Category: সারাদেশ

  • খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

    খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

    শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়। এ দিনটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে বিশ্ববিদ্যালয়টি সূর্যোদয়ের আগে প্রশাসনিক ভবন থেকে প্রভাতফেরী বের করে শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়, যেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময়েউপ-উপাচার্য ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নুরুন্নবী, ডিনবৃন্দ, ডিসিপ্লিন প্রধান ও ছাত্র বিষয়ক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সকালেও প্রশাসনিক ভবনের সামনে পতাকা অর্ধনমিত করা হয়, যেখানে উপাচার্য জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ও উপ-উপাচার্য কালো পতাকা তুলে ধরেন।

    দিবসের মূল অনুষ্ঠানটি বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আলোচনা সভার মাধ্যমে পালন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার ড. মোঃ নুরুন্নবী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সরকারি ব্রজলাল কলেজের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোঃ আব্দুল মান্নান, যিনি মূল বক্তা হিসেবে ভাষা আন্দোলনের মাহাত্ম্য ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য একটি অনন্য দিন, যা আমাদের শিক্ষিত ও সাহসী করে তোলে। এই দিনটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও গর্বের শিক্ষা দেয়। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বাংলা ভাষার জন্য মানুষ এগিয়ে আসায় আমাদের গর্ব হয়, প্রবাসে বাংলা ভাষার প্রসার দেখে গ্লানি বা লজ্জা নেই।

    তিনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপরেও আলোকপাত করেন, উল্লেখ করেন ২৪ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের যাত্রা শুরু এবং সেই নেতৃত্বে যাতে বৈষম্যহীন, ন্যায়পরায়ণ ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হয়, এই প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন। প্রজন্মের মধ্যে এই আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রগামী হওয়ারও আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথি ট্রেজারার বলেন, ভাষা কেবল শব্দ নয়, এটি অনুভূতি, স্বকীয়তা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ভাষা আন্দোলন ছিল আত্মপরিচয় রক্ষার সংগ্রাম, যা আজকের দিনেও আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। বাংলা ভাষার স্বকীয়তা রক্ষার জন্য এ সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ’২৪-এর আন্দোলন—এগুলো বাংলা ভাষার শক্তির উৎস। সবাই যেন ভাষার মর্যাদা রক্ষা করে চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশ নেয়, সেটিই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

    মুখ্য আলোচক বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি আবেগে ভরা দুঃখ ও গৌরবের। এই দিন রক্তের বিনিময়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, যা আমাদের নৈতিক ও সত্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। ভাষা শহিদরা শোষণ-উৎপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা আমাদেরকে বিভেদের বিরুদ্ধে লড়াই ও সাহস দেখাতে শিখিয়েছে। একুশের সংগ্রামগুলো—অর্থাৎ ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ’২৪ এর আন্দোলন—একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, শোষণমুক্ত সমাজ গঠন। ভাষা আন্দোলনের চেতনা আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত, এবং শহিদদের কাছে উৎসর্গকৃত এই সংগ্রাম আমাদের উৎসাহ দেয় প্রতিদিন নতুনভাবে।’

    সভায় বক্তারা ’৫২ এর ভাষা শহিদ, মুক্তিযুদ্ধের শহিদ ও ভাষা আন্দোলনের শহিদ—বিশেষ করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ছাত্রাদ্দৃত মীর মাহফুজুর রহমান, আবু সাঈদসহ সকল শহিদের প্রতি দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করেন।

    উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ আজমল হুদা। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের মোঃ রেজোয়ানুল হক রাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক কানিজ ফাতেমা।

    এছাড়াও, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, পরিচালক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, দিবসটি উপলক্ষ্যে সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও প্রশাসন ভবনের সংলগ্ন মসজিদে ভাষা শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন হয়। এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্দিরে প্রার্থনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

  • সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযান শুরু করবে সরকার

    সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযান শুরু করবে সরকার

    পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবন আমাদের দেশের এক অতুলনীয় সম্পদ। এই বনকে রক্ষায় কোনো ধরনের জলদস্যুতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে খুব শিগগিরই একটি সমন্বিত অভিযান শুরু করা হবে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার খান জাহান আলীর মাজারে জিয়ারত শেষে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে বনজ সম্পদ, মাছ শিকারিকে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন এবং পরিবেশ রক্ষায় আমরা পূর্ণ ধৈর্য্য ও একাগ্রতার সাথে কাজ করতে প্রতিজ্ঞবদ্ধ। সুন্দরবনের বিষমুক্তি ও সার্বিক রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও চেয়ারম্যান গোলাম মোঃ বাতেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাছান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালামসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

  • বাগেরহাটে সংসদ সদস্যরা ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার করেছেন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো

    বাগেরহাটে সংসদ সদস্যরা ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার করেছেন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো

    বাগেরহাটে ঝাড়ু হাতে সাঁজানো ছিলেন সংসদ সদস্যরা, যারা গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো করোনার পাশাপাশি শহর ও আশেপাশের এলাকা পরিস্কার করেছেন। রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে বাগেরহাট কোর্ট মসজিদ চত্বরে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাগেরহাট-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ। তিনি নিজেও ঝাড়ু হাতে নিয়ে ময়লা পরিষ্কার করেন এবং এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন দলীয় নেতাকর্মীরা, যারা কোর্ট মসজিদ চত্বর ও আশেপাশের এলাকার cleanliness নিশ্চিত করেন।

    পরবর্তী সময়ে তারা বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চত্বরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম সমাদ্দার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাইন বিল্লাহ, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা শামীম আহসান, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, একরামুল হক এবং হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সংসদ সদস্যসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

    সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, রমজান মাসের আগেই বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাসব্যাপী এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হবে। হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং বাজারসহ সকল স্থানে এই সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। তিনি সবাইকে এগিয়ে এসে শহরকে স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর রাখার জন্য আহ্বান জানান।

    অন্যদিকে, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম মোরেলগঞ্জ পৌরসভা, প্রধান বাজার ও বিভিন্ন স্থানে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজ করেন। উপস্থিত ছিলেন পৌর আমির মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নায়েবে আমির মনিরুজ্জামান, শ্রমিক ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    আলিম বলেন, শহর আমাদের, এখানে আমরা থাকি। দীর্ঘদিন ধরে শহরটি ময়লা আবর্জনায় ভরে থাকে, কিন্তু কেউ তা পরিষ্কার করতে এগিয়ে আসে না। আজ আমি এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এই প্রচেষ্টা যেন সবাইকে অনুপ্রেরণা দেয়, সেটাই লক্ষ্য।

  • খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত

    খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত

    খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন সামরিক, সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ।

    বিকেল অর্ধেকের দিকে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে অবস্থিত শহিদ মিনারে মহান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। একই সময় নগরীর সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দপ্তর ও ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ ভোরে শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শোভাযাত্রা করেন।

    নগরভবনে আয়োজন করা হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। বাদ জোহর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে ভাষা শহিদদের রূহের মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়েও দু’আ ও প্রার্থনা সম্পন্ন হয়। দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রচনা, চিত্রাঙ্কন, আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

    সকাল ১১টায় খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই নিহিত ছিল স্বাধীনতার সূতো। মাতৃভাষা আমাদের আত্মার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি ভাষা শেখার পাশাপাশি মাতৃভাষার প্রতি সজাগ থাকতে হবে, কারণ বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনায় এই ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম।

    প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়েন উদ্দীন এবং পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুর রহমান।

    দিবসের গুরুত্ব এবং আবেগঘন স্মৃতি বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধ, ক্রোড়পত্র ও বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশিত হয়, যা এ দিনে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও চেতনাবোধকে আরও জোরদার করে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবস পালিত

    খুলনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবস পালিত

    খুলনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যা ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংগঠিত হয়।

