Category: বিনোদন

  • বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়া বছরে রামলীলা উৎসবের অনুষ্ঠানে বড় একটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মূলত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিয়াগের কারণে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকেই এই সিদ্ধান্তের জন্য নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে সম্প্রতি তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।

    প্রাথমিকভাবে, এই বছরের রামলীলা উদযাপনে পূনমের অভিনয় করার কথা ছিল রাবণের স্ত্রীর চরিত্রে। কিন্তু হঠাৎই বেশ কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মাধ্যমেই। অতীতের ঘটনাবলী বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা উচিত নয়। তবে, সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    অন্যদিকে, আয়োজকদের আরও বলা হয়, ‘সমাজে প্রত্যেক নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অপমান করা পুরোপুরি অনুচিত। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর উষ্মাপ্রকাশের কারণে আমরা সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছি।’

    অনেকের ধারণা, পূনম শিল্পীর হিসেবে যথেষ্ট সম্মান পাওয়া সত্ত্বেও, এই সিদ্ধান্তে কোনও অসুবিধা হয়নি। এবারের রামলীলা অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হ’ল রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে প্রচার। সেখানে কোনও বিতর্ক বা সমস্যা চান না আয়োজকরা। জানানো হয়, এই ‘লব কুশ রামলীলা’ প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহের সাথে উপভোগ করা হয় এবং এর আগেও বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে মূল চরিত্রে দেখা গেছে।

    দিল্লি বিজেপি দলের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি যেন ধর্মপ্রাণ দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে অবাধ ও আনন্দময় রামলীলা উৎসব পরিচালনা সফল করা যায়, সেটাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছেন। খবর অনুসারে, সম্প্রতি চেন্নাইয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। এই প্রতিবাদে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বও যোগ দেন। অভিনেতা সত্যরাজ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ অনেকে এতে সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেন। প্রকাশ রাজ তাঁর ভাষণে বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধ কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে হ্যাঁ, এটা সত্যিই রাজনীতি। আমরা আমাদের বক্তব্য রাখতে বাধ্য, অন্যথা থাকলে তারা বলে দেয়। যুদ্ধ শেষ হবে, নেতারা হাত মিলাবে, কিন্তু এর ফলে একজন মা তার সন্তানের জন্য অপেক্ষা করবে, একজন নারী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করবে। এটাই বাস্তবতা।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে চলমান এই অন্যায় ও অপরাধের জন্য শুধু ইসরায়েল নয়, আমেরিকাও দায়ী। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও এই ঘাটতিকে বাড়িয়ে দেয়।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞকে মানবতা বিপন্ন করার অপরাধ হিসেবে সমর্থন করেছেন এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় বোমা ফেলছে? মানবতা কোথায়? এত নৃশংসতা করার পরও কীভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গাজার বাসস্থান, স্কুল, হাসপাতাল—প্রতিটি জায়গাতে বোমা পড়ছে। এমনকি জলপাই গাছ পর্যন্ত ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এই প্রতিক্রিয়াগুলিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, এই ঘটনাগুলোর নিন্দা বিশ্বসমাজের জন্য অপরিহার্য।

  • অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর সম্পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। তার এই বিশাল সংগীত Canvas পূরণে তিনি রজত জয়ন্তী উদযাপন করছেন। সেই উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংগীত সফরে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে প্রতিটি ধাপে তিনি দর্শকদের আনন্দ ও ভাবাবেগে মিশে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সফরে তিনি অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, সিডনি, মেলবোর্ন এবং পার্থে কনসার্ট ঘোষণা করেছেন। তবে মেলবোর্নের কনসার্টের আগে গানের আসরে এসে তিনি বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন। তাহসান জানান, এটি তাঁর শেষ কনসার্ট কিংবা শেষ ট্যুর নয়, বরং ধীরে ধীরে সংগীতের ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চান। এতদিন ধরে তার জন্য এই সিদ্ধান্তের খবর শুনে ভক্তরা বেশ মুষড়ে পড়েন, তবে তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক।’ তিনি আরো মজা করে যোগ করেন, ‘কামিয়ে বড় হওয়া ডাড়ি নিয়ে স্টেজে লাফালে কি হয়!’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে অনেক বছর হয়েছে বিরতি নিয়ে, এবার গান থেকে বিরতি নেওয়ার সময় হয়েছে। এই রাতটি আপনাদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, হয়তো আর দেখা হবে না মেলবোর্নে, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের ভালোবাসবো ও মনে রাখবো।’ তাহসানের এর পরিপ্রেক্ষিতে তার সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘ ২৫ বছরের পথচলা তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গঠন করে তার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। তবে তিনি বেশি দিন ওই ব্যান্ডের সঙ্গে থাকেননি। ২০০৪ সালে ব্যান্ড থেকে বেরিয়ে একক ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন। তার অ্যালবামগুলো যেমন ‘কথোপকথন’, ‘কৃতদাসের নির্বাণ’, ও ‘ইচ্ছে’ খুবই জনপ্রিয়। মোট সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তার। তার গাওয়া অসংখ্য হিট গান মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ও ‘কে তুমি’। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েক বছর ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’-এর সঙ্গে পারফর্ম করেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি অভিনয় ক্ষেত্রেও জনপ্রিয়। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট এবং সিনেমায় তার উপস্থিতি বেশ প্রশংসিত। তবে কিছু বছর ধরে তিনি অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মাধ্যমে তিনি দুই বছরের বিরতির পর ফের চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন। এছাড়াও তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজন উপস্থাপনা করেন। গত বছর তিনি কণ্ঠনালির সমস্যার কথা প্রকাশ করেন। জানায়, ছয় বছর ধরে তিনি কণ্ঠনালির জটিলতায় ভুগছেন। তার ভোকাল কর্ডে এক ধরনের রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সালে শুরু হয়। এই সমস্যা থাকায় তিনি এখন আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে গান গাইতে পারেন না। তার ভয়, হয়তো আর গায়তে পারবেন না। এই পরিস্থিতিতে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন করছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ধীরে ধীরে তার গানের ধারা কমে আসছে। ভক্তরা তার এই পরিস্থিতি বুঝে দোয়া ও সমর্থন করবেন, এটাই তার প্রত্যাশা। তিনি আশাবাদী, এই সমস্যার কারণে যদি কনসার্ট বা লাইভ পারফর্মেন্স কমে যায়, তবে তিনি তার ভক্তদের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ থাকবেন ও চিরকাল মনে রাখবেন।

  • চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    দেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যা নিয়ে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তাঁর চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।’

    ইস্পাহানি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিশুদ্ধ ও সৎ মানুষ। আপনার সুস্থতার জন্য আমরা সবাই দোয়া করছি।’

    অভিনেতা ও নির্মাতারা এই পোস্টে মন্তব্য করে দেলোয়ার ঝন্টুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা প্রকাশ করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসপাতালে বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন দেলোয়ার ঝন্টু। তাঁর বয়স অাশ্রয় করে ৪০ বছরের বেশি দীর্ঘ সময় ধরে তিনি চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত। শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণের এই গুণী মানুষটি তার ক্যারিয়ারে বহু সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

    তিনি প্রথম পরিচালনা করেন ‘লিডার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর নির্মাণ করেন ‘বন্দুক’, যা তার পরিচালনার জগতে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক। এর পাশাপাশি তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ সহ আরও অনেক অসাধারণ ছবি। তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় নিজের আলাদা পরিচিতি ও স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

  • পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের ওপর যেন একেবারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ‘দাবাং’ খ্যাত নির্মাতা অভিনব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি সালমান খান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। এবারও তিনি এই বিষয়ে অপ্রতিরোধ্য কড়াকড়ি ভাষায় কথা বললেন।

    অভিনব কাশ্যপের দাবি, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের সেরা চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন, যা অপ্রত্যাশিত নয়।

    এরপরই তিনি সালমান খানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান খানও তার বাবার মতোই প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। সালমান হল নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপথে বড় হয়েছেন, তাই এই ধরনের অশোভন রুচি!’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অসাধারণ অভিনয় দেখে সালমানের হিংসা বোধ হয়।

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ও রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি সম্প্রতি একটি প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যuints পারে। এটাই তার মুখোমুখি ক্ষোভের মূল কারণ।

  • অভিনয়ের পর এবার গীতিকারও ছেড়ে দিচ্ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গীতিকারও ছেড়ে দিচ্ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তাহসান। এই বিশেষ উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় সংগীত সফরের জন্য অবস্থান করছেন। তবে এই সফরকালে তার বড় একটি সিদ্ধান্ত জানান—তিনি তার মিউজিক ক্যারিয়ার শেষ করার কথা ভাবছেন। শান্তিপূর্ণ এই মিউজিক জীবনযাত্রার অবসান আসছে বলে মনে করছেন তিনি।

