Category: বিনোদন

  • প্রদর্শন শুরু হওয়ার আগেই অনলাইনে ছড়াতে শুরু করেছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    প্রদর্শন শুরু হওয়ার আগেই অনলাইনে ছড়াতে শুরু করেছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    বক্স অফিসে প্রদর্শনী জটিলতা কাটার আগেই নতুন সমস্যার মুখে পড়েছে শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। হলগুলোতে প্রযুক্তিগত কারণে প্রদর্শনী ব্যাহত হওয়ার পর এবার ছবিটির বিভিন্ন দৃশ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে, যা নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।

    সার্ভার সংক্রান্ত সমস্যার কারণে দেশের কয়েকটি সিনেমা হলে নির্ধারিত সময়ে ফিল্মটি দেখানো যায়নি। টিকিট কেটে আসা দর্শকদের মধ্যে এই ব্যাঘাতকে নিয়ে ক্ষোভ দেখা যায়; কোথাও—কঠোর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদ মিলেছে।

    এই পরিস্থিতির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে সিনেমাটির একাধিক ক্লিপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যেগুলো মূলত হলের ভেতরে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ‘হল প্রিন্ট’—এসব ভিডিও ছড়ানোর ফলে পাইরেসির ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে এবং মুক্তিকালো চ্যালেঞ্জ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদের পরিচালনায় শুরু থেকেই দর্শকদের নজর কেড়েছিল এই ছবি। মুক্তির পরই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলি নির্মাণ টিম ও হল কর্তৃপক্ষের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

    চিত্রনাট্য ও গল্প করেছেন মেজবাহ উদ্দিন সুমন। নব্বইয়ের দশকের ঢাকার আলোচিত গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তৈরি ছবিটিতে শাকিব খানই কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আন্ডারওয়ার্ল্ড ও তৎকালীন রাজনীতির প্রেক্ষাপট ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রযোজক শিরিন সুলতানার বড় বাজেটের এই ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে প্রথমবারের মতো দেখা যায় তাসনিয়া ফারিণকে। এছাড়া জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    এখন দর্শক, নির্মাতা ও হল কর্তৃপক্ষের মধ্যে উদ্বেগের পরিস্থিতি বিরাজ করছে—একদিকে প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান দরকার, অন্যদিকে অনলাইন কপি রোধে কড়া পদক্ষেপের দাবি উঠছে।

  • অনলাইনে ছড়াচ্ছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    অনলাইনে ছড়াচ্ছে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’

    প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনী জটিলতা কাটার আগেই নতুন সংকটে পড়েছে শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। হলগুলোতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে প্রদর্শনী ব্যাহত হওয়ার পর এবার সিনেমাটির বিভিন্ন দৃশ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে।

    সার্ভার ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে দেশের কয়েকটি সিনেমা হলে নির্ধারিত সময়ে চলচ্চিত্রটি দেখানো সম্ভব হয়নি। টিকিট কেটে আসা দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং কিছু স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানাগেছে।

    এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে ফেসবুকে সিনেমাটির একাধিক ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে। বেশিরভাগই হলে বসে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ‘হল প্রিন্ট’ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, যা পাইরেসির ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে এবং প্রকৃত মুক্তির ব্যবসায়িক ক্ষতিও বাড়তে পারে।

    পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদের এই ছবিটি শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। মুক্তির পর এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

    নব্বইয়ের দশকের ঢাকার আলোচিত গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান। মেজবাহ উদ্দিন সুমনের গল্প ও চিত্রনাট্যে চলচ্চিত্রটিতে আন্ডারওয়ার্ল্ড ও তৎকালীন রাজনীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রযোজক শিরিন সুলতানার এই বড় বাজেটের ছবিতে শাকিব খানের অপরার্ধে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে তাসনিয়া ফারিণকে। এছাড়া জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন।

    এখন নির্মাতা ও প্রযোজক পক্ষকে একই সঙ্গে প্রদর্শনী সমস্যার সমাধান এবং অনলাইন ফাঁস রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে দর্শকদের প্রত্যাশা বজায় থাকে এবং সিনেমার ব্যবসায়িক ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।

  • জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিউজপ্রেজেন্টার ও মডেল-অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়ার মৃত্যু

