Category: রাজনীতি

  • ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে গত মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনের সময় কিছু অসুবিধার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভোটকক্ষে কিছু প্রার্থী ও সমর্থক নিয়ম ভেঙে ঢুকের চেষ্টা করেছেন। তবে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনের আলাপচারিতায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড প্রদান করেনি। এজন্য তাকে মেয়েদের হলে অবস্থিত ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আবিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এই ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আসিনি, বরং ভোটের উৎসব উপভোগ করতে আসছি। আমি কোনো অভিযোগ করতে চাই না।’ তবে শুরু থেকেই নির্বাচনের পরিবেশে কিছু অসুবিধার অভিযোগ উঠে আসছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই কেন্দ্রে জগন্নাথ হলে থাকা শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন। পাশাপাশি কাজের জন্য তিনি ও তার সমর্থকদের ভোটের প্রচার ও প্রচারপত্র বিলি করতেও দেখা যায়। ওই সময় অনেক নারী ভোটার এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন। তবে আবিদুল ও তার সমর্থকেরা দাবি করেছেন, তারা ভোট প্রার্থী বা প্রচার করতে আসেননি, কেবল ভোটের ব্যালট নম্বর সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন, কারণ বেশিরভাগ ভোটার তা মনে রাখতে পারেন না। এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোটের জন্য প্রার্থনা বা প্রচারণা করতে পারবেন না। কেন্দ্রের ১০০ মিটার মধ্যে কোনো ভোটারও স্লিপ বা প্রচারপত্র বিলি করতে পারবে না। খবর গেছে, নির্বাচনী কেন্দ্রের কাছেই বুথ ও টেবিল স্থাপন করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে রয়েছে।’ এই ঘটনার মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করতে সকল পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • ফখরুল জানান, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে শঙ্কা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে

    ফখরুল জানান, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে শঙ্কা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে

    অযাচিতভাবে কিছু রাজনৈতিক দল বর্তমানে জাতীয় নির্বাচনে অস্থিরতা এবং শঙ্কা সৃষ্টি করা চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, ‘আমরা কিছুটা উদ্বিগ্ন, তবে আমি বিশ্বাস করি তাৎক্ষণিক না হলেও সময় মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবং এই নির্বাচন জনগণের সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, আগামী সোমবার অনুষ্ঠিতব্য জেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের জন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়েছে, এবং আমরা আশাবাদী এটি সফল একটি অনুষ্ঠান হবে। বড়ো কথা হলো, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এবং বক্তব্য রাখবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই সম্মেলন নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এছাড়া, জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সম্মেলনস্থল পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে যখন আওয়ামী লীগের কিছু নেতার ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। যোগাযোগের এই সময়, সম্মেলনস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের উপস্থিত দেখা যায়।

  • ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি

    ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ঢুকেছি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার পথে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে চলেছে। বিশেষ করে নির্বাচনের নিয়ম ভাঙচুরের অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি জানান, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোটকেন্দ্রের সামনে উপস্থিত থাকাকালে এই কথা বলেন।

    অভিযোগ রয়েছে, প্রার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো বিশেষ কার্ড বা পারমিশন দেয়নি, ফলে তাকে মেয়েদের হলে অবস্থিত ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যেই তিনি বলেন, আমি এ ঘটনাকে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হওয়া ভোটের অংশ হিসেবে দেখছি এবং অভিযোগ করতে চাই না।

    প্রথম থেকেই অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল সমর্থিত পক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে তারা অনিয়মের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এই কেন্দ্রটিতে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছেন।

    প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকেরা বাইরে থেকেও ভোট প্রার্থী ও প্রচারপত্র বিলি করতে দেখা যায়। কিছু নারী ভোটার এই কার্যক্রমে আপত্তি জানিয়ে প্রতিবাদ করেন, কিন্তু আবিদুল ও তার সমর্থকরা দাবি করেন, তারা ভোট চাইছেন না; তারা মূলত প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন কারণ ভোটাররা এই নম্বরগুলো মনে রাখতে অসুবিধা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনো প্রার্থী কেন্দ্রে ঢুকে ভোটের জন্য প্রার্থনা বা ভোটার স্লিপ বিতরণ করতে পারবে না। এমনকি কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে এসব অনুমোদিত নয়।

    প্রতিপক্ষের অভিযোগের মাঝে দেখা গেছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভোটকেন্দ্রের কাছেই বুথ ও টেবিল স্থাপন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমরা কোনো নিয়মভঙ্গের কাজ করিনি। আমাদের হেল্প ডেস্ক কেন্দ্র থেকে অন্তত ১৫০ মিটার দূরে আছে।

    অতীতে এই নির্বাচনের সময় বিভিন্ন ধরণের অনিয়মের অভিযোগ ওঠলেও, এ ফালতু অভিযোগ ও গুজব থেকে মুক্ত থাকাই এখন সবচেয়ে প্রয়োজন। নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব ও সতর্কতা অবলম্বন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

  • সবকিছু এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: সাদিক কায়েম

    সবকিছু এখন পর্যন্ত ইতিবাচক: সাদিক কায়েম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মনোনীত ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সাদিক কায়েম সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুন্দর রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কার্জন হলের চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, আমি সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি। সব কিছুই স্বাভাবিক ও সুবিন্যস্ত। যদি শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হয়, তবে আমি আশাবাদী যে আমরা জয়ী হব। এখন পর্যন্ত পরিবেশের সব কিছুকেই পজিটিভভাবে দেখছি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিচ্ছেন। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে আমি মনে করি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ফলাফল আসবে। এ ছাড়াও, এবারের নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেলে দলের মূল নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী, আপ বাংলাদেশ ও ইনকিলাব মঞ্চের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিচ্ছে। নির্বাচনের জন্য তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে মোট ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অবিরত চলবে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোটদানের জন্য লাইনে থাকা শিক্ষার্থীরাও ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশপথ সারা দিন বন্ধ থাকবে, যা আগামী বুধবার সকালের ৬টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

  • তারেক রহমানের আশঙ্কা: সহজভাবে নেওয়া ভুলের সংকেত

    তারেক রহমানের আশঙ্কা: সহজভাবে নেওয়া ভুলের সংকেত

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টি সহজভাবে নেয়া ভুল উদ্যোগ বলে মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেন, আমরা যদি সব কিছু সহজ করে ভাবি, তাহলে বিপদে পড়তে পারি। এক বছর আগে তিনি বলেছিলেন, আমাদের পরিস্থিতি সহজ নয়, বরং এটা জটিল একপ্রকার।
    সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে তিনি লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিভিন্ন নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    তারেক রহমান জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার ও জাতীয় ঐক্য কমিশন বিষয়ে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে অংশগ্রহণ করেছে। তারা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দিয়েছে, তবে কিছু বিষয় নিয়ে মতান্তর থাকায় সেগুলো দেশের জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি বললেন, আসুন জনগণের ওপর বিশ্বাস রাখি, তাদেরই শেষ কথা। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য জনগণের আস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
    তিনি আরও বলেন, ‘দেশে জবাবদিহিতা, নির্বাচনী ব্যবস্থা সবকিছু একসময় ধ্বংস করে দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে লাখো প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করা হলেও, এখনও নানা ষড়যন্ত্রের কারণে গণতন্ত্র ধুলোয় মিশে গেছে। শাসক দলের শোষণ, গুম, খুনের ঘটনা সাধারণ মানুষের জীবনে টানা একটি অন্ধকার যুগের শুরু করে।’
    তারেক রহমান স্মরণ করে, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যে স্বপ্ন দেখেছিল মানুষ, তা এখন অনেকাংশে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশে এখনো স্বৈরাচার চেষ্টার কোনও সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবনদান করেছে, তাদের আত্মত্যাগের বদলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন।
    বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গত ১৬ বছরে আমাদের দেশে বিভিন্ন রাজপথে রক্তপাত, আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছে সাধারণ জনগণ। জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা, নারীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা—সবই আমাদের চোখে পড়ে। কিন্তু শেষমেশ বিজয় দেশের মানুষেরই হয়, শোষকরা পালিয়ে যায়। দেশের মুক্তি ও স্বাধিকার অর্জনে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের জায়গা অপ্রতিরোধ্য।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে নীতিও রয়েছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, অন্য দলগুলোরও নিজস্ব পরিকল্পনা ও নীতিসহ রয়েছে। কিন্তু দায়িত্বশীল রাজনীতির জন্য প্রয়োজন সবার মাঝে একত্রে কাজ করা। দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠন, কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করা, বেকার সমস্যা কমানো ও নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের বক্তব্য দিচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে, অবাঞ্ছিত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, স্বৈরাচার ফিরে আসার পরিবেশ তৈরি হবে, যা দেশের জন্য সঙ্গত হবে না। সবাইকেই দায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে। সরাসরি বক্তব্যের পাশাপাশি যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।’
    প্রসঙ্গত, সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এখন যখন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তখনই দেশের শত্রুরা আবার ষড়যন্ত্র শুরু করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন করতে চায় তারা।
    তিনি আরও সাবধান করে বলেন, যারা ভোটের পথে বাধা সৃষ্টি করার চিন্তা করছে, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা—ভুল পথে চললে দেশের মানুষ উপকারী হবে না। জনমত ও গণতন্ত্র রক্ষা আমাদের দায়িত্ব।
    সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তিনি সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

  • বিএনপি বললো, ফ্যাসিস্ট শাসনে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার ক্ষমতায় আনবে

    বিএনপি বললো, ফ্যাসিস্ট শাসনে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার ক্ষমতায় আনবে

    ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা চলাকালে যে প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়েছে, বিএনপি সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার শক্তিশালী করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই উদ্দেশ্যে বিএনপিকে শক্তিশালী করে তুলতেই হবে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেছেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ কর্তৃক নিপীড়নের শিকার হয়েছে। গণতন্ত্রের ধ্বংস, রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও অর্থনীতির ক্ষতি, পাশাপাশি মানুষের মৌলিক অধিকার লুটেরূপে ধ্বংস হয়েছে। এই সময়টিতে বিএনপি ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক দলগুলো ব্যাপক সংগ্রাম ও লড়াই চালিয়ে গেছে। তাদের নেতাকর্মীদের অনেককে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে এবং চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ২৪শে জুলাই কেন্দ্রীয়ভাবে ছাত্র, তরুণ, শিশু, নারীসহ সর্বস্তরের জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য রাস্তায় নেমে আসে। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহর জুড়ে হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন। ঠাকুরগাঁওয়েও গত ১৫ বছরে আমদানিন্তরে প্রায় ১২ জন শহীদ হয়েছেন। জুলাই মাসে চারজন শহীদ হয়েছেন। এই অঞ্চলসহ সমগ্র দেশে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্টরা শতাধিক মামলা করে হাজারো গণতান্ত্রিক কর্মীকে হয়রানি ও নির্যাতনের পালা চালিয়েছে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বিএনপি একটি ঐতিহাসিক দল। আজ আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপির সম্মেলন করতে যাচ্ছি, এই উপলক্ষে আমরা আমাদের ১২ জন শহীদ সহকর্মীকে স্মরণ করছি। তিনি স্মরণ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতंत्रের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতीयতাবাদী দল গঠিত হয়, যা দীর্ঘ ৪৭ বছর আন্দোলন করে আসছে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, প্রাণ দিয়েছে এবং কখনোই গণতন্ত্রের লড়াই থেকে সরে আসেনি।

    তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়াও দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গণতন্ত্র ফিরে এনেছেন। তিনি কোনদিন মাথা নত করেননি। সেই মহান নেত্রী এখনো দেশের নেতৃত্বে আছেন এবং তার জন্য আমরা গভীর সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, তিনি আশাবাদী যে, দেশের তরুণ ও এমন সব নেতৃবৃন্দের প্রতি সকলের নজর রয়েছে। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে জাতি আবারও গণতন্ত্রের পথ শক্তিশালী করবে। তিনি বুঝানোর মাধ্যমে জানান, বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনে দেশ ভেঙে গেছে, সব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো ও অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার জন্য বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, আমি নিজেও এই সংগ্রাম ঘরানার একজন।

    ২০১৭ সালে সর্বশেষ জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ আট বছর নানা জটিলতার কারণে আর সম্মেলন হয়নি। তবে এখন সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে। সম্মেলনের জন্য সুবিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে।

    নেতৃবৃন্দের ধারণা, সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিন সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পয়গম আলী, ওবায়দুল্লাহ হক মাসুদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শরিফুল ইসলাম শরীফ। এর মধ্যে শরিফুল ইসলাম গত রোববার রাতে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। এই নির্বাচনে মোট ৮০৮ জন কাউন্সিলর ভোটাধিকারে নেতৃত্ব বেছে নেবেন।

    জেলা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল হান্নান হান্নু জানান, সম্মেলনে পাঁচটি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভার মোট ৮০৮ জন কাউন্সিলর,সংগঠনের আরও ৪ হাজার নেতাকর্মী, বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ও সমাজকর্মীদের উপস্থিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • নির্লজ্জ ভোট চাওয়ায় খুলনার ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    নির্লজ্জ ভোট চাওয়ায় খুলনার ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাঝে এক নারী শিক্ষার্থীকে ফোন করে ছাত্রদলের পক্ষে ভোট চাইয়ানোর অভিযোগে খুলনার এক ছাত্রদল নেতাকে অব میل করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এই সিদ্ধান্ত শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরে অনুমোদন করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো সংগঠনের নির্দেশনা নেই থাকা সত্ত্বেও, আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে ভোটারের কাছে অযাচিতভাবে ভোট চাইয়ানো এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য খুলনা জেলা শাখার অধীন পূর্ব রূপসা থানার সদস্যসচিব ইমতিয়াজ আলী সুজনকে সংগঠনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, ছাত্রদল থেকে কোনও শিক্ষার্থী যেন বাড়ি গিয়ে বা ফোন করে ভোট না চায়, সে জন্য রাজনীতি নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছেন। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ডাকসু বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের অধিকার। কোনো অতিরিক্ত উৎসাহী নেতা বা কর্মী যেন আবেগপ্রবণ হয়ে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ভোটে অনুরোধ না করেন। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের আবেগ-অনুভূতি শ্রদ্ধা করি। তবে এ ধরনের কাজ শিক্ষার্থীদের প্রতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।”

    শেখ তানভীর বারী হামিম আরও বলেন, “যতদিন আমি ছাত্রদলে থাকবো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবো। আমাদের লক্ষ্য হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা। রূপসায় আমার অনুমতি ছাড়াই একজন ছাত্রনেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে ভোটের জন্য চেয়েছিলেন। এটি আমি দেখার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে জানিয়ে দ্রুত বহিষ্কারের দাবি জানাই। এভাবেই ছাত্রদলের রাজনীতি অব্যাহত থাকবে, যুগের পর যুগ।”

  • রিজভীর ক্ষোভ: মাজার ভাঙা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়া ইসলাম শিক্ষার পরিপন্থী

    রিজভীর ক্ষোভ: মাজার ভাঙা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়া ইসলাম শিক্ষার পরিপন্থী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকের দিন আমরা নিজেরাই বিভিন্ন দ্বিধায় বিভক্ত। কারো মাজার ভাঙা বা লাশ পুড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই রাসুলের শিক্ষার অংশ নয়। তিনি শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।