    প্রথমে জানিয়ে দেন, এই সফর শেষ হলেও এটি তার চূড়ান্ত বিরতি নয়। তার কথায়, ‘এটি আমার শেষ কনসার্ট নয়, তবে শেষ ট্যুর। ধীরে ধীরে আমি হয়তো সংগীতের পথ থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’ এই ঘোষণা শুনে কনসার্টে উপস্থিত অনুরাগীরা হতভম্ব ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক একটা বিষয়। আমার এই সিদ্ধান্তের কারণ হয়তো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাবে।’ তিনি মজা করে বলেন, ‘একসময় কি স্তেজে ঝাঁপানো যায় ডাড়ি মাথায়? মেয়ের বয়সও বড় হয়ে গেছে।’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে আমি বেশ কয়েক বছর বিরতি নিয়েছি। এখন গান থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছি। আজকের এই রাতটা বিশেষ হয়ে থাকবে, কারণ হয়তো আর কখনো এই মেলবোর্নে ফিরবেন না। তবে, আমি আপনাদের মনে কিঞ্চিৎ থাকব। আমি আপনাদের খুব মিস করব।’

    তাহসান ১৯৯৮ সালে বন্ধুদের সঙ্গে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গড়েন। তবে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয় ২০০০ সালে ব্ল্যাক ব্যান্ডের মাধ্যমে। তখন থেকেই তিনি সংগীতজীবনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দ্রুত সময়ে তিনি নিজের একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন, যেখানে তার রয়েছে অগণিত হিট গান ও সফল অ্যালবাম। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ‘কে তুমি’ ইত্যাদি। মোট ৭টি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। বিভিন্ন মিক্সড অ্যালবামেও অংশগ্রহণ করেছেন।

    সঙ্গে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’ এর পারফর্ম করছেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি দারুণ একজন অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবে কিছুকাল ধরে অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। তার সর্বশেষ দেখা গেছে গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই বছর পর তাকে আবার অভিনয়ে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজনে উপস্থাপনাও করেছেন।

    গত বছরে কণ্ঠনালির সমস্যার কথা জানান তাহসান। বলছিলেন, ছয় বছর ধরে তিনি ভুগছেন এই সমস্যা নিয়ে। ভোকাল কর্ডে এক রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয়। এর ফলে তিনি এখন আর আগের মতো সহজে গান গাইতে পারেন না। এমনকি তিনি নিজেও ভাবতে শুরু করেন, তিনি কি আবার গাইতে পারবেন কিনা। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে কণ্ঠনালিতে সমস্যা ধরা পড়ে, এরপর থেকে অনেক ধরনের অসুবিধায় পড়তে হলো। ভয়ও পেয়েছি যে, হয়তো আর গান গাইতে পারব না। এখন আমি বুঝতে পারছি আমার গলার অবস্থা কখন ভালো, কখন খারাপ। এই অবস্থার কারণে আমার গাওয়া কমে গেছে।’ বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই পরিস্থিতির কারণে তার জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন এনেছেন। তিনি বলছেন, ‘এখন যদি আমি ধারাবাহিকভাবে কম গাই তাহলে বুঝবেন ব্যাপারটা কঠিন হয়ে গেছে। আমি আপনাদের দোয়া চাই যাতে এই সমস্যা আরো বেশি না বাড়ে।’

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চোখের সমস্যায় ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তার দungsোকার নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ইস্পাহানি লিখেছেন, “দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।” এই পোস্টের মন্তব্যে অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে নানা ব্যক্তিত্ব লেখেন, যার মধ্যে ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও উল্লেখ করেছেন, “অনেক দোয়া।” অনেকে তার সুস্থতা ও জান্তার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসাপাতালের বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন ডেলোয়ার ঝন্টু। তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার পরিচালনায় প্রথম আলোচিত চলচ্চিত্র ছিল “বন্দুক,” যার মাধ্যমে তিনি পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “শিমুল পারুল,” “প্রেমগীত,” “হারানো প্রেম,” “ঝিনুকমালার প্রেম,” “বউমা,” “সকাল-সন্ধ্যা,” “পালকি,” “জজ ব্যারিস্টার,” “মুজাহিদ,” এবং “হাতি আমার সাথী”।

    দেলোয়ার জাহান ঝন্টু তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।

  • জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    জুবিন গার্গের শেষ বিদায়, স্ত্রী ও বাবার চোখে চোখে কাঁদলেন সবাই

