ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) একটি শুভেচ্ছা বার্তায় প্রফেসর ইউনূস উল্লেখ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। তারা দৃঢ়প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখিয়েছেন এবং নির্বাচনের ফলাফল শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণে অবদান রেখেছেন। সদরূপে, নির্বাচনজুড়ে তার নেতৃত্বে দল সহযোগিতা, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ড. ইউনূস আরও বলেন, নির্বাচনি প্রচার থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত জামায়াতের এই দৃষ্টিভঙ্গি দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন জামায়াতের কাছ থেকে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা পাওয়া গেছে। বর্তমান সময়ে দেশ বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে—বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার—এ সব বিষয়ে সরকারের এবং বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াত একজন দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে পার্লামেন্ট ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক নীতিতে পরামর্শ দেওয়া, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, এবং সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও পরিবেশযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। তিনি মনে করেন, জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে জামায়াতের এই নেতার ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বার্তার শেষাংশে প্রফেসর ইউনূস মহান আল্লাহর কাছে ডা. শফিকুর রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করেন।
Category: জাতীয়
-

সংসদ সদস্যদের শপথের তারিখ জানালেন শফিকুল আলম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান আগামী ১৬ এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতের দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই অনুমোদন দেয়। এরপর, সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষর করা গেজেট প্রকাশ করা হয়। এই গেজেটের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদে নির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
গণভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ও গেজেট পাওয়া গেছে ইসির পক্ষ থেকে। ফলাফলে জানা যায়, মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। ভোটাদানির হার ছিল ৬০.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে বিপুল সংখ্যক ভোট পড়েছে ‘হ্যাঁ’—প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৪টি, আর ‘না’ ভোট দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। পাশাপাশি, ভোট বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন, যেখানে মোট ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই নির্বাচনের ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইসি গতকাল শুক্রবার দিয়েছে। উল্লেখ্য, কিছু আসনের ফলাফল এখনো আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রকাশ হয়নি। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-২ ও ৪ নম্বর আসনের ফলাফলের গেজেট এখনো জারি হয়নি।
নির্বাচনে বিএনপি প্রতিনিধিরা ব্যাপক বিজয় অর্জন করেছে। তারা মোট ২০৯টি আসনে দখল করে নিয়েছে। এর পাশাপাশি, দুই আসনের ফলাফল স্থগিত থাকলেও বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। বিএনপির সহিদসহ শীর্ষ শরিকেরা মোট ৩টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ৬৮টি আসন জিতেছেন, যখন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যশক্তির শরিকরা ৯টি আসন দখল করে নিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৭জন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটিতে বিজয়ী হয়েছে।
-

সপ্তাহজুড়ে বাড়বে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া
উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে বাংলাদেশের আবহাওয়া আগামী সপ্তাহ জুড়ে প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে পরের ১২০ ঘণ্টার জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, এ সময়ের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির খুব কম সম্ভাবনা। ভোরের সময় কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। প্রথমে তাপমাত্রা আনুমানিক ভাবে অপরিবর্তিত থাকলেও সপ্তাহের শেষের দিকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায়। অন্যদিকে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে, যার বিস্তার উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। এ দিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও কিছুটা বাড়তে পারে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) একই সময়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা অপ্রয়ত্তির থাকলেও দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে বলা হয়েছে, সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
সবশেষ, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) একই সময়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশ ও শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
-

কোন আসনে কে জিতেছেন?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ২৯৯টি আসনের বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব কার হাতে উঠবে? বিশেষত কোন আসনে কোন হেভিওয়েট প্রার্থী জেতেছেন, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
নিচে সারাদেশ থেকে পাওয়া বেসরকারি ফলাফল ও বিজয়ীদের সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো—
আসন নং ১ : পঞ্চগড়-১ : মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২ : পঞ্চগড়-২ : ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩ : ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪ : ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫ : ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬ : দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭ : দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮ : দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯ : দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০ : দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)
