Category: সারাদেশ

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’টি রাজনৈতিক গ্রুপের মধ্যে সর্ম্পকিত সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ থেকে ৮ জন। এই মারপিটের ঘটনাটি ঘটেছে ভোর সাড়ে ৫টায়, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

    প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, নামের তালিকায় রয়েছেন উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের রহমান খলিল এবং তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, এর পাশাপাশি ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলে মুন্না শেখ। অন্যদিকে, প্রবীণ সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা গ্রুপের ওসিবুর মিয়া ঘটনাস্থলে নিহত হন।

    পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সদরের সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিবাদের ফলাফলস্বরূপ, সোমবার ভোরে বড়কুলা গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের ব্যক্তিরা—রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলেও মারা যান। এতে আহত হন সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা গ্রুপের ওসিবুর মিয়া, যাকে দ্রুত নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। দুপুরের দিকে আহত মুন্না শেখ নামের আরও এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওলি মিয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • নড়াইলে আধিপত্য দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ চার নিহত

    নড়াইলে আধিপত্য দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ চার নিহত

    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ছয় থেকে সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এই সংঘর্ষ হয়েছে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার সময়ে বড়কুলা গ্রামে। ঘটনাস্থলে উত্তরীয় পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে ওই দিন ভোরে বড়কুলা এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একই সময়ে আহত হন সাবেক চেয়ারম্যান খেয়ার গ্রুপের ওসিবুর মিয়া, যাকে及时 হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সতর্ক ও সজাগ অবস্থানে রয়েছেন।

  • সরকারের উদ্যোগে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার আশ্বাস

    সরকারের উদ্যোগে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার আশ্বাস

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, সুন্দরবনের অর্থনৈতিক বিকাশ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে জলদস্যুরা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। তিনি জানান, বনকে দস্যুমুক্ত করার জন্য সরকার প্রতিটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে সুন্দরবন অঞ্চলে জলদস্যুতা দমন নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এক সময় সুন্দরবন দস্যুমুক্ত ছিল, কিন্তু পুনরায় এসব অপরাধীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এর ফলে অনেক জেলে মাছ ধরতে যেতে সাহস পাচ্ছে না, যা সুন্দরবনের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর। তিনি এও বলেন, পরিস্থিতি এলে ইকো-ট্যুরিজম ও ব্লু-ইকোনমির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এজন্য সব ধরনের শক্তিশালী ব্যবস্থা ও বনবিভাগের সমন্বিত অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সমস্যা সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বনজীবীদের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বাহিনী এই কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে। তিনি আরও জানান, সরকার জলদস্যুরা সক্রিয়তা কমাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের অর্থনৈতিক বর্ধন ও সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষার জন্য জলদস্যু নিশ্চিহ্ন করতেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। এছাড়াও, নির্বাচনজনিত বিভ্রান্তির কারণে জলদস্যুরা সুযোগ নিতে চেয়েছিল, তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জলদস্যু বিরোধী অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, যেন সুন্দরবন ও তার জলসীমা নিরাপদ থাকে। বনবিভাগের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানে ও আরও কার্যকরী করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ স ম জামশেদ খোন্দকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব-৬ ও নৌ-পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা, যারা সুসংগঠিতভাবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।

  • খুলনায় বাড়ির সামনে থেকে মোটরসাইকেল চুরি

    খুলনায় বাড়ির সামনে থেকে মোটরসাইকেল চুরি

    খুলনা নগরীর খালিশপুর থানাধীন শ্রীশ্রীনগর এলাকায় এক বাংলো বাড়ির সামনে রাখা একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

    জানা গেছে, শ্রীশ্রীনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বুলবুল বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটের দিকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি রাস্তার মোড়ে রেখে বাসায় প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখতে পান, মোটরসাইকেলটি আর সেখানে নেই।

    নিখোঁজ মোটরসাইকেলটির ব্র্যান্ড জিনান কিংকি সুজুকি (Suzuki), কালো রঙের এবং এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর খুলনা মেট্রো–লা–১২-৬৯৯১।

    ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও এখনও মোটরসাইকেলটির কোনো সন্ধান মেলেনি। বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে।

    অতিরিক্তভাবে, ভুক্তভোগী বাসার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন। ফুটেজে দেখা যায়, এক অজ্ঞাত যুবক (প্রায় ২৫ বছর বয়সী, মাঝারি গড়নের, নীল টি-শার্ট পরা) বাসায় প্রবেশের পর দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যায়।

  • বাগেরহাটে সংসদ সদস্যরা স্পষ্টতার মাধ্যমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালেন

    বাগেরহাটে সংসদ সদস্যরা স্পষ্টতার মাধ্যমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালেন

    বাগেরহাটে সংসদ সদস্যরা ঝাড়ু হাতে বিভিন্ন সড়ক, হাসপাতাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিস্কার করেছেন। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাগেরহাট কোর্ট মসজিদ চত্বরের উদ্যোগে এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাগেরহাট-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ। তিনি নিজে ঝাড়ু হাতে ময়লা পরিষ্কার করে এই কর্মসূচির সূচনা করেন, যার মাধ্যমে তিনি জনসাধারণের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা, যারা কোর্ট মসজিদ চত্বর ও এর আশপাশের এলাকার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।

    এরপর সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে গিয়ে সেখানে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নেন। এই সময় তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম সমাদ্দার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাইন বিল্লাহ, পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা শামীম আহসান, জামাত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, একরামুল হকসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিলে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার করেন।

    সংসদ সদস্যসহ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেন। শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, ‘‘আমরা এখন রমজানে মাসব্যাপী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাট-বাজারসহ সব জায়গায় এই কার্যক্রম চলবে। সবাইকে সচেতন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়তে এগিয়ে আসতে হবে।’’

    অপরদিকে, এইদিন সকালে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম মোরেলগঞ্জ পৌরসভা, প্রধান বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আমির মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নায়েবে আমির মনিরুজ্জামান, শ্রমিক ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান এবং বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    অধ্যক্ষে আব্দুল আলিম বলেন, ‘আমাদের শহর আমাদের, তাই এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিজের অংশীদারিত্ব দরকার। দীর্ঘদিন ধরে শহরে ময়লা আবর্জনা জমে থাকছে, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছেন না। আমি নিজ উদ্যোগে আজ এই শহরের বিভিন্ন এলাকার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি, ভবিষ্যতে এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

  • মোরেলগঞ্জে ঝাড়ু হাতে শহর পরিষ্কার করলেন সংসদ সদস্য

    মোরেলগঞ্জে ঝাড়ু হাতে শহর পরিষ্কার করলেন সংসদ সদস্য

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো মিস ও ময়লা থেকে মুক্ত করতে ঝাড়ু হাতে নেমেছেন সংসদ সদস্য। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি একটি মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। নিজে ঝাড়ু হাতে পরিস্কার করেন হাসপাতাল, সড়ক, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাজারের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো। এর সঙ্গে তার প্রতিনিধিদল ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন, সবাই মিলে শহরটাকে পরিচ্ছন্ন করে তুলছেন।

    সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম জানান, রমজান মাসে মোরেলগঞ্জ ও শরনখোলার বিভিন্ন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার থাকবে। হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং বাজারসহ সর্বত্র এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলবে। তিনি বলেছেন, শহরকে সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সকলের এগিয়ে আসার দরকার।

    বিক্ষিপ্তভাবে প্রধান বাজার, বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও পাবলিক জায়গাগুলো পরিস্কার করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, নায়েবে আমির মাষ্টার মনিরুজ্জামান, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের নেতারা।

    সংসদ সদস্য আব্দুল আলিম বলেন, শহর আমাদের। আমাদেরই বাসযোগ্য ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে শহরে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। কেউ ময়লা ফেলার উদ্যোগ নেয় না, তাই নিজ উদ্যোগে আমি এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছি। আজ শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার করেছি, ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

  • বিএনপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সতর্ক হচ্ছে জনগণ

    বিএনপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সতর্ক হচ্ছে জনগণ

    খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু একথা বলেছেন, প্রায় দেড় দশক পর বাংলাদেশে জনগণ এখন বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত সরকার দ্বারা গঠিত গণতান্ত্রিক সরকার উপভোগ করছে। তিনি বলেন, বিএনপি’র নিরঙ্কুশ বিজয় মূলতঃ জনগণের বিজয়; মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই বিজয়ের পেছনে কিছু গোষ্ঠী মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার চালিয়ে চলছে, যা সত্যের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও বিএনপি’র বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত হয় জনবিরোধী এই গোষ্ঠী, যা থেকে জনগণকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। যারা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতাকর্মী বিতর্কিত কাজে জড়িয়ে পড়বে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিচ্ছন্ন ও দলাদলি মুক্ত রাজনীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারকে কোনোভাবেই কালিমালেপন বা অপমানের সুযোগ দেওয়া হবে না।

    রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) নগরীর কে. ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তৃতায় মো. মনিরুজ্জামান মন্টু একথা বলেন। এই সভাটি প্রতিবছর রমজান মাসে খুলনার সম্মানিত নাগরিক এবং দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য ইফতার মাহফিলের আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী ১৬ রমজান (৬ মার্চ) খুলনা ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি’এর ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এই মাহফিল সফল করে তুলতে জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টুকে আহবায়ক ও সদস্য সচিব (অপেক্ষাকৃত) এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে সদস্য সচিব করে পাঁচটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে; এর মধ্যে অর্থ ও ক্রয় কমিটি সহ আরও বিভিন্ন উপ-কমিটি রয়েছে।

    এছাড়াও, তিনি আরও বলেন, ইফতার মাহফিলের আর্থিক অনিয়ম বা চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের সময় বিএনপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল বটবাহিনী, যারা সীমাহীন মিথ্যাচার চালিয়ে গেছে। আগামী মেয়াদে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এই গোষ্ঠী তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তাদের অপপ্রচারের হাত থেকে রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে বিএনপি নেতা-কর্মী। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, সরকারি দল ভেবে নিজেদের অবস্থান গা ভাসিয়ে রাখতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও বাড়বে।

    সদস্য সচিব (অপেক্ষাকৃত) এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, কেন্দ্র থেকে খুব শিগগরই দল পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করার জন্য নির্দেশনা আসতে পারে। বর্তমান নেতাকর্মীদের ত্যাগ, পরীক্ষা ও নির্যাতনের মূল্যায়ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, যারা দলের মধ্যে প্রবেশ করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ত্যাগী, পরিশ্রমী ও ডেডিকেটেড নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করে দলকে শক্তিশালী ও একত্রিত করা হবে। সকল নেতাকর্মীর এই ইফতার মাহফিলে সক্রিয় দায়িত্ব পালন ও সহযোগিতা করার আহবান জানান তিনি।

    প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র বিভিন্ন নেতৃবর্গ ও দলীয় কর্মকর্তা, যেমন যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মহান মোল্যা খায়রুল ইসলাম, এসএম শামীম কবির, গাজী তফসির আহমেদ, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, আশরাফুল আলম নান্নু, মো. আনিসুর রহমান, শেখ আজগর আলী, নাসমুস সাকির পিন্টু, জিএম রফিকুল হাসান, আরিফুর রহমান আরিফ, ইলিয়াস মল্লিক, মল্লিক আব্দুস সালাম, মনির হাসান টিটো, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, মনিরুজ্জামান লেলিন, এমএ হাসান, আশরাফুল ইসলাম নূর, আসাফুর রহমান পাইলট, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, মো. আছাফুর রহমান, মাত্তুরুর রহমান লিটন সহ আরও অনেকে। এই অংশীদারিত্বমূলক আলোচনা ও পরিকল্পনায় দলটির নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় তেল ও ডালডায় মরা ইঁদুর, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি: জরিমানা দেড় লাখ টাকা

    চুয়াডাঙ্গায় তেল ও ডালডায় মরা ইঁদুর, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি: জরিমানা দেড় লাখ টাকা

    চুয়াডাঙ্গায় খাদ্য মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান চালিয়ে তেল, ডালডা, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য এবং অনিয়মের জন্য দুইটি কারখানাকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দৌলতদিয়া ও পৌর এলাকার রেল বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান জানান, পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে খাদ্য নিরাপত্তা যাচাই-বাছাই ও তদারকি কাজের অংশ হিসেবে এ সপ্তাহে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। দৌলতদিয়াড়ের একটি মৌসুমি খাদ্যপ্রস্তুতকারক কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সংরক্ষিত তেল ও ডালডার মধ্যে পচা এবং মরা ইঁদুরের উপস্থিতি। পাশাপাশি, উৎপাদনের নির্ধারিত তারিখের আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ ফ্লেভার ব্যবহার ও খাদ্য প্রস্তুতকরণের আরও বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে কারখানাটির বিরুদ্ধে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অপর দিকে, রেল বাজারের অনন্যা ফুড প্রোডাক্টসে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি নতুন প্যাকেটে ভরে অবৈধভাবে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এই অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানকে আরো ৫০ হাজার টাকার জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট আরও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নড়াইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে খুলল আওয়ামী লীগ অফিস

    নড়াইলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে খুলল আওয়ামী লীগ অফিস

    দীর্ঘ ১৮ মাস পর নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় আবারও আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে মহান একুশে ফেব্রুয়ারির স্মরণে আনুষ্ঠানিকভাবে এর সূচনা করেন নেতা-কর্মীরা। مراسمে তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন, যা উপমহাদেশের মানুষের মুখে মুখে ফিরে আসে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল বেলায় উপজেলার ৪ নম্বর নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের মানিকগঞ্জ বাজারে এই শুভ সূচনা অনুষ্ঠিত হয়। এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, নড়াইল জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে তারা অফিসটি উদ্বোধন করেন। এরপর অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘কে বলে রে মুজিব নাই, মুজিব সারা বাংলায়’, ‘আজকের এই দিনে, মুজিব তোমায় মনে পড়ে’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘শেখ হাসিনা সরকার, বারবার দরকার’ ইত্যাদি।

    নড়াইল জেলা সেচ্ছাসেবক লীগে সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল আলিম ফেসবুক পোস্টে বলেন, দীর্ঘ ১৮ মাস পর নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় এই আঞ্চলিক কার্যালয়টি আবার চালু ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মহান একুশে ফেব্রুয়ারির স্মরণে এর উদ্বোধন করলাম।

    অপরদিকে, লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহমান জানান, ঘটনার খবর শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

  • সুন্দরবনের ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    সুন্দরবনের ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

    সুন্দরবনের এক দুষ্চর্ষ ডাকাত সমিতির সদস্যকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের অভিযানে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম উল- হকের তরফ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। আহতভাবে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনের শ্যালা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল এলাকায় বিশেষ একটি অভিযান চালানো হয়, যেখানে তাকে আটক করা হয়।

    কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা শ্যালা নদী ও তৈয়বের খাল এলাকার বিশেষ একটি জায়গায় অবস্থান করছে। সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে শুক্রবার সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ড মোংলা বেইস এবং নলিয়ান এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে সেখানে থেকে চারটি একনলা বন্দুক, একজন ওয়ান শুটার গান, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১০ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। এর পাশাপাশি দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনী’র এক সক্রিয় সদস্যকেও আটক করা হয়।

    আটককৃত ব্যক্তি বাদশা শেখ (২৫), রামপাল থানার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, বাদশা দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডাকাতি, অস্ত্র সরবরাহ এবং রসদ সরবরাহে সহায়তা করে আসছিলেন। জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রক্রিয়া চলমান।

    একই সময়ে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ডের সদস্যদের কয়েকটি দায়িত্ব পালন করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র আবারও সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে, কোস্ট গার্ড ইতোমধ্যে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর পাঁচটি আস্তানা ধ্বংস করেছে এবং সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে নিয়োজিত রয়েছে। কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা জানান, সুন্দরবনের দস্যুমুক্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।