    জয়পুরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় নিউজ প্রেজেন্টার, মডেল ও অভিনেত্রী হর্ষিল কালিয়া মারা গেছেন। শুক্রবার (২৩ মার্চ) রাতে ঘটে যাওয়া এই দূর্ঘটনায় ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে তিনি না পৌঁছিয়ে মাত্র ৩০ বছর বয়সে প্রাণহারান, যা শোবিজ এবং সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২৩ মার্চ রাত প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে শিপ্রা পথ রোডে। কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন কালিয়া; তখন তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মধ্যেকার ডিভাইডারে ধাক্কা খায় এবং উলটে যায়।

    দুর্ঘটনার সিসিটিভিতে দেখা গেছে, ডিভাইডারে ধাক্কা লাগার পর গাড়িটি বাম দিকে উলটে যায়। ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে গাড়িটি সোজা করে তাকে উদ্ধার করেন এবং কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক নির্ণয়ে প্রধানত মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।

    পুলিশ ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তারা যাচাই করছে গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে ছিল কিনা, নাকি কোনো অন্য গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল—তথ্যগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হর্ষিল কালিয়া জয়পুরভিত্তিক শোবিজে সক্রিয় ছিলেন; মডেলিং, উপস্থাপনা ও অভিনয়—তিনটি ক্ষেত্রেই তিনি পরিচিত ছিলেন। তাকে ডিজনি প্লাস হটস্টারের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘ক্রাইম নেক্সট ডোর’-এ দেখা গেছে, যেখানে অনুপ্রীয়াহ গোয়েঙ্কা, জশপাল শর্মা, সাহিল ভাইদ ও ভৎসল শেঠের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

    নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবেও শিপ্রাহীন অনলাইন ও টেলিভিশন কাজ করা কালিয়া একাধিক রাজস্থানি মিউজিক ভিডিওর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ‘মিস দিভা রাজস্থানি ২০২১’ এবং ‘মিস পিঙ্ক সিটি’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম রানার-আপ হন, যা তাকে স্থানীয়ভাবে আরেকটু সামনে এনে দেয়।

    তার অকালপ্রয়াণে শোবিজের মানুষের মধ্যে কাঁদা-ছলনা ও শ্রদ্ধার অভিব্যক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে তদন্ত শেষে।

  • রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির বিয়ে করলেন, বর—ওয়াহিদ জামান

    রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির বিয়ে করলেন, বর—ওয়াহিদ জামান

    রুশ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবির বিয়ে করেছেন। তিনি নিজেই রবিবার (২২ মার্চ) সামাজিক মাধ্যমের একটি ভিডিও শেয়ার করে এ কথা নিশ্চিত করেন।

    ভিডিওতে দেখা যায় নবদম্পতি খুশি ও উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন; ভিডিওর ক্যাপশনে মনিকা লিখেছেন, “আমরা বিয়ে করেছি। বর—বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামান।” তিনি জানান, ঘরোয়া পরিবেশে মালা বদলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন হয়েছে।

    গত আগস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনিকা বলেছিলেন, তিনি পাঞ্জাবিওয়াল ছেলেদের পছন্দ করেন এবং দিবে‍শি পছন্দের মধ্যেও তিনি বাংলাদেশি ছেলেকে বিয়ে করতে আগ্রহী—আজ সে ইচ্ছাই সত্যি হলো।

    একই সঙ্গে মনে করিয়ে দেয়া যায়, সম্প্রতি ঢাকার রাস্তায় এক পথচারীকে মারধর ও হেনস্থার ঘটনায় মনিকা সমালোচনার মুখে পড়েন এবং ওই ঘটনার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এ বিষয়ে পথে চলা নানা প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়ার পরই সামাজিকমাধ্যমে নিজের বিয়ের খবর জানান তিনি।

  • ধুরন্ধর টু: মুক্তির চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    ধুরন্ধর টু: মুক্তির চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    প্রায় আড়াই বছর বিশ্রামের পর রণবীর সিং ফেরাশপটে ফিরেছেন—এই ফিরতি মঞ্চে কাঁধে আছেন ‘ধুরন্ধর’ সিরিজের সিক্যুয়েল। আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর টু’ গত ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়ে মুক্তির প্রথম চার দিনেই বক্স অফিসে তুঙ্গে ওঠেছে।