আসন নং ১১ : দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২ : নীলফামারী-১ : অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৩ : নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৪ : নীলফামারী-৩ : মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫ : নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬ : লালমনিরহাট-১ : ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭ : লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দিন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮ : লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯ : রংপুর-১ : রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২০ : রংপুর-২ : এটিএম আজাহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১ : রংপুর-৩ : মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২২ : রংপুর-৪ : আখতার হোসেন (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৩ : রংপুর-৫ : অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৪ : রংপুর-৬ : নুরুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৫ : কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬ : কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭ : কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৮ : কুড়িগ্রাম-৪ : মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯ : গাইবান্ধার-১ : মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩০ : গাইবান্ধার-২ : আব্দুল করিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩১ : গাইবান্ধার-৩ : নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩২ : গাইবান্ধার-৪ : শামীম কায়সার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৩ : গাইবান্ধার-৫ : আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৪ : জয়পুরহাট-১ : ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৫ : জয়পুরহাট-২ : আব্দুল বারী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৬ : বগুড়া-১ : কাজী রফিকুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৭ : বগুড়া-২ : মীর শাহে আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৮ : বগুড়া-৩ : আব্দুল মোহিত তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৯ : বগুড়া-৪ : মো. মোশারফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪০ : বগুড়া-৫ : গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪১ : বগুড়া-৬ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪২ : বগুড়া-৭ : মোরশেদ মিলটন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৩ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : মো. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৪ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : মু. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৫ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ : নরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৬ : নওগাঁ-১ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৭ : নওগাঁ-২ : ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৮ : নওগাঁ-৩ : মো. ফজলে হুদা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৯ : নওগাঁ-৪ : ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫০ : নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫১ : নওগাঁ-৬ : শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫২ : রাজশাহী-১ : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৩ : রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৪ : রাজশাহী-৩ : অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৫ : রাজশাহী-৪ : আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৬ : রাজশাহী-৫ : অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৭ : রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৮ : নাটোর-১ : ফারজানা শারমীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৯ : নাটোর-২ : এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬০ : নাটোর-৩ : মো. আনোয়ারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬১ : নাটোর-৪ : অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬২ : সিরাজগঞ্জ-১ : সেলিম রেজা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৩ : সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহ্মুদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৪ : সিরাজগঞ্জ-৩ : আইনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৫ : সিরাজগঞ্জ-৪ : রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৬ : সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৭ : সিরাজগঞ্জ-৬ : এম এ মুহিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৮ : পাবনা-১ : নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৯ : পাবনা-২ : এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭০ : পাবনা-৩ : মাওলানা আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭১ : পাবনা-৪ : আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭২ : পাবনা-৫ : শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৩ : মেহেরপুর-১ : মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৪ : মেহেরপুর-২ : নাজমুল হুদা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৫ : কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৬ : কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়اتے ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৭ : কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৮ : কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৯ : চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮১ : ঝিনাইদহ-১ : মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮২ : ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৩ : ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৪ : ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৫ : যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৬ : যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৭ : যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮৮ : যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৯ : যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯০ : যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯১ : মাগুরা-১ : মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৩ : নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৪ : নড়াইল-১ : মো. আতাউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯৫ : বাগেরহাট-১ : মাওলানা মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯৬ : বাগেরহাট-২ : শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯৭ : বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৮ : বাগেরহাট-৪ : আব্দুল আলিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯৯ : খুলনা-১ : আমির এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০০ : খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০১ : খুলনা-৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০২ : খুলনা-৪ : এস কে আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৩ : খুলনা-৫ : আলি আসগর লবি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৪ : খুলনা-৬ : আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৫ : সাতক্ষীরা-১ : মো. ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৬ : সাতক্ষীরা-২ : আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৭ : সাতক্ষীরা-৩ : রবিউল বাসার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৮ : সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৯ : বরগুনা-১ : মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা)
