Category: বিনোদন

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় গোটা দেশ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদির সহকর্মীরা, যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা প্রবল। প্রত্যক্ষদর্শীরা হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি তুলেছেন।

    এরই মধ্যে হাদিকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। হুমকিদাতা ইতোমধ্যে চমকের ফোন নম্বর ফাঁস করেছে এবং বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে বলেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে আমার স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমি মেরে ফেলার হুমকি পাচ্ছি। তারা জানে না, হাদি আমার জন্য এক প্রিয় নাম। আমি মৃত্যুভয়ে ভুগিনা। আমি পৃথিবীতে এসেছি, যার জন্য আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞ, আর আমার জীবন কতদিন থাকবে, সেটার জন্য আমি ভীত নই।’

    এই হুমকি দেওয়া হয়েছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে শরিফুল ওসমান বিন হাদিকেও এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হুমকি পাঠানো হয়েছিল।

    অনন্য মামুন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অতীতে আমি ভুলে গিয়েছিলাম ওর নাম লিখতে, কিন্তু এখন বলা যায়, অনন্য মামুন — দ্য পিম্প। আমি খুশি থাকুক, ও যেন ভালো থাকে। এবং ওর কোনো ফিল্ম যেন কেউ প্রডিউস না করে। যদি করে, সেটা ওর নিজস্ব দায়িত্ব।’

    বান্না ও চমককে যেন কেউ কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা না করে, এ বিষয়েও হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকিদাতা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাসে লিপ্ত, তাদের যদি কেউ মিডিয়ায় কাজের জন্য ডাকার চেষ্টা করেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে করুন। তবে সেটা নিজের দায়িত্বে করতে হবে। এই নব্য রাজাকারদের কাজে ব্যবহার হলে আপনারা নিজেদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন, এর দায় কেউ নেবে না।’

    চমক ও বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করতে আইটি টিমের মাধ্যমে তাদের সকল এক্সেস মনиторিং করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে তাদের অবস্থান ও কার্যক্রমের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, জানানো হয়েছে।

  • অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অভিনেত্রীকে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তা, ওড়না ধরে টানানো হলো

    অনুরাগীরা অনেক বেশি উত্তেজিত হয়ে সাধারণত তাঁদের পছন্দের তারকাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ছুটে আসেন। কেউ কেউ আবার ফ্রেমে বন্দি হওয়ার সময় প্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীর উপর হাত দিয়ে স্পর্শ করতে চান। তবে কিছু মানুষ সীমা অতিক্রম করে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এরই মধ্যে দক্ষিণী তারকা অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সাথে ঘটে গেছে এক নিন্দনীয় ঘটনা।

    ঘটনাটি ঘটে তেলুগু সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর উপজেলার ঘটনা গতকাল বুধবার রাতের। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রভাসের সঙ্গে নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চ শেষে বেরোনোর সময়ে নিধি হেনস্তার শিকার হন। ভক্তরা নিরাপত্তা উপেক্ষা করে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে যায়, অনেকেই পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। সেই সঙ্গে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে কেউ কেউ নিধির গায়ের ওড়না ধরে টান টানের চেষ্টা করছে।

    নেত্রীরা অবশ্য এই পরিস্থিতিতে বেশ বিপাকে পড়েছেন। তাকে গাড়িতে উঠতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জবরদস্ত থাকলেও ভিড়ের কারণে তিনি খুবই অসুবিধায় পড়েছেন।

    অভিনেত্রীর এই ঘটনায় অনেক নেটিজেনই ক্ষুব্ধ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘মানুষের দলে হায়নার মত আচরণ করছে। পুরুষরা কি করে একজন মহিলাকে এভাবে হয়রানি করতে পারে? ঈশ্বর যেন তাদের সবাইকে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দেন।’

    নিধি আগরওয়াল তেলুগু ছবির জনপ্রিয় নায়িকা। তিনি বলিউডে পদার্পণ করেন ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে, যেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন টাইগার শ্রফ। সবশেষ বড় পর্দায় তাকে দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রসিধি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রিস রিয়া শনিবার (২২ ডিসেম্বর) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়, কয়েকদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।