    বক্স অফিস রিপোর্টে আয়ের পরিসংখ্যান সংক্ষেপে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে: কিছু সূত্র বলছে সিনেমাটি চার দিনে ভারতে মোট ৫৪১.৯৭ কোটি রুপি (গ্রস) জমিয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী আয় হয়েছে ৬৯১.৩২ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯০৪.৫৮ কোটি টাকার সমান। অন্য রিপোর্ট অনুযায়ী চার দিনে বিশ্বব্যাপী আয় হয়েছে প্রায় ৬৯৫ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯০৯ কোটি টাকার বেশিই। সূত্রভেদে সামান্য পার্থক্য থাকলেও সিনেমার শুরু অত্যন্ত শক্তিশালী বলেই প্রমাণিত হয়েছে।

    সমালোচকেরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিছু রিভিউ সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল—রক্তপাত, সহিংসতা ও তীব্র ঘটনাবলীর কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বলেছে যে প্রথম কিস্তির সূক্ষ্মতার পরিমাণ এখানে পুরোপুরি মনে হচ্ছে না। অন্যদিকে অনেক বিশ্লেষক রণবীর সিংয়ের ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী অভিনয়, দ্বিতীয়ার্ধের টানাপোড়েন এবং একের পর এক টুইস্টকে প্রশংসা করেছেন, যা দর্শককে আড়ষ্ট রাখে এবং সিনেমাটিকে বাণিজ্যিক দিক থেকে সাফল্যের শীর্ষে তুলে ধরেছে। বিভিন্ন শিরোনামে সিনেমাটিকে ৫ এর মধ্যে ৩ থেকে ৪ রেটিং দেওয়া হয়েছে—মোটমাটিভাবে সমালোচকরা বলছেন, এটি বলার বল বাড়িয়ে অনেক ক্ষেত্রেই দর্শকপ্রিয় হলেও ন্যারেটিভের কিছু অংশে ভুল-ত্রুটি রয়ে গেছে।

    রেকর্ড গড়ার দিক থেকে ‘ধুরন্ধর টু’ শুরু থেকেই কেড়েছে নজর। মুক্তির প্রথম দিন (পেইড প্রিভিউসহ) হিসেবে এটি হলেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় সিনেমা—এই অবস্থানে আগে ছিল আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। একই সঙ্গে প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী আয়ের তালিকায় এটি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে; তালিকার শীর্ষে ‘পুষ্পা টু’ রয়েছে (প্রথম দিন আয় প্রায় ২৬০ কোটি রুপি)। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে যথাক্রমে ‘ট্রিপল আর’ (২২২ কোটি) ও ‘বাহুবলি টু’ (২১৪ কোটি) আছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, হিন্দি ভার্সনে একদিনে সবচেয়ে বেশি আয়কারী সিনেমার তালিকায়ও ‘ধুরন্ধর টু’ শীর্ষে উঠে এসেছে—এটি শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ ও আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’-কেও ছাড়ায়।

    বক্স অফিস বিশ্লেষকরা মুক্তির আগেই বলেছিলেন, সঠিক করে চালালে চলচ্চিত্রটি ভারতে ১ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩২১ কোটি টাকা) ছুঁতে পারে। বিশিষ্ট বক্স অফিস বিশ্লেষক তরণ আদর্শ বলেছেন, ‘আশা করি সিনেমাটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। পুষ্পা, জওয়ান ও ধুরন্ধরের প্রথম কিস্তি প্রমাণ করেছে—দর্শকের চাহিদা পূরণ করতে পারলে ব্যবসায় সীমা প্রায় ছোঁয়া যায়।’ উৎপাদন পক্ষ থেকেও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে; বিহারের পূর্ণিয়ার রূপবাণী সিনেমার মালিক বিশেক চৌহান জানিয়েছেন, তিনি ১ হাজার কোটি রুপির নিচে গেলে সন্তুষ্ট হবেন না এবং অতুল মোহন এ নিয়ে অতীত উদাহরণ টেনে বোঝিয়েছেন যে বড় শিরোনাম গ্যালাকটিক ব্যবসা গড়তে পারে।

    অভিনয় ও প্রযোজনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত: প্রথম ধাপের ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিংয়ের বিপরীতে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেছিলেন সারা অর্জুন; দ্বিতীয় কিস্তিতেও তিনি রণবীরের সঙ্গী হিসেবে আছেন। এছাড়াও সিনেমায় আছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না এবং আর. মাধবন প্রমুখ ভিড়। প্রায় ২৮০ কোটি রুপির বাজেটে নির্মিত এই ছবির প্রযোজক দল—আদিত্য ধর, লোকেশ ধর ও জ্যোতি দেশপান্ডে।

