Category: বিনোদন

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে গিয়েছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচিত প্রিন্স মামুন, কিন্তু দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। ঢাকার আদালত তার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর মামলার কারণে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলার তদন্ত ও অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

    বৃহস্পতিবার, ঢাকায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। ওই দিন মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানি নির্ধারিত ছিল। মামুন ওমরাহ করায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম আবেদন করেন যে, সময় দেওয়া হোক। কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ সাক্ষ্য দিয়ে আদালতকে জানান যে, মামুন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে বিচারাধীন অন্য একটি মামলাও আছে।

    আদালত ওই অভিযোগের ভিত্তিতে জানিয়ে দেন যে, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং মামলার বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, প্রিন্স মামুন ফেসবুকের মাধ্যমে লায়লার সাথে পরিচয় হয়। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় যান এবং সেখানে লায়লার পূর্বের মামলার ও জিডির বিষয়টি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা তা অস্বীকার করেন, তখন মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালি দেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে তিনি মারধর শুরু করেন এবং ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। লায়লা আহত হন, তাকে হাত দিয়ে ঠেকানোর সময়। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা।

    উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত তদন্ত শেষে অক্টোবর ৩০ তারিখে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এই মামলার বিস্তারিত এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তিনি ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    কথা বলতে গেলে, চলচ্চিত্র পরিচালক ও বন্ধু কবিরুল ইসলাম রানা এই দুঃখদায়ক খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে তার সাথে আমার ফোনে কথা হয়েছিল, এবং আজ দুপুরে জেনে বার্তা পেলাম যে তিনি আর বেঁচে নেই।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ার আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সুস্থ হয়ে আবার দেশে ফেরেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন তিন ছেলেদের জনক। তার তিন সন্তানই বর্তমানে আমেরিকাত বাস করছেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়েতর ঘটনা ঘটেছে বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুরের সঙ্গে। তারকাদের উন্মাদনা ও উৎসাহের অন্ধকার দিক প্রকাশ পেয়েছে এই ঘটনার মধ্য দিয়ে, যেখানে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে অগ্নিস্পৃহ উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। ভাগ্যক্রমে তারা অক্ষত থাকলেও তাদের বহনকারী গাড়িটি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়।বালুরঘাটে নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে একটি জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ঘটে ঘটনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তাদের গাড়িটি শত শত জনতার দখলে। জনতা এতটাই উন্মত্ত হয়ে উঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।সেখানে প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির ভিতর থেকে সাচেতকে আঁতকে উঠে ‘ওহ শিট’ বলতে শোনা যায়। পাশেই থাকা পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলছিলেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ তবে উন্মত্ত জনতার হামলা থেকে তাদের গাড়ি রক্ষা পায়নি। এই আকস্মিক হামলার দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন শিল্পীরা। এ ব্যাপারে তারা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি, তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনরা হেঁয়ালি করে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের তারকা শিল্পীদের ওপর এমন হামলা ভারতীয় আইনি পরিস্থিতি ও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সংশয় সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের ‘মব কালচার’ এখন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাচ্ছে, যেখানে দিন দিন শিল্পীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা বেড়ে চলেছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও সহিংসতার ঘটনা ঘটে, সেখানে মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে মঞ্চ ত্যাগ করেন শিল্পীহীরা। এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশের সাংস্কৃতিক মুক্তি ও নিরাপত্তার বিষয়ে চিন্তার জন্ম দিয়েছে।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা নিয়ে পারিবারিক বিভাজন নয়, জানালেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা নিয়ে পারিবারিক বিভাজন নয়, জানালেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দুটি পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় চর্চা শুরু হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে গুঞ্জন চালু ছিল যে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। একদিকে, সানি ও ববি দেওলের আয়োজনে হেমা মালিনী উপস্থিত ছিলেন না, আবার হেমার সম্পাদনায় তার আয়োজনেও সানি ও ববির প্রবেশাধিকার হয়নি। এসব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে নানা আলোচনা চলতে থাকায় এবার স্পষ্ট করে মন্তব্য করলেন হেমা মালিনী।

    ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পারিবারিক এই বিচ্ছিন্নতা কিংবা দ্বন্দ্বের বিষয়টি আসলে সত্যিই কিছু নয়। তিনি যোগ করেন, এটি শুধুমাত্র আমাদের পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমি একজন রাজনীতিবিদ, ফলে আমার এই আয়োজনগুলো মূলত আমার কর্মক্ষেত্রের দায়িত্ব ও আবেগের প্রতিফলন। দিল্লিতে আমার রাজনৈতিক সফর ও বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য আলাদা করেই এই স্মরণসভা আয়োজন করতে হয়েছে। এছাড়া, আমার নির্বাচনী এলাকা মথুরার এলাকার মানুষের অনুভূতি ভেবে সেখানে অন্য একটি অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    হেমা মালিনী আরও জানান, তাদের পরিবারের মধ্যে কোনো বিভ্রান্তি বা ভাঙনের সুরাহা হয়নি। তারা সবাই তাঁদের প্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে যথাযথ শ্রদ্ধা আর সম্মান জানিয়ে থাকেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র। তার প্রিয়সাধারণ আত্মীয়-স্বজন ও ভক্তরা তাকে স্মরণে মেতেছিলেন। ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে ধর্মেন্দ্রর অস্থি বিসর্জনের আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়, যেখানে সানি ও ববি দেওল উপস্থিত ছিলেন। তবে, এই শেষকৃত্য ও তার পরবর্তী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের কেউ একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা বলিপাড়ায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জনের সৃষ্টি করে।

    উল্লেখ্য, পারিবারিক বিভাজনের গুঞ্জনকে তিনি অস্বীকার করে বলেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে সানি দেওল বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে চলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে একটি মিউজিয়ামে রূপান্তর করতে পরিকল্পনা। হেমা মালিনী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য একটি বিশেষ উপহার হবে।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    বলিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল তৈরি হওয়ার খবর আলোচনায় রয়েছে। বছরের শুরুতেই জানা যায়নি এমন এক বড় আপডেট that নতুন বছরটিতে আসছে করণ জোহর পরিচালিত আরেকটি পারিবারিক ছবি, যা মূলত একটি আবেগঘন ফ্যামিলি ড্রামার গল্প নিয়ে। কেউ ভাবেননি, এই ছবিটি কি হবে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সত্যিই এক সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদনে জানা গেছে, করণ জোহর তার পরবর্তী ছবিতে একটি রোমান্টিক কমেডির পর এবার একটি পারিবারিক ড্রামা নির্মাণে মনোযোগী। এই সিনেমা ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে निर्माण পর্যায়ে থাকবে এবং ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রি-প্রডাকশনের কাজ শুরু হবে। এছাড়া, এই বছরের শেষের দিকে শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ছবিতে দুইজন নায়ক এবং দুইজন নায়িকা থাকবেন, যার জন্য কাস্টিং প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শুরু হবে।

    খবরের মধ্যে আরও বলা হয়েছে যে, এই সিনেমাটির নাম হয়তো হবে ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’, তবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে কোনও অফিসিয়াল জাননোর প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, মুক্তি পেয়েছিল করণের অন্যতম ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’। এ সিনেমার জনপ্রিয়তা এবং দর্শকদের প্রশংসা এখনও অব্যাহত। এখন সেই গল্পের পরবর্তী অংশের কাজ শুরুর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যা অনেকের জন্যই উৎসাহের।

    উল্লেখ্য, করণ জোহর তার কর্মজীবনে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ পরিচালনা করেছেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    অতঃপ্রত্যাশিত ওমরাহ হজ পালন চলাকালীন সৌদি আরবে থাকলেও দেশের মাটিতে প্রবল_danger__তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। জনপ্রিয় TikTok তারকা প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, যার কারণ হলো তাকে আদালতে হাজির না হওয়া ও নারীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। এই খবর রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দিয়েছেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে থাকায় মামুন আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলেও, বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামুনের জামিন বাতিলের আবেদন জানান। শুনানি শেষে আদালত মামুনের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে দ্রুত বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ মার্চ তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে।

    মামলার বিস্তারিত অনুযায়ী, প্রিন্স মামুনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে লায়লার পরিচয় ঘটে। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস এলাকায় লায়লার বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি লায়লার আগের মামলা ও জিডি তুলে নিতে হুমকি দেন। লায়লা অস্বীকৃতি জানালে মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে চিৎকার চেচামেচি শুরু করেন, এবং ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালান। লায়লা হামলার সময় হাত দিয়ে আঘাত রোধ করেন, এতে তিনি আহত হন। ওই দিনই তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানায় অভিযোগ করেন। তদন্তে অভিযুক্ত প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত অভিযোগপত্র দাখিল করেন, যেখানে মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অভিযোগের জের ধরে মামুন এখন আদালতের নজরে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে দুই বলিউড শিল্পীর উপর হামলা

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে দুই বলিউড শিল্পীর উপর হামলা

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত টাণ্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ভক্তদের উন্মাদনা এতটাই বেড়ে যায় যে, পরিস্থিতি অরাজকতায় পৌঁছে যায়। অল্পের জন্য তাঁরা প্রাণে বেঁচে গেলেও, তাদের পরিবহনের গাড়িটি ভেঙচুর হয় উত্তেজিত ভক্তদের গুলির কারণে।

    নতুন বছরের শুরুতে বালুরঘাটে এক জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দম্পতি। কনসার্টের পর ফেরার পথে ঘটে বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে শত শত ভক্ত। তারা এতটাই উন্মত্ত হয়ে ওঠে যে, চলন্ত গাড়ির উপর কিল-ঘুষি মারতে আরম্ভ করে।

