Category: বিনোদন

  • সালমান খানের পর দিশার বাড়িতে হামলা: অজান্তে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ

    সালমান খানের পর দিশার বাড়িতে হামলা: অজান্তে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ

    বলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকার বাড়িতে গুলির ঘটনা ভারতের পরিস্থিতিকে আবারো উত্তেজিত করে তুলেছে। এই নতুন ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সালমান খানের বাড়ির পর এবার গুলি ছোড়া হয়েছে অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাড়ির কাছে। গতকাল ভোর ৩টার দিকে বরেলীর ওই এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় দুজন মোটরবাইকে করে এসে প্রায় ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। এরপরও কেউ হতাহত হয়নি, তবে এই ঘটনা চারদিকে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে দিয়েছে।

    আটকের জন্য সন্দেহভাজনদের খোঁজ করছে পুলিশ। অপরাধীদের দাবি, এই হামলার কারণ হলো ‘হিন্দু ধর্মকে অপমান করার খেসারত’। তবে তারা বলছে, মূল লক্ষ্য হয়েছিল দিশা নন, বরং তার বোন খুশবু পাটানি। গোল্ডি ব্রার ও লরেন্স বিষ্ণোই নামের এই গ্যাং জানিয়েছে, খুশবু পাটানি আধ্যাত্মিক গুরু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধ আচার্যকে অপমান করেছেন, যার জন্য এই হামলা হয়েছে।

    দিশা পরিবারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করে তোলা হয়েছে এবং বাইরে পাহারাদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, খুশবু পাটানি সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। অনিরুদ্ধ আচার্য এক সাক্ষাৎকারে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কের ওপর মন্তব্য করেছিলেন, যা খুশবু ন্যAMESPACE করছে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘নপুংসক’। তিনি বলেছেন, ‘যারা এই ধরনের জীবনধারাকে অনুপ্রেরণা দেন, তারা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।’

    পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই হামলার পেছনে ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের সংমিশ্রণ রয়েছে। এই ঘটনার শীঘ্র সমাধান না হলে বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করছে বিশ্লেষকরা।

  • ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই খারাপ, স্বামী জানালেন দোয়া অনুরোধ

    ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই খারাপ, স্বামী জানালেন দোয়া অনুরোধ

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যাচ্ছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। তার শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বামী, বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম। তিনি বলেন, “ফরিদা পারভীনের অবস্থা খুবই সংকটজনক। তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন, বেশি কিছু বলার নেই। শুধুই সবাই দোয়া করুন।”

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে তার পুত্র ইমাম জাফর নোমানী জানিয়েছিলেন, “সকলকে জানাতে চাই যে, গত বুধবার বিকালে থেকে ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হয়। তখন থেকেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বৃহস্পতিবার তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং তার রক্তচাপ নেই।

    তিনি আরো লিখেছিলেন, “বর্তমানে ডাক্তাররা কঠোর চিকিৎসা দিয়ে কৃত্রিমভাবে তার রক্তচাপ ধরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং মেশিনের মাধ্যমে তার ফুসফুস চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এই পরিস্থিতিতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির কোনও আশাই নেই। তবে, হাসপাতালের পরামর্শে আমরা কিছু সময়ে আরো ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে এই লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছি।”

    ফরিদা পারভীন কয়েক বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। গত ৫ জুলাই তার শারীরিক পরিস্থিতি আবার গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ২২ জুলাই তিনি বাড়িতে ফেরেন।

    প্রায় দুই মাসের মধ্যে তিনি আবার অসুস্থ হয়ে ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে সেখানে আইসিইউতেই ছিলেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

    ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে তার সংগীত জীবন শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালন সংগীতের তালিম নেন।

    সংগীতাঙ্গনে তার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান তিনি। এছাড়াও অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা তার ঝুলিতে রয়েছে। ২০০৮ সালে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে তিনি ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

  • চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত অভিনেত্রী কারিশমা

    চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত অভিনেত্রী কারিশমা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিশমা শর্মা এক মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। শুটিংয়ে যেতে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পাবেন। ঘটনার পুরো বিবরণ ও তার বর্তমান অবস্থা তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    অভিনেত্রী তার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘গতকাল বুধবার আমি চার্চগেটের উদ্দেশ্যে শুটিংয়ে যাচ্ছিলাম। এই জন্য আমি শাড়ি পরে ট্রেনে চড়েছিলাম। ট্রেনে উঠার সময় পড়ে গিয়েছিলাম। এরপর লক্ষ্য করি, আমার কিছু বন্ধুত, যারা ট্রেনে উঠতে পারেনি, তাদের দেখে আমি দ্রুত ট্রেনের গতি বাড়ার জন্য ভয় পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিলাম। দুর্ভাগ্যবশত আমি উল্টো হয়ে পড়ি, যার ফলে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পাই।’ এই ঘটনার ফলে তিনি পিঠে আঘাত পান এবং মাথা ফুলে যায়।

