Category: বিনোদন

  • হাদিকে নিয়ে পোস্টের পর চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্টের পর চমক-মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর দেশের মানুষ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। হাদির ওপর মুহূর্তে আঘাত হানা হয়েছে, ফলে তার সুস্থতা কামনা করছে সাধারণ থেকে শিল্পী-সেনানীরা। পাশাপাশি, এই ঘটনাটি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এদিকে, হাদিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেওয়ার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে তারা তাদের ফোন নম্বর ফাঁস ও লোকেশন ট্র্যাক করার হুমকি দিয়েছে।

    নির্মাতা মামুন এই বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে লিখেছেন, “হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা জানে না, হাদি আমার কাছে একটি খুবই প্রিয় নাম। আমি মৃত্যুর ভয় পাই না। পৃথিবীতে এসেছি আল্লাহতালা যেদিন চান, সেদিনই আমার কাঙ্ক্ষিত হয়।”

    পুলিশি তদন্তের জন্য ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর আগে শরীফুল ওসমান বিন হাদিকেও ঐ অ্যাকাউন্ট থেকেই হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    অন্যদিকে, নির্মাতা বান্নাহ ও চমককে নানাভাবে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘এ নির্লজ্জ ব্যক্তি অনন্য মামুনের নাম উল্লেখ করতেও ভুলে গিয়েছিলেন। এই বাটপারের নাম অনন্য মামুন – দ্য পিম্প। নিজ দায়িত্বে তার চলচ্চিত্র প্রযোজনা করতে বলছি; কেউ করলে সেটা নিজেরই ক্ষতি হবে।’

    হুমকি দাতা আরও লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্নাহ ও রুকাইয়া জাহান চমক, যদি কেউ মিডিয়ায় তাদের কাজে ডাকার চেষ্টা করে—তাহলে সেটি তার নিজ দায়িত্ব। এই নব্য রাজাকারের আবির্ভাবের জন্য আপনাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তার দায়িত্ব কেউ নেবে না।’

    এর পাশাপাশি, চমক ও বান্নাহর লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের অঙ্গীকার করে বলা হয়েছে, ‘এই দুই লাল বদরের যাবতীয় তথ্য আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে ট্রেস করে নেওয়া হবে। এর পর তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।’

  • মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি: শুভশ্রীর জন্য থানায় অভিযোগ রাজের

    মেসির সঙ্গে ছবি নিয়ে কটূক্তি: শুভশ্রীর জন্য থানায় অভিযোগ রাজের

    কলকাতায় লিওনেল মেসির সঙ্গে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভশ্রী গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে অনাকাঙ্ক্ষিত নেতিবাচক মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ ট্রোলের শিকার হচ্ছেন তিনি। এই ঘটনায় তার স্বামী, নির্মাতা ও টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী থানায় অভিযোগ জানান। তিনি.Titaghর থানায় লিখিত অভিযোগ পাঠান।

    রাজ চক্রবর্তী দ্য ওয়াল-কে বলেন, একজন নারীর মানাবন্ধনকে অপমান করার এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। তিনি মনে করেন, এই ঘটনার পেছনে কিছু রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। তিনি আরও জানান, এই অভিযোগ তিনি এখনই ব্যক্ত করেছেন কারণ এর মধ্যে তদন্তে বাধা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এটি শুধু এক আইনি পদক্ষেপ নয়, বরং ১৩ ডিসেম্বরের পর থেকে সৃষ্টি হওয়া সামাজিক বিভ্রান্তি এবং আঘাতের ফলাফল বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের ঐতিহাসিক এক বিতর্কিত দিন ছিল। ঢাকা দর্শকদের জন্য স্বপ্নের মতো মুহূর্তের বদলে বিশৃঙ্খলা, ভাঙচুর, সেলফি তোলার উন্মত্ততা আর মাঠ ছেড়ে যাওয়ার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছিল। এই পরিস্থিতির মাঝে, ম্যাশের সঙ্গে দেখা বা ছবি তোলার জন্য উপস্থিত ছিলেন শুভশ্রী।

