Category: বিনোদন

  • শ্রবণশক্তি হারিয়ে গান থেকে দূরে অলকা ইয়াগনিক — ফেরা কি সম্ভব?

    শ্রবণশক্তি হারিয়ে গান থেকে দূরে অলকা ইয়াগনিক — ফেরা কি সম্ভব?

    বলিউডে চার দশকের সংগীতজীবন লেগে থাকা নাম অলকা ইয়াগনিক। অসংখ্য হিট গান, সিনেমার নায়িকাদের ঠোঁট মিলানো কণ্ঠ — এগুলোই তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। তবে জনপ্রিয় এই কণ্ঠ এখন নিজেই গান থেকে অনেক দূরে সরিয়ে আছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ বিশেষ কারণে তিনি কণ্ঠে ফেরেননি।

    অলকা নিজেই ২০২৪ সালে জানান, তার গান বলা বন্ধ হয়ে গেছে। সমস্যার মূল কারণ ছিল একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা তার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফেসবুকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘কয়েক সপ্তাহ আগে বিমান থেকে নামার সময় মনে হয় আমি কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। চিকিৎসকের পরামর্শে জানলাম এটি একটি বিরল স্নায়ুযুক্ত সমস্যা, যা ভাইরাসের আক্রমণের ফলে হয়েছ। এর ফলে আমার শ্রবণশক্তি কমে গেছে। এটা আমার কাছে বড় ধাক্কা; আমি ধীরে ধীরে এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনুগ্রহ করে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’’

    ভাইরাস-আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে প্রায় দু’বছর অতিবাহিত হয়েছে। তবুও অলকা স্বাস্থ্যের বিষয়ে এখনই কোনো সুখবর দিয়েছেন না—তিনি জানান, অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি, তাই মাইক্রোফোনের সামনে ফিরতে পারেননি।

    সংগীতশিল্পী হওয়া সত্ত্বেও অলকা এখনো সংগীত জগতের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন নন—সুরকার ও গীতিকররা নিয়মিত তাকে গান গাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, মানুষের এই আমন্ত্রণ এবং ভালোবাসা তাকে সান্ত্বনা দেয়, কিন্তু শারীরিক প্রতিকূলতার কারণে তিনি এখনও গাইতে পারছেন না।

    অলকার এই কথাগুলো শোনা মাত্রই সংগীতপ্রেমীদের মন ব্যথিত হয়েছিল। বহু ভক্ত এখনো তার কণ্ঠের অভাব অনুভব করেন। তবুও তিনি নতুন প্রজন্মের দিকে দৃষ্টিপাত করে কিছু সতর্কতা ও পরামর্শ দিয়েছেন—শ্রবণশক্তি সংরক্ষণের জন্য উচ্চ শব্দ থেকে দূরে থাকা, দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন গুঁজে কাজ না করা ইত্যাদি।

    তবে ফেরার সম্ভাবনা কতটা, সেটা সময়ই বলবে। বিশ বছর আরও চাহিদা থাকলে ও অভিনব সংবর্ধনা থাকলেও, শারীরিক সুস্থতা ফেরার আগে গান-জগতের কনসার্টে বা রেকর্ডিং স্টুডিওতে তাকে আবার দেখাটা এখনই অনিশ্চিত। ফ্যানরা আশা করছেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার তাদের প্রিয় গানের কণ্ঠ শুনতে পারবেন অলকা ইয়াগনিক।

  • স্বাধীন বাংলা বেতারের কণ্ঠযোদ্ধা ও নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন আর নেই

    স্বাধীন বাংলা বেতারের কণ্ঠযোদ্ধা ও নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন আর নেই

    দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে আর ফিরে আসলেন না স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ও বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

    শিল্পীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার খালাতো বোন ও সদ্য খ্যাতিমান নজরুলসংগীতশিল্পী সাদিয়া আফরিন মল্লিক। জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন ডালিয়া নওশীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আজ দুপুরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সাদিয়া আফরিন মল্লিক জানান, বাদ মাগরিব গুলশান সোসাইটি মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। ডালিয়া নওশীনের দুই ছেলে রয়েছেন; একজন যুক্তরাষ্ট্রে এবং অপরজন স্পেনে বসবাস করেন।