    মোটমিলিয়ে বলা যায়, ‘ধুরন্ধর টু’ শুরু থেকেই ব্যবসা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে—প্রথম চার দিনের আয় তার জন্য শুধুই এক শুরুর ইঙ্গিত। আগামী সপ্তাহগুলোতে দর্শক প্রতিক্রিয়া ও টিকিট বিক্রির ধারার ওপর নির্ভর করবে এটি কোথায় থমকে বা কতটা বড় মাইলফলক ছোঁতে সক্ষম হবে।

  • মনিকা কবিরের বিয়ে: বর—বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামান

    মনিকা কবিরের বিয়ে: বর—বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামান

    রাশিয়ান বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবির সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করে রবিবার (২২ মার্চ) এই খবর নিশ্চিত করেন। ভিডিওতে নবদম্পতি আনন্দিত ও খুনসুটিতে মেতে ওঠা দৃশ্য দেখা যায়।

    মনিকা ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমরা বিয়ে করেছি। বর—বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামান। ঘরোয়া পরিবেশে মালা বদলের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।” তাঁর কথায় বোঝা যায়, অনুষ্ঠানটি সাধারণ ও অন্তরঙ্গ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গত আগস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনিকা জানিয়েছিলেন যে তিনি পাঞ্জাবিওয়াল ছেলেদের পছন্দ করেন এবং বাংলাদেশি ছেলেকেই বিয়ে করতে চান। সেই ইচ্ছাকে এবার বাস্তবে পূরণ করলেন তিনি।

    একই সময়ে জানা গেছে, মনিকা সম্প্রতি ঢাকার রাস্তায় এক পথচারীকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় সামাজিক সমালোচনার মুখে পড়েন এবং ওই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বা মামলা পরিচালনার পরবর্তী ঘটনা এখনও অপ্রকাশিত।

  • ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    দীর্ঘ আড়াই বছর পর রণবীর সিং প্রবেশ করলেন বড় পর্দায় আবারও—এবার ‘ধুরন্ধর টু’-র মাধ্যমে। আদিত্য ধর পরিচালিত প্রথম অংশ মুক্তির পর থেকেই সিক্যুয়েলের প্রত্যাশা তুঙ্গে ছিল; ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েই দর্শক ও বিচারে আবারও শিরোপা কুড়িয়েছে সিনেমাটি।

    বক্স অফিস কীর্তি

    মুক্তি ও দেখার সংখ্যায় ‘ধুরন্ধর টু’ দ্রুত সাফল্য ঘরে তুলেছে। স্যাকনিল্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার দিনে ভারতীয় বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছে ৫৪১.৯৭ কোটি রুপি (গ্রস)। একইসঙ্গে বিশ্বব্যাপী চার দিনের মোট আয় এসেছে ৬৯১.৩২ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৯০৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার কাছাকাছি। অন্য দিকে বলি মুভি রিভিউ রিপোর্টে বিশ্বব্যাপী চার দিনের আয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৬৯৫ কোটি রুপি—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকার সমান। এই ভিন্ন ভিন্ন গণনার মধ্যেও ছবিটির ব্যবসা অসামান্য বলা চলে।

    রেকর্ড ও তালিকায় অবস্থান

    প্রথম দিন (পেইড প্রিভিউসহ) ‘ধুরন্ধর টু’ শুরুর দিনেই বড় রেকর্ড গড়েছে। একদিনের আয়ে এটি ভারতীয় সিনেমার মধ্যে শীর্ষস্থানীয় তালিকায় উঠে এসেছে—বিশেষত হিন্দি ভার্সনে একদিনে বেশি আয়কারী সিনেমার তালিকায় ছবিটি শীর্ষে উঠে গেছে, শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ এবং আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’-র মতো বড় সিনেমাকে পিছনে ফেলেছে। একই সঙ্গে প্রথম দিনের আয় অনুযায়ী এটি ভারতীয় ছবির একাধিক শীর্ষস্থানীয় তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে।