    ক্রিস রিয়া ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ব্লুজ, পপ এবং সফট রক সংগীতের একজন জাদুকর। চার দশকের ক্যারিয়ারে তিনি ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন এবং বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য সঙ্গীতের মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশেষ করে তার ক্রিসমাস সংগীত ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৮৬ সালে লেখা এই গানটি বর্তমানে বড়দিনের অন্যতম প্রিয় সংগীতের তালিকায় পরিণত হয়েছে। তখন তার হাতে কোনো রেকর্ডিং চুক্তি ছিল না, এমনকি ট্রেনের টিকিটের টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি জীবনের ঝুঁকিতে পড়েছিলেন। পরে ২০১৬ সালে তার স্ট্রোক হয়। এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তার সংগীতপ্রেম ম্লান হয়নি। জীবনের শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত ছেড়ে ‘ডেল্টা ব্লুজ’ অনুরাগে মনোনিবেশ করেছিলেন।

    তার মৃত্যু সংগীত জগতের জন্য গভীর শোকের। তিনি সুরের মাধ্যমে কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।

    মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জোয়ান এবং দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন। এই মহান শিল্পীর মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনার ও স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) এবং তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ নিশ্চিতভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি বাড়িতে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা এনবিসি নিউজের তথ্যানুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, রব রেইনার ও তার স্ত্রীর দেহে মারাত্মক ছুরিকাঘাতের ক্ষত দেখা গেছে।

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডিপার্টমেন্ট এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে। পুলিশ ক্যাপ্টেন মাইক ব্ল্যান্ড বলেন, এই ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রেইনারের বাড়িতে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস রব রেইনারের মৃত্যুসংবাদে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ড শহরের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’ সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিচালনায় বেশ কিছু কালজয়ী সিনেমা—‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ ও ‘এ ফিউ গুড মেন’—ও দর্শকের মনে স্থায়ী ধারণা সৃষ্টি করেছে।

    রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই হামলায় গুরুতর আহত হন হাদি, এবং তার সুস্থতা কামনা করে শোবিজ তারকারা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।

    এদিকে, হাদিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ ও ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের বিরুদ্ধে হত্যার স্পষ্ট হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে হুমকিদাতা চমকের ফোন নম্বর ফাঁস করে দিয়েছে এবং বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    নির্মাতা মামুন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই হুমকির বিষয়ে জানিয়ে বলেছেন, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা জানে না, হাদি আমার কাছে এক ভালোবাসার নাম। আমি কখনও মৃত্যুভয় পাই না। আমার জীবন আল্লাহতালা রেখেছেন বলে আমি জানি।’

    এই হুমকি দেয়া হচ্ছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এর আগে একই অ্যাকাউন্ট থেকে শরিফুল ওসমান বিন হাদি ও হাদির বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    অন্যদিকে, অনন্য মামুনের ব্যাপারে লেখা হয়েছে, ‘এ বাটপারটির নাম উল্লেখ করতেও কাল ভুলে গিয়েছিলাম। অনন্য মামুন—দ্য পিম্প। ও যেন সুস্থভাবে থেকে যায়। আর ওর ফিল্ম যেন কেউ প্রডিউস না করে, করলে সেটাই নিজের দায়িত্বে করবে।’

    বান্না ও চমককে কাজের জন্য কেউ যেন ডাকে না, তা জানিয়ে হুমকি দাতা বলেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা কুৎসিত উল্লাসে মেতেছিলেন—যদি কেউ মিডিয়ায় তাদের কাজে ডাকার চেষ্টা করে, তাহলে সেটি তার নিজের দায়িত্বে নিতে হবে। এসব করে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তার দায়িত্ব কেউ নেবে না।’

    চমক ও বান্নাহর অবস্থান ট্র্যাক করার কথাও উল্লেখ করে হুমকিদাতা জানিয়েছেন, ‘এই দুই লালের যাবতীয় অ্যাক্সেস ট্রেস করা হবে। আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে তা আমাদের হাতে আসবে, এবং তাদের জন্য প্রাপ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

  • মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর জন্য থানায় রাজের অভিযোগ

    মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি, শুভশ্রীর জন্য থানায় রাজের অভিযোগ