    মুক্তিযুদ্ধের সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠরূপে তিনি দেশের সংগীতাঙ্গনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। সঙ্গীতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছিল। তিনি দেশের প্রখ্যাত স্থপতি মাজহারুল ইসলামের কন্যা হিসেবেও পরিচিত।

  • রাহাত ফতেহ আলী খান ও শাহ জামান খানকে সম্মাননা

    রাহাত ফতেহ আলী খান ও শাহ জামান খানকে সম্মাননা

    যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে অনুষ্ঠিত হলো উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান ও জনপ্রিয় শিল্পী রুবাইয়াত জাহানের গাওয়া বাংলা গান ‘প্রেম পিয়াসা’ এর প্রকাশনা উৎসব। এই গুরুত্বপূর্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য রুথ ক্যাডবেরি এবং সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার রাজা কাশেফ। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের কাছে স্বনামধন্য এই শিল্পীর স্বামী, ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান এবং তার ছেলে শাহ জামান খান, দেশের খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর, ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহসহ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বিভিন্ন সদস্য ও হাউস অব কমন্সের সদস্যরা, পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে উভয় শিল্পী, ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান ও তার ছেলে শাহ জামান খান,কে সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রকাশিত ‘প্রেম পিয়াসা’ গানটি বাংলাদেশের ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে। এই গানের লেখক কবির বকুল, সুর ও সংগীতের যোগসাজশে ছিলেন রাজা কাশেফ এবং ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা।

    অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান বলেন, আমি রাজা কাশেফ ও রুবাইয়াত জাহানের গান তৈরিতে অবদান রাখা তাঁদের একনিষ্ঠতা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করি। বাংলা গানের প্রতি আমার ব্যক্তিগত ভালোবাসা রয়েছে, এবং এই গান সেই ভালোবাসার প্রকাশ। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের প্রতি আমি অন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, আমার এবং আমার ছেলের সম্মানিত করার জন্য।

    এই গানের ভিডিও এখন ধ্রুব মিউজিক স্টেশন ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে, পাশাপাশি এটি বিশ্বের বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে।

  • রাহুলের ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

    রাহুলের ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যু নিয়ে নতুন তথ্য আসছে। পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যুটি খুবই দুঃখজনক এবং রহস্যজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত রোববার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ নামক ধারাবাহিকের শুটিং করার সময় পানিতে নামেন রাহুল। কিন্তু সেখানে আর তিনি উঠতে পারেননি; পানির নিচে ডুবে যান।

    সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় তমলুক হাসপাতালে তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, অভিনেতার মৃত্যু পানিতে ডুবেই ঘটেছে। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকার কারণে তাঁর ফুসফুস ফুলে যায়, যা স্বাভাবিকের থেকে দ্বিগুণ বড় আকার ধারণ করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাঁর ফুসফুসে অত্যধিক পরিমাণে বালি এবং নোনা জল প্রবেশ করেছে।

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, সাধারণত অল্প সময় পানিতে ডুবে থাকলেও এত বেশি বালি ও জল ঢোয়া সম্ভব নয়। ফলে মনে করা হচ্ছে রাহুলের মরদেহ পানির নিচে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি থেকেছে। এত দিন পানির নিচে থাকার কারণে তাঁর খাদ্যনালিতে বালি ও নোনা জল প্রবেশ করে।

    অভিনেতার মৃত্যুতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বাহিনী বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে। তারা জানাচ্ছেন, শুটিংয়ের অনুমোদন না নিয়েই এই কাজটি করা হয়েছে, যা একটি গুরুতর অপরাধ।

    জন্ম ১৯৮৩ সালের ১৬ অক্টবর রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিনয় জীবনের শুরু ‘রাজ দর্শন’ নাটকের মাধ্যমে, যেখানে তিনি বাবার সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। এরপর তিনি প্রায় ৪৫০টির বেশি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এই পরিবারের প্রতিভাবান তারকার মৃত্যুতে সামাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তার কর্মজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • শ্যুটিংয়ে নেমে সমুদ্রে ডুবে গেলেন টলিউড অভিনেতা রাহুল

    শ্যুটিংয়ে নেমে সমুদ্রে ডুবে গেলেন টলিউড অভিনেতা রাহুল

    পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় মারা গেছেন। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ধারাবাহিকের এই অভিনেতার মৃত্যুর খবর বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, রোববার পশ্চিমবঙ্গের তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহ occasional শ্যুটিংয়ের জন্য গিয়েছিলেন ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেতা। শ্যুটিংয়ের এক পর্যায়ে তিনি সমুদ্রের পাদদেশে নামেন। হঠাৎOnly তলিয়ে গেলে সেটে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে, চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

