Category: সারাদেশ

  • খুলনার বাইতুন নূর শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ড, ১০ দোকান পুড়ে গেছে

    খুলনার বাইতুন নূর শপিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ড, ১০ দোকান পুড়ে গেছে

    খুলনার নিউমার্কেটের পাশে অবস্থিত বাইতুন নূর শপিং সেন্টারে রোববার রাতে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গেছে। ঘটনাটি ঘটে রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে, যখন মার্কেটের একটি মোবাইল ফোনের দোকান থেকে অগ্নিগর্ভের সূচনা হয়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় চাট্টখানি সময়ের মধ্যে পুরো মার্কেটে ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আশেপাশের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ মূলত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট। ঘটনার ফলে চালিয়াপড়া প্রায় ১০ থেকে ১২টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার ঘিরে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার ঘিরে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইল সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিক্ষোভের জের ধরে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দুটি পক্ষের মধ্যে ভয়ঙ্কর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ মোট পাঁচজন নিহত ও অন্তত সাত থেকে আটজন আহত হন। ঘটনাস্থলটি ছিল সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রাম, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে সাবেক দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল।

    নড়াইল সদর থানার ওসি ওলি মিয়া এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতরা হলেন, উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের রহমান খলিল ও তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলে মুন্না শেখ, পাশাপাশি সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যার পক্ষের ওসিবুর মিয়া।

    সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে চলছিল বিরোধ। এরই জেরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে। এতে দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহারে উজ্জ্বল শেখের দলের রহম্ন খলিল, তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হুসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন আরও কয়েকজন। গুরুতর আহত সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যার ওসিবুর মিয়াকেও উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে দুপুরের দিকে আহত মুন্না শেখ মৃত্যু বরণ করেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করে পরিস্থিতি রব—তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। বর্তমানে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা চেষ্টা চলছে।

  • নড়াইলে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবাসহ চারজন নিহত

    নড়াইলে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবাসহ চারজন নিহত

    নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় কমপক্ষে ছয় থেকে সাতজন আহত হন। ঘটনা ঘটে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে पांचটার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইল সদর থানার ওসি ওলি মিয়া।

    নিহতরা হলেন— বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের রহমান খলিল ও তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

    পুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ ও খলিল গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্যের জন্য দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ شروع হয়। সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত অন্য পক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়াকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নড়াইল সদর থানার ওসি ওলি মিয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনার স্থান বরাবর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • খুলনায় মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় শিশুশিক্ষকদের শাহব

    খুলনায় মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় শিশুশিক্ষকদের শাহব

    আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) খুলনা পিটিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনসহ পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষিকার ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা। মূল আলোচনায় উঠে আসে সমাজকে সুস্থ ও সত্ম উন্নত করতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগের কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম। এ আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপস্থিত ছিল।

    প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, মাদকাসক্তি একটি সমাজে মারাত্মক ব্যাধি হিসেবে বিকাশ লাভ করছে। নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে এর প্রভাব বাড়ছে, যা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, সুস্থ, উন্নত জাতি গঠনের জন্য আমাদের মাদকদ্রব্য থেকে দূরে থাকতে হবে। এটা সম্ভব সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে। পরিবার থেকেই মানুষের মধ্যে শিক্ষার চর্চা শুরু হয়, যেখানে শেখানো হয় সঠিক মূল্যবোধ এবং আচরণ। শিক্ষকরাই আসল গাইড, যারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন।

    অতিরিক্তভাবে তিনি বলেছিলেন, পরিবেশ রক্ষায় আমরা বিশ্বকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সচেতন না থাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। তাই পরিবেশ রক্ষা ও মাদকদ্রব্যের মতো ভয়ঙ্কর সমস্যার সমাধানে সচেতন হতে হবে। একজন শিক্ষিত ব্যক্তির জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।

    অনুষ্ঠানে অন্য অতিথিরা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিভাইসের কারণে মাদকের মতো ভয়াবহ সমস্যা ভয়ানক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। শিশুরা আসক্ত হয়ে পড়ছে এই ডিভাইসগুলোর প্রতি, যার ফলে তাদের মনোভাব ও স্বভাব বিকৃত হচ্ছে।