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা ধরনের কটূক্তি ও কুরুচিকর মন্তব্য। এ পরিস্থিতিতে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী সামাজিক মাধ্যমে তার পোস্টের মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তার এই ছবিটি পোস্ট করার পর থেকেই তাকে লক্ষ্য করে বিদ্রুপ ও রুচিহীন মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়।

    এমন পরিস্থিতির মধ্যে মূলত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন শুভশ্রীর স্বামী, নির্মাতা ও রাজনৈতিক নেতা রাজ চক্রবর্তী। তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করে বলেছেন, একজন নারীকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের বদলে কিভাবে অপমান করা হচ্ছে, সেটি এভাবে চলতে পারে না। তিনি মনে করেন, এই সব কটূক্তির পেছনে রাজনৈতিক দিক থেকে উসকানি থাকতে পারে, তবে কে এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনই স্পষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, এই পরিস্থিতি শুধুমাত্র আইনি পদক্ষেপেরই নয়, বরং গত মাসে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক সামাজিক বিতর্কেরই অবশ্যম্ভাবী ফলাফল।

    ১২ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতীস্টেডিয়ামে ফুটবল ইতিহাসে এক বিতর্কের দিন হিসেবে চিহ্নিত হবে। হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী দর্শক দীর্ঘ অপেক্ষার পর, অর্থ খরচ করে টিকিট কেটে এসে, মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি। গ্যালারিতে দাঙ্গা, বিশৃঙ্খলা, আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসের মাঝে দ্রুত মাঠ ছাড়েন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। সেই ঘটনার প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করা হলেও, এর আক্রোশের কেন্দ্রে পৌঁছে যায় শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম।

    প্রতিবাদে শুভশ্রী জানিয়েছিলেন, তিনি একজন অভিনেত্রী হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন, এবং মেসির সঙ্গে ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার পর বাইর থেকে নানা রকম ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও অশালীন মিমের বন্যা বয়ে যায়। তিনি বলেন, যেখানে অনেক দর্শক টাকায় অ্যাক্সেস পেয়েও দর্শকপ্রিয় খেলোয়াড়কে দেখতে পাননি, সেখানে ক্ষোভ স্বাভাবিক— কিন্তু সে ক্ষোভের লক্ষ্য কেন একজন অভিনেত্রী? এই প্রশ্নটি আজও উঠছে।

    সোমবার রাজ চক্রবর্তী একটি দীর্ঘ পোস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি তার লেখায় শুধু শুভশ্রীর পক্ষ থেকে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেও প্রতিবাদ জানান। রাজ লিখেছেন, যুবভারতীর অরাজকতা, অপব্যবহার ও লজ্জাজনক ঘটনা ফুটবলপ্রেমী বাঙালির জন্য ব্যথার। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় আয়োজনের পরিকল্পনায় কেন গাফিলতি রয়ে গেল? দোষীদের শাস্তি দাবি করে বলেছেন, এই ঘটনা বাঙালির আবেগে আঘাত হেনেছে।

    তারপর তিনি শুভশ্রী প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তিনি একজন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এবং সেই উপস্থিতির জন্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেছেন, কি শুধুমাত্র অভিনেত্রী হওয়ার কারণেই কি তাকে ব্যঙ্গের শিকার হতে হয়েছে? রাজ আরো উল্লেখ করেছেন, একজনের পরিচয় শুধু পেশা নয়, তিনি মা, স্ত্রী, বন্ধু, ভক্ত, বা অভিনেত্রী— সবকিছুর ওপরে তিনি একজন মানুষ।

    এছাড়া রাজ গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার দিন যখন মাঠে বহু সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন, তখন কেন শুধুমাত্র একজন অভিনেত্রীর অভিযোগ বা ট্রোলের বিষয় হয়ে ওঠেন? রাজ মনে করেন, এই ধরনের ট্রোলিং শুধুমাত্র বর্তমানের অপমান নয়, ভবিষ্যতেও বিপজ্জনক বার্তা বহন করে। তিনি শেষত হাতে বলেন, প্রতিবাদ ও অপমানের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।