    অভিনেতার সহকর্মী ও ধারাবাহিকের অন্যান্য সদস্যরা জানিয়েছেন, শ্যুটিং শেষে বেশিরভাগই মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় রাহুল আরও কিছু দৃশ্যের জন্য ফিরে যাওয়ার কথা বলেন। ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘জলেঘাটে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। কীভাবে এটি ঘটল, তা এখনো পরিষ্কার নয়। একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ হঠাৎ এভাবে চলে যাবে, এটা মানা কঠিন।’

    রাহুল অরুণোদয় ১৯৮৩ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অভিনয়জীবনে তিনি প্রায় ৪৫০টি নাটকে অংশ নিয়েছেন। তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে। তিনি বাণিজ্যিক ও মূলধারার সিনেমার মধ্যে সমানভাবে পরিচিত হয়েছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘জ্যাকপট’, ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’, ‘কাগজের বউ’ ও ‘আকাশ অংশত মেঘলা’।

    ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ২০১০ সালে অভিনেত্রী প্রকৃতি সরকারকে বিয়ে করেন। তবে ২০১৭ সাল থেকে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের একমাত্র সন্তান হলো সহজ। সম্প্রতি, তিনি ‘সহজকথা’ নামে একটি পডকাস্ট শুরু করেছিলেন, যা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

  • স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন

    স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন

    দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ডালিয়া নওশীন। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

    শিল্পীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার খালাতো বোন এবং খ্যাতিমান নজরুলসংগীতশিল্পী সাদিয়া আফরিন মল্লিক। তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন ডালিয়া নওশীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে শেষে তাকে গত ২৭ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ দুপুরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সাদিয়া আফরিন মল্লিক আরও জানান, জানাজা গুলশান সোসাইটি মসজিদে বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাহ শেষে দাফন করা হবে। ডালিয়া নওশীনের দুই ছেলে, একজন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে আর একজন স্পেনে।

    ডালিয়া নওশীন মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংগীতের মাধ্যমে তিনি দেশের জন্য গেছেন অসামান্য অবদান। ২০২০ সালে তার এই কীর্তির স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একুশে পদক পান। তিনি দেশের খ্যাতনামা স্থপতি মাজহারুল ইসলামের কন্যা।

  • অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণশক্তি হারানোর কারণে সঙ্গীত থেকে দূরে আসার সংকট

    অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণশক্তি হারানোর কারণে সঙ্গীত থেকে দূরে আসার সংকট

    বলিউডের চার দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করেছেন অলকা ইয়াগনিক। তার মাধুর্যময় কণ্ঠের জাদুকে উপভোগ করেছেন অসংখ্য শ্রোতা। তিনি অনেক সিনেমার অন্যতম অন্যতম সঙ্গীতজ্ঞ। তবে এখন নিজের জন্য এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। অকালেই গানের দুন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কারণ হলো তার শ্রবণশক্তি হারানো। ভারতীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    পরবর্তী বছর ২০২৪ সালে অলকার কণ্ঠে আর সঙ্গীত শোনা যায়নি। তবে তিনি নিজেই এই সিদ্ধান্তের কারণ পরিষ্কার করে বলেছিলেন, শ্রবণশক্তি হারানোর কারণে তিনি সঙ্গীত জগৎ থেকে নিজেকে আলাদা করে নিয়েছেন।

    জানিয়েছেন, এক ভাইরাসের সংক্রমণের পরে তার শ্রবণক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। এক সময় বিমান থেকে নামার পরে অনুভব করেন, কিছুই শুনতে পারছেন না। পরবর্তীতে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে তার জানা যায়, ভাইরাসের আক্রমণে তার এক বিরল স্নায়ুর সমস্যার কারণে তার শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি ফেসবুকে এক বিবৃতিতে লিখেছিলেন, আমি অনেকটাই ধাক্কা খেয়েছিলাম। কঠিন এই পরিস্থিতিতে আমি সংগ্রাম করছি এবং মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। সকলের কাছে নৈব নৈবে প্রার্থনা কামনা করেছেন।

