Category: বিনোদন

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ এসেছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে, যা বিচারক আফরোজা তানিয়ার আদালত পরিচালনা করেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গােপন খবর প্রকাশের পর তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিজ অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব গুজব উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    মেহজাবীন তার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি এক ভুয়া ও মিথ্যা মামলার খবর শুনে অবাক হয়েছি। আমার ধারণা, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানো মাত্র। আমি কোনো ব্যবসায়িক বা পেশাগত কাজে এই ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িত নই। যারা এসব ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছেন, তাদের আমি চিনি না। যারা আমাকে জানতে পারেন, তারা জানেন আমি কেবল আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত। আমার কোন এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই যেখানে আইনি জটিলতা আসবে।’

    তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়মনীতি ও সামাজিক দায়িত্বের প্রতি বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে আমার আইনজীবী এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেন এসব গুজব ও মিথ্যা প্রচারনা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়।’

    মেহজাবীন আরো বলেছেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্য করে আসছি। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে কঠোর কর্মনীতি ও নিষ্ঠার সাথে মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছি, যার সাক্ষ্য আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।’

    সবশেষে, তিনি আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করে বলেন, ‘আমি সকল সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য শেয়ার না করুন। আমার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলবো, আপনারা ভালোবাসা ও আস্থাই আমার প্রধান শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। এর পাশাপাশি তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও আদালত জামিন দিয়েছেন।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর আদালত-আফরোজা হক তানিয়া মেহজাবীন এবং তার ভাইয়ের জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, জামিনের শুনানি বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা অনেক দিন ধরে একটি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হওয়ার প্রলোভনে মোট ২৭ লাখ টাকার বেশি টাকা বিভিন্ন সময় নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে ধার্য করেন। পরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী অনেক সময় টাকা চাইলেও তারা সময়ের পরিবর্তে ‘আজকে দিব’, ‘কালকে দিব’ বলে কালক্ষেপণ করেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা চাইতে গিয়ে আসামিরা অজ্ঞাতনামী ৪-৫ জনের সঙ্গে বাদীর মধ্যে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলে, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, নইলে আমরা জানো মারবো।’ এই ঘটনায় বাদী আমিরুল ইসলাম ভাটারা থানায় মামলা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হওয়ার কথা বলে আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন। দুর্ব্যবহার ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বাদী মামলা দায়ের করেন।

  • শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে আয়োজিত অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফের বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে দুটি বুলডোজার সেখানে পৌঁছানো হয়। এ সময় ট্রাকের উপরে হাতের মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের পরিচয় জানাতে চাইলে একজন বলেন, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দলকে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি বিবিসি বাংলার সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে-মাটিতে মিশে আছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই, রাজাকার বাহিনী!’ এই পোস্টে শাওন হ্যাশট্যাগ হিসেবে দিয়েছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২। এর আগে, গত বছর ৫ আগস্ট, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে এক আন্দোলনের সময় এই বাড়িটি ভাঙা হয়। হাজারো মানুষের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সেদিন রাত نصفের দিকে একটি ক্রেন এসে পৌঁছায়, যা মূল সড়ক থেকে ৩২ নম্বরের রাস্তার দিকে ঢুকে পড়ে। এরপর উঠে আসে এক্সক্যাভেটর। রাত সোয়া ১১টার দিকে এই ক্রেন ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিনতলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, কিছুক্ষণ বিরতির পর আবার ভাঙার কাজ চালিয়ে যায়। মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় বাড়ির সামনে পৌঁছালে ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়, এরপর সেনাবাহিনী সরে যায়। গভীর রাতে মাইকের গান বাজিয়ে কিছু মানুষ নাচতেও দেখা যায়। অবশেষে বাড়িটিকে অর্ধেকের বেশি ভেঙে দেওয়া হয়। তবে এই ভাঙা বাড়ির সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    চলচ্চিত্রজগতে ‘কাস্টিং কাউচ’ নতুন কোনও বিষয় নয়; এটি বহু আগেই পর্দার আড়ালে চলমান। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীরা এর শিকার হয়ে থাকেন বেশি। বহু নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের দ্বারা লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের পরিচিত মুখ পায়েল সরকারও এই তালিকার অংশ। সম্প্রতি তিনি কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক ব্যক্তিগত পডকাস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, এক নির্মাতা তার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন। সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করেন, যৌন সুবিধা কি? এর জবাবে পায়েল স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ তিনি জানান, তখন তার ক্যারিয়ারের একটি খারাপ সময় চলছিল। ওই সময়ে একজন পরিচালক তার সাথে বাজে আচরণ করেন। পায়েল আরও বললেন, ‘তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখতেন, আমার ছবি নিয়ে আপত্তিজনক মন্তব্য করতেন, পুরোপুরি একজন সাইকো হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি ফিরে আসি। এরপর আমার প্রেম হয়, এবং কিছু সময় পরে আমি দুটি ছবির শুটিং সম্পন্ন করি, এক বছরের মধ্যে।’ এই পরিস্থিতি কীভাবে তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে, তা বললেও, তিনি দৃঢ়ভাবে অনিবার্যতার কথাটি তুলে ধরেছেন।

