Category: বিনোদন

  • মেহজাবীনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন তিনি

    মেহজাবীনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন তিনি

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের। মামলার এই আদেশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। মেহজাবীন জানান, এই মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ এই ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ শুনে আমি চমকে উঠেছি। এই মামলাটি আমার সঙ্গে কোনোভাবেই যোগ্য নয়, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এই ধরনের গুজব ছড়াচ্ছেন যা সত্যের কোনো ক্ষতি করেনি। আমি নিশ্চিত, আমার কোনও ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো অবৈধ কাজে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। যারা এই ভিত্তিহীন মামলা করেছেন, আমি তাদের চিনি না। যারা আমাকে চেনেন, জানেন আমি শুধুমাত্র আমার পেশাগত দায়িত্ব ও অভিনয়ে মনোযোগী।’

    আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আমি ইতোমধ্যে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছি যাতে এই ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের অপপ্রচার করতে না পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    মেহজাবীন আরো যোগ করেন, ‘আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মিডিয়ার সামনে আমি সবসময় সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছি। বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে আমি আমার কর্মজীবনে পরিশ্রম ও একাগ্রতা দিয়ে কাজ করে এসেছি, যা আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দ্বারা স্বীকৃত।’

    শেষে, তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য যাচাই ছাড়া প্রকাশ করবেন না। আমার সকল ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতদের বলবো—আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে মুক্ত সত্যের পথ অনুসরণ করুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে অভিনেত্রী ও মডেল মেহজাবীন চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। তাকে ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকার পর গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত-৩-এ উপস্থিত হয়ে আদালতের মাধ্যমে জামিনের জন্য আবেদন করেন। তাদের শুনানি ও জামিনের আদেশ বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আদালত উভয়ের জামিন মঞ্জুর করেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, আদালত আসামিদের হাজিরার জন্য নির্ধারিত থাকার পরও তারা আদালতে উপস্থিত হননি, ফলে ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য করা হয়েছে। চলতি মামলার বিষয়ে জানা যায়, বাদী দীর্ঘদিন ধরে পরিচিতি এবং প্রলোভনের ভিত্তিতে মেহজাবীনকে পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখতে চান। এ জন্য সে নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকার বিনিময়ে টাকা ধার দেন। একদিকে ব্যবসা শুরুর উদ্যোগ না নেয়ায় গাঁজনার কারণে বাদী বারবার টাকা ফেরত চাইলেও তাদেরকে দীর্ঘদিন ধৈর্য্য ধরতে হয়। পরে, ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে, ঘটনা আরও চরম মোড় নেয় যেখানে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো কয়েকজন অশোভন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং টাকা চাইলে ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে বাদী ভাটারা থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে, আমিরুল ইসলাম নামে বাদী এই ব্যাপারে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাছে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও নথিপত্র প্রক্রিয়াজাত হয়।

  • শাওনের অভিযোগ: ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়াকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের অভিযোগ: ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়াকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন আবারও ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে দুটি বুলডোজার দেখা গেছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাক দিয়ে দুটি বুলডোজার নিয়ে আসা হয়। এই সময়ে কিছু তরুণ হাতে মাইক নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন জানান, ‘রেড জুলাই’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজারগুলো আনা হয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন কাস্টিং কাউচের বিষয়টি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন কাস্টিং কাউচের বিষয়টি

    চলচ্চিত্রের জগতে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছু নয়; বহু আগে থেকেই এর প্রবণতা চলে আসছে পর্দার আড়ালে। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীদের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। অনেক নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের একজন জনপ্রিয় মুখ পায়েল সরকারও এ তালিকায় রয়েছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এক পরিচালকের পক্ষ থেকে তার কাছে যৌন সুবিধা দাবি করা হয়েছিল। সঞ্চালিকা তখন স্পষ্টভাবে জানতে চান, যৌন সুবিধা কি? এর জবাব দিতে পায়েল কোনও রকম রাখঢাক না করেই বললেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ পায়েল জানান, তখন তিনি ক্যারিয়ারের এক খারাপ সময়ে অবস্থান করছেন। ওই সময়ে তিনি তাকে লজ্জাজনক প্রস্তাব দেন সে পরিচালক। তার ভাষায়, ‘উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখেছিলেন, আমার ছবি এডিট করে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, সম্পূর্ণ পাগলপ্রায় হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি আবার ক্যারিয়ারে ফেরার চেষ্টা করি। আমি প্রেমে পড়ি, জীবনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করি। আমি মনে করি, এক বছরের মধ্যে আমি দু’টি ছবির শুটিং সম্পন্ন করেছি।’

