া করতে বাদ দেয়নি। যারা তাকে অসম্মান করতে চেয়েছিল, তারাই শেষ পর্যন্ত অপমানিত হয়ে পালিয়ে গেছে। মহান আল্লাহ তাকে যেখানে চান সম্মান দেন, সেখানে ইচ্ছা করলে তাকে কেড়ে নেন। বেগম খালেদা জিয়া লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি তাকে পরকালেও সম্মানিত করুন।

    আজিজুল বারী হেলাল আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নানা নামে ডাকা হয়—আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তিনি আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় ছিলেন, আছেন এবং তা অব্যাহত থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

    তিনি আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডার ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পারিবারিক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে। সবাইকে তিনি দোয়া করার আহ্বান জানান।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দিঘলিয়া উপজেলায় দিবা-রাত্রি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পে ডায়াবেটিস, হিমোগ্লোবিন, কিডনি, চোখ ও দন্ত পরীক্ষা এবং হৃদরোগ, বাতব্যথা ও কিডনিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    বিকেল ৪টায় সেনহাটির খান এ সবুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় আলেয়া পারভীনের সভাপতিত্বে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টায় তিনি গাজীরহাট শ্মশান মন্দিরে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে মূল অতিথির আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানগুলোতে জেলা বিএনপি নেতা অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান মিন্টু মোল্লা, নামজুল মোল্লা, মনির মোল্লা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃ রয়েল, কুদরতি এলাহি স্পিকার, আব্দুল কাদের জনি, মনিরুল গাজী, ফারুক হোসেন, মিঠু মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।