  • অভিনেত্রীর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না ধরে টান

    অভিনেত্রীর ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা, ওড়না ধরে টান

    অভিনেত্রীদের সঙ্গে ছবি তুলতে উৎসুক অনুরাগীরা সাধারণত আনন্দের সঙ্গে ছবি তুলে থাকেন। অনেকসময় তারা প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীকে স্পর্শ করে তাদের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করেন। তবে কিছু ঘটনা উল্টো ধরনের হয় যেখানে সীমা অতিক্রম হয়। সম্প্রতি এমনই এক অপ্রিয় ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণী অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সাথে।

    ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতের একটি ইভেন্টের শেষে, যখন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস এবং নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চের পর তারা গাড়িতে ফেরার পথে হেনস্তার শিকার হন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভক্তরা তাদের নিরাপত্তা উপেক্ষা করে নানা রকম আচরণ করছেন। তারা সেলফি তুলতে দৌড়াচ্ছে, পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছে, আর কেউ কেউ যানবাহনের মধ্যে নিধির গায়ের ওড়না ধরে টানাটানি করতে চেষ্টা করছে।

    এমন নিয়মবিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে অভিনেত্রীকে গাড়িতে পৌঁছাতে বেশ অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। এই ঘটনা ঘটার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অনেকেই ওই ভিড়ের ভয়ংকর আচরণকে হায়নার দল বলছেন। একজন মন্তব্য করেন, “মানুষের দল সত্যিই হায়নার চেয়েও খারাপ। পুরুষরা কি ভাবে নারীদের এভাবে হয়রানি করে, ভাবতে অবাক লাগে। ঈশ্বর তাদের সবাইকে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দিন।”

    নিরাপত্তা লঙ্ঘনের এই ঘটনার জন্য বেশ সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, অভিনেত্রীর নিরাপত্তার জন্য আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

    অভিনেত্রী নিধির ক্যারিয়ার শুরু হয় তেলুগু ছবির মাধ্যমে। তিনি ‘মুন্না মাইকেল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন টাইগার শ্রফ। সর্বশেষ তাকে বড় পর্দায় দেখা গেছে সানি দেওলের বিপরীতে ‘জাট’ সিনেমায়।

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর নজরদারি

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর নজরদারি

    অভিনেত্রী জয়া আহসান নতুন কিছু পোস্ট করে দেখিয়েছেন তাঁর অনন্য শৈলী। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় «ডোন্ট বি অ্যান অ্যাপল» লেখা বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন। সেই ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর চোখে সবসময় সানগ্লাস এবং ঠোঁটে বাঁকা হাসি—যা যেন কিছু গভীর বার্তা দিচ্ছে। সেই সঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গানের কিছু লাইন শেয়ার করেছেন, সেখানে বলা হয়েছে, “পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…”।

    ওই ছবি তিনি বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ১৪ মিনিটে ফেসবুকে পোস্ট করেন। মুহূর্তের মধ্যে ছবিগুলো ব্যাপক ভাবে শেয়ার হয় এবং প্রচুর লাইক, মন্তব্য ও রিয়েকশন জমা পড়ে। ছবি দেখে বোঝা যায়, জয়া ব্লাউজ ও ডেনিম পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন।

    তাঁর লাল ব্লাউজের সঙ্গে মিলিয়ে কপালে লাল টিপ পরেছেন। মাথায় ছোট ছোট লাল-সাদা ফুলের খোপাও রয়েছে। এই সাজে মনে হচ্ছে তিনি নতুন কোনও খবর বা গল্পের সূচনা করতে যাচ্ছেন, যা এই রোমান্টিক স্টাইল থেকে বোঝা যায়।

    ছবিগুলির প্রশংসা ও আলোচনা চলছিল পাশাপাশি, অনেকের কাছেই এটি ছিল বিস্ময়ের ব্যাপার। কেউ কেউ এই নতুন লুকের জন্য তাঁকে অভিব্যক্ত করে প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কৌতূহলী হয়ে দেখছেন কি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বুঝতে।

  • মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি: শুভশ্রী ও রাজের অভিযোগ ও প্রতিরোধ

    মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি: শুভশ্রী ও রাজের অভিযোগ ও প্রতিরোধ