    সভার সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাহী সদস্য আশরাফুল ইসলাম নূর। বক্তারা বলেন, একুশের চেতনা আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করে এবং মাতৃভাষাকে সবার মাঝে সমুন্নত রাখতে অনুপ্রেরণা যোগায়। বক্তারা অঙ্গীকার করেন, সর্বস্তরে বাংলার মর্যাদা রক্ষা ও ভাষা ব্যবহারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    এছাড়াও, উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সদস্য এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, যারা ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও একুশের আদর্শের সক্তি প্রদর্শনে অংশ নেন। বক্তারা ভাষা শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করেন, যা পরিচালনা করেন ক্লাবের ইমাম মাওলানা মো. ইউসুফ হাবিব।

    একুশের প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যরা। তাদের মধ্যে ছিলেন আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, সদস্য মো. রাশিদুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোস্তফা জামাল পপলু, মো. জাহিদুল ইসলাম, কাজী শামিম আহমেদ, শামসুদ্দীন দোহার মতো নেতৃবৃন্দ।

    সকালে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। সবশেষে দোয়া অনুষ্ঠানে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।

  • নড়াইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে আওয়ামী লীগ অফিসের শুভ উদ্বোধন

    নড়াইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে আওয়ামী লীগ অফিসের শুভ উদ্বোধন

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দীর্ঘ ১৮ মাস পরে নতুন স্বপ্নের সূচনা হলো। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুক্তির প্রতীক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা লোহাগড়া উপজেলার মানিকগঞ্জ বাজারে নিজস্ব আঞ্চলিক কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই অনুষ্ঠানে তারা দেশপ্রেম ও মুক্তির শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান উচ্চারণ করেন।

    পুরো অনুষ্ঠানটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায়, নড়াইল জেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে এই কার্যালয় উন্মুক্ত করা হয়। এরপরে, অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে নেতাকর্মীরা নানা দেশের মুক্তি ও স্বাধিকার এর মূলমন্ত্রে অবিচল থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বিভিন্ন স্লোগানে হাসি-আনন্দে মুখর হয়ে ওঠেন, যেমন: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘কে বলে রে মুজিব নাই, মুজিব সারা বাংলায়’, ‘আজকের এই দিনে, মুজিব তোমায় মনে পড়ে’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘শেখ হাসিনা সরকার, বার বার দরকার’ ইত্যাদি।

    কাজী আব্দুল আলিম ফেসবুক পোস্টে বলেন, দীর্ঘ ১৮ মাস পরে এই নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হলো, যা জাতির জন্য এক নতুন উত্তেজনা ও উদ্দীপনার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে লোহাগড়া উপজেলার জনগণের জন্য উন্নয়ন ও নতুন সূচনার ব্যাপক সম্ভাবনার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    অপরদিকে, লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা এই ঘটনাটি শুনেছি এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।’ সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে উৎসাহ ও প্রত্যাশার পাশাপাশি পুলিশের করণীয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

  • সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর এক সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়। কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায়, বনের শ্যালা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি অভিযান চালানো হয়। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী এলাকার মধ্যে মানিব্যাগ, অস্ত্র, গোলাবারুদসহ একজন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেন।

    কোস্ট গার্ড জানায়, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জানা যায় যে, সুন্দরবনের শ্যালা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল ও তৈয়বের খাল এলাকায় করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। সেই ভিওয় ভিত্তি করে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মোংলা এবং নলিয়ান কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চলাকালীন, ওই এলাকায় থেকে চারটি একনলা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটার গান, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১০ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। অতিরিক্তভাবে, এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে যার নাম বাদশা শেখ (২৫), তিনি রামপাল থানার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে যে, বাদশা দীর্ঘ দিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর সঙ্গে যোগ থাকার পাশাপাশি ডাকাতি, অস্ত্র সরবরাহ ও অন্যান্য দুষ্কর্মে সম্পৃক্ত ছিল। জব্দকৃত অস্ত্র ও আলামতসহ তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করলেও কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায়, কোস্ট গার্ড ইতোমধ্যে সুন্দরবনে বেশ কিছু অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর পাঁচটি আস্তানা ধ্বংস করে দেয়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে, কোস্ট গার্ডের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।”

  • সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযান শুরু হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম

    সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযান শুরু হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম

    পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এই অসাধু দস্যুতা ও সন্ত্রাসী गतिविधির কারণে এই বনকে নিরাপদ করা খুবই জরুরি। এজন্য দ্রুতই একটি সমন্বিত অভিযানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে সহায়তা করবে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলায় খান জাহান আলীর মাজার জিয়ারত শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় বনজ সম্পদ, মাছ ধরার জেলেরা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন যে, সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষা এবং এই ঐতিহ্যবাহী বনকে বিষমুক্ত করার জন্য also সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    এ সময় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোঃ মতিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাছান চৌধুরী, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এম এ সালাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও আলোচনা অনুষ্ঠান tonight, কাল দোয়া ও মানবন্ধন

    পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও আলোচনা অনুষ্ঠান tonight, কাল দোয়া ও মানবন্ধন

    মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি কেবল শোক দিবস নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন। ভাষা আন্দোলনের শহীদরা তাদের জীবন দিয়ে আমাদের মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। এই ভাষা আন্দোলনের চেতনাই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে কেন্দ্রীয় করে তোলে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভায় বক্তৃতা করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ভাষা শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত একুশ আমাদের জাতীয় চেতনার ভিত্তি। এই আত্মা ধারণ করে বিএনপি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। তিনি নেতাকর্মীদের সফলতার জন্য সকলের সহযোগিতা ওসহযোগিতার আহ্বান জানান। মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। একুশের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা না হয়ে, ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষা করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে, এই চেতনাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত হয়ে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানশেষে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুদিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে আজ ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১০:৩০ এর মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি, রাত ১২:০১ মিনিটে শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সূর্য ওঠার সাথে সাথে মহানগরীর সকল দলীয় কার্যালয়ে পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন। একই দিন বাদ এশা দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হবে। এছাড়াও, ১৫ রমজান এর মধ্যে মহানগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রেহানা ঈসা, বদরুল আনাম খান, শেখ সাদী, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, থানা সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবির, শেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, এড. শেখ মোহাম্মদ আলী, থানা সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ, শেখ ইমাম হোসেন, আসাদুজ্জামান আসাদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের আহ্বায়ক মৌলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমান, মহিলা দলের যুগ্ম-আহবায়ক এড. হালিমা আক্তার খানম, জাসাসের সদস্য সচিব কে এম এ জলিল, কৃষক দলের সদস্য সচিব শেখ আবদুলনাহার, শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম শফি, আঞ্চলিক শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আলমগীর তালুকদার, থানার সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী, মো. নাসির উদ্দিন, মতলেবুর রহমান মিতুল, নুরুল হুদা পলাশ ও সৈয়দ তানভীর আহমেদ প্রমুখ।

  • কালীগঞ্জে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    কালীগঞ্জে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ষষ্ঠ দিনের মতো বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সঙ্গে ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য সতর্কবার্তা দিচ্ছে তারা। জুলাই ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুরে কালীগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন বাজারে এ কার্যক্রম সংগঠিত হয়।

    উপজেলা সূত্র জানায়, রমজানের আগে থেকেই যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় না করে তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি চালানো হচ্ছে। এ সময় বিভিন্ন মুদি ও ফল ব্যবসায়ীদের মানসম্মত ও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    মনিটরিং এর সময় বিভিন্ন অসাধুভাব সফলভাবে শনাক্ত হয়; এর কারণে দুই ফল আমদানিকারককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর অধীনে মোট ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের সতর্ক করে দেয়া হয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অনিয়ম আর না ঘটে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা দলের পাশাপাশি কালীগঞ্জ থানার পুলিশও উপস্থিত ছিলেন, যারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন।

    এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজোয়ানা নাহিদ বলেন, রমজানে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে বাজারে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রেখে মনিটরিং অব্যাহত আছে। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি বা ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় ক্রেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত তদারকি চালু থাকলে রমজান মাসে বাজারের মূল্য স্থিতিশীল থাকবে এবং ভোক্তাদের লাভ হবে।