    তাঁর মতে, তিনি মূলত বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু, মেসির সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় ট্রোল, বিদ্রুপ এবং কদর্য মিমের বন্যা। যেখানে অগণিত দর্শক টাকা খরচ করেও খেলোয়াড়কে দেখতে পাননি, সেখানে ক্ষোভের কারণ স্বাভাবিক— কিন্তু সেই ক্ষোভের লক্ষ্য কি কেবল একজন অভিনেত্রী, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    রিকাউন্টিং করে, এই পরিস্থিতি ও ঘটনার জন্য রাজ চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা লজ্জাজনক এবং বাঙালির ফুটবলপ্রেমকে অপমান করার মতো। তিনি বলেন, এক উদাহরণ দিয়ে জানিয়েছেন, কেন এত বড় আয়োজনের মধ্যে গাফিলতি ও অব্যবস্থা রয়ে গেছে। তিনি ডাকা দোষীদের শাস্তি দাবী করেন এবং বলেন, এই ঘটনা বাঙালির আবেগে আঘাত করেছে।

    এরপর তিনি শুভশ্রী প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, তিনি ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথি এবং উপস্থিত ছিলেন সম্মানের সঙ্গে। তবে ওই মুহূর্তে তার জন্যই এই বিতর্কের ঝড় উঠে যায়। তাঁর ভাষ্য, একজন ব্যক্তির পরিচয় শুধু পেশাগত নয়, তিনি এক মা, বোন, স্ত্রী, অভিনেত্রী বা ভক্ত— সব পরিচয় ছাপিয়ে তিনি একজন মানুষ।

    রাজ চক্রবর্তী গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠান। প্রশ্ন করেন, মাঠে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও কেন একমাত্র অভিনেত্রীর দিকে লক্ষ্য করে ট্রোলের বস্তু হিসাবে দেখানো হলো। তিনি আরও জানান, এই ধরনের ট্রোলিং শুধু বর্তমানের অপমান নয়, ভবিষ্যতেও বিপদ ডেকে আনে। এই পরিস্থিতিতে, প্রতিবাদ ও অপমানের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বুঝতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর প্রদর্শনী

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর প্রদর্শনী

    অভিনেত্রী জয়া আহসান বিশেষ এক বার্তা দিয়েই নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ডোন্ট বি অ্যান অ্যাপল’ লিখে ছয়টি নতুন ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাকে দেখা যাচ্ছে সানগ্লাস পরা, মুখে বাঁকা হাসি আর একদৃষ্টিতে কোনো বার্তা দিচ্ছেন যেন। এই ছবির সঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গান ‘পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…’ এর লিরিকও যুক্ত করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ৯:১৪ মিনিটে তিনি এই ছবি গুলো পোস্ট করেন, যা মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। হাজারো মানুষের রিঅ্যাকশন এবং মন্তব্যে ভরে যায় ছবিগুলো। ছবিগুলোতে জয়াকে দেখা যাচ্ছে লাল ব্লাউজ এবং ডেনিম পরা, তার কপালে লাল টিপ এবং খোপায় লাল-সাদা ফুল। এই ছবির মাধ্যমে মনে হচ্ছে নতুন কোনো রোমান্টিক খবর আসছে, যার সূচনা হয় এই প্রেমমূলক চিত্রের মাধ্যমে। ছবিগুলি দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছে, আবার আলোচনা-সমালোচনাও চলছে।

  • শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নেট মাধ্যমে শোরগোল

    শাকিবের ‘পাইলট’ লুকে নেট মাধ্যমে শোরগোল

    মেগাস্টার শাকিব খান বর্তমানে ঢালিউডের সবচেয়ে আলোচিত তারকা। তার প্রতিটি নতুন ছবি, লুক বা পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়, যা তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলছে। নতুন সিনেমা বা বিজ্ঞাপনের জন্য তার এই অ্যাকশন যেন অবিরাম চলমান।

    সম্প্রতি, শাকিব খান একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন, যা প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সেই বিজ্ঞাপনটির জন্য তোলা তার পাইলটের লুকের কিছু ছবি তিনি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন। এই ছবিগুলোতে দেখা যায়, তিনি একটি নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম পরে গম্ভীর, পরিশ্রমী ও আত্মবিশ্বাসে ভরে গেছে। ডালা চোখে সানগ্লাস আর পরিচ্ছন্ন গোঁফে তিনি যেন এক নতুন শাকিব খান, যা নিঃসন্দেহে ভক্তদের মুগ্ধ করে তুলেছে। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’

    এই ছবি প্রকাশের কিছু ঘণ্টার মধ্যেই তা ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা বিভিন্ন মন্তব্যে তাকে প্রশংসা করছেন, বিশেষ করে কেউ লিখেছেন, “এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” ও অন্য একজন বলছেন, “চলচ্চিত্রের প্রকৃত পাইলট।”