    দুই বছর ধরে এই পরিস্থিতির সাথে লড়াই করছেন অলকা। এখন তার কি অবস্থা, জানা যাচ্ছে না, তবে তিনি কোনো সুখবর দেওয়ার থেকে বিরত রয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই মারাত্মক যে, এখনো microphones এর সামনে ফিরতে পারেননি।

    তবে সংগীতের জগৎ তাকে এখনও ভুলে যায়নি। এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বিভিন্ন গীতিকার ও সুরকাররা প্রায়ই আমাকে গান গাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু এখন আমি গাইতে পারছি না।

    অলকার এই খবরে অনেক সংগীতপ্রেমীর মন ভেঙে গেছে। তবুও তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে উচ্চ শব্দ ও হেডফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার। এবং এমন পরিস্থিতিতে নিজের স্বাস্থের প্রতি সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদী, সময়ের সাথে সাথে হয়তো আবার ফিরে আসবেন সুস্থ হয়ে।

  • হাউস অব কমন্সে রাহাত ফতেহ আলী খান ও শাহ জামান খানকে সম্মাননা

    হাউস অব কমন্সে রাহাত ফতেহ আলী খান ও শাহ জামান খানকে সম্মাননা

    লন্ডনের হাউস অব কমন্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান এবং কণ্ঠশিল্পী রুবাইয়াত জাহানের গাওয়া বাংলা গান ‘প্রেম পিয়াসা’র প্রকাশনা উৎসব। অনুষ্ঠান আয়োজন করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য রুথ ক্যাডবেরি ও সুরকার ও সংগীত পরিচালক রাজা কাশেফ।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান, তাঁর ছেলে শাহ জামান খান, শিল্পী আসিফ আকবর, ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহসহ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য, হাউস অব কমন্সের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আয়োজনটি ছিল ঘরানাভিত্তিক, কিন্তু আবেগগতভাবে গভীর ও সৌহার্দ্যময়। উপস্থিত দর্শক ও অতিথিরা গান ও ভিডিওর উপস্থাপনা খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করেন এবং ক্লাস্টারভিত্তিক অনুপ্রেরণা গুনে প্রশংসা করেন।

    সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অনুষ্ঠানে ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান ও তাঁর ছেলে শাহ জামান খানকে সম্মাননা জানানো হয়। গানটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ধ্রুব মিউজিক স্টেশন। কথাকার কবির বকুল, সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন রাজা কাশেফ, আর ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা।

    অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত ভাষণে ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান রাজা কাশেফ ও শিল্পী রুবাইয়াত জাহানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘গানের প্রতি তাঁদের একনিষ্ঠতা ও আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। বাংলা গানের প্রতি আমার আলাদা ভালোবাসা আছে এবং ‘প্রেম পিয়াসা’ সেই ভালোবাসারই এক প্রকাশ। আমাকে ও আমার ছেলেকে সম্মানিত করায় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

    গানের ভিডিওটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশন ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে এবং গানটি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলা সংগীতকে নতুন ভৌগোলিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা সফলভাবে উদযাপিত হল।

  • শ্রবণশক্তি হারিয়ে গান থেকে দূরে অলকা ইয়াগনিক — কি ফিরে আসবেন?

    শ্রবণশক্তি হারিয়ে গান থেকে দূরে অলকা ইয়াগনিক — কি ফিরে আসবেন?

    বলিউডে চার দশকের ক্যারিয়ার সম্পন্ন করেছেন অলকা ইয়াগনিক। অসংখ্য হিট গান ও সিনেমার সঙ্গীতের মাধ্যমে তিনি দর্শক-শ্রোতাদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু জনপ্রিয় এই গায়িকা এখন নিজেই গান থেকে দূরে আছেন — শেষ কয়েক বছর ধরে কণ্ঠে ফেরার বিষয়ে অনিশ্চয়তা ছায়া ফেলেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৪ সালে অলকার কণ্ঠ থেমে যায় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই জানান তার গলা ছাড়ার কারণ। কিছু সপ্তাহ আগে বিমান থেকে নামার পরে তিনি অনুভব করেন, ‘‘আমার মনে হলো আমি কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।’’, পরে চিকিৎসকের পরামর্শে জানা যায় যে একটি ভাইরাস প্রায় একটি বিরল স্নায়ুকে আক্রমণ করেছে, যার ফলে তার শ্রবণশক্তি হ্রাস পেয়েছে। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, এটা তার জন্য বড় ধাক্কা, এবং তিনি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    ওই ভাইরাস সংক্রমণের পর প্রায় দুই বছর কেটে গেলেও অবস্থায় বিশেষ উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছে গায়িকা। তাই মাইক্রোফোনের সামনে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়নি। তবুও গীতিকার ও সুরকাররা প্রায়ই তাকে গান করার প্রস্তাব দেন, কিন্তু এখন তিনি সেটি চালিয়ে নিতে পারছেন না।

