Category: সারাদেশ

  • খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা coast guard এর অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে বিদেশি অস্ত্র, তাজা গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে চালানো এই অভিযানের তথ্য জানান কোস্ট গার্ড এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

    অভিযানের ব্যাপারে কোস্ট গার্ড জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৭টার দিকে খুলনার বাগমারা এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির কাছাকাছি স্থানীয় নৌবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে শাকিল আহমেদ (২০) ও তরিকুল ইসলাম তৌহিদ (২৫) নামে দুজনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতদের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা আরও কিছু অস্ত্র ও গাঁজা লুকিয়ে রেখেছেন। এর ভিত্তিতে কাঠালতলা মোড়, মিস্ত্রিপাড়া ও টুটপাড়া সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এক বিদেশি রিভলভার, একটি বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, সাতটি তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং ৩৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    আটক করে রাখা ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া এসব অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য খুলনা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদক ও অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে কর্তৃপক্ষ।

  • খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ইসলামী বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়েরের আবেদন গ্রহণ করেছে খুলনা আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই মামলা দায়েরের জন্য খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত উপযুক্ত বলে বিবেচনা করেন। মামলাটি করেন কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।

    আদালত সংশ্লিষ্ট বিচারক আসাদুজ্জামান খান এ বিষয়ে বলেন, তারা এই আবেদন গ্রহণ করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারিত একটি ওয়াজ মাহফিলে মুহত্য আমির হামজা আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। এর ফলে কোকোর পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মানহানি হয়েছে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

  • সাতক্ষীরা-৩ আসনে মনোনীত প্রার্থীদের সম্পদের বিশ্লেষণ ও নির্বাচনী পরিস্থিতি

    সাতক্ষীরা-৩ আসনে মনোনীত প্রার্থীদের সম্পদের বিশ্লেষণ ও নির্বাচনী পরিস্থিতি

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামনের দিকে এগিয়ে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন, জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশার এবং বিএনপি থেকে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ মো. শহিদুল আলম। নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তারা নিজেদের হলফনামা জমা দেন, যেখানে তাদের অর্থ-সম্পদ ও আয়ের বিশদ বর্ণনা রয়েছে।

    বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীনের ব্যক্তিগত স্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ মাত্র ৩ লাখ টাকা এবং ব্যাংকে ২০ হাজার টাকা জমা রয়েছে। তিনি ১০ তোলা স্বর্ণের মালিক হলেও কোনও স্থাবর সম্পদ নেই। তার মাসিক আয় ব্যবসা থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। পারিবারিক সম্পদের ক্ষেত্রে তার স্ত্রী মিসেস ফাতিমা বেগমের নামে ব্যাংকে ২ লাখ টাকা, ১০ তোলা ওজনের স্বর্ণালংকার ও এক লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য রয়েছে। স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান তার তিন ছেলের নামেও রয়েছে বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ, যার মধ্যে রয়েছে চারটি ফ্ল্যাট, দুইটি কৃষি জমি ও বিভিন্ন অপ্রতিভ ভূখণ্ডের মালিক।

    অন্যদিকে, জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশারের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ১ হাজার ৫১২ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ৮৬ হাজার ৪শ’, ব্যাংকের লভ্যাংশ ৫১ হাজার ৬২৬ টাকা এবং মাদ্রাসায় চাকরির বেতনের মাধ্যমে তিনি মোট আয় করেন ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৬ টাকা। তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদি অর্থ আছে ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৩০ টাকা, ব্যাংক জমা ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৩ টাকা এবং একটিমাত্র গড়ি রয়েছে। স্থাবর সম্পদ হিসেবে তার কাছে রয়েছে ৩ একর কৃষি জমি ও ২০ বিঘার অংশে যৌথ মালিকানাধীন জমি। বিগত সরকারের সময় তার নামে বেশ কিছু মামলা দায়ের হয়েছিল, যার মধ্যে দুটি মামলা বর্তমানে চলমান আছে।