    কিন্তু কিছু নেটিজেন দাবি করেছেন যে এই ছবি সম্ভবত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দ্বারা তৈরি, যদিও মেটা এআই বা চ্যাটজিপিটি এই ছবিগুলিকে এআই-জেনারেটেড বলে নিশ্চিত করেনি।

    অতীতে এমনকি শাকিবের আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। এটি সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত, যেখানে তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে। ছবির গল্পে তিনি একাই লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, যা দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়।

  • ইডেনের ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ছয় মাস পরে নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনয়ন

    ইডেনের ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ছয় মাস পরে নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনয়ন

    বাসায় অবরুদ্ধ করে ইডেন কলেজের এক ছাত্রীর সঙ্গে দুষ্কর্মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর-gকর্তৃপক্ষ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেছেন। ২৯ নভেম্বর ডেমরা থানার উপপরিদর্শক এসআই মুরাদ হোসেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন।

    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিভাগে কর্মরত উপপরিদর্শক ইলামনি আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জানান, এই বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর আদালত এই অভিযোগ পত্রের শুনানি করবে, যা পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে পাঠানো হবে।

    নোবেলের আইনজীবী মোসতাক আহমেদ প্রকাশ করেন, এই মামলার বাদীকে তিনি বিয়ে করেছেন। তাদের সংসার নিয়মিত চলছে।

    ২০২৩ সালের ১৯ মে ইডেন কলেজের ওই ছাত্রী নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, নির্যাতন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার শর্তে বিয়ে করেন নোবেল। ১৯ জুন ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে ১০ লাখ টাকার দেনমোহরে তিনি আবারও ওই ছাত্রীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    মামলা থেকে জানা যায়, নোবেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচিত হন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে নভেম্বর ১২, ২০২৪ তারিখে নোবেল তার স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে ডেমরার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে আটকে রাখেন, মোবাইল ফোন ও অর্থ ছিনিয়ে নেন, এবং ধর্ষণ করেন। সেই সঙ্গে ভিডিও ধারণ করেন। যদি তার অনুঅযোগী না হন, তাহলে এই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

    অভিযোগে আরও জানা গেছে, ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে ডেমরার সেই বাসায় আটকে রাখা হয়, প্রায়ই মারধর করা হয়। নোবেল দু-জনের সহায়তায় তাকে চুল ধরে টেনে একটি কক্ষে আটকে রাখতেন। ঘটনা ভিডিও করলে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করতে পারেন, এই ভয়ে পরিবারের সহায়তায় ওই তরুণী ১৯ মে উদ্ধার করেন এবং পুলিশ নোবেলকে গ্রেপ্তার করে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, নোবেল তাকে আটক করে ধর্ষণ করেন এবং সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। বাসার বাইরে থাকলে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নানা সময় তাকে মারধরও করেন।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বর্তমানে নোবেল জামিনে থাকলেও, তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাদীকে মারধর ও ধর্ষণে অন্য কেউ সহযোগিতা করেছেন, তবে তাদের নাম-ঠিকানা এখনও জানানো যায়নি। শীঘ্রই এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করে সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করা হবে।

    অর্থাৎ, এখন কী হবে? নোবেলের আইনজীবী বলছেন, তিনি ইতোমধ্যে বাদীকে বিয়ে করেছেন এবং সংসার চালাচ্ছেন, তাই এই মামলার ফলাফল তার জন্য খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। আদালত যদি বাদীর আপসনামা গ্রহণ করেন, তাহলে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে এবং নোবেল খালাস পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, এই গায়ক ‘সা রে গা মা’ নামের একটি ভারতের সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। এর আগে মাদকাসক্ত হয়ে সংগীত ছাড়ার কথা বললেও, দীর্ঘ বিরতির পরে আবার গানের জগতে ফিরে আসেন। এর মধ্যে ওই বছর তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা ও অন্যান্য নানা ঝামেলা দেখা গিয়েছিল। ১৬ মে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হেডকোয়ার্টার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ব্যাচ ২০১৬ এর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা অগ্রিম নেওয়ার বরখাস্তের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জেল খাটেন ও পরে আপসের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পান।