  • মিথিলা জয় করলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    মিথিলা জয় করলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    ৭৪তম বিশ্ব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী তানজিয়া জামান মিথিলা বিশাল ভোটের ব্যবধানে শীর্ষ জায়গায় রয়েছেন। বাংলাদেশে আসা এই সুখবরটি নিশ্চিত করেছে জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার প্ল্যাটফর্ম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের অফিসিয়াল পেজে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

    প্রতিযোগী মিথিলার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, “অভিনন্দন বাংলাদেশ।”

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোটি কোটি মানুষ থেকে তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ ভোট, যা মোট ভোট সংখ্যা ১০ লাখ ৩৯ হাজারে পৌঁছেছে। এর আগে এই সময়ে ভোট সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ লাখ ৩৯ হাজার। এই এক দিনে আরও মামা ভোট পড়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই এক অনন্য নজির।

    মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা শুধু সৌন্দর্যের পরিচিতি নয়, এটি একজন বিজয়ীর জীবনকে একেবারে বদলে দিতে পারে।

    বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হিসেবে এটি পরিচালিত হয় থাইল্যান্ড ও মেক্সিকোভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’ কর্তৃপক্ষ দ্বারা। এর চূড়ান্ত পর্বের সরাসরি সম্প্রচার থেকে শুরু করে পরবর্তী এক বছর নানা মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা প্রায় ৫০ কোটি মানুষের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। এটি বিশ্বের এক অন্যতম বৃহৎ দর্শকপ্রিয় বিউটি শো, এমনকি এর বার্ষিক বাজেটও ১০০ মিলিয়ন ডলার।

    বিজয়ীর জন্য পরবর্তী এক বছর সব ধরনের আয়োজনের ব্যয়ভার নেয় মিস ইউনিভার্স সংগঠন। প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে সবাই পেয়েছেন অসংখ্য সুবিধা।

    প্রথমে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে এক বছর থাকতে পারবেন। এছাড়া, এক বছরের জন্য নগদ অর্থ হিসেবে ২.৫ লাখ ডলার (প্রায় তিন কোটি টাকা) কোটিপতি জয়ীর হাতে তুলে দেয়া হয়।

    আরও রয়েছে ব্যক্তিগত এক উড়োজাহাজ, যার মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বেড়ানোর সুবিধা। এ জন্য শুধুমাত্র অনুমোদন নিতে হয়, আর দায়িত্ব পরিপূর্ণভাবে নিচ্ছে মিস ইউনিভার্স। প্রতিটি সফর সূচি ও ব্যয়ভারও সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্কৃত করা হয়।

    বিজয়ী হিসেবে পাওয়া যায় ৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি হীরা এবং নীলকান্তমণি দিয়ে সাজানো ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে এক দুর্দান্ত মাথা-মুকুট। এটি মানে নিজের সৌন্দর্যোর পাশাপাশি ভারে একটা মহান দায়িত্বও বহন করতে হয় এ মুকুট পরার মাধ্যমে।

    শর্ত হলো, যেখানেই যাবেন, সেখানেই কিছু দাতব্য কাজে অংশ নিতে হবে। পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে ব্যক্তিগত কনসার্ট, ইভেন্ট, ফ্যাশন শো, পার্টি বা সিনেমা প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সবকিছুই মিস ইউনিভার্সের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    সার্বিকভাবে বলতে গেলে, বিজয়ীর জন্য এই এক বছর দিচ্ছে এক স্বপ্নের জীবন, যা তাদের জীবনে বদলে দেয় অনন্তকাল।

  • প্রতারনা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    প্রতারনা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন মেহজাবীন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ দেওয়া হয়েছে এক মামলায়, যেখানে অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ প্রতারণা, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের। মামলার এই খবর ছড়ানো পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মেহজাবীন। তিনি জানান, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন и অসত্য এবং এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    মেহজাবীন বলেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী, এবং আজ আমি এক ভুয়া ও মিথ্যা মামলার খবর দেখে অবাক হয়েছি। আমি নিশ্চিত এটি একান্তই ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার। আমি কোনো ধরনের অবৈধ বা অসাধু ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত না। যারা এই ভিত্তিহীন মামলাটি করেছেন, তাদের আমি চিনি না। আমি কেবল আমার অভিনয় এবং পেশাগত জীবনে নিবেদিত।’

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইতোমধ্যে আমার আইনজীবীরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যাতে এই গুজব বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপচেষ্টা রোধ করা যায়।’

