Category: জাতীয়

  • গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

    গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ মোজাহিদপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ছিনতাইকারীর সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তিন সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল ইদিলপুর ইউনিয়নের মাদারহাট ব্রিজের কাছে ছিনতাই করার চেষ্টা করে। তবে ওই এলাকায় অবস্থানকারী স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের লক্ষ্য করে ধাওয়া করে। ছিনতাইকারীরা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু খোদ্দ মোজাহিদপুরে এসে ড্রাইভিং হারিয়ে মোটরসাইকেলটি পুকুরে পড়ে যায়। সেহরির সময় খবর ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বলেন। গল্পের দুই সদস্য পুকুরে পড়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। অন্য একজন সদস্য অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিম উদ্দিন জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে তাদের পরিচয় জানার জন্য বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।

  • তিন বিভাগে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে

    তিন বিভাগে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে

    চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা দুই দিনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, বিশেষ করে খুলনা বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। একইসঙ্গে বরিশাল বিভাগের প্রায় সব জেলা ও চট্টগ্রামের উত্তরাঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।

    অপর দিকে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিন কিছুটা বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আজ ২০ ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাব্য এই বৃষ্টিপাতের পর তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার পরে স্বস্তি ফিরে আসতে পারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

  • জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী Миржа ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি অব্যাহত, সমৃদ্ধ দেশ গড়া, যেখানে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ চলছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রতি জবাবদিহি করা, কারণ আমরা সবাই মিলেই দেশের ভবিষ্যত নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় তিনি এই কথা বলেন, যেখানে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনাও দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর নেতৃত্বে।

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি সফল রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরগুলো অত্যন্ত অপরিহার্য। ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে সবাই যদি দলগতভাবে একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো নির্মাণ নয়, বরং জনগণের বিশ্বাসও পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    মন্ত্রী আরো যোগ করেন, গ্রামে বসবাসরত মানুষগুলো কষ্টে রয়েছেন — এটি শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য সমাজ, সরকার ও আগ্রহী নাগরিকদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ধাপে ধাপে গ্রামীণ জনগণের সংকট কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।

    এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত। সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে অটুট রেখে, জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একটি অবিচ্ছিন্ন সামাজিক চুক্তি। তাই, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য এই মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

    সার্বিকভাবে, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিলে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন দ্রুত হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগ অন্যতম চালিকা শক্তি হবে বলে তিনি বিশ্লেষণ করেন।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য দ্রুত সংস্কার কার্যকর করতে হবে। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, দেশের রাজনীতি দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচন মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে। এই দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই পরিবর্তনের ফলে জনগণের সরকারের প্রতি প্রত্যাশা আরও বেশি। তিনি গুরুত্বের সঙ্গে নির্দেশ দেন, নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে। বিশেষ করে, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আনয়ন ও আধুনিকীকরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    অপরাধ দমন ও আইনের শাসন আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন মুখ্য লক্ষ্য। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও নতুন জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হলে সঠিক পরিকল্পনা অপরিহার্য, বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ জন্য তিনি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সুপারিশ ও পরামর্শ জমা দিতে বলেন, যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

    মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সভার মাধ্যমে দেশের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

  • রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান বিলাল এরদোয়ানের

    রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও জোরদারের আহ্বান বিলাল এরদোয়ানের

    রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ছেলে, নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ান। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকেই তুরস্ক সরকার মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে সংক্ষিপ্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে, সকাল পনেরো মিনিটের মধ্যে ঢাকা থেকে এ বিশেষ বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান তিনি ও তার ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ দলে ছিলেন জার্মানির প্রাক্তন ফুটবলার মেসুত ওজিলসহ টুরস্কের বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা।

    উখিয়া পৌছানোর পর প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান ও পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান। এরপর তারা উখিয়ার শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। তারা রোহিঙ্গাদের জন্য সরকার ও সাধারণ মানুষের অসাধারণ সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

    মতবিনিময় সভা শেষে, নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ান ও তার প্রতিনিধি দল উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরে যান। সেখানে তারা তুরস্কের পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতাল, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা টিআইকেএ’র মাল্টিপারপোজ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার পরিদর্শন করেন, এবং রোহিঙ্গাদের জন্য আয়োজিত একটি charity ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন।

    ফুটবল ম্যাচ শেষে, এই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করবেন। এক দিনের এই সরকারি সফরে, তারা রোহিঙ্গাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন।

    সাক্ষরত দলে আছেন তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থার সভাপতি আব্দুল্লাহ এরেন, ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং অন্যান্য সরকারি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি।

    পরিদর্শন শেষে রাতে এই দলটি ঢাকায় ফিরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই সফরটি রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক সমর্থন ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

    প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক বিজয়ে তারেক রহমানকে শুভকামনা ও সফলতা কামনা করেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। এই সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, যা শক্তিশালী এবং সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ট্রাম্পের চিঠিতে আরও বলা হয়, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়ন কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য উপকারি হবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে উন্নত সুরক্ষা ও প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমেরিকার উচ্চ মানের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়।

