Category: বিনোদন

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যু

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যু

    ঢালিউডের সোনালি দিনের জনপ্রিয় নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘ সময় ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাভেদ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং গোপনে চিকিৎসা চলছিল। গত বছরের এপ্রিলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

    জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ সকালেই তাঁর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। কয়েকদিন ধরে বাড়িতেই ডাক্তার ও দুই নার্স এসে তার পরিচর্যা করছিলেন। সকালে নার্সরা এসে দেখতে পান তাঁর সমস্ত শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। পরে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়রে। প্রথমে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরবর্তীতে তিনি ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে এসেছেন এবং সেখানে তার বদলানো পরিচয়-মুখে গড়ে ওঠে।

    নাটকীয় ক্যারিয়ারের শুরু হয় নৃত্যপরিচালনা দিয়ে। নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালের উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ থেকে। তবে তার ভাগ্যের ঘূর্ণি বদলে যায় ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে; এই ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজ তাঁকে ‘জাভেদ’ নামে খ্যাতি দেন।

    পরবর্তীতে একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ নামে এক আলাদা স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি চৌধুরীকে। জাভেদের আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। জীবদ্দশায় তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

    সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল ঝড়গ্রস্থ নাচ আর কঠোর একশন—এক ধরনের আকর্ষণীয় মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক যুগের সমাপ্তি বলেই মনে করছেন অনেকে। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।

    জাভেদের অসংখ্য ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তা্ন’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’।

    ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে ঢালিউড শিল্পী সমাজ ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি পর্দায় যা দিয়েছেন—উৎসবমুখর নাচ, আবেগঘন অভিনয় ও অনবদ্য উপস্থিতি—সেগুলো দীর্ঘদিন স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেই।

  • ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান, ওরফে কেআরকে-কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে পেশ করার কথা রয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকার একটি আবাসিক ভবনে চার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে মুম্বাই পুলিশ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন যে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। পুলিশের ধারণা মোতাবেক ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ ও আরও প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত চলছে।

    অভিনেতা পুলিশকে জানান, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য তিনি বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভ এলাকার দিকে গুলি ছোড়েন। তিনি বলেন, বাতাসের গতিবেগের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে গিয়ে লাগে।

    কামাল আর খান বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে একটি যৌন হেনস্তার মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারবিষয়ক অভিযোগ উঠেছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কটাক্ষমূলক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে। স্থানীয় পুলিশ এখন ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানানো হয়েছে।

  • ওশিওয়ারায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    ওশিওয়ারায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় এক আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও সমালোচক কামাল আর খান, যিনি কেআরকে নামে বেশি পরিচিত,কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করার কথা রয়েছে।

    পুলিশ সূত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওশিওয়ারার ওই আবাসিক এলাকায় চার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহের ভিত্তিতে কেআরকে-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিনেতা স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তার ছিল না। তার কথায়, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করতে বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি করেছিলেন। বাতাসের গতিবেগের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে গিয়ে লাগে—এটাই তার ব্যাখ্যা।

    পুলিশ জানিয়েছে তারা ঘটনার পুরোপরি পরিবেশনা যাচাই করছে এবং সিসিটিভি, শোনা-পরিচিতদের বয়ান ও অন্যান্য প্রমাণাদি পরীক্ষা করে তদন্ত চালাচ্ছে। ঘটনার ফলে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও নিরাপত্তা নিয়ে সংঘর্ষাজনিত প্রশ্ন তুলেছেন।

    কামাল আর খান বলিউডে একটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে তিনি এক যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং সামাজিক গণমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ এবং উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে।

    ঘটনার তদন্ত চলছে; পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রমাণসমূহের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কি অভিযোগে মামলা করা হবে তা আদালতে তার হাজতির সময় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের স্বর্ণযুগের খ্যাতনামা অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে চিকিৎসা শেষে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মৃত্যুকালে বয়স ছিলেন ৮২ বছর।

    মৃত্যুর খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চলছিল, পরে বাড়িতেও চিকিৎসা চলছিল। আজ দুই নার্স এসে জানান, শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁর গায়ের তাপ অনুভূত হচ্ছিল না। এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে যান, পরে জীবনের ছন্দ তাঁকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। অভিনেতার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।