    বিপরীতে, বিএনপি থেকে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের মোট সম্পদ রয়েছে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৫০ লাখ, এবং স্থাবর সম্পদ প্রস্তুত প্রায় এক কোটি টাকা। তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৩৫ হাজার ১১৮ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৩৮ লাখ ৭০ হাজার ৮৭ টাকা, কোম্পানির শেয়ার ২৫ লাখ ৯৪ হাজার ৫৪ টাকার, এবং একটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি। স্থাবর সম্পদ হিসেবে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ১৩৪.৫২ শতক কৃষি জমি, বসত বাড়িসহ আরও কিছু অপ্রতিবর্তনীয় সম্পদ রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, তার বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৫ হাজার ৮৩১ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খামার থেকে আয় এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, শেয়ার কেনা-বেচা থেকে ৪ লাখ ৪ হাজার quadrিশ ষসে, চিকিৎসা পেশা থেকে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ১৬৭ টাকা, জমি ক্রয় বিক্রয় থেকে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩ টাকা এবং ব্যাংকের সুদ থেকে ২০ হাজার ৭৫ টাকা আয় করেন। তাঁর স্ত্রীর নামে আছে আরও বিশাল সম্পদের হিসাব—১৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬১৬ টাকার আয়ের পাশাপাশি তার পৈত্রিক সূত্র, দানপত্র, নানা অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ রয়েছে totaling প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরা-৩ আসনে বর্তমানে মোট নয়জন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা চারজনের মনোনয়ন বাতিল করেন এবং কিছু প্রার্থী আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফেরত পান। এই আসনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি থেকে কাজী আলাউদ্দীন, জামায়াত থেকে হাফেজ মুহাঃ রবিউল বাশার, জাতীয় পার্টি থেকে মোঃ আলিফ হোসেন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) থেকে রুবেল হোসেন, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মোঃ শহিদুল আলম।

  • খুলনায় আধুনিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা: ইপিজেডের আদলে উন্নয়ন

    খুলনায় আধুনিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা: ইপিজেডের আদলে উন্নয়ন

    খুলনার শিল্প অঞ্চল খ্যাত খালিশপুর ও দৌলতপুর এলাকার প্রাচীন গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপি ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধান শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এক ব্যাপক পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত করতে, বেকারত্ব কমাতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে তিনি একটি আধুনিক শিল্প নগরী গড়ার পরিকল্পনা করছেন, যা মূলত ইপিজেডের মতোই হবে। এটি খুলনার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।

    শনিবার বিকেলে দৌলতপুরের ৩নং ওয়ার্ডের মধ্যডাঙ্গাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাবেক চেয়ারপারসন, প্রধানমন্ত্রী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদী নেতা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, খুলনার মূল সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান। এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে পরিকল্পিত ও আধুনিক শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এই অঞ্চলের বিশাল ব্যবসায়িক ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই শিল্পকলকারখানাগুলো।

    রকিবুল ইসলাম বকুল আরও বলেন, এই অচলাবস্থা পরির্বতনের জন্য বন্ধ কলকারখানাগুলো—বিশেষ করে জুট মিলসহ অন্যান্য কারখানা—পুনরায় চালু করতে হবে। প্রযুক্তির আধুনিকীকরণের মধ্য দিয়ে এগুলোর লাভজনক অবস্থায় ফেরানো সম্ভব। তিনি বলেন, খুলনার ভৌগোলিক অবস্থান ও মোংলা বন্দর ব্যবহারে বড় আকারের নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা খুলনায় আগ্রহী হয়ে উঠবেন, যা পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক মানচিত্রকে বদলে দিতে পারে।

    বকুলের উদ্দেশ্য হলো, ছোট-বড় সব শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবিত করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবং স্থানীয় যুব সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। এর মাধ্যমে খুলনার সম্পদসমৃদ্ধ ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কাজ করছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের মাঝে নতুন আলো ও আশার সঞ্চার এই পরিকল্পনাকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।

    দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ শেখ আকরাম হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও শনিবার দুপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দৌলতপুরের ১ ও ৩নং ওয়ার্ডের মাঝখানে গোলকধামের মোড়ে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। শেষমেষ এক বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন রোল মডেল

    বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন রোল মডেল

    সাহসী নেতৃত্ব, দেশপ্রেম এবং আত্মত্যাগের জন্য বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদান রেখেছেন। খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দীর্ঘ কারাবাস এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কখনো তিনি প্রতিহিংসামূলক মনোভাব প্রকাশ করেননি। বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা, নীতিনিষ্ঠা, রুচিশীল নেতৃত্ব ও উদারদৃষ্টিভঙ্গির জন্য তিনি দেশের রাজনীতিতে অনুকরণীয় নেত্রী। তাঁর অসামান্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ভুক্তভোগী ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ‘খুলনাবাসীর প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। এরপর দুপুর ১২টায় বড় বাজারে কাঁচা ও পাকা মাল আড়ৎ সমিতির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়, যেখানে প্রধান অতিথির ভাষণে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খালেদা জিয়া একজন সৎ, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আত্মত্যাগী ও দেশপ্রেমিক নেত্রী। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দারুণ অবদান রেখেছেন। এই অবদানগুলো দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
    উপস্থিত ছিলেন সৈয়দা নার্গিস আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শেখ আব্দুর রশিদ, মহিবুজ্জামান কচি, আনোয়ার হোসেন, শের আলম সান্তু, ইউসুফ হারুন মজনু, একরামুল হক হেলাল, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলামের জামিল, শমসের আলী মিন্টু, ইশহাক তালুকদার, আব্দুল মতিন, মেশকাত আলী, মহিউদ্দিন টারজান, জি এম রফিকুল হাসান, এডভোকেট হালিমা খাতুন, আফসার উদ্দিন মাস্টার, মাজেদা খাতুন, আমিন উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, শহীদ খান, শামীম খান ও অন্যান্য স্বনামধন্য নেতৃবৃন্দ।
    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আদর্শ নেতা, যিনি মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব, দৃঢ় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা-প্রেমের জন্য তিনি দেশের মানুষের কাছে গভীর শ্রদ্ধা এবং ভক্তি পেয়েছেন। মানুষ তাঁর জানাজায় স্বাভাবিকভাবে চোখের জল ঝরিয়েছেন, কারণ তিনি ছিলেন দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের নেত্রী।
    প্রয়াত এই নেত্রীর স্মরণে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন হয়, যেখানে বিভিন্ন অতিথি ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সবাই একমত প্রকাশ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবনসংগ্রাম ও আদর্শ আমাদের জন্য বিশাল উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে।

  • জাতিসংঘ সনদের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে খুলনার সাকিবের শান্তি আলোচনা

    জাতিসংঘ সনদের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে খুলনার সাকিবের শান্তি আলোচনা

    নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংলাপ, যার শিরোনাম ছিল “The UN Charter at 80: Reimagining Conflict Prevention and Resolution”। এই উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় বাংলাদেশের তরুণ সংগঠক ও আপস যুব সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন সাকিব। বিশ্বব্যাপী কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক ও শান্তি বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে এই সভায় সংঘাত প্রতিরোধ এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে নতুন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের তরুণ সমাজের হয়ে সাকিব তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব আরোপ করেন বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি স্থাপনে তরুণদের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর ওপর। তিনি বলেন, আপস যুব সংগঠন থেকে বৈশ্বিক শান্তি, সহনশীলতা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার উপর জোর দিয়ে, তরুণ নেতৃত্বই ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম। এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং তরুণ নেতৃত্বের ক্ষমতা বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।

  • খুলনায় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সাথে নাগরিক সংলাপে খুলনার নানা সমস্যা উঠে আসে

    খুলনায় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সাথে নাগরিক সংলাপে খুলনার নানা সমস্যা উঠে আসে

    খুলনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংলাপে খুলনার বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদা স্পষ্টতরভাবে উঠে এসেছে। নির্বাচনী উৎসবের মধ্যে কিছু প্রার্থী নিজের ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরখ করেছেন এবং খুলনার উন্নয়নের জন্য তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। এই সংলাপের মূল লক্ষ্য ছিল, শহরের নাগরিকদের নানা সমস্যার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চিত্র তুলে ধরা এবং সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশে এগিয়ে আসা।

    সংলাপে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা যেমন বলছেন খুলনা শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জে জর্জরিত। বিশেষ করে খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া, মালামাল লুটপাটের সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তবাহিনী, এবং बढ़তে থাকা হত্যাকাণ্ডের সংখ্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিগত কয়েক মাসে খুলনায় অন্তত অর্ধশত খুনের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ পরিকল্পনা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের জন্য বক্তারা জোর দিয়ে বলেন।

    খুলনা-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘খুলনা এখন অন্ধকারাচ্ছন্ন নগরী। মাদক ও হত্যার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।’ তিনি আরও জানান, বিএনপি শিগগিরই খুলনাবাসীর জন্য উন্নয়নমূলক নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। অন্যদিকে, খুলনা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমীর এজাজ খাঁন বলেন, ‘খুলনাকে শিল্প ও সংস্কৃতির কেন্দ্রশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হলে উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বাঁধ ও ব্রিজ নির্মাণ জরুরি।’

    জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল বলেন, ‘খুলনা পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সব ধরনের উদ্যোগ।’ অন্যদিকে, খুলনা-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য নাগরিকদের সাথে সমন্বয় চান। তাঁর বক্তব্য, খুলনা অঞ্চলের সাবেক শিল্পগুন্জে—খালিশপুরের অবস্থা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কলকারখানাগুলোর মালামাল লুটপাটের জন্য বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা এখন গুরুতর সমস্যার মুখে। হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই মাদকের কারণে।’