    অন্তর্বর্তীভাবে, ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি, যার মাধ্যমে উভয় দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ আরও দৃঢ় হবে।

  • ইসির নির্দেশ: ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করুন

    ইসির নির্দেশ: ভোটকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করুন

    সদ্য সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। এ নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। বিশেষ করে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন দেখানো ফুটেজগুলো পরবর্তী যাচাই ও প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ অফিস আদেশে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোর ফুটেজ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক। ভোটের আগের দিন ও দিনকার ভিডিও ফুটেজগুলো ভবিষ্যতে যথাযথ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য অফিসিয়ালভাবে জমা দিতে হবে।

    এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো, নির্বাচনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে ও কোনো অনিয়মের তদন্তে এই ফুটেজগুলো গুরুত্বপূর্ণ পন্থা হয়ে উঠবে। নির্বাচনে ফলের বিষয়ে বিতর্ক বা কোনও অভিযোগ উঠলে, এই ভিডিও প্রমাণই মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • সামাজিক সুরক্ষার জন্য ফ্যামিলি কার্ডে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

    সামাজিক সুরক্ষার জন্য ফ্যামিলি কার্ডে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

    সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনভাবেই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের অপেক্ষা তিনি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগরা অংশ নেয়।

    মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে সমাজের দুর্বল ও হতদরিদ্র মানুষগুলোকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। তবে, এটা যেন রাজনীতি বা কোনো পক্ষপাতিত্বের কারণে না হয়, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহের সময় কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা অসচ্চরিত্র ব্যক্তি যেন এর সুবিধা নিতে না পারে, সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। সম্প্রতি ঘোষণা দেন যে, এই কার্ড দেওয়া হলে চলমান ভাতা ও সুবিধাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    আবু জাফর মো. জাহিদ আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এই কার্ড দেওয়া হবে। তবে, কতজনকে প্রথম ধাপে এবং কোন জেলায় এই সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন জেলায় ইতিমধ্যেই সার্ভে চালানো হয়েছে এবং কিছু এলাকায় তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেন, তারা দ্রুত এই প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায় শুরু করতে চাইছেন। আসন্ন ঈদের আগে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কিছু এলাকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কতটুকু দ্রুত ও কতটুকু সংখ্যক মানুষকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে আগামী দুই এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য এই কার্ড প্রদান করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ে কতজনকে কার্ড দেওয়া হবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি; তবে কিছু এলাকায় আগে থেকেই এই পরিকল্পনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমেই মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি, যার মধ্যে ক্যাশ টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো জাতির অন্যতম দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সঠিক ও সময়োচিত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।

  • রমজানেই চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড: পরিবেশ মন্ত্রী

    রমজানেই চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড: পরিবেশ মন্ত্রী

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে এই রমজানেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার, জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। সভায় ফ্যামিলি কার্ডের বাস্তবায়ন ও কার্যক্রমের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এটি নির্বাচনী ইশতেহারে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কীভাবে এটি কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই কার্ড সুবিধা প্রত্যেকের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নয়। একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে; যা হতদরিদ্র থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই সুবিধা নিশ্চিত করবে। আরও জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি জানান, এই প্রকল্পটি মূলত সার্বজনীন এবং সব সুবিধাভোগীর জন্য উন্মুক্ত। প্রশ্ন করা হয়, কি এই রমজানেই এই উদ্যোগের শুরু হবে কিনা, মন্ত্রী উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, ঈদের আগে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি চালু হবে।’ প্রধানমন্ত্রী চান, অন্তত ঈদের আগে এর সূচনা সম্পন্ন হোক, বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, সিপিবি জোর দিয়েছে যে, আগামী অর্থবছরে যদি ফ্যামিলি কার্ড চালু না হয়, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচন পরবর্তী সময়ের জন্য আশা করা যায়। এ বিষয়ে সংবাদ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, মন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘এটি অবশ্যই চালু হবে, কোনো সমস্যা নেই। আমাদের কাজ হচ্ছে কার্যক্রমের ব্যাখ্যা এবং কৌশল নির্ধারণ।’

  • ফের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প অনুভূত হল দেশের বিভিন্ন অংশে, কেন্দ্রীয় পাহাড়ি অঞ্চল ছাতক

    ফের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প অনুভূত হল দেশের বিভিন্ন অংশে, কেন্দ্রীয় পাহাড়ি অঞ্চল ছাতক

    দেশের বিভিন্ন এলাকা আবারও ভূকম্পনে কেঁপে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, এর মাত্রা ছিল ৪.১ রিখটার স্কেলে। তারা আরও জানায়, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকাতে।

    অন্যদিকে, মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টের মতে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল রাজধানী ঢাকার কাছ থেকে প্রায় ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। এই কম্পন সিলেট নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে কিছু সময়ের জন্য অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.১। উৎপত্তিস্থল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে থাকায় আশপাশের এলাকাগুলোতে তা অনুভূত হয়েছে। এটি হয়তো ক্ষণস্থায়ী হলেও, মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতা অবলম্বন করছে।