Category: বিনোদন

  • বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    অভিনেত্রী ও পরিচালক ভদ্রা বসু, যিনি কলকাতার মঞ্চ থেকে শুরু করে বলিউড-সহ ভারতের বিভিন্ন সিনেমায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন, তার জীবনাবসান ঘটেছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে তিনি কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৬৫ বছর।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার শিকার ছিলেন। প্রথমে তার গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়েছিল, তবে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এর পরিবর্তে চিকিৎসকরা ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

    কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়, যখন হঠাৎ করে তিনি ঘরে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। প্রথমে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাকে কলকাতার বিখ্যাত এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। এর পাশাপাশি কিডনির সমস্যাও দেখা দেয়, যার জন্য তার চিকিৎসায় আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। অবশেষে, সব প্রচেষ্টার পরও শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।

    ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। তার মঞ্চ এবং সিনেমার ক্যারিয়ার ছিল বেশ প্রসারিত। তিনি অনেক শর্টফিল্ম ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি তিনি সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ এবং অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন। তার এই অকাল প্রয়াণ শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পকালো জগতের বিভিন্ন স্তরে।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মামলার শুনানির সময় তাদের আদালতে হাজির না হওয়ায় জারি করা হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর এক আদেশে ওই পরোয়ানা জারি করেন। তা ছাড়া, মামলার তদন্তের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য তামিল প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিচয়ের সুবাদে বাদী ও অজানা ব্যক্তিরা মেহজাবীন ও তার ভাইকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখতে নানা প্রলোভন দেখান। সেই সুবাদে বাদী নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। তবে, দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও, মেহজাবীন ও তার ভাই ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে তারা নানা অজুহাত দেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে অর্থ ফেরত চাইতে গেলে, তারা রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে ডেকে নিয়ে বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তার জীবনের ক্ষতি করার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ট্রাইবাল থানায় মামলা দায়েরের পর, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন এবং মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন টাকা ফেরত না দেওয়ায় এর জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন বাদী। সংক্ষেপে, এই মামলায় মেহজাবীন ও তার ভাইকে দ্রæত গ্রেপ্তার করা বা বিপজ্জনক অবস্থায় থাকা মামলার অন্যতম লক্ষ্য।

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলা মূলত অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের হয়েছে। আদালতের বিচারক আফরোজা তানিয়ার গঠিত এই আদেশের মাধ্যমে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কার্যদিবসের জন্য গ্রেফতারি ঘটনা জারি করা হয়েছে।

    গুপ্তচরবৃত্তির এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর, সামাজিক মাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মেহজাবীন। তিনি বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের অপপ্রচার ব্যবসায়িক স্বার্থের উদ্দেশ্যে ছড়ানো হচ্ছে।

    অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে সামাজিকমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি একটি ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ দেখে খুবই বিস্মিত। এই মামলাটি ভিত্তিহীন এবং কেবল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব। আমি কোনও ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নই। যারা এই ভিত্তিহীন মামলা করেছেন, আমি তাদের সরাসরি চিনি না। আমার কাছে যারা আমাকে জানেন, তারা জানেন আমি সৎভাবে কেবলমাত্র আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বে নিবেদিত। আমি এমন কোনো ব্যবসায়িক কাজে যুক্ত নই যেখানে আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়ম ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইতোমধ্যেই আমার আইনজীবী এই বিষয়টি নিয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যেন এ ধরনের গুজব ও মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এরকম অপপ্রচার করতে না পারে।’

    মেহজাবীন আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখাই। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে আমি মিডিয়ার সাথে যুক্ত আছি, পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে কাজ দিয়ে দর্শকের আজকের স্থান তৈরি করেছি। আমার এই আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি আপনারা দেন।’

    সর্বশেষ তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আমি অনুরোধ জানাই, ভিত্তিহীন কোনো তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করবেন না। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত ও বন্ধুদের বলবো— আপনারা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি, তাই বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন এবং এই গুজবের বিরুদ্ধেও সচেতন থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আলোচনা ছিল বেশ চাঞ্চল্যকর। দিনটি ছিল রোববার, ১৬ নভেম্বর, যখন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-তে ঢাকার আদালতের মাধ্যমে মেহজাবীন চৌধুরী নিজেই আত্মসমর্পণ করেন এবং তিনি জামিন লাভ করেন। একইসঙ্গে তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও জামিন দেন আদালত।