  • মিথিলাকে জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা ও নিউইয়র্কের ফ্ল্যাট

    মিথিলাকে জিতলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা ও নিউইয়র্কের ফ্ল্যাট

    ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার এ বছরের আসরে বাংলাদেশের প্রতিযোগী তানজিয়া জামান মিথিলা নিজেদের দক্ষতা ও সৌন্দর্য দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দিয়েছেন। তিনি এ প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ ৩৯ হাজার ভোট পেয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ড। এতে প্রতিযোগিতার আয়োজনকারী সংস্থা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে এই খবর। সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের অফিসিয়াল পেজে এই উচ্ছ্বসিত ঘোষণা দেওয়া হয়।

    প্রতিযোগী মিথিলার ছবি শেয়ার করে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, ‘অভিনন্দন বাংলাদেশ।’ তারা জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশবাসী এক সঙ্গে আরও তিন লাখ ভোট দিয়েছেন, ফলে এখনকার ভোটের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ লাখ ৩৯ হাজারে। এ বিজয় বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের প্রতিযোগীর জন্য গর্বের বিষয়।

    মিস ইউনিভার্স বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে একজনের জীবন। এই আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা পরিচালনা করে থাইল্যান্ড ও মেক্সিকো ভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’, যা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যাপক দর্শকপ্রিয় একটি বিউটি প্যাজেন্ট। এর সরাসরি সম্প্রচারে প্রতি বছর দেখেন প্রায় ৫০ কোটির বেশি দর্শক। বার্ষিক বাজেট প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার, যা এই প্রতিযোগিতাকে আরও বিশেষ করে তোলে।

    বিজয়ীর জন্য এক বছরের জন্য নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নগদ আড়াই লাখ ডলার (প্রায় তিন কোটি টাকা) অর্থমূল্য চেক, যা একটি ব্যক্তিগত বিমান ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ। বিজয়ীর জন্য নিউইয়র্কের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, যেখানে একটি বছর থাকাকালীন সব খরচ মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ বহন করে।

    আরও রয়েছে বলিষ্ঠ এক বছরের জন্য ব্যক্তিগত সফর ও ভ্রমণের সুবিধা—যেখানে তিনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যেতে পারবেন। সফরের জন্য প্রয়োজনীয় সব খরচ, হোটেল, খাবার, ফটোশুট বা অন্যান্য ইভেন্টের আয়োজন রয়েছে প্রযোজকের ব্যবস্থাপনায়।

    পাশাপাশি, এক বিশাল লাভের অংশ হলো ৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের হীরাখচিত মুকুট, যা ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে পরিচিত। এই অমূল্য মুকুটটি প্রায় এক হাজার হীরার ও নীলকান্তমণি দিয়ে সজ্জিত এবং এটি পরার জন্য দায়িত্বশীলতা বয়ে আনে।

    তবে শর্ত হলো, বিজয়ীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাতব্য কাজে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। যেকোনো দেশের বাইরে গেলে মিস ইউনিভার্সের অনুমোদন নিতে হবে। অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত কনসার্ট, ফ্যাশন শো, ইভেন্ট বা সিনেমা দেখার সুযোগ, যা সবাই যেন একজন তারকা হিসেবে অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। এককথায়, মিস ইউনিভার্সের সারাজীবনকালীন এই সুযোগটি প্রার্থীর স্বপ্নের মতো জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।

  • মেহজাবীনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন তিনি

    মেহজাবীনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলায় মুখ খুললেন তিনি