  • শুটিং শেষে চেনা যাচ্ছে না সালমান খান, দর্শকদের বিস্ময়

    শুটিং শেষে চেনা যাচ্ছে না সালমান খান, দর্শকদের বিস্ময়

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান তার অনন্য লুকের জন্য সবসময় আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি মুম্বাই বিমানবন্দরে তার দেখায় ভক্তরা ব্যাপক চমকিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন গোঁফ রেখে অন্যরকম লুকের মাধ্যমে জনসম্মুখে আসার পর, তিনি এবার সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও ক্লিন শেভড চেহারায় উপস্থিত হয়েছেন। এই পরিবর্তনে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, কি কারণে এই বদল।

    খোঁজ নেওয়া গেছে, সালমান খান তার আসন্ন সিনেমা ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’-এর শুটিং শেষ করে ফিরে এসেছেন। এই সিনেমার চরিত্রের আখ্যান ও প্রয়োজন অনুযায়ী তার দীর্ঘদিন ধরে গোঁফে থাকতেন তিনি। তবে লাদাখের কঠিন আবহাওয়ায় শুটিং শেষে, তিনি তার চেহারায় পরিবর্তন এনেছেন। বিমানবন্দরে যেহেতু তাকে কালো টি-শার্ট, ডেনিম জিনস ও জ্যাকেট পরে দেখা গেছে, তবে দর্শকদের চোখ কেড়ে নিয়েছিল তার মসৃণ ও পরিষ্কার শেভড মুখাবয়ব।

    ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ শুটিং হয়েছিল লাদাখের চরম পরিবেশে, যেখানে তুষারপাত, কঠিন ঠান্ডা ও অক্সিজেনের অভাব ছিল। এই কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও, সালমানের এই লুক পরিবর্তন অনেকের কাছে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণত তার গোঁফ ও এক ধরণের গillian লুকের জন্য পরিচিত দর্শকদের জন্য এটি ছিল এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

    একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, দীর্ঘ শুটিংয়ের পর সালমান নিজে কিছুটা বিশ্রামের পরিকল্পনা করেছেন। এর পর তিনি আবার মুম্বাইয়ে ফিরে আসবেন এবং পরবর্তী কাজে মনোযোগ দেবেন। 60-এর কাছাকাছি হলেও এই পরিবর্তনপ্রিয় লুক প্রমাণ করে যে, সালমানের গ্ল্যামার এবং জীবনশৈলী এখনও অটুট। তার এই নতুন চেহারার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই কুন্ডল ভক্তরা ব্যাপক প্রশংসা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

    বর্তমানে তার পরবর্তী প্রকল্পের জন্য সকলের আগ্রহ অনেক 높ছে। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, আর সালমানের নতুন এই লুকের খবরে তারা উৎসাহিত হচ্ছেন।

  • হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউড নির্মাতা রব রেইনারসহ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    হলিউডের জনপ্রিয় নির্মাতা ও অভিনেতা রব রেইনার (৭৮) ও তার স্ত্রী মিশেল সিঙ্গার রেইনারের (৬৮) মরদেহ লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি বাড়িতে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের মৃতদেহ বাড়ির ভেতরে পাওয়া যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কাই নিউজের সহকারী প্রতিবেদক এনবিসি নিউজের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরিবারের এক সূত্র জানিয়েছে, রব ও তার স্ত্রীর শরীরে ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল, যা তদন্তের জন্য নতুন করে রহস্য সৃষ্টি করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় ডেকতা ও হত্যার তদন্ত চলছে। পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গোয়েন্দা দল কাজ করছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে বর্তমানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও পুরো বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শহরটির মেয়র ক্যারেন বাস রব রেইনারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, এটি শহরের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। রব রেইনার হলিউডের একজন কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ‘স্লিপলেস ইন সিয়াটেল’, ‘দ্য উলফ অফ ওয়াল স্ট্রিট’, ‘দিস ইজ স্পাইনাল ট্যাপ’, ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’, ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’, ও ‘এ ফিউ গুড মেন’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। রব রেইনার ১৯৮৯ সালে মিশেল সিঙ্গার রেইনারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ’হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় ঘটে। এই দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে।

  • অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের চমকপ্রদ উপস্থিতি

    অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের চমকপ্রদ উপস্থিতি

    অভিনেত্রী জয়া আহসান সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন এক צילום শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁর পোশাক এবং চোখের এক অনন্য রূপ দেখতে পাওয়া যায়। ছবিগুলোতে দেখা যায়, তাঁর চোখে সানগ্লাস এবং ঠোঁটে বাঁকা হাসি, যা যেন কোনও বিশেষ বার্তা দিচ্ছে। সেইসঙ্গে তিনি নার্গিসের জনপ্রিয় গান ‘পিরিতের পেট্রোল ঢাইলে আগুন জ্বালাইসে গায় / সোনা বন্ধু কুনজাগায়…’ Toast করে কোনও ভাবনাকে বোঝাতে চাইছেন।