আসন নং ১১০ : বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১১ : পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১২ : পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১১৩ : পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ১১৪ : পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৫ : ভোলা-১ : আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি-গরুর গাড়ি)
আসন নং ১১৬ : ভোলা-২ : মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৭ : ভোলা-৩ : হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৮ : ভোলা-৪ : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৯ : বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২০ : বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২১ : বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২২ : বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৩ : বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৪ : বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৫ : ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৬ : ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৭ : পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১২৮ : পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৯ : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩০ : টাঙ্গাইল-১ : ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩১ : টাঙ্গাইল-২ : আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩২ : টাঙ্গাইল-৩ : লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র/বিএনপি বিদ্রোহী)
আসন নং ১৩৩ : টাঙ্গাইল-৪ : লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৪ : টাঙ্গাইল-৫ : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৫ : টাঙ্গাইল-৬ : মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৬ : টাঙ্গাইল-৭ : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৭ : টাঙ্গাইল-৮ : আহমেদ আযম খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৮ : জামালপুর-১ : রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৯ : জামালপুর-২ : সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪০ : জামালপুর-৩ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪১ : জামালপুর-৪ : ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪২ : জামালপুর-৫ : অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৩ : শেরপুর-১ : হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৪৪ : শেরপুর-২ : মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৫ : শেরপুর-৩ : নির্বাচন স্থগিত
আসন নং ১৪৬ : ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র প্রার্থী)
আসন নং ১৪৭ : ময়মনসিংহ-২ : মোহাম্মদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ১৪৮ : ময়মনসিংহ-৩ : প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৯ : ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫০ : ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫১ : ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান মিলন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫২ : ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৩ : ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৪ : ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৫ : ময়মনসিংহ-১০ : আখতারুজ্জামান বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৬ : ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৭ : নেত্রকোণা-১ : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৮ : নেত্রকোণা-২ : ডা. মো. আনোয়ারুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৯ : নেত্রকোণা-৩ : ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬০ : নেত্রকোণা-৪ : মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬১ : নেত্রকোণা-৫ : অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬২ : কিশোরগঞ্জ-১ : মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৩ : কিশোরগঞ্জ-২ : অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৪ : কিশোরগঞ্জ-৩ : ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৫ : কিশোরগঞ্জ-৮ : মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৬ : কিশোরগঞ্জ-৫ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ১৬৭ : কিশোরগঞ্জ-৬ : মো. শরীফুল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৮ : মানিকগঞ্জ-১ : এস এ কবির জিন্নাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৯ : মানিকগঞ্জ-২ : মইনুল ইসলাম খান শান্ত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭০ : মানিকগঞ্জ-৩ : আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭১ : মুন্সীগঞ্জ-১ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭২ : মুন্সীগঞ্জ-২ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৩ : মুন্সীগঞ্জ-৩ : মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৪ : ঢাকা-১ : আবু আশফাক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৫ : ঢাকা-২ : আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৬ : ঢাকা-৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৭ : ঢাকা-৪ : সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৭৮ : ঢাকা-৫ : মোহাম্মদ কামাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৭৯ : ঢাকা-৬ : ইশরাক হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮০ : ঢাকা-৭ : হামিদুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮১ : ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮২ : ঢাকা-৯ : হাবিবুর রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৩ : ঢাকা-১০ : শেখ রবিউল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৪ : ঢাকা-১১ : মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ১৮৫ : ঢাকা-১২ : সাইফুল আলম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৮৬ : ঢাকা-১৩ : ববি হাজ্জাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৭ : ঢাকা-১৪ : মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৮৮ : ঢাকা-১৫ : ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৮৯ : ঢাকা-১৬ : অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৯০ : ঢাকা-১৭ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯১ : ঢাকা-১৮ : এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯২ : ঢাকা-১৯ : দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৩ : ঢাকা-২০ : মো. তমিজ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৪ : গাজীপুর-১ : মো. মজিবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৫ : গাজীপুর-২ : এম মঞ্জুরুল করিম রনি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৬ : গাজীপুর-৩ : ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৭ : গাজীপুর-৪ : সালাহউদ্দিন আইউবি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৯৮ : গাজীপুর-৫ : এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৯ : নরসিংদী-১ : খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০০ : নরসিংদী-২ : ড. আবদুল মঈন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০১ : নরসিংদী-৩ : মনজুর এলাহী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০২ : নরসিংদী-৪ : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৩ : নরসিংদী-৫ : মো. আশরাফ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৪ : নারায়ণগঞ্জ-১ : মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দিপু)
আসন নং ২০৫ : নারায়ণগঞ্জ-২ : নজরুল ইসলাম আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৬ : নারায়ণগঞ্জ-৩ : আজহারুল ইসলাম (মান্নান) (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৭ : নারায়ণগঞ্জ-৪ : আবদুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২০৮ : নারায়ণগঞ্জ-৫ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৯ : রাজবাড়ী-১ : নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১০ : রাজবাড়ী-২ : হারুন-অর-রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১১ : ফরিদপুর-১ : ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১২ : ফরিদপুর-২ : শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৩ : ফরিদপুর-৩ : চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৪ : ফরিদপুর-৪ : শহিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৫ : গোপালগঞ্জ-১ : সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৬ : গোপালগঞ্জ-২ : কে এম বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৭ : গোপালগঞ্জ-৩ : এস এম জিলানী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৮ : মাদারীপুর-১ : সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ২১৯ : মাদারীপুর-২ : জাহান্দার আলী মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২০ : মাদারীপুর-৩ : আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২১ : শরীয়তপুর-১ : সাঈদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২২ : শরীয়তপুর-২ : মো. সফিকুর রহমান (কিরন) (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৩ : শরীয়তপুর-৩ : মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৫ : সুনামগঞ্জ-২ : মো. নাছির চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৭ : সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৮ : সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৯ : সিলেট-১ : খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩০ : সিলেট-২ : তাহসিনা রুশদীর লুনা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩১ : সিলেট-৩ : মোহাম্মদ আবদুল মালিক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩২ : সিলেট-৪ : আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৩ : সিলেট-৫ : মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস-দেয়াল ঘড়ি)
আসন নং ২৩৪ : সিলেট-৬ : এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৫ : মৌলভীবাজার-১ : নাসির উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৬ : মৌলভীবাজার-২ : মো. শওকতুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৭ : মৌলভীবাজার-৩ : এম. নাসের রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৮ : মৌলভীবাজার-৪ : মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৯ : হবিগঞ্জ-১ : ড. রেজা কিবরিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪০ : হবিগঞ্জ-২ : ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪১ : হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪২ : হবিগঞ্জ-৪ : সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৩ : ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ : এম এ হান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৪ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ২৪৫ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৭ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৮ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ২৪৯ : কুমিল্লা-১ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫০ : কুমিল্লা-২ : সেলিম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫১ : কুমিল্লা-৩ : শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫২ : কুমিল্লা-৪ : মো. আবুল হাসনাত (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৫৩ : কুমিল্লা-৫ : জসিম উদ্দিন (বিএনপি-धानের শীষ)
আসন নং ২৫৪ : কুমিল্লা-৬ : মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৫ : কুমিল্লা-৭ : আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র-কলস)
আসন নং ২৫৬ : কুমিল্লা-৮ : জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৭ : কুমিল্লা-৯ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৮ : কুমিল্লা-১০ : মোবাশ্বের আলম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৯ : কুমিল্লা-১১ : ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬০ : চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬১ : চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬২ : চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৩ : চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)
