Category: জাতীয়

  • মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন যারা নির্বাচিত হন

    মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন যারা নির্বাচিত হন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের পরই জাতীয় সংসদে শপথ নেন বিএনপির নির্বাচিত সদস্যরা। আজ সকাল থেকেই তারা শপথ গ্রহণ করেছেন, এবং বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সংসদ সদস্যদের শপথ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাদের জন্য নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে। এর মধ্যেই জানা গেছে, কিছু ছাড়া আরও কিছু নেতাকে শপথে অংশগ্রহণের জন্য ডাক পাওয়া হয়েছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও আব্দুল আউয়াল মিন্টু মূলত মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন।

    অপরদিকে, চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনও শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন বলে তিনি নিজেই গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

    শপথের দিন, টেলিফোনের মাধ্যমে বেশ কয়েকজন নেতা শপথের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন। শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া, পরবর্তী সময়ে শপথ নিতে প্রত্যাশিত বেশ কিছু নেতার নাম জানা গেছে, যেমন নুরুল হক নুর, বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি মীর শাহে আলম, যিনি বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী, এবং কিশোরগঞ্জ–৬ আসনের শরীফুল আলম, যিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে।

    এছাড়া জামালপুর–১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন।

    সাবেক ফুটবলার ও প্রার্থী আমিনুল হকও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, যদিও তিনি ঢাকা-১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হারেছেন।

    প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আরও ফোন পেয়েছেন পঞ্চগড়–২ (বোদা ও দেবীগঞ্জ) আসনের বিএনপি প্রার্থী ফরহাদ হোসেন, যিনি জাতীয় নির্বাহী পরিষদের পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির সদস্যসচিব।

    তিনি ছাড়া, হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন টেকনোক্রেট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।

    কুমিল্লা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদও মন্ত্রী হবেন। তিনি এই আসনে ছয় বার নির্বাচন করেছেন এবং প্রতিবারই বিজয়ী হয়েছেন।

    সিলেট-৪ আসনের বিএনপি সদস্য আরিফুল হক চৌধুরীও শপথ নেওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন।

    নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে ডাক পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের।

    অতিরিক্ত, বরিশাল–১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনও ডাক পেয়েছেন।

  • বিএনপি গঠন করবে নতুন ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা

    বিএনপি গঠন করবে নতুন ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা

    বিএনপি এখন নতুন একটি শক্তিশালী মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৫০ সদস্য থাকবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রায় বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবেন।

    তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় রয়েছেন ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতারা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, শেখ রবিউল আলম, আসাদুল হাবিব দুলু, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, মোহাম্মদ আমিনুর রশীদ (টেকনোক্রেট), ও খলিলুর রহমান (টেকনোক্রেট)।

    অপরদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম ও আমিনুল হক।

    নতুন এই মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে বিএনপি তাদের রাজনৈতিক শক্তি আরও বাড়াতে চায় এবং দেশের বিভিন্ন স্তরে তাদের প্রতি জনগণের আস্থা ও সমর্থন বৃদ্ধির চেষ্টা করবে।

  • নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কাজ শুরু করলেন নাসিমুল গনি

    নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কাজ শুরু করলেন নাসিমুল গনি

    নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশের জনস্বার্থে সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বলে জানান ড. নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে কাজ করেছেন, সেভাবেই ভবিষ্যতেও কাজ করবেন। সোমবার সচিবালয়ে অপারেশনাল দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি এই কথা জানান।
    প্রথমে দুপুরে এ পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়। এর আগে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এখন তাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
    দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি সচিবালয়ের নতুন ভবনে এসে উপস্থিত হন। তখন গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নাসিমুল গনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আনন্দিত ও গর্বিত এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পেরে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আমরা একসাথে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। আমি জানি, আমি অতীতে যেমন কাজ করেছি, তেমনি দেশের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
    তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনি নতুন মন্ত্রিসভায় যোগদান করছেন, যা আগামীকাল মঙ্গলবার সংসদ সদস্যের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। সোমবার সকালে দুই দফায় সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, এর পর বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী সদস্য সংখ্যা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে, তবে মূল প্রক্রিয়াটি অন্য কোনও নতুনায়নের মতো নয়।’
    উল্লেখ্য, ট্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর গত শনিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে থাকা শেখ আবদুর রশিদের চুক্তি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। তার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে আনা হয় প্রধান উপদেষ্টা ও মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে, যিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার দায়িত্বের পাশাপাশি এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।
    নাসিমুল গনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ সচিবালয়ের কর্মকর্তা, বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার। তার মেধা তালিকায় তিনি ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন, পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর তিনি ভূমিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব, ইরাকের বাগদাদের বাংলাদেশের প্রথম শ্রম সচিব, বিভিন্ন জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক, যুগ্ম-পরিচালক, উপসচিব, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত সচিব এবং রাষ্ট্রপতির সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন।
    বর্তমানে, তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন এবং দেশের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে অবিচল থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  • সংসদ সদস্যরা একদিনে দুটি শপথ নেবেন

