Category: বিনোদন

  • চাঁদরাতে পরিবারের সঙ্গে জাহিদ নিরবের প্রথম গান — মুক্তি পাচ্ছে ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    চাঁদরাতে পরিবারের সঙ্গে জাহিদ নিরবের প্রথম গান — মুক্তি পাচ্ছে ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    দেশের পরিচিত কণ্ঠশিল্পীদের অংশগ্রহণে সাজানো হয়েছে জাহিদ নিরবের নতুন কাওয়ালী গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ — যা ঈদুল ফিতরের চাঁদরাতে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। এই গানে বিশেষ বিষয়টি হলো, দীর্ঘদিন পর পরিবারকে নিয়ে প্রথমবার একজন শিল্পীর মতো পুরো পরিবেশনায় অংশ নিয়েছে নিরব নিজে, তার বাবা ও ভাইরাও।

    গানটি হবে জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে। পাশাপাশি গানটির ভিডিওও প্রকাশ করা হবে প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেলে — কারণ এটি প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত একটি কাজ।

    জাহিদ নিরব বলেন, “বাড়িতে আমরা সব সময়ই একসঙ্গে গান করি। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক্রোফোনের সামনে গাই — এভাবেই আমার সংগীতজীবন শুরু। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাব বাজিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের অনুভূতি এবার গান হিসেবে প্রকাশ করছি।” তাঁর কথায় স্পষ্ট—এই গানটা তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতি ও ঘরের পরিবেশনারই একটা সম্প্রসারিত রূপ।

    গানটি সাজিয়েছেন মঞ্জুর এলাহী, তিনি বলেন, “কথাগুলো অসাধারণ। আমরা প্রতিদিন সৃষ্টিকর্তার অসংখ্য অনুগ্রহের মধ্যেই বেঁচে আছি, তার কতটুকু কৃতজ্ঞতা জানাই—সেই উপলব্ধিই এই গানের উৎস।”

    জাহিদ আরও জানান, “এটি মূলত প্রাইম ব্যাংকের ‘হাসানাহ’ জিঙ্গেলের একটি ধারনা থেকে জন্ম নিয়েছিল। ভাবনা ও কথাগুলো আমার খুব ভালো লেগেছিল, তাই অনুমতি নিয়ে পুরো গান হিসেবে তৈরি করেছি। ভিডিওর দিক থেকেও কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তার টিম অনেক বড় ভূমিকা রেখেছেন।”

    পেশাগতভাবেও এবার ঈদটি নিরবের জন্য আলাদা — কারণ গত বছর তিনি দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করেছেন, এবং এটাই বিয়ের পর প্রথম ঈদ। তিনি বলেন, “এবারের ঈদ আমার জন্য বিশেষ; অনেক কিছুই নতুন অনুভূত হচ্ছে।” তবুও বিশ্রামের সময় নেই, ঈদের জন্য নানা কাজ নিয়ে ব্যস্ততাই বেশি।

    ঈদের ছবির কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেসে’ ছবির পুরো সংগীত পরিচালনা, যেখানে তানিম নূর তার সহযোগী ছিলেন। পাশাপাশি রায়হান রাফী পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায় একটি গান রয়েছে — গানটি গেয়েছেন অঙ্কন কুমার; কথাও ও সুরও তার। নাটকের জগতে ও তিনি ব্যস্ত: ‘তবুও মন’ নাটকের জন্য ‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’ গানটি লিখেছেন তারিক তুহিন; সুর ও সংগীত করেছেন নিরব, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। ‘লিলিথ’ নাটকের ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান, কথা লিখেছেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও নিরব অপ্রতাহিত ছিলেন না — প্রকাশ পেয়েছে ওয়েবফিল্ম ‘মিউ’র ‘কেন এমন হয়’ ও শিশুতোষ গান ‘মিউ মিউ মিউ’। তিনি প্রবাসীদের নিয়ে প্রাইম ব্যাংকের একটি মিউজিক ভিডিওও করেছেন; তার আনপ্লাগড ভার্সন শিগগিরই মুক্তি পাওয়ার কথা।

    চলমান কাজের তালিকায় আরও উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫-এর মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর ভূমিকা। ঈদে ধারাবাহিকটির বিশেষ এপিসোডও আসছে। সব মিলিয়ে গান, চলচ্চিত্র, নাটক ও কনটেন্ট—প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যস্ততা থাকার কারণে এ বারকার ঈদটা জাহিদ নিরবের কাছে আনন্দ ও সাফল্যের মিশেলে পরিণত হয়েছে।

  • ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি, কনসার্টে তৈরি হলো বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি, কনসার্টে তৈরি হলো বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    কনসার্ট শুধু গান আর আলো-ঝলক নয়—এটা এখন বড় একটা অর্থনীতির নাম। সেই বাস্তবতাই প্রমাণ করলেন পপ তারকা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। ১৪টি শোতে ১৩টি শহরে অনুষ্ঠিত ডিল-লুমিনাটি ট্যুর থেকে মোট আয় দাঁড়ালো প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকা।

    এই আয়গুলো বিভিন্ন উৎস থেকে এসেছে। টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপ থেকে ৩৩ কোটি এবং সরাসরি কর ও ফিসহ সরকারি রাজস্ব হয়েছে ১১৪ কোটি টাকারও বেশি। প্রতিটি শো একেকটি মিনি-অর্থনীতির মতো কাজ করেছে—শিল্পকলা ও বিনোদন থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসা-ব্যবসায় পর্যন্ত প্রভাব ফেলেছে।

    কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব। ভ্রমণ, হোটেল, খাবার, শপিং ও স্থানীয় সেবাসমূহ মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রভাব। জরিপ অনুযায়ী দর্শকদের প্রমাণিত প্রায় ৩৮% অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থেকেছেন, ফলে কনসার্ট শহুগুলোতে পর্যটন ও ব্যবসায় তফাৎ পরিমিত বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ভক্তপ্রবাহও অভূতপূর্ব—১৪টি শোতেই মোট দর্শকসংখ্যা ৩,২০,০০০-এর ওপরে, আর দিল্লির এক কনসার্টে ছিল প্রায় ৫৫,০০০ দর্শক। প্রতিটি শো আগেই হাউসফুল ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও বিশ্বব্যাপী শীর্ষ তারকাদের সঙ্গেও তুলনা করলে এখনও কিছুটা পথ বাকি, তবু এই সাফল্য দিলজিৎকে বৈশ্বিক ট্যুরিং মানচিত্রে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।

    শুধু আয় নয়, এই ট্যুর নতুন কর্মসংস্থানের দরজা খুলেছে। প্রায় ১,১৮,০০০ কর্মঘণ্টার কাজ সৃষ্টির মাধ্যমে লজিস্টিকস, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট দাঁড়িয়েছে সরব। অর্থাৎ একেকটি কনসার্ট এখন কেবল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়—এটি সম্পূর্ণ এক অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম, যে শহরগুলোতে গিয়েছে সেগুলোর স্থানীয় অর্থনীতিকে নতুন করে স্তিমিত করেছে।

    সংক্ষেপে, দিলজিৎ দোসাঞ্জের ডিল-লুমিনাটি ট্যুর দেখিয়েছে—লাইভ মিউজিক শুধুই বিনোদন নয়, এটি কর্মসংস্থান, রাজস্ব ও স্থানীয় বাণিজ্যের শক্তিশালী উৎস।

  • ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ দোসাঞ্জের আয় ৯৪৩ কোটি; ট্যুরে গড়ে উঠল বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ দোসাঞ্জের আয় ৯৪৩ কোটি; ট্যুরে গড়ে উঠল বিশাল অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম

    কনসার্ট কি শুধু গান আর মজা—নাকি তার পেছনে লুকানো থাকে বিশাল অর্থনীতি? দিলজিৎ দোসাঞ্জের সাম্প্রতিক ট্যুর সেই প্রশ্নের জবাব দিয়েছে স্পষ্ট করে।

    মাত্র ১৪টি শোতে, ১৩টি শহরে সাতরঙা বিনোদন প্রদর্শনের পাশাপাশি এই ট্যুর থেকে সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকা। টিকিট বিক্রিতে এসেছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপ থেকে পাওয়া আয় ৩৩ কোটি ও সরাসরি সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১১৪ কোটি টাকার বেশি। প্রতিটি শো এখন একেকটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্রের কাজ করেছে।

    কিন্তু সবচেয়ে চমকপ্রদ ছিল পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব—ভ্রমণ, হোটেল, খাবার-পানীয় ও কেনাকাটা মিলিয়ে সূত্রগুলো দাঁড়িয়েছে ৫৫৩ কোটি টাকার একটি বিশাল प्रभावে। প্রায় ৩৮ শতাংশ দর্শক অন্য শহর থেকে এসে কয়েকদিন অবস্থান করেছেন; ফলে কনসার্ট জাতীয়ভাবে শহরের পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসাকে নতুন গতি দিয়েছে।

    দর্শক উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো—১৪টি শোয়ে মোট দর্শকসংখ্যা ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি, আর দিল্লির একক শোতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। সব শোই আগেভাগেই হাউসফুল; বিশ্বমঞ্চের বড় তারকাদের সঙ্গে তুলনা করলে এখনও কিছু জায়গায় উন্নতির অবকাশ থাকলেও, এই সাফল্য দিলজিৎকে আন্তর্জাতিক ট্যুরিং মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছে।

