Category: সারাদেশ

  • দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী সোমবার দুপুর ১২টায় তার কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও ভরণপোষণ করেন। এই আয়োজনে নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খুলনা জেলা দীর্ঘদিন থেকে অবহেলা ও দুর্বলতার শিকার। তারা আশাবাদী যে, আপনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই বঞ্চনাগুলোর অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

    এসময় জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে খুলনার নয়টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব। বিশেষ করে, দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোতে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে আমি সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার রূপে কাজ করব।

    উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের নেতৃত্বে এই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নিজামউর রহমান লালু, সহ-সভাপতি মিনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম-মহাসচিব সরদার রবিউল ইসলাম রবি, অর্থসম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, মহিলা সম্পাদিকা প্রফেসর সেলিনা বুলবুল, শিক্ষা সম্পাদক বিশ্বাস জাফর আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, মোর্শেদের মতো বিভিন্ন বিশিষ্ট সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এই বক্তৃতায় তারা করোনাকালীন সময়ে জেলার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন ২৭ এপ্রিল

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন ২৭ এপ্রিল

    আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফর হবে যশোর জেলায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর, যা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের প্রথম পদক্ষেপ। বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং খনিজ সম্পদ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির মিডিয়া সেল থেকে। সোমবার রাতে তিনি his ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে এ খবর দেন। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সুসংবাদ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। (সম্ভাব্য তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং)।’ সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খননের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সফরে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে অন্যতম হল যাবতীয় খনন কাজ যশোরের শার্শা উপজেলার উলাসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন। উল্লেখ্য, ৫০ বছর আগে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে এই খালের খনন কাজের शुरुआत করেছিলেন, যা এখন ‘উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প’ বা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এই খাল ভরাট হয়ে পড়েছিল, তবে পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র ও পানি প্রশাসনে নতুন প্রাণ ফিরে আসার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

  • ফকিরহাটে পেট্রোল নিতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    ফকিরহাটে পেট্রোল নিতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

    ফকিরহাটে পেট্রোল নিতে গিয়ে এক যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মো: ইয়াছিন শেখ (৫৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের পাগলা-শ্যামনগর এলাকায় ঘটেছে।

    নিহত ইয়াছিন শেখ ওই উপজেলার সাতশৈয়া গ্রামের বাসিন্দা; তিনি শেখ আ: বারির ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটার দিকে ইয়াছিন মটরসাইকেলে পাগলা-শ্যামনগর আরা ফিলিং স্টেশনে প্রবেশ করছিলেন। তখন খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কার মুখে ফেলে; এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে, অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় পাঠানো হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। আহত ইয়াছিনের মটরসাইকেলটি দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘাতক বাসটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, প্রাথমিকভাবে তিনি সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়েছেন এবং ঘটনার সত্যতা ও কিভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এ দিনের অন্য حادثায় সকাল ১১টায় পিলজংগ এলাকায় একটি ক্রেন উল্টে ইসরাফিল শেখ (২৭) নামের এক ব্যক্তি আহত হন। এছাড়া শ্যামবাগাত এলাকায় এক অজ্ঞাত বাইসাইকেল আরোহীকে বাস ধাক্কা দিলে তিনি আহত হন। আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

  • মেধাস্বত্ব নিশ্চিত হলে গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: উপাচার্য

    মেধাস্বত্ব নিশ্চিত হলে গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: উপাচার্য

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও) হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস এন্ড প্রটেকশন স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক এক কার্যকরী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৬ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    উপাচার্য বলেন, গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন তা সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও প্রয়োগযোগ্য করা যায়। মেধাস্বত্ব নিশ্চিত হলে গবেষণার ফল শুধু একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। তিনি গবেষকদের তাদের আবিষ্কার ও উদ্ভাবন সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং টিটিও প্রতিষ্ঠা ও এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আশাব্যঞ্জকভাবে বলেন, এসব উদ্যোগ গবেষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে উপকারী হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনুর রশীদ খান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বলেন, প্রত্যেক গবেষণার লক্ষ্য মানবকল্যাণ হওয়া উচিত এবং জীবনমান উন্নয়নে গবেষণার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি সতর্ক করে বলেন যে অনেক কষ্টে নির্মিত গবেষণার ফল যদি মেধাস্বত্বে সুরক্ষিত না থাকে, তাহলে তার মালিকানা হারিয়ে যেতে পারে। গবেষণার ফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তার আর্থিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোতেও মেধাস্বত্বের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

    ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, গবেষণায় বিনিয়োগ করে যে ফলাফল আসে তার মালিকানার সংরক্ষণ স্বাভাবিক ও যৌক্তিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদানের সঙ্গে সঙ্গে মেধাস্বত্ব রক্ষা করা প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টিটিওর প্রতিষ্ঠার ফলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের জন্য এই ধরণের সুরক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে, তিনি জানান।

    পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব রক্ষা না করলে উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া কঠিন। পাশাপাশি মেধাস্বত্ব থাকলে ঐ উদ্ভাবনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে গবেষকরা আর্থিকভাবে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। তিনি সকল গবেষণার আউটকামকে মেধাস্বত্ব অধিকারভুক্ত করার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের এসপিএম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের এএসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ ইয়ামিন কবীর। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিসার্চ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন তুহিন।

    উদ্বোধন পর তিনটি টেকনিক্যাল সেশন ও তিনটি ডিসকাসন সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনুর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, পরিচালক ড. অশোককুমার রায় এবং উপ-পরিচালক (পেটেন্টস) মোঃ হাবিবুর রহমান সেশনগুলো উপস্থাপন করেন।

    দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্কুল ও ডিসিপ্লিনের উদ্ভাবন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে কিভাবে সুরক্ষিত করা যাবে তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন স্কুলের ডীন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, হিট প্রকল্পের এসপিএমবৃন্দ, শিল্প প্রতিনিধি, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। আয়োজকরা মনে করেন, এসব উদ্যোগ গবেষকদের উদ্ভাবনী কাজকে সুরক্ষিত করে দেশের উন্নয়ন ও শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত উদ্বোধন করবে।

  • ফকিরহাটে পাম্পে তেল নেয়ার সময় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

    ফকিরহাটে পাম্পে তেল নেয়ার সময় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

    ফকিরহাটে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক মো: ইয়াছিন শেখ (৫৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের পাগলা-শ্যামনগর এলাকায়।

    নিহত ইয়াছিন শেখ স্থানীয় সাতশৈয়া গ্রামের শেখ আ. বারির ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১০টায় ইয়াছিন শেখ তাঁর মোটরসাইকেলে পাগলা-শ্যামনগর এলাকার আরা ফিলিং স্টেশনে ঢুকছিলেন যোগাযোগে তেল অর্জনের জন্য। তখন খুলনাগামী এক যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রফতানি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুভাগে ভেঙে যায় এবং ঘটনাস্থলেই বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ সময় ধাক্কা দেয়া বাসটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, তিনি সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, একই দিনে উল্লেখযোগ্য আরও দু’টি দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল এগারটার দিকে পিলজং এলাকায় একটি ক্রেন উল্টে ইসরাফিল শেখ (২৭) আহত হন। এছাড়া শ্যামবাগাত এলাকায় বাসের ধাক্কায় একজন অজ্ঞাতপরিচয় বাইসাইকেল আরোহীও গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহত দুজনকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

  • মেধাস্বত্ব সুরক্ষিত হলে গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারে: উপাচার্য

    মেধাস্বত্ব সুরক্ষিত হলে গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে বড় অবদান রাখতে পারে: উপাচার্য