    সংসদ সদস্যরা একদিনে দুটি শপথ নেবেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একদিনে দুইটি শপথ গ্রহণ করবেন। প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে, এরপর আলাদাভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন তারা। এ ঘটনা খুব শিগগিরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যাতে সব প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সচিব কানিজ মওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শপথের এই কার্যক্রমের পাশাপাশি, একইদিন বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সংসদ মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতীয় ভোটাভুটিতে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়ী হওয়ায় এখন সংবিধান সংস্কার সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য জুলাই মাসে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত একটি বিশেষ সনদ প্রকাশ করা হয়। এই সনদের ভিত্তিতে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একসাথে দু’টি শপথ নেবেন—একটি হিসেবে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিবেন, অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে।

    সংসদ শপথ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফরম প্রস্তুত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শপথের এইসময়, সংসদ সদস্যরা শপথবইয়ে সই করবেন। এ জন্য প্রস্তুতিপত্র তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, জুলাই সনদে থাকা সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্যে সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় শপথের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা জানান, মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে, এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন। এর ফলে, সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবগুলো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    জুলাই সনকের বিরুদ্ধে বিএনপি কিছু প্রস্তাবে ভিন্ন মত পোষণ করেছে, তবে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই প্রস্তাবের অধিকাংশ অংশে একমত। তারা পুরো সংবিধান সংস্কার প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে আগ্রহী।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দীর্ঘ আলোচনা শেষে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের জন্য ঐকমত্য গড়ে ওঠে। এর মধ্যে ৪৮টি প্রস্তাব সরাসরি সংবিধান সংশ্লিষ্ট যা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে পাস হয়।

    সংবিধান সংশ্লিষ্ট এই প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপে কার্যক্রম চালানো হয়। প্রথম ধাপে, গত বছর ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি এই সংক্রান্ত আদেশ জারির মাধ্যমে আইনি ভিত্তি তৈরি করেন। এরপর, ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট হয়, যেখানে প্রস্তাবগুলোতে সমর্থন পায়। এখন, তৃতীয় পর্যায়ে, সংসদ সদস্যদের দ্বারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও কার্যক্রম শুরু হবে।

    সংস্কারকাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কিছুটা কমানো, রাষ্ট্রপতির কিছু নিয়োগের ক্ষমতা বাড়ানো, সংসদ দ্বি-নক্ষত্রবিশিষ্ট করা, এবং সংবিধানে নিয়োগ প্রক্রিয়া সোজা করে দেওয়া।

    তবে, উচ্চকক্ষের গঠন ও কিছু সংবিধানবিরোধী প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা বেশ কিছু সংবিধান সংস্কারে তাদের মতামত একাত্মতা দেখায়।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

    সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এই_brief সাক্ষাৎকারে তারা একে অন্যের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্বকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্ব পালনকালে বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই সাক্ষাৎকারটি দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা এবং একে অন্যের প্রতি সম্মান ও আস্থা বৃদ্ধির এক সুন্দর উদাহরণ।

  • এনসিপি সন্ধ্যায় যমুনায় যাবেন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে

    এনসিপি সন্ধ্যায় যমুনায় যাবেন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে

    অবশেষে সম্প্রতি জুলাই সনদে স্বাক্ষর কর_confirmation করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ সোমবার সন্ধ্যায় দলটির একজন প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় উপস্থিত হয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষর কার্যক্রমে অংশ নেবে। দুপুর দেড়টার দিকে এনসিপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ খবর জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সন্ধ্যা ৬টায় যমুনায় যাবে। এই দলে থাকবেন— সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মূসা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন ও জাবেদ রাসিন।

    উল্লেখ্য, গত বছর ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়, যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। পাশাপাশি, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজসহ কমিশনের অন্য সদস্যরাও এই সনদে স্বাক্ষর করেন।

    তবে, চলতি সময় পর্যন্ত এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) এবং বাংলাদেশ জাসদও এই সনদে স্বাক্ষর করেনি।

    উল্লেখ্য, এই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর কার্যক্রমে অংশ নেয় ২৫টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, নাগরিক ঐক্যের মহাসচিব মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) শীর্ষ নেতা, খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য দলের প্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মনোভাবাপন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। এই স্বাক্ষর কার্যক্রম আগামী দিনগুলোয় দেশব্যাপী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় ঐকমত্য বাড়ানোর লক্ষ্যে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • এবার একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান

    এবার একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান

    সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের পাবলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ৯ জন ব্যক্তিকে এবং একট প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করার জন্য। রোববার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠান শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতি পেতে মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন অভিনয়ে জনপ্রিয় নায়িকা ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলার প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতের জন্য আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ডাঃ মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্য্যে তেজস হালদার জস। এছাড়াও সংগীতের মাধ্যমে ওয়ারফেজ নামক সংগঠনকে এ বছর এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই পদক দেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকার স্বীকৃতি হিসেবে দারুণ সাড়া ফেলেছে।

  • শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু, থাকবেন ১২শ’ বিদেশি-দেশি অতিথি

    শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু, থাকবেন ১২শ’ বিদেশি-দেশি অতিথি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলমান। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ’ দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের এক মহামূল্যবান অনুষ্ঠান। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এ দিন শপথ নেবেন এবং তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদে সদস্য হিসেবে পৃথকভাবে শপথগ্রহণ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতির বাইরে এবার এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সরাসরি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। নতুন মন্ত্রী পরিষদের শপথ পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া। বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ’ জন দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার অনুষ্ঠানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগর বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রার উপস্থিতির সম্ভাবনাও রয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এ ঘটনার মাধ্যমে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ব্যাপক উত্তেজনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

  • হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুইজনের মৃত্যু

    হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুইজনের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় হাতবোমা তৈরির সময় একটি ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে, resulting in the tragic deaths of two individuals। এছাড়া আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তারা সারা শরীরের ঝলসানো আঘাত পেয়েছেন।

    ঘটনা xảyেছে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে, যখন এলাকার একটি বাড়িতে সামরিক বা অপহরণমূলক কার্যকলাপের জন্য বোমা প্রস্তুত করছিলেন কিছু ব্যক্তিরা। এই ঘটনায় শোচনীয় বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত ব্যক্তিদের নামতালিকা এখনও পাওয়া যায়নি।

    আহত ব্যক্তিরা হলেন— ফাটাপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান (২০), জেনারুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ (২২) এবং অপর একজন, রফিজুল ইসলাম এর ছেলে শুভ (২০), যারা সবাই আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়।

    পুলিশের মতে, রাতে ওই বাড়িতে বোমা তৈরির কাজে অংশ নেওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হয় এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের ফিরে স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    এই বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দলরা উপস্থিত হয় এবং উদ্ধার কাজ শুরু করে। বিস্ফোরণে আহতদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে, এবং যেখানে ঘটনার মূল স্থান ছিল সেখানে বাড়িটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    পুলিশ অবস্থিতি এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।

  • নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মান উন্নত হওয়া সম্ভব হয়েছে

    নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মান উন্নত হওয়া সম্ভব হয়েছে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গ্রহণযোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সফলভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, এই নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের প্রশংসা পেয়েছে। তবে, নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা এবং ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশানুরূপ না হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষকরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে ইইউয়ের নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এ সব কথা জানান। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন নিরলস পরিশ্রম করেছে। তারা নিজেরা স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে গোষ্ঠী এবং জনতার আস্থার যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

    ইজাবস মন্তব্য করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের পথ সুগম হয়েছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো এমন সত্যিকার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা নতুন আইনি কাঠামো চালু থাকায় আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে মর্যাদাপূর্ণ করেছে।

    অথচ, তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা কিছু ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন হলেও মূলত সেটি মনোভাবগত বা অনলাইন প্রপাগান্ডা দ্বারা সৃষ্ট, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    ইইউ পর্যবেক্ষকরা আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে অংশগ্রহণকারীদের বিশ্বাস অর্জন করেছে। তারা জানান, আইনি কাঠামো এখন গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য শক্তিশালী, তবে ২০২৫ সালের নতুন সংশোধনী ও সংস্কারগুলো আরও বেশি নিশ্চিত করবে প্রতিপক্ষের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করে, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এ সময়ের উদ্যোগ আরও চালিয়ে যেতে হবে।

    প্যারিছেপটেন্টরা বলছেন, কমিশন নির্বাচনকে আবার জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। তারা দেখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডার গঠনমূলক সহায়তা দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের দ্রুত জবাব দেওয়া হয়েছে, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যক্ত করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চালু রাখা হয়েছে।

    অথচ, নারী অংশগ্রহণ নিয়ে ইরাকস ইজাবসের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থী ও ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে কম। এটি গণতান্ত্রিক অঙ্গনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।

    উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক। এটি ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশের জন্য প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।