    রাইজিং ইকোনমির আরেকটি দিক হলো কর্মসংস্থান—এই ট্যুরে তৈরি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টার কাজ। লজিস্টিকস, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নানা ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান এবং আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    সারসংক্ষেপে, দিলজিৎ দোসাঞ্জের ডিল-লুমিনাটি ট্যুর শুধুমাত্র একটি সঙ্গীত উৎসব ছিল না—এটি পুরো একটি অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেমের জন্ম, যা স্থানীয় ব্যবসা, পর্যটন ও কর্মসংস্থানে দৈত্যাকার প্রভাব ফেলেছে।

  • চাঁদরাতে প্রথমবার বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের গান প্রকাশ

    চাঁদরাতে প্রথমবার বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের গান প্রকাশ

    দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীদের কণ্ঠে সাজানো হয়েছে জাহিদ নিরবের সুর ও সংগীতে গানটি। নিজের ভক্তপ্রিয় সুরসজ্জার পাশাপাশি এবার প্রথমবার পরিবারের সঙ্গে মিলিত হয়ে গান প্রকাশ করতে যাচ্ছেন জাহিদ নিরব। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি হওয়া চাওয়ালী ঘরানার ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ শিরোনামের গানটি মুক্তি পাবে চাঁদরাতে।

    গানটি জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হবে। পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত ভিডিওটি প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেলেও উন্মুক্ত করা হবে।

    জাহিদ নিরব বলেন, “বাড়িতে আমরা সব সময় একসাথে গান করি। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক ধরে গান করি—এভাবেই আমার সংগীত জীবন শুরু। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা বাজান, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার হাতে, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাবে সুর মিলিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের স্নিগ্ধ পরিবেশ এবার বিন্দুমাত্র বদলে না করে গান আকারে সকলকেই শেয়ার করছি।”

    গানের কথাগুলো লিখেছেন মঞ্জুর এলাহী। তিনি বলেন, “কথাগুলোতে এমন অনুভূতির চেষ্টা করেছি—আমরা জীবনের অসংখ্য নিয়ামত নিয়ে প্রতিদিনই বেঁচে আছি, তার জন্য আমরা কতটুকু কৃতজ্ঞতা জানাই? সেই উপলব্ধিই গানটির কেন্দ্রবিন্দু।”

    জাহিদ জানান, এই গানটি আসলে শুরুতে প্রাইম ব্যাংকের ‘হাসানাহ’ নামে একটি জিংগেল হিসেবে তৈরি ছিল। গানটির ভাবনা ও কথাগুলো তাকে ভালো লাগে; তাই অনুমতি নিয়ে গানটি পূর্ণাঙ্গভাবে আবহীত করেছেন। ভিডিও প্রযোজনা ও বাস্তবায়নে দীর্ঘদিনের সহযোগী কাওসার ইসলাম প্রান্ত এবং তার টিমের অবদান গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

    এবারের ঈদ জাহিদের জন্য আরও বিশেষ—গত বছর তিনি যৌথ জীবনে পা রেখেছেন, এবারের ঈদই তাঁর প্রথম স্বামী হিসেবে কাটানো ঈদ। গায়ক বলেন, “বিয়ের পর প্রথম ঈদ—সবকিছুই একটু আলাদা লাগছে।”

    তবু বিশ্রামের সুযোগ নেই। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ঈদে বহু প্রকল্পে ব্যস্ত তিনি। সিনেমা ও নাটকের কাজেও জড়িত রয়েছেন—ঈদের ছবি ‘বনলতা এক্সপ্রেসে’ ছবিটির পুরো সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে, যেখানে তানিম নূর তার কাজে সহায়তা করেছেন। রায়হান রাফীর পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায়ও একটি গান রয়েছে, গানটি গেয়েছেন অঙ্কন কুমার, এবং কথাও-সুরও তিনি করেছেন।

    টেলিছবিতে তার সুর ও সংগীত রয়েছে—’তবুও মন’ নাটকের জন্য ‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’ গানটি লিখেছেন তারিক তুহিন; সুর ও সংগীত করেছেন জাহিদ, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। ‘লিলিথ’ নাটকের ‘পিছু ডেকো না’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান, কথাটি লিখেছেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন—’মিউ’ ওয়েবফিলমের ‘কেন এমন হয়’ ও শিশুতোষ গান ‘মিউ মিউ মিউ’ প্রকাশ পেয়েছে। জিঙ্গেলের কাজেও ছিলেন ব্যস্ত; প্রবাসীদের গল্পকে কেন্দ্র করে প্রাইম ব্যাংকের জন্য একটি মিউজিক ভিডিও করেছেন, যার একটি আনপ্লাগড ভার্সন শিগগিরি প্রকাশ হবে।

