Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    সম্প্রতি ক্রিকেটে এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশের এবং শ্রীলঙ্কার লড়াই নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। হংকংয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে শুরু করা বাংলাদেশ দল এখন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারানোই বাংলাদেশকে সুপার ফোরে নিয়ে যাবে।

    বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে শেষ কয়েক বছরে ম্যাচগুলোতে নানা উত্তেজনা দেখা গেছে। ২০১৮ সালের নিদাহস ট্রফির পর থেকে এই দ্বৈরথ আরও জমে উঠেছে। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের মেরু বদল সময়ে দেখা দিয়েছে নতুন উত্তেজনা। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে উঠতেই হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশের।

    আপাতত, বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে হংকংকে সহজেই হারিয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ ছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। ফলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা দলটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতের পর্যায়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা আসছে একটু দেরিতে একটি সিরিজের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এর আগে তারা জিম্বাবুয়ে সিরিজ খেলেছে।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে। অন্যদিকে, এশিয়া কাপের এই আসরে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশকে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে মনে করেন বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এ সূচিটি বাংলাদেশকে বেশ সহায়তা করছে। তারা একটি ম্যাচে জিতেছে এবং কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিয়েছে। তাই, এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার মতো দলের জন্য সহজ নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক।

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা থাকলেও লিটন দাস ও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কিছু সমস্যাও দেখেছেন জাফর। টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখিয়ে তিনি বলেছেন, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে। তবে, জুলাইয়ে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে জেতানো ইতিবাচক মনে করেন। তিনি আরও বলছেন, বাংলাদেশ অবশ্যই সুপার ফোরে যেতে পারে।

    জাফর বললেন, ‘বাংলাদেশকে কখনওই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তারা যেমন একটি ম্যাচ জিতেছে, কন্ডিশনের সাথে পরিচিত হয়েছে, তেমনি যদি শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে হারাতে পারে, তাহলে তারা সুপার ফোরে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

  • ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ৬ রানে ২ উইকেট পড়ার পর, ফারহান ও ফখর জামান পাওয়ার খেলতে থাকেন। তারা দলের স্কোর উন্নত করতে চেষ্টা করেন, তবে ফখর বাজে শটে উইকেট হারান। এরপর সালমান আলি আগা, হাসান নাওয়াজ ও মোহাম্মদ নাওয়াজরাও ব্যাটিংয়ে অবদান রাখতে থাকেন। ফারহান তার সফল ইনিংসটা চালিয়ে যান, ৪৪ বলে ৪০ রান করে। তবে আউটের পর পরিস্থিতি কঠিন হয়ে আসে। তবে এখানেই শেষ নয়, আফ্রিদি নিজের পাওয়ার হিটিং ক্ষমতা আবার দেখান ১৬ বলে চার ছক্কায় ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।

  • বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সামনে এগিয়ে থাকায় বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার, যেখানে বোর্ডের সভাপতি ও পরিচালকদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা, আসন্ন সাধারণ সভা (ইজিএম ও এজিএম) এর সম্ভাব্য সূচি, এবং ঢাকা মহানগরীর ক্লাব ক্রিকেট সংগঠকদের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত তপশিল বা শিডিউল নির্ধারিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ এবং ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচনী দিন। বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া চলছে। তিনজন নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এবং আমাদের প্রয়োজন ছিল পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিভাবে সব চিঠি যাবে ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ক্যাটাগরিতে: প্রথম ক্যাটাগরি- বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০জন, দ্বিতীয় ক্যাটাগরি- ক্লাব প্রতিনিধিদের ভোটে ১২জন, তৃতীয় ক্যাটাগরি- সাবেক অধিনায়ক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ১জন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে আরও ২ জন পরিচালক থাকবেন। সব মিলিয়ে মোট ২৫ জন পরিচালকের ভোটে নির্বাচিত হবে বিসিবির নতুন সভাপতি।

  • বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    ক্রিকেটে নারীর ক্ষমতায়নে এক ঐতিহাসিক দৃষ্টি আকর্ষণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিসি। নারী ক্রিকেটের জন্য এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের একটি দল দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক আসরে। এর ফলে এই ঘটনাকে ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। চলমান নারী বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিসিয়ালসদের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে, সামনের বিশ্বকাপে নারীদের এই ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিশ্বকাপের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ১৪ জন আম্পায়ারের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করছেন সাথিরা জাকির জেসি। এ ছাড়া, ক্লেয়ার পোলসাক, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস এবং সু রেডফার্ন এই ত্রয়ীর তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, লরেন এগেনব্যাগ ও কিম কটন তাদের দ্বিতীয় নারী বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। এই দুই নারী আম্পায়ার ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ম্যাচ রেফারি দলের মধ্যে রয়েছে ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী ও মিশেল পেরেইরা। তারা ভারতের শীর্ষস্থানীয় নারী ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই ঐতিহাসিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের জন্য এই পূর্ণাঙ্গ অফিসিয়াল প্যানেল একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি লিঙ্গ সমতা অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে সাহস জোগাবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি মাইলফলকের মুহূর্ত, যা ক্রিকেটের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আরও অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের অন্তর্ভুক্তি আইসিসির লিঙ্গ সমতা ও সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই তালিকায় রয়েছে নারায়ণ জননী, নিমালি পেরেরা, গায়ত্রী ভেনুগোপালান ও নারায়ণ জননীসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত মহিলা আম্পায়ার। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আছেন সাথিরা জাকির জেসি, যিনি এই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বে নারীর অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ প্রচুর আভিজাত্য দেখিয়েছে। হংকংকে ৯৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করেছে। আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের মারকুটে স্কোর তৈরি করে। জবাবে হংকং পুরো ২০ ওভার খেলেও মাত্র ৯৪ রানের বেশি করতে সক্ষম হয়নি। এতে তারা ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। চার ব্যাটারের মধ্যে দুজন রানআউটের কারণে খেলার ধারায় বাধা পড়ে। বাবর হায়াত এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই কিছুটা লড়াই করলেও বেশির ভাগ ব্যাটাররা দ্বিশতক ছুঁতে পারেননি। বল হাতে আফগানিস্তানের গুলবাদিন নাইব ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট লাভ করেন, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। এর আগে, আফগান ব্যাটসম্যান সেদিকুল্লাহ অতল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন, শেষে ব্যাটিং ঝকমকিয়ে উঠেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুজনের ফিফটির ওপর ভর করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের দুর্দান্ত স্কোর সংগ্রহ করে। আবুধাবিতে টসে জিতে আফগানরা আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অতলের ব্যাটে উন্নত সূচনা পাওয়া গেলেও এরপর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে তারা কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ওভারে মেইডেন দেন হংকং পেসার। এরপর তৃতীয় ওভারে আয়ুশ শুক্লার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তারপরই রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৫ বলে ৮) আউট হন। পরের ওভারে আতিক ইকবাল উইকেট কিপার ক্যাচ নিয়ে ফিরে যান। এই ওভারেও মেইডেন যান হংকং। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪১ রান করে ২ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরে, তৃতীয় উইকেটে অতল ও মোহাম্মদ নবি ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১০ ওভারে ৭৭ রান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আফগানিস্তান বেশ কিছু সময় ধরে স্থির থাকলেও ১১তম ওভারে গুলবাদিন নাইব ২৬ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন। দ্বিতীয় ওভারে কিনচিত শাহ ২৬ বলে ৩৩ রান করে নিয়েছেন। অতল ৪১ বলে ফিফটি পূরণ করেন এবং অপরাজিত থাকেন ৫৩ বলে ৭৩ রানে, যেখানে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এক জায়গায় এসে ঝড় তুলেন এবং ২০ বলে ৫৩ রান করেন। এই দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্যে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। তার পর, তিনি ৫২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। হংকংয়ের কিনচিত শাহ ও আয়ুশ শুক্লা দুইজন করে উইকেট নেন।

  • পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান শক্তির ঝাঁঝ দেখিয়েছে। ব্যাটিং আর বোলিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করে ওমানের প্রতিরোধভঙ্গ করে তারা ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করে। সালমান আগার দল শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠে।

    পাকিস্তান প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে। ওপেনার সাইম আইয়ুব দ্রুত আউট হয়ে গেলে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের উল্লেখযোগ্য জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন আক্রমণাত্মক, ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলের অর্ধেক স্কোরে পৌঁছে দেন। ফারহান আরও ২৯ রান যোগ করেন।