    সমালোচকরা কী বলছেন

    সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। দ্য টেলিগ্রাফের একজন সমালোচক বলেছেন, ছবিতে রক্তবৃষ্টি ও সহিংসতার অনেক অংশ থাকলেও সেই গল্পের সূক্ষ্মতা বা মিশ্রতা পর্যাপ্তভাবে কাজ করেনি। হিন্দুস্তান টাইমসের ঋষভ সুরি ছবিটিকে ৫-এ ৪ নম্বর দিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি একটি রোলার-কোস্টার থ্রিলার; প্রথম অংশের পুরো নির্ভুলতা দ্বিতীয় অংশে মেলেনি, তবু রণবীর সিংয়ের শক্তিশালী অভিনয় ও দ্বিতীয়ার্ধের উত্তেজনা সিনেমাটিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।”

    এনডিটিভির রাধিকা শর্মা ৫-এ ৩ নম্বর দিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন, “ধুরন্ধর টু সম্পূর্ণভাবে রণবীর সিংয়ের শো—কিছু দৃশ্য পাকিস্তানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অংশে তীব্রতা বাড়ায় এবং ছবিটি আক্ষরিক অর্থে ছিন্নভিন্ন করে দেয়।” নিউজ১৮-এর চিরাগ সেহগাল ৩.৫ নম্বর দিয়ে বলছেন, “গল্প বলার ধরন শক্তিশালী, প্লটে একের পর এক টুইস্ট আছে যা দর্শককে আকর্ষণীয় রাখে।”

    বক্তব্য ও ভবিষ্যদ্বাণী

    বক্স অফিস বিশ্লেষকরা মুক্তির আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন—ভারতে ছবিটি ১ হাজার কোটি রুপি পর্যন্ত আয় করতে পারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩২১ কোটি টাকার বেশি)। বিশ্লেষক তরণ আদর্শ বলেছেন, এই ধরনের ছবি যদি দর্শকদের চাহিদা মেটায়, ব্যবসায় সীমা কেবল আকাশই হতে পারে—এমনই ধারনা রয়েছে অনেক বিশ্লেষকের।

    প্রযোজক-পরিচালক ও স্বপ্ন

    বিহারের পূর্ণিয়ার রূপবাণী সিনেমা প্রযোজক বিশেক চৌহান স্পষ্টভাবে বলেছেন, “’ধুরন্ধর টু’ যদি ১ হাজার কোটি রুপি না পারে, আমি সন্তুষ্ট হব না।” প্রযোজক অতুল মোহনও মনে করেন এটি সম্পূর্ণ সম্ভব—কারণ পূর্বের উদাহরণ হিসেবে ‘পুষ্পা টু’ নিজের পূর্বসূরীর আয়কে ছাড়িয়ে গিয়েছিল, তেমনি ‘বাহুবলি টু’ তার পূর্বসূরীকে ছাড়িয়েছিল। প্রথম দিনের শক্তিশালী পারফরম্যান্স বিশ্লেষকদের আশাকে আরও জোরদার করেছে।

    অভিনয় ও বাজেট

    প্রথম পার্টে রণবীর সিংয়ের বিপরীতে বড় পর্দায় ছিলেন সারা অর্জুন—যা সারা-র বড় পর্দার অভিষেক হিসেবে নজর কেড়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও সারা রণবীরের সঙ্গে ফিরে এসেছেন। এছাড়া ছবিতে দেখা গেছে অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না, আর. মাধবনসহ আরও কয়েকজন বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পীকে। মোট বাজেট ছিল প্রায় ২৮০ কোটি রুপি। প্রযোজনা করেছেন আদিত্য ধর, লোকেশ ধর ও জ্যোতি দেশপান্ডে।

    শেষ কথা

    মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং তীব্র বক্স অফিস আয়ের মধ্যে ‘ধুরন্ধর টু’ এখন বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স মিলিয়ে এটি বলিউডের চলতি বছরের অন্যতম বড় ঘটনাই বলা যায়—আগামি দিনগুলোই নির্ধারণ করবে, ছবিটি দীর্ঘমেয়াদে কেমন ছাপ রেখে যাবে।

  • ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    ধুরন্ধর টু: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    রণবীর সিং দীর্ঘ আড়াই বছরের বিরতির পর সেদিনই প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন—আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি ‘ধুরন্ধর টু’ দিয়ে। প্রথম অংশ মুক্তির পর থেকেই সিক্যুয়েলের প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে, এবং ১৯ মার্চ মুক্তির পর সিনেমাটি বক্স অফিসে নতুন লহর সৃষ্টি করেছে।