    তিনি ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষিক্ত হন। কিন্তু রোল বদলে দেন ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’—এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনেত্রী শাবানা অভিনয় করেছিলেন এবং পরিচালক মুস্তাফিজ তাঁকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    নৃত্যশৈলী ও নাচের দক্ষতাকে কেন্দ্র করে ইলিয়াস জাভেদ দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ স্থান করে নেন। পরবর্তী সময়ে একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে ৭০ ও ৮০-এর দশকের দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ ছাপ রেখে যান। নৃত্য পরিচালনা থেকে তার চলচ্চিত্রভরা ক্যারিয়ার গড়ে ওঠে এবং পরে তিনি নায়ক হিসেবেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘদিন নানা শারীরিক জটিলতা ও ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন।

    জাভেদ অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক প্রজন্মের স্মৃতি হারালো। শিল্পী পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালি দিনের বিশিষ্ট অভিনেতা ও কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

    জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘‘আজ সকালে উনার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। ঈমানদার চিকিৎসা ও নার্সিং সেবা চলছিল। সকালের দিকে নার্সরা এসে বললেন, তার সারাব্যাপী শীতলতা দেখা যাচ্ছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’’

    জানা গেছে, ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত বছরের এপ্রিলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন; পরে বাসাতেই চিকিৎসা চলছিল এবং চিকিৎসক-নার্সরা নিয়মিত সেবা দিয়ে আসছিলেন।

    ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও পরিণতি তাঁকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। অভিনয়ের আগে তিনি নৃত্য পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন; পরে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। তার আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস।

    বানিজ্যিক ও নৃত্য-ভিত্তিক অভিনয়ের মিশেলে ১৯৬০-৭০ ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ নামে সুপরিচিত ছিলেন। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে; ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে বড় পর্দায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ওই সময়কার পরিচালক মুস্তাফিজই ছবির প্রয়োজনে তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং দর্শকদের মনে নৃত্য ও একশোভিত অ্যাকশনের অদ্বিতীয় মিশ্রণ রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।

    জাভেদের কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি স্বরণীয় অধ্যায় শেষ হলো। দীর্ঘদিন নিরিবিলি চিকিৎসা নেওয়া এই গুণী শিল্পীর স্মৃতিচিহ্ন দর্শক ও সহকর্মীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন রাখবে।

  • ওশিওয়ারা এলাকায় গুলি চালানোর অভিযোগে কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারা এলাকায় গুলি চালানোর অভিযোগে কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ে ওশিওয়ারা এলাকায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (রূপে পরিচিত ‘কেআরকে’)কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করার কথা রয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকার একটি আবাসিক ভবনের দিকে চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেন যে গুলোটি তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। অভিনেতার কথায়, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার জন্য তিনি বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি ছোড়েন। বাতাসের প্রভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিগুলো পাশের আবাসিক ভবনে লাগে, এমনটাই তিনি পুলিশকে বলেছেন।

    পুলিশ ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং অন্যান্য সম্ভাব্য তথ্য পেতে আরও তদন্ত চালাচ্ছে। কর্মকর্তারা সিসিটিভি ফুটেজ, গোলাগুলির দিক ও গুলির উৎস সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত পরীক্ষা করে ফলাফল হাতিয়ে নিচ্ছেন।

    কামাল আর খান সুপরিচিত বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। ২০২২ সালে তাকে একটি যৌন হেনস্থার মামলার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার উসকানিমূলক বা কটাক্ষাত্মক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি মামলা রয়েছে।

    ঘটনার আরও সূক্ষ্ম বিবরণ ও পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ঘোষণায় জানাবে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় থাকা একটি আবাসিক ভবনের দিকে চার rটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ এবং কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান সংগ্রহের পর মুম্বাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে কামাল আর খানকে আটক করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে গুলি তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই দেয়া হয়েছিল। তবে তিনি বলেছেন যে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেছেন, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য তিনি বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভ বনের দিকে গুলি ছোড়েন; বাতাসের দ্রুতগতির কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলি পাশের একটি আবাসিক ভবনে লাগে।

    পুলিশ এঘটনায় আরও প্রমাণ-সূত্র সংগ্রহ এবং সিসিটিভি ফুটেজের বিশ্লেষণ চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কামাল আর খান বলিউডে বিতর্কিত পরিচয়ের মধ্যেই রয়েছেন। ২০২২ সালে তাকে একটি যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে প্রতিবারের মতো এ খবরেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ আর উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ ও আদালত উভয় ক্ষেত্রেই নিয়মগত তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম চলছে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালী দিনের প্রশংসিত নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ দীর্ঘ আয়ুক্ষণী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরে সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে মারা গেছেন। তিনি ছিলেন ৮২ বছর বয়সী। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মৃত্যুর বিষয়টি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। চলচ্চিত্র অঞ্চলে বহুবিধ অবদানের জন্য ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করবে বলেই জানিয়েছেন দর্শক ও সহকর্মীরা।

    ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়রে জন্মগ্রহণ করেন ইলিয়াস জাভেদ; পরবর্তীতে পাঞ্জাবে তাদের পরিবার চলে গেলেও পরিণতি তাঁকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে নিয়ে আসে। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি এবং নানা শারীরিক জটিলতায়ও ভুগছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

    সংবাদমাধ্যমকে তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ ভোরে হঠাৎই শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি দেখা দেয়। কিছুদিন ধরে হাসপাতাল-নির্ভর চিকিৎসার পরিবর্তে বাসায় রেখেই চিকিৎসাসেবা চলছিল; চিকিৎসক ও দুই নার্স এখানে এসে দেখাশোনা করছিলেন। আজ সকালে নার্সরা জানান, তাঁর শরীর পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্র জীবনের সূচনা হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু filmu ‘নয়ী জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে; তবে ১৯৬৬ সালে বাংলা চলচ্চিত্র ‘পায়েল’ থেকে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন—এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    নৃত্য পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ারের দরজা খুলেছিলেন তিনি; পরে নায়ক ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে রঙিন পর্দায় নিজের ছাপ রেখে যায়। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জাভেদের আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। তার অভিনয় জীবনে শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।

    সত্তর ও আশি দশকের দর্শকদের কাছে তিনি ছিলেন পর্দায় চমকপ্রদ নাচ এবং অ্যাকশনের এক অনবদ্য মিলন। তার প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের একটি যুগের অবসান বলে many শিল্পমহল মনে করছে।

    জাভেদের খ্যাতনামা চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে চলচ্চিত্রcommunity এবং অসংখ্য ভক্ত। তিনি থেকে গেছেন অম্লান স্মৃতি—খাঁটি নৃত্য, উজ্জ্বল অভিনয় ও দর্শকদের মনে গেঁথে থাকা অসংখ্য চরিত্র।

  • ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলি ছোড়ার অভিযোগে বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আদেশ অনুযায়ী তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহের জেরে কেআরকেকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে গুলিগুলো তাঁর লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে অভিনেতার দাবি, তিনি কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে গুলি করেননি। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন যে, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না পরীক্ষা করতে তিনি নিজের বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভ বরাবর লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছিলেন। পরে বাতাসে লাফানো বা বাতাসের দিক পরিবর্তনের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একই আবাসিক ভবনে লাগেছে।

    মুম্বাই পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে; সিসিটিভি ফুটেজ, শুটিংয়ের দিকনির্দেশনা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই করা হচ্ছে।

    কামাল আর খান বলিউডে বিতর্কিত মুখ হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে এক যৌন হেনস্তার মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং সামাজিক গণমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষসহ উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি মামলা আছে। এখনকের গ্রেফতারি ও ঘটনার তদন্ত সেই প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের নজর কেড়েছে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যু

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যু

    ঢালিউডের স্বপরিচিত নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। গত দীর্ঘ সময় ক্যানসারে ভুগে ৮২ বছরে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন), খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।

    জাভেদ দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিছুদিন ধরেই তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন; হাসপাতালে থাকা সময় ও পরবর্তীতে চিকিৎসক ও দুজন নার্স নিয়মিত তার দেখাশোনা করছিলেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে দুজন নার্স জানান তার সারা শরীর ঠান্ডা ছিল, এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদমাধ্যমকে মৃত অভিনেতার স্ত্রী ডলি চৌধুরী এই তথ্যটি জানিয়েছেন।

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে গেলেও ভাগ্যে খোদ তাঁকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় নায়ক হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। সত্যিকারের খ্যাতি আসে ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘পায়েল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা। পরিচালক মুস্তাফিজই তার নাম দেন ‘জাভেদ’।

    নৃত্যপরিচালনাই ছিল তার ক্যারিয়ারের শুরু; পরে নায়ক ও নৃত্যশিল্পী হিসেবে থেকে যান দর্শকদের মনে। একের পর এক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়ে তিনি দর্শকদের মধ্যে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে টিকে ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিখ্যাত নায়িকা ডলি চৌধুরীর হাতেই বিবাহিত হন।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’ প্রভৃতি।

    সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ ছিলেন পর্দা কাঁপানো নাচ ও আকর্ষণীয় অ্যাকশনের এক আদর্শ মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি স্বতন্ত্র অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। চলতি সময় তার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা জানিয়ে অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।