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের। মামলার এই আদেশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। মেহজাবীন জানান, এই মামলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ এই ভুয়া ও মিথ্যা মামলার সংবাদ শুনে আমি চমকে উঠেছি। এই মামলাটি আমার সঙ্গে কোনোভাবেই যোগ্য নয়, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এই ধরনের গুজব ছড়াচ্ছেন যা সত্যের কোনো ক্ষতি করেনি। আমি নিশ্চিত, আমার কোনও ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো অবৈধ কাজে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। যারা এই ভিত্তিহীন মামলা করেছেন, আমি তাদের চিনি না। যারা আমাকে চেনেন, জানেন আমি শুধুমাত্র আমার পেশাগত দায়িত্ব ও অভিনয়ে মনোযোগী।’

    আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আমি ইতোমধ্যে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছি যাতে এই ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের অপপ্রচার করতে না পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    মেহজাবীন আরো যোগ করেন, ‘আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মিডিয়ার সামনে আমি সবসময় সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছি। বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে আমি আমার কর্মজীবনে পরিশ্রম ও একাগ্রতা দিয়ে কাজ করে এসেছি, যা আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দ্বারা স্বীকৃত।’

    শেষে, তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য যাচাই ছাড়া প্রকাশ করবেন না। আমার সকল ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতদের বলবো—আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে মুক্ত সত্যের পথ অনুসরণ করুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে অভিনেত্রী ও মডেল মেহজাবীন চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। তাকে ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকার পর গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত-৩-এ উপস্থিত হয়ে আদালতের মাধ্যমে জামিনের জন্য আবেদন করেন। তাদের শুনানি ও জামিনের আদেশ বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আদালত উভয়ের জামিন মঞ্জুর করেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, আদালত আসামিদের হাজিরার জন্য নির্ধারিত থাকার পরও তারা আদালতে উপস্থিত হননি, ফলে ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য করা হয়েছে। চলতি মামলার বিষয়ে জানা যায়, বাদী দীর্ঘদিন ধরে পরিচিতি এবং প্রলোভনের ভিত্তিতে মেহজাবীনকে পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখতে চান। এ জন্য সে নগদ অর্থ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকার বিনিময়ে টাকা ধার দেন। একদিকে ব্যবসা শুরুর উদ্যোগ না নেয়ায় গাঁজনার কারণে বাদী বারবার টাকা ফেরত চাইলেও তাদেরকে দীর্ঘদিন ধৈর্য্য ধরতে হয়। পরে, ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে, ঘটনা আরও চরম মোড় নেয় যেখানে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো কয়েকজন অশোভন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং টাকা চাইলে ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে বাদী ভাটারা থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে, আমিরুল ইসলাম নামে বাদী এই ব্যাপারে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাছে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও নথিপত্র প্রক্রিয়াজাত হয়।

  • শাওনের অভিযোগ: ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়াকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    শাওনের অভিযোগ: ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়াকে ‘রাজাকার’ আখ্যা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন আবারও ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে দুটি বুলডোজার দেখা গেছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাক দিয়ে দুটি বুলডোজার নিয়ে আসা হয়। এই সময়ে কিছু তরুণ হাতে মাইক নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাদের পরিচয় জানতে চাইলে একজন জানান, ‘রেড জুলাই’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজারগুলো আনা হয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন কাস্টিং কাউচের বিষয়টি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন কাস্টিং কাউচের বিষয়টি

    চলচ্চিত্রের জগতে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছু নয়; বহু আগে থেকেই এর প্রবণতা চলে আসছে পর্দার আড়ালে। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীদের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। অনেক নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের একজন জনপ্রিয় মুখ পায়েল সরকারও এ তালিকায় রয়েছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এক পরিচালকের পক্ষ থেকে তার কাছে যৌন সুবিধা দাবি করা হয়েছিল। সঞ্চালিকা তখন স্পষ্টভাবে জানতে চান, যৌন সুবিধা কি? এর জবাব দিতে পায়েল কোনও রকম রাখঢাক না করেই বললেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ পায়েল জানান, তখন তিনি ক্যারিয়ারের এক খারাপ সময়ে অবস্থান করছেন। ওই সময়ে তিনি তাকে লজ্জাজনক প্রস্তাব দেন সে পরিচালক। তার ভাষায়, ‘উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখেছিলেন, আমার ছবি এডিট করে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, সম্পূর্ণ পাগলপ্রায় হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি আবার ক্যারিয়ারে ফেরার চেষ্টা করি। আমি প্রেমে পড়ি, জীবনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করি। আমি মনে করি, এক বছরের মধ্যে আমি দু’টি ছবির শুটিং সম্পন্ন করেছি।’