    বক্স অফিসে বিভিন্ন সূত্র থেকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা প্রকাশিত হলেও ধারণাটাই স্পষ্ট: মুক্তির প্রথম চার দিনে ছবিটি বিপুল আয় করেছে। Sacnilk-এর রিপোর্ট অনুযায়ী চার দিনে ভারতের আয় (গ্রস) ৫৪১.৯৭ কোটি রুপি, আর বিশ্বব্যাপী আয় ৬৯১.৩২ কোটি রুপি। এই হিসাব বাংলাদেশি মুদ্রায় হলে প্রায় ৯০৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার সমান। অন্যদিকে কিছু অন্যান্য প্রতিবেদনে (Bolly Movie Review/News18) চার দিনের বিশ্বব্যাপী আয় ৬৯৫ কোটি রুপি হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯০৯ কোটিরও বেশি। মোটমিলিয়ে বলা যায় চার দিনে আয়ের অনুমানটি প্রায় ৯০৪–৯০৯ কোটি টাকার দিকেই দাঁড়িয়েছে।

    সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র

    ‘ধুরন্ধর টু’ নিয়ে সমালোচকদের মতামত মিশ্র। দ্য টেলিগ্রাফের সমালোচক মনে করেছেন, ছবিতে অতিরিক্ত রক্তরঞ্জিত দৃশ্য ও প্রকাশ্য সহিংসতার উপস্থিতি বেশি; সেই সূক্ষ্মতা বা ব্যালান্স কিছু অংশে ছেঁড়া পড়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের ঋষভ সুরি ছবিটিকে ৫-এ ৪ রেটিং দিয়ে বলেছেন, এটি রোলার-কোস্টারের মতো একটি থ্রিলার; প্রথম পার্টের সঙ্গে পুরোপুরি মিল না থাকলেও রণবীর সিংয়ের শক্তিশালী অভিনয় এবং দ্বিতীয়ার্ধের টান ছবিটিকে উঠে যেতে সাহায্য করেছে। এনডিটিভির রাধিকা শর্মা ৫-এ ৩ রেটিং দিয়ে মন্তব্য করেছেন যে ‘ধুরন্ধর টু’ মূলত রণবীর সিং-এর প্রদর্শনী—কিছু দৃশ্যে কাজটি প্রচণ্ড ও সরাসরি। নিউজ১৮-এর চিরাগ সেহগাল সাড়ে ৩ রেটিং দিয়ে ছবির গল্প বলা ও বর্ণনার গভীরতাকে প্রশংসা করেছেন; তিনি লিখেছেন, বারবার টুইস্ট ও মোড় গল্পকে রোমাঞ্চকর রাখে।

    রেকর্ড ও তুলনা

    প্রথম দিনের আয়ে ‘ধুরন্ধর টু’ একাধিক রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে—প্রথম দিনে (পেইড প্রিভিউসহ) এটি ভারতের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে উঠে এসেছে; সেই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকেও ‘ধুরন্ধর টু’ উচ্চ অবস্থানে—’পুষ্পা টু’ একদিনে ২৬০ কোটি রুপির শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছিল; তাতে ‘ধুরন্ধর টু’ তার পাশে রয়েছে। একদিনে সবচেয়ে বেশি আয়কারী হিন্দি ভার্সনের ছবির তালিকায়ও রণবীরের এই ছবি ‘জওয়ান’ ও ‘পুষ্পা টু’কে ছাপিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে বলে প্রাথমিক খবর। তুলনায় ‘ট্রিপল আর’ ও ‘বাহুবলি টু’–র একদিনের আয়ের রেকর্ডও আলোচনায় এসেছে।

    ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী ও প্রত্যাশা

    রিলিজের আগেই অনেক বক্স অফিস বিশ্লেষক বলছিলেন ‘ধুরন্ধর টু’ ভারতের বাজারে ১ হাজার কোটি রুপি পর্যন্ত আয় করতে পারে—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১৩২১ কোটি টাকার সমান। বিশ্লেষক তরণ আদর্শও আশা প্রকাশ করেছেন যে সিনেমাটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে; দর্শকদের চাহিদা মিটিয়ে বড় ব্যবসা হওয়াই সম্ভব। সিনেমার মালিক বিশেক চৌহান স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি ছবি ১ হাজার কোটি রুপি আয় না করে তিনি সন্তুষ্ট হবেন না; অন্য প্রযোজকরা মনে করেন আগে এমন ঘটনায় দেখা গেছে কোনো ছবি তার আগের পার্ট বা রেকর্ডকে টপ করে।