    এছাড়া সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫-এ তিনি মিউজিক ডিরেক্টর। ঈদে ধারাবাহিকটির বিশেষ এপিসোড আসছে, যা নিয়মিত কাজের মধ্যে তার ব্যস্ততাকে আরও বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের ঈদ জাহিদ নিরবের জন্য সুকোমল আনন্দ ও ক্ষেত্রফল তৈরি করেছে—পারিবারিক গান প্রকাশ থেকে শুরু করে নানা প্রকল্পে ঘাঁটি পাকানো সাফল্য।

  • চাঁদরাতে প্রকাশ পাচ্ছে জাহিদ নিরবের পরিবারভিত্তিক গান

    চাঁদরাতে প্রকাশ পাচ্ছে জাহিদ নিরবের পরিবারভিত্তিক গান

    দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীরা জাহিদ নিরবের সুর ও সংগীতে নতুন একটি কাওয়ালী গান গেয়েছেন। শ্রোতারা ভালোবেসে যে নিরবের গানগুলো জানে, তার ধারাবাহিকতায় এবার বিশেষ এক কাজ যুক্ত হলো — প্রথমবারই বাবাকে এবং দুই ভাইকে নিয়ে একসঙ্গে গান প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ‘শুকরিয়া হাসনাহ’ শিরোনামের এই কাওয়ালীটি মুক্তি পাবে চাঁদরাতে।

    গানটি জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি পাবলিশ করা হবে। পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংক-নিবেদিত সংস্করণটির वीडियो দেখানো হবে প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেলে।

    নিরব বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে সবসময় একসাথে গান হয়। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক্রোফোনের সামনে গাই — এভাবেই আমার সংগীতের শুরু। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা দিয়েছেন, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার বাজিয়েছেন, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাবে সুর তুলেছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই পারিবারিক মঞ্চের পরিবেশ এবার গান হিসেবে আপনারা শুনবেন।’

    গানের কথাকার মঞ্জুর এলাহি বলেন, ‘কথাগুলো এসেছে গভীর কৃতজ্ঞতার অনুভূতিতে থেকে। আমরা প্রতিনিয়ত সৃষ্টিকর্তার অসংখ্য অনুগ্রহে বেঁচে আছি— সেই অনুভূতিই যেন এই গানকে চালিত করেছে।’

    নিরব আরও জানান, ‘এই গানের মূল ভাবনা ও কিছু লাইনই ছিল প্রাইম ব্যাংকের একটি জিঙ্গেল থেকে। আমি সেই জিঙ্গেলটির শব্দ ও কথাগুলো খুব পছন্দ করতাম, অনুমতি নিয়ে সেটিকে সম্পূর্ণ একক গানেই রূপ দিয়েছি। ভিডিওটি প্রকাশে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন আমার দীর্ঘদিনের সহযোগী কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তাঁর টিম।’

    এই ঈদটি জাহিদের জন্য আরও বিশেষ— কারণ গত বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, এবং এটিই তার বিবাহোত্তর প্রথম ঈদ। তিনি বললেন, ‘বিয়ের পর প্রথম ঈদ— সবকিছুই একটু ঢেরটাই নতুন ও আলাদা মনে হচ্ছে।’

    কাজের দিক থেকেও ব্যস্ততা কম নেই। তিনি জানান, ‘ঈদের ছবিটি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর পুরো সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব ছিল আমার কাঁধে। তানিম নূর ভাই কাজটি অনেকাংশে সহজ করে দিয়েছেন।’ এছাড়া রায়হান রাফীর পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ ছবিতেও একটি গান থাকছে, গানটি গেয়েছেন অঙ্কন কুমার— কথা ও সুরও তারই।

    নিরব অনেক নাটকের জন্যও গান করেছেন। ‘তবুও মন’ নাটকে ‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন তারিক তুহিন; সুর ও সংগীত করেছেন নিরব, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। ‘লিলিথ’ নাটকের ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান; কথাটি লিখেছেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও নিরব ছিলেন সক্রিয়। সম্প্রতি তিনি ‘মিউ’ ওয়েবফিল্মের ‘কেন এমন হয়’ ও শিশুতোষ গান ‘মিউ মিউ মিউ’ প্রকাশ করেছেন। জিঙ্গেলসহ অন্যান্য কাজেও ব্যস্ত ছিলেন তিনি — প্রবাসীদের নিয়ে প্রাইম ব্যাংকের জন্য একটি মিউজিক ভিডিও করেছেন এবং তার আনপ্লাগড ভার্সন শিগগিরই প্রকাশ হবে।