    অভিনেত্রীর এই জামিনের খবর জাতীয় মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। আদালতের মতে, তাঁরা আইনানুগ বিষয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাকে বলেছেন, এই জামিন শুনানি ব্যক্তিগত কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথমে জানা গেছে, মামলার জন্য আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার সময় নির্ধারিত ছিল। তবে, মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় ১০ নভেম্বর, যা এখনো কার্যকর। তাদের বিরুদ্ধে আরও তামিল প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাদী দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত থাকার সুবাদে, বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, নগদ অর্থ এবং বিকাশ ব্যাংকের মাধ্যমে মোট সাতাশ লাখ টাকা জামিনের বিনিময়ে পরিবারিক ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে রাখার প্রস্তাব দেন। কিন্তু পার্টনার হিসেবে রাখতে গেলে, তারা দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। টাকা চাইতে গেলে, তারা বিভিন্ন সময় টাকার জন্য দেরি করে।

    গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে, টাকা চাওয়ার জন্য গিয়ে, বাদী ওই দিন একটি রেস্টুরেন্টে ডেকেছিলেন। সেখানে গেলে, মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও ৪ থেকে ৫ জন অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলেছে, ‘অতএব, তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না,’ এবং শত্রুতা প্রকাশ করে বলেছে, ‘আমাদের সামনে দেখা করলে মারবো। এসব কথা বলে তাদের জীবনভয় ও ভয়ভীতি দেখানো হয়।

    এই ঘটনার পর, সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় যায় বাদী, একে মামলা হিসেবে নিবন্ধন করে। মামলায় বাদী অভিযোগ করেন যে, তাঁকে মারধর ও হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন করে। মামলা দায়েরের পর, তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিচারের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

  • শাওনের মন্তব্য: ৩২ নম্বরের বুলডোজার বাহিনীকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের মন্তব্য: ৩২ নম্বরের বুলডোজার বাহিনীকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার আনা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে এই দুটি বুলডোজার সেখানে নিয়ে আসা হয়। ওই সময় ট্রাকের উপরে হাতে মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন জানান, ‘রেড জুলাই’ নামে এক সংগঠন এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু মারা গেছেন

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু মারা গেছেন

    অভিনেত্রী ও নির্মাতা ভদ্রা বসু, যিনি পার্শ্ব বাংলার নাট্য থেকে বড় পর্দা পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন, আর নেই। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৫ বছর।

    ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম recente কিছুদিন ধরে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই প্রখ্যাত অভিনেত্রী। শুরুতে তার গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়লেও, অতিরিক্ত রক্তচাপ এবং হৃদরোগের কারণে তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকেরা ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা সামলানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

    কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠে যখন হঠাৎ করে তিনি ঘরে পড়ে যান এবং মাথায় আঘাত পান। তাকে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, এর কিছু পরে তাকে কলকাতার বিখ্যাত এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। সেই সময় তার কিডনির সমস্যাও দেখা দেয়, যা চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। অবশেষে শুক্রবার রাতে তিনি চলে যান।

    ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। মঞ্চ ও ক্যামেরার সামনে তাঁর অভিনয় ছিল অসামান্য। সম্প্রতি তিনি বেশ কিছু চলচ্চিত্রেও কাজ করেছিলেন। সেগুলির মধ্যে সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ এবং অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ ছবিতে তার অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। मामला হলো, পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি, ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে এই গ্রেপ্তারি নির্দেশ দেয়া হয়। মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে উপস্থিত না থাকায়, ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে, তাদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করা হয়। পুলিশ ও মামলার সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই মামলার বাদী তাদের পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার নামে প্রচুর অর্থ সরিয়ে নেয়। তিনি বিশ্বাস করেন, তাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয় ও প্রলোভনের মাধ্যমে এই চুক্তি হয়, যেখানে তিনি নগদ অর্থ ও বিকাশে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। কিন্তু পরে দেখানো হয় যে, তারা অর্থের উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। বাদী বারবার টাকা ফেরত চাওয়া শুরু করলে, মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘ সময় এড়িয়ে যায়। ঘটনা ঘটে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে, যখন বাদী টাকা চাইতে গেলে, তাদের কথায় প্রকাশ পায় অশোভন ভাষা ও ভয়ভীতি। বিষয়টি পুলিশ ও আদালতের নজরে এলে, মামলার এজাহার হয় যে, তারা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই জন্য, মামলাটি দায়ের করেন নিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমিরুল ইসলাম। এখন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অপেক্ষা করছে আদালত।

  • মেহজাবীন মুখ খুলেছেন প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায়

    মেহজাবীন মুখ খুলেছেন প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায়

    জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী পরে তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার এক আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এই মামলা মূলত অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভীতিপ্রদানের অভিযোগে দায়ের করা হয়। বিচারক আফরোজা তানিয়া এ বিষয়ে এই আদেশ দেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানোর একটি কুশীলবের কাজ বলে মনে করেন।