আসন নং ২৬৪ : চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৫ : ফেনী-১ : মুন্সি রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৬ : ফেনী-২ : অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৭ : ফেনী-৩ : আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৮ : নোয়াখালী-১ : এ এম মাহবুব উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৯ : নোয়াখালী-২ : জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭০ : নোয়াখালী-৩ : মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭১ : নোয়াখালী-৪ : মো. শাহজাহান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭২ : নোয়াখালী-৫ : মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৩ : নোয়াখালী-৬ : আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭৪ : লক্ষ্মীপুর-১ : শাহাদাত হোসেন সেলিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৫ : লক্ষ্মীপুর-২ : আবুল খায়ের ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৬ : লক্ষ্মীপুর-৩ : শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৭ : লক্ষ্মীপুর-৪ : এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৮ : চট্টগ্রাম-১ : নুরুল আমিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৯ : চট্টগ্রাম-২ : সরওয়ার আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮০ : চট্টগ্রাম-৩ : মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮১ : চট্টগ্রাম-৪ : মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮২ : চট্টগ্রাম-৫ : মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৩ : চট্টগ্রাম-৬ : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৪ : চট্টগ্রাম-৭ : হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৫ : চট্টগ্রাম-৮ : এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৬ : চট্টগ্রাম-৯ : আবু সুফিয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৭ : চট্টগ্রাম-১০ : সাঈদ আল নোমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৮ : চট্টগ্রাম-১১ : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৯ : চট্টগ্রাম-১২ : এনামুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯০ : চট্টগ্রাম-১৩ : সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯১ : চট্টগ্রাম-১৪ : জসিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯২ : চট্টগ্রাম-১৫ : শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৩ : চট্টগ্রাম-১৬ : মো. জহিরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৪ : কক্সবাজার-১ : সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৫ : কক্সবাজার-২ : মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৬ : কক্সবাজার-৩ : লুৎফুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৭ : কক্সবাজার-৪ : শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৮ : খাগড়াছড়ি : আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৯ : রাঙামাটি : দীপেন দেওয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩০০ : বান্দরবান : সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
উল্লেখ্য, এখানে দেওয়া তালিকাটি বেসরকারিভাবে সংগ্রহ করা ফলাফল অবলম্বনে তৈরি। সরকারের চূড়ান্ত ঘোষণার সঙ্গে পার্থক্য থাকতে পারে। বিস্তারিত ও চূড়ান্ত ফলাফল জানতে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
-

শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত: ইসি
নির্বাচন কমিশন (ইসি) তিনটি আসনের — শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ — ফলাফল আপিল বিভাগে দায়েরকৃত মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ করবে না। এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি চিঠি বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জারি করা হয়েছে।
চিঠিগুলোতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রতিটি বিষয়ে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ (CPLA) নং-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না — এটাই ইসির আইনগত বাধ্যবাধকতা।
চট্টগ্রাম-৪ (নির্বাচনী এলাকা ২৮১) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর ক্ষেত্রে আপিল বিভাগে দায়ের করা সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (উদ্বৃত: হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬) চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল স্থগিত থাকবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-২ (নির্বাচনী এলাকা ২৭৯) আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর সম্পর্কেও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; এখানে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ (উদ্বৃত: হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬) চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল প্রকাশ করা হবে না।
শেরপুর-২ (নির্বাচনী এলাকা ১৪৪) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর ফলাফলও আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬-এর চূড়ান্ত আদেশের ওপর নির্ভরশীল বলে চিঠিতে বলা হয়েছে।
চিঠিগুলোতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই সিদ্ধান্ত অনুধ্যায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই ওই আসনগুলোর ফলাফল চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে।
-

কুষ্টিয়ায় মুফতি আমির হামজার জয়
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ইসলামী বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে বেসরকারি ভাবে বিজয় লাভ করেছেন। এই ফলাফলে তিনি ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে যথেষ্ট সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত প্রায় ১২টার দিকে সকল কেন্দ্রের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, মুফতি আমির হামজা পেয়েছেন মোট ৫৩ হাজার ৭৮১ ভোট, যা তাকে লিড দিয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং এই আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হন।
এই বিজয় ঘোষণা পাওয়ার পরে সাংবাদিকদের প্রতি শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে মুফতি আমির হামজা বলেন, আমি সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। যদি আজকের ফলাফল সফলতা অর্জন করে, তবে এটি কুষ্টিয়া ৩ আসনের জনগণের বিজয়। আমি সব সময় এই জনগণের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করব। তিনি আরও যোগ করেন, যদি আমার প্রয়াত জেলা আমির অধ্যাপক আবুল হাসেম মহোদয় আজ জীবিত থাকতেন, তিনি এই বিজয়ে বেশ উচ্ছসিত হতেন।