    এর বাইরে তিনি বর্তমানে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫-এর মিউজিক ডিরেক্টরের কাজেও যুক্ত আছেন; সিরিয়ালটির ঈদ বিশেষ এপিসোডে তার সংগীত আছে। সব মিলিয়ে এবারের ঈদ জাহিদ নিরবের জন্য কাজ ও আনন্দ দুটোতেই সমৃদ্ধ—a তাঁর জন্য সত্যিই স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।

  • ১৪ শোতে দিলজিৎ ৯৪৩ কোটি আয়, লাইভ ট্যুর হয়ে উঠল অর্থনীতির শক্ত কেন্দ্র

    ১৪ শোতে দিলজিৎ ৯৪৩ কোটি আয়, লাইভ ট্যুর হয়ে উঠল অর্থনীতির শক্ত কেন্দ্র

    কনসার্ট শুধুই গান আর আনন্দ—এমন ধারণা এখন বদলে গেছে। ১৪টি পারফরম্যান্সে ১৩টি শহর ঘুরে দিলজিৎ দোসাঞ্জের সাম্প্রতিক “ডিল-লুমিনাটি” ট্যুর মোটামুটি ৯৪৩ কোটি টাকার আয় করেছে, যা প্রমাণ করে লাইভ মিউজিক কেবল বিনোদনই নয়, বিশাল একটি অর্থনীতিক ক্ষেত্র।

    ট্যুরের রাজস্বের ভাঙ্গনটা চোখে পড়ার মত: টিকিট থেকে এসেছে প্রায় ২২১ কোটি, স্পনসরশিপে যোগ হয়েছে ৩৩ কোটি, আর সরাসরি সরকারি রাজস্বের হিসেবে জমা পড়েছে ১১৪ কোটি টাকার বেশি। প্রতিটি শো যেন নিজেই একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

    সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক ছিল পরোক্ষ অর্থনৈতিক প্রভাব—ভক্তদের ভ্রমণ, হোটেল ভাড়া, খাবার ও কেনাকাটা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার বাধ্যতামূলক চেইন। জরিপে দেখা গেছে প্রায় ৩৮% দর্শক অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থাকেছেন, ফলশ্রুতিতে স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসায় ব্যাপকভাবে সংশ্লিষ্ট সুবিধা পেয়েছে।

    দর্শক উন্মাদনা সংখ্যায়ও প্রতিফলিত হয়েছে। ১৪টি শোতে মোট উপস্থিতি ৩ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি; শুধু দিল্লির এক শোতেই ছিল প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। প্রতিটি অনুষ্ঠানের টিকিট আগেভাগেই হাউসফুল হয়ে গিয়েছিল। বিশ্বব্যাপী বড় ট্যুরিং আর্টিস্টদের সাথে তুলনা করলে স্থানীয়ভাবে এখনো পথ আছে, তবুও এই সাফল্য দিলজিৎকে বৈশ্বিক ট্যুরিং মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে।

    শুধু আয়ই নয়, কর্মসংস্থানের দিক থেকেও ট্যুরটি বড় প্রভাব ফেলেছে। আনুমানিক ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টা তৈরি হয়েছে—লজিস্টিক্স, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বহু ক্ষেত্রে লোকবল প্রয়োজন পড়েছে। অর্থাৎ এখন আর কোনও কনসার্ট কেবল একটি শো নয়; এটা একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম, যার সুযোগ-সুবিধা থেকে স্থানীয় অর্থনীতি পর্যন্ত সব দিকেই সুফল দেখা যাচ্ছে।

  • ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি: কনসার্ট হয়ে উঠল বিশাল অর্থনীতি

    ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ আয় ৯৪৩ কোটি: কনসার্ট হয়ে উঠল বিশাল অর্থনীতি

    কনসার্ট কি শুধুই গান-আনন্দ? দিলজিৎ দোসাঞ্জের সাম্প্রতিক ট্যুর দেখিয়ে দিয়েছে, এতে লুকিয়ে থাকতে পারে কোটি কোটি টাকার একটি ব্যাপক অর্থনীতি। মাত্র ১৪টি শো এবং ১৩টি শহরে নিয়েই তার আয় দাঁড়াল প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকায় — এই ভ্রমণকে বলা হচ্ছে ডিল-লুমিনাটি ট্যুর, যা লাইভ মিউজিকের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

    টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপে পাওয়া হয়েছে ৩৩ কোটি, আর সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১১৪ কোটি টাকার বেশি — প্রতিটি শো যেন নিজের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চমকটা এসেছে পরোক্ষ আয়ে: ভক্তদের ভ্রমণ, হোটেলবাসা, খাবার ও কেনাকাটাসহ মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রভাব। রিপোর্ট অনুযায়ী, দর্শকদের প্রায় ৩৮ শতাংশ অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থেকেছেন, ফলে কনসার্টগুলো স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসাকে নতুন গতি দিয়েছে।

    দর্শক উপস্থিতিও ছিল নজর কাড়ার মতো — ১৪টি শোতে মোট حضور ছিল ৩ লাখ ২০ হাজারের ওপরে, আর দিল্লির এক শোতেই ছিল প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক; সব শোই হাউসফুল। বিশ্বমঞ্চে বড় তারকার সঙ্গে তুলনা করলে এখনও কিছুতে পিছিয়ে থাকতে পারেন, তবু এই সাফল্য দিলজিৎকে বৈশ্বিক ট্যুরিং মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছে।

    শুধু বিনোদন নয় — এই ট্যুর তৈরি করেছে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগও। প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টা সৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে; লজিস্টিকস, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন থেকে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পর্যন্ত বহু ক্ষেত্রই কনসার্ট জগত থেকে সরাসরি উপকৃত হয়েছে। এর মানে স্পষ্ট: এখন একটি কনসার্ট কেবল গান-সংগীতের ব্যাপার নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম।

  • প্রথমবার বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের গান—চাঁদরাতে মুক্তি ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    প্রথমবার বাবা-ভাইকে নিয়ে জাহিদ নিরবের গান—চাঁদরাতে মুক্তি ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    দেশের পরিচিত কণ্ঠশিল্পীদের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে জাহিদ নিরবের সুর ও ব্যবস্থাপনা। নিজের কণ্ঠেও বেশ প্রশংসিত একাধিক গান আছে তার। এবার বিশেষ এক আত্মীয়-মিলনে প্রথমবার বাবাও ভাইদের নিয়ে গান প্রকাশ করতে যাচ্ছেন নিরব। ঈদুল ফিতরের চাঁদরাতে মুক্তি পাবে তাঁর কাওয়ালী ধারার গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’।

    গানটি জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি ভিডিওটি প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলে উন্মুক্ত করবে প্রতিষ্ঠানটি। এটি প্রাইম ব্যাংক হাসানাহ-এর একটি জিঙ্গেল থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গানে রূপান্তর করা হয়েছে।

    নিরব বলেন, ‘‘বাড়িতে আমরা সবাই মিলে গান করি। আব্বা হারমোনিয়ামে ভাগ্য খুলে দেন, আমি মাইক্রোফোনের সামনে—এভাবেই শুরু আমার সংগীতজীবন। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা বাজান, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার ছোঁয়ায় থাকে, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাবে প্রাণ ঢুকিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের আবহই এবার গান হয়ে প্রকাশ করছি।’’

    গানের কথার দায়িত্ব পালন করেছেন মঞ্জুর এলাহী। তিনি বলেন, ‘‘গানটির কথা লেখার সময়ই একটি জাগরণ হচ্ছিল—কতটুকু আমরা সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞ, তা মাপা যায় না। সেই অনুভূতিই গানটিকে চালিত করেছে।’’

    আলাপের সূত্রপাত মূলত প্রাইম ব্যাংকের একটি জিঙ্গেল থেকেই—নিরব নিজে বলেন, ‘‘গানের ভাবনা ও কথাগুলো আমাকে খুব ভালো লেগে ছিল, তাই অনুমতি নিয়ে সেটিকে পুরো গান বানাই। গান প্রকাশে ভিডিওও জরুরি; অনেক দিনের বন্ধু কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তাঁর টিম আমাদের স্বপ্নটি বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রেখেছেন।’’

    এবারের ঈদ নিরবের জন্য বিশেষ—গত বছর তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং এই প্রথম বিবাহোত্তর ঈদটা পার করছেন। নিরব জানালেন, ‘‘বিয়ের পর প্রথম ঈদ—সব কিছুই একরকম আলাদা লাগছে।’’ তবুও বিশ্রুর সুযোগ নেই; নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ঈদের জন্য পূর্ণ ব্যস্ততা রয়েছে।

    নিরব বলেন, তিনি বর্তমানে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর পুরো সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন; তানিম নূরও এই কাজ সহজ করে দিয়েছেন। এছাড়া রায়হান রাফীর ছবি ‘প্রেশার কুকার’-এ একটি গান আছে, যা গেয়েছেন অঙ্কন কুমার; গানটির কথা ও সুরও অঙ্কনেরই।