    বুধবার, ১০ ডিসেম্বর রাত ৯টা ১৪ মিনিটে তিনি মোট sixটি নতুন ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। মুহূর্তে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়, হাজারো রিয়্যাকশন ও মন্তব্যে ভরে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া। ছবিতে জয়া পরেছেন একটি ব্লাউজ এবং ডেনিম প্যান্ট, যার মধ্যে তাঁর স্টাইল প্রকাশ পাচ্ছে আধুনিক ও ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য।

    আমরা দেখতে পাচ্ছি, লাল রঙের ব্লাউজের সঙ্গে কপালে পরেছেন লাল টিপ, আর মাথায় রয়েছে লাল-সাদা ফুলের খোপা। এটি দেখে মনে হয়, কিছু নতুন ও রোমান্টিক খবর আসতে পারে, যার সূচনা এই ছবির মাধ্যমে। ছবির এই উপস্থিতি বেশ আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে, যা দেখার মতোই।

  • জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) মারা গেছেন। তিনি শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, দুপুরে হঠাৎ করে তার বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়; সেখানে পৌঁছানোর কিছু সময় পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জেনস সুমন ১৯৯০ এর দশকে ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে রাতারাতি খ্যাতি অর্জন করেন। এই গানে ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যান। এরপর বিভিন্ন মিক্সড এলবামসহ আরো একাধিক গান দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করেন। যদিও এর মধ্যে দীর্ঘ এক যুগের জন্য তিনি সংগীত থেকে বিরত ছিলেন, তবে চলতি বছরে আবার সক্রিয়তা শুরু করেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গান প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি বলেন, নতুন কিছু গান নিয়ে ফিরে আসছেন। কিন্তু তার আগেই নির্ধারিত সময়ের আগে তিনি চলে গেলেন।

    জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়। এরপর মুক্তিপ্রাপ্ত হয় ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যালবাম। ২০০৮ সালে তার শেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’ প্রকাশিত হয়। তার অকাল প্রয়াণ ব্যথিত সবাই।

  • নায়িকা পপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    নায়িকা পপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন তারেক আহমেদ চৌধুরী

    চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপি বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে তার চাচাতো জামাই ও পরিবারিক বন্ধুকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই নোটিশটি পাঠানো হয়েছে তারেক আহমেদ চৌধুরীর পক্ষ থেকে, খোলা চিঠির মাধ্যমে। বুধবার (২৬ নভেম্বর), সুপ্রিম কোর্টের একজন গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

    তারেক আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমি আমার স্ত্রী সম্পর্কের আত্মীয় পপি বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপরিকৃত তথ্য প্রচার করে আসছে। এটা খুবই দুঃখজনক। যদি তার কিছু বলার থাকলে পারিবারিকভাবে বা আইনি উপায়ে আমাদের কাছে আসতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটার পরিবর্তে বিভিন্ন মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারে উদগ্রীব। আমি এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি।

    তিনি আরও জানান, এর আগেও পপি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছিল এবং আমি তাকে দায়ের করেছি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি)।

    আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, পারিবারিকসূত্রে আমাদের মধ্যে একটি সম্পত্তির বিরোধ রয়েছে। এই সম্পত্তি ছিল আমার প্রিয়জনের, যার হেবা দলিলের মাধ্যমে আমার স্ত্রী ও তার মাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে আমি ওই সম্পত্তির আইনি উত্তরাধিকারী নই, এবং আমার কোনও দখল বা মালিকানাও নেই। তবে, আমার বিরুদ্ধে গত ২১ নভেম্বর একটি টেলিভিশন সম্প্রচারে উক্ত সম্পত্তি ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    অতএব, এই আইনি নোটিশের মাধ্যমে আমি স্পষ্ট করে জানাচ্ছি যে, এই অভিযোগ ও বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অপপ্রচার। আমি আশা করব, পপি এই বিষয়ে সচেতনতা দেখিয়ে সত্যি ঘটনা তুলে ধরবেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচারে বিরত থাকবেন।