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কুরুচিকর ও অবমাননাকর মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন টালিউডের অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এই পরিস্থিতিতে টিটাগড় থানায় পদক্ষেপ নেন তাঁর স্বামী ও নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী। তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে বলেছেন, একজন নারীর মানহানি ও অপমানের জন্য এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক উসকানি থাকতে পারে। রাজের বক্তব্য, এতে তদন্তে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, তাই তিনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি মনে করেন, এই ঘটনায় শুধু আইনি ব্যবস্থা নেওয়া নয়, বরং এটি ১৩ ডিসেম্বরের পর থেকে তৈরি হওয়া সামাজিক বিতর্কের এক গভীর পরিণতি। ঐ দিন কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক বিতর্কিত দিন হয়ে দাঁড়ায়। হাজার হাজার দর্শক দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মেসিকে দেখার জন্য টিকিট কিনলেও, মাঠে গিয়ে তাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তার মধ্যে বিশৃঙ্খলা, ভাঙচুর ও উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে, শেষমেষ বিশ্বসেরা এই ফুটবলারের দল তাড়াহুড়া মাঠ ছাড়ে। এর কেন্দ্রীয় আয়োজনের দোষী হিসেবে গ্রেফতার হন যুবভারতীর প্রস্তাবক শতদ্রু দত্ত। তবে সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়ে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি দাবি করেন, তিনি একজন চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু মেসির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় বিরূপ মন্তব্য, বিদ্রুপ ও কদর্য মিম। যেখানে অনেক দর্শক টাকা দিয়ে মাঠে গিয়ে প্রিয় খেলোয়াড়ের দেখা পায়নি, সেখানে ক্ষোভ স্বাভাবিক— কিন্তু কেন একজন অভিনেত্রীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হলো? এই প্রশ্নটি তুলে ধরেছেন রাজ চক্রবর্তী। তাঁর Հանրապետության আরেকজন নাগরিক হিসেবে, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, যুবভারতীর অরাজকতা, লজ্জাজনক পরিস্থিতি আর ফুটবলপ্রেমী বাঙালির প্রতি অসম্মান। কেমন করে এত বড় আয়োজনে এমন গাফিলতি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ। দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি। পোস্টে তিনি শুভশ্রীর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, এর মধ্যেও তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এবং এই ঘটনাতে তারো শাস্তি দেওয়া হচ্ছে— যা অযৌক্তিক। রাজের মতে, একজন মানুষের পরিচয় শুধু পেশাদারিত্বে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি মা, বোন, স্ত্রী, অভিনেত্রী বা ভক্ত, সব চরিত্রের ঊর্ধ্বে তিনি একজন মানুষ। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক সাংবাদিক থাকা সত্ত্বেও, এই ঘটনা মূলত শুভশ্রীকেই ট্রোলের কেন্দ্রবিন্দু বানানো হয়েছে। রাজের ভাষায়, এই ধরণের ট্রোলিং কেবল বর্তমান পরিস্থিতির অপমানে সীমাবদ্ধ নয়, এটি ভবিষ্যতের জন্যও খুব ঝুঁকিপূর্ণ এক বার্তা। প্রতিবাদ ও অপমানের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রী মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রী মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের বিখ্যাত নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) ও তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ লস অ্যাঞ্জেলেসের এক বাড়িতে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই দেহাবশেষ পাওয়া যায়। স্কাই নিউজ ও এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, রব রেইনার ও তার স্ত্রীর শরীরে বেশ কিছু ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল।

    লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের ডিপার্টমেন্ট এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে। পুলিশের একজন কর্তা বলেন, এই ঘটনাকে তারা ‘খুনের’ ঘটনাই হিসেবে গণ্য করছে।

    সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রব রেইনারের বাড়িতে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাস বিবৃতি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডে শোক প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, এটি শহরের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’সহ নানা জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি, তিনি ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ ও ‘এ ফিউ গুড মেন’সহ বেশ কয়েকটি কালজয়ী সিনেমার পরিচালনা করেন, যা তাঁকে সিনেমা জগতের এক উজ্জ্বল নাম করে তোলে।

    উল্লেখ্য, রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের পরিচয় ঘটে ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার সেটে। এই দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে।