Category: বিশ্ব

  • কিরিয়াত শমোনায় মিসাইলের শব্দে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ইসরায়েলি রাষ্ট্রপতি হার্জোগ

    কিরিয়াত শমোনায় মিসাইলের শব্দে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ইসরায়েলি রাষ্ট্রপতি হার্জোগ

    ইসরায়েলি রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হার্জোগ কিরিয়াত শমোনা শহরে একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় আশেপাশে আঘাত হানা মিসাইলের শব্দ পাওয়ায় দৌড়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হন—এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার খবর আল জাজিরা ছাড়া বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

    ঘটনাটি সোমবার (২৩ মার্চ) ঘটে। হার্জোগ ওই সময় তেহরানের সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ফিরে এসে কিরিয়াত শমোনায় সাংবাদিকদের সামনে কথা বলছিলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা শেষ করা মাত্র কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ওই এলাকায় একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে।

    ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ ভেসে আসার পর নিরাপত্তাকর্মীরা তৎপরতা দেখিয়ে তাঁকে দ্রুত আশ্রয়ে নিয়ে যান। ভিডিওতে দেখা যায়, সাংবাদিকদের ঘিরে থাকা অবস্থায় হার্জোগ দ্রুত দৌড়ে সরে যাচ্ছেন এবং নিরাপত্তা তাঁকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

    সংবাদ সম্মেলনে হার্জোগ আগে বলেছিলেন যে ইসরায়েল গত বছরের যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে পারবে না এবং লেবানন সীমান্তের ভেতরে কৌশলগত অবস্থান নিশ্চিত করা দরকার।

    অন্যদিকে, আল জাজিরা ও অন্যান্য প্রতিবেদনগুলিতে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার পর থেকে সীমান্ত অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে এবং তেমন পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা ও নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন। তরুণ ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে হার্জোগের ওই আশ্রয়ে যাওয়ার ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে এবং বিশ্বমাধ্যমের নজর কাড়েছে।

  • ফিলিপাইন বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা

    ফিলিপাইন বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় ফিলিপাইন সরকার জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র একটি নির্বাহী আদেশে এই ঘোষণা দেন।

    প্রেসিডেন্ট বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়া, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ও সামগ্রিক অনিশ্চয়তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের কাছে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি জ্বালানি, খাদ্য, ওষুধ ও কৃষিপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে সমন্বয় করবে।

    শাসন ব্যবস্থার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী জরুরি অবস্থার ঘোষণা বিদ্যমান আইনকাঠামোর মধ্যেই সরকারকে দ্রুত ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে সক্ষম করবে। সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, এই জরুরি অবস্থা এক বছরের জন্য বহাল থাকবে। সেই সময় Gobierno প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য জরুরি ভিত্তিতে সংগ্রহ করতে পারবে এবং প্রয়োজনে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকবে।

    জ্বালানি বিভাগের সচিব শ্যারন গ্যারিন জানান, বর্তমান ব্যবহার অনুযায়ী ফিলিপাইনের হাতে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।

    বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়তে থাকলে তা মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং দেশীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট মার্কোস অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পেসোর বিনিময় হার, প্রবাসী আয় ও মুদ্রাস্ফীতির ওপর প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

    একই সময়ে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মধ্যে সরকারের পদক্ষেপকে অনেকে অপ্রতুল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। পরিবহন শ্রমিক, যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনগুলো বৃহস্পতিবার থেকে দুই দিনের ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সরকারের উদ্যোগ পর্যাপ্ত নয় এবং জ্বালানি সংকটের প্রভাব সাধারণ মানুষের কাঁধেই পড়ছে।

    সূত্র: রয়টার্স

  • ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের সময় দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি হারজগ

    ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের সময় দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন রাষ্ট্রপতি হারজগ

    উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে সোমবার (২৩ মার্চ) সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সময়ে একটি ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগকে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আল জাজিরা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই ভিডিওতে দেখা যায় সংবাদ সম্মেলন শেষ হবার পর কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দেই তিনি সঙ্গী নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দ্রুত সরে যাচ্ছেন এবং নিরাপদ স্থানে আনা হচ্ছেন।

    ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হারজগ ওই সফরের আগে তেহরানের অভিযানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শন করেছিলেন এবং পরে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আগেই বলেছেন যে ইসরায়েল আগের স্থিতাবস্থায় ফিরে যেতে পারবে না এবং লেবাননের ভেতরে কৌশলগত সুবিধা নিশ্চিত করার অগ্রাধিকার বজায় রাখতে হবে।

    এ সময়ের ঘটনা সম্পর্কে সরকারিভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত না হলেও, প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ইরানের পাল্টা হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের স্বরূপের কারণে এ অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ ও তার পরবর্তী পাল্টা হামলার পর থেকেই ওয়াশিংটন ও তেলআবিভি উদ্বিগ্ন বলে বিভিন্ন সংবাদ সূত্রে বলা হচ্ছে।

    কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদপত্রে এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার কথাও বলা হয়েছে; তবে তা সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি এবং নেতানিয়াহুকে নিয়েও ধারণা মিলছে না এমন কোন চূড়ান্ত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

    সংক্ষেপে, কিরিয়াত শমোনায় সংবাদ সম্মেলনের সময় সামনে থেকে অনুভূত বিস্ফোরণ ও আঘাতের পর থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা রাষ্ট্রপতিকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন—এটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদনেই প্রতিফলিত হয়েছে। ঘটনার পূর্ণ বিবরণ ও কোনো হতাহতের তথ্য থাকলে কর্তৃপক্ষ পরে তা জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ইরানের হুমকি: যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অচল’ করা হবে

    ইরানের হুমকি: যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অচল’ করা হবে

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের ওপর যদি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোর বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অচল’ করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে আরব উপসাগরে মোতায়েন সব মার্কিন জাহাজকে ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ।

    মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেন আইআরজিসির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী এক্সপেডিয়েন্সি ডিসসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য মহসেন রেজায়ি। তিনি বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করার শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে; তাদের উদ্ধারে বেশি সময় বাকি নেই।’’ তবে কীভাবে এবং কবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত জানাননি রেজায়ি।

    ঘটনাক্রমে, কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে আগামী পাঁচ দিনের জন্য ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো হামলা চালানো হবে না। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই ইরান দাবি করে যে ইসফাহান প্রদেশের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ও গ্যাস উৎপাদনসংস্থায় হামলা হয়েছে। ইরানের আধাসরকারি ফার্স নিউজ এসব হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে।

    আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসফাহানের একটি গ্যাস সংশ্লেষণ প্ল্যান্টে আঘাত লага এবং সেটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; আশপাশের আবাসিক এলাকাও প্রভাবিত হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী গ্যাস পাইপলাইনের ক্ষতির কারণে খোরমশহরের বিদ্যুৎকেন্দ্রেও সরাসরি প্রভাব পড়েছে। ফার্স নিউজ আরও বলেছে, মঙ্গলবার ভোরে ইরানের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

    এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ওই হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেনি এবং উভয় পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য মেলেনি।

    পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য, এর আগের সপ্তাহে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন—হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি জানানো হয়েছিল এবং ৪৮ ঘণ্টার একটি সময়সীমা ধরা হয়েছিল। পরে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সম্পর্কিত আলোচনায় ফলপ্রসূ অগ্রগতি হয়েছে এবং তাই পাঁচ দিনের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিত রাখা হবে। বর্তমান তথ্য ও দাবিগুলো আল জাজিরা এবং ফার্স নিউজ থেকে নেওয়া হয়েছে।

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দেখে দৌড়ে পাললেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট — ভাইরাল ভিডিও

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দেখে দৌড়ে পাললেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট — ভাইরাল ভিডিও

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর পেয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন থেকে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলেন ইসরায়েলের রাষ্ট্রপ্রধান — এমন একটি ভিডিও জনসাধারণের মধ্যে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও অন্য কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৩ মার্চ) উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা শহরে সাংবাদিকদের সামনে ভাষণ শেষ করেই আচমকা কাছাকাছি কোনো এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত নোটিশ ধরা পড়ে। ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগ সঙ্গে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের কথায়-বার্তার মধ্যেই দ্রুত দৌড়ে আশ্রয়ে চলে যান এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

    কিছু প্রতিবেদন দাবি করেছে যে ত্রুটিপূর্ণ বা প্রতিরোধমূলক হিসেবে তেহরান ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে এবং এ সংঘর্ষের পটভূমি নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের উপর ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে হার্জগ আরও বলেন, ইসরায়েল গত বছর যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল তা ফের ফিরে যাওয়ার মতো নয় এবং তারা লেবাননের ভেতরে ‘কৌশলগত’ অবস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছে—এমন মন্তব্যও তিনি করেন।

    এর আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু সংক্রান্ত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তাকে জনসম্মুখে কম দেখা যাওয়ার কথাও সংবাদে উঠেছিল। তেহরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে কিরিয়াত শমোনা থেকে ফিরে এসে হার্জগ ভাষণ শোনাচ্ছিলেন, সেইক্ষণের ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    এই ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্পূর্ণ বিবরণ, সূত্র ও ঘটনার সময়কার নির্দিষ্ট ক্ষতি-ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

  • কলম্বিয়ায় সামরিক সি-১৩০ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬৬

    কলম্বিয়ায় সামরিক সি-১৩০ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬৬

    কলম্বিয়ায় উড্ডয়নের পরপরই একটি সামরিক সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    দুর্ঘটনাটি আমাজন অঞ্চলের পুতুমায়ো প্রদেশের পুয়ের্তো লেগুইজামো পৌরসভায় ঘটেছে—এই এলাকা পেরু ও ইকুয়েডরের সীমান্তের নিকটবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চল। বিমানটিতে ছিল সরকারি তথ্য অনুসারে ১১৪ জন সেনাসদস্য এবং ১১ জন ক্রু।

    সামরিক কমান্ডার কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা রুয়েদা জানিয়েছেন, এ বিপর্যয়ে নিহতদের মধ্যে ৫৮ জন সেনাসদস্য, ৬ জন বিমানবাহিনীর কর্মী এবং ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন—মোট ৬৬ জন মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেককে উদ্ধার করে কাছে-দূরে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

    স্থানীয় চিত্র ফুটেজে দেখা গেছে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে এবং ট্রাক, মোটরবাইক দিয়ে স্থানীয়রা আহত সেনাদের হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বেঁচে থাকা কোনো ব্যক্তির সন্ধান করছেন।

    বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে রাজধানী বোগোতা ও অন্যান্য হাসপাতালে আহতদের স্থানান্তরের জন্য দুইটি উড়োজাহাজ পাঠানো হয়েছে, যেগুলোতে মোট ৭৪টি শয্যা রাখা আছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পেদ্রো সানচিজ এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, বিমানটি পুয়ের্তো লেগুইজামো থেকে সরে মাত্র ১.৫ কিলোমিটার দূরেই বিধ্বস্ত হয় এবং ভেতরে আগুন ধরে যাওয়ার কারণে গোলোবারুদ বিস্ফোরিত হয়। তবে এখানে কোনো ‘অবৈধ গোষ্ঠীর হামলার’ নির্দেশ মিলেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।

    প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো দুর্ঘটনাকে গভীর বেদনাদায়ক আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এমনটি করা উচিত ছিল না। তিনি এক দীর্ঘ পোস্টে সশস্ত্র বাহিনীর সরঞ্জাম ও বিমানের আধুনিকায়নে প্রদর্শিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেই দায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছে যে আর দেরি সহ্য করা হবে না—তরুণ সৈনীদের জীবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

    কলম্বিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ সামরিক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত মাসেও প্রতিবেশী বলিভিয়ায় একই মডেলের একটি হারকিউলিস বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার খবর ছিল, যেখানে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছিলেন।

    বর্তমানে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে; দুর্ঘটনার নিখুঁত কারণ জানতে আরও সময় লাগতে পারে। কর্মকর্তারা হতাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুততম সময়ে ঘটনার পূর্ণ স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

  • ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে, তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ

    ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে, তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ

    ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) আল জাজিরা এবং অন্যান্য সূত্রে বলা হয়, জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণ ইসরায়েলে একাধিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী হামলার পর বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে। কিছু প্রাথমিক তথ্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে গুচ্ছ বোমা (ক্লাস্টার মিউনিশন) ব্যবহৃত হতে পারে, যা বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে বিস্তার করে। মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরণের আঘাত দেখা গেছে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও প্রকাশিত হয়েছে।

    রোববার থেকে অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুধু ইরান নয়, লেবাননের সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও আঘাত চালানোর ঘটনা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তেহরানে ‘বড় ধরনের হামলা’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে এবং বলেছে যে সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হবে।

    অন্যদিকে, একই ঘটনায় তেহরানেও কিছুক্ষণ আগে পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা নজিরবিহীন ছিল। বিস্ফোরণের পর তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা সাধারণত আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের ড্রোন বা যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার ইঙ্গিত দেয়।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, শহীদ বাবায়ী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন অন্তত দুটি এলাকা এবং পূর্ব উপকণ্ঠের গরমদারেহ এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেমনি হাফেজ ও জমহুরি স্ট্রিট সংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।

    পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো উভয় পক্ষ থেকে বিস্তৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন যে সাম্প্রতিক এই ঘটনার পরে পরিস্থিতি আরও জটিল ও উত্তপ্ত হতে পারে।

  • ট্রাম্পের পাঁচ দিনের হামলা স্থগিত ঘোষণায় তেলের দামে বড় ধস

    ট্রাম্পের পাঁচ দিনের হামলা স্থগিত ঘোষণায় তেলের দামে বড় ধস

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান পাঁচদিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের মূল্য ব্যাপকভাবে পড়ে গেছে।

    আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৩ মার্চ) গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা ৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বা আনুমানিক ১৭ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচারস দর প্রায় ১৩ ডলার বা ১৩.৫ শতাংশ কমে ৮৫.২৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

    ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মধ্যকার শত্রুতা পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের পথে অনেক দূর এগিয়েছে।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘তেহরানের সঙ্গে এই গভীর, বিশদ এবং গঠনমূলক আলোচনার আলোকে—যা সপ্তাহজুড়ে চলবে—আমি যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি।’’