    খুলনা পিটিআই এর সুপারিনটেডেন্ট মোহা: তোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এসকে ইফতেখার মোহাম্মদ উমায়েন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: হারুন অর রশীদ, বিএল কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাড. শেখ জাকিরুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: রকিবুজ্জামান। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পিটিআই এর সহকারী সুপারিনটেডেন্ট আব্দুল আল মামুন খান।

    অতিথির মধ্যে জায়গা করে নেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি রুমা মন্ডল। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড. শেখ অলিউল ইসলাম। এ আলোচনা সভা মূলত সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

  • কালীগঞ্জে পরিচিতি সভায় মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এমপির যুদ্ধ ঘোষণা

    কালীগঞ্জে পরিচিতি সভায় মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এমপির যুদ্ধ ঘোষণা

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব আজ কালীগঞ্জে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন যে, মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেই তাঁর মূল যুদ্ধ চলবে। তিনি বলেন, এলাকায় অপরাধ দমনে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন এবং কোনো অপশক্তিকে তিনি ছাড় দেবেন না।

    সোমবার সকাল ১১টায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন দপ্তর ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব। শুরুতেই উপজেলা ও উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া হয়। তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজোয়ানা নাহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল ফারুক ও থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জেল্লাল হোসেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তব্যে এমপি আবু তালিব জানান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হিসেবে তাঁর মূল অঙ্গীকার হল আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা। তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন। এ জন্য তিনি প্রশাসনের সকল পর্যায়ের অফিসার ও কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

    সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভূমি ব্যবস্থাপনা, সেবা প্রদান, স্বচ্ছতা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সভার সমাপ্তিতে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • আলমডাঙ্গায় ঘরের আড়ায় ঝুলতে দেখা গেল যুবকের অর্ধগলিত মৃতদেহ

    আলমডাঙ্গায় ঘরের আড়ায় ঝুলতে দেখা গেল যুবকের অর্ধগলিত মৃতদেহ

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নিজ বাড়ির ঘরের আড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনা ঘটে আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে আলমডাঙ্গা উপজেলার আসাননগর গ্রামে। মৃত যুবকের নাম সুজন আলী (৩৮), তিনি ওই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত আলীর ছেলে। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি। তিন সন্তানের জনক সুজন আলীর স্ত্রী পারিবারিক কলহের কারণে নির্বাচনপূর্ণ সময়ের আগে সন্তানদের নিয়ে তার বাবা-মা’দের বাড়ি চলে যান। এরপর থেকে তিনি একাই থাকতেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরাইল জানিয়েছেন, সোমবার সকালে বড় ছেলে লিমন তার বাবার খোঁজ করতে বাড়িতে যায়। বাড়ির প্রবেশদ্বার বন্ধ থাকায় সে ভেতরে যাওয়ার জন্য প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করে। দরজা খোলা দেখে ভেতরে ঢুকে দেখেন, তার বাবাকে আড়ার সঙ্গে ঝুলতে। চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওসি আরো জানান, মরদেহ কিছুটা গলাগলে ছিল, ধারণা করা হচ্ছে তিনি কয়েক দিন আগে গলায় ফাঁস দেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্তে প্রতিবেদন আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলছে।

  • নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিযুক্ত

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে খুলনা সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে এই পদে নিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যা পর্যন্ত কোনও নতুন নির্দেশনা না আসে, তত পর্যন্ত খুলনা সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে দায়িত্ব দেওয়া হলো।স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মাহাবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) অনুসারে, করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসকগণ সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী মেয়রের সব ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া, এই নিয়োগের মাধ্যমে তারা বিপি অনুযায়ী ভাতা পাবেন।এছাড়াও ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন যথাক্রমে মো. আব্দুস সালাম (ঢাকা দক্ষিণ), মো. শফিকুল ইসলাম খান (ঢাকা উত্তর), আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিলেট), মো. সাখাওয়াত হোসেন খান (নরায়ণগঞ্জ), এবং মো. শওকত হোসেন সরকার (গাজীপুর)।