    শনিবার মধ্যরাতে সিঙ্গাপুর থেকে বিমানে করে জুবিন গার্গের মরদেহ দিল্লিতে পৌঁছায়। এরপর রোববার সকালে সেটি আসামের গুয়াহাটিতে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে কফিনবন্দি তাঁর নিথর দেহ দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জুবিনের স্ত্রী গরিম সৈকিয়া গার্গ।

    জুবিনের মরদেহ গুয়াহাটিতে নেওয়ার আগে কাহিলিপাড়ার নিজ পরিবারের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তার অসুস্থ ৮৫ বছর বয়সী বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পরে, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবাই তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা ভিড় জমিয়ে প্রিয় গায়ককে শেষবারের মতো দেখতে যান।

    জুবিন গার্গ দীর্ঘ সংগীত জীবনে ৪০টির বেশি ভাষায় প্রায় ৩৮ হাজার গানে গায়ক হিসেবে তার অবদান রেখেছেন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান হাশমির ‘গ্যাংস্টার’ ছবির ‘ইয়া আলি’ গান দিয়ে, যা গোটা ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

    আসাম রাজ্যের ‘রাজপুত্র’ হিসেবে পরিচিত এই সংগীতশিল্পীকে দেশের বহু মানুষ ভালোবাসতেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা ভারত শোকাভিভূত।

    জুবিন গার্গের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে আসাম সরকার। আসাম সরকার ঘোষণা করেছে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, এই সময়ে কোনও সরকারি বিনোদন বা সবশেষ আনুষ্ঠানিকতা হবে না।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে আবার ফিরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কণ্ঠশিল্পী।

    অবশেষে, শেষকৃত্যের স্থান ও সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আসাম সরকার রোববার সন্ধ্যায় এক বৈঠকে তাঁর দাহের স্থান নির্ধারণ করবেন বলে জানা গেছে।

  • লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    লাদাখে শুটিংয়ে আহত সালমান, বিশ্রাম নিচ্ছেন

    বলিউডের পরবর্তী সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ এর শুটিং করতে গিয়ে আহত হয়েছেন সালমান খান। দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভারতের লাদাখ অঞ্চলে সিনেমাটির দৃশ্যায়ন চলছিল, তখনই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় পড়েন এই অভিনেতা। ভারতের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সিনেমার এক ফাইটিং সিনের শুটিং চলাকালে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় সালমানের পেটে গুরুতর চোট লাগে। তবে তা সত্ত্বেও শুটিং চালিয়ে যায় পুরো পরিস্থিতি সামলানো হয়।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ গত ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লংঘনের প্রতিবাদে একটি বিশাল সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করেন। এই কর্মসূচিতে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন,জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা প্রকাশ রাজ বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে এটা আমি স্বচ্ছন্দে বলবো, কারণ সত্যের প্রতিটা কথাই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের পর শান্তি আসবে, নেতারা হাত মেলাবে, কিন্তু আসল ব্যাপার হলো, একদিকে আছে মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা অপেক্ষা করে থাকে তাদের বাবার জন্য—এটাই হলো প্রকৃত সত্য।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিন্দা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে বর্বরতা চলছে, তার জন্য শুধুমাত্র ইসরায়েল নয়, আমেরিকা ও ভারতের নীরবতাও দায়ী। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির চুপ থাকা ও নীরবতা এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে সমানভাবে দায়ী।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ সব অমানবিক ও মানবতাবিরোধী অপরাধ, যেখানে গাজায় বোমা ফেলা হচ্ছে—এমন পরিস্থিতিতে মানবতা কোথায় দাঁড়ায়?’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এভাবে কি করে এত মানবতার উপর অত্যাচার চলতে পারে? এ ধরনের নৃশংসতা দেখে কিভাবে শান্তিতে ঘুমায় মানুষ?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজায় শুধু অবকাঠামো নয়, স্কুল, হাসপাতাল ও জলপাই গাছের মতো জীবন রক্ষাকারী সম্পদগুলোকেও ধ্বংস করা হচ্ছে। এর ফলে মানুষ তার জীবন-জীবিকা হারাচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এটি সত্যিই একটি পরিকল্পিত আগ্রাসন এবং মানবাধিকার লংঘনের পরিচয়।’ এই প্রতিবাদ ও বিতর্কিত পরিস্থিতির মধ্যে, প্রত্যেকে মূল সুরে বলছে, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর গুরুত্ব অপরিসীম।