    অন্যদিকে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজে নাম না প্রকাশের শর্তে এক সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগ হয়নি। ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ‘‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি, এমনকি কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও নয়।’’ তিনি আরও বলেন, এমন একটি সতর্কবার্তা পাওয়ার পরে ট্রাম্প পিছু হটেছেন যে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল এবং ইসরায়েলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাতে পারে। এই দাবিটি ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

    বিশ্ববাজারে দাম পড়ার পেছনে মূলত নিরাপত্তা সংশয় ও সরবরাহ-আশঙ্কা কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ—সৌদি আরব, ইরাক, আরব সংযুক্ত আমিরাত ও কুয়েত—অল্প কিছু উৎপাদন কমিয়েছে। তাছাড়া ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে বলে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় জাহাজ চলাচল ও তেল পরিবহনে অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে, যা বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করেছে।

    টানাদের শুরুর দিকে ব্রেন্টের দাম এক সময় ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলারের কাছাকাছি এবং ডব্লিউটিআই প্রায় ১১৯.৪৮ ডলারে উঠেছিল; পরে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়ে দাম কমে আসে।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • ট্রাম্পের হামলা পাঁচ দিন স্থগিত ঘোষণায় তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমল

    ট্রাম্পের হামলা পাঁচ দিন স্থগিত ঘোষণায় তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমল

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে চালানোর সম্ভাব্য হামলা পাঁচদিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিলে বিশ্ববাজারে কাঁচা তেলের দাম তীব্রভাবে নেমে আসে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার (২৩ মার্চ) গ্রিনিচ সময় সকাল ১১:০৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস প্রায় ১৫ শতাংশ বা প্রায় ১৭ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচারস প্রায় ১৩ ডলার বা ১৩.৫ শতাংশ পতন করে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.২৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

    ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হয়েছে এবং সেই আলোচনার ওপর ভর করে তিনি যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আলোচনাগুলো ‘গভীর, বিশদ ও গঠনমূলক’ এবং সাপ্তাহ জুড়ে চলবে।

    তবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগ হয়নি বলে জানাচ্ছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলেছে, তাদের সাথে কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও যোগাযোগ হয়নি। ওই কর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং ইসরায়েলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার সতর্কতা দেওয়ার পরই মার্কিন পক্ষ পিছু হটেছে—একটি দাবি যা ইরানি সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে।

    পিছনের সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো—সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত—তরল উৎপাদন কমিয়েছে। পাশাপাশি রিস্ক বাড়ায় বলা হচ্ছে যে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলও ব্যহত হয়েছে, যেটি বিশ্ব বাণিজ্যে প্রায় ২০ শতাংশ কাঁচা তেল পরিবহন করায় এই পরিস্থিতি তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করেছে।

    যুদ্ধে উত্তেজনা শুরু হলে ব্রেন্ট ক্রুড一এক সময় ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল এবং ডব্লিউটিআইও ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছেছিল; পরে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়ে দাম নেমে এসেছে।

    সূত্র: আলজাজিরা, ফার্স নিউজ

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছড়াল ইসরায়েল জুড়ে; তেহরানে তীব্র বিস্ফোরণ

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছড়াল ইসরায়েল জুড়ে; তেহরানে তীব্র বিস্ফোরণ

    ইসরায়েল জুড়ে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কবার্তা জারি করা হয় এবং বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসব তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা (২৩ মার্চ)।

    হামলার পর বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি রিপোর্টে ধারণা করা হচ্ছে যে গুচ্ছ বোমা বা ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা একসাথে বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট উপ-বিস্ফোরকে ছড়িয়ে দিয়ে বৃহত্তর ক্ষতি করতে পারে।

    মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরকের আঘাত দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেখা যায়। পূর্বে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারির পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    রোববার থেকে ইসরায়েলে ধারাবাহিকভাবে হামলার ঘটনা চলছিল। পাশাপাশি লেবানন সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।

    ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে তেহরানে ‘‘বড় ধরনের হামলা’’ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হবে, বলে জানানো হয়েছে।

    এর কিছুক্ষণ আগেই তেহরানের পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা ওই বিস্ফোরণের তীব্রতাকে নজিরবিহীন হিসেবে বর্ণনা করেন। বিস্ফোরণের পর তেহরানের পূর্বভাগে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়, যা সাধারণত আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের ড্রোন প্রতিহত করার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হয়।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, শহীদ বাবায়ী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন অন্তত দুটি এলাকা এবং পূর্ব উপকণ্ঠের গরমদারেহ অঞ্চলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া হাফেজ ও জমহুরি স্ট্রিট সংযোগস্থলেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা ছিল ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

    এখনও উভয় পক্ষই বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা বা হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করে প্রকাশ করেনি। সাধারণ অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্টগুলো অদৃশ্যতা এবং উত্তেজনার মাত্রা দ্রুত বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।