    অলকার শ্রবণশক্তি হারানোর খবর শুনে গানের ভক্তরা ব্যথিত হয়েছেন; বহু শ্রোতার কাছেই তাঁর অভাব এখনও রয়ে গেছে। নিজের সঙ্কট শেয়ার করার সময় অলকা নতুন প্রজন্মকে উচ্চ শব্দ থেকে দূরে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন — বিশেষ করে হেডফোন দিয়ে দীর্ঘ সময় জোরে গান শোনা বা কাজ না করার অনুরোধ রেখেছেন।

    সংগীতজগতের বহু সতীর্থ ও ভক্তরা এখনও তাঁকে ভুলেননি এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। অলকার ফেরার অপেক্ষা রয়ে গেছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর পেশাদারভাবে কণ্ঠে ফিরতে আরও সময় লাগতে পারে।

  • অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণশক্তি হারানোর পরে আর কি ফেরার আশা?

    অলকা ইয়াগনিকের শ্রবণশক্তি হারানোর পরে আর কি ফেরার আশা?

    বলিউডের চার দশকের তারকা গায়িকা অলকা ইয়াগনিকের জীবন বদলে গেছে গুরুতর এক ভাইরাসের সংক্রমণে। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি গানের জগত থেকে দূরে থাকায় তার ভক্তকুল দুশ্চিন্তায় আপ্লুত। ভারতের জনপ্রিয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, তিনি এখন নিজেকে সম্পূর্ণভাবে গান থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। তবে খুব একটা সুখবর না পাওয়া গেলেও, তিনি নিজেই জানিয়েছেন যে, তার শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়ার কারণে তার এই পদক্ষেপ।

    অলকা ইয়াগনিকের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু সময় আগে তিনি এক ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন এবং সেই সময়ই তার কানে কিছু শোনা বন্ধ হয়ে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে জানা যায় যে, ভাইরাসের আক্রমণের ফলে তার শরীরে একটি বিরল স্নায়ুর সমস্যা দেখা দেয়, যার কারণে তার শ্রবণশক্তি মারাত্মকভাবে কমে যায়। এই পরিস্থিতি তাকে গভীর আঘাত দেয়, কিন্তু তিনি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি সমস্যাটির সঙ্গে সংগ্রাম করছি। দয়া করে আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করুন।’

    দুই বছর পার হলেও, তার শারীরিক অবস্থা এখনো উন্নতির পথে না। এ বিষয়ে তিনি কোনও সুখবর দেননি, জানিয়েছেন যে, এখনও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি, তাই জনপ্রিয় গানের মঞ্চে আবার ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। তবুও, সংগীতের দুনিয়ার কেউ কেউ এখনও তাকে মনে করে চলেছেন। একজন গীতিকার ও সুরকারের পাশাপাশি, গায়িকাকে অনেক প্রস্তাব দিয়েছেন বিভিন্ন সংগীতানুরাগী। তবে গায়িকা বর্তমানে গান শোনাতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

    শ্রবণশক্তি হারানোর এই খবরে সংগীতপ্রেমীদের মন ভেঙে গেছে। তারা অনেকই তার ফেরার অপেক্ষায় আছেন। এর মাঝেও তিনি নতুন প্রজন্মকে পরামর্শ দিয়েছেন—শ্রবণবায়ু থেকে দূরে থাকুন, উচ্চ শব্দের শব্দ থেকে সচেতন থাকুন, আর হেডফোন ব্যবহার করার সময় সতর্ক হোন। তিনি বলে গেছেন, ‘আমার এই অভিজ্ঞতা অন্যদের জন্য সতর্কতা হতে পারে।’ সব জেনেও, অলকা ইয়াগনিকের অনুরাগীদের অপেক্ষা রয়ে গেছে—একদিন তিনি আবার সংগীতের আঙিনায় ফিরবেন কি না।