    অভিনেত্রী আরও জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এমআরআই করিয়েছেন। একদিন তিনি ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে ছিলেন, যাতে মাথার চোটের Severity বোঝা যায়। তিনি তার অনুরাগীদের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন। বলছেন, ‘গতকাল থেকে আমি খুব যন্ত্রণায় আছি, কিন্তু আমার শক্ত থাকার চেষ্টা করছি। আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’

    কারিশমা আরও জানান, তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাগিনী এমএমএস’, ‘উজরা চমন’, ‘হাম’ এবং ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে তার ভক্তরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

  • বিশ্বশিল্পীর প্রতিবাদ: ইসরায়েলকে বর্জনের ঘোষণা

    বিশ্বশিল্পীর প্রতিবাদ: ইসরায়েলকে বর্জনের ঘোষণা

    দক্ষিণ জেরুজালেমে চলমান ফিলিস্তিনের ওপর সেনাস্পন্দনের কারণে সহিংসতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা এবার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিলেন। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, বাংলাদেশের মতো বিশাল সংখ্যক ১২ শতাধিক চলচ্চিত্র তারকা, নির্মাতা ও কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক উৎসবের সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা দ্রুত প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, এখন থেকে তারা ইসরায়েলি নির্মিত বা প্রযোজিত কোনো চলচ্চিত্রে অংশ নেবেন না। পাশাপাশি, ইসরায়েলি কোনো চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও বাতিল করেছেন তারা। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন অস্কার, বাফটা, এমি, পাম দ’অরসহ নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব। এছাড়া, বিশ্বের অন্যতম স্বনামধন্য পরিচালক ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান, যশুয়া ওপেনহাইমার, মাইক লেইসহ তরুণ ও অভিজ্ঞ নির্মাতারা এ তালিকায় রয়েছেন।

    অভিনেতাদের মধ্যে আছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বার্ডেম, জো অ্যালউইন, জশ ও’কনরসহ আরও অনেকে। তারা বলেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা বা পরিবেশক সংস্থাগুলি কখনোওই ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকার সমর্থন করেনি। বরং, অধিকাংশই নৃশংসতা চালাচ্ছে বা সহায়তা করছে। ফলে, তারা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না।

    এই সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও টিএলভি ফেস্টের মতো বড় বড় আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি উৎসবে তারা উপস্থিত থাকছেন না এবং তাদের কাজের প্রদর্শনও দেখা যাবে না।

    বিবৃতির পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে, ইহুদি সম্প্রদায়ের মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, ‘গাজায় গত দু’বছর ধরে চলমান সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। একজন ইহুদি মার্কিন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধে আমাদের সক্রিয়ভাবে ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতি ব্যর্থ হয়, তখন শিল্পীদেরই এগিয়ে আসা উচিত।’

    সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো যখন এই নিরীহ মানুষের ওপর অন্ধ সমর্থন দিচ্ছে, তখন শিল্পীরা অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে পারবেন না। মানুষের অধিকারের জন্য দাঁড়ানো এখন দারুণ জরুরি।

  • বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

    বিশিষ্ট ও শ্রোতাপ্রিয় লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আজ शनिवार (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার শেষে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিলাহি রাজিউন)। তার অকাল চলে যাওয়ার খবর পরিবার, বন্ধু ও সমর্থকদের জন্য গভীর শোকের নামান্তর। তিনি রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকা শহরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। শিল্পী হিসেবে তার এই অসাধারণ পথের মাঝে তিনি চার সন্তানের মা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও অনুরাগীদের হৃদয়ে স্থান করে রেখে গেছেন।

    তার মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ইমাম জাফর নোমানী। তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আম্মা (ফরিদা পারভীন) আজ (শনিবার) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় আবির্ভূত জীবন থেকে চির বিদায় নিলেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন তার সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।’

    অভিনেত্রী ও গায়িকা ফরিদা পারভীন বহু বছর ধরে কিডনি জটিলতা নিয়ে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবনতি হওয়ায় তাকে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করতে হতো। ২ সেপ্টেম্বর তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য নেওয়া হয়। তবে ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থা গুরুতরভাবে খারাপ হতে থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে রাখা হয় এবং তার পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠার পর তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    উপযুক্ত চিকিৎসার মাঝে তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি হলে তিনি লাইফ সাপোর্টে স্থানান্তরিত হন। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের অমল ধারা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার এই অমূল্য অবদান ও শিল্পসাধনা দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্য সৃষ্টি করেছে, যা অলোকপ্রকাশের মতো গভীর শোকের।

  • সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    বাংলাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হলো। গত রোববার সন্ধ্যায় এটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে এই মহানগরীতারা সম্মাননা প্রদান করেন। বাংলাদেশে সংগীতের জগতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

    সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সাবিনা ইয়াসমিনের হাতে উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আজকে যাকে আমরা সম্মাননা দিচ্ছি, তিনি আমাদের গর্বের একজন কিংবদন্তি, সত্যিকার অর্থে আমাদের গৌরব।’এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    সাবিনা ইয়াসমিনের সংগীত জীবনের দীর্ঘ ছয় দশকের পথচলা। যদিও কিছু অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় কিছুটা গান থেকে দূরে ছিলেন, তবে রোববারের এই বিশেষ আয়োজনে তিনি যেন তার পুরোনো চেহারায় ফিরে আসেন। এই সন্ধ্যাটি ছিল তার একক সংগীতানুষ্ঠান, যেখানে তার ভক্তরা গভীর আগ্রহে তার গান উপভোগ করেন ও স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রদর্শিত হয় সাবিনা ইয়াসমিনের জীবনীচিত্র ঐ ডকুমেন্টারি ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, যা তার জীবন ও সংগীতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের জন্য এক অপূর্ব সন্ধ্যা হয়ে উঠে।

  • ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে জীবনের সন্ধিক্ষণে। তার শারীরিক অবস্থা দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার স্বামী, গায়ক ও বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম। তিনি বললেন, ‘ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই গুরুতর। তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন এবং এখনকার পরিস্থিতিতে কিছু বলার মতো অবস্থা নেই। সবাই দোয়া করুন, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হন।’

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে জানানো হয় যে, ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা বেশই অবনতি হয়েছে। সেখানে প্রকাশ করা হয় যে, গত বুধবার বিকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায় এবং তার রক্তচাপ নিঃশেষে।

    ঢাকাই এই সংগীতশিল্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডাক্তারের পরামর্শে কৃত্রিমভাবে তার রক্তচাপ ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ স্তরের ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা চলছে। পাশাপাশি মেশিনের সাহায্যে তার ফুসফুস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তবে দুঃখের বিষয়, এই পরিস্থিতিতে তার শারীরিক উন্নতির কোনো আশা বা আশ্বাস এখনো তৈরি হয়নি। এই বিলম্বে তাঁকে আরো কিছু সময় ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ফরিদা পারভীন দীর্ঘ বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। গত ৫ জুলাই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন চিকিৎসা চলার পর ২২ জুলাই বাসায় ফিরে আসেন তিনি। এরপর, ২ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে প্রাথমিক অবস্থায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। থাকছেন সেখানে আইসিইউতে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতার থেকে স্বরবর্ণ শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি লালন সংগীতের প্রশিক্ষণও নিয়েছেন সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে। সংঙ্গীতাঙ্গনে তার বিশেষ অবদান স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। এর পাশাপাশি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ২০০৮ সালে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কারও তিনি গ্রহণ করেন। এছাড়াও, ১৯৯৩ সালে তিনি দেশের সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

  • চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    শিল্পী এবং জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী করিশমা শর্মা সম্প্রতি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    অভিনেত্রী লিখেছেন, “গতকাল (বুধবার) চার্চগেটের উদ্দেশ্যে শুটিংয়ে যাওয়ার সময় আমি শাড়ি পরে ট্রেনে উঠেছিলাম। ট্রেনে ওঠার সময়ই পড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তখন লক্ষ্য করলাম যে আমার বন্ধুরা ট্রেনে উঠতে পারেনি। ট্রেনটি তখন গতিান্বিত হচ্ছিল। মানসিকভাবে আতঙ্কে আমি ভাবলাম ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিই। দুর্ভাগ্যবশত আমি উল্টো হয়ে পড়ি, যার ফলে আমার মাথায় তীব্র আঘাত লাগে।”

    তিনি আরও জানান, ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার কারণে পিঠে আঘাত লেগেছে এবং মাথার অংশ ফুলে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এমআরআই করাতে বাধ্য হন এবং একদিনের জন্য তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, যাতে মাথার চোটের severity নির্ণয় করা যায়।

    অভিনেত্রী তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করে বলেছেন, “আমি এখন খুব যন্ত্রণায় আছি, তবে সাহস হারাচ্ছি না। আপনার সকলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।”

    করিশমা বিভিন্ন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাগিনী এমএমএস’, ‘উজরা চমন’, ‘হাম’ এবং ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’। তার এই পরিস্থিতির খবর পেয়ে তার ভক্তরা বেশ উদ্বিগ্ন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।

  • বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা এখন আরও কঠোর موقف নিলেন ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, প্রায় ১২ শতাধিক অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা এবং কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক উৎসবের সঙ্গে আর কাজ করবেন না, এমন ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে তারা ইসরায়েলে নির্মিত বা প্রযোজিত কোনও চলচ্চিত্রে অংশ নেবেন না। এমনকি, দেশটির কোনও চলচ্চিত্র উৎসবেরও অংশগ্রহণ করবেন না।

    এই তালিকায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান অনেক ব্যক্তিত্ব। অস্কার, বাফটা, এমি, ও পাম দ’অর পুরস্কার জয়ী পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান, যশুয়া ওপেনহাইমার, মাইক লেইসহ বেশ কয়েকজন।

    অভিনেতাদের মধ্যে আছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বারডেম, জো অয়েলউইন, জশ ও’কনরসহ আরও অনেকে।

    বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা পরিবেশকরা কখনোই ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়নি। বরং, বেশিরভাগই নৃশংসতার পক্ষে নীরব থেকে সহায়তা করে যাচ্ছে। তাই, তারা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না।

    ফলে, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং টিএলভি ফেস্টের মতো বড় উৎসবগুলোতেও এই শিল্পীরা তাঁদের কাজ ও উপস্থিতি এড়াবেন।

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা কারণ ব্যাখ্যা করে ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, “দুই বছর ধরে গাজায় যা ঘটছে, তা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গভীরভাবে নাড়া দেয়। একজন ইহুদি আমেরিকান হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধ করার জন্য আমাদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ, তখন শিল্পীরাই এগিয়ে এসে অবস্থান নিতে হবে।”

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো যখন এই সহিংসতায় নীরব সমর্থন দেখাচ্ছে, তখন শিল্পীরা নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না। মানুষের মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

  • মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদকর অভিযোগে গত বছর ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অরিন্দম রায় দীপকে গ্রেফতারের পর থেকেই আলোচিত হয় এই কাণ্ড। তার জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে দেশের জনপ্রিয় কিছু অভিনেত্রী—সাফা কবির, তিশা, টয়া এবং সুনিধির নাম। মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে তৎকালীন সময়ে ব্যাপক তদন্ত শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। এ মামলায় তানজিন তিশা, টয়া এবং অন্যান্যরা নিজেদেরকে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন। প্রায় এক বছর পরে, ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির এই মামলার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, “ঘটনার খবর প্রকাশের পর আমি খুবই হতবম্ব ও বিপর্যস্ত ছিলাম। রোববার একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করবার কথা ছিল, কিন্তু এই খবরের কারণে তারা সেটি বাতিল করেছে। আমি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে আমি এই ঘটনায় কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, কিন্তু কিভাবে প্রমাণ করব?” সাফা যোগ করে বলেন, “প্রমাণ করার কিছু আমার কাছে নেই, বরং বোঝানো ছাড়া উপায় ছিল না। আমার সিনিয়র অভিনেত্রীসহ শোবিজের অনেক বন্ধু আমার সঙ্গে কাজ বাতিল করেন। এই পরিস্থিতিতে আমি মানসিকভাবে খুবই চাপের মধ্যে ছিলাম। তবে এ সময়ে কিছু ভালো বন্ধু পাশে দাঁড়িয়েছিল। তৌসিফ মাহবুব বলেছিল, আমি সাফার সঙ্গে কাজ করব। জোভান ও সিয়ামও আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ এই বন্ধুদের জন্য, যারা এই কঠিন সময়ে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন।” এর আগে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অরিন্দম রায় দীপের মোবাইলের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষা করে দেখা যায়, এতে কিছু জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তাদের কিছু অর্ডার ও যোগাযোগের হোয়াটসঅ্যাপ রেকর্ড থেকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। নারকোটিক্সের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন বলেন, “দীপকে গ্রেফতারের পর আমরা অনেকের প্রতিটি খুঁজে পেয়েছি, যার মধ্যে সাফা কবির, টয়া, তিশা ও সুনিধির নাম উল্লেখ্য। তাদের মোবাইলের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবগুলো নম্বরই তাদের নামের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে তিশার নম্বরের রেজিস্ট্রেশন তার মায়ের নামে। তদন্ত চলমান থাকায়, পরে বিস্তারিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনায় আরও জানা গেছে, নারকোটিক্সের অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, দীপের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা ও সুনিধি নামের নম্বর থেকে নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেয়া হতো। এই নম্বরগুলো যাচাইকার্যক্রমে দেখা গেছে, সেগুলো সরাসরি সাফা কবির ও টয়ার নামে রেজিস্টার হয়েছে। অন্যদিকে, তিশার নম্বরটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। এই তথ্যগুলো কিছু विवाद এবং তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে অঘটনের গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।