Category: বিনোদন

  • জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    নিউজিল্যান্ডের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং জেমস বন্ড সিরিজের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ এর পরিচালক লি তামাহোরি মারা গেছেন। দ্য গার্ডিয়ানের খবর অনুযায়ী, তিনি শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বয়সের ৭৫ বছর পুর্ণ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পরিবারের বরাত দিয়ে রেডিও নিউজিল্যান্ড জানায়, দীর্ঘদিন পারকিনসনের রোগে ভোগার পর তিনি নিজ বাসায়ই শান্তিপূর্ণভাবে চলে যান।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, লির রেখে যাওয়া সৃষ্টিশীলতা ও অনুপ্রেরণা অব্যাহত থাকবে তার উত্তরাধিকার, তার নাতি-নাতনিদের পাশাপাশি আরও তরুণ নির্মাতাদের জন্য যাদের তিনি অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি ছিলেন এক কথায় দৃঢ়চেতা নেতা ও প্রবল সৃজনশীল একজন শিল্পী, যিনি পর্দার সামনে এবং পেছনে মাওরি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মানে ও শ্রদ্ধায় তুলে ধরেছেন।

    জানানো হয়, লি তামাহোরি ১৯৫০ সালে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাওরি ও ব্রিটিশ বংশের সংমিশ্রণে তাকে গড়ে উঠতে দেখা গেছে। তার ক্যারিয়ার শুরু হয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের চলচ্চিত্র শিল্পে, যেখানে তিনি সােআর গুডবাই পার্ক পাই ও দ্য কোয়ায়েট আর্থের মতো সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি নাগিসা ওশিমার বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ও ‘মিস্টার লরেন্স’-এ তিনি প্রথম সহকারী পরিচালক হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

    তাদের পরিচালনায় ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়ান্স ওয়ার ওয়ারিয়র্স’ ছিল নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম দর্শকপ্রিয় সিনেমা, যা সেই সময় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। এরপর তিনি মুলহল্যান্ড ফলস, দ্য এজ, অ্যালং কেইম আ স্পাইডারসহ বেশ কিছু হলিউড সিনেমার নির্মাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হন।

    ২০০২ সালে পিয়ার্স ব্রসনানের সঙ্গে জেমস বন্ড সিরিজের ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। হলিউডের ব্যবসা শেষে তিনি আবার নিউজিল্যান্ডে ফিরে আসেন এবং সেখানে ‘মাহানা’ এবং সাম্প্রতিক সময়ে ‘দ্য কনভার্ট’ সিনেমাগুলি পরিচালনা করেন, যাতে ব্রিটিশ মিশনারির চরিত্রে অভিনয় করেন গাই পিয়ার্স।

  • ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবীণ এই তারকা বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন, এবং তার মৃত্যু নিয়ে ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসব গুজবের মাঝে অবশেষে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং মেয়ে এষা দেওল, যারা এইসব খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অতি অপ্রিয় বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    কথা হচ্ছে, যখন গুঞ্জন চেপে বসেছিল, তখন ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এষা দেওল তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার বাবার অবস্থা এখন স্থিতিশীল এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তালেবাদ দিয়ে তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার, এবং বাবার দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করতে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে ভুয়া খবর ছড়ানোর ঘটনায় আরও বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী হেমা মালিনী। তিনি এক পোস্টে কঠোর ভাষায় এইসব গুজবের নিন্দা জানিয়েছেন। হেমা লিখেছেন, ‘যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য। একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, যেখানে আমরা জানিনা সত্যিটা। আমি কোনো ধারণা করি না কীভাবে এই ধরনের ভুয়া খবর ছড়ানো হতে পারে, যখন দেখা যায় যে, অভিনেতা চিকিৎসার প্রতি সাড়া দিচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মানজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। কেউ দয়া করে পরিবারের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখান।’