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতা ও সাংবাদিকগণ। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনাকে আবারো তার পুরনো গৌরবময় অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা ও দৃষ্টি থেকেই উঠে আসে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে এবং উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে। আসন্ন নির্বাচনে এইসব দাবি ও চিন্তাভাবনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন অংশগ্রহণকারীরা।

  • তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু

    তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু

    বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বারবার নতুন প্রেরণা পেয়েছে উল্লেখ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপোষহীন ও সাহসী ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব দেশের মানুষকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একজন অভিভাবকের মতো। দেশের স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর মহান অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার বিকেলে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে মালঞ্চ মোড়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপি সভাপতি মেহেদী হাসান সোহাগ, পরিচালনা করেন ইয়াসিন শেখ ও হাবিব খান। পরে মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে মহানগর দলীয় কার্যালয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন তিনি। এর পরে এশা নামাজের পরে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনেও ওয়াড কাউন্সিলর কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, এতে সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম বাবু এবং পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম সাগর। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ দেশবাসী এখন নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকদের পতনের পর দেশের কিছু দুষ্কৃতকারী আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য এর সুযোগ নিতে চাচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল, পেশা ও শ্রেণির মানুষকে একযোগে থেকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ বেশি উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মাহবুব হাসান পিয়ারু, ইউসুফ হারুন মজনু, আজিজা খানম এলিজা, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, বাচ্চু মীর, মিজানুজ্জামান তাজ, শাহানুর কবির অয়ন, শরিফুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল বকসি, হাসনা হেনা, মাজেদা খাতুন, রোকেয়া ফারুক, হেদায়েত হোসেন হেদু, মুন্নি জামান, মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ সুমন, আবুল বাসার, শামীম আশরাফ, শামীম খান, এ আর রহমান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাইফুল মারকাত, রাজীব খান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পি, শামসুর নাহার লিপি, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাজ্জাদ হোসেন, সোহেল খন্দকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল

    খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ধানের শীষের নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন সময়ে জীবনপণ লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের মর্যাদার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সাহসী ও আপোষহীন নেত্রীর অবদান আমাদের মূল্যবান ভোটের গুরুত্ব বাড়ায় এবং সেই ভোটের সঠিক ব্যবহার সফলতার চাবিকাঠি।

    বকুল আরো বলেন, আগামী দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করা ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। এই ৩১ দফা শুধুমাত্র নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি নয়, এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট রূপরেখা। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, একটি মহলের গভীর ষড়যন্ত্রের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভেস্তে যাওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে।

    গতকাল শনিবার দুপুর ১টায় যোগিপোল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়িগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনের পরিচালনায়, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসসহ অনেকে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভানেতা শেখ আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ওয়েভ জুটমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আল মাসুদ লিটন, সদস্যরা মোঃ শওকত হোসেন হিট্টু, মোড়ল আতাউর রহমান, শ্রমিক নেতা কাজী শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আলমগীর হোসেন।

  • কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    খুলনার পাইকগাছা-তালা সীমান্তবর্তী বালিয়া খেয়াঘাটের পারাপারসময় কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া রবিউল ইসলাম (৪০) এর লাশ গত রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর পৌনে ৬টার দিকে পাইকগাছার আগড়ঘাটার কপোতাক্ষ নদীর চর থেকে উদ্ধার করা হয়। রবিউল ইসলাম গদাইপুর ইউনিয়নের তৌকিয়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে।

    নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশ জানায়, ৬ জানুয়ারি দুপুর দুইটার দিকে রবিউল সদর উপজেলার ২ নং কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশি গ্রামে কপোতাক্ষ নদে পারাপারের সময় নদীতে পড়ে যান। কয়েকদিন খোঁজাখুঁজির পরে ১১ জানুয়ারি ভোরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

    পুলিশের আরও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রবিউল সাতক্ষীরার তালা থানার বালিয়া ঘাট থেকে কপোতাক্ষ নদে খেয়া যোগে পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ মৃগীরোগের প্রকোপে আক্রান্ত হয়ে নদীতে পড়ে যান। এ সময় স্থানীয় মানুষজন, উদ্ধার কাজের টিম ও ডুবুরি তার সন্ধানে চেষ্টা করে বীরত্বের সাথে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে পারেনি।

    পাইকগাছা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করি। সুরতহাল রিপোর্টের কাজ শেষ করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার সদস্যরা এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া পৌরোস।