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও) হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস অ্যান্ড প্রটেকশন স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (০৬ এপ্রিল) লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    উপাচার্য বলেন, গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই নিশ্চিত হয় যখন সেটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও ব্যবহারযোগ্য হয়। মেধাস্বত্ব রক্ষার মাধ্যমে গবেষণার ফল শুধুমাত্র একাডেমিক কাগজপত্রে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পখাতে বাস্তবে প্রযোজ্য হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তিনি গবেষকদের উদ্ভাবন সুরক্ষা বিষয়ে আরও জাগরুক হওয়ার আহ্বান জানান এবং টিটিও গঠন ও এ ধরনের কর্মশালার আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে গবেষকরা তাদের কাজকে বাণিজ্যিক সুযোগে রূপান্তর করতে পারবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, গবেষণার প্রধান লক্ষ্য মানবকল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়ন। কিন্তু বহু কষ্টে অর্জিত গবেষণার মালিকানা হারিয়ে গেলে সেই লক্ষ্য পূরণ বাধাগ্রস্ত হয়—তাই মেধাস্বত্ব নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি গবেষণার ফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তার আর্থিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, গবেষণায় বিনিয়োগের ফল যাতে সুরক্ষিত থাকে তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়েরও একটি দায়িত্ব। পঠন-পাঠন ও গবেষণার পাশাপাশি মেধাস্বত্ব রক্ষণাবেক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে জরুরি এবং টিটিও এই সুবিধার বাস্তব প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

    পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ছাড়া উদ্ভাবক হিসেবে প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব নয়। মেধাস্বত্ব নিশ্চিত করলে সেই উদ্ভাবনগুলো বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায় এবং গবেষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। তাই তিনি সকল গবেষণার আউটকামগুলোকে মেধাস্বত্ব অধিকারের আওতায় আনার আহবান জানান।

    অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের এসপিএম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্পের এসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ ইয়ামিন কবীর। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিসার্চ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন তুহিন।

    উদ্বোধনী পরবর্তীতে দিনব্যাপী তিনটি টেকনিক্যাল এবং তিনটি ডিসকাশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনগুলো উপস্থাপন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, পরিচালক ড. অশোক কুমার রায় ও উপ-পরিচালক (পেটেন্টস) মোঃ হাবিবুর রহমান।

    কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্কুল ও ডিসিপ্লিনের উদ্ভাবনকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে কিভাবে সুরক্ষিত করা যায় তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। এতে বিভিন্ন স্কুলের ডীন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, হিট প্রকল্পগুলোর এসপিএমবৃন্দ, শিল্প প্রতিনিধি, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

    উদ্ভাবন সুরক্ষা ও বাণিজ্যিকীকরণকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা এ কর্মশালাকে টিটিওর গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে বলা হয়, ভবিষ্যতে এসব উদ্যোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্প ও সমাজের সঙ্গেও মেলাতে এবং জাতীয় ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গঠনে সহায়ক হবে।

  • বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা সভা

    বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা নিয়ে আলোচনা সভা

    বাগেরহাটে ‘তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সম্মেলন কক্ষে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় আয়োজিত সভার সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মেহেরুন্নেছা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুঈনুল ইসলাম।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদয়ন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইশরাত জাহান এবং নির্মাণ সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিজিয়া পারভীন। আমরাই পারি জোটের কনসালট্যান্ট নজমুস সাকিব রুবেল সভাটি সঞ্চালনা করেন।

    আয়োজকরা জানান, ‘‘নাগরিক’’ প্রকল্পের আওতায় আমরাই পারি জোট (উই ক্যান), নির্মাণ সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ও উদয়ন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। এ প্রকল্পে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বাগেরহাট সদর ও রামপাল উপজেলার নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ, নারী নেত্রী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, তথ্য অধিকার আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য নাগরিকদের মধ্যে তথ্য অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো, তথ্য প্রাপ্তি প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরকারি দফতরগুলিতে তথ্যবহুল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

    বক্তারা আরও বলেন, সুবিধাবঞ্চিত, দলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে তথ্যপ্রাপ্তি আরও ন্যায়সংগত হবে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, তথ্য সেবা কেন্দ্র এবং সচেতনতা অভিযানের মাধ্যমে নাগরিকদের তাদের অধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করা জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন।