    অভিনয় ও বাজেট

    ছবিতে রণবীর সিংয়ের বিপরীতে রয়েছেন সারা অর্জুন—যিনি বড় পর্দায় তার অংশগ্রহণ শুরু করেছিলেন এবং দ্বিতীয় অংশেও তিনি রণবীরের সঙ্গে আছেন। এ ছাড়াও উপস্থিত আছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খন্না, আর. মাধবন প্রমুখা শিল্পীরা। প্রায় ২৮০ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন আদিত্য ধর, লোকেশ ধর ও জ্যোতি দেশপান্ডে।

    মোটমিলিয়ে বলা যায়, ‘ধুরন্ধর টু’ মুক্তির শুরুতেই ব্যবসা এবং দর্শক-প্রতিক্রিয়া দুই দিকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। চার দিনের শক্তিশালী আয় প্রমাণ করেছে ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে; আগামী দিনগুলোতে টিকে থাকার ফলে ও সমালোচনার ধরণ দেখে চূড়ান্ত ব্যবসা এবং সমালোচকদের চূড়ান্ত রায় আরও স্পষ্ট হবে।

  • ‘ধুরন্ধর টু’: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    ‘ধুরন্ধর টু’: চার দিনে আয় প্রায় ৯০৯ কোটি টাকা

    আড়াই বছরের বিরতির পর রণবীর সিং বড় পর্দায় ফেরেন ‘ধুরন্ধর’ সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি—‘ধুরন্ধর টু’-র মাধ্যমে। প্রথম পার্টটি গত বছর মুক্তি পেয়ে বড় সাড়া ফেলে; টিকিয়ে রাখা সেই উত্তেজনায়ই দ্বিতীয় কিস্তি ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে আসে এবং শুরুই রেখেছে বড় রেকর্ড।

    বক্স অফিস রিপোর্টে বিভিন্ন সূচকে সিনেমার শুরুর পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মত। স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুক্তির প্রথম চার দিনে ভারতের আয় (গ্রস) দাঁড়িয়েছে ₹৫৪১.৯৭ কোটি; বিশ্বব্যাপী আয় ধরা হয়েছে ₹৬৯১.৩২ কোটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ৳৯০৪ কোটি ৫৮ লাখ। অন্যদিকে বলি মুভি রিভিউ সূত্রে ধরা হয়েছে—চার দিনে বিশ্বব্যাপী মোট আয় দাঁড়িয়েছে ₹৬৯৫ কোটি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৳৯০৯ কোটি। সংক্ষিপ্ত সময়ে বিভিন্ন সূত্রের সামান্য তফাৎ থাকলেও ছবির অর্থনৈতিক সাফল্য স্পষ্ট।

    সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর অগ্নিভো নিয়োগী লিখেছেন, “সিনেমাটিতে রক্তাক্ত ও সহিংস দৃশ্য বেশি; কিন্তু সেই সূক্ষ্মতা নেই যা প্রথম কিস্তি দাবি করেছিল।” হিন্দুস্তান টাইমসের ঋষভ সুরি ছবিটিকে ৫-এ ৪ রেটিং দিয়ে বলেছেন, “এটি এক রোলার-কোস্টার থ্রিলার; প্রথম পার্টের নিখুঁততা পুরোপুরি মেলে না, তবু রণবীর সিংয়ের শক্তিশালী অভিনয় ও দ্বিতীয়ার্ধের উত্তেজনা ছবিটিকে তুলে নিয়েছে।” এনডিটিভি’র রাধিকা শর্মা ৫-এ ৩ রেটিং দিয়ে মন্তব্য করেছেন—“এটা প্রায় পুরোপুরি রণবীর সিংয়ের শো; পাকিস্তানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক অংশে চমকপ্রদ মোড় আছে।” নিউজ১৮-এর চিরাগ সেহগাল ৩.৫ রেটিং দিয়ে বলেছেন, “গল্প বলার ধরন শক্তিশালী; একের পর এক টুইস্ট প্লটকে আকর্ষণীয় করে রেখেছে।”