    একপর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোরে ধস নামে। অর্ধেক দলের মধ্যে ১20 রানে তাদের ছয় উইকেট পড়ে যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ফখর জামান ২৩ রানের আর মোহাম্মদ নেহাজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে ১৬০ রান ডাকে, যেখানে ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে পৌঁছে।

    অন্য দিকে ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, তবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক বোলিং আক্রমণে তুলে নেন তাদের বিরাট ক্ষতি। ব্যাটসম্যানদের কঠোর দাপটে ওমানের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৬৭ রানে গুটিয়ে। সাইম, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, আর শাহীন শাহ আফ্রিদি, আবরার আহমেদ ও নেওয়াজের ঝুলিতে যায় একেকটি উইকেট।

    সর্বশেষ, পাকিস্তানের এই উজ্জ্বল জয় এশিয়া কাপের প্রথম দিনেই দর্শকদের মন মাতিয়ে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে এশিয়ার এক রাইভালরি হিসেবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার লড়াই আরও উত্তেজনাময় হয়ে উঠেছে। এশিয়া কাপে একই গ্রুপে থাকায় এই দুটি দলের মধ্যে ম্যাচের প্রত্যাশা করছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করে টাইগাররা এখন পরের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও ক্রিকেট বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলেই বাংলাদেশ সুপার ফোরের পথে এগিয়ে যাবে।

    অতীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচগুলি ছিল উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষত ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফির পর থেকে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে আচমকাই হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, যখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড আউটের ঘটনা ঘি ঢেলে দেয়। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয় খুবই জরুরি।

    বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে সহজেই হংকংকে হারিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। এর অর্থ, শ্রীলংকার বিপক্ষে জয়টি দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের জন্য একটু দেরিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে, এর আগে জিম্বাবুয়েতে সিরিজও খেলেছে তারা।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এক ধরণের সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করেন ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, এই সূচি বাংলাদেশকে অনেকখানি সুবিধা দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই এক জয় পেয়েছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাই এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য অনেক সহজ।’

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা হলেও তরুণ লিটন দাসদের জন্য যেখানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অপার পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানও গুরুত্বপূর্ণ। তবুও জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর সেই চেহারা খানিকটা বদলে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ সুপার ফোরে যেতে পারে যদি তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ নিতে পারে।

    উল্লেখ্য, ওয়াসিম জাফর মনে করেন, ‘বাংলাদেশকে কখনই আপনি সুপার ফোরের হিসেবের বাইরে রাখতে পারবেন না। তারা ইতিমধ্যে কন্ডিশন জানে, এক ম্যাচ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে। যদি বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে এই ম্যাচে হারিয়ে দেয়, তাহলে তারা স্বয়ং সুপার ফোরের প্রবেশের পথ খুলে যাবে।’

  • ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রতিপক্ষের সাথে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের সংগ্রামরত শত্রু হংকংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি দেখিয়েছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে হংকংয়ের দেয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সহজেই অর্জন করে টাইগাররা।

    ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন উড়ন্ত ইনিংস শুরু করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পরই তিনি ১৪ বলে ১৯ রান করে আয়ুশ শুকলার বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর তানজিদ তামিমের সাথে লিটন দাস দলের পরিস্থিতি সামাল দেন। তামিমের বিদায়ের পরে তানজিদ ১৪ রান করার পরে ফিরে যান, তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় দলের জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে থাকেন।

    দলের ৫০ রানের জুটি গড়ে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন অধিনায়ক লিটন দাস, যার জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয় দলের জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন এবং অবসান ঘটান ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ টস জিতে আগে বল করতে চয়ন করে, যেখানে হংকংয়ের দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তোলে। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নিজাকাত খান, ৪২ রান। বাংলাদেশের জন্য সেরা বোলার ছিলেন তানজিম সাকিব, যিনি ২ উইকেট নেন।

    তাসকিন আহমেদ তার প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষে ব্যাটসম্যান অংশুমান রাথকে ক্যাচ ধরিয়ে ফেরান। এরপর তিনি আরও দু’টি উইকেট লাভ করেন, যার মধ্যে বাবর হায়াত ও জিসান আলীর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট রয়েছে। তানজিম সাকিব আরও দুটি উইকেট নেন, একেবারে শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করেন।

    পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার সাথে মুখোমুখি হবে, যা আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশি দল এশিয়া কাপের শুভ সূচনা করেছে, সতেজ আত্মবিশ্বাসের সাথে পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    পাকিস্তানের প্রখ্যাত পেসার উসমান শিনওয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন। দেশটির জার্সিতে তিনি খেলেছেন একটি টেস্ট, ১৭টি ওয়ানডে ও ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তার বয়স এখন ৩১ বছর।

    শিনওয়ারির আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর, যখন তিনি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুবাইয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে প্রথম ম্যাচে তিনি এক ওভারে বল করে উইকেটশূন্য থাকেন। এরপর তিনি আরও তিনটি টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। ২০১৭ সালে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার ওয়ানডে অভিষেক হয়।

    ২০১৯ সালে ডিসেম্বরে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষের দিকে আসে। মূলত পিঠের চোটের কারণে তার খেলার সময়কাল বেশি লম্বা হয়নি। নিয়মিত চোটের ফলে তিনি দলে নিয়মিত থাকতে পারেননি।

    ওয়ানডেতে তার সেরা পারফরম্যান্স ছিল অভিষেকের দ্বিতীয় ম্যাচে, ২০১৭ সালে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে তিনি ২১ বলের মধ্যে ৫ উইকেট নিয়ে ৩৪ রানে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। আবার ২০১৯ সালে করাচিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজের শেষ ওয়ানডেতেও তিনি পাঁচ উইকেট নেন।

    মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি আলোচনায় আসেন যখন বিভাগীয় টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে নিজেকে প্রমাণ করেন। মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের বিপক্ষে ৩।১ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন। সেই পারফরম্যান্সের পরই তাকে জাতীয় দলে ডাক দেয়া হয়। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স আরও দৃঢ় হলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে টিকিয়ে রাখতে পারেননি। এবার তিনি ক্রিকেটের বিশ্ব থেকে অবসর নিচ্ছেন, এই তার কাঁধে সতেজ এক বিদায়ের গল্প।

  • ৭ উইকেটে জিতে এশিয়া কাপের সূচনা জানাল বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটে জিতে এশিয়া কাপের সূচনা জানাল বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে এবার পুরোপুরি ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টাইগাররা দুর্দান্ততাকে বজায় রেখেছে এবং বড় ব্যবধানে জয়ের স্বাদ গ্রহণ করেছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ছিল ১৪৪ রানের লক্ষ্য। ব্যাট হাতে শুরু করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন, যিনি প্রথম কিছুটা ঝড় তোলার চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত ১৪ রান করেই আয়ুশ শুকলার শিকার হন। এরপর তানজিদ তামিমকে নিয়ে ইনিংসটি মেরামতের কাজ শুরু করেন লিটন দাস। ১৮ বলে ১৪ রান করে তামিমও ফিরে গেলে চাপ কিছুটা বেড়ে যায়। তবে লিটন ও তাওহীদ হৃদয় পরিস্থিতি সামাল দেন, দুজনের জোড়া জুটিতে দল শতাধিক রান পার করে। অধিনায়ক লিটন ৩৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন, তখন দলের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয়ও দারুণ সঙ্গে দেন, কিন্তু দলকে জয় নিশ্চিত করার শেষ মুহূর্তে ৫৯ রান করে আউট হন লিটন। দলের জয় তখন বেশ কাছাকাছি, রইলেন ৩৫ রানে অপরাজিত। আগে টসে জিতে বাংলাদেশ শুরু করে বল হাতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। হংকং প্রথমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন নিজাকাত খান। বাংলাদেশ তারকা বোলার তানজিম সাকিব দুটি উইকেট নেন, যেখানে প্রথম উইকেটটি পান তিনি উঠে। এরপরই শুরু হয় হংকংয়ের ঝলক, ওপেনার অংশুমান রাথকে গ্রেফতার করেন তাসকিন আহমেদ। অন্যদিকে, বাবর হায়াতকে ধীরস্থিরভাবে আউট করেন। জিসান আলী ও নিজাকাত খান জুটি গড়লেও এরপর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ইয়াসিম মুরতেরজা আক্রমণাত্মক ইনিংস খেললেও, রান আউট হয়ার পর দল আরও দ্রুত পড়ে যায়। শেষদিকে, রিশাদ হোসেন নিজাকাত খানের উইকেটটি তুলে নেন এবং তাসকিন শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করে হংকংয়ের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। আগামী শনিবার বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।