    পরিবারের নিশ্চিতকরণ মতে, বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং চিকিৎসার প্রতিও যথাযথভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন। গুজবে কান না দেওয়ার এবং পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য ধর্মেন্দ্রর পরিবার সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠে এসেছে বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছলের। তবে তার এই সাফল্য সুরের জন্য নয়, বরং মানবসেবা ও দৃষ্টান্ত স্থাপনায়। পলক মুচ্ছল তার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দিয়ে প্রায় ৩,৮০০ দুস্থ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করেছেন, যা তাকে এই বিশ্ববিখ্যাত রেকর্ডে নাম লেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে। এটি সত্যিই এক অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছোট থেকেই মানবসেবায় মনোযোগী পলক। তিনি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘পলক পলাশ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন ২০১১ সালে। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য শিশুর হার্টের জীবন রক্ষা করেছেন। সেই প্রচেষ্টার জন্য তিনি গিনেস বুকে এবং লিমকা বুক অফ রেকর্ডস-এ স্থান পেয়েছেন।অল্পসংখ্যক শিশু দিয়ে শুরু হওয়া এগুলো বর্তমানে তার life’s biggest mission। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কনসার্ট এখন আমার এই সংস্থার জন্য হয়, যাতে দরিদ্র শিশুদের হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যায়।’ এই সংগঠন চালু করার পেছনে তাঁর দীর্ঘতর গল্প রয়েছে। সাত বছর বয়সে, যখন তিনি দুস্থ শিশুদের কষ্ট দেখতে পেতেন, তখন থেকেই মানবসেবা করার প্রতিশ্রুতি নেন। কার্গিল যুদ্ধের জখম সৈন্যদের চিকিৎসার জন্য রাস্তায় গান গেয়ে তিনি ২৫ হাজার টাকা উপার্জন করেন। এই সব চেষ্টা ও শ্রম তাকে আজকের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে, যা শুধু তার নয়, বরং হাজারো শিশুর জীবনে নতুন আলো জ্বালিয়েছে।

  • নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা গোবিন্দ বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল থেকে আচমকা মাথা ঘোরা ও অচেতন হয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল জানিয়েছেন, বর্তমানে গোবিন্দ স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

    ললিত আরও বললেন, মঙ্গলবার সকালে থেকেই গোবিন্দ কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। বিকেলে নয়-সাতটার দিকে তিনি হঠাৎ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান। এরপর পারিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ খান তিনি। রাত সাড়ে আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ওষুধ খেয়ে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেন।

    তবে মধ্যরাতের দিকে আবারও তার শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা শুরু হয়। তখন গোবিন্দ তার বন্ধু ললিতকে ফোন করেন। পরে তিনি পরিস্থিতি বুঝতে পেরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তার বাসায় পৌঁছে যান ও দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত ১টার দিকে তাঁকে ক্রিটিকেয়ার এশিয়া মাল্টিপারGyশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    প্রাথমিকভাবে গোবিন্দকে জরুরি বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হলেও পরে তাকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হলেও এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের ধারণা, রিপোর্ট হাতে পেলে আরও নির্দিষ্ট العلاج নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গোবিন্দের বন্ধু ললিত বলেছেন, ‘আজ সকালে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন অনেকটা ভালো আছেন বলে জানিয়েছিলেন।’

    উল্লেখ্য, হাসপাতালের ভর্তির সময় গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা বা তাঁর মেয়ে টিনা কেউই তার সঙ্গে ছিলেন না। ললিত জানান, সুনীতা তখন শহরে ছিলেন না, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এরপর রাতে মুম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে আসেন। তাঁর মেয়ে টিনা তখন চণ্ডীগড়ের দিকে ছিলেন, তিনি পথে আছেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাবার সঙ্গে দেখা করবেন।

    অন্যদিকে, একদিন আগে অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে দেখতে যান গোবিন্দ। সম্প্রতি তিনি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনার পরই গোবিন্দ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। অস্তিত্বের এই সংক্ষিপ্ত ঘটনায় তাঁর সুস্থতা কামনায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে আশার আলো জ্বলজ্বল করছে।