    রেকর্ডের দিক থেকে ‘ধুরন্ধর টু’ নজির গড়েছে। নির্মাতারা জানিয়েছেন, প্রথম দিনেই (পেইড প্রিভিউ সহ) এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একদিনে সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে রেকর্ড করেছে—যেখানে শীর্ষে রয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা টু’। একইভাবে একদিনে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আয়কারী ভারতীয় ছবির তালিকায়ও এটি দ্বিতীয় অবস্থানে উঠেছে; শীর্ষে ‘পুষ্পা টু’ (প্রায় ₹২৬০ কোটি)। তাছাড়া হিন্দি ভার্সনে একদিনে সবচেয়ে বেশি আয় করে ‘ধুরন্ধর টু’ শীর্ষে উঠে গেছে—শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ এবং ‘পুষ্পা টু’কে ছাড়িয়ে।

    বক্স অফিস বিশ্লেষকরা মুক্তির আগেই অনলাইনে ভবিষ্যদ্বাণী করছিলেন—ভারতে ছবিটি ১ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৳১৩২১ কোটি) কমেছে-না। বিশ্লেষক তরণ আদর্শ বলেন, “যদি দর্শকের চাহিদা মিটিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে ব্যবসার ক্ষেত্রে সীমা আকাশকেই ছুঁয়ে দেয়; ‘পুষ্পা’, ‘জওয়ান’ এবং ‘ধুরন্ধর’ প্রথম পার্ট সেই দিকটি প্রমাণ করেছে।”

    চলচিত্র মালিক এবং উৎপাদন সংশ্লিষ্টরাও আশাবাদী। বিহারের পূর্ণিয়ার রূপবাণী সিনেমা মালিক বিশেক চৌহান স্পষ্টভাবে বলেছেন, “যদি ‘ধুরন্ধর টু’ ১ হাজার কোটি রুপি আয় না করে, আমি সন্তুষ্ট হব না।” প্রযোজক ও বিশ্লেষকরা অতীতের উদাহরণ টেনে বলে দিয়েছেন—কখনও কখনও সিক্যুয়েলই প্রথম কিস্তির কমব্যাককে হারিয়ে দেয়; যেমনভাবে ‘পুষ্পা টু’ তার আগের ছবি ছাপিয়ে গিয়েছিল এবং ‘বাহুবলি টু’ও প্রথম কিস্তির আয়কে ছাড়িয়েছিল।

    অভিনয়শিল্পী ও বাজেটের তথ্যও লক্ষণীয়। প্রথম পার্টে রণবীর সিংয়ের বিপরীতে বড় পর্দায় পরিচিতি পেয়েছেন সারা অর্জুন; দ্বিতীয় কিস্তিতেও তিনি রণবীরের সঙ্গী। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন—অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না, আর. মাধবন প্রমুখ। আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে ছবির বাজেট প্রায় ₹২৮০ কোটি; প্রযোজক—আদিত্য ধর, লোকেশ ধর ও জ্যোতি দেশপাণ্ডে।

    সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায়, মুক্তির শুরুতেই ‘ধুরন্ধর টু’ বাম্পার ব্যবসা ও দর্শক আগ্রহ দুটোই পাওয়ার লক্ষণ দেখিয়েছে। সময়ই বলবে, শেষ পর্যন্ত এটি কতটা বক্স অফিস দাপট দেখায় এবং সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য থেকে দর্শকরা কী মুদ্রায় সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • মনিকা কবির বিয়ে করলেন: বর — ওয়াহিদ জামান

    মনিকা কবির বিয়ে করলেন: বর — ওয়াহিদ জামান

    রাশিয়ান বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার মনিকা কবির বিয়ে করেছেন। তিনি শনিবার নয়, রোববার (২২ মার্চ) নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন এবং বর হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামানকে।

    গত আগস্টে একটি সাক্ষাৎকারে মনিকা জানিয়েছিলেন, পাঞ্জাবিওয়াল ছেলেদের প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ আছে। তবু তিনি বলেছেন, শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ছেলেকেই বিয়ে করতে চান। সেই ইচ্ছাই এবার পূরণ হলো।

    মনিকা যে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যায় নবদম্পতি আনন্দঘন মুহূর্ত কাটাচ্ছেন ও খুনসুটিতে মেতে উঠেছেন। ভিডিওর ক্যাপশনে মনিকা লিখেছেন, “আমরা বিয়ে করেছি। বর বাংলাদেশি যুবক ওয়াহিদ জামান। ঘরোয়া পরিবেশে মালা বদলের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।”

    এদিকে সম্প্রতি ঢাকা রাস্তায় এক পথচারীকে মারধর ও হেনস্থার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনিকা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এবং ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। বর্তমানে বিয়ের ঘোষণা ও চলমান বিষয়গুলো নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।