  • মিথিলা জয় করলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    মিথিলা জয় করলে পাবেন ব্যক্তিগত বিমান, তিন কোটি টাকা, নিউইয়র্কে ফ্ল্যাট

    ৭৪তম বিশ্ব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী তানজিয়া জামান মিথিলা বিশাল ভোটের ব্যবধানে শীর্ষ জায়গায় রয়েছেন। বাংলাদেশে আসা এই সুখবরটি নিশ্চিত করেছে জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার প্ল্যাটফর্ম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের অফিসিয়াল পেজে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

    প্রতিযোগী মিথিলার একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পরিচালক মুস্তফা ইসলাম ডিউক লেখেন, “অভিনন্দন বাংলাদেশ।”

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোটি কোটি মানুষ থেকে তিনি পেয়েছেন ৩ লাখ ভোট, যা মোট ভোট সংখ্যা ১০ লাখ ৩৯ হাজারে পৌঁছেছে। এর আগে এই সময়ে ভোট সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ লাখ ৩৯ হাজার। এই এক দিনে আরও মামা ভোট পড়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই এক অনন্য নজির।

    মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা শুধু সৌন্দর্যের পরিচিতি নয়, এটি একজন বিজয়ীর জীবনকে একেবারে বদলে দিতে পারে।

    বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হিসেবে এটি পরিচালিত হয় থাইল্যান্ড ও মেক্সিকোভিত্তিক ‘মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশন’ কর্তৃপক্ষ দ্বারা। এর চূড়ান্ত পর্বের সরাসরি সম্প্রচার থেকে শুরু করে পরবর্তী এক বছর নানা মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা প্রায় ৫০ কোটি মানুষের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। এটি বিশ্বের এক অন্যতম বৃহৎ দর্শকপ্রিয় বিউটি শো, এমনকি এর বার্ষিক বাজেটও ১০০ মিলিয়ন ডলার।

    বিজয়ীর জন্য পরবর্তী এক বছর সব ধরনের আয়োজনের ব্যয়ভার নেয় মিস ইউনিভার্স সংগঠন। প্রতিযোগিতার বিজয়ী হিসেবে সবাই পেয়েছেন অসংখ্য সুবিধা।

    প্রথমে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে এক বছর থাকতে পারবেন। এছাড়া, এক বছরের জন্য নগদ অর্থ হিসেবে ২.৫ লাখ ডলার (প্রায় তিন কোটি টাকা) কোটিপতি জয়ীর হাতে তুলে দেয়া হয়।

    আরও রয়েছে ব্যক্তিগত এক উড়োজাহাজ, যার মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বেড়ানোর সুবিধা। এ জন্য শুধুমাত্র অনুমোদন নিতে হয়, আর দায়িত্ব পরিপূর্ণভাবে নিচ্ছে মিস ইউনিভার্স। প্রতিটি সফর সূচি ও ব্যয়ভারও সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্কৃত করা হয়।

    বিজয়ী হিসেবে পাওয়া যায় ৫.৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি হীরা এবং নীলকান্তমণি দিয়ে সাজানো ‘ফোর্স ফর গুড’ নামে এক দুর্দান্ত মাথা-মুকুট। এটি মানে নিজের সৌন্দর্যোর পাশাপাশি ভারে একটা মহান দায়িত্বও বহন করতে হয় এ মুকুট পরার মাধ্যমে।

    শর্ত হলো, যেখানেই যাবেন, সেখানেই কিছু দাতব্য কাজে অংশ নিতে হবে। পাশাপাশি, প্রয়োজন হলে ব্যক্তিগত কনসার্ট, ইভেন্ট, ফ্যাশন শো, পার্টি বা সিনেমা প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সবকিছুই মিস ইউনিভার্সের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

    সার্বিকভাবে বলতে গেলে, বিজয়ীর জন্য এই এক বছর দিচ্ছে এক স্বপ্নের জীবন, যা তাদের জীবনে বদলে দেয় অনন্তকাল।