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি মামলায় সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির হত্যা ও মারধরসহ ভয়ভীতি দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম হিসেবে পরিচিত, এবং তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান এ আদেশ দিয়েছেন।

    মামলার ভারপ্রাপ্ত আইনজীবী জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, আসামিরা জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না, এ কারণে তাদের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এ বছর ২৩ জুন দাখিল করা মামলার এজাহারে জানা যায়, মনোমালিন্যর ঘটনায় হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে মীমাংসার জন্য হাতিরঝিল থানার এক বাসায় রিয়া মনিকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে অজ্ঞাতনামা প্রকৃতির ১০-১২ জনের সঙ্গে আসামিরা তাকে মারধর করেন এবং গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। উল্লেখ্য, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিয়া মনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • সত্যি কি তাহসান খান রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন?

    সত্যি কি তাহসান খান রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন?

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কনসার্টে অংশ নিয়ে তিনি সংগীতকে বিদায় জানানোর ইঙ্গিত দেন, যা শুনে তার ভক্তরা বেশ মন ভেঙেছিল। অনেকেই তখন প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাহসান কি সত্যিই ইসলামী রাজনৈতিক দলে শরিক হচ্ছেন?

    ব্যাপক আলোচনার মধ্যে তিনি সম্প্রতি বলেছেন, তিনি আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ায় প্রিয় স্থানগুলোতে গানের পাশাপাশি নিজেকে অন্য পথেও দেখতে চান। তাদের আর একটা লক্ষ্য, শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জন। তিনি বলেন, ‘মেলবোর্নের কনসার্টে যখন আমি গান ছাড়ার কথা বলেছিলাম, তখন খুব কম মানুষই ছিল। আমি কখনো ভাবিনি, আমার এই কথা এতটা ছড়িয়ে পড়বে। আসলে আমি অভিনয় থেকে ধীরে ধীরে বিরতী নিয়েছি, গান থেকেও নিচ্ছি। আমি একজন ইমোশনাল এবং কবি মানুষ, তাই হয়তো একটু বেশি বলেছি। এই কথার ফলে অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। একজনের ছবি নিয়ে টুপি পরে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছি না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি আমার জন্য একটি খেলার মতো; একটি প্রকারের পার্ট অব দ্য গেম। আজকাল কিছু মানুষ ভাইরাল হওয়ার জন্য একদমই ঝাঁপিয়ে পড়ে। পৃথিবীব্যাপী এটি একটা প্রবণতা, তাই আমি বুঝতে পারি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সচেতন থাকতে হয়।’

    গান ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখন তিনি পড়াশোনা নিয়ে মনোযোগী হতে চান। তাহসানের ভাষায়, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে বিভিন্ন অধ্যায় আসে। প্রথমে মনে হয়, আমি অনেক কিছু জানি। পরে আমি মনে করি, আমি সবকিছুর ওপরে। সম্প্রতি বুঝতে পারি, আমি কিছুই জানি না। জীবনের সফরে আরও বেশি পড়াশোনা করা দরকার।’ তাহসান বলেন, তিনি ভবিষ্যৎ জীবনসহ আরও বিস্তৃত জ্ঞান অর্জনে প্রস্তুত।

  • প্রখ্যাত নিউজিল্যান্ডি নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    প্রখ্যাত নিউজিল্যান্ডি নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    নিউজিল্যান্ডের পরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জেমস বন্ড সিরিজের নাটকীয় চলচ্চিত্র ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ এর পরিচালক লি তামাহোরি মারা গেছেন। দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার প্রতিবেদনে জানা যায়, তিনি শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পরিবারের সূত্রে রেডিও নিউজিল্যান্ড জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পারকিনসন রোগে ভোগার পর তিনি শান্তিপূর্ণভাবে বাড়িতেই মারা গেছেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার কেবল তার পরিবারের মধ্যেই থাকবে না, বরং তার স্বপ্ন ও অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হওয়া প্রজন্মের নতুন পরিচালক ও শিল্পীরা তার স্মৃতিকে স্মরণ করবেন। তিনি ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা নেতা ও উজ্জ্বল সৃজনশীল মন, যিনি চলচ্চিত্রের পর্দার সামনে ও পিছনে মাওরি সাংস্কৃতিক প্রতিভাকে অনেক উন্নত করেছেন।

    লি তামাহোরি ১৯৫০ সালে নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাওরি ও ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত। তার চলচ্চিত্রে আগ্রহ ৭০ ও ৮০ এর দশকে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সিনেমা শিল্পে কাজ শুরু করার মাধ্যমে শুরু হয়। তিনি জিওফ মারফির ‘গুডবাই পার্ক প্লেস’ ও ‘দ্য কোয়ায়েট আর্থ’ সিনেমার ক্রু হিসেবে কাজ করেছেন। নাগিসা ওশিমার আন্তর্জাতিক প্রশংসিত সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ও ‘মিস্টার লরেন্স’ এর প্রথম সহকারী পরিচালক হিসেবে তিনি প্রথম পা রাখেন মূলধারার চলচ্চিত্রে।

    তাদের পরিচালনায় প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওয়ান্স ওয়ার ওয়ারিয়র্স’ ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়। এটি তখন নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা হয়ে উঠেছিল। এরপর তিনি ‘মুলহল্যান্ড ফলস’, ‘দ্য এজ’, ‘অ্যালং কেইম আ স্পাইডার’সহ বেশ কয়েকটি হলিউড সিনেমা পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন।

    ২০০২ সালে পিয়ার্স ব্রোসনান অভিনীত ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ সিনেমা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত কাজ। এরপর তিনি আবার নিউজিল্যান্ডে ফিরে গিয়ে ‘মাহানা’ এবং ‘দ্য কনভার্ট’ এর মতো সিনেমা পরিচালনা করেন, যেখানে ব্রিটিশ মিশনারির চরিত্রে অভিনয় করেন গাই পিয়ার্স। এই আত্মপ্রকাশ তার চলচ্চিত্র জীবনের এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। তাদের স্বপ্ন ও দক্ষতা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রী বললেন, যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রী বললেন, যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    বলিউডের শক্তিশালী অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থার খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, প্রবীণ this তারকা ভেন্টিলেশনে রয়েছেন এবং তার মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আরও তোলপাড় সৃষ্টি করে। এই গুজবের মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং মেয়ে এষা দেওল, তারা এই খবরগুলিকে ‘অসত্য’ ও ‘অক্ষম্য’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    গুঞ্জন যখন দানা বাঁধে, তখন ধর্মেন্দ্রর কন্যা এষা দেওল তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি তথ্যবহুল বিবৃতি দেন। এতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার বাবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এবং বাবা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে প্রার্থনা করতে। তিনি লেখেন, ‘ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে, আমার বাবার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। সকলের প্রতি অনুরোধ, আমাদের পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করুন।’

    অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি একাধিক পোস্টে বলেছেন, ‘এত বড় একজন শিল্পী নিয়ে এ ধরনের গুজব ছড়ানো কতটা অশোভন, সেটি আমি বুঝতে পারছি না। এই ধরনের অনৈতিকতা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা অত্যন্ত দুঃখজনক। এইসব খবর বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যা অসম্মানজনক। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, সত্যের নির্মলতা রক্ষা করুন এবং পরিবারের গোপনীয়তার জন্য সম্মান দেখান।’

    পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, বলিউডের ‘হি-ম্যান’ হিসেবে পরিচিত ধর্মেন্দ্র বর্তমানে নিরাপদ আছেন, চিকিৎসার প্রতিও যথাযথ সাড়া দিচ্ছেন। গুজবে কান না দিতে এবং পারিবারিক গোপনীয়তা রক্ষা করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা গোবিন্দ

    নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা গোবিন্দ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দের অপ্রত্যাশিত অসুস্থতার খবর এখন আলোচনায়। বুধবার ভোরে তিনি মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন, যেখানে তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল। তিনি জানান, গোবিন্দ এখন স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    ললিত বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকেই গোবিন্দ কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করেছিলেন। বিকেলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য তিনি দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান। এরপর পারিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ওষুধ গ্রহণ করেন। রাত সাড়ে আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ওষুধ খেয়ে তিনি বিশ্রামে যান।

    তবে মধ্যরাতের দিকে আবার তার শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা শুরু হয়, যে কারণে তিনি ললিতকে ফোন করেন। ললিত বলেন, ‘আমি রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তার বাসায় পৌঁছেছিলাম এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। রাত ১টার দিকে তাকে ক্রিটিকেয়ার এশিয়া মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

    প্রাথমিকভাবে তিনি জানিয়েছেন, গোবিন্দের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে তাকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা চালানো হয়েছে, কিন্তু ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। ললিত বলেন, ‘আজ সকালে আমি গোবিন্দের সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি বলছেন, এখন অনেকটা ভালো অনুভব করছেন।’

    গোবিন্দের হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা ও মেয়ে টিনা উপস্থিত ছিলেন না। জল্পনা সৃষ্টি হলে ললিত স্পষ্ট করেন, ‘সুনীতা তখন শহরে ছিলেন না, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। তবে রাতের মধ্যে মুম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে আসবেন। তাদের মেয়ে টিনা তখন চণ্ডীগড়ে ছিলেন, তিনি পথে আছেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাবার পাশে উপস্থিত হবেন।’

    উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগে তিনি বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, যিনি সম্প্রতি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গোবিন্দের এই অপ্রত্যাশিত অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, যা বলিউডের অনুরাগীদের উদ্বেগে ফেলেছে।

  • পলক মুচ্ছল গিনেস বুকের নাম অন্তর্ভুক্ত, ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে

    পলক মুচ্ছল গিনেস বুকের নাম অন্তর্ভুক্ত, ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে

    নতুন কিছু নয় কণ্ঠশিল্পীদের গিনেস বুকে নাম ওঠা। তবে এবার বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছল তার এই সম্মান অর্জন করেছেন অন্য রকম এক কারণে। তিনি ৩,৮০০ দুঃস্থ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে জীবনযাত্রায় আলো এনেছেন, যা তার নাম গিনেস ও লিমকা বুক অফ রেকর্ডে স্থান করে দিয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছোট থেকেই মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন পলক। তার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এই শিশুগুলোর হৃদরোগের চিকিৎসা সম্পন্ন করেছেন। এই অবদানই তাকে পৌঁছে দিয়েছে গিনেস বুকে।

    ‘পলক পলাশ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’ নামে এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম দিকে খুবই ছোট আকারে শুরু হলেও তা এখনো ব্যাপক আকারে চলমান, যা ইতিমধ্যে এক শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে। পলকের মতে, এখন এটি তার জীবনের সবচেয়ে বড় মিশনে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার সব কনসার্ট এই শিশুগুলির হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্য করি। যারা অর্থের যোগান দিতে পারেন না, তাদের জন্যই এই সংগঠন পরিচালনা করি।’

    প্রথমে যখন ৭-৮ বছর বয়সে নিজেকে মানবসেবায় নিয়োজিত করলেন, তখন থেকেই দুস্থ শিশুদের কষ্ট অনুভব করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে শুরু করেন পলক। তার এই পথচলা শুরু হয় কার্গিল যুদ্ধের আহত জওয়ানদের চিকিৎসার জন্য গান গেয়ে ২৫ হাজার টাকা সংগ্রহের মাধ্যমে। আজ তার সেই অমূল্য শ্রম যথার্থ স্বীকৃতি পেয়ে গর্বিত করেছেন পুরো বিশ্বকে।