আসনে মোট ১৪২টি কেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার ৬০০ জন। এই আসনে ভোট প্রদান করেছেন মোট ৩ লাখ ১৮ হাজার ৭৪০ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৮৪৩টি ভোট। বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৯৭। ভোটদান শতাংশের হার ৭২.৯৫। এই ফলাফলের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, নির্বাচনে সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেছেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগণনা সম্পন্ন হয়েছে।
-

নির্বাচন ও গণভোটে ২৯৯ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ২৯৯ আসনে গড়ে ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসি জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এসব ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। এ প্রতিবেদনের জন্য ইসি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই হার নির্ণয় করা হয়েছে। এর আগে, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফলের ঘোষণা সম্পন্ন হয়। ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই ঘোষণায় জানিয়েছেন, ২৯৭টি আসনের ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কিছু আসনের ফলাফল ঘোষণা অনুমোদনের জন্য এখনও স্থগিত রাখা হয়েছে, যেমন চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২, ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা না করার জন্য পৃথক চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই চিঠিগুলিতে বলা হয়েছে, এসব আসনে আদালতে মামলার চলমান বিষয় থাকায় ফল ঘোষণা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। তবে শেরপুর-২ আসনের ফলাফল ইতোমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু সে সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ এখনো সম্পন্ন হয়নি। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভোটের ফলাফল দেশের ভবিষ্যত রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের আরেকটি কঠিন দায়িত্ব হলো সব ফলাফল সঠিকভাবে ঘোষণা করা।
-

দিনভর নাটকীয়তার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর হার, জয়ী মির্জা আব্বাস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে দিনভর নানা নাটকীয় ঘটনা ও উত্তেজনায় ভরপুর শেষ মুহূর্তের আপডেটে, বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। পাঞ্জাবী ভোররাতে, পৌনে ৪টার দিকে ঢাকা বিভাগের কর্মকর্তাসহ রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ঢাকা-৮ আসনের ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিতে মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট। এর সঙ্গে ছিলো ২ হাজার ৮১৪টি পোস্টাল ভোট। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট, যার মধ্যে পোস্টাল ভোট ছিল ২ হাজার ৫৫৫। এই ফলাফলে স্পষ্ট দেখা যায়, নাটকীয়তায় শেষে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস, যেখানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর জয় সম্ভব হয় নি।
-

বাংলাদেশ যেন নির্বাচন থেকে যেন আর বিচ্যুত না হয়: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যেন আর কোনো সময়ই নির্বাচনীয় পথে বিচ্যুত না হয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত এবং আরও উন্নত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথপ্রদর্শক হবে।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টার কিছু আগে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর ভোটের জন্য সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সব আশঙ্কা কেটে গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্ত ভিত পেয়ে গেছে।
সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারির সকালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন হয়ে থাকবে। এই নির্বাচন গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের মূল অঙ্গীকার ছিল, আইন বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা ও একটি স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন। এই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কোথাও কোথাও যদি কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, তা অনিচ্ছাকৃত। গত দুই দিনের কিছু ঘাটতি থাকলেও, ভবিষ্যতে আমরা সেগুলো সংশোধন ও পূরণ করার জন্য চেষ্টা করব। নির্বাচনকে কেবল সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং একটি ব্যাপক দায়িত্ব মনে করে কমিশন কাজ করে গেছে।
দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সানাউল্লাহ বলেন, ভোটাররা ঈদের উৎসবের মতো পরিবেশে কেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নির্বাচন ঘিরে থাকা শঙ্কাও দূর হয়েছে। বাংলাদেশ আজ এক বিজয়ী জাতি।
অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চান, দেশি ও বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিএনসিসির শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
-

ইসি ঘোষণা করবেন না তিন আসনের নির্বাচনের ফলাফল
নির্বাচনি এলাকা শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা আগামী সময়ের জন্য স্থগিত থাকছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে আদালতের আপিল বিভাগের আদেশ ও মামলার অবস্থা বিশ্লেষণ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, এ বিষয়ে আলাদা তিনটি চিঠি প্রকাশ করে ইসি।প্রথমে চট্টগ্রাম-৪ আসনের জন্য জানানো হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত একটি রিটের আদেশের কারণে এই আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, তবে তার ফলাফল ঘোষণা তখন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যেটা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চলবে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তার ফলাফল স্থগিত থাকবে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম-২ আসনের জন্য বলা হয়েছে, সরোয়ার আলমগীরও আপিল বিভাগের আদেশের ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তবে তার ফলাফল প্রকাশের জন্যও এখনই অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, যতক্ষণ না মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।
অবশেষে, শেরপুর-২ আসনের জন্য জানানো হয়েছে, মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন, কিন্তু তার ফলাফলও স্থগিত থাকবে। কারণ এই আসনের sonuç ঘোষণা আপিল বিভাগের চূড়ান্ত আদেশের ওপর নির্ভর করবে।
এখনো সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতের শেষ সিদ্ধান্তের ওপর কেন্দ্রীয় প্রতিযোগীদের ফলাফলের ঘোষণা নির্ভরশীলতা থাকবে, যা নির্বাচনে সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