    প্রকল্প পরিচালনার তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট সদর ও রামপাল উপজেলার চারটি ইউনিয়নসহ দেশের ১২ জেলার ৪৮টি ইউনিয়নে ‘‘নাগরিক’’ প্রকল্প কাজ করছে, যেখানে লক্ষ্যবান্ধব সহায়তা করে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে।

  • নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে উদ্বুদ্ধকরণ ও সৃজনশীল ব্যবসা ধারণা ও স্টার্টআপ বিকাশে ব্যাংকসহ বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে ‘ইউথ এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপ ফর স্টুডেন্টস’ শীর্ষক একটি কর্মশালা রোববার (৫ এপ্রিল) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন এসএমই ফাউন্ডেশন এই প্রোগ্রাম আয়োজন করে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব এতে সহযোগিতা করেছে।

    সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে 열린 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

    উপাচার্য আরও বলেন, দেশে চাকরির সুযোগ সীমিত থাকায় শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জাতির কচ্ছপী প্রত্যাশা আছে — তারা যদি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে তা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন সম্ভব, তাই তরুণদের এ ক্ষেত্রে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

    খুবি প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই হাব-এর মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং প্রশিক্ষণ শেষে সীড মানি দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সুগম করা হচ্ছে। উপাচার্য বলেন, বাস্তবসম্মত আইডিয়া থাকলে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়া সহজ; অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহী। তাই যুগোপযোগী ধারণা তৈরি ও সফট স্কিল অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

    অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রুকনুজ্জামান এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই। এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সালাম সরদার সভাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ক্যারিয়ার ক্লাবের তাসমিয়া ইসলাম তিশা ও ফাহিম খান।

    উদ্বোধনী আলোচনায় বক্তারা মন্তব্য করেন যে, তরুণদের সামনে এখন অসীম সম্ভাবনা খোলা আছে। শুধু চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে নিজে ও অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব, যা দেশকে গর্বিত করবে। উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতোমধ্যে বহু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে; তাই নতুন প্রজন্মকে ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

    বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ছোট কোম্পানিগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের পথ সহজ করা সম্ভব।

    উদ্বোধনী পরবর্তী তিনটি প্লেনারি সেশনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ গঠন, মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (খুলনা) থেকে মোটকরে প্রায় তিনশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গজাল’ ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গজাল’ ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর পুলিশের দৌলতপুর থানা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন হাওলাদার ওরফে গজাল ইমন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    গ্রেপ্তার ইমন দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেনের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কেএমপির মিডিয়া সেলের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রায়েরমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ইমনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মহেশ্বরপাশা কার্তিককূল উত্তর ঘোষপাড়া এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে দুইটি ওয়ান-শ্যুটার গান, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পিস্তলের এক রাউন্ড গুলি এবং ওয়ান-শ্যুটার গানের চার রাউন্ড কার্তুজ। পুলিশ বলছে, এসব অস্ত্র-গুলোবারুদ ইমনসহ গ্রেপ্তারদের কাজে ব্যবহার করা হতো।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র সত্যসহ দস্যুতা ও চুরিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। পুলিশ তাকে তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে জানায় এবং ঘটনার আর্থিক ও সহযোগী জট সংক্রান্ত আরও তদন্ত চালানো হচ্ছে।

  • খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) দৌলতপুর থানা পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন হাওলাদার ওরফে গজাল ইমন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    আটক ইমন দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেনের ছেলে।

    কেএমপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত ভোররাতে গোপনসংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রায়েরমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    পরে ইমন যে তথ্য দিয়েছেন তা অনুযায়ী মহেশ্বরপাশার কার্তিককূল উত্তর ঘোষপাড়া এলাকায় আক্রমণাত্মক তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ কয়েক ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে। উদ্ধারে রয়েছে ২টি ওয়ান-শুটার গান, ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ৪ রাউন্ড ওয়ান-শুটার গানটির কার্তুজ।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, দস্যুতা ও চুরিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী।

    ঘটনার পর থেকে কেএমপি তদন্ত চালাচ্ছে এবং গ্রেপ্তার ও উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।