    পাশে থাকা ক্যামেরায় দেখা যায়, এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। ভিডিওতে থেকে সাচেতকে বলে উঠতে শোনা যায়, ‘ওহ শিট’। অন্যদিকে, পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে ভক্তদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ কিন্তু উত্তেজিত জনতার হাত থেকে রক্ষা পায়নি তাঁদের গাড়ি।

    এই আকস্মিক হামলার ঘটনায় শিল্পী জুটি হতভম্ব হলেও তারা এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের শুভেচ্ছা ও ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনা দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন নেটিজেনরা সমালোচনা শুরু করেন। অনেকে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই ঘটনার মাধ্যমে ভারতের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। এ ধরনের ‘মব কালচার’ সম্প্রতি নানা প্রান্তে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। কিছুদিন আগে কুখ্যাত শিল্পী কৈলাস খেরের কনসার্টেও এমন উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছিল। পরে মঞ্চ ত্যাগ করে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হন শিল্পীরা।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর একের পর এক চমক নিয়ে ফিরছেন দর্শকদের জন্য। প্রথমে জানা গিয়েছিল, তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, যা মূলত একটি আবেগপূর্ণ ফ্যামিলি ড্রামা। কিন্তু ভক্তরা ধারণা করেননি যে, এই সিনেমার মধ্যে থাকবে জনপ্রিয় সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণ জোহর এখন তার পরবর্তী সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা তার রক্ষণমুক্ত রোমান্টিক কমেডি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’র পরবর্তী প্রজেক্ট। নতুন ছবি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে এবং প্রি-প্রোডাকশনের কাজ ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হবে। শুটিংয়ের কাজ শেষ হবে এই বছরের শেষের দিকেই বলে জানা গেছে।

    এছাড়াও, সিনেমাটির কাস্টিং প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু হবে যেখানে দুজন নায়ক ও দুজন নায়িকা থাকবেন। কাস্টিংয়ের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে শিগগিরই এ ব্যাপারে ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রতিবেদনটি আরও জানিয়েছে যে, এই নতুন সিনেমার নাম ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এই বিষয়ে কিছু অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণ এখনো হয়নি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা যায়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, করণের সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ মুক্তি পায় এবং তা তার ক্যারিয়ারে একেবারে সুপারহিট হয়ে ওঠে। এখন সেই হিট সিনেমার দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু বা তার সম্ভাব্য সূচনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    এছাড়াও, করণের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলির মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কভি খুশি কাভি গাম’, ‘কভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘আয়ে দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহিনী’।

  • বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বিশিষ্ট Bangla চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। তিনি রাজধানী ধানমন্ডির এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    চলচ্চিত্র পরিচালকের বন্ধু এবং দুইজনের সহকর্মী কবিরুল ইসলাম রানা নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার বিকেলেও তার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। সেখানে তিনি সফল চিকিৎসা নিয়ে ফিরে এসেছিলেন এবং সুস্থ ছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলার চলচ্চিত্রে অসংখ্য কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলের জনক, যারা সবই এখন আমেরিকায় থাকেন।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী পৃথক একটি স্মরণসভা আয়োজন করেছেন। এর কারণে ভারতের 娱乐 জগতে বিভিন্ন জল্পনা বাড়তে থাকলেও হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই আলাদা আয়োজনের পেছনে কোনো পারিবারিক বিভেদ বা দ্বন্দ্ব নেই। তিনি বলেছেন, এটি একান্ত পারিবারিক বিষয় নয়, বরং তার নিজের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই বলিউডের বাইরেও আমার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের জন্য আলাদাভাবে এই স্মরণসভা করি। বিশেষ করে, আমার নির্বাচনি এলাকা মথুরায় মানুষের আবেগ ও অনুভূতির কথা ভেবে সেখানে আমি আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিবারে কোনো ধরনের ভাঙন বা মনোমালিন্য হয়নি এবং সবাই নিজ নিজ রীতিনীতি অনুসারে ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ২৪ নভেম্বর বলিউডের ‘হিম্যান’ খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। তাঁর মৃত্যুর পর ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে মরদেহের অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয়। তবে, এই দাফন ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা ঘিরে বেশ কিছু গুঞ্জন দেখা যায় বলিউড মহলে।

    হেমা মালিনী এই গুঞ্জনগুলোকে نাকেশ করেছেন এবং বলেছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরক্ষণে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে ভবিষ্যতে একটি জাদুঘর বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। হেমা মালিনী আরও বলেন, এই উদ্যোগটি ধর্মেন্দ্রর ভক্ত ও অনুরাগীদের জন্য একটি বড় উপহার হবে এবং তার স্মৃতি চিরদিন অম্লান থাকবে।