    মেহজাবীন যোগ করেন, ‘আমি একজন শিল্পী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সবসময় দেশের আইন, নিয়মনীতি অনুসরণ করে এসেছি। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মিডিয়ায় কাজ করছি, যার প্রশংসা করেন আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।’

    সবশেষে তিনি বিনম্রভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ জানান, ‘আপনাদের কাছে আমার আহ্বান—ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশে সতর্ক থাকুন। আমি আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের বলবো, আপনারা যদি সত্যের পাশে থাকেন, তাহলে সুযোগ পাবেন আমার প্রতি অমূল্য সমর্থন ও ভালোবাসা প্রদর্শনের। বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করুন এবং সত্যের পথে থাকুন।’

  • আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

    আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

    ঢাকার আদালত আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে পারিবারিক ব্যবসায়ের পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং হুমকি-ধমকি দিতে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন দিয়েছেন। একইসঙ্গে তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও জামিন দেওয়া হয়েছে।

    মেহজাবীন স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আবেদন করেন। এ সময় তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হন। শুনানির শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, জামিনের শুনানি বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    অভিযোগে জানা যায়, মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য আজ থেকে ধার্য ছিল। কিন্তু মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী আদালতে হাজির না হওয়ায় ১০ নভেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার পরবর্তী পর্বে তাদের গ্রেপ্তার ও হাজির করার জন্য ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাদীর সঙ্গে পরিচয় থাকায় প্রলোভনে তাকে বিভিন্ন সময়ে টাকা দেয় মেহজাবীন ও তার ভাই। বাদী উল্লেখ করেন, তারা বিভিন্ন সময় নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর বেশ কয়েক মাস পার হলেও, তারা ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় টাকা ফেরত চেয়ে গেলে তারা দীর্ঘ সময় কালক্ষেপণ করেন।

    গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে, বাদীকে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন নিয়ে গিয়ে, সেখানে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও ৪-৫ জন অশোভন ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন, ‘তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না’, এবং ‘তাকে দেখে ফেললে মারবো’। এসব বলে তারা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য বাদী ভাটারা থানায় গেলে, থানার কর্মকর্তারা আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন।

    পরবর্তীতে, বাদী আমিরুল ইসলাম ঢাকা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট আইনগত ধারায়।

  • শাওনকে ‘রাজাকার’ বলে অপপ্রচার করে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা

    শাওনকে ‘রাজাকার’ বলে অপপ্রচার করে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে এই দুটি বুলডোজার সেখানে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় ট্রাকের ওপরে হাতে মাইক নিয়ে বেশ কয়েকজন তরুণকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা জানিয়েছে, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে।

    অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী শাওন একটি মন্তব্য করে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বুলডোজারগুলোকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, বারেবারে আগুন দিয়েও তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে মিশে থাকছে, সেটাকে কিভাবে অস্বীকার করব বলো, রাজাকার বাহিনী!” শাওন তার এই পোস্টে #তুইথরাজাকার ও #ধানমন্ডিট৩২ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছেন।

    এখানে উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে নির্বাসনে যাওয়ার সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার ছয় মাস পরে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়।

    প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে হাজারো মানুষ নিহতের বাড়িটির সামনে জড়ো হয়। রাতের বেলা একটি ক্রেন এসে সেখানে পৌঁছায়। মানুষের উল্লাসধ্বনির মধ্যে ক্রেনের উপর দিয়ে ঢুকে, পরে একটি এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিন তলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এরপর রাত সোয়া একটার দিকে ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয় এবং পরে আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

    মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা যখন সেখানে যান, তখন কিছুক্ষণের জন্য ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। কিছু ক্ষণের মধ্যে তারা সেখান থেকে সরে যায়। গভীর রাতে দলবল গান চালিয়ে এবং নৃত্য করে বাড়ি ভাঙার কাজ সম্পন্ন করে। তবে ওই ভাঙা বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়, যাতে কোনও অনাহোঁয়া ঘটনা না ঘটে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকারের কাছে পরিচালকের যৌন সুবিধা চাওয়ার অভিযোগ, মুখ খুললেন তিনি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকারের কাছে পরিচালকের যৌন সুবিধা চাওয়ার অভিযোগ, মুখ খুললেন তিনি

    চলচ্চিত্র জগতে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছু নয়। অর্ধেক শতাব্দী ধরে পর্দার আড়ালে এই ধরনের অনৈতিক আচরণের ঘটনা চলছেই আসছে। বিশেষ করে উঠতি অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। বহু নায়িকা প্লেবয় বা প্রযোজক-পরিচালকদের কাছ থেকে লালসার শিকার হয়েছেন।