    এক পোস্টে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। সম্প্রতি একটি ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমি নিশ্চিত, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কিছুর অপপ্রচেষ্টা। আমি কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যুক্ত নই, যেখানে আইন লঙ্ঘনের প্রশ্ন ওঠে। যারা এই ভিত্তিহীন মামলাটি করেছেন, আমি তাদের চিনি না এবং আমি জানি না তারা কারা। আমার পরিচিতরা জানেন, আমি কেবলমাত্র আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বে বিশ্বাসী।

    পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন ও নিয়ম মেনে চলি। আমার আইনজীবী ইতোমধ্যে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, যাতে এই ধরনের গুজব বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এই ধরণের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালাতে না পারে।’

    মেহজাবীন আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে এসেছি। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে আমি মিডিয়ায় কাজ করে থাকি, যা আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দ্বারা স্বীকৃত।’

    সবশেষে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে অনুরোধ জানান, ‘ভিত্তিহীন তথ্য যাচাই না করে প্রকাশ করবেন না। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের বলছি—আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা আমার জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা। বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন, সত্যের পাশে থাকুন।’

  • অবশেষে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন মেহজাবীন

    অবশেষে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন মেহজাবীন

    বিগত বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী ও মডেল মেহজাবীন চৌধুরী। ঘটনার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখতে দাবি করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। এই মামলায় মেহজাবীনচৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী আজ (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর সামনে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত উভয়কে জামিনের আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম নিশ্চিত করেছেন, বিষয়টি বিচারকের খাস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মামলা সূত্র জানায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মামলার বাদীর সঙ্গে পরিচিত। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে তাদের রেখে দেওয়ার নাম করে নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে একের পর এক টাকা গ্রহণ করে। টাকা নেওয়ার পর থেকে তারা বেশ কিছু দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী বারবার টাকা ফেরত চাওয়ায় তারা বারবার এড়ানো বা কালক্ষেপণ করে। শেষ পর্যন্ত, ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা ফেরতের জন্য গেলে, ওই দিন তারা জীবননাশের হুমকি দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে, তার ওপর হামলার চেষ্টা চালানো হয়। ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ আদালতে মামলার জন্য নির্দেশ দেয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী আমিরুল ইসলাম নিজে এই ঘটনায় জড়িত হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক এক আইনগত মামলা দায়ের করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ও মেহজাবীন চৌধুরী তাঁর প্রতি হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে আদালত মামলার শুনানি ও পরবর্তী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

  • শাওনের দাবি, বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের দাবি, বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অগাস্টের অগ্নিসংযোগ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আরও দুটি বুলডোজার এনে হতদরিদ্র ও রাজনৈতিক অধিকারবঞ্চিত মানুষের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকে করে দুটি বুলডোজার নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন ওই দলের কিছু তরুণ। তাদের সঙ্গে হাতে মাইক নিয়ে উপস্থিত ছিল কয়েকজন সক্রিয় কর্মী, যারা শ্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানিয়েছে, ‘রেড জুনির’ নামে এক সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

    অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘৩২ নম্বরের সেই বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে আমি রাজাকার বলছি। এই ধানমন্ডির বাড়িকে নিয়ে যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা আসলে বাংলাদেশের ইতিহাসের অপসরল অংশ। বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে এই বাড়িকে পুড়িয়ে দেওয়ার পরেও আমাদের বুকের গভীরে সেই স্মৃতি অক্ষত রয়েছে, যা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। এই বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণাই বাংলাদেশের সংগ্রামের সাক্ষ্য বহন করে। রাজাকার বাহিনী, তুমি কি কখনও এর মানে বুঝবে?’

    শাওন এই পোস্টে হ্যাশট্যগ হিসেবে যোগ করেছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২।

    এর আগে, ২০২২ সালের অাগষ্টে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করার পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার অভিযান’ নামে এক কর্মসূচির মাধ্যমে ঐ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়। হাজার হাজার মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নেন, যারা বাড়ির আঙিনায় জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। রাতের অন্ধকারে ক্রেন আর এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়, সময় দিয়ে অনুযায়ী ঐ তিন তলা বাড়ির বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়।

    একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হলেও, সাধারণ ছেলেমেয়েরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেওয়ায় তারা দ্রুত সেখান থেকে সরে যায়। মধ্যরাতে মাইক থেকে গান বাজানো হয় এবং কয়েকজন নাচতেও দেখা যায়। পরবর্তীতে পুরো বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়, তবে সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বচক্ষে অবস্থিত ছিল সেই সড়কে।