    রিজভী উল্লেখ করেন, পৃথিবীবাসীকে নিদর্শন করে গেছেন সেই মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)। আমরাই তার আদর্শ থেকে শিক্ষা না নিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় ফেরকা ছোটাছুটি করছি। অথচ, আমাদের মহানবী একত্ব, শান্তি ও ঐক্যের প্রতীক।

    তিনি বলেন, আজকের এই মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠানে আমার মতো একজন সাধারণ মানুষও হয়তো বলতে পারবে না, মহামানব—তিনি কত মহান। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ, প্রেরণামূলক বাণী ও ব্যক্তিগত গুণাবলী আমাদের জন্য গভীর জীবন্ত শিক্ষা। যদি আমরা সামান্য হলেও তার অনুসরণ করতাম, তাহলে এই দেশে অনাচার, পাপাচার, হানাহানি, রক্তপাত বন্ধ হয়ে যেত।

    রিজভী আরও বলেন, আমাদের যারা তার অনুসারী বলে স্বাগত জানাই, তারা নিজেরাই আজ তার আদর্শের পুরোপুরি প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ। মহানবী ছিলেন মুসলিম সমাজের মূল ভিত্তি, কিন্তু আমরা তাকে অনুসরণ না করে নিজেরা বিভ্রান্তির সূতিকাগার সৃষ্টি করছি। এটি আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

    আলোচনা শেষে মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর শরাফত আলী শফু। মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

  • ফখরুলের বক্তব্য: কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টির চেষ্টা করছে

    ফখরুলের বক্তব্য: কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টির চেষ্টা করছে

    অপ্রকাশ্যভাবে কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অস্থিরতা ও শঙ্কা সৃষ্টি করে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের কিছুটা উদ্বিগ্ন হলেও সরকারের পাশাপাশি আমাদের প্রত্যাশা— যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করবে।

    সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়া এই জেলা বিএনপি সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, ’নানা আয়োজনের মাধ্যমে আমরা এটিকে একটি সফল সম্মেলন হিসেবে সম্পন্ন করার প্রত্যাশা করছি। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। এটি নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে আমরা আশা করছি।’

    এ সময় জাতীয় পার্টির সহ-চেয়ারম্যানের বক্তব্যের প্রসঙ্গে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নে, আওয়ামী লীগের কিছু নেতার ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে মন্তব্য চাওয়া হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সম্মেলনস্থল পরিদর্শনে জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি বলছে, ফ্যাসিস্ট শাসনে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করবে

    বিএনপি বলছে, ফ্যাসিস্ট শাসনে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করবে

    ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থায় ধ্বংস হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করবে বিএনপি। এই লক্ষ্যেই দলটি তার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে,- উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি গত সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি হলো এমন একটি রাজনৈতিক দল যা দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২১ দফা ভিত্তিতে বেগম খালেদা জিয়া দেশের নতুন রূপকল্প প্রণয়ন করেছেন। তবে দুঃখের বিষয়, বর্তমানে ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেঙে বিড়ম্বনার মুখে ফেলেছে। এসব ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে গড়ে তুলতেই বিএনপি ৩১ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য দলের নেতাকর্মীরা এখন শক্তি সঞ্চয় করে কাজ করছে। এই সূচনাটি দলের সম্মেলনের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হলো। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

    সম্মেলনে পর্বে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে নেতাকর্মীরা উৎসবমুখরভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার আট’শো পক্ষ ভোট দিয়ে জেলার নেতৃত্ব বেছে নেবে। এই সম্মেলনে প্রচুর নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। অনুষ্ঠানে দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এই ঐতিহাসিক সম্মেলনটি সাত বছর আট মাস পরে অনুষ্ঠিত হলো, যা ঠাকুরগাঁওয়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করেছে।