    ঈদের কয়েকটি নাটকের গানেও কাজ করেছেন নিরব। ‘তবুও মন’ নাটকে ‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’ গানটির কথার জন্য রয়েছেন তারিক তুহিন; সুর ও ব্যবস্থাপনা করেছে নিরব, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। ‘লিলিথ’ নাটকের ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান; কথা লিখেছেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও নিরব ছিলেন কর্মব্যস্ত—একাধিক কাজ প্রকাশ পেয়েছে। ‘মিউ’ ওয়েবফিল্মের ‘কেন এমন হয়’ এবং শিশুশ্রেণির ‘মিউ মিউ মিউ’ তার করা। প্রবাসীদের অংশগ্রহণে প্রাইম ব্যাংকের জন্য একটি মিউজিক ভিডিওও করেছেন তিনি; সেই গানটির অনপ্লাগড ভার্সনও তৈরি করা হয়েছে এবং শিগগিরই প্রকাশ হবে।

    তার নিয়মিত ব্যস্ততার মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫—এ তিনি মিউজিক ডিরেক্টর। ঈদে ধারাবাহিকটির একটি বিশেষ এপিসোড আসছে। সব মিলিয়ে এই ঈদ জাহিদ নিরবের জন্য আনন্দ এবং কর্মবহুল স্মৃতিতে পরিপূর্ণ।

  • ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ দোসাঞ্জের আয় প্রায় ৯৪৩ কোটি

    ১৪ কনসার্টে দিলজিৎ দোসাঞ্জের আয় প্রায় ৯৪৩ কোটি

    কেবল গান নয়—কনসার্ট এখন একটি বড় অর্থনৈতিক শক্তিও। সাম্প্রতিক ডিল-লুমিনাটি ট্যুরে তা স্পষ্টভাবে চোখে পড়েছে। মাত্র ১৪টি শোতে ১৩টি শহরে পারফর্ম করে দিলজিৎ দোসাঞ্জ আনুমানিক ৯৪৩ কোটি টাকা আয় করেছেন।

    আয়ের ভাঙন বলছে, টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ২২১ কোটি, স্পনসরশিপের ধরনের আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৩ কোটি, আর সরাসরি রাজস্ব ও ফি হিসেবে সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে একশো চৌদ্দ কোটি টাকার বেশি। প্রতিটি শো এখন কেবল বিনোদন নয়—একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।

    সবচেয়ে বড় অবদান এসেছে পরোক্ষ অর্থনীতিতে। ভক্তদের ভ্রমণ, হোটেল ভাড়া, খাবার, বাজারজাত পণ্য ও স্থানীয় কেনাকাটা মিলিয়ে তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৫৩ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রভাব। সমীক্ষায় দেখা গেছে, দর্শকদের প্রায় ৩৮ শতাংশ অন্য শহর থেকে এসে কয়েক দিন অতিরিক্ত থাকছেন; ফলে স্থানীয় পর্যটন, হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হয়েছে।

    ডিল-লুমিনাটি ট্যুরে মোট উপস্থিতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি; একটিমাত্র দিল্লির শোয়ই ছিল প্রায় ৫৫ হাজার দর্শক। ১৪টি শোর অধিকাংশই হাউসফুল ঘোষণা করেছে। বিশ্ববাজারে বড় তারকাদের সঙ্গে তুলনা করলে এখনও কিছু ক্ষেত্রে পথ বাকি থাকলেও, এ সাফল্য দিলজিৎকে আন্তর্জাতিক ট্যুরিং মানচিত্রে আরও দৃশ্যমান করেছে।

    শুধু বিতরণ করা অর্থই নয়—এই ট্যুর কর্মসংস্থান তৈরি করতেও বড় ভূমিকা রেখেছে। লজিস্টিক, নিরাপত্তা, প্রোডাকশন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার কর্মঘণ্টার কাজ হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক কনসার্ট এখন শুধু গানের অনুষ্ঠান নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম যা লোকসকলের আয়-রোজগার ও স্থানীয় অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করে।

    সংক্ষেপে, ১৪টি কনসার্টের এই ট্যুর গান ও বিনোদনের সঙ্গে সঙ্গে বিশাল অর্থনৈতিক প্রভাব ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে—এটি আধুনিক লাইভ ইভেন্টের ক্ষমতা ও সম্ভাবনার একটি ঝলক।

  • চাঁদরাতে প্রকাশ হবে জাহিদ নিরবের বাবা-ভাইদের নিয়ে প্রথম গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    চাঁদরাতে প্রকাশ হবে জাহিদ নিরবের বাবা-ভাইদের নিয়ে প্রথম গান ‘শুকরিয়া হাসনাহ’

    দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীরা জাহিদ নিরবের সুর ও সংগীতে ইতিমধ্যে অনেক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। এবার ব্যক্তিগত এক অনুভূতি থেকে তৈরি হওয়া এক কাওয়ালী — ‘শুকরিয়া হাসনাহ’— চাঁদরাতে প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। এটি জাহিদের প্রথম গান যেখানে বাবাকে ও দুই ভাইকে সঙ্গে নিয়ে মিউজিকে অংশ করানো হচ্ছে।

    গানটি জাহিদ নিরবের অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হবে। পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত এই গানটির ভিডিও উন্মুক্ত করা হবে প্রাইম ব্যাংকের অফিসিয়াল চ্যানেলে।

    নিজের বাড়ির পরিবেশেই গানটির ধারণা এসেছে জানিয়ে জাহিদ নিরব বলেন, ‘‘বাসায় আমরা সব সময় একসঙ্গে গান করি। আব্বা হারমোনিয়াম বাজান, আমি মাইক্রোফোনের সামনে গাই—এভাবেই আমার সংগীত জীবনের শুরু। বড় ভাই জুবায়েদ আল নাঈম তবলা, ছোট ভাই হাসিবুল নিবিড় গিটার, আর মেহেদী হাসান তামজিদ রাবাব বাজিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের সেই মঞ্চের পরিবেশনা এবার গান আকারে প্রকাশ করছি।’’

    গানের কথাগুলো লিখেছেন মঞ্জুর এলাহি। তিনি বলেন, ‘‘কথাগুলোতে ওইসব নীরব কৃতজ্ঞতার কথা জড়িয়ে আছে—সৃষ্টিকর্তার যে অসংখ্য নিয়ামত আমাদের দিয়েছেন, আমরা তাদের 얼마나 খুঁজে পাই বা কৃতজ্ঞতা জানাই, সেই উপলব্ধিতেই গানটি করা।’’

    জাহিদ জানান, গানটি মূলত প্রাইম ব্যাংকের একটি জিঙ্গেল ছিল—‘প্রাইম ব্যাংক হাসানাহ’। জিঙ্গেলের ভাবনা ও কথা তিনি পছন্দ করায় অনুমতি নিয়ে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ গান হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিও নির্মাণে longtime সহযোগী কাওসার ইসলাম প্রান্ত ও তার টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে জানান তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনেও এবারের ঈদটি জাহিদের জন্য বিশেষ অপেক্ষা করছে—গত বছর গায়ক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, তাই এবারই তার প্রথম ঈদ। নিরব বলেন, ‘‘বিয়ের পর প্রথম ঈদ—সবকিছুই একটু আলাদা লাগছে।’’

    তবে বিশ্রুতির সময় নেই। নিয়মিত কাজের পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে ব্যস্ততা তুঙ্গে। জাহিদ জানান, ঈদের ছবির ‘বনলতা এক্সপ্রেসে’র পুরো সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে; তানিম নূর ভাই সঙ্গে কাজ করে সেটা সহজ করেছেন। রায়হান রাফীর পরিচালিত ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমায়ও তার একটি গান থাকছে—গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন অঙ্কন কুমার, কথা ও সুর-দুটি জাহিদেরই।

    নাটকে গানও কম করেননি তিনি। ‘তবুও মন’ নাটকের জন্য তৈরি করা গানে—‘এভাবেও হতে পারে প্রেম’—কথা লিখেছেন তারিক তুহিন, সুর-সংগীত করেছেন জাহিদ, কণ্ঠ দিয়েছেন সালমান ও মাশা। আর নাটক ‘লিলিথ’-এ ‘পিছু ডেকো না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দোলা রহমান; কথায় আছেন তানিন নিনাত।

    রমজানেও ব্যাপকভাবে কাজ করেছেন নিরব। মুক্তি পেয়েছে ওয়েবফিল্ম ‘মিউ’র গান ‘কেন এমন হয়’ এবং শিশুতোষ গান ‘মিউ মিউ মিউ’। জিঙ্গেল কাজে ব্যস্ততার পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের এক মিউজিক ভিডিও করেছেন, যার আনপ্লাগড ভার্সনও শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    তার নিয়মিত একটি বড় কাজ হচ্ছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫—সেটির মিউজিক ডিরেক্টর তিনি। ঈদে ধারাবাহিকটির একটি বিশেষ এপিসোডও দেখা যাবে। সব মিলিয়ে কাজের তীব্রতা আর ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাস মিলিয়ে এবারের ঈদটি জাহিদ নিরবের কাছে বিশেষ ও স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।