    তাদের মধ্যে একজন পরিচিত মুখ হলো টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল সরকার। সম্প্রতি তিনি এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন এবং একটি পডকাষ্টে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, একজন নির্মাতা তাকে কু প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

    পডকাস্টে পায়েল বলেন, ‘আমাদের ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রযোজক আমার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন।’ তখন সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করেন, অর্থাৎ যৌন সুবিধা? তিনি স্পষ্টভাবে répondu, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’

    পায়েল আরো জানান, তখন তার ক্যারিয়ার কিছুটা কঠিন সময়ে পড়ে ছিল। এই সময়ে তাকে তার এক পরিচালক অপমান করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার নামে খারাপ মন্তব্য করেছিলেন। আমার ছবি সম্পর্কে অপপ্রচার করেছিলেন, মনে হয় পুরোপুরি সাইকো হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি আবার ফিরেছি। তার পর থেকেই আমার জীবন বদলে যায়। প্রেমে পড়েছি, দুটো সিনেমার শুটিং করেছি এক বছরের মধ্যে।’’

  • মিথিলা জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকার পুরস্কার, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    মিথিলা জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকার পুরস্কার, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার এই আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধি অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা তার অসাধারণ পারফর্মেন্সের জন্য সবার নজর কেড়েছেন। তিনি বর্তমানে এই অ্যাওয়ার্ডের শীর্ষে রয়েছেন, এবং তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩৯ হাজারে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার সংস্থা, মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার(১৭ নভেম্বর) তাদের অফিসিয়াল পেজে এই সুখবরটি ঘোষণা করা হয়।

    প্রতিযোগীর ছবি শেয়ার করে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লিখেন, ‘অভিনন্দন, বাংলাদেশ!’ তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মিথিলা পেয়েছেন তিন লাখের বেশি ভোট। আর এ পর্যন্ত তার প্রাপ্ত মোট ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৩৯ হাজার। এর আগে গতকাল এ সময়ের ভোট ছিল ৭ লাখ ৩৯ হাজার। অর্থাৎ, মাত্র এক দিনে তিনি আরও তিন লাখ ভোট করেছেন। বাংলাদেশে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে এই বিজয়ীদের মাধ্যমে!

    মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি জীবন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই প্রতিযোগিতা পরিচালনা করে থাইল্যান্ড ও মেক্সিকো ভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’। এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও বৃহৎ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা, যার সরাসরি সম্প্রচার বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ দর্শক দেখেন। বর্তমানে এই প্রতিযোগিতার বার্ষিক বাজেটประมาณ ১০০ মিলিয়ন ডলার, এবং এক বছরের জন্য প্রায় ৫০ কোটির বেশিবার দেখা হয়।

    বিজয়ীর জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে এবং নতুন সুযোগের দরজা খুলে যায়। বিজয়ীকে একটি বিশাল পুরস্কার হিসেবে এক বছরের জন্য নগদ ২,৫০০,০০০ ডলার বা বাংলায় তিন কোটি টাকার চেক দেওয়া হয়। এই অর্থের পাশাপাশি তাকে নিউইয়র্কের এক বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকার সুবিধা, একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ, এবং বিভিন্ন বিলাসবহুল উপহার ও ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়। এই উড়োজাহাজের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে পারেন, তবে সরাসরি অনুমোদন নিতে হবে।

    এছাড়া, বিজয়ীকে পেট্রোনের মতো প্রিয় ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সাথে নিজস্ব হীরা খচিত বিশেষ মুকুটও দেওয়া হয়, যার মূল্য প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন ডলার এবং এতে রয়েছে প্রায় এক হাজার হীরা ও নীলকান্তমণি। এই মুকুট শুধুমাত্র সৌন্দর্য্য নয়, এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। বিজয়ীকে যেখানেই যান না কেন, কিছু দাতব্য কাজে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং নিজেকে সামাজিক দায়িত্বের মাঝে রাখতে হবে।

    মিস ইউনিভার্সের বিজয়ী ব্যক্তিগতভাবে কোনো কনসার্ট, ইভেন্ট, ফ্যাশন শো বা সিনেমার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চাইলে সব ব্যবস্থা মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ করে দেয়। এটা এক বছরকে স্বপ্নের মতো জীবনযাত্রার সুযোগ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। এই প্রতিযোগিতা বিজয়ীর জন্য জীবন বদলে দেওয়া এক অপূর্ব সুযোগ, যেখানে তিনি বিশ্বজুড়ে তার ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য্যপ্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় উঠতে পারেন।