  • অপহৃত ২০ জেলের মুক্তি এখনো সম্ভব হয়নি এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়েও

    অপহৃত ২০ জেলের মুক্তি এখনো সম্ভব হয়নি এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়েও

    প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও বঙ্গোপসাগরে অপহৃত ২০ জেলেকে মুক্তি মিলছে না। দস্যু বাহিনীর হাতে বন্দি থাকা এসব জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে মোট ৭০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। তবে, মুক্তিপণের পরিমাণ নিয়ে দস্যুদের সাথে মহাজন ও স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দর কষাকষি চলাচ্ছে বলে বনবিভাগ নিশ্চিত করেছে।

    বিশেষ করে দস্যু আতঙ্কের কারণে প্রায় চার দিন ধরে মাছধরা বন্ধ ছিল। শনিবার সকাল থেকে কিছু কিছু ট্রলার আবার ঝুঁকি নিয়ে সাগরে প্রবেশ করেছে। বনবিভাগের নির্দেশনায় জেলেরা চরের কাছাকাছি নিরাপদ দূরত্বে থেকে মাছ ধরার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং দিনে দিনে ফিরে আসারর জন্য সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

    গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলারকে দস্যু বাহিনী, যার নেতৃত্বে ছিলেন বন ও জলদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন, অপহরণ করে। তাদের অবরুদ্ধ করার পরপরই অপহরণের আতঙ্কে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের জেলেরা সাগর ও বনে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন। এর ফলে দেশের বিশাল শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যেখানে মাছের সংকট দেখা দিয়েছে কালেভদ্রে। অন্যদিকে, মাছ না পেয়ে লক্ষ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা এবং আর্থিক সংকটে হুমকির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার দরিদ্র জেলে।

    পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা শুঁটকি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, অপহৃত জেলেদের মহাজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, দস্যুরা ট্রলার প্রতি তিন লাখ৫০ হাজার করে চাঁদা দাবি করেছে। মহাজনরা দস্যুদের সঙ্গে কথা বলে চাঁদার পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু দস্যুরা চাঁদা পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করেনি। দ্রুত পরিশোধ না করলে জেলেদের জীবন হুমকির মুখে পড়বে এবং পরবর্তীতে মাছ ধরতে গেলে আগাম চাঁদা দিয়ে নামতে হবে বলে মহাজনদের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকাল থেকে কিছু জেলে ঝুঁকি নিয়ে সাগরে ফিরেছেন। তাদেরকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে মাছ ধরা এবং দ্রুত ঘাটে ফিরে আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশজুড়ে এক গভীর আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’টি রাজনৈতিক গ্রুপের মধ্যে সর্ম্পকিত সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ থেকে ৮ জন। এই মারপিটের ঘটনাটি ঘটেছে ভোর সাড়ে ৫টায়, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

    প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, নামের তালিকায় রয়েছেন উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের রহমান খলিল এবং তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, এর পাশাপাশি ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলে মুন্না শেখ। অন্যদিকে, প্রবীণ সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা গ্রুপের ওসিবুর মিয়া ঘটনাস্থলে নিহত হন।

    পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সদরের সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিবাদের ফলাফলস্বরূপ, সোমবার ভোরে বড়কুলা গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উজ্জ্বল শেখ গ্রুপের ব্যক্তিরা—রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলেও মারা যান। এতে আহত হন সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা গ্রুপের ওসিবুর মিয়া, যাকে দ্রুত নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। দুপুরের দিকে আহত মুন্না শেখ নামের আরও এক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওলি মিয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • নড়াইলে আধিপত্য দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ চার নিহত

    নড়াইলে আধিপত্য দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ চার নিহত

    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ছয় থেকে সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এই সংঘর্ষ হয়েছে গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার সময়ে বড়কুলা গ্রামে। ঘটনাস্থলে উত্তরীয় পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে ওই দিন ভোরে বড়কুলা এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। একই সময়ে আহত হন সাবেক চেয়ারম্যান খেয়ার গ্রুপের ওসিবুর মিয়া, যাকে及时 হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সতর্ক ও